Tag: Junior Doctor

Junior Doctor

  • Junior Doctor: আরজি কর-কাণ্ডে ওসি’র গ্রেফতারিতে স্পষ্ট পুলিশের ভূমিকা, দিল্লিতেও আওয়াজ তুললেন ডাক্তাররা

    Junior Doctor: আরজি কর-কাণ্ডে ওসি’র গ্রেফতারিতে স্পষ্ট পুলিশের ভূমিকা, দিল্লিতেও আওয়াজ তুললেন ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) পাশে দাঁড়ালেন দিল্লির জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার দিল্লির প্রেস ক্লাবে দিল্লির জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ‘রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন’ (আরডিএ) পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট’-এর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করল। বিপ্রেশ চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য চিকিৎসকরা এদিন তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি, প্রাথমিক অবস্থা থেকেই শুরু হয়েছিল তথ্যপ্রমাণ লোপাটের কাজ। তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এদিন পাঁচ দফা দাবি আবারও পেশ করেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    পাঁচ দফা দাবি (Junior Doctor)

    দিল্লির সাংবাদিক সম্মেলনে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) বলেন, আরজি করের (RG Kar) ঘটনার পরে পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, ওসির গ্রেফতারির ঘটনাতেই তা স্পষ্ট। কেন আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারকে জানানো হল? কেন ক্রাইম সিন প্রোটেক্ট করা হল না? কেন চালান ছাড়াই পিএম হল? দেহ দাহ করার এত তাড়া কেন ছিল? কেন পুরো সিসিটিভি ফুটেজ হস্তান্তর করা হল না? এরপরই তাঁরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাঁরা বলেন, নির্যাতিতার বিচার চাই। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা, স্বাস্থ্য অধিকর্তার অপসারণ। কারণ এঁরাই স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ। আরও দাবি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সরানো হোক। ডিসি নর্থ এবং ডিসি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থাগ্রহণ করতে হবে বলে তাঁরা দাবি তুলেছেন। এছাড়া হাসপাতালে মহিলা এবং পুরুষ চিকিৎসকদের আলাদা টয়লেট, প্রতি ডিউটি রুমে প্যানিক বাটন, যথাযথ নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, সিসিটিভি নতুন করে মোতায়েন, রেফারেল পদ্ধতিকে স্ট্রিমলাইন করা, বেডের লাইভ আপডেট করা এসবও রয়েছে। তাঁদের আরও পরামর্শ, সাইকোলজিস্ট নিয়োগ করতে হবে রোগীর পরিজনদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য। সর্বোপরি থ্রেট কালচার বন্ধ করার দাবি তো আছেই।

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    আন্দোলনকারীদের পাশে সিনিয়র ডাক্তাররা

    প্রসঙ্গত, সোমবার দিল্লিতে সিনিয়র ডাক্তারদের ৪টি সংগঠন সাংবাদিক সম্মেলনে ৭ দফা দাবি জানায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor) ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করা। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল ভেঙে দেওয়া। সুবর্ণ গোস্বামী, কৌশিক চাকি, অদীশ বসু, সিদ্ধার্থ দাগা, রাজীব পান্ডে, তুহিন দত্তের মতো চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এইসব দাবি। সোমবার তাঁরা বলেন, “আগামীকাল শুনানি। আমরা তাকিয়ে রয়েছি। গণতান্ত্রিক উপায়ে, অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই ‘থ্রেট কালচার’-এর দাপটে জুনিয়র ডাক্তাররা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। আরজি করকাণ্ডের পর জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) লাগাতার আন্দোলনের ফলে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্তদের নাম প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। চাপে পড়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। এই আবহের মধ্যে এবার বর্ধমান (Burdwan Medical) মেডিক্যাল কলেজের মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, জুনিয়র ডাক্তাররা মুখ খুললে সিন্ডিকেটের আরও অনেক গোপন তথ্য সামনে চলে আসবে। মুখ বন্ধ করতে হোয়াটসঅ্যাপ কল করে হুমকি দিতে শুরু করেছে অভীকদের গ্যাং। এমনই অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা? (Junior Doctor)

    আন্দোলনকারী  এক জুনিয়র ডাক্তার শুভব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে তাঁরা জানেন কারা কারা অভিযোগ করতে পারে। এর ফলে যাঁরা অভিযোগ করছেন বা করতে পারেন, তাঁদেরকে অপরিচিত হোয়াটস্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদেরকে মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বর্ধমান মেডিক্যালের মোট ২১ জন চিকিৎসককে কলেজ ক্যাম্পাসে যাতে ঢুকতে না পারে সেই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে, তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে অপরিচিত নম্বর থেকে ভয় দেখানো শুরু করেছেন। এটা তো পরিস্কার যে যাঁরা হুমকি দিচ্ছেন, তাঁদের পিছনে কোনও বড় হাত রয়েছে। নাহলে তাঁরা এত সাহস পায় কীভাবে? এটা তদন্তে মনে হয় বের হবে। বেশিরভাগ কল মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন পুরুষ জুনিয়র ডাক্তারও রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক বাহিনীর দাপট!

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দাপিয়ে বেড়াতেন অভীক দে। তাঁর বাহিনী জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) ওপর খবরদারি করত বলে অভিযোগ। গত ১১ অগাস্ট বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের লেকচারার থিয়েটারে রাত ১১টা পর্যন্ত বেশ কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার ও পিজিটি-কে নিয়ে বৈঠক করেন অভীক দে। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধে সাতটার পর এই লেকচারার থিয়েটার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। সেখানে কোন অধিকারে একজন রাত ১১টার সময় সেখানে বৈঠক করেন? অভিযোগ, সেদিনের ওই বৈঠকে চিকিৎসক পড়ুয়া এবং জুনিয়র ডাক্তারদের সামনে অভীক স্বীকার করেছিলেন, তিনি ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্যাতিতা চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ দেখেছিলেন। অভিযোগ, ওই বৈঠকে অভীক আরও দাবি করেন, ‘ধর্ষণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। সন্দীপ ঘোষ দোষী নন।’

    আরও অভিযোগ, এভাবেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত করেছেন চিকিৎসক অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা। জুনিয়র ডাক্তার গৌরাঙ্গ প্রামাণিক জানান, সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জিবি বৈঠকে অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেন। এমনকী, কলেজের মধ্যেও তাঁদের হুমকি দিচ্ছে বহিরাগতরা। আন্দোলনকারীদের হস্টেল থেকে বের করে দেওয়া হবে। পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হবে না বলেও বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনের জেরে কর্তৃপক্ষ ২১ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরও হুমকি ফোন আসছেই। ইতিমধ্যেই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নাম দিয়ে অভিযোগ জমা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘বিচারাধীন বিষয়ে আলোচনা হলে লাইভে আপত্তি কেন?’’ প্রশ্ন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির

    RG Kar Incident: ‘‘বিচারাধীন বিষয়ে আলোচনা হলে লাইভে আপত্তি কেন?’’ প্রশ্ন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন বলে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors Protest) সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারের আলোচনার লাইভ স্ট্রিমিং করা যাচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই যুক্তির কোনও আইনি সারবত্তা নেই বলে দাবি করলেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়। এদিকে, গত ৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা। রাজ্য সরকারের সঙ্গে বারবার তাঁদের বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। রাজ্যের সদিচ্ছা নেই বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার একই সুর শোনা গেল সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির গলায়।

    কী বললেন অশোক 

    বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচারাধীন বিষয়ের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে রাজি হননি, তা একেবারেই ওঁর মস্তিষ্কপ্রসূত যুক্তি। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে যদি আলোচনা হতে পারে, তা যদি রেকর্ড করা হতে পারে, তা হলে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আপত্তি থাকবে কেন? আইনে এ রকম কিছু নেই৷’’ অশোকের ব্যাখ্যা, সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেছিল সরকার এবং চিকিৎসকদের মধ্যে আলোচনাসাপেক্ষে জট কাটুক। পরোক্ষে সুপ্রিম কোর্টই আলোচনার প্রসঙ্গের অবতারণা করেছিল। তাঁর কথায়, ‘‘সেই আলোচনা কী ভাবে হবে বা হবে না, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কিছু বলেছে বলে আমার অন্তত জানা নেই৷’’

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    কর্মবিরতিতে আদালত অবমাননা! আইনজীবীদের যুক্তি

    সুপ্রিম কোর্ট কাজে যোগ দানের অনুরোধ করলেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা, (RG Kar Incident) এক্ষেত্রে শাসকদলের অনেকেই বলছেন তাঁরা নাকি আদালত অবমননা করেছেন। তবে একথা একেবারেই মানছেন না আইন বিশেষজ্ঞরা। আইনজীবী তথা সিপিএম সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “যাঁরা বলছেন আদালত আবমাননা হচ্ছে, তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না জেনেই বলছেন। সুপ্রিম কোর্ট কোথাও বলেনি, ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দিতেই হবে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors Protest)। আদালত বলেছিল, জুনিয়র ডাক্তাররা ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ না দিলে রাজ্য সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে চাইলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।” এক্ষেত্রে একমত শাসকদল তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কল্যাণের কথায়, “এটাকে আদালত অবমাননা বলা যায় না। তবে নিশ্চিত ভাবেই বিচার ব্যবস্থার যে কাঠামো রয়েছে, তাতে সুপ্রিম কোর্টকে অসম্মান বা অপমান করা হয়েছে।” জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে সরকারের বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং প্রসঙ্গে বিকাশ বলেন, ‘‘চিত্রনাট্য অনুযায়ী বৈঠক হবে না বুঝেই মুখ্যমন্ত্রী লাইভ স্ট্রিমিংয়ে রাজি হননি। অন্য সময় তো প্রশাসনিক বৈঠক লাইভ হয়। এখন কেন করলেন না?’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Incident: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) অধরাই রয়ে গেল সমাধানসূত্র। মঙ্গল, বুধের পর বৃহস্পতিতেও ভেস্তে গেল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠকের সম্ভাবনা। লাইভ স্ট্রিমিংয়ের শর্ত রাজ্য না মানায় বৈঠকে রাজি হননি আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। তাঁদের প্রশ্ন, “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ কেন তাঁরা এই লাইভ স্ট্রমিংয়ের বিষয়ে অনড়, ঠিক কোন আশঙ্কায়, সেই কারণও খোলসা করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ভয়ের কারণ খোলসা

    বৃহস্পতিবার মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ আন্দোলনকারীদের ইমেল পাঠান। জানান তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জুনিয়র ডাক্তাররাও বৈঠকে যোগ দিতে আগ্রহী হন। তবে বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার চেয়ে জুনিয়র ডাক্তারেরা যে শর্ত দিয়েছিলেন, তা না মানায় ভেস্তে গেল বৈঠক। সেখান থেকে স্বাস্থ্যভবনের ধর্নাস্থলে ফিরে এসে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়ে দেন, আন্দোলন চলবে। জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে দেবাশিস হালদার বলেন, ‘‘আমরা মুখ্যমন্ত্রীর মত অত বড় রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। সেই কারণেই ভয় লাগছিল। যদি আমাদের কোনওভাবে চাপ দেওয়া হয়, তখন কী হবে? সেই কারণেই আমরা বারবার সরাসরি সম্প্রচারের কথা বলেছি ৷ তাহলে একটি স্বচ্ছতা থাকে।’’

    রাজ্যের আপত্তি

    বৃহস্পতিবার বিকেলে নবান্নে যান জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors Protest) ৩২ জনের প্রতিনিধি দল। সকলকেই নবান্নের সভাগৃহে বৈঠকে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়। তত ক্ষণে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর সঙ্গে সেখানে অপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সভাগৃহে আর প্রবেশ করেননি চিকিৎসকরা। বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার নিয়ে শুরু হয় টানাপড়েন। আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, তাঁদের এই শর্ত না মানলে বৈঠকে প্রবেশ করবেন না। একে একে এসে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যসচিব মনোজ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার, এডিজি আইনশৃঙ্খলা মনোজ ভার্মা। কিন্তু আন্দোলনকারীরা ছিলেন অনড়। এই আবহে মুখ্যসচিব এবং রাজ্যপুলিশের ডিজি সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেন, এই শর্ত মানছে না রাজ্য। সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। সেখানে তিনি দাবি করেন, কেউ কেউ (আন্দোলনকারী) বিচার চান না। চান ক্ষমতার চেয়ার।

    আন্দোলন চলবে

    নবান্নে দাঁড়িয়েই পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা দাবি করেন, চেয়ারে ভরসা রেখেই এসেছিলেন, তাই চেয়ার তাঁরা চান না। চান উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। চান নিজেদের বোনের বিচার। সে কারণেই চলবে তাঁদের অবস্থান। এর পর নবান্ন থেকে বেরিয়ে রওনা হন স্বাস্থ্যভবনের উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছে তাঁরা জানিয়ে দেন, ৩৩ দিন পথে থেকেছেন, প্রয়োজনে আরও ৩৩ দিন পথে থাকবেন তাঁরা। তবু বিচারের দাবি থেকে সরবেন না। তাঁদের কথায়, “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কিসের ভয়? আমরা ন্যায়বিচারের দাবি নিয়ে গিয়েছিলাম। যাতে কর্মস্থলে নিরাপত্তা থাকে এবং কর্মস্থলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকে, সে নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েছিলাম।’’ দেবাশিস হালদার বলেন, ‘‘আমাদের আশা ছিল আজকের বৈঠককে নিয়ে। আমরা সবাই জানতাম আজকে বৈঠকটা হবে। আমরা যদি জানতাম বৈঠকটা হবে না তাহলে এতদূর যেতামই না। আমরা হতাশ। আমাদের এই আন্দোলন স্বাস্থ্যভবনের সামনে চলবে।’’

    আরও পড়ুন: মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় মাথা ছিঁড়ে যাচ্ছে? ঘরোয়া উপাদানেই পেতে পারেন আরাম

    জুনিয়রদের পাশে সিনিয়ররা

    কোন কোন জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctors Protest) কাজে যোগ দিলেন, এবার খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য ভবন। বৃহস্পতিবার মেডিক্যাল কলেজগুলির কাছে কাজে যোগ দেওয়া জুনিয়র ডাক্তারদের তালিকা চেয়েছে রাজ্য। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে রাজ্যের সব হাসপাতালকে জরুরি ভিত্তিতে নির্দেশ পাঠিয়ে বলা হয়, দুপুর ২টোর মধ্যে জমা দিতে হবে ওই সংক্রান্ত রিপোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কাজে যোগ দেননি কেউ। এই আবহেই এবার স্বাস্থ্য ভবন জানিয়ে দিল, কারা কাজে আসছেন, অবিলম্বে জমা দিতে হবে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট। রাজ্যের সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই ওই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। তবে, এই রিপোর্ট তলবের সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দেয় সিনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও রকম শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হলে কর্মবিরতির পথে যাবেন বলে জানিয়ে দেন সিনিয়র ডাক্তাররাও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ভবনের সামনে সাংবাদিক বৈঠক করে ১০টি চিকিৎসক সংগঠনের সদস্যরা জানান, প্রয়োজনে সরকারি এবং বেসরকারি দুই হাসপাতালেই কর্মবিরতি শুরু করবেন তাঁরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctors: জুনিয়র ডাক্তারদের শাস্তি হলেই দেশজুড়়ে আন্দোলন, হুঁশিয়ারি সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলির

    Junior Doctors: জুনিয়র ডাক্তারদের শাস্তি হলেই দেশজুড়়ে আন্দোলন, হুঁশিয়ারি সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড (RG Kar) ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্যে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) পাশে দাঁড়িয়ে নিজেদের অবস্থান ফের স্পষ্ট করল সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলি। জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে রয়েছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও রকম শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে কর্মবিরতির পথে যাবেন বলে জানিয়ে দিলেন সিনিয়র ডাক্তারেরাও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের সামনে সাংবাদিক বৈঠক করে ১০টি চিকিৎসক সংগঠনের সদস্যেরা জানালেন, প্রয়োজনে সরকারি এবং বেসরকারি দুই হাসপাতালেই কর্মবিরতি শুরু করবেন তাঁরা।

    দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি (Junior Doctors)

    সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যেই কাজে যোগ দিতে হবে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors)। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। কাজে তো তাঁরা যোগ দেননি। বরং, পাঁচ দফা দাবি নিয়ে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। দাবি পূরণ না হওয়ায় রাতভর চলে ধর্না। বুধবারও চলেছে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। এই পরিস্থিতিতেই এবার রাজ্যকে কড়া বার্তা দিল সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনগুলি। এমনকী তাঁরা হুমকি দেন, কাজে ফেরানোর জন্য পশ্চিমবঙ্গের বিক্ষোভরত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে দেশজুড়ে ফের আন্দোলনে নামতে পারেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি

    মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টারের রাজ্য সম্পাদক বিপ্লব চন্দ বলেন, “আমরা সিনিয়র চিকিৎসকেরা কাজ করছি। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে যতটা সম্ভব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। সরকারের কাছে আবেদন করছি, সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তারদের এমন কিছু করতে বাধ্য করবেন না, যাতে মানুষের স্বাস্থ্য প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে যায়।” তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দুর্নীতি রয়েছে। এই দুর্নীতি দমনের জন্য তাঁরা আবেদন করছেন। তাঁর কথায়, “স্বাস্থ্য ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি প্রবেশ করেছে। মাথা পর্যন্ত দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। যত পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানো হচ্ছে, দুর্নীতি বেরিয়ে আসছে। আমরা সরকার এবং তদন্তকারী সংস্থার কাছে এই দুর্নীতিকে উৎপাটনের আবেদন করছি। সরকার এমন কোনও ঘটনা ঘটাবে না, যাতে চিকিৎসকদের (Junior Doctors) আন্দোলন হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়।”

    জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি ‘ন্যায়সঙ্গত’

    ‘জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টর্স’-এর সদস্য সুশান্ত চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) দাবি ‘ন্যায়সঙ্গত’। তিনি বলেন, “জুনিয়র জাক্তারেরা এমন কোনও দাবি করেননি, যা মানা যাবে না। এই দাবি মানার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সদিচ্ছা থাকা দরকার।” ওই সংগঠনের সদস্য তমোনাশ চৌধুরী বলেন, “সাধারণ মানুষকে সুস্থ পরিষেবা দেওয়ার জন্য এই আন্দোলন। দুঃখের ঘটনা, আমাদের বোনের মৃত্যু পর আগুন জ্বলেছে, তবে এই আগুন দীর্ঘদিন ধরে জ্বলছে।”

    ভুল তথ্য দিচ্ছে রাজ্য!

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়েছে আইএমএ (ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন)। আইএমএ-র অ্যাকশন কমিটির সদস্য সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আইএমের পক্ষ থেকে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। সদস্যপদ খারিজ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যভবনের কাছে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেছি। তদন্ত কমিটি তৈরি হচ্ছে। সেই কমিটিতে অধ্যক্ষেরা রয়েছেন।” ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এবং অল ইন্ডিয়া রেসিডেন্টস অ্যান্ড জুনিয়র ডক্টরস জয়েন্ট অ্যাসোসিয়েশন ফোরামের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের পেশ করা জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) কর্মবিরতির জেরে রোগী মৃত্যুর হিসেব ভুল। খুব শীঘ্রই সব রাজ্যের রেসিডেন্ট ডক্টরসরা বৈঠকে বসবেন। এই বৈঠকেই ঠিক হবে পরবর্তী কর্মসূচি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: ‘ডাক্তারদের এখন কোনও বদলির নির্দেশ নয়, নিশ্চিত করুক রাজ্য’, বলল শীর্ষ আদালত

    RG Kar Case: ‘ডাক্তারদের এখন কোনও বদলির নির্দেশ নয়, নিশ্চিত করুক রাজ্য’, বলল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার নির্যাতিতার মামলার শুনানিতে এমন কথা বললেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। উল্লেখ্য গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ করে মহিলা চিকিৎসককে হত্যা করার পর থেকেই লাগাতার আন্দোলন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রায় এক মাস ধরে ন্যায় বিচারের দাবিতে লালবাজার অভিযান, স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, অভয়ার ক্লিনিক, আলো বন্ধ করে প্রদীপ প্রজ্বলন এবং জনতার আদালত সহ একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের সঙ্গে পা মিলিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

    রাজ্য কোনও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না (RG Kar Case)  

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, সোমবার আরজি কর হত্যাকাণ্ড মামলার শুনানিতে বলেন, “ডাক্তারদের কাজ হল চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া। তাঁদের সুরক্ষার নির্দেশ আমরা দিয়েছি। জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদান করতে হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ হবে না। আমরা আগেই একই কথা ঘোষণা করেছি। আগামিকাল মঙ্গলবার সকলকে কাজে যোগদান করতে হবে। রাজ্য সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন না। এরপর যদি কোনও চিকিৎসক কাজে যোগদান না করেন এবং রাজ্য সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে আমরা কোনও বাধা দিতে পারব না। কাজে যোগদান না করলে আমরা প্রত্যকের বিরুদ্ধে নোটিশ ইস্যু করব।’’

    ডাক্তারদের নিরাপত্তায় রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ (Supreme Court)

    একইসঙ্গে ডাক্তারদের (RG Kar Case) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্দেশে একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বলা বলেছে, আন্দোলনরত চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার কথা জেনে রাজ্যকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন রাজ্যকে বলেন, “উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে চিকিৎসকরা আত্মবিশ্বাস ফিরে পান। ডিস্ট্রিক্ট কালেকটর ও পুলিশ সুপারকে নজর রাখতে হবে হাসপাতালগুলিতে। সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করবে।”  প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছেন, পুরুষ ও মহিলা চিকিৎসকদের জন্য পৃথক ডিউটি রুম রাখতে হবে। আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। প্রধান বিচারপতি রাজ্যকে বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আমরা জানি, কী হচ্ছে না হচ্ছে। একইসঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে, চিকিৎসকরা কাজে যোগ দিলে, তাঁদের বিরুদ্ধে বদলি বা এমন কোনও ব্যবস্থা যেন না নেওয়া হয়।”

    আরও পড়ুনঃ “চালান কই, চালান ছাড়া ময়নাতদন্ত হল কীভাবে?” প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    সুপ্রিম নির্দেশের পর বৈঠকে জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Case)

    অপর দিকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) শুনানির প্রেক্ষিতে এইমসের ডাক্তাররা সাড়া দিয়ে আগেই কাজে ফিরলেও আরজি কর হাসপাতালের ডাক্তাররা (RG Kar Case) ন্যায় বিচারের দাবিতে অনড় ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মেডিক্যাল কলেজ গুলিতে এখনও আন্দোলন এখনও চলছে। সোমবার ফের একবার জুনিয়র ডাক্তাররা জনিয়েছেন, “আমরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করিনি। শুনানিতে কিছুটা হতাশ আমরা। তা সত্ত্বেও, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই বিবেচনা করতে হবে। কী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, তা এখনও স্থির হয়নি। আপাতত প্রতিটি কলেজ এবং হাসপাতালের আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা পৃথক পৃথক ভাবে একটি প্রাথমিক বৈঠক করবেন। এর পর বিকাল ৫টা নাগাদ আরজি কর-সহ সমস্ত মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক মিলে একটি সম্মিলিত জেনারেল বডি বৈঠক (জিবি) করা হবে। সেই বৈঠকের পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।” আইএমএ-র সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে মাথায় রেখে কাজে ফেরার অনুরোধ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: যুবকের মৃত্যুতে মিথ্যাচার! ‘নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে অভিষেককে’, দাবি ডাক্তারদের

    RG Kar Case: যুবকের মৃত্যুতে মিথ্যাচার! ‘নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে অভিষেককে’, দাবি ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমা চাইতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। তিনি মিথ্যাচার করেছেন। ঠিক এই দাবিতে গর্জে উঠেছেন আন্দোলনরত আরজি করের (RG Kar Case) জুনিয়র ডাক্তাররা। হুগলির কোন্নগরের এক যুবকের আরজি কর হাসপাতালে মৃত্যু হলে, তা নিয়ে সামজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। তিনি বলেন, যুবক নাকি বিনা চিকিৎসায় মারা গিয়েছেন, আর তাকে ঘিরেই ব্যাপক বিতর্কের দানাবাঁধে।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ (RG Kar Case)

    জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টর্স, ওয়েস্ট বেঙ্গলের পক্ষ থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা, তৃণমূল সাংসদ তথা সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলার অভিযোগ তুলেছেন। একই ভাবে নিঃশর্তে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও করেছেন ডাক্তার সংগঠন। তৃণমূল নেতার বিনা চিকিৎসার তত্ত্বকে অস্বীকার করে বলেছেন, “সকাল ৯টা ১০ মিনিট থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত যুবকের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যর সময় পর্যন্ত চিকিৎসা চলছিল। কাজেই তৃণমূল নেতার দেওয়া তথ্য ভুল।” অপর দিকে আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়নি বলে দাবি করেছেন সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যুবককে নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় সমস্ত চিকিৎসা করানো হয়েছিল। সমস্ত চিকিৎসার পরিষেবা তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। অস্থিবিশারদ ও ট্রমা কেয়ারের টিমের সিনিয়র চিকিৎসকরা যুবকের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন৷ বেশ কয়েকটি পরীক্ষাও করা হয়েছিল৷ সেই সংক্রান্ত যাবতীয় নথিও রয়েছে আমাদের কাছে।” জুনিয়র ডাক্তাররা সেইসঙ্গে বলেন, “আমাদের কর্মবিরতি চললেও পরিষেবা কোনও রকম ভাবে বন্ধ নেই।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘মানুষকে কথা দিয়েছি…’’, মমতার অনুরোধ ফেরালেন জহর, জানিয়ে দিলেন কারণও

    অভিষেক কী বলেছিলেন?

    ৬ সেপ্টেম্বর নিজের এক্স হ্যান্ডলে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বলেন, “৩ ঘণ্টা কোনও চিকিৎসা ছাড়াই আরজি করের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন দুর্ঘটনায় আহত কোন্নগরের ওই যুবক। জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar Case) দাবি ন্যায্য হলেও, প্রতিবাদ এমন ভাবে করা উচিত, যাতে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত না হয়।” উল্লেখ্য যুবককে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় শ্রীরামপুর হাসপাতালে। সেখানে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালের সুপার বলেন, বিক্রম ভট্টাচার্য নামে ওই যুবককে আরজি কর মেডিক্যালে (RG Kar Case) রেফার করাই হয়নি। তাঁকে পাঠানো হয়েছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে।” ফলে অভিষেকের মন্তব্যে ডাক্তার মহলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: অভয়ার খুনের দিন রক্ত ধুতে হাসপাতালের রুমে স্নান করেন জুনিয়র ডাক্তার! বিস্ফোরক তথ্য

    RG Kar Rape-Murder: অভয়ার খুনের দিন রক্ত ধুতে হাসপাতালের রুমে স্নান করেন জুনিয়র ডাক্তার! বিস্ফোরক তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এবার আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে উঠে এসেছে। এবার সিবিআই-এর রেডারে এক জুনিয়র ডাক্তার। ৯ অগাস্ট ঘটনার দিন চেস্ট মেডিসিন বিভাগের ভেঙে ফেলা বাথরুমে স্নান করেছিলেন ওই জুনিয়র ডাক্তার। নার্সকে তিনি নাকি বলেছিলেন, গায়ে রক্তের দাগ লেগে আছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI) তদন্তে অভয়ার মামলায় উঠে আসা এই তথ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    জামায় রক্তের দাগ লেগে গিয়েছে (RG Kar Rape-Murder)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্তব্যরত নার্স বলেন, “ওই জুনিয়র ডাক্তার আমাকে বলেছিলেন, মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স ওয়ার্ডের ৪ নম্বর বেডে (RG Kar Rape-Murder) একজন মহিলা রোগী ছিলেন। তাঁকে পিআরবিসি দেওয়ার সময় জামায় রক্তের দাগ লেগে গিয়েছে।” এখন প্রশ্ন উঠেছে, পিআরবিসি দেওয়ার সময় কি কোনও কর্তব্যরত নার্স এই ঘটনার সাক্ষী ছিলেন? প্রশ্নের জবাব খুঁজতে এবার নার্সদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। একই নার্সকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গিয়েছে, ওই জুনিয়র ডাক্তারকে আগে কোনও সময় তিনি দেখেননি। তাছাড়া নাম জানতে চাইলেও জানাননি।

    আরও পড়ুনঃ জনতার রায় জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ জুনিয়র ডাক্তারদের, চলছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    সিবিআই সূত্রে বক্তব্য

    অপর দিকে সিবিআইকে (CBI), নার্স যে বয়ান দিয়েছেন, সেই সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত ৯টা নাগাদ তাড়াহুড়ো করে রেজিস্ট্যান্স ওয়ার্ডে ঢোকেন জুনিয়র ডাক্তার। ফ্রিজ খুলে কিছু একটা খোঁজ করছিলেন তিনি। নার্স জানতে চাইলে জুনিয়র ডাক্তার বলেন, পিআরবিসি খুঁজছেন। এক রোগীকে দেবেন। যেহেতু শীতল পিআরবিসি চালানো যায় না, তাই রাত সড়ে ১০টা নাগাদ এসে পিআরবিসি চালান। রাত আড়াইটে পর্যন্ত চলে। এই সময়ের মধ্যে দু’বার রোগীর কাছে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর হাতে গ্লাভস ঠিকমতো পরা রয়েছে কিনা, তা জানতে চাইলে, নার্সকে জুনিয়র ডাক্তার বলেন, গায়ে রক্ত লেগে আছে, তাই স্নান করব। যদিও মাত্র আড়াই হাত দূরে থাকলেও নার্সের নজরে রক্ত আসেনি। তবে ওই ডাক্তার ট্রান্সফিউশন নোট দিয়েছিলেন (RG Kar Rape-Murder)। উল্লেখ্য ঠিক ওই সময়ের মধ্যে আরও এক জুনিয়র ডাক্তার ওই ওয়ার্ডে এসেছিলেন। তবে তা সাড়ে ১০টার আগের ঘটনা। নার্স জানতে চেয়েছিলেন, কে পিআরবিসি চালাবেন? কিন্তু জুনিয়র বলেন, আগেরজনই অর্থাৎ যাকে নার্স আগে কোনওদিন দেখেননি, তিনিই চালাবেন। বর্তমানে সেই জুনিয়র ডাক্তারের খোঁজ করছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: জনতার রায় জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ জুনিয়র ডাক্তারদের, চলছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    RG Kar Protest: জনতার রায় জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ জুনিয়র ডাক্তারদের, চলছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ড (RG Kar Protest) নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদ-আন্দোলন চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা রাস্তায় নেমে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে সোমবার আরজি কর-কর মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই আবহের মধ্যে জনতার মতামত জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ বসাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Juniro Doctor)। যা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী কী প্রশ্ন রাখা হয়েছে? (RG Kar Protest)

    ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের তরফে নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়। এমনিতেই আন্দোলন (RG Kar Protest) চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছুদিন ধরেই ‘অভয়া ক্লিনিক’- এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। জানা গিয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার জেলায় জেলায় সকাল ১০টা থেকে ‘অভয়া ক্লিনিক’- এর আয়োজন করা হয়েছে। সেই ‘অভয়া ক্লিনিক’ সংলগ্ন এলাকাতেই ‘আদালত’ বসাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সাধারণ মানুষকে সেই ‘আদালতে’ উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা করতে এদিন অনেকেই ভিড় করছেন। জনতার কাছে বেশ কিছু প্রশ্ন রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রথমেই জানতে চাওয়া হয়েছে, ‘আন্দোলন কোন পথে চলছে?’ একই সঙ্গে তাঁরা এই আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন কি না। ‘অভয়া ক্লিনিক’ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কি না, তা জানতে চান তাঁরা। পাশাপাশি, আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবি নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত এবং আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে ‘পুলিশ এবং সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে’ সাধারণ মানুষ কী বলছে তা জানতে চান তাঁরা।

    আরও পড়ুন: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    মানববন্ধন

    ‘অভয়া ক্লিনিক’ এবং ‘রাজপথে আদালত’ ছাড়াও রবিবার মানববন্ধনেরও (RG Kar Protest) ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। রবিবার বিকেল পাঁচটায় মানববন্ধন হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এ ছাড়াও, মধ্যরাতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডে মহিলা চিকিৎসকের খুনের বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। প্রায় প্রতি দিনই কোনও না কোনও কর্মসূচির আয়োজন করছেন। সেখানে শুধু চিকিৎসকেরা নন, সাধারণ মানুষও যোগ দিচ্ছেন। আন্দোলনকারীরা আশাবাদী, রবিবারের কর্মসূচিতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশ নেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Human Chain: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    Human Chain: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape Murder) উত্তাল হয়েছে রাজ্য। গত ৯ অগাস্ট ঘটনার পর থেকে একাধিক রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে তৃণমূল সরকার। ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় শহরে। এরপরের দিনই পুলিশি বর্বরতার বিরুদ্ধে বিজেপি বনধ ডাকে। এমন অবস্থায় বারবার ব্যর্থ পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলনে নেমেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গতকাল বুধবার ২২ ঘণ্টা অবস্থানের পর তাঁরা পৌঁছতে সক্ষম হন লালবাজারে। মঙ্গলবার ‘জাস্টিস ফর আরজি কর’- আন্দোলনে মানব বন্ধন (Human Chain) কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধনের কর্মসূচি পালন করা হয় এদিন।

    ১৭ কিলোমিটারের মানব বন্ধন (Human Chain)

    কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি। আন্দোলনে সামিল হন চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এমন পেশাদারেরা, ডাক্তার-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা ছাড়াও হাজার হাজার সাধারণ মানুষও আন্দোলনে (RG Kar Rape Murder) সামিল হন হাতে পোস্টার নিয়ে। অনেক বাচ্চাকেও দেখা যায় অভিভাবকের সঙ্গে রাস্তায় নামতে। মঙ্গলবার বিকালে ইএম বাইপাসের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় মানব বন্ধন (Human Chain) কর্মসূচি। পাটুলি থেকে সন্তোষপুর কানেক্টর হয়ে রুবি, পরমা আইল্যান্ড, বেলেঘাটা কানেক্টর হয়ে উল্টোডাঙা পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় হাত ধরে নাগরিকরা আরজি কর কাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। বৃষ্টির মধ্যেও চলতে থাকে কর্মসূচি। রাস্তার একধারে দাঁড়িয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা, এর ফলে যানজটের কোনও সমস্যা হয়নি।

    কী বলছেন আন্দোলনকারী

    এক বয়স্ক আন্দোলনকারীর কথায়, ‘‘এই নারকীয় ঘটনার জন্য আজ আমরা পথে নেমেছি (Human Chain)। আমরা বিচার চাই। আমার কন্যা-সম একজন ডাক্তারকে যেভাবে খুন করা হল, সবকিছু জেনেও আজ না জানার ভান করছে। তার প্রতিবাদ (RG Kar Rape Murder) করতে আমি আজ রাস্তায় এসেছি। আমি একজন বয়স্ক মানুষ, কিন্তু ঘরে থাকতে পারলাম না।’’

    ক্রমশই কোণঠাসা তৃণমূল সরকার

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Rape Murder) পরে রাজ্যজুড়ে যে জন-আন্দোলন দেখা গিয়েছে, তাতে কোণঠাসা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আন্দোলনের প্রতিক্রিয়াতে দলের নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের প্রকাশ্যে হুমকিতে আরও চটেছেন নাগরিক সমাজ। ঠিক একইভাবে দলের ছাত্র সংগঠনের সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোঁস করার নিদান ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে। আরজি কর আন্দোলন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও জোরালো হচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে (Human Chain)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share