Tag: JP Nadda

JP Nadda

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব (PM Modi)। রবিবার ছিল তাঁর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর (Shyama Prasad Mukherjee)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “দেশের মহান সন্তান, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ এবং শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শাহাদত দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি মাতৃভূমির সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর গতিশীল ব্যক্তিত্ব দেশের প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।”

    শাহি স্মরণে শ্যামাপ্রসাদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও আত্মমর্যাদার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।” তাঁর দাবি, ‘এক নিশান, এক বিধান, এক প্রধান’ স্লোগান তুলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখার লড়াইয়েও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। শাহ বলেন, “সংবিধান সভার সদস্য হিসেবে ভাষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের সামনে একটি বিকল্প রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরেছিলেন।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। দিল্লিতে দলের সদর দফতরে শ্যামাপ্রসাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। দলীয় কর্মীদের মধ্যে গাছের চারাও বিলি করেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের স্থপতি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ত্যাগ ও আদর্শ আগামিদিনেও দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে (Shyama Prasad Mukherjee)।”

    জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা

    প্রসঙ্গত, শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা, যা পরবর্তীকালে বিজেপির আদর্শগত ভিত্তি হিসেবে পরিচিত হয়। স্বাধীনতার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভায় শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ১৯৫০ সালে দিল্লি চুক্তি নিয়ে মতবিরোধের জেরে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর দিল্লিতে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। দলের প্রথম সভাপতি হন শ্যামাপ্রসাদই। ১৯৫৩ সালে (PM Modi) জম্মু-কাশ্মীর সফরে গিয়েছিলেন তিনি। ১১ মে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বন্দি ছিলেন জেলে। সেখানেই ওই বছরেরই ২৩ জুন মৃত্যু হয় তাঁর। শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যু নিয়ে আজও রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে (Shyama Prasad Mukherjee)।

     

  • JP Nadda: জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা মামলা, ফলতার প্রাক্তন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ পুলিশের

    JP Nadda: জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা মামলা, ফলতার প্রাক্তন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে ডায়মন্ড হারবার সফরের সময় বিজেপির তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার (JP Nadda) কনভয়ে হামলার ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করেছে পুলিশ। এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত তথা ফলতার তৎকালীন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গীর খানকে (Jahangir Khan) সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি ঘটনাস্থলে অপরাধের পুনর্নির্মাণ (Crime Scene Reconstruction) করেছে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল। রাস্তা দিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার সময় পরনে হাফ প্যান্ট ছিল। দুই হাতে কান ধরে ছিলেন এবং রাস্তায় উপস্থিত জনতার কাছে ক্ষমা চাইছিলেন।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তপ্রক্রিয়া (JP Nadda)

    ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে জাহাঙ্গীর খানকে (Jahangir Khan) ফলতার নির্দিষ্ট ঘটনাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ২০২০ সালের সেই দিনটিতে (JP Nadda) ঠিক কী ঘটেছিল, কনভয় লক্ষ্য করে কীভাবে এবং কোথা থেকে আক্রমণ চালানো হয়েছিল— তার একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণচিত্র তৈরি করেন তদন্তকারীরা। পুলিশি জেরা ও পুনর্নির্মাণের সময় একসময়ের এই দাপুটে নেতাকে অত্যন্ত অনুতপ্ত ও বিপর্যস্ত দেখায়। সেই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতেই তিনি নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

    মামলা পুনরুজ্জীবন ও সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট

    দীর্ঘদিন এই মামলার (JP Nadda) তদন্ত থমকে থাকার পর, সম্প্রতি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটি নতুন করে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সূত্রের খবর, ইতিপূর্বে রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনও কারণে তদন্তের গতিপ্রকৃতি ব্যাহত হয়েছিল, যার ফলে মূল অভিযুক্তরা আইনি সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। তবে বর্তমান প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নজরদারির পর এই মামলার জট খুলতে শুরু করেছে।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে জাহাঙ্গীর খানের (Jahangir Khan) রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে সরে যাওয়া এবং পরবর্তীকালে নেপাল সীমান্ত থেকে তাঁর গ্রেফতারের পর, পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে থাকা এই পুরোনো ও স্পর্শকাতর মামলাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না এবং ঘটনার পেছনে থাকা সমস্ত কুশীলবদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • JP Nadda: স্বাস্থ্যে আত্মনির্ভরতার বড় পদক্ষেপ, দেশীয় টিটেনাস ও অ্যাডাল্ট ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন চালু নাড্ডার

    JP Nadda: স্বাস্থ্যে আত্মনির্ভরতার বড় পদক্ষেপ, দেশীয় টিটেনাস ও অ্যাডাল্ট ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন চালু নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও এক ধাপ। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে স্বনির্ভর দেশ। শনিবার হিমাচল প্রদেশের কাসৌলিতে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গবেষণগার (Central Research Institute) দেশীয়ভাবে প্রস্তুত টিটেনাস ও অ্যাডাল্ট ডিপথেরিয়া (টিডি) ভ্যাকসিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি একে ভারতের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্যখাতে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাড্ডা বলেন, “এই ভ্যাকসিনের সূচনা দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য পরিকাঠামো মজবুত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এর বাস্তব রূপ

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টিডি ভ্যাকসিনকে দেশের ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রামের (Universal Immunization Programme) আওতায় সরবরাহ করা হবে। আগামী এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে সিআরআই প্রায় ৫৫ লক্ষ ডোজ সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে, যাতে সারা দেশে টিকাকরণ কর্মসূচি জোরদার করা যায়। নাড্ডা জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও ওষুধ উৎপাদন ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জনের জন্য কেন্দ্র সরকার সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দেশীয় টিডি ভ্যাকসিন সেই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ভাবনারই বাস্তব রূপ। নাড্ডা বলেন, ভারত আজ বিশ্বে ‘ফার্মেসি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে পরিচিত এবং বৈশ্বিকভাবে অন্যতম প্রধান ভ্যাকসিন উৎপাদক দেশ। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল বেঞ্চমার্কিংয়ে ভারত ‘ম্যাচুরিটি লেভেল ৩’ অর্জন করেছে, যা দেশের শক্তিশালী ভ্যাকসিন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার প্রমাণ।

    স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতি

    অতীতের প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, একসময় টিটেনাস ভ্যাকসিন তৈরি হতে বহু দশক সময় লেগেছে। এমনকি জাপানিজ এনসেফালাইটিস ভ্যাকসিন আবিষ্কারেও দীর্ঘ গবেষণা প্রয়োজন হয়েছিল। তবে কোভিড-১৯ মহামারির সময় ভারতের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাত্র নয় মাসে দেশ দুটি দেশীয় টিকা তৈরি করে এবং ২২০ কোটিরও বেশি ডোজ প্রয়োগ করে, যার মধ্যে বুস্টার ডোজও ছিল। টিকাকরণ শংসাপত্র ডিজিটালভাবে প্রদান করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতির নিদর্শন। ‘ভ্যাকসিন মৈত্রী’ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে নাড্ডা জানান, ভারত প্রায় ১০০টি দেশে কোভিড টিকা সরবরাহ করেছে, যার মধ্যে ৪৮টি দেশকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সিআরআই-এর মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

  • JP Nadda: রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিশেষ কেন্দ্রীয় টিম গঠন নাড্ডার, সবরকম সাহায্যের আশ্বাস

    JP Nadda: রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিশেষ কেন্দ্রীয় টিম গঠন নাড্ডার, সবরকম সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নিপা ভাইরাসের (Nipah Cases) দুটি সন্দেহভাজন কেস শনাক্ত হয়েছে। ঠিক তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda) পশ্চিমবঙ্গকে পূর্ণ কেন্দ্রীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। সেইসঙ্গে দ্রুত সংক্রমণ বিস্তারের রোধে একটি কেন্দ্রীয় পরিদর্শকের টিম গঠন করেছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সব রকম ভাবে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন।

    জাতীয় স্তরের জরুরি প্রোটোকল চালু (JP Nadda)

    ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর ভাইরাস রিসার্চ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। আর এরপর থেকেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জাতীয় স্তরের জরুরি প্রোটোকল চালু করেছে। নিপা ভাইরাসের সংক্রমণের (Nipah Cases) তথ্য পাওয়ার পরপরই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী নাড্ডা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের ঊর্ধ্বতন স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কার্যকারী সমন্বয় কমিটি গঠন করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব, রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং স্বাস্থ্য দফতরের মুখ্য সচিবের সঙ্গে প্রস্তুতি পর্যালোচনা এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ আলোচনাও করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী (JP Nadda)।

    কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়

    রাজ্য সরকারকে সহায়তা করার জন্য পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় ভাইরোলজি ইনস্টিটিউট (পুণে), জাতীয় মহামারীবিদ্যা ইনস্টিটিউট (চেন্নাই), অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হাইজিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ (কলকাতা), এইমস কল্যাণী এবং পরিবেশ মন্ত্রকের বন্যপ্রাণী বিভাগ সহ শীর্ষস্থানীয় জনস্বাস্থ্য ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় স্তরের সমন্বয় টিম কাজ শুরু করেছে।

    দিল্লির জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের জনস্বাস্থ্য জরুরি অপারেশন সেন্টারকেও সক্রিয় করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে পরীক্ষাগার সহায়তা, সংক্রমণে নজরদারি, সংক্রমণ প্রতিরোধ প্রোটোকল এবং কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলিকে সক্রিয় করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দলের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান, সন্দেহভাজনদের বিচ্ছিন্নকরণ এবং মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ (Nipah Cases) রোধে কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    নিপা ভাইরাস একটি ‘জুনোটিক’ সংক্রমণ যা প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংক্রমণ দ্রুত মৃত্যুর প্রবণতাকে বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণকে বার বার গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে।

  • JP Nadda in Bengal: ‘‘রাজনৈতিক নয়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলায় বিজেপিকে জিততে হবে’’, বঙ্গ ব্রিগেডকে বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda in Bengal: ‘‘রাজনৈতিক নয়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলায় বিজেপিকে জিততে হবে’’, বঙ্গ ব্রিগেডকে বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক কারণে নয়, জিততে হবে জাতীয় স্বার্থে। রাজ্য বিজেপিকে বৃহস্পতিবার এমনই বার্তা দিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Bengal)। দু’দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফরের প্রথম দিনে একগুচ্ছ সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জেলা সভাপতি, বিভাগ (কয়েকটি জেলার সমষ্টি) আহ্বায়ক এবং ভিন্‌রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে নাড্ডা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন নাড্ডা। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এ রাজ্যেও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে।

    ‘রাজনৈতিক’ নয়, জিততে হবে ‘জাতীয় স্বার্থে’

    বিজেপি সূত্রের খবর, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে এ বার বিজেপি-কে জিততেই হবে বলে জানান দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। এ বারের নির্বাচন শুধু ‘রাজনৈতিক লড়াই’ নয়, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াই। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে এত দিন শুধু ‘হবে না, হবে না, হবে না’ চলেছে। এ বার থেকে ‘হবে, হবে, হবে’।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হবে না’ সংস্কৃতির অবসান ঘটবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। আর বিধানসভা নির্বাচনে জয় ছাড়া অন্য কোনও কিছু না-ভেবে কাজ করার পরামর্শ দেন। বিধাননগর সেক্টর ফাইভে নাড্ডার বৈঠকে বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, পাঁচ সাধারণ সম্পাদক, দুই সংগঠন সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে জেলা সভাপতি এবং বিভাগ আহ্বায়কদের পরামর্শ দেন নাড্ডা। বিভিন্ন বিজেপিশাসিত রাজ্যের মোট ৪৩ জন মন্ত্রীকে এ রাজ্যে বিজেপির ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ভোট ব্যবস্থাপনা সামলানোর দায়িত্ব দেন নাড্ডা। সে সবের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ‘গুরুত্ব’ বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

    বৃহত্তর জনবিন্যাস সংক্রান্ত সঙ্কট

    এক বৃহত্তর জনবিন্যাস সংক্রান্ত সঙ্কটের হাত থেকে ভারতকে রক্ষার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ জয়ের কথা বলেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। তিনি বলেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ আমাদের কাছে রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াই নয়। পশ্চিমবঙ্গ আমাদের কাছে সভ্যতা রক্ষার লড়াই। ভারতকে রক্ষা করতে হলে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে জিততেই হবে।’’ একই অভিমত ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর-ও। পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে এবং গোটা দেশের স্বার্থে এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় জরুরি বলে শাহ মন্তব্য করেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যত দিন থাকবে, তত দিন পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা যাবে না বলে তোপ দেগেছিলেন শাহ। এই মুহূর্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হিসাবে ব্যাখ্যা করে শাহ বলেছিলেন যে, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। এবং তা রোখা যাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার তৈরি হলে।

    রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    সাংগঠনিক বৈঠক সেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাড্ডা (JP Nadda in Bengal) যোগ দেন চিকিৎসকদের একটি অনুষ্ঠানে। ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি প্রেক্ষাগৃহে বিজেপি-পন্থী চিকিৎসকেরা সে কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন,‘‘আমি এখানে রাজনীতি করতে চাই না, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় যে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’’ রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পটি আটকে রেখেছে। এমনকী আয়ুষ্মান কার্ড ছিঁড়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। নাড্ডার কথায়,‘‘আমি মমতাজিকে বলেছিলাম, তাঁদের দোষ কী? তাঁরা গরিব মানুষ এবং এটি একটি বহনযোগ্য ব্যবস্থা। যদি পশ্চিমবঙ্গের কোনও শ্রমিক হিমাচল প্রদেশে অসুস্থ হন, তাহলে তিনি সেখানেই চিকিৎসা পাবেন এবং টাকা বাংলা থেকে সেই প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হবে।’’ প্রকল্পের সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করে নাড্ডা জানান, ‘‘গত বছর মোদিজি ঘোষণা করেছিলেন যে, ৭০ বছরের বেশি বয়সি সমস্ত ব্যক্তি, তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে, আজীবন প্রতি বছর ৫ লাখ টাকার স্বাস্থ্য বিমা-সহ এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। কিন্তু বাংলার মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্নছে।’’এরপরই নাড্ডা বলেন, ‘‘আমি আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।’’ উদাহরণ হিসেবে তিনি ওডিশা এবং দিল্লির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে প্রথমে আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে বিরোধিতা থাকলেও, পরে তা বাস্তবায়িত হয়। নাড্ডা দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘‘বাংলায় এটি শুধু আশার আলো নয়, আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে যে এখানে পদ্ম ফুল ফুটবে এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।’’

    রাজ্যে মাতৃমৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বিগ্ন

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Bengal) রাজ্যের মাতৃমৃত্যু হারের (MMR) পরিসংখ্যান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি বাংলার মাতৃমৃত্যু হার (এমএমআর) নিয়ে উদ্বিগ্ন, যা ১০৪। এটি জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক বেশি।” নাড্ডা আরও জানান, ২০১০-১১ সাল থেকে এটি মাত্র ১১ শতাংশ কমেছে, যেখানে জাতীয়ভাবে এই হার ৩৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি যোগ করেন, “এটি অনেক কিছু বলে দেয়। যদি মায়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতি না হয়, তবে এটি প্রমাণ করে যে পরিবার কল্যাণের জন্য যে সমস্ত কর্মসূচি রয়েছে, তা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না।’’ আজ, ৯ জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট কলকাতায় যাবেন। সেইসঙ্গে এইমস কল্যাণীর রেডিয়েশন অঙ্কোলজি, ট্রমা, এমার্জেন্সি মেডিসিন এবং নিউমেটিক টিউব সিস্টেম উদ্বোধন করবেন নাড্ডা।

  • JP Nadda: নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে কলকাতায় সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে কলকাতায় সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছেন। হাতে গোনা কয়েকমাস পরেই নির্বাচন। তাই দলকে সম্পূর্ণ ভাবে লড়াইয়ের ময়দানে নামাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অত্যন্ত তৎপর। বিজেপির সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (JP Nadda) বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি, কলকাতায় রাজ্য বিজেপির দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে শহরে এসেছেন। দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে পরাজিত করতে দলের প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করতে তিনি দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন।

    স্বাগত জানান শুভেন্দু-শমীক (JP Nadda)

    বিজেপি বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal BJP) বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সাভপতি শমীক ভট্টাচার্য বিমানবন্দরে নাড্ডা স্বাগত জানান। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গতিশীল নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নাড্ডাজীর দূরদর্শিতা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করবে।” উল্লেখ্য গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতা সফরে এসেছিলেন। তিনি বিজেপির নেতাদের ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন।

    তাঁর সফরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে

    • দলের (West Bengal BJP) পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের কোর কমিটির বৈঠক।
    • বিভিন্ন জেলা-স্তরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়।
    • বিজেপির ডক্টরস সেলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
    • নির্বাচনের আগে দলের মাঠ-স্তরের কর্মীদের কাছ থেকে মতামত (ফিডব্যাক) গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা।

    দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৯ই জানুয়ারি নাড্ডা (JP Nadda) তাঁর কেন্দ্রীয় মন্ত্রক-সম্পর্কিত সরকারি দফতরের বেশ কিছু বৈঠকগুলিতে যোগ দেবেন। এই দিন তিনি যে যে জায়গা পরিদর্শন করবেন তার মধ্যে হল–

    • কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (CNCI) পরিদর্শন করবেন।
    • নদিয়া জেলার কল্যাণী এইমস-এ (AIIMS Kalyani) ডিপার্টমেন্ট অফ রেডিয়েশন অনকোলজি, ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রমা অ্যান্ড এমার্জেন্সি মেডিসিন, এবং নিউম্যাটিক টিউব সিস্টেমের উদ্বোধন করবেন।
  • Vice-Presidential Election: ধনখড়ের উত্তরসূরী কে? নতুন উপরাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করতে রবিবার বৈঠকে বসছে বিজেপি

    Vice-Presidential Election: ধনখড়ের উত্তরসূরী কে? নতুন উপরাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করতে রবিবার বৈঠকে বসছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরী (Vice-Presidential Election) ঠিক করতে রবিবার বৈঠকে বসছে বিজেপি সংসদীয় বোর্ড (BJP Parliamentary Board Meeting)। সূত্রে খবর, সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ বিজেপি সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকেই দলের উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হবে। জানা যাচ্ছে, এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীরা উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর মনোনয়নে অংশ নেবেন। দেশের নতুন উপরাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। এমতাবস্থায় উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করতে রবিবার বৈঠকে বসছে বিজেপি সংসদীয় বোর্ড।

    কবে, কীভাবে হবে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন

    এনডি-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ২১ অগাস্ট মনোনয়ন জমা দেবেন। উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচন কমিশন গত ৭ অগাস্ট নতুন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দাখিলের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত এবং নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে ১৭-তম উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। লোকসভা এবং রাজ্যসভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি ইলেক্টোরাল কলেজ দ্বারা উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

    জগদীপ ধনখড়ের পদত্যাগ

    উল্লেখ্য, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিন সভার কাজ করার পর জগদীপ ধনখড়ের আশ্চর্যজনক পদত্যাগের পর উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন আবশ্যিক হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে লেখা চিঠিতে ধনখড় স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং চিকিৎসা পরামর্শ মেনে চলার কথা উল্লেখ করেছেন।

    বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে অন্য বিষয়

    নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি কৌশলগতভাবে তার জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-এর শরিক দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছে, যাতে ভোটের সর্বাধিক সমর্থন নিশ্চিত করা যায়। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, বিজেপি তার দুই কক্ষের সাংসদদের দিল্লিতে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এই কর্মশালা চলবে ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর উদ্বোধন করবেন বিজেপি জাতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। সেই নিয়েও সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সেশনে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এবং অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা, যাঁরা সাংসদদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে দিকনির্দেশ দেবেন। কর্মশালায় পূর্ণ সময় উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক এবং সাংসদদের ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানীতে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান আবশ্যিক

    উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানের দিন সর্বাধিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এনডিএ শরিক দলের সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাংসদদের ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কমিটির বৈঠক সেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কর্মশালার অংশ হিসেবে থাকবে একটি ‘মক ভোটিং’ বা অনুশীলনী ভোটাভ্যাস, যেখানে প্রথমবার নির্বাচিত এবং তরুণ সাংসদদের ভোটদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত করানো হবে। কৌশলগতভাবে, এনডিএ-র পরিকল্পনা হল সাংসদদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে সেই দলে শরিক দলের নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া, যাতে ৯ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে সাংসদদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

    একমত হওয়ার চেষ্টা

    সরকারের পরিকল্পনার আরও একটি দিক হল—সেইসব দলগুলিকে কাছে টানা যারা অতীতে নিরপেক্ষ বা নমনীয় অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিআরএস, ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং বিজেডি, যারা প্রার্থীর প্রোফাইল দেখে অতীতে এনডিএ-র প্রার্থীদের সমর্থন করেছে। এখনও পর্যন্ত এনডিএ বা বিরোধী পক্ষ কেউই ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রাজ্যসভায় সদন নেতা জে পি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু – এই শীর্ষ মন্ত্রীরা বিরোধী দলগুলির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন একটি ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে। তবে বিরোধী পক্ষের ঐক্যবদ্ধ মনোভাবের প্রেক্ষিতে এনডিএ-র সঙ্গে কোনও সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই রাজনৈতিক মহলের অভিমত। বিরোধী দলগুলিও নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন অবশ্যম্ভাবী।

    জয় নিশ্চিত

    উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুতিতে কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ বিজেপি। জগদীপ ধনখড়ের ছেড়ে যাওয়া আসনে ভোটের আগে আগামী সপ্তাহে এনডিএ সাংসদদের ওই মেগা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ এনডিএ শিবিরের সব শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকতে পারেন। সেখানেই প্রার্থীর নাম জানানোর কথা। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে ইতিমধ্যেই দু-দুবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠকে বসেছে এনডিএ। গত বৈঠকেই প্রার্থী বাছাই নিয়ে শরিক নেতৃত্বকে আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই প্রার্থী বাছাই করা হবে। এদিন শরিক নেতৃত্ব সেই প্রধানমন্ত্রী ও নাড্ডার ওপর প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, এনডিএ-র সকল শরিক একমত হয়ে প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী ও জেপি নাড্ডার উপর ছেড়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, সবার মত নিয়েই প্রার্থী নির্বাচন হবে।

     

     

     

     

  • BJP: রাজ্যে রাজ্যে চলছে বিজেপির সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া, জুলাইতেই ঘোষণা নাড্ডার উত্তরসূরি?

    BJP: রাজ্যে রাজ্যে চলছে বিজেপির সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া, জুলাইতেই ঘোষণা নাড্ডার উত্তরসূরি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজ্যে চলছে বিজেপির (BJP) সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে ত্বরান্বিত হচ্ছে বিজেপির জাতীয় সভাপতির নাম ঘোষণার সম্ভাবনা। নিয়ম অনুযায়ী বা বিজেপির সংবিধান অনুসারে জাতীয় সভাপতির (JP Nadda) নির্বাচন করতে সারা দেশের যে ৩৭টি সাংগঠনিক রাজ্য রয়েছে, তার মধ্যে অন্ততপক্ষে ১৯ সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতেই হবে।

    মঙ্গলবারই ১৯টি রাজ্যে সভাপতি নির্বাচন সম্পূর্ণ হতে চলেছে

    মঙ্গলবার ১৯টি রাজ্যে সভাপতি (BJP) নির্বাচন সম্পূর্ণ হতে চলেছে। এই দিনই আবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি নির্বাচন সংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশিত হয়েছে। ওই নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ৩ জুলাই দুপুরের পর রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। সোমবারই পুদুচেরি ও মিজোরামে বিজেপির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। পুদুচেরিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভিপি রামালিঙ্গম, অন্যদিকে মিজোরামে দলের দায়িত্বে এসেছেন কে বেইচুয়া।

    কর্নাটক এবং মধ্যপ্রদেশে বিজেপির রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে শীঘ্রই

    যে রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে অনেকেই পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই কর্নাটক এবং মধ্যপ্রদেশে বিজেপির রাজ্য সভাপতি নাম ঘোষণা করা হবে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গেছে। তেলেঙ্গানায় বিজেপি নতুন সভাপতি হিসেবে বেছে নিয়েছে রামচন্দ্র রাউকে এবং অন্ধ্রপ্রদেশে নির্বাচিত হয়েছেন পি.ভি.এন. মাধব। জনগণের মাঝে দুজনের পরিচিতি কিছুটা কম হলেও, তাঁরা দক্ষ সংগঠক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির (BJP) ।

    জুলাই মাসেই জেপি নাড্ডার উত্তরসূরির নাম ঘোষণা?

    অন্যদিকে, মহারাষ্ট্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানকার বর্তমান কার্যকরী সভাপতি ও চারবারের বিধায়ক রবীন্দ্র চৌহানের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রী চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে। উত্তরাখণ্ডে আবার সভাপতি হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ মহেন্দ্র সিং ঘাটি। এটি তাঁর দ্বিতীয় দফার কার্যকাল। একের পর এক রাজ্যে বিজেপির সভাপতি (BJP) পদের নাম ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহল মনে করছে, চলতি জুলাই মাসেই জেপি নাড্ডার (JP Nadda) উত্তরসূরির নাম ঘোষণাও শুধু সময়ের অপেক্ষা।

LinkedIn
Share