Tag: Junta

Junta

  • Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধের কারণে মায়ানমার (Myanmar) ছেড়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছেন অনেকে। মায়ানমারের সেই সব নাগরিকদের সে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করল ভারত। ৮ মার্চ, শুক্রবার অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া প্রথম দলটিকে মায়ানমারের মোরে শহরে ফেরত পাঠানো হয়। এই দলে এক শিশু সহ মোট সাত মহিলা ছিলেন।

    আপাতত ফেরত পাঠানো হচ্ছে ৭৭ জনকে

    মায়ানমারে ফেরতের প্রক্রিয়াটির ভিডিও করেছে মণিপুর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ সেটি পোস্ট করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন মহিলাকে পাঠানো হচ্ছে ইম্ফল বিমানবন্দরের দিকে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মায়ানমারের ৭৭ নাগরিককে (যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে চলে এসেছিলেন) ৮ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে একাধিক দলে ভাগ করে ফেরত পাঠানো হবে মায়ানমারে (Myanmar)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ জন মহিলা। শিশু রয়েছে পাঁচটি। বাকিরা সবাই পুরুষ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 

    রবিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “সংখ্যাটি বিশাল। তাই আমরা তাদের এক সঙ্গে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারি না। কয়েকটি দলে ভাগ করে তাদের সে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। এজন্য কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এগুলি অনুসরণ করতে হবে আমাদের। অবৈধভাবে যারা ভারতে এসেছে, পর্যায়ক্রমে তাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।” মণিপুর সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, এই বিদেশি নাগরিকদের প্রথম দলটিকে ইম্ফল থেকে সীমান্ত শহর মোরে পর্যন্ত হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, আজ রাতেই দেশে চালু হচ্ছে সিএএ, খবর সূত্রের

    প্রসঙ্গত, একুশ সালে মায়ানমারের নির্বাচিত আং সান সু কিয়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মায়ানমারের সেনা জুন্টা। তার পর থেকে সে দেশে চলছে সামরিক শাসন। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়ছে মায়ানমারের একাধিক রাজনৈতিক দল। তার জেরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। যার জেরে প্রাণভয়ে ভারতে পালিয়ে আসছেন বহু মায়ানমারবাসী। তাঁদের মধ্যে যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন সে দেশের সেনাবাহিনীর লোকজনও। অবৈধভাবে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এই সব মায়ানমারবাসীকেই তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার।

    জানা গিয়েছে, গত বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ভারতে পালিয়ে এসেছেন সে দেশের ৬০০ সেনা। বিদ্রোহীরা তাঁদের শিবির দখল করে নেওয়ায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরামে। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৫৯জন সেনাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের দেশে (Myanmar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: ৩৪ বছরে এই প্রথম, মায়ানমারে ফাঁসি চার সমাজ কর্মীর

    Myanmar: ৩৪ বছরে এই প্রথম, মায়ানমারে ফাঁসি চার সমাজ কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৪ বছরে এই প্রথম। সোমবার একসঙ্গে চারজনকে ফাঁসি (Executes) দিল মায়ানমার জুন্টা (Myanmar Military Government)। যাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন , ফিও জেয়া থাও ( Phyo Zeya Thaw), কো মিন উ (Kyaw Min Yu), হ্লা মায়ো অং, অং থুরা জাও। ফিও জেয়া থাও ছিলেন একজন সাংসদ, কো মিন উ ছিলেন লেখক। তাঁদের সঙ্গে হ্লা মায়ো অং এবং অং থুরা জাওকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এনারা ছিলেন সমাজকর্মী। গণতন্ত্রের পক্ষে সওয়াল করতেন তাঁরা। যদিও সেনার দাবি, খুন, সন্ত্রাসসহ একাশিক নৃশংস কাজে জড়িত ছিলেন এই চারজন।    
     
    এই চার জনের বিরুদ্ধে সেনা আদালত দেশের সরকারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ এনেছিল। সেনা দাবি করে, এই চারজন ‘সন্ত্রাসবাদী’ কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। আদালতে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সাজা। সেনা আদালতের রুদ্ধদ্বার কক্ষে এই চার জনের বিচার হয়। বাইরের কোনও প্রতিনিধিকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এই চারজনের পরিবারের তরফ থেকে জুন্টা (Junta) সরকারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনার আর্জি জানানো হয়েছিল। জুন্টা সরকার সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। আন্তর্জাতিক মহল থেকেও মৃত্যুদণ্ড খারিজের অনুরোধ আসে। সিদ্ধান্তে অটল থাকে জুন্টা। 

    আরও পড়ুন: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী    

    মায়ানমারে সামরিক শাসন কায়েম হওয়ার পর থেকেই বার বার গণতন্ত্রের কন্ঠ রোধ করার অভিযোগ করেছে দেশের জনতাসহ বিভিন্ন মহল। যারাই সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছে তাদের বিভিন্ন রকম সাজা দেওয়া হয়েছে। এবার এই চারজনকে দেওয়া হল সর্বোচ্চ সাজা।

    আরও পড়ুন: বিশ্বাস ভেঙেছে কাছের লোক, পাকিস্তানে গণধর্ষণের শিকার মাকিন ভ্লগার  

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ফাঁসি দেওয়া হয়েছে ওই চার জনকে। কিন্তু ঠিক কোথায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। 

    জুনমাসে এই চারজনের মৃত্যু দণ্ডের সাজা ঘোষণা হওয়ার পরেই বিশ্বজুড়ে মায়ানমারের ব্যাপক সমালোচনা হয়। জুন্টা সরকার ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ানমারের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসে। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন অং সান সু চি। এই ঘটনার পরেই মায়ানমার জুড়ে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। 

    মায়ানমারের সাংসদ এবং সমাজ কর্মীদের ফাঁসি দেওয়ার আদেশের নিন্দা করেছে বহু আন্তর্জাতিক সংগঠন। সরকার বিরোধী সংগঠন এনইউজি জানিয়েছে, এই ঘটয়ায় তারা, ‘অত্যন্ত দুঃখিত ও মর্মাহত’।  

    রাষ্ট্রসংঘের মতে, ১৯৮৮ সালে শেষবার ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল মায়ানমারে। তারপর থেকে ফাঁসির কোনও ঘটনা ঘটেনি। কেটে গিয়েছে ৩৪ বছর। এতদিন পর এই প্রথম মায়ানমারে দেওয়া হল মৃত্যুদণ্ড। 

     

LinkedIn
Share