Tag: Junior Doctor

Junior Doctor

  • Junior Doctor: “জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন ব্যর্থ”, বললেন শুভেন্দু, মমতাকে নিশানা করলেন সুকান্ত

    Junior Doctor: “জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন ব্যর্থ”, বললেন শুভেন্দু, মমতাকে নিশানা করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড ইস্যুতে চলা আন্দোলন নিয়ে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কার্যত জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে ব্যর্থ বললেন তিনি। আর কেন তাঁদের (Junior Doctor) আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে তার কারণও ব্যাখ্যা করলেন বিরোধী দলনেতা। অন্যদিকে, মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন সুকান্ত মজুমদার।

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন ব্যর্থ! (Junior Doctor)

    জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) আন্দোলন ব্যর্থ হওয়া নিয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) মূলত দু’টি কারণ দর্শালেন। প্রথমত, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বাড়িতে এবং নবান্নের বৈঠক। আর দ্বিতীয় হল, রাজ্যের প্রধান এবং একমাত্র বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামা। এই দুই ভুলের ফল অনিকেত মাহাতোরা ভুগছেন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু। শুভেন্দু বলেন, “জুনিয়র ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশন তৃণমূলের তৈরি সংগঠন। থ্রেট কালচারে যুক্তদের নিয়ে এই সংগঠন তৈরি হয়েছে। এদের অনেকের ছবি সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এসব আটকানো যায় না।” এরপর জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “শুরু থেকে বাম ও অতিবাম সংগঠনগুলি জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে ভুল পথে চালিত করেছে। জুনিয়র ডাক্তাররা সবাই খুব ভালো। ওঁরা শিক্ষিত। কেউ সাদা খাতা জমা দিয়ে ডাক্তারি পড়তে বা চাকরিতে আসেননি। কিন্তু, বাম ও অতিবামদের প্ররোচনায় পা-দেওয়ার ফল ভুগছেন অনিকেত মাহাতোরা।”

    আরও পড়ুন: “এক কোটি সদস্য হলেই আমরা জিতব”, শাহি সভায় বললেন মিঠুন

    মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে তোপ

    শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের প্রধান ও একমাত্র বিরোধী দল বিজেপি। সেই বিরোধী দলকে সরিয়ে রেখে কোনও সরকার-বিরোধী আন্দোলন সফল হতে পারে না। শুভেন্দুর মতে, জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ও তার কোটি কোটি ভোটারদের দূরে রেখে আন্দোলনে নেমেছিলেন। তারই ফল ভুগতে হচ্ছে।” বিরোধী দলনেতার মতে, জুনিয়র ডাক্তারদের দ্বিতীয় ভুল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বাড়ি এবং নবান্নে গিয়ে বৈঠক করা। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। যে মুহূর্তে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈঠকে বসেছেন, সেই মুহূর্তে মানুষ তাঁদের আন্দোলন থেকে সরে এসেছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী নিজে আরজি করকাণ্ডের জন্য দায়ী। তাঁর জন্যই পুরো ঘটনা ঘটেছে। আর সেই মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জুনিয়র চিকিৎসকরা বৈঠক করেছেন। সরকারের সঙ্গে অন্য ভাবেও বৈঠক করা যেত। সেটা মুখ্যসচিব এবং স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে করতে পারতেন তাঁরা। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সচিবের হস্তক্ষেপ দাবি করতে পারতেন।”

    মমতাকে গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে তুলনা

    অন্যদিকে, মতাকে থ্রেট কালচারের জনক বলে নিশানা করলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “মমতা গেমপ্লেনের মতো খেলছেন। কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার মনে হচ্ছে সাউথ আফ্রিকার মতো ডাক্তারবাবুরা (Junior Doctor) চোকার্স হয়ে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: দু’ঘণ্টা ধরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী-জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক, কী কী আলোচনা হল?

    Junior Doctor: দু’ঘণ্টা ধরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী-জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক, কী কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের সুবিচার সহ একাধিক দাবিতে ধর্মতলায় অনশন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার আন্দোলনকারীদের কয়েকজন প্রতিনিধি নবান্নের বৈঠকে হাজির হন। সেখানে টানা ২ ঘণ্টা আলোচনা চলে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) পক্ষ থেকে সব কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে, এই বৈঠকের পর কতটা বরফ গলল, তা এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন? (Junior Doctor)

    কলেজস্তরে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ এলে কে খতিয়ে দেখবে? অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটি নাকি টাস্ক ফোর্স? প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের। স্টেট টাস্ক ফোর্সের মতো কলেজেও কমিটি গড়ার ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) । অনিকেত মাহাত  ‘থ্রেট কালচার’ প্রসঙ্গে জানান, অনেক অভিযুক্তের পরীক্ষার খাতা পরখ করা হলে দেখা যাবে, তিনি ১০ নম্বরও পাননি। অথচ পদক পেয়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। হাউস স্টাফ হয়েছেন। মমতা পাল্টা বলেন, অনেকের বিরুদ্ধেই অনেক অভিযোগ রয়েছে। আন্দোলনকারী ছাত্রী বলেন, টাস্ক ফোর্স কী কাজ করছে, তার সদস্য কত জন, তা নিয়ে কিছু আমরা জানি না। দেবাশিস হালদার জানান, টাস্ক ফোর্সে সব মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিত্ব থাকা প্রয়োজন। আন্দোলনকারী অনিকেত রাজ্য সরকারের ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। তিনি বলেন, “কলেজ ক্যাম্পাস সুস্থ জায়গা হতে হলে, সেখানে আমাদেরও থাকতে হবে। এক জন ছাত্র কলেজে প্রবেশের পর কী এমন ঘটছে যে সে পচা হয়ে উঠছে? সে কারণে ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুস্থ, স্বাভাবিক করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় ‘দানা’, কোন দেশ দিয়েছে এই নাম? কীভাবে হয় নামকরণ?

    ‘থ্রেট কালচার’!

    বৈঠকে দেবাশিসের মুখে উঠল ‘থ্রেট কালচার’-এর প্রসঙ্গ। এই প্রসঙ্গে বিরুপাক্ষ এবং অভীকের নাম নিতেই থামিয়ে দিলেন মমতা। তিনি বলেন, “উপস্থিত নেই যখন, নাম নেবেন না। নাম নিলে তো তাঁকেও তাঁর কথা বলার জায়গা দিতে হয়।”অনিকেত (Junior Doctor) মেডিক্যাল কলেজে যৌন হেনস্থার অভিযোগের কথা জানালেন। বললেন, “আরজি করের মতো দ্বিতীয় ঘটনা যাতে না হয়, তা দেখা হোক। মেয়েদের নিরাপত্তার জায়গাটা দেখা হোক।” তাঁর দাবি, ‘থ্রেট কালচার’-এর পাশাপাশি যৌন হেনস্থাও চলে।

    মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?

    মমতা বলেন, “তোমরা সাধ্যমতো অনশন করেছো। ভালো করেছো। আমি ২৬ দিন অনশন করেছি। কেউ আসেনি। আমি মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠিয়েছি। রোজ খবর নিয়েছি। ঘণ্টায় ঘণ্টায় রিপোর্ট নিই।”মমতা জুনিয়র ডাক্তারদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কথা বললেন। তাঁর কথায়, “পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সরকার কাজ করবে কী করে?” বৈঠকের শেষের দিকে মমতা বলেন, “আমার কাছে একটি পরিবার আসার কথা। তাঁদেরও মেয়ে মারা গিয়েছে। আমায় যেতে হবে। আন্দোলন শুরু করলে শেষও করতে হবে। মানবাধিকার কমিশনের দাবিতে ২১ দিন ধর্না করেছিলাম। সিঙ্গুর নিয়ে ২৬ দিন অনশন করেছি। কেউ আসেনি। গোপাল গান্ধী ব্যক্তিগত ভাবে আমায় ভালোবাসতেন বলে এসেছিলেন। তোমাদের (Junior Doctor) ভালোবাসি। আলোচনায় ফাঁক রাখা হয়নি। মন খুলে কথা বলেছো।”

    সাসপেনশন নিয়ে তদন্ত!

    মমতা সাসপেনশন নিয়ে জানালেন, “তদন্ত করা হবে। পক্ষপাতিত্ব চলবে না, আগামী দিনে দেখা হবে বিষয়টি। সরকারকে না জানিয়ে ‘অ্যাকাডেমিক’ কাউন্সিল কী ভাবে তৈরি হল, কী ভাবে সাসপেন্ড করা হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। মমতা জানান, জুনিয়র ডাক্তারদের স্ট্রাইকের জন্য ৪৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। জনগণের টাকা অন্য জায়গায় চলে গিয়েছে। মমতা বলেন, “রং জানার দরকার নেই। পরিচয় জানার দরকার নেই। যদিও জানি সব। ৫৬৩ জন আন্দোলন চলার সময় বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করে টাকা নিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour Medical: কোটি কোটি টাকা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ! দিনভর বিক্ষোভে জুনিয়র ডাক্তাররা

    Diamond Harbour Medical: কোটি কোটি টাকা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ! দিনভর বিক্ষোভে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আবহের মধ্যে এবার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল (Diamond Harbour Medical) কলেজে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার অবস্থান-বিক্ষোভ চলে। এদিন সকাল থেকে চলা অবস্থান বিক্ষোভে ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের স্থায়ী এবং অস্থায়ী কর্মচারীরা সামিল হন।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Diamond Harbour Medical)

    মূলত, জুনিয়র ডাক্তারদের (Diamond Harbour Medical) দাবি, ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। পাশাপাশি থ্রেট কালচার সহ ১২ দফা দাবিকে সামনে রেখে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ চালাতে থাকেন। অধ্যক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এর সঠিক উত্তর দিচ্ছেন, ততক্ষণ এই অবস্থান বিক্ষোভ চলতে থাকবে। এমনকী, মেডিক্যাল কলেজের অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ে তালা মেরে দেওয়া হয় জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে। তবে, এই বিষয় নিয়ে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, ‘‘ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের বেশ কিছু জুনিয়র চিকিৎসক ও পড়ুয়ারা কোশ্চেন বিক্রি থেকে শুরু করে, টাকা নেওয়া ও জুনিয়রদের থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্ত। এরজন্য ৯ জন জুনিয়র চিকিৎসক ও পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এদিন তাঁদের হস্টেল ছেড়ে দেওয়ার শেষ দিন, যে কারণেই তাঁরা পরিকল্পিতভাবে আমার দুর্নাম করার জন্যই এই পরিকল্পনা করেছে।’’

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় ‘দানা’, কোন দেশ দিয়েছে এই নাম? কীভাবে হয় নামকরণ?

    আরজি করকাণ্ডে প্রতীকী অনশন

    সকাল থেকে দফায় দফায় অবস্থান বিক্ষোভের ফলেই ব্যাহত হয়ে পড়ে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের রোগী পরিষেবা। আর সেই অবস্থান বিক্ষোভের মধ্যে আসেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জোনাল মিতুন কুমার দে, মহকুমা শাসক অঞ্জন ঘোষ, এসডিপিও শাকিব আহমেদ। একদিকে তাঁরা যেমন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন, ঠিক তেমনি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং এমএসভিপি-র সঙ্গে কথা হয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করার পর অ্যাকাডেমিক বিল্ডিং এর তালা খোলেন। জুনিয়র চিকিৎসকরা অবস্থান তুলে নেন। পাশাপাশি, জুনিয়র ডাক্তারদের অন্য একটি পক্ষ, আরজি করকাণ্ডের কলকাতায় অবস্থানরত চিকিৎসকদের সমবেদনা জানাতে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: ‘‘আমাদের দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর’’, প্রতিক্রিয়া অনশনকারী ডাক্তারদের

    Junior Doctor: ‘‘আমাদের দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর’’, প্রতিক্রিয়া অনশনকারী ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায়ও গলছে না বরফ? ‘মুখ্যমন্ত্রীর ফোন-বার্তা অনভিপ্রেত মনে হয়েছে’, প্রতিক্রিয়া জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor)। বললেন, ‘উনি কোথাও না কোথাও ধৈর্য হারাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই, মনে হচ্ছে’। ফলে, অনশন চালিয়ে যাবেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর (Junior Doctor)

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) বিচার সহ ১০ দফা দাবিতে ১৫ দিন ধরে ধর্মতলায় অনশন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। এখানে ৭ জন এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে একজন অনশন করছেন। শুক্রবার সিনিয়রদের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্য সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, সোমবারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে আলোচনায় বসতে হবে এবং সব দাবি মেনে নিতে হবে। দাবি না মানলে মঙ্গলবার সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এরপরই শনিবার অনশন মঞ্চে যান স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিব। সেখানেই ফোনে অনশন তুলে নেওয়ার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নে বৈঠকের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা কাজে ফিরতে চাই, আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া হোক। আমাদের দাবি পূরণ না হলে অনশন চলবে। জটিলতার দ্রুত সমাধান আমরা চাই। আমাদের দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর। আমরা এখনও ন্যায়বিচার পাইনি। মনে হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী কোথাও কোথাও ধৈর্য হারাচ্ছেন। সোমবার আমরা নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব”।

    আরও পড়ুন: রানিমার সঙ্গে কৃষ্ণনগরের নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, দিলেন আইনি সাহায্যের প্রতিশ্রুতি

    অনশনকে খাটো করে দেখা হচ্ছে

    অনশনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) এও বলেন, “আমরা মনোক্ষুণ্ণ হলেও মুখ্যমন্ত্রীকে অভিভাবক হিসেবেই দেখি। আমাদের ১০ দফা দাবির কথা উনি স্পষ্টভাবে জানেন না। এতদিন পর কেন শুনতে হল, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দাবির কথা জানেন না? তাহলে কি আমাদের দাবির কথা মুখ্যমন্ত্রীর কানে পৌঁছয়নি? আমদের বলা হচ্ছে, কাজে ফিরছি না কেন? রাজ্য জুড়ে সব জায়গায় পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনশনকে খাটো করে দেখা হচ্ছে।”

    মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী ফোনে অনশনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctor) বলেন, “৩-৪ মাস সময় দিন, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে নির্বাচন করব। মেডিক্যাল পরীক্ষা যাতে সঠিক ভাবে হয়, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। যতটুকু করা সম্ভব, কথা দিচ্ছি নিশ্চয় করব। সরকারি হাসপাতাল পরিষেবা না দিলে মানুষ কোথায় যাবে? দিদি হিসেবে বলছি, আপনাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া হবে। আপনারা অনশন তুলে দয়া করে কাজে যোগ দিন”।

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীরা (Junior Doctor) বলেন, “এতদিনের আমাদের অনুরোধ, আমাদের কাতর আর্তি, এত মানুষের ভুখা পেটের কষ্ট, কোনওটাই কি তাঁর কানে পৌঁছচ্ছে না? আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি যখন বলা হয়, তোমরা কাজে ফিরছ না বলে, স্বাস্থ্য পরিষেবায় সমস্যা হচ্ছে। আমরা এখানে (ধর্মতলায়) জুনিয়র ডাক্তার অনশন করছে ৭ জন। উত্তরবঙ্গে আছে ১ জন। আমরা ঘোষিতভাবে কর্মবিরতি কিন্তু তুলে নিয়েছি। সবকটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান, সব জায়গায় চিকিৎসা হচ্ছে। জরুরি পরিষেবা চলছে, অপারেশন হচ্ছে।  আমাদের কোথাও গিয়ে মনে হচ্ছে, এভাবে যে বারবার বলা হচ্ছে, কাজে ফিরতে ওরা হয় জানে না সরকারি হাসপাতালগুলি চলছে, অথবা আমাদের অনশনের কোনও মূল্যই নেই”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: দাবি আদায়ে ন্যায় বিচার যাত্রা, শামিল নির্যাতিতার বাবা-মা

    RG Kar Protest: দাবি আদায়ে ন্যায় বিচার যাত্রা, শামিল নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) ধর্মতলায় অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গণস্বাক্ষর সংগ্রহ সহ একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে। এই আবহে এবার নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে ন্যায় বিচার যাত্রার সূচনা করলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। আর প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলালেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

    সিবিআইয়ের ওপর আস্থা রয়েছে (RG Kar Protest) 

    শুক্রবারই জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন সোদপুর থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ন্যায় বিচার যাত্রা ‘রিলে পদ্ধতি’তে এগোবে। এভাবেই ধর্মতলার অনশন মঞ্চে (RG Kar Protest) এসে পৌঁছবে এই যাত্রা। শনিবার পানিহাটির এইচবি টাউন মোড়ে এই যাত্রার সূচনা করেন নির্যাতিতার বাবা-মা। মিছিলে জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি প্রচুর সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। কর্মসূচির সূচনা করে নির্যাতিতার বাবা-মা  বলেন,”বিচারের আশায় আমাদের আরও ধৈর্য ধরতে হবে। সিবিআই ও শীর্ষ আদালত সকলেই বলছে ধৈর্য ধরতে হবে এবং সিবিআইয়ের ওপরেও আমাদের আস্থা রাখতে হচ্ছে। কারণ, সিবিআই কাজ করছে। এই ঘটনায় অন্য যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সিবিআই।”

    আরও পড়ুন: রানিমার সঙ্গে কৃষ্ণনগরের নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, দিলেন আইনি সাহায্যের প্রতিশ্রুতি

    আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান হোক

    নির্যাতিতার বিচার চেয়ে আমরণ অনশনে (RG Kar Protest) শামিল হয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। এই বিষয়টি নিয়ে যে তাঁরা উদ্বিগ্ন বুঝিয়ে দিলেন তাও। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “অনশন শেষ অস্ত্র। অনশন মানে মৃত্যু। আমরা কখনওই চাইনি এটা। আমরা জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা যেন হাসপাতালে ভর্তি হয়।” নির্যাতিতার মা বলেন “মুখ্যমন্ত্রী যেন আলোচনা করে এই অচলাবস্থা কাটিয়ে নেওয়ার একটা ব্যবস্থা করেন। আমার খুব খারাপ লাগছে। আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান হলে একটু নিশ্চিন্ত হব।” একইসঙ্গে তাঁরা এও বলেন, “আমাদের মেয়ের বিচার এখনও অধরা। আমার মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল সেটা এখনও আমরা জানি না। তাই আন্দোলন তো করতেই হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: গণস্বাক্ষর অভিযানের পর এবার ন্যায় বিচার যাত্রার ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    Junior Doctor: গণস্বাক্ষর অভিযানের পর এবার ন্যায় বিচার যাত্রার ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এখনও চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) অনশন। তার মধ্যেই এবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আমরণ অনশনকারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে ও ন্যায় বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার পদযাত্রার ঘোষণা করল ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট।

    ন্যায় বিচার যাত্রার আয়োজন (Junior Doctor)

    আগামী শনিবার সোদপুর থেকে ধর্মতলার অনশনমঞ্চ পর্যন্ত ন্যায় বিচার যাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) তরফে বলা হয়েছে, অনশনকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সোদপুর থেকে ধর্মতলার অনশনমঞ্চ পর্যন্ত ন্যায় বিচার যাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। তার সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ওই একই সময়ে ন্যায় বিচার যাত্রাও করা হবে বলে জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। অন্যদিকে, এদিন স্বাস্থ্য ভবনের কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট। তাদের দাবি, সুপ্রিম কোর্টে মিথ্যাচার করছে রাজ্য সরকার। যে কাজের খতিয়ান স্বাস্থ্যভবনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া হয়েছে, তার কোনওটাই সম্পূর্ণ হয়নি। নিজেদের দাবির সমর্থনে একাধিক ছবিও দেখিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    আরও পড়ুন: ফোর লেন হচ্ছে ধূপগুড়ি-ফালাকাটা জাতীয় সড়ক, ১৬০৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের

    স্বাস্থ্য সচিব মিথ্যাচার করছেন

    জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের তরফে সত্যজিৎ সরকার (Junior Doctor) বলেন, ‘‘দুপুর দু’টোর সময় আমরা ছবি তুলেছি। কোথায় কী কাজ রয়েছে, তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। কেন এই মিথ্যাচার? মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যে রিপোর্ট অধ্যক্ষের কাছে জমা দিয়েছিলেন, সেখানে ৮৩৯টি সিসিটিভির প্রয়োজন আছে। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন অনুমতি দিয়েছে ৩৬০টি সিসিটিভির। এর মধ্যে কর্তৃপক্ষ বলছে এখনও বসানো হয়েছে ৩৩১টি। আমাদের কাছে প্রমাণ আছে। বহু জায়গায় সিসিটিভি বসানো এখনও বাকি। স্বাস্থ্যসচিব মিথ্যাচার করছেন। ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কাছে। এর সঙ্গে আমরা জানতে পারছি, এই সিসিটিভি বসানো হয়েছে মাত্র ৪৫ দিনের জন্য।’’

    নারী সুরক্ষা উপেক্ষিত

    জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) বলেন, ‘‘বাংলার বিভিন্ন যাত্রায় নারী সুরক্ষার বিষয়টি উপেক্ষিত। বাংলার বিভিন্ন জায়গায় একই দিনে সমস্ত নাগরিক মঞ্চের তরফ থেকে ন্যায় বিচার যাত্রার আয়োজন করুন। প্রথম দিন থেকে যেভাবে প্রতিবাদে রয়েছেন সেটা চালিয়ে যান। যে মানবিক সরকারের কথা বলা হত সেই সরকারের যে অমানবিক মুখ দেখতে পাচ্ছি তাতে আমরা ক্ষুব্ধ ও হতাশ।’’ সেই সঙ্গেই জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছেন গণস্বাক্ষর অভিযান যেমন চলছে তেমনি চলবে। রাজ্যের জেলায় জেলায় এই কর্মসূচি পালন করা হবে। অনশনে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। অনিকেত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও শারীরিকভাবে এখনও যথেষ্ট দুর্বল। ৬ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন। অনিকেত মাহাতোর চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ডাঃ সোমা মুখোপাধ্যায় জানান, নির্দিষ্ট সময় পর অনিকেতর প্রেসার মাপতে হবে। খেতে হবে প্রচুর পরিমাণ জল। আর আপাতত তিনি এখন অনশনে যোগ দিতে পারবেন না। আপাতত অনশনে যাচ্ছেন না অনিকেত। তবে লড়াইয়ের মঞ্চ ছাড়ছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: সাদা কাগজে অনশন মঞ্চে জুনিয়র ডাক্তারদের সই সংগ্রহ শুরু, নিমেষে পাতা ভর্তি

    Junior Doctor: সাদা কাগজে অনশন মঞ্চে জুনিয়র ডাক্তারদের সই সংগ্রহ শুরু, নিমেষে পাতা ভর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে নামলেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। লক্ষ্মীবারে, লক্ষ্মীপুজোর দিন এই কর্মসূচি শুরু হল। অনশন মঞ্চেই এই কর্মসূচিতে এগিয়ে এলেন বহু মানুষ। নতুন এই কর্মসূচি থেকে আরও বেশি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা? এদিন মঞ্চের সামনে থেকেই শুরু হয় গণস্বাক্ষর অভিযান। সকাল থেকেই বহু সাধারণ মানুষ, সিনিয়র চিকিৎসকরা অনশন মঞ্চে এসে উপস্থিত হন। সাদা কাগজে সেই সই সংগ্রহ শুরু হয়। নিমেষে পাতা ভর্তি হতে থাকে। এই সই সংগ্রহ অভিযান এখন চলবে।

    গণস্বাক্ষর অভিযানের ডাক (Junior Doctor)

    জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ‘গণস্বাক্ষর সংগ্রহ’ কর্মসূচি ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার তা শুরু হতে চলেছে কলকাতা থেকেও। ধর্মতলার অনশনমঞ্চ (Hunger Strike) থেকে তো বটেই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ থেকেও জুনিয়র ডাক্তারেরা গণস্বাক্ষর সংগ্রহে বেরোবেন বলে জানা গিয়েছে। স্থির হয়েছে ধর্মতলার অনশনমঞ্চ থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের নিয়ে চারটে গাড়ি চার প্রান্তে যাবে। উল্টোডাঙা, সোদপুর, গড়িয়াহাট এবং শ্যামবাজারে গিয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। জানা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় মিছিল করে জুনিয়র চিকিৎসকরা যাবেন। ধর্মতলা থেকে চারদিকে যাবে এই মিছিল। ধর্মতলা থেকে শ্যামবাজার হয়ে সোদপুর যাবে। ধর্মতলা থেকে বিধাননগর যাবে। ধর্মতলা থেকে গড়িয়াহাট যাবে। সাধারণ মানুষের সই সংগ্রহ করা হবে।

    আরও পড়ুন: হাসিনার পরিবারের সঙ্গে যুক্ত আটটি জাতীয় দিবস বাতিল হচ্ছে বাংলাদেশে

    কী বললেন উদ্যোক্তারা?

    বুধবারই ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজে বৈঠকে বসেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মধ্যরাতের সেই বৈঠকে ‘গণস্বাক্ষর সংগ্রহ’ কর্মসূচির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। নিজেদের দাবির বিষয়ে সাধারণ মানুষকে (Junior Doctor) অবহিত করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ধর্মতলার চার প্রান্তের চারটি জায়গায় ১০ দফা দাবির বিষয়ে নিজেদের মতামত জানিয়ে স্বাক্ষর করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। প্রাথমিক ভাবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি করতে চাইছেন আন্দোলনকারীরা। আরিফ আহমেদ লস্কর নামে এক আন্দোলনকারীর কথায়, “অনেক সাধারণ মানুষ ধর্মতলায় এলেও সরাসরি প্রতিবাদী বা অনশনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না। কিন্তু আমরা তাঁদের কথা শুনতে চাই। তাই সাধারণ মানুষ যাঁরা আসছেন, তাঁরা তাঁদের মতামত আমাদের জানিয়ে স্বাক্ষর করতে পারবেন।”

    কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারের এই ‘গণস্বাক্ষর সংগ্রহ’ কর্মসূচিই (Junior Doctor) নয়, প্রতি দিনই বৈঠক করে নতুন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এই পোস্টারে কোথাও উদ্যোক্তাদের নাম উল্লেখ করা নেই। ১০ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় ‘আমরণ অনশন’ চালাচ্ছেন সাত জন জুনিয়র ডাক্তার। বৃহস্পতিবার তাঁদের অনশনের ত্রয়োদশতম দিন। এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজেও ‘আমরণ অনশন’ চালাচ্ছেন এক জুনিয়র ডাক্তার। শিলিগুড়ির অনশনমঞ্চের একাদশতম দিন। অনশনে থাকতে থাকতে সকলেই কমবেশি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। রুমেলিকা কুমার এবং স্পন্দন চৌধুরী মঙ্গলবারই ধর্মতলার অনশনমঞ্চে যোগ দিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: ধর্মতলায় অনশনে যোগ দিলেন আরও দুই জুনিয়র ডাক্তার, আরও জোরদার আন্দোলন

    Junior Doctor: ধর্মতলায় অনশনে যোগ দিলেন আরও দুই জুনিয়র ডাক্তার, আরও জোরদার আন্দোলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ দফা দাবিতে ধর্মতলায় আমরণ অনশন শুরু করেন কলকাতার বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের ছ’জন জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor)। পুজোর মধ্যেও তাঁরা জোরদার আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছেন। এবার পুজো মিটতেই ধর্মতলায় জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের ঝাঁজ ক্রমশ বাড়ছে। মঙ্গলবার তাঁদের অনশনমঞ্চে যোগ দিলেন আরও দুই জন।

    আন্দোলন আরও তীব্র হবে (Junior Doctor)

    জানা গিয়েছে, ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টা থেকে ধর্মতলায় আমরণ অনশন (Hunger Strike) শুরু করেন কলকাতার বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের ছ’জন জুনিয়র ডাক্তার। স্নিগ্ধা ছাড়াও সেই তালিকায় রয়েছেন তনয়া পাঁজা, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, অর্ণব মুখোপাধ্যায় এবং পুলস্ত্য আচার্য। রবিবার অনশনে যোগ দিয়েছিলেন আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসক (Junior Doctor) অনিকেত মাহাতও। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় অনিকেত, অনুষ্টুপ, পুলস্ত্য এবং তনয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আরজি কর, নীলরতন সরকার এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা চলছে তাঁদের। ঘটনাচক্রে, অনশনকারীদের মধ্যে আরজি করের কেউ রইলেন না। গত ১১ অক্টোবর রাতে ধর্মতলার অনশনমঞ্চে আরও দুই জন যোগ দিয়েছিলেন। তাঁরা হলেন পরিচয় পণ্ডা এবং আলোলিকা ঘোড়ুই। আর মঙ্গলবার সেই তালিকা আরও বাড়ল। যে নতুন দু’জন অনশনে যোগ দিলেন তাঁরা হলেন স্পন্দন চৌধুরী এবং রুমেলিকা কুমার। রুমেলিকা অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হাইজিনের জুনিয়র ডাক্তার। স্পন্দন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তার। অনশনে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “আজ আমাদের আন্দোলনের ৬৫-৬৬ দিন হয়েছে। দাদা-দিদিরা অনশন করছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পুলিশমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ সবাইকে বলছি আমাদের আন্দোলন চলবে।” রুমেলিকা বলেন, “আমাদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী মমতা’’, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে হামলাকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া বিজেপি সাংসদের

    ২২২ ঘণ্টা অনশনের পর অসুস্থ উত্তরবঙ্গের সৌভিক

    অনশনরত উত্তরবঙ্গ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor) সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে ভর্তি করানো হল আইসিসিইউতে। প্রায় ২২২ ঘণ্টা অনশনের পর অসুস্থ হয়ে পড়লেন ওই জুনিয়র ডাক্তার। অনশনমঞ্চেই পেটে প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হয় সৌভিকের। তার পরই তাকে আইসিইউয়ে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের সূত্রে খবর, সৌভিকের রক্তচাপ এবং হৃৎস্পন্দন অনিয়ন্ত্রিত। জানা গিয়েছে, সৌভিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় গত ৬ অক্টোবর থেকে। সোমবার মেডিক্যাল টিম তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছিল। তাতে জানা যায়, রক্তচাপ নামছে সৌভিকের। তার পরেও অনশন চালিয়ে যান তিনি। এর আগে অনশনরত অলোক বর্মাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছে। অন্য দিকে, সোমবারই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসেন আরও এক জুনিয়র চিকিৎসক, ইএনটি বিভাগের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি (পিজিটি) সন্দীপ মণ্ডল।….

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ডাক্তারদের বৈঠকে গরহাজির স্বাস্থ্যসচিবই, স্বাস্থ্যভবনের মিটিংয়ে কাটল না জট

    RG Kar: ডাক্তারদের বৈঠকে গরহাজির স্বাস্থ্যসচিবই, স্বাস্থ্যভবনের মিটিংয়ে কাটল না জট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:আরজি করকাণ্ডের জেরে (RG Kar) স্বাস্থ্যের অচলাবস্থা নিয়ে বৈঠকে গরহাজির স্বাস্থ্যসচিবই নারায়ণস্বরূপ নিগম। সোমবার স্বাস্থ্যভবনে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের ডাকে বৈঠকে বসেন ৬টি চিকিৎসক সংগঠনের মোট ১৮জন প্রতিনিধি। সেখান স্বাস্থ্যের দুর্নীতির একাধিক ইস্যু তুলে ধরেন চিকিৎসকরা (Doctor Meeting)। কিন্তু সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না স্বাস্থ্যসচিব। কেন তিনি এই বৈঠকে উপস্থিত নেই, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। মুখ্যসচিবের সঙ্গে চিকিৎসক সংগঠনগুলির বৈঠকেও কাটল না জট।

    বৈঠকে কী হল? (RG Kar)

    জুনিয়র ডাক্তারদের অনশনের ১০ দিনের মাথায় ১২টি চিকিৎসক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের (RG Kar) ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। প্রত্যেক সংগঠনের ২জন করে প্রতিনিধিকে বৈঠকে যোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। স্বাস্থ্যভবনে বেলা সাড়ে ১২ টায় বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শেষে জানান হয়েছে, “সরকারের তরফে কোনও লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। জুনিয়র ডাক্তারদের ১০ দফা দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। সরকার ভাসা ভাসা প্রতিশ্রুতি দিলে হবে না। সরকার পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াকিবহাল, তাও কোনও প্রস্তুতি ছাড়াও বৈঠক। স্বাস্থ্য সচিবকে ছাড়া কেন বৈঠক করলেন মুখ্যসচিব। হাসপাতালগুলিতে দুর্নীতি-চক্রের কথা জানানো হয়েছে। সরকারের তরফে সমস্যা সমাধানের কোন লিখিত প্রতিশ্রুতি মেলেনি”।

    আরও পড়ুন: থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করায় ‘খুন’ মহিলা, হাবড়ায় গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের কর্মীসহ ৩

    স্বাস্থ্যসচিবের না থাকাটা হতাশাজনক

    বৈঠকে যোগদানকারী চিকিৎসকদের (RG Kar) পর্যবেক্ষণ, এই মুহূর্তে স্বাস্থ্যে সঙ্কটকালীন পরিস্থিতি, যে বিষয়গুলো উঠে আসছে, গত কয়েক বছরের ঘটনাক্রম বৈঠকে উঠে এসেছে, সেখানে স্বাস্থ্যসচিবের না থাকাটা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ্য, জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবিগুলোর মধ্যেও অন্যতম স্বাস্থ্যসচিবের পদত্যাগ। তাই সেক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে, স্বাস্থ্যসচিবকে সরিয়ে রেখেই প্রশাসন-সরকার সিনিয়র চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ কী সে বিষয়ে মতামত নিতে চাইছে। চিকিৎসক অভীক ঘোষ বলেন, “যে মানুষটার বিরুদ্ধেই এত অভিযোগ, যাঁর অপসারণের দাবি উঠছে, সেখানে নিশ্চয়ই তাঁর বক্তব্যটাও জরুরি ছিল। তাঁর না থাকাটা যথেষ্টই হতাশাজনক।” তবে সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি। সুপ্রিম শুনানির প্রস্তুতিতেই তিনি ব্যস্ত রয়েছেন।

    কী বললেন মুখ্যসচিব?

    জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar) ১০টি দাবির মধ্যে সাতটি ইতিমধ্যেই মানা হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। বাকি তিনটি দাবি কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় কাজ হচ্ছে বলে জানান মুখ্যসচিব। তিনি বলেন, “তিন দাবির বিষয়ে সরকারের কাছে সময়সীমা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এগুলির বিষয়ে সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নয়।”

    বৈঠক শেষে হতাশ সিনিয়র ডাক্তাররা

    মঙ্গলবার কলকাতায় পুজো কার্নিভালের দিনই ‘দ্রোহের কার্নিভালে’র ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা সেই দ্রোহের কার্নিভালে যোগ দেওয়ার জন্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে আমন্ত্রণ জানালেন সিনিয়র চিকিৎসকেরা। তাঁদের তরফে এক জন বলেন, “ওঁরা আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করছেন। আমরা অপেক্ষা করব ওঁদের জন্য।” বৈঠক থেকে বেরিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেন সিনিয়র চিকিৎসকেরা। তাঁদের বক্তব্য, “জুনিয়র ডাক্তারদের ১০ দফা দাবি পূরণের বিষয়ে কোনও লিখিত প্রতিশ্রুতি দেয়নি সরকার। তাই সরকার স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোর আর্জি জানালেও তা সম্ভব নয়।” তাঁদের এক জনের কথায়, “থ্রেট কালচারে অভিযুক্তেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। দুর্নীতিগ্রস্ত লোকেরা স্বাস্থ্য প্রশাসনে বিভিন্ন পদে বসে রয়েছে। পুলিশের ভূমিকা কী, তা তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। এর পরে কী ভাবে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানো সম্ভব”?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে যোগ দিন, দলীয় কর্মীদের বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে যোগ দিন, দলীয় কর্মীদের বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীদের জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে শামিল হওয়ার ডাক দিলেন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি (Sukanta Majumdar) জানিয়ে দিলেন, এই প্রতিবাদে চিকিৎসকদের পাশে রয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, বিজয়া দশমীর ভাষণে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত আরজি কর নিয়ে সরব হন। ডাক্তারদের (Junior Doctors Protest) আন্দোলনকে তিনি সমর্থন করেন। তারপরই বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন (Sukanta Majumdar)

    রবিবার সুকান্তর সই করা একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিজেপি। সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে’ জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠনের যে আন্দোলন, তাতে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির। আরজি কর হাসপাতালের চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের আবহে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors Protest) যে দাবি তুলেছেন, তা বৈধ। সেই দাবি দ্রুত পূরণ করা উচিত।” বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠকে রাজ্য সরকার দাবি পূরণের কথা জানালেও পরে তা থেকে সরে এসেছে। এর পরেই বিজেপি কর্মীদের জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে পাশে থাকার ডাক দিয়েছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁর বক্তব্য, “আমরা প্রথম থেকেই নিজেদের দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি চিকিৎসকদের আন্দোলনকে (Junior Doctors Protest) সমর্থন করে এসেছি। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে আরও বেশি করে সমর্থন দেওয়ার কথা মনে হল। সেই হিসেবে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।”প্রেস বার্তায় সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) লিখেছেন, “সমস্ত বিজেপি কার্যকর্তাদের উৎসাহ দিচ্ছি আন্দোলনের পাশে আপনারা থাকুন। সেই সঙ্গে বাংলার মানুষদের কাছেও অনুরোধ করছি সবরকমভাবে এই আন্দোলনের শরিক হোন। আমাদের ডাক্তারদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। কালো শক্তির হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে হবে। এই সময় এই কালো শক্তি বাংলার ওপর ছেয়ে রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: হাওড়ার শ্যামপুরে মণ্ডপে ভাঙচুর, দুর্গা প্রতিমায় আগুন, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    ঠিক কী বলেছিলেন ভাগবত?

    দশেরা উৎসবের সভায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের মুখে আরজি করের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। তিনি বলেন, “আরজি করের ঘটনা আমাদের সকলের কলঙ্ক। এমন ঘটনা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়। আর ঘটলে সকলকে একসঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হবে। কিন্তু সেখানে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে।” কলকাতায় আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদেরও সমর্থন করেছেন আরএসএস প্রধান। তাঁর মন্তব্য, “পুরো দেশ আজ ডাক্তার ভাইদের পাশে রয়েছে।”

    আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctors Protest) দেবাশিস হালদার জানিয়ে দিয়েছেন, দলীয় পতাকা নিয়ে তাঁদের সমর্থন জানানো যাবে না। তাঁর কথায়, “দলীয় স্বার্থ দূরে সরিয়ে রেখে, দলের পতাকা, ব্যানার ছেড়ে একেবারে সাধারণ নাগরিক হিসাবে কেউ এখানে আসতে চাইলে, এই আন্দোলনে আমাদের পাশে দাঁড়াতে চাইলে দাঁড়াতেই পারেন। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দল যদি দলীয় স্বার্থ নিয়ে এই আন্দোলনের অংশ হতে চায়, তা হলে সেটা হতে দেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share