Tag: june malia

june malia

  • June Malia: জুন মালিয়া পেয়েছেন ২ কোটি! ১৫ কোটির কাজের খতিয়ান, রিপোর্ট কার্ড মিথ্যা বলছে বিজেপি

    June Malia: জুন মালিয়া পেয়েছেন ২ কোটি! ১৫ কোটির কাজের খতিয়ান, রিপোর্ট কার্ড মিথ্যা বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধায়ক হিসেবে তিনি কতটা যোগ্য তার প্রমাণ দিতে রিপোর্ট কার্ড তৈরি করেছেন মেদিনীপুর লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী জুন মালিয়া (June Malia)। বিধায়ক হিসেবে তিনি এলাকায় কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন, তা সবই উল্লেখ করা রয়েছে রিপোর্ট কার্ডে, তা জনসমক্ষে পেশ করা হচ্ছে। কিন্তু, জুন মালিয়ার রিপোর্ট কার্ড নিয়েই উঠল প্রশ্ন তুলল বিজেপি। বিজেপির বক্তব্য, মিথ্যা রিপোর্ট কার্ড পেশ করেছেন জুন মালিয়া। ভোটের আগে রিপোর্ট কার্ডকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিজেপি।

     ১৫ কোটির কাজ করেছে বিধায়ক! (June Malia)

    মেদিনীপুর পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ড ও দুটি ব্লক নিয়ে মেদিনীপুর বিধানসভা। গত তিন বছর ধরে মেদিনীপুর বিধানসভার বিধায়ক জুন মালিয়া (June Malia) । গত তিন বছরে তিনি তাঁর বিধানসভা এলাকায় কী কাজ করতে পেরেছেন, তার একটা হিসাব তুলে ধরেছেন এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে। তিনি কী কী কাজ করেছেন, তার হিসাব তুলে ধরেছেন একটি পুস্তিকা আকারে। আর সেখানে ১৫ কোটির বেশি হিসাব দেখানো হয়েছে, যা মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় কাজ করা হয়েছে। আর এখানেই প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: “গরিব বাড়ির মেয়ে রেখাকে দেখে ভয় পাচ্ছেন পিসি-ভাইপো”, তোপ শুভেন্দুর

    রিপোর্ট কার্ড ভুল! সরব বিজেপি

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা মুখপাত্র অরূপ দাসের অভিযোগ, একজন বিধায়ক (June Malia) গত তিন বছরে কত কোটি টাকা পান সরকারিভাবে? নিয়ম অনুযায়ী, তিনি পাবেন তিন বছরে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা, কীভাবে বিধায়ক গত তিন বছরে প্রায় ১৫ কোটি টাকারও বেশি হিসাব দেখাচ্ছেন তিনি। আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিজের প্রকল্প হিসাবে দেখাচ্ছেন জুন। মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় যে সমস্ত জায়গায় সরকারি কাজ  মেদিনীপুর উন্নয়ন পর্ষদ বা মেদিনীপুর পুরসভা, পঞ্চায়েত করেছে সেই কাজও নিজের বিধায়ক তহবিলের কাজ বলে চালাচ্ছেন বিধায়ক। ভুল রিপোর্ট কার্ড তৈরি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপি শুধু অভিযোগই করতে জানে। তারা কাজ করতে জানে না। আমাদের সৎ সাহস রয়েছে, তাই আমরা রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেছি। বিধায়ক (June Malia) তাঁর তত্ত্বাবধানে এই সমস্ত কাজ করিয়েছেন তারই হিসাব দিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’-এ গিয়ে কুড়মিদের ঘেরাওয়ের মুখে জুন মালিয়া

    Kurmi: ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’-এ গিয়ে কুড়মিদের ঘেরাওয়ের মুখে জুন মালিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কুড়মিদের ‘ঘাঘর ঘেরা’র মুখে তৃণমূল বিধায়িকা জুন মালিয়া। শুক্রবার দুপুরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের মালবাঁধি এলাকায় দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান জুন মালিয়া। ঠিক সেই সময় কুড়মি সমাজের মানুষজন ঘিরে ধরেন তাঁকে। অবিলম্বে রাজ্যের তরফে সিআরআই রিপোর্টের ওপর কমেন্ট পাঠাতে হবে কেন্দ্রের কাছে। মূলত এই দাবি তুলে ধরা হয় বিধায়িকার কাছে। গোটা বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়িকা। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পরে পুলিশের তৎপরতায় ঘেরাও মুক্ত হন তৃণমূল বিধায়িকা। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গলমহলে কর্মসূচিতে গিয়ে কুড়মিদের (Kurmi) ঘেরাওয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে অনেককেই। এবার ঠিক একই কায়দায় ঘেরাওয়ের মুখে তৃণমূল বিধায়িকা জুন মালিয়া। জঙ্গলমহলে জনপ্রতিনিধিরা এলেই তাঁদের ঘাঘর ঘেরার মুখে পড়তে হবে বলে দাবি করছেন কুড়মি সমাজের মানুষ। উল্লেখ্য, কুড়মালিতে এই ঘাঘর ঘেরার অর্থ হল কোনও রকম ফাঁক না রেখে চারদিক থেকে ঘিরে ধরা। 

    কী কী দাবিতে কুড়মিদের এই আন্দোলন?

    আদিবাসী কুড়মি (kurmi) জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে কুড়মিদের (kurmi)  পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা হচ্ছে। ৫ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দিয়েছিল তারা। তবে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। ওই সময় সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকেও কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। পরে, জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক তাঁদের কাছে একটি চিঠি নিয়ে এসে ১০ এপ্রিল মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন। যদিও আন্দোলনকারীরা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কুড়মিরা দাবি আদায়ে বিভিন্ন দফায় রেল অবরোধ করেছেন। তার জেরে দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এক সময় দেখা গিয়েছিল, চারদিনে প্রায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

    আন্দোলনের ধরন বদল?

    কুড়মি (kurmi) সংগঠনের নেতা অজিত প্রসাদ মাহাত বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন, তাঁদের আন্দোলন দুর্বল করতে প্রশাসন বহু চেষ্টা করছে। মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। মুখ্যসচিবের সঙ্গে এর আগে বৈঠক করে কোনও লাভ হয়নি। তাই, তাঁরা আর বৈঠক করতে রাজি নন। তবে, আগামীদিনে তাঁরা ফের আন্দোলনে নামবেন। বোঝাই যাচ্ছে, দাবি আদায়ে তাঁরা আন্দোলনের ধরন বদলে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share