Tag: Junior Doctor

Junior Doctor

  • IMA: বাংলার আন্দোলনকে সমর্থন, মঙ্গলবার দেশজুড়ে অনশনে জুনিয়র ডাক্তাররা, সিদ্ধান্ত আইএমএ-এর

    IMA: বাংলার আন্দোলনকে সমর্থন, মঙ্গলবার দেশজুড়ে অনশনে জুনিয়র ডাক্তাররা, সিদ্ধান্ত আইএমএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছে সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। একই মর্মে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইএমএ বেঙ্গলও। এবার দেশজোড়া ১২ ঘণ্টা অনশনের ডাক দিল আইএমএ (IMA)। পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) আমরণ অনশনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    দেশজুড়ে অনশনে বসবেন জুনিয়র ডাক্তাররা (IMA)

    রবিবার আইএমএ (IMA) (মুখ্য দফতর)-এর পক্ষ থেকে আইএমএ-র সমস্ত রাজ্য ও আঞ্চলিক শাখার প্রধানদের নির্দেশ দিয়ে জানানো হয়েছে, চিকিৎসক আন্দোলনের সংহতিতে এবার দেশ জোড়া কর্মসূচির পথে হাঁটছে তারা। তাতে নেতৃত্ব দেবেন আইএমএ জেডিএন (জুনিয়র ডক্টরস নেটওয়ার্ক) এবং সদস্যেরা। আগামী মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সমস্ত প্রান্তে অনশন পালন করবেন জুনিয়র ডাক্তাররা। নিজের নিজের মেডিক্যাল কলেজ ও হস্টেলগুলিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবেন তাঁরা। এ নিয়ে সংগঠিত আলোচনার জন্য রবিবার দুপুরেই আইএমএ-র রাজ্যশাখার প্রেসিডেন্ট ও সভাপতিদের নিয়ে একটি জরুরি মিটিংও ডাকা হয়েছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই দিল্লি থেকে আইএমএ-র প্রেসিডেন্ট আরভি অশোকান এসে দেখে যান ধর্মতলায় আন্দোলনরত চিকিৎসকদের অনশনমঞ্চ। নিজেদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অনশন প্রত্যাহার করতেও অনুরোধ করেন। এর পরেই রবিবার সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ-র বেঙ্গল শাখা কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনের ডাক দেয়। রবিবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গোটা রাজ্যে প্রতীকী অনশন পালন করছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: কলকাতার রাজপথে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’! ঘরে ঘরে অরন্ধনের ডাক

     প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চিঠি

    এর আগে প্রেস বিবৃতিতে রাজ্য প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়েছিল আইএমএ (IMA) বেঙ্গল। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, জুনিয়র ডাক্তারদের আমরণ অনশন চলছে। একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনশনরত চিকিৎসকেরা। তাঁদের স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা চিকিৎসক সমাজ। রাজ্য প্রশাসনকে হুঁশিয়ারিও দেন আইএমএ রাজ্য শাখার চিকিৎসকেরা। জানিয়ে দেন, প্রশাসন উদ্যোগী না হলে চরম পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। উল্লেখ্য, জুনিয়র ডাক্তারদের অনশনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সর্বভারতীয় রেসিডেন্ট ডাক্তারদের সংগঠন ‘ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ (এফএআইএমএ) থেকেও মমতাকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠিতেও ছিল হুঁশিয়ারি। দাবি না মানলে দেশ জুড়ে চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন এফএআইএমএ-র সদস্যেরা। এমন একের পর এক পদক্ষেপে সরকারের ওপর ‘চাপ’ বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor:  কলকাতার রাজপথে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’! ঘরে ঘরে অরন্ধনের ডাক

    Junior Doctor: কলকাতার রাজপথে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’! ঘরে ঘরে অরন্ধনের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার কলকাতার বড় পুজোগুলির প্রতিমা নিয়ে রেড রোডে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে পুজো কার্নিভাল। আরজি করের (RG Kar) নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে এবং অনশনরত জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) প্রতি সংহতি জানিয়ে রানি রাসমণি রোডে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’ ডাকল জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স। চিকিৎসকদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চ এই জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স।

    ‘দ্রোহের কার্নিভাল’! (Junior Doctor)

    শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু জানেন না আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারেরা। জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) আন্দোলনের অন্যতম নেতা দেবাশিস হালদার বলেন, “এই রকম কর্মসূচির কথা আমার জানা নেই। ফলে, এবিষয়ে এখনই কিছু মন্তব্য করতে পারব না।”গোটা পুজোয় পুলিশ বনাম আন্দোলনকারীদের সংঘাত লেগেই ছিল। ত্রিধারার মণ্ডপে বিচার চেয়ে স্লোগান দিতে গিয়ে ন’জন আন্দোলনকারী গ্রেফতার হয়েছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশে শনিবারই তাঁরা মুক্তি পেয়েছেন। অনেকের মতে, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত পুজো কার্নিভালের দিন চিকিৎসকদের যৌথ মঞ্চের ডাকে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’ নতুন সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি করে দিল। কারণ, রানি রাসমণি রোড এবং রেড রোডের কার্নিভাল স্থলের দূরত্ব কয়েক মিটার বড় জোর। ফলে, প্রশাসন চিকিৎসকদের যৌথমঞ্চের কর্মসূচিতে অনুমতি দেবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে নতুন সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ সঙ্ঘ প্রধানের

    ঘরে ঘরে অরন্ধনের ডাক

    ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট’, জুনিয়র ডাক্তারদের মিলিত মঞ্চের তরফে শুক্রবার সকালে আন্দোলনকারী চিকিৎসক (Junior Doctor) দেবাশিস হালদার নাগরিক সমাজকে সংহতির বার্তা নিয়ে আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। ধর্মতলার অনশন মঞ্চ সংলগ্ন অঞ্চলেই সমাবেশের ডাক দেন তাঁরা। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে সন্ধ্যা থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান ধর্মতলায়। সেই মঞ্চ থেকে শুক্রবার রাতে চিকিৎসক অনিকেত উপস্থিত জনগণকে অনুরোধ করেন, “জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সংহতি জানিয়ে আগামী রবিবার,একাদশীর দিন আপনারা ঘরে ঘরে অরন্ধন কর্মসূচি পালন করুন।” এছাড়া, রবিবার সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ (ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন) -র বেঙ্গল শাখাও কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনের ডাক দিয়েছে। ১০ দফা দাবিতে গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ধর্মতলায় আমরণ অনশন শুরু করেছেন কলকাতার বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের ছ’জন চিকিৎসক। পরদিন যোগ দেন অনিকেত মাহাত, কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে আরজি করে ভর্তি করানো হয়। শুক্রবার থেকে অনিকেতের অবস্থা খানিক স্থিতিশীল হলেও এখনও পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে স্নিগ্ধারও। কিন্তু মনোবল কমেনি কারও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সরকারের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে অনশন জারি জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Incident: সরকারের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে অনশন জারি জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমীর সকাল থেকে আন্দোলন আরও জোরদার করার কথা জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Incident)। তাঁদের অন্যতম দাবি, স্বাস্থ্য সচিবকে পদত্যাগ করতে হবে। স্বাস্থ্য ভবনের বৈঠক থেকে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি, তাই তাঁদের আমরণ অনশন চলবে। অন্যদিকে, পুজোর শহরে ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে গিয়ে বিচারের দাবি তুলে প্রতীকী প্রতিবাদ জানানোর জন্য ৯জনকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে লালবাজার অভিযান করেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Doctor’s Protest)।

    খারাপ হচ্ছে ডাক্তারদের শরীর

    স্বাস্থ্য ভবনে জুনিয়র চিকিৎসকদের (RG Kar Incident) সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব। সেই বৈঠক শেষ করে ধর্মতলার অনশন মঞ্চে ফিরে সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের অভিযোগ, তাঁদের দাবিগুলি মেনে নিতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে সরকারের কোনও সদিচ্ছা নেই, তাই তাঁরাও অনশন চালাবে। অনশনের ১০৯ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার ফলে ক্রমেই দুর্বল হতে শুরু করেছে ডাক্তারদের শরীর। ইতিমধ্যেই ডাক্তার (Doctor’s Protest) অনুষ্টুপকে হুইল চেয়ারে নিয়ে যেতে হয়েছে। ডাক্তার তনয়া ও সায়ন্তনীর শরীরও ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    আরও পড়ুন: এক যুগের অবসান! রতন টাটার প্রয়াণে শোক বার্তা সচিন, সলমন, রোহিত-নীরজদের 

    পুজো মণ্ডপে প্রতিবাদ তাই গ্রেফতার

    অন্যদিকে, বুধবার ‘অভয়া পরিক্রমা’ কর্মসূচি ছিল জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar Incident)। কর্মসূচি হল— মিনিডোরে করে আরজি কর এবং জয়নগরের নির্যাতিতার ‘প্রতীকী মূর্তি’ নিয়ে পুজোমণ্ডপে ঘুরবেন তাঁরা। সেই কর্মসূচি পালন করতেই ত্রিধারা সম্মিলনীর মণ্ডপে গিয়েছিলেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা (Doctor’s Protest)। ঘটনাচক্রে, ওই পুজো তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বলেই পরিচিত। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে ‘বিচার চাই’ স্লোগান তোলেন তাঁরা। সেই অভিযোগেই তাঁদের আটক করে লালবাজারের পথে রওনা দেয় পুলিশ। খবর পেয়ে ধর্মতলা থেকে লালবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের একটি দল। যোগ দেন বেশ কয়েক জন সাধারণ মানুষও। তাঁদের আটকাতে ঘিরে ফেলা হয় লালবাজার। বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে বসানো হয় ব্যারিকেড। সপ্তমীর সকালেও লালবাজারের অদূরে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে অবস্থানে বসে থাকেন বেশ কয়েক জন আন্দোলনকারী। তাঁদের দাবি, পুজো মণ্ডপে ‘বিচার চাই’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ন’জনকে অবিলম্বে ছাড়তে হবে। আটক ন’জনকে ছাড়া না-হলে অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ওই আন্দোলনকারীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: জুনিয়রদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে গণ ইস্তফা দিলেন আরজি করের সিনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar: জুনিয়রদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে গণ ইস্তফা দিলেন আরজি করের সিনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় ১০ দফা দাবিতে সাত জন জুনিয়র ডাক্তার অনশন করছেন। তাঁদের এই আন্দোলনের সমর্থনে মঙ্গলবার গণ ইস্তফা দিলেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তারেরা। সরকারের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলির উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে আশ্বাস দিলেও জুনিয়র ডাক্তারদের অন্যান্য দাবিদাওয়া নিয়ে কিছু বলেনি সরকার। রাজ্য যাতে বাকি দাবিগুলি নিয়েও কথা বলে, সেই কারণেই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর। এই পদক্ষেপের পর সিনিয়র ডাক্তাররা (Senior Doctor) যখন গণইস্তফা দিয়ে বেরলে, সেই সময় করতালি দিয়ে তাঁদের অভিবাদন জানালেন জুনিয়ররা।

     চিঠিতে কী বার্তা দিলেন সিনিয়র ডাক্তাররা? (RG Kar)

    রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে গণ ইস্তফা দিয়েছেন আরজি করের (RG Kar) সিনিয়র ডাক্তারেরা। রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে দেওয়া চিঠিতে তাঁদের দাবি, আন্দোলনকারীদের দাবিদাওয়ার ব্যাপারে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করুক। আরজি করের এক সিনিয়র চিকিৎসক বলেন, “আমরণ অনশন হল একেবারে শেষ অস্ত্র। বাধ্য হয়েই জুনিয়র চিকিৎসকেরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আড়াই দিন হয়ে গেল ওঁরা অনশন করছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও সদর্থক ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। আমরা চাই সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করুক। এখন আমরা গণ ইস্তফা দিলাম। এর পর আমরা ব্যক্তিগত ভাবে ইস্তফার পথেও হাঁটব।” গত শনিবার থেকে ধর্মতলায় অস্থায়ী মঞ্চ বেঁধে আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। তাঁদের দাবিদাওয়া যাতে দ্রুত মেনে নেয় সরকার, সেই দাবিতে গণ ইস্তফা দিলেন ৫০ জন সিনিয়র ডাক্তার। কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেই গত শনিবার অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। কিন্তু সিনিয়র ডাক্তারেরা এ বার গণ ইস্তফা দেওয়ায় পুজোর মধ্যে আরজি করের চিকিৎসা পরিষেবা অংশত বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    সিনিয়রদের গণ ইস্তফার আঁচ দিক দিকে

    সিনিয়রদের গণ ইস্তফার আঁচ দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। শুরু আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ৫০ জন সিনিয়র ডাক্তার গণ ইস্তফা দেন মঙ্গলবার দুপুরে। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যালেও গণ ইস্তফার হুঁশিয়ারি সিনিয়র ডাক্তারদের। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জুনিয়রদের দাবি পূরণ না হলে, তাঁরাও গণ ইস্তফা দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতা মেডিক্যালের সিনিয়রেরা। কলকাতা মেডিক্যালের সিনিয়র ডাক্তারেরা বলেন, “জুনিয়র ডাক্তারেরা বিচারের জন্য লড়াই করছেন। তাঁরা কর্মবিরতি থেকে ফিরে এসেছেন। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তাঁরা রোগীদের পরিষেবা দিচ্ছেন। কিন্তু অনশনরত জুনিয়র ডাক্তারদের স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা চিন্তিত এবং উদ্বিগ্ন।” জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিদাওয়ার সঙ্গে তাঁরা সম্পূর্ণ সহমত, সে কথাও জানিয়েছেন সিনিয়র ডাক্তারেরা। জুনিয়র ডাক্তারদের স্বাস্থ্যের অবনতির বিষয়টি সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করারও অনুরোধ করেন তাঁরা। বুধবারের মধ্যে সরকার জুনিয়র ডাক্তারদের আলোচনার জন্য না ডাকলে গণ ইস্তফারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতা মেডিক্যালের জুনিয়র ডাক্তারেরা।

    জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল

    মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন আরজি করের (RG Kar) জুনিয়র ডাক্তারেরা। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা। এ ছাড়াও আরজি করের জুনিয়র ডাক্তারেরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে কলেজ স্কোয়্যার থেকে ধর্মতলার অনশনমঞ্চ পর্যন্ত মিছিল হওয়ার কথা। জুনিয়র ডাক্তারদের ওই সাংবাদিক বৈঠকের পরেই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত সিনিয়র ডাক্তারদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনশনে দুই জুনিয়র ডাক্তার, ধর্মতলায় পুলিশি বাধা অব্যাহত

    Junior Doctor: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনশনে দুই জুনিয়র ডাক্তার, ধর্মতলায় পুলিশি বাধা অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের প্রতিবাদ ও চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার দাবিতে ধর্মতলায় আমরণ অনশনে বসেছেন সাতজন জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor)। তাঁদের সমর্থন জানিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদও করছেন সিনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। এবার সেই রকমই ১০ দফা দাবি জানিয়ে আমরণ অনশন শুরু করলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের দুই জুনিয়র চিকিৎসক সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অলোককুমার ভার্মা।

    অনশন নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারী? (Junior Doctor)

    রবিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ১৭ জন জুনিয়র চিকিৎসক (Junior Doctor) ২৪ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেন। এরপর সোমবার সকাল থেকেই রোগী পরিষেবার কথা মাথায় রেখে কাজে যোগ দেন ৫৮ জন জুনিয়র ডাক্তার। আউটডোর, ইনডোর, সব বিভাগেই পরিষেবা স্বাভাবিক রাখেন তাঁরা। অন্যদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আমরণ অনশনে বসেন ২ জুনিয়র চিকিৎসক। যতদিন না ১০ দফা দাবি পূরণ হচ্ছে ততদিন এই অনশন চলবে বলে জানান তাঁরা। উত্তরবঙ্গ ডেন্টাল কলেজের ইন্টার্ন সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের দশ দফা দাবি মানতে হবে। যতদিন না সেই দাবি মানা হবে ততদিন আমরণ অনশন চলবে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে সেটা এখনও স্থির নয়। তবে জুনির ডাক্তাররা যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেটাই সমর্থন করব।”

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    চৌকি কাঁধে করে নিয়ে যান জুনিয়র ডাক্তাররা

    ধর্মতলায় অনশনের তৃতীয় দিনে অশান্তি শুরু হয়। বৌবাজার থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, অনশনমঞ্চে বসবার জন্য যে চৌকি আনা হয়েছিল, সেগুলো ‘বাজেয়াপ্ত’ করেছে পুলিশ। রাস্তাতেই ওই নিয়ে একপ্রস্ত বাদানুবাদ হয় পুলিশ এবং জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor)। তার পর সোমবার সন্ধ্যায় উত্তেজনা ছড়াল বৌবাজার থানার সামনে। জুনিয়র ডাক্তারদের স্লোগানে স্লোগানে ভরে ওঠে থানা চত্বর। পরে থানার মূল গেটের সামনে বসে পড়েন তাঁরা। প্রায় তিন ঘণ্টা বৌবাজার থানায় বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির পরে ‘বাজেয়াপ্ত’ করা চৌকি ‘ছাড়িয়ে’ আনলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। ছেড়ে দেওয়া হয় সাইকেল ভ্যানগুলিও। সেগুলোয় কয়েকটি চাপানো হয়। কয়েকটি চৌকি নিজেরাই কাঁধে তুলে নেন ডাক্তারেরা। তার পর হাঁটা দেন অনশনমঞ্চের দিকে। সঙ্গে পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সোমবারই সাংবাদিক বৈঠক করে অনশনরত জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। অন্যদিকে, আন্দোলনের সমর্থনে জুনিয়র ডাক্তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টর্স। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ইউটিউবে লাইভ স্ট্রিমিং হবে অনশনের।

    পুলিশের জুলুমবাজি!

    আন্দোলনরত এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “পুলিশ এই আন্দোলনে নানা ভাবে বাধা দিচ্ছে। বায়ো টয়লেট বসানো থেকে ডেকোরেটরদের গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া, সবেতেই গায়ের জোর দেখাচ্ছে পুলিশ। সকালে নিজেরাই বায়ো টয়লেট তৈরি করেছি। কিন্তু, এবার চৌকি আনতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর থেকে খারাপ জিনিস বোধ হয় কোনও দেশের বা অন্য কোনও রাজ্যের সরকার কোনও দিন করেনি! এরা সেই রাস্তাটাও এবার দেখিয়ে দিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jaynagar: জয়নগরে জুনিয়র-সিনিয়র জাক্তার থেকে আইনজীবীর প্রতিনিধিরা, সিবিআই চাইছে পরিবার

    Jaynagar: জয়নগরে জুনিয়র-সিনিয়র জাক্তার থেকে আইনজীবীর প্রতিনিধিরা, সিবিআই চাইছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জয়নগরের (Jaynagar) কুলতলি এলাকা। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।  তার দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় গোটা এলাকা। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশ ফাঁড়িতে। আরজি করের মতো এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন রাজ্যবাসী। এই ঘটনায় বিচারের দাবিতে পথে নেমেছে গোটা গ্রাম। আরজি করের প্রতিবাদী চিকিৎসকরা থেকে শুরু করে আইনজীবীরা পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। সিবিআই তদন্ত চাইল জয়নগরের নিহত বালিকার পরিবারও।

    সিবিআই তদন্ত চাইছে নিহত বালিকার পরিবার (Jaynagar)

    মেয়ের ধর্ষণ ও মৃত্যুর অভিযোগের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চাইল জয়নগরের (Jaynagar) নিহত বালিকার পরিবার। এইন প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করতে পারে পরিবার। মেয়ের নির্মম পরিণতির সঙ্গে আরজি কর কাণ্ডের তুলনা টেনে এনে বালিকার পরিবার জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের ওপর তাঁদের কোনও আস্থা নেই। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে। এই কারণে, সিবিআই চাই। রবিবার, নাবালিকার ময়না তদন্তও কেন্দ্রীয় কোনও সংস্থায় করতে চেয়ে হাইকোর্টে তারা আবেদন জানায়। আদালত কল্যাণী এইমসের চিকিৎসকদের দিয়ে ময়না তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে সেই প্রক্রিয়া চলছে। এবার পরিবারের তরফে ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে মামলা দায়ের করা হতে পারে বলেও উঠে আসছে। রবিবারের শুনানিতেও তারা সেই ইঙ্গিত দিয়েছে। সেই মতো প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন পরিবারের আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    নির্যাতিতার বাড়িতে চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদল

    জয়নগরে (Jaynagar) নির্যাতিতার বাড়িতে যায় জুনিয়র চিকিৎসদের প্রতিনিধিদল। সেই দলে ছিলেন আরজি কাণ্ডে আন্দোলন করা জুনিয়র ডাক্তাররা। পাঁচ জন ডাক্তারের মধ্যে ছিলেন কিঞ্জল নন্দ, দেবাশিস হালদার প্রমুখ। আরজি কর ইস্যুতেই তাঁরা রাস্তায় নেমে ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিন মৃত নাবালিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। সেই সঙ্গে পাশে থাকার বার্তাও দেন। জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি সিনিয়র ডাক্তাররাও নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন আরজি কর হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসকদের একটি দল। পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর কিছুক্ষণের জন্য কৃপাখালী এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভেও শামিল হন তাঁরা। আর সেখান থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।

     নির্যাতিতার বাড়িতে আইনজীবীর প্রতিনিধিদল

    নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীরা। রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার পরিবারের (Jaynagar) সঙ্গে দেখা করতে যান কলকাতার হাইকোর্ট এবং বারুইপুর আদালতের আইনজীবীরা। পরিবারের সদস্যদের সব রকম আইনি সাহায্যের আশ্বাস দেন তাঁরা। সেই সঙ্গে, আরও বেশ কিছু বিষয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা কথা বলেন তাঁরা। এই নারকীয় ঘটনার প্রধান অভিযুক্তের যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া যায়, সেই প্রসঙ্গেও আলোচনা করেন আইনজীবীরা। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর রাজ্যের আইনজীবী অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য গৌতম চট্টোপাধ্যায়  বলেন, “এই ঘটনা খুবই নিন্দনীয়। ঘটনা প্রসঙ্গে কোনও কথা বলার ভাষা নেই আমাদের। দশ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তর যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় আইনিভাবে আমরা সব রকম ব্যবস্থা করব। পরিবারের সঙ্গে আমরা দেখা করে কথা বলেছি। আইনি সমস্ত রকম সাহায্য আমরা করব। পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে এই ঘটনায়। পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পর তারা তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিলে এই দিনটি দেখতে হত না পরিবারের সদস্যদের। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। রাজ্যের নারীদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ পুলিশ প্রশাসন। জয়নগর কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবার যাতে সুবিচার পায় আমরা আইনজীবীদের পক্ষ থেকে সব রকম সাহায্য করব।” উল্লেখ্য, শনিবার বারুইপুর আদালতে জয়নগরের প্রধান অভিযুক্তকে পেশ করা হলে, আদালতের কোনও আইনজীবী তার পক্ষে সওয়াল করেননি।

    থমথমে এলাকা

    এদিকে সোমবারও থমথমে রয়েছে কুলতলি (Jaynagar) থানার কৃপাখালীর হালদারপাড়া গ্রাম। রয়েছে চাপা উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামলাতে রয়েছে প্রচুর পুলিশ। এলাকার মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। যদিও মহিষমারি হাট এলাকা এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খুলেছেন, লোকজন আসছে। এই মহীশমারি হাটের পাশেই মহিষমারি পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। সেখানেও মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশের ভূমিকা ভালো নয়। সমস্ত ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: সাদা অ্যাপ্রনে ‘রক্ত মাখা’ দশ আঙুলের ছাপ, চতুর্থীতে অভিনব প্রতিবাদ জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Case: সাদা অ্যাপ্রনে ‘রক্ত মাখা’ দশ আঙুলের ছাপ, চতুর্থীতে অভিনব প্রতিবাদ জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতলে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার প্রতিবাদে বিরাম নেই জুনিয়র ডাক্তারদের। শহর পুজোর ব্যস্ততায় ক্রমশ আচ্ছন্ন হলেও, নির্যাতিতার জন্য সুবিচারের দাবিকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরলেন আন্দোলনকারীরা। অপর দিকে ধর্মতলায় দশ দফা দাবি নিয়ে অনশনে নেমেছেন এসএসকেএম, আরজিকর, কেপিসি এবং এনআরএস হাসপাতালের পিজিটি চিকিৎসকরা। এখনও পর্যন্ত মোট ৭ জন ডাক্তার অনশনে বসেছেন। পাশাপাশি সোমবার, দুর্গাপুজোর (Durga Puja) ঠিক দুদিন আগে চতুর্থীর দিনেই জরুরি পরিষেবা দিতে নেমেছেন নতুন অ্যাপ্রন নিয়ে। সাদা অ্যাপ্রনের মধ্যে ‘রক্ত মাখা’ দশ আঙুলের ছাপ। অভিনব প্রতিবাদে শোরগোল পড়েছে।

    জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য (RG Kar Case)

    আন্দলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar Case) বক্তব্য, “সব মেডিক্যাল কলেজেই সোমবার এই অ্যাপ্রন পরে রোগী পরিষেবা দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আমরা এটা পরেই কাজ করছি। কারণ আমাদের অ্যাপ্রন এখন রক্তাক্ত। আমরা কাজে ফিরেছি, কিন্তু অপরাধ কমেনি এখনও। এই রাজ্যে ধর্ষকদের বিন্দুমাত্র ভয় নেই, কারণ উপযুক্ত শাস্তি হয়নি। তাই, দিনের পর দিন একই অপরাধ করতে পারছে তারা। সকল ডাক্তারকে, আমাদের সঙ্গে এই অ্যাপ্রন পরে কাজ করার অনুরোধ করব।”

    আরও পড়ুনঃ শুধু বিষক্রিয়ায় মৃত্যু? খুশি নয় পটাশপুরের নির্যাতিতার পরিবার, দ্বারস্থ হাইকোর্টের

    নির্যাতিতার যন্ত্রণার কথা তুলে ধরতে এই অভিনব প্রতিবাদ

    এই রক্ত মাখা হাতের ছাপ নিয়ে মেডিক্যাল (RG Kar Case) কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবা সেবা দেওয়ার কাজ করছেন ডাক্তাররা। হাসপাতলের রোগী এবং রোগীর পরিজনদের কাছে নির্যাতিতার যন্ত্রণার কথা তুলে ধরতে এই অভিনব প্রতিবাদ বলে জানা গিয়েছে। আন্দোলনে সামিল হওয়া জুনিয়র ডাক্তাররা, সিনিয়র ডাক্তারদের এই অভিনব প্রতিবাদে যোগদান করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। গত ৯ অগাস্ট আরজি করে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন এবং মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে রাজ্যবাসী। জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন সামজিক সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়ে রাত দখল কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। তাতে সমাজের মহিলারা, স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করেন। উৎসবের (Durga Puja) মধ্যে যাতে আন্দোলনের স্বর থেমে না যায়, তাই এই প্রতীকী প্রতিবাদ বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ, ৯ অক্টোবর দিল্লিতে এইমসের ডাক্তারদের মোমবাতি মিছিল

    RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ, ৯ অক্টোবর দিল্লিতে এইমসের ডাক্তারদের মোমবাতি মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Protest) নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের দাবিতে দিল্লি এইমসের (Delhi AIIMS) ডাক্তাররা সরব হলেন। রাস্তায় নেমে আন্দোলনের কথাও তাঁরা ঘোষণা করলেন। ইতিমধ্যেই জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্মতলায় অনশন শুরু করেছেন। এই আন্দোলনকে দিল্লি এইমসের রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ)-এর পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে।

    ন্যায় বিচারের দাবিতে মোমবাতি মিছিল (RG Kar Protest)

    সংগঠনের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘‘আরজি কর ইস্যুতে যেভাবে সাহসের সঙ্গে বাংলার জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Protest) লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, নয়াদিল্লির এইমসের রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) পক্ষ থেকে প্রশংসা করা হয়েছে। কারণ, এই ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর কেউ চুপ করে বসে থাকতে পারে না। তাঁদের দাবিকে আমরা পূর্ণ সমর্থন করছি। ‘জাস্টিস ফর অভয়ার’ দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে। ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। এই আন্দোলন শুধু বাংলার ডাক্তারদের একার নয়। দেশের সকল চিকিৎসকরা এই ঘটনায় চুপ হয়ে বসে থাকতে পারে না। তাই, ন্যায় বিচারের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাতে চলেছি। ৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬ টায় দিল্লির জেএলএন অডিটোরিয়াম থেকে মোমবাতি মিছিল শুরু করা হবে। সেখানে সংগঠনের সদস্যরা হাজির থাকবেন। মিছিলের মধ্যে দিয়ে অভয়ার জন্য ন্যায় বিচারের দাবি জানানো হবে। একইসঙ্গে কলকাতায় ডাক্তারদের আন্দোলনের পাশে যে রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে, তারও বার্তা দেওয়া হবে।’’

    আরও পড়ুন: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    দাবি না মানায় আন্দোলনে ডাক্তাররা

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার আরজি কর (RG Kar Protest) হাসপাতালের প্রতিবাদী চিকিৎসকরা রাজ্য সরকারকে তাঁদের দাবি পূরণের জন্য ২৪ ঘণ্টার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্ত, সময়মতো দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁরা আন্দোলন শুরু করেছেন। উল্লেখ্য, ৯ অগাস্ট কলকাতার আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হলে চিকিৎসক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আর সেই ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। যার জেরে ন্যায় বিচারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: পুলিশের হুমকিতে বেপাত্তা ডেকোরেটর! বৃষ্টি মাথায় ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    Junior Doctor: পুলিশের হুমকিতে বেপাত্তা ডেকোরেটর! বৃষ্টি মাথায় ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে হাতে স্টেথো ধরেন অথবা অস্ত্রোপচার করেন, সেই হাতেই শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে মঞ্চ বাঁধলেন চিকিৎসকরা। বৃষ্টি মাথায় দিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) নিজেরাই বাঁধলেন নিজেদের ধর্না মঞ্চ। এমনিতেই কর্মবিরতি তুলে নিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফিরেছেন কাজে। তবে, আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতার ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের মঞ্চ ছেড়ে নড়তে নারাজ তা বুঝিয়ে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ডেকোরটরদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ (Junior Doctor)

    কয়েকদিন আগে যখন স্বাস্থ্য ভবনের সামনে চিকিৎসকদের (Junior Doctor) অবস্থান চলছিল, তখন অভিযোগ ওঠে, ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। না বলে-কয়েই ত্রিপল, ফ্যান খুলে নিয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। আর শুক্রবার রাতে ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধতেই ডেকোরেটরদের বাধা দেওয়া হল বলে অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। হুমকিও দেওয়া হয়। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মধ্যরাতে বাঁধা হল সেই মঞ্চ। ধর্নাস্থলে মঞ্চ বাঁধতে গিয়ে পুলিশি ‘বাধা’র সম্মুখীন হতে হল জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁদের অভিযোগ, ধর্নাস্থলে মঞ্চ বাঁধতে দিচ্ছে না পুলিশ। ভীত এবং সন্ত্রস্ত ডেকোরেটরের কর্মীরা কাজ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে পুলিশ মৌখিক অনুমতি দিলেও এখন মঞ্চ বাঁধতে দিচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: জয়নগরে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন

    দাবি না মানলে আমরণ অনশন!

    রাত বাড়ার পর নিজেরাই মঞ্চ বাঁধার কাজে হাত লাগান চিকিৎসকেরা। কেউ ত্রিপল ধরে রইলেন, কেউ বাঁশের উপর উঠে দড়ি বাঁধলেন। রাতেই তৈরি হল মঞ্চ। ধর্নামঞ্চে একটি বড় ঘড়ি নিয়ে আসেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। সেই ঘড়িকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Junior Doctor)। শনিবার সকালে দেখা গেল, নিজেদের তৈরি সেই মঞ্চেই বসে আছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। ন্যায়বিচারের দাবিতে যে তাঁরা কতটা অনড়, সেই মনোভাবই কার্যত এদিন বুঝিয়ে দিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ঘটনার মোটিভকে সামনে আনতে হবে। শনিবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না। প্রয়োজনে আমরণ অনশন শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে ধর্মতলায় রাস্তায় বসে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা 

    Junior Doctor: পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে ধর্মতলায় রাস্তায় বসে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctor) কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ধর্মতলায় (Dharmatala)। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের মিছিল শেষে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, ধর্মতলার মঞ্চ তৈরি নিয়েই এই বচসার সূত্রপাত হয় প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের। এরপরেই রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আন্দোলনকারীরা (Junior Doctor)। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা দাবি করছেন, কর্মসূচির অনুমতি তাঁদের আগেই দেওয়া হয়েছিল। তবু চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের কয়েকজন ধর্মতলায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তাঁদেরকে জোর করে সরিয়ে দেয় পুলিশ। শুধু তাই নয়, পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন জুনিয়ার ডাক্তাররা, তাঁদের দাবি, আন্দোলনকারীদের মারধরও করেছে পুলিশ।

    উত্তপ্ত ধর্মতলা (Junior Doctor)

    প্রতিবাদে ধর্মতলায় (Dharmatala) অবস্থানে বসে পড়েন চিকিৎসকরা। এরপরে বেশ কিছু পুলিশ কর্তাকে দেখা যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছেন। তখন পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসনের সঙ্গে বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়। চলতে থাকে স্লোগান। প্রসঙ্গত, আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই আন্দোলনে শামিল হতে দেখা গিয়েছে, সমাজের সর্বস্তরের মানুষজনকে। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের মাঝেই রাজ্যের একাধিক জায়গার হাসপাতালগুলিতে হামলার খবর সামনে আসে। চিকিৎসক নিগ্রহ, স্বাস্থ্যকর্মী নিগ্রহের মতো একাধিক ঘটনা সম্প্রতি সামনে এসেছে।

    কী বলছেন আন্দোলনকারী (Junior Doctor) চিকিৎসক? 

    দিন কয়েক আগেই সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের ডাক্তারদের ওপর হামলা হয়। এর প্রতিবাদের জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি শুরু করেন। নতুন করে আন্দোলনে নামেন চিকিৎসকরা। আন্দোলনকারী চিকিৎসক অনুষ্টুপ এনিয়ে বলেন, ‘‘আমরা তো শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিলাম। আমরা সমাবেশের প্ল্যান করেছিলাম। কিন্তু আমরা এখানে এসে পৌঁছানোর আগেই এক জুনিয়র ডাক্তারকে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা কলকাতা পুলিশকে ধিক্কার জানাচ্ছি।’’ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও বিক্ষোভ চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share