Tag: Judge

Judge

  • RG Kar Case: ডান্স রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চেও আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ, আপ্লুত স্বয়ং বিচারক

    RG Kar Case: ডান্স রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চেও আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ, আপ্লুত স্বয়ং বিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) নিয়ে প্রতিবাদ শুধু এই রাজ্যের রাজপথেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আমেরিকা, ইউরোপে সহ একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষকে। নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে বলিউড, টলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রী, কলাকুশলীরাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবার ন্যায় বিচারের জন্য প্রতিবাদের আওয়াজ তুলতে দেখা গেল ‘ইন্ডিয়া’জ বেস্ট ডান্সার’-এর (India’s Best Dancer) মঞ্চে। প্রতিবাদের এই অভিনব ভাষায় মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেলেন বিচারকরাই।

    রিয়েলিটি শো-র মঞ্চে প্রতিবাদের ঝড় (RG Kar Case)

    ‘ইন্ডিয়া’জ বেস্ট ডান্সার’ ৪ রিয়্যালিটি শো-র মঞ্চে নাচের মাধ্যমে ধর্ষণ করে হত্যার (RG Kar Case) বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা তুলে ধরলেন। ‘জিতে হে চল’ গানে নৃত্য পরিবেশন করলেন প্রতিযোগী অর্জুন শাটে এবং কোরিওগ্রাফার পঙ্কজ থাপা। তবে দুই জনেই বাংলার কেউ নন, কিন্তু আরজি করে ঘটা পৈশাচিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একজন ডাক্তারকে ধর্ষণ করে হত্যার প্রতিবাদে নিজেদের নাচের ভাষায় প্রতিবাদ তুলে ধরেন। তাঁদের পারফর্মেন্স দর্শকদের মন জয় করে ন্যায় বিচারের ঝড় তুলেছে।

    নৃত্যের মধ্যে দোষীদের শাস্তির দাবি

    এই শো-র (India’s Best Dancer) বিচারকের আসনে ছিলেন টেরেন্স, গীতা ও অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুর। প্রতিযোগীদের নাচ দেখে একেবারে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন সকলেই। এই নাচে শুধু ধর্ষণ করে খুনের মতো জঘন্যকাণ্ডের (RG Kar Case) সমালোচনাই করা হয়নি, সেই সঙ্গে দোষীদের শাস্তির কথাও বলা হয়েছে। গানের মাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘‘ছেলেদের পুরুষ হওয়ার মধ্যে দিয়ে মনুষত্বের পাঠ দিতে হবে। নারীদের প্রতি সম্মানের ভাব মনে রাখতে হবে।’’ এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামজিক মাধ্যমে। তাতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রচুর পরিমাণে দর্শক (India’s Best Dancer)।

    আরও পড়ুনঃআরজি কর-কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ, ৩০০ তরুণীকে আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ এবিভিপি-র

    ৫ দাফ দাবিতে অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা

    গত ৯ অগাস্ট থেকে আন্দোলন, বিক্ষোভ, ধর্না, মানবন্ধন করে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ। সর্বত্র একটাই দাবি তিলোত্তমার বিচার চাই। জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Case) গত ৩৭ দিন ধরে কর্মবিরতির ডাক দিয়ে ৫ দফা দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বার বৈঠকের কথা হলেও শেষ পর্যন্ত হয়নি। মমতার চায়ের আবেদন প্রত্যাখান করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার বিকেল ৫ টায় ফের একবার কালীঘাটে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি নিয়ে অনড় তাঁরা। কোনও সমাধান সূত্র বের হয় কিনা তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ডাইনি অপবাদ দিয়ে খুনের অভিযোগ, দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    Malda: ডাইনি অপবাদ দিয়ে খুনের অভিযোগ, দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) ডাইনি অপবাদে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। আজ দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারক অসীমা পাল। দোষীদের শাস্তির ঘটনায় খুশি মামলাকারী ঠাকুর হেম্ব্রম।

    কীভাবে খুনের ঘটনা ঘটে (Malda)?

    খুনের মামলা (Malda) সূত্রে জানা যায়, এই কেসের আসামী হল দুই খুড়তুতো ভাই ভাকুম হেমব্রম ও দুনুয় হেমব্রম। ঠাকুর হেমব্রম হলেন ভাকুম হেমব্রমের বাবা। যদিও ঠাকুর হেমব্রম প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার ২০ বছর পর দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন বুদিন মুর্মুকে। বিবাহ করে ঘর সংসার করছিলেন ঠাকুর হেমব্রম। ইতিমধ্যে ভাকুম হেমব্রম সম্পত্তির দাবিতে ঠাকুর হেমব্রমের সামনে চড়াও হতেন মাঝে মাঝেই। সেই সঙ্গে এরপর ঠাকুর হেমব্রমের স্ত্রী বুদিন মুর্মুকে ডাইনি অপবাদ দেয় ওই দুই জন। ভাকুম হেমব্রম বলত, বুদিন মুর্মু ডাইনি। আর তাঁর জন্যই আমার সন্তান হচ্ছে না। অপর দিকে দুনুয় হেমব্রম বলত, আমার বাবা-মা মারা গেছেন বুদিন মুর্মুর জন্যই। এরপর গত ৩রা মে ২০১৯ তারিখে বুদিন মুর্মুকে বাড়িতে ঢুকে হাঁসুয়া দিয়ে শরীরে আঘাত করে খুন করে দুইজন। মূলত সম্পত্তির অধিকার এবং ডাইনি অপবাদে এই খুন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন বুদিন মুর্মুর স্বামী ঠাকুর হেমব্রম।

    আইনজীবীর বক্তব্য

    সরকারি আইনজীবী লোকমান আলি জানান, ২০১৯ সালের ৩ মে হবিবপুরে (Malda) ঘটনাটি ঘটে। সেই রাতে ভাকুম হেমব্রম ও দুনুয় হেমব্রম রাতের বেলায় বাড়িতে ঢুকে হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করে বুদিন মুর্মুকে খুন করে। দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার স্বামী ঠাকুর হেমব্রম। আজ পঞ্চম কোর্টের বিচারক অসীমা পাল ১১ জনের সাক্ষীর ভিত্তিতে দুই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    Scam: একজনের রোল নম্বরে অন্যকে চাকরি! শুনে কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) জেরবার রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি চলে গিয়েছে। এরইমধ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam)  বড়সড় অনিয়ম সামনে এসেছে। কাউন্সেলিং ছাড়াই নবম-দশমে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর সেটা অন্যজনের রোল নম্বর ব্যবহার করেই কাউন্সেলিং ছাড়াই একজন বহাল তবিয়তে ইংরেজি শিক্ষক পদে চাকরি করছেন। জানা গিয়েছে, ১২২১১৬৭৬০০০০০৩-এই রোল নম্বরটি সালমা সুলাতানার। তাঁর বাড়ি বোলপুর। তাঁকে কাউন্সেলিংয়ে কখনও ডাকা হয়নি। অথচ তাঁর এই রোল নম্বরেই অন্য একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।  এসএসসি-র এই নিয়োগ দুর্নীতির (Scam) বিষয়টি সামনে আসতেই খোদ হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু হতবাক হয়ে গিয়েছেন। এই ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানতে এসএসসি এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদের কাছে তিনি রিপোর্ট তলব করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে, একজনের রোল নম্বরে অন্যজনকে কী করে নিয়োগপত্র দেওয়া হল। ফলে, এর পিছনে বড়সড় চক্র কাজ করেছে। আর এই রোল নম্বর কারচুপি করে নিয়োগপত্র কাকে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    নিজের রোল নম্বর চুরি হওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন  সালমা সুলতানা? Scam

    সালমা সুলতানা শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁর পরীক্ষার যে রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে তাঁর অ্যাকাডেমিক নম্বর ছিল ৩৩। আর লিখিত পরীক্ষায় ওএমআর শিটের নম্বর ছিল ৪৯। ২০১৮ সালে তাঁকে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়। তারপর তাঁর নাম ওয়েটিং লিস্টে ছিল। কাউন্সেলিংয়ে তাঁকে আর ডাকা হয়নি। পরবর্তীতে আদালত এসএসসি-র কাছে ওএমআর শিট চেয়েছিল। তাতে দেখা যায় তাঁর নম্বর ৪৮। চাকরি না পেয়ে কলকাতায় এসএলএসটি-র যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। সালমা সুলতানা বলেন, কাউন্সেলিংয়ে আমাকে ডাকা হয়নি। তারজন্য আক্ষেপ নেই। কিন্তু, কিছুদিন আগেই জানতে পারি আমার রোল নম্বরে অন্যজন চাকরি করছে। তাঁকে তো কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হয়েছে? না হলে সে কী করে চাকরি পেল। আর ওই রোল নম্বর ধরে দপ্তর থেকে ডাকা হলে আমি জানতে পারব। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, কোনও কাউন্সেলিং না করেই নিজের মনের মতো কাউকে চাকরি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি বিষয়টি জানতে পারিনি। আমাকে অন্ধকারে রেখে আমার রোল নম্বর ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে একজন শিক্ষকতা করছেন এটা হতে পারে না। এই দুর্নীতির (Scam)  বিরুদ্ধেই আমি সরব হয়েছি। সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। বিচার ব্যবস্থার উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Judge: ‘উত্তেজক পোশাক!’ যৌন হয়রানি মামলায় বিতর্কিত মন্তব্য করায় বদলি কেরলের বিচারক

    Kerala Judge: ‘উত্তেজক পোশাক!’ যৌন হয়রানি মামলায় বিতর্কিত মন্তব্য করায় বদলি কেরলের বিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগকারীর পোশাকের দিকে আঙুল তুলে দুটি যৌন হেনস্থার অভিযোগ থেকে এক ব্যক্তিকে নিষ্কৃতি দেন কেরলের বিচারক এস কৃষ্ণ কুমার (S Krishnakumar)। ঘটনার এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ওই বিচারকের বদলির (Transfer) নির্দেশ জারি হল। কেরল (Kerala) হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল পি কৃষ্ণ কুমার কোঝিকোড়ের জেলা ও দায়রা আদালতের ওই বিচারকের বদলির নোটিস জারি করেছেন। 

    আরও পড়ুন: এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রাত্য কেরলের মহিলা ফুটবল দল! প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    সম্প্রতি কোঝিকোড়ের জেলা ও দায়রা আদালতের ওই বিচারক (District Judge in north Kerala’s Kozhikode)‘যৌন উত্তেজক পোশাক’ পরাকে যৌন হয়রানির (Sexual Harassment) অপরাধ বলে এক মামলার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন। আর তাতেই বদলি করা হল ওই বিচারককে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ওই বিচারক ছাড়াও বদলির নোটিস পেয়েছেন জেলা স্তরের তিন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকও।

    কিছুদিন আগেই দুটি পৃথক যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে লেখক তথা সমাজকর্মী চন্দ্রনের বিরুদ্ধে। দুটি মামলাতেই ওই লেখকের আগাম জামিন মঞ্জুর করে কোঝিকোড়ের জেলা ও দায়রা আদালত। এই ঘটনাতে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। 

    ওই লেখকের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে প্রথম অভিযোগ করেন এক দলিত মহিলা লেখক। চন্দ্রনের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। গত ১৭ জুলাই সেই মামলার আগাম জামিন পেয়েছেন ওই লেখক। মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারক এস কৃষ্ণ কুমার তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন,  “অভিযুক্ত আগে থেকেই জানতেন, ওই মহিলা তফসিলি জাতিভুক্ত। সেই কথা জানার পরেও তিনি মহিলাকে স্পর্শ করবেন, এটা মোটেও বিশ্বাসযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘আজাদ কাশ্মীর’ মন্তব্যে বিতর্কে সিপিএম বিধায়ক, পদত্যাগের দাবি বিজেপির      

    পৃথক একটি মামলায় ওই মালায়ালি লেখকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ জানিয়েছেন এক ৩০ বছর বয়সী লেখিকা। তাঁর অভিযোগ, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কোঝিকোড়ের সমুদ্র সৈকতে চন্দ্রন একটি লেখক-শিল্প শিবির আয়োজন করেছিলেন। সেখানেই যৌন নিপীড়েনের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় চন্দ্রনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে গত জুলাই মাসে মামলা দায়ের করেন ওই লেখিকা।

    গত ১২ অগস্ট সেই মামলার রায় দিতে গিয়ে কোঝিকোড়ের জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক এস কৃষ্ণ কুমার বলেন, “যে কোনও মহিলা যৌন উত্তেজক পোশাক পরে থাকলে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা অনুযায়ী যৌন হয়রানির অভিযোগে দায়ের করা মামলা গৃহীত হবে না।” বিচারক আরও বলেন, “অভিযুক্ত জামিনের আবেদনে যে ছবি পেশ করেছে, তাতে অন্য ছবি ধরা পড়েছে। অভিযোগকারী নিজেই এমন পোশাক পরেছে, তা যৌন উত্তেজক।” এরপরেই অভিযোগ নস্যাৎ করে ওই মালয়ালি লেখককে আগাম জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক এস কৃষ্ণ কুমার। জেলা ও দায়রা আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কেরল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সরকার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share