Tag: JU Student Death

JU Student Death

  • JU Student Death: যাদবপুরের মৃত ছাত্র নাবালক ছিলেন! অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা

    JU Student Death: যাদবপুরের মৃত ছাত্র নাবালক ছিলেন! অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরের মৃত পড়ুয়া নাবালক (JU Student Death) ছিলেন। পুলিশ তাই প্রধান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো ধারা যোগ করল। হস্টেলে র‍্যাগিংয়ের কারণে ইতিমধ্যে পুলিশ মামলা দায়ের করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযুক্তদের আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ধৃতদের প্রত্যেককেই ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার যোগ করা হল নতুন ধারা।

    ভারতীয় দণ্ডবিধির কত নম্বর ধারায় মামলা দায়ের হল?

    গত ৯ই অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন হস্টেলের এ টু ব্লকের তিনতলা থেকে পড়ে মৃত্যু (JU Student Death) হয়েছিল প্রথম বর্ষের ছাত্রের। পুলিশ জানিয়েছিল, হস্টেলের নিচে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায় ওই ছাত্রকে। ফলে কীভাবে মৃত্যু হল, বিবস্ত্র কেন ছিলেন, ঘরের মধ্যে তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছে ইত্যাদি বিষয়ে জানার জন্য পুলিশ পকসো ধারায় মামলা দায়ের করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২ নম্বর ধারায় ওই মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত ছাত্রের বয়স ১৮ হয়নি। এই মৃত্যুর তদন্তে যাদবপুর থানার পাশাপাশি তদন্ত করছেন লালাবাজারের গোয়েন্দারা। তদন্তের জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। পাশপাশি তদন্ত করছেন কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দারা।

    প্রধান অভিযুক্ত (JU Student Death)

    ছাত্রমৃত্যুর (JU Student Death) ঘটনায় ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সর্বত্র জোরালো আওয়াজ ওঠে। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং এখনও পর্যন্ত মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রথমে গ্রেফতার করা হয় হস্টেলের পাশ-আউট ছাত্র সৌরভ চৌধুরি। এরপর একে একে দীপশেখর দত্ত, মনোতোষ ঘোষ, অসিত সর্দার, সুমন নস্কর, সপ্তক কামিল্যা, মহম্মদ আরিফ, আসিফ আফজাল আনসারি, অঙ্কন সরকার এবং জয়দীপ ঘোষ গ্রেফতার হয়। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পকসো আদালতে এদের তোলা হবে বলে জানা গেছে।  

    উল্লেখ্য মৃত ছাত্রের বাবা-মা কয়েকদিন আগেই নবান্নে গিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মৃত ছাত্রের বাবা-মাকে সাহায্যের আশ্বাস দেন। নগরপালকে সঠিক ভাবে তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jadavpur University: সিসিটিভি ইস্যুতে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে যাদবপুরের উপাচার্য

    Jadavpur University: সিসিটিভি ইস্যুতে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে যাদবপুরের উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়েই পড়ুয়াদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছে কর্তৃপক্ষ (Jadavpur University)? এই প্রশ্ন তুলে প্রথমে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের সংসদ ফেটসুর সদস্যদের সঙ্গে বিতন্ডা হয় উপাচার্যের। পরে কলা বিভাগের সংসদ আফসুর সঙ্গেও বিবাদ হয় উপাচার্যের।

    কী ঘটেছিল ঠিক? 

    জানা গিয়েছে, সোমবার উপাচার্যের ঘরে (Jadavpur University) স্মারকলিপি জমা দিতে যান ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পড়ুয়াদের সংসদ ফেটসুর সদস্যরা এবং তাঁরা দাবি জানাতে থাকেন, স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেই সিসিটিভি বসাতে হবে। কর্তৃপক্ষ এভাবে একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এ নিয়েই শুরু হয়ে যায় উপাচার্যের (Jadavpur University) সঙ্গে কথা কাটাকাটি। ফেটসুর সদস্যরা যখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, ঠিক তখনই আবার ঘিরে ধরেন আফসুর সদস্যরাও। তাঁরাও পাল্টাও স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা জানাতে থাকেন উপাচার্যকে। তখনই নিজের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান উপাচার্য।

    কী বলছেন উপাচার্য?

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) ইউজিসি নির্দেশিকা মেনেই বসছে সিসিটিভি এবং তিন সপ্তাহের মধ্যেই তা বসাতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। মোট ২৬টি সিসিটিভি বসছে ক্যাম্পাসের ১০টি জায়গায়। এর জন্য খরচ হচ্ছে ৩৭ লাখ টাকা। বহিরাগতদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ রুখতে এবং ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ দিনের ঘটনা প্রসঙ্গে উপাচার্যের (Jadavpur University) দাবি যে তিনি যখন অধ্যাপক সংগঠনের ডেপুটেশন জমা নিচ্ছিলেন, তখনই আচমকা ভিতরে ঢুকে পড়ে এক দল পড়ুয়া এবং বলতে থাকে তাদের ডেপুটেশনে জমা নিতে হবে। এই ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে উপাচার্য বাইরে বেরিয়ে এলে তাঁর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ (Jadavpur University) দেখাতে শুরু করেন একদল পড়ুয়া।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলছে মদের বোতল

    গত ৯ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) মেন হস্টেলের তিনতলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর। তারপর থেকেই প্রশ্ন ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ভিতরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের ক্যাম্পাসে মেলে টবে গাঁজা চাষ করার প্রমাণও। পাশাপাশি গত সপ্তাহের শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন থিয়েটার থেকে উদ্ধার হয় রাশি রাশি মদের বোতল। এই সমস্ত কারণের জন্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। যার বিরোধিতা শুরু করে ছাত্রছাত্রীদের একাংশ। এবার তাদেরই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল উপাচার্যকেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: সেনার পোশাকে যাদবপুরে ঢোকার মামলায় প্রথম গ্রেফতারি, ধৃত সংগঠনের প্রধান

    Jadavpur University: সেনার পোশাকে যাদবপুরে ঢোকার মামলায় প্রথম গ্রেফতারি, ধৃত সংগঠনের প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) বুধবারই ঢুকে পড়েছিল সেনার পোশাকে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল। মাথায় টুপিতে লেখা ছিল ভারতীয় সেনা। এর পর ওই দলের তরফে জানানো হয়, তারা এশিয়ান হিউম্যান রাইটস সোসাইটি নামের একটি সংগঠনের সদস্য। কিন্তু সেনা পোশাকে (Jadavpur University) হঠাৎ কেন ক্যাম্পাসে? এর কোন সদুত্তর তখন তারা দিতে পারেনি। উল্টে এক এক ধরনের বিবৃতি আসে। ওই সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল কাজি সাদিক হোসেনের তখন বলেন, ‘‘ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা তাদের কাজ।’’ কখনো বা তাঁরা বলেন চম্পাহাটির একটি এনজিও থেকে তাঁরা এসেছেন, তাঁদেরকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শনিবার পুলিশ গ্রেফতার করল সাদিক হোসেনকে। 

    গ্রেফতার সেনার পোশাকে যাদবপুরে (Jadavpur University) ঢোকা কাজি সাদিক হোসেন

    এই ঘটনায় কাজি সাদিক হোসেনকে (Jadavpur University) সমন করে যাদবপুর থানার পুলিশ। কিন্তু সাদিক হোসেন সেই সমনে থানায় যাননি, তাই শনিবার রাতে সাদিক হোসেনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়।  প্রসঙ্গত সেনার পোশাকের অপব্যবহারের বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয় যাদবপুর থানার এক সাব-ইন্সপেক্টর এর সুয়োমুটো কেসের ভিত্তিতে। সাদিক হোসেন গ্রেফতারর হওয়ায় এবার মনে করা হচ্ছে, কেন তাঁরা সেনার পোশাকে ক্যাম্পাসে (Jadavpur University) ঢুকেছিলেন এর রহস্য উন্মোচন হবে।

    ফের পুলিশ হেফাজতে দীপশেখর ও মনোতোষ 

    অন্যদিকে শনিবারই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ২ পড়ুয়া দীপশেখর দত্ত এবং মনোতোষ ঘোষকে ফের হেফাজতে চাইল যাদবপুর থানার পুলিশ। এবং তাতে সম্মতি দিয়েছেন বিচারক। প্রসঙ্গত, মনোতোষ ঘোষ মৃত পড়ুয়া স্বপ্নদীপের ক্লাসমেট ছিলেন। এদিন সরকারি কর্মীকে কাজে বাধাদানের মামলায় তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ছাত্র মৃত্যুর যে মূল মামলা সেখানে এ দুইজনের নাম ছিল অর্থাৎ দীপশেখর এবং মনোতোষের। এবার সরকারি কর্মীর কাজে বাধা দানের মামলাও জুড়ল ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩৫৩ ধারাতে। আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক (Jadavpur University)। অন্যদিকে, ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এ নিয়ে মনোতোষের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন যে র‌্যাগিং-এর মূলধারার পরেও কেন আবার নতুন করে সরকারি কর্মীকে কাজে বাধাদানের ধারা যোগ করা হল? তখন সরকারি আইনজীবী বলেন, ‘‘হস্টেলের এক কর্মী জানিয়েছেন যে তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ঘটনার পরে গেট বন্ধ রাখতে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: সেনার পোশাকে যাদবপুরে ওরা কারা? মামলা দায়ের পুলিশের

    Jadavpur University: সেনার পোশাকে যাদবপুরে ওরা কারা? মামলা দায়ের পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর ইস্যুতে তোলপাড় সারা রাজ্য। গত ৯ অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যু রহস্যের তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। একাধিক ইস্যু সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন ১৩ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বসতে চলেছে সিসিটিভি। ঠিক এমন আবহে বুধবার সেনার পোশাক পড়ে ২৫-৩০ জনের একটি টিমকে সোজা ঢুকতে দেখা যায় অরবিন্দ ভবনে।  তবে কি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে এবার সেনা নামাতে হচ্ছে? এমন প্রশ্ন দানা বাঁধতে শুরু করে। জলপাই পোশাকে যারা প্রবেশ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের টুপিতেও লেখা ছিল ভারতীয় সেনা। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সুয়োমোটো মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এবিষয়ে লালবাজারে তলব করা হবে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকেও।

    সেনার পোশাকে কারা ঢুকলো যাদবপুরে?

    জলপাই পোশাকে যাঁরা ঢুকলেন তাঁরা কারা? ভারতীয় সেনার কর্মী নাকি আধা সেনা? জানা গিয়েছে, যাঁরা ঢুকেছিলেন তাঁরা ‘এশিয়ান হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’ নামে একটি সংস্থা থেকে এসেছিলেন। ২৫ থেকে ৩০ জনের এই দল বুধবার বিকাল ৪টে ২০ নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। দলের নেতৃত্বে ছিলেন কাজি সাদেক হোসেন নামে জনৈক ব্যক্তি। যাদবপুর থানার এক সাব-ইন্সপেক্টর ইতিমধ্যে এ বিষয়ে মামলা করেছেন। পুলিশ এই ঘটনায় ভারতীয় সেনার নাম এবং প্রতীক অপব্যবহার করার জন্য মামলা দায়ের করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩৪ এবং ১৪০ ধারায় এই মামলা রজ্জু করা হয়েছে।

    কী বলছেন সেনার পোশাকে থাকা ওই টিমের লোকজন?

    এক এক সময় এক এক রকমের দাবি করতে দেখা যায় এই টিমের সদস্যদের। কখনও তাঁরা বলেন, এনজিও কখনো বলেন আন্তর্জাতিক সংগঠন। কখনও বলেন, তাঁরা মানবাধিকার কমিশনের সদস্য। আবার একসময় তাঁরা জানান, তাঁরা হচ্ছেন চম্পাহাটির একটি এনজিও-এর কর্মী এবং সংগঠনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তিন মাসের ট্রেনিংয়ের পর নাকি তাঁদের পুলিশের কাজ দেওয়া হবে। তাই তাঁরা এসেছেন(Jadavpur University)। যারা এসেছিলেন তাঁদের মধ্য থেকে কাজি সাদিক হোসেন বলেন, ‘‘আমরা সেনা বা আধা সেনা কেউই নই। আমরা হচ্ছি বিশ্ব শান্তি সেনা।’’ তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) তাঁদেরকে কারা ডেকে পাঠিয়েছিল! কেনই বা তাঁরা এলেন! এবং কী কাজ তাঁরা করতে এসেছিলেন! এসমস্ত প্রশ্নের উত্তর তদন্তের পরেই মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে শুক্রবারও যাদবপুরকাণ্ডে (Jadavpur University) পাঁচ ছয় জন পড়ুয়াকে তলব করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকালও তলব করা হয়েছিল পাঁচজন পড়ুয়াকে। লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয়েছিল হস্টেলের রাঁধুনিকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘এনআইএ তদন্ত হলে যাদবপুর থেকে গাঁজার চাষ উপড়ে ফেলবো’’, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘এনআইএ তদন্ত হলে যাদবপুর থেকে গাঁজার চাষ উপড়ে ফেলবো’’, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি যাদবপুরকাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যে মেন হস্টেলের টবেই চলত গাঁজার চাষ। ধৃতদের গ্রেফতার করার পর তাদের ফোন পরীক্ষা করার সময়ই পুলিশ এই ছবি পায়। যেখানে দেখা যায় যে টবে গাঁজা চাষ হচ্ছে। এবার এই নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিবাম সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে চান না। কারণ তারা ‘নো ভোট টু বিজেপি’ ক্যাম্পেন করে।’’ স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, অতীতে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার একাধিক অভিযোগ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এনিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘এনআইএ তদন্তের নির্দেশ হলে যাদবপুরের ভিতর থেকে গাঁজার চাষ একেবারে উপড়ে ফেলবো।’’ নন্দীগ্রামের বিধায়কের (Suvendu Adhikari) আরও কটাক্ষ, ‘‘গাঁজা, চরস, দেশি মদ যত রকম আছে সব কিছুর অনুমতি রয়েছে যাদবপুরে। কারণ যারা এই কর্মকাণ্ডগুলির সঙ্গে যুক্ত তারা সবাই ‘নো ভোট টু বিজেপি’ ক্যাম্পেন করে।’’

    হাইকোর্টে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে কোর্টে গিয়েছেন শুভেন্দু। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মামলাগুলিতে কাঙ্খিত জয় পেয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এবার যাদবপুর ইস্যুতেও কোর্টে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘স্বরাষ্ট্র দফতরের ইবি বলে একটা শাখা আছে। যারা মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। আর বেশি পরিমাণ মাদক পাওয়া গেলে বা সীমান্তের কাছাকাছি হলে নারকোটিস কন্ট্রোল ব্যুরো তদন্ত করে। মুখ্যমন্ত্রী মূর্খ ও তাঁর মন্ত্রিসভাও মূর্খ। আমি কোর্টে গেছি, এনআইএ হলে নারকোটিস কন্ট্রোল ব্যুরো সঙ্গে সঙ্গে আসবে। কী সাহস! টবে গাঁজার চাষ করেছে, কোথায় আছি আমরা!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: যাদবপুরে হস্টেলের টবে চলতো গাঁজা চাষ, চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

    JU Student Death: যাদবপুরে হস্টেলের টবে চলতো গাঁজা চাষ, চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের টবে চলত গাঁজা চাষ। চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল পুলিশের তদন্তে (JU Student Death)। গত ৯ অগাস্ট র‌্যাগিং-এর শিকার হয়ে তিনতলা থেকে পড়ে যান প্রথম বর্ষের বাংলা অনার্সের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডু। পরের দিন ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে তোলপাড় হয় গোটা রাজ্য। বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরের আইন-শৃঙ্খলা সমেত একাধিক বিষয় নিয়ে। যাদবপুরকাণ্ডে (JU Student Death) গ্রেফতার করা হয়েছে ১৩ জনকে। এর মধ্যেই গাঁজা চাষের প্রমাণ পেল পুলিশ।

    কীভাবে পুলিশ এই গাঁজা চাষের প্রমাণ পেল?

    স্বপ্নদীপের মৃত্যু (JU Student Death) রহস্যের উদঘাটন করতে চলছে ফরেনসিক তদন্ত। এই তদন্তের অঙ্গ হিসেবে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সেই ফরেনসিক পরীক্ষাতেই একটি ফোনে মিলেছে ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে টবে গাঁজা চাষ হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ অগাস্ট রাতে ওই ঘটনার পরে কোনও ছবি, ভিডিও বা চ্যাট মুছে ফেলেছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মেন হস্টেলের এ-২ ব্লকের বারান্দার টবে এই গাঁজা চাষ হতো। দুর্ঘটনার রাতের পরে তার সব কিছু সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সৌরভ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ যেন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। স্বপ্নদীপ কুণ্ডু (JU Student Death) তিনতলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পরেই হস্টেলের একটি গ্রুপে সৌরভ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

    বুধবার ১৪ জনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ

    বুধবার মোট ১৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে যাদবপুর থানায় ডেকে। যাঁদের মধ্যে ৪ জন মেস সদস্য। তৃতীয় বর্ষের তিন পড়ুয়া এবং হস্টেলের ক্যান্টিনের সাতজন কর্মী ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হস্টেলের রাঁধুনিকে ডেকে যখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তখন তিনিও তাঁর বয়ানের র‌্যাগিংয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে যাদবপুরে র‌্যাগিং-এর প্রমাণ পেয়েছে মানবাধিকার কমিশনও। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হতে হয় ছাত্রমৃত্যুর (JU Student Death) ঘটনায় নাম থাকা অরিত্র মজুমদারকে। তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তিনি বলেন, ঘটনার পরের দিন ১০ অগাস্ট তিনি কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু ১১ অগাস্ট তাঁর অ্যাটেনডেন্স রেজিস্টারে সই দেখা যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে অরিত্রর জবাব, তিনি ভুল করে ওই সই করে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত গেটে বসছে সিসিটিভি, ইঙ্গিত উপাচার্যের

    JU Student Death: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত গেটে বসছে সিসিটিভি, ইঙ্গিত উপাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্রদের একাংশের আপত্তি উড়িয়ে যাদবপুরে বসতে চলেছে সিসিটিভি (JU Student Death)। জানা গিয়েছে, প্রতিটি গেটেই সিসিটিভি লাগানোর পরিকল্পনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মোট ১১টি সিসিটিভি বসতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। গেটগুলির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসনিক ভবনেও (অরবিন্দ ভবন) সিসিটিভি থাকছে। হস্টেলের গেটেও থাকবে সিসিটিভি (JU Student Death)। মেয়েদের হস্টেলেও একইভাবে নজরদারি চালানো হবে সিসিটিভির মাধ্যমে। 

    মঙ্গলবারই সিসিটিভি বসানোর ইঙ্গিত দেন অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য

    মঙ্গলবারই সিসিটিভি বসানো নিয়ে ইঙ্গিত (JU Student Death) দেন অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। প্রসঙ্গত এর আগেই রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু জানিয়েছিলেন সিসি ক্যামেরা বসানো হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রদের একাংশ এতে আপত্তি জানাতে থাকে। জানা গিয়েছে, সম্ভব হলে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের পরবর্তী মিটিংয়ের আগেই ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর কাজ সেরে ফেলবে কর্তৃপক্ষ। গত ৯ অগাস্ট মেন হস্টেলের তিন তলা থেকে পড়ে যান প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডু। স্বপ্নদীপের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে (JU Student Death) র‌্যাগিং-এর অভিযোগ ওঠে (JU Student Death)। ওই রাতে তাঁকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর অভিযোগও ওঠে হস্টেলের বারন্দায়। তারপর থেকেই হস্টেলের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সরিয়ে আনা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের নিউ বয়েজ হস্টেলে তাঁরা থাকছেন।

    বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ হস্টেলে

    মঙ্গলবার বুদ্ধদেব সাউ জানান, প্রত্যেক ভবনের এন্ট্রি পয়েন্টে সিসিটিভি থাকবে। প্রসঙ্গত, হস্টেলগুলি হয়ে উঠেছে বহিরাগতদের অবাধ বিচরণের জায়গা। শুধু তাই নয়, হস্টেলে প্রতিদিন মদের আসর এবং ছাদে উঠে প্রতিবেশী পোদ্দার পাড়ার মহিলাদের অশালীন কটূক্তি করার মতো অভিযোগও উঠেছে (JU Student Death)। বারবার প্রমাণ হচ্ছে যে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কোনও রকম আইন-শৃঙ্খলা নেই। রেজিস্ট্রার থেকে ডিন অফ স্টুডেন্টস সকলেই কার্যত একথা স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি স্নেহমঞ্জ বসু এও জানিয়েছেন, হস্টেলে অ্যালকোহল এবং ড্রাগ নিষিদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ঢুকতে গেলে তাদের দেখাতে হবে পরিচয়পত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: পুতুল নিয়ে মেন হস্টেলে ফরেন্সিক দল, তিনতলা থেকে ফেলা হল বিভিন্ন কোণে

    JU Student Death: পুতুল নিয়ে মেন হস্টেলে ফরেন্সিক দল, তিনতলা থেকে ফেলা হল বিভিন্ন কোণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ অগাস্ট হোস্টেলের তিন তলার বারান্দা থেকে কীভাবে পড়ে যান স্বপ্নদীপ? (JU Student Death) সেই উত্তর খুঁজতে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হয় ফরেন্সিক দল। তাদের হাতে ছিল একটি পুতুল। ফরেনসিক দলের সঙ্গে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এদিন যান যাদবপুরের মেন হোস্টেলে। বিভিন্ন কোণ থেকে ওই পুতুলটিকে (JU Student Death) ফেলা হয়। প্রসঙ্গত, এদিনই যাদবপুরের ডিন অফ স্টুডেন্টস রজত রায়কে তলব করে মানবাধিকার কমিশন। অন্যদিকে, যাদবপুরের দ্বিতীয় জবাবে সন্তুষ্ট না ফের চিঠি পাঠাতে চলেছে ইউজিসি।

    পুতুল নিয়ে যাদবপুরে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা

     ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলির থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পা পিছলে পড়ে গেলে কীভাবে পড়ছে পুতুলটি (JU Student Death)! কেউ ধাক্কা দিলে ফেলে দিলে কীভাবে পড়ছে! নিজে থেকে ঝাঁপ দিলে কীভাবে পড়ছে! এই তিনরকমভাবে ফেলা হয় পুতুলটিকে। পা পিছলে পড়ে গেলে দুর্ঘটনা, নিজে ঝাঁপ দিলে আত্মহত্যা (JU Student Death), কেউ ঠেলে দিলে খুন। পুতুল নিয়ে এদিন এই তদন্তই করেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। এদিনের ঘটনার পুননির্মাণের সময় গোটা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করে দেওয়া হয়। তবে এটাই প্রথম নয় এর আগেও যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত ছাত্র সপ্তক কামিল্যাকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে প্রশাসন।

    ৯ অগাস্ট পুলিশকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা,জবাব চাইল হাইকোর্ট

    অন্যদিকে, ৯ অগাস্টের ওই রাতে (JU Student Death) পুলিশকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে নিয়ে পুলিশ একটি পৃথক মামলা রজু করে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। এবার এ নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কৈফিয়ত চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চ প্রশ্ন করেন, যাদবপুরে সেই রাতে পুলিশকে কেন ঢুকতে দেওয়া হয়নি (JU Student Death)? আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করা নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ইউনিয়নকে মামলার পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: যাদবপুরের দ্বিতীয় জবাবেও সন্তুষ্ট নয় ইউজিসি! ফের চাওয়া হবে ব্যাখ্যা

    JU Student Death: যাদবপুরের দ্বিতীয় জবাবেও সন্তুষ্ট নয় ইউজিসি! ফের চাওয়া হবে ব্যাখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: র‌্যাগিং (JU Student Death) নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে ফের ব্যাখ্যা তলব করবে ইউজিসি। এই নিয়ে টানা তিনবার ব্যাখ্যা চাইবে তারা। এর আগে ইউজিসির বারোটি প্রশ্নের জবাব দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুও জানিয়েছিলেন যে ৩১ টি ফাইলে সেই জবাব পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই জবাবে সন্তুষ্ট নয় ইউজিসি।

    কী বলছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান?

    কিন্তু সোমবার ইউজিসি চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দ্বিতীয় দফার জবাবেও সন্তুষ্ট নয় তারা এবং এ নিয়ে ফের চিঠি লিখতে চলেছে ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তৃতীয় প্রশ্নমালা পাঠাতে চলেছে ইউজিসি। গত শুক্রবারে ১২টি প্রশ্নের জবাব তলব করেছিল ইউজিসি। সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ২৪ ঘণ্টা। জবাবের ৪৮ ঘণ্টা পরে ইউজিসি সাফ জানিয়ে দিল, তারা সন্তুষ্ট নয়। সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউজিসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘র‌্যাগিং একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পড়ুয়াদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতেই হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে(JU Student Death)। এ ব্যাপারে ইউজিসির সমস্ত বিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। খুব শীঘ্রই আবার ইউজিসির চিঠি যাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। তাতে আরও ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে তারও বিশদ জানতে চাওয়া হবে।’’ 

    ডিন অফ স্টুডেন্টসকে তলব মানবাধিকার কমিশনের

    অন্যদিকে যাদবপুরের ডিন রজত রায়কে সোমবার বেলা বারোটা নাগাদ তলব করে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (JU Student Death)। জানা গিয়েছে, এ সংক্রান্ত নোটিশ ১৪ অগাস্ট রাজ্য সরকার এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে পাঠিয়েছিল মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, ‘‘বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ঘটনার আগে ডিনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মৃত ছাত্রের সহ-আবাসিকরা। তারপরেও কিভাবে ওই ছাত্রের মৃত্যু ঘটলো?’’ শুধু তাই নয় কর্তৃপক্ষের কর্তব্যে গাফিলতির কথা লেখা হয়েছে নোটিশে। এও লেখা হয়েছে সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট সত্যি হলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত (JU Student Death) হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই লালবাজারে তলব করা হয় ডিনকে। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, ঘটনার রাত দশটা পাঁচ মিনিট নাগাদ এক ছাত্র তাকে ফোনে জানান হোস্টেলের এক ছাত্রকে নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। তিনি তখন সুপারকে বিষয়টি দেখতে বলেছিলেন। জানা গিয়েছে, তারপরে সুপার আদৌ খোঁজ নিয়েছেন কিনা, সেই খবর নেননি ডিন। পরে রাত বারোটা নাগাদ সুপার ফোনে জানান, এক ছাত্র রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা নয়, স্বপ্নদীপের মৃত্যুর তদন্ত হোক কোর্টের নির্দেশে’’, মৃত পড়ুয়ার বাড়িতে দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা নয়, স্বপ্নদীপের মৃত্যুর তদন্ত হোক কোর্টের নির্দেশে’’, মৃত পড়ুয়ার বাড়িতে দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নির্দেশে তদন্ত পরিচালিত হলে কোনও ফল মিলবে না, বরং কোর্টের তত্ত্বাবধানে হোক তদন্ত।’’ যাদবপুরে মৃত পড়ুয়া স্বপ্নদীপের বাড়িতে এসে এমন কথাই বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার বিকাল পৌনে ৫টা নাগাদ নদিয়ার বগুলায় স্বপ্নদীপের বাড়িতে পৌঁছান নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রানাঘাট লোকসভার সাংসদ জগন্নাথ সরকার সহ বিজেপির অন্যান্য বিধায়করা। মৃত ছাত্রের পরিবারের লোকের সঙ্গে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে কথা বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। আশ্বাস দেন পাশে থাকার। প্রসঙ্গত, দুদিন আগেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূলকে, যাদবপুরকাণ্ডে বিধানসভার অন্দরে শাসক দলকে তৈরি থাকতে বলেন। ইতিমধ্যে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেছেন, আগামী ২২ অগাস্ট হতে চলেছে স্বপ্নদীপের দিন। উল্লেখ্য ওই দিনই বিধানসভার অধিবেশন শুরু হতে চলেছে।

    কোর্টের নির্দেশে হোক তদন্ত দাবি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    স্বপ্নদীপের বাড়িতে এসেও চাঁচাছোলা ভাষায় মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মমতা প্রশাসনের প্রতি কার্যত অনাস্থা প্রকাশ করলেন তিনি। দাবি তুললেন, নিরপেক্ষ তদন্ত তখনই সম্ভব যদি তা কোর্টের হস্তক্ষেপে হয়। পাশাপাশি, যাদবপুরের অতি বাম ছাত্রদের টুকরে টুকরে গ্যাং বলেও কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য সরকারের মদতে এরা যাদবপুরে মোদি ও বিজেপি বিরোধী প্রচার চালায়।’’ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অধিকারীর এমন অভিযোগ যে অসত্য নয় তার প্রমাণও মিলতে শুরু করেছে। ২০১৪ সালে যাদবপুরের এক অতি বাম নেতাকে বর্তমানে রাজ্যের দায়িত্বে আনে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও জোর চর্চা শুরু হয়। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘ ২০১৯ সালের পরে এদের সঙ্গে চুক্তি করেছে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপিকে রোখার জন্য।’’ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষরা বলছেন, অতি বামেরা গত বিধানসভা নির্বাচনে ডাক দিয়েছিন ‘‘নো ভোট টু বিজেপি’’- এই প্রচারে। তাই শুভেন্দু অভিযোগ মিথ্যা নয়।

    ওর মা বলছে, ‘দাদা তোমাকে শাস্তি দিতে হবে’

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজনীতি নয় বরং বিচারটা চাই। ওরকম একটা আদরের ছেলেকে গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকা পর্যন্ত দিয়েছে অপরাধীরা। স্বপ্নদীপের মা বলল, ‘‘তোমাকে শাস্তি দিতে হবে।’’ পর্যবেক্ষক মহল বলছে, রেজিস্ট্রারের সঙ্গে শাসক দলের ঘনিষ্ঠতা কারও অজানা নয়। রেজিস্ট্রার দায় চাপিয়েছেন স্টুডেন্ট অফ ডিন রজত রায়ের ওপর। আবার রজত রায় দায় চাপাচ্ছেন হস্টেল সুপার ও ছাত্রদের ওপর। এখন প্রশ্ন হল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের। সেই কর্তৃপক্ষ দায় এড়াচ্ছে যখন, তখন ব্যর্থতা কার? শাসক দল ঘনিষ্ঠ রেজিস্ট্রার ও  ডিন কীভাবে সব দায় ছাত্রদের ওপর চাপাতে পারেন? ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মমতা ঘনিষ্ঠতা শুভেন্দু জানেন, তাই স্বপ্নদীপের বাড়িতে গিয়ে কোর্টের নির্দেশে তদন্ত করার পক্ষে তিনি সওয়াল করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share