Tag: Justice Abhijit Ganguly

Justice Abhijit Ganguly

  • SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Scam) আদালতের নির্দেশে সোমবারই চাকরি খোয়া গিয়েছে ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক দু’টি বিষয়ের উল্লেখ করেন।

    কী বললেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক? (SSC Recruitment Scam)

    তিনি বলেন, “আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। তাই গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া এই প্যানেলে যে কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়েছে রাজ্য সরকার তা জানত। সেই কারণেই তারা আবেদন করেছিল সুপার নিউমেরিক পোস্টের।” কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে আইনজীবী সুদীপ্ত বসাক বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, যে তিনি প্রভাবিত হয়ে এই ধরনের রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এটাও স্পষ্ট, দুর্নীতি হয়েছিলই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করল।”

    অভিজিতের সম্পর্কে কী বলছে আদালত?

    এর পরেই তিনি বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি।” তিনি বলেন, “শুনানির সময় রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে আদালত বারংবার জিজ্ঞাসা করেছিল, কারা প্রকৃত, তার হিসেবটা দিতে। রাজ্য সরকার তা দিতে পারেনি। এসএসসি যতজনকে রেকমেন্ডেশন দিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি লোক চাকরি করছে। সেই কারণেই বিচারপতি বলেছেন, প্যানেল বাতিল করা ছাড়া আরও কোনও উপায় নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, অভিজিৎ যখন বিচারপতি ছিলেন তখন প্রচুর অযোগ্য (SSC Recruitment Scam) শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে রাজ্য সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিজিতের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা অভিজিতের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠন করা হয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শাব্বার রাশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। ৯ নভেম্বর গঠিত হয় ওই বেঞ্চ। ছ’মাসের মধ্যে মামলার প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জেনেছে, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে নিয়োগের পাশাপাশি এসএলএসটি ২০১৬-র মাধ্যমে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছিল। নিয়োগ কেলেঙ্কারির (SSC Recruitment Scam) ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Justice Abhijit Ganguly: মঙ্গলবার ইস্তফা দিচ্ছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, আসছেন রাজনীতিতে?

    Justice Abhijit Ganguly: মঙ্গলবার ইস্তফা দিচ্ছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, আসছেন রাজনীতিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করতে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। আচমকাই তাঁর এই অবসরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। জানা গিয়েছে, রাজনীতিতে যোগ দিতে চলেছেন তিনি, তাই এমন সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিতেন তিনি। সংবিধান অনুযায়ী, হাইকোর্টের বিচারপতিদের কার্যকাল ৬২ বছর পর্যন্ত হয়। তবে ৫ মাস আগেই তিনি বিচারপতির পদ ছাড়তে চলেছেন। জানা গিয়েছে, আগামী মঙ্গলবারই তিনি পদত্যাগ করবেন। বিচারপতি হিসেবে তাঁর দেওয়া প্রতিটি রায়ই যেমন খবরের শিরোনামে থেকেছে এতদিন, তেমনই তাঁর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ নিয়েও ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। একাধিক মামলায় দিয়েছেন সিবিআই তদন্তের নির্দেশও।

    কী বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    জানা গিয়েছে, বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly) তাঁর পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি ও দেশের প্রধান বিচারপতিকেও পাঠাবেন। তাঁর হাতে বর্তমানে যে মামলাগুলি রয়েছে, সোমবারই সেগুলি ছেড়ে দেবেন তিনি। অর্থাৎ আগামীকাল সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে তাঁকে শেষবারের মতো দেখা যাবে। একটি সংবাদমাধ্যম এদিন তাঁকে প্রশ্ন করে, ‘‘আপনি কি লোকসভা ভোটে দাঁড়াতে চলেছেন?’’ উত্তরে বিচারপতি বলেন, ‘‘যদি আমি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দিই, তারা যদি আমাকে টিকিট দেয়, আমি বিবেচনা করে দেখব।’’

    শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ 

    এর পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদলের সমালোচনা করে বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly) জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ বর্তমানে দুর্নীতিতে ছেয়ে গিয়েছে। আদালতের পরিসরে থেকে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে পারছেন না। বিচারপতির নিজের কথায়, ‘‘রাজ্যের দুরবস্থা চলছে। অপমানজনক অধ্যায় চলছে। আমি মৌর্য সাম্রাজ্যের কথা শুনেছিলাম। এখন চৌর্য সাম্রাজ্য চলছে। বাঙালি হিসাবে আমার পক্ষে এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। যারা শাসক হিসাবে দেখা দিয়েছে, তারা রাজ্যের উপকার করতে পারবে বলে মনে হয় না। যদি না কড়া প্রহরা থাকে। তাই আমি শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে বলব, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।’’ কেন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়? সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান শাসকদলের অনেকে আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে আমাকে যে আহ্বান তাঁরা জানিয়েছেন, সেই আহ্বান আমাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। আমি এর জন্য শাসকদলকে অভিনন্দন জানাতে চাই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে দুই বিচারপতির বেনজির সংঘাত, বিশেষ বেঞ্চ গঠন শীর্ষ আদালতের

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে দুই বিচারপতির বেনজির সংঘাত, বিশেষ বেঞ্চ গঠন শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের সংঘাত নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই বিশেষ বেঞ্চ শনিবার অর্থাৎ আজই শুনানি করবে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট পাঁচ বিচারপতিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ওই বিশেষ বেঞ্চ। শনিবার আদালত ছুটি রয়েছে, তবুও ওই দিনেই বসবে বিশেষ বেঞ্চ। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুনানি শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সংঘাতের কারণ কী 

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির বিষয়ে অনিয়ম সামনে আসতেই, মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি (Calcutta High Court) গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশের উপর প্রথমে স্থগিতাদেশ দেয়। পরে সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর-ও খারিজ করে দেয় বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা কার্যকর হবে না বলে তখন জানিয়ে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়। অর্থাৎ, এই মামলায় সিবিআইকে তিনি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে বলেন। এখানেই শুরু দয় সংঘাত।

    পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতির সংঘাতের ঘটনায় শনিবার আদালত ছুটির দিনেও বসবে পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ। তাতে থাকবেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই মামলার শুনানি।

    রাজনৈতিক নেতার মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন, অভিযোগ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশনামায় জানিয়েছিলেন, বড়দিনের ছুটির আগে বিচারপতি সেন তাঁর চেম্বারে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে ডেকে পাঠান। সেখানে বিচারপতি সেন বলেন, প্রথমত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রয়েছে। তাঁকে বিরক্ত করা চলবে না। দ্বিতীয়ত, অমৃত সিংহের এজলাসের ‘লাইভ স্ট্রিমিং’ বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, নিয়োগ দুর্নীতির দু’টি মামলা খারিজ করতে হবে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, বিচারপতি সেন ব্যক্তিগত স্বার্থে ওই সব নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবারও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচারপতির সেন স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। ওই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। তিনি কয়েক জন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের উচিত তাঁর (বিচারপতি সেনের) সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ‘‘রাজ্যে ৩-৪ টি সিবিআই থানা খোলা প্রয়োজন”, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Justice Abhijit Ganguly: ‘‘রাজ্যে ৩-৪ টি সিবিআই থানা খোলা প্রয়োজন”, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাজ্যে সিবিআই থানা তৈরি হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তাঁর মতে, অন্তত ৩-৪ টি সিবিআই থানা খোলা দরকার রাজ্যে। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার মহিলা সমবায় দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায় শুনানি চলার সময় এই মন্তব্য করতে শোনা যায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ার মহিলা সমবায় সমিতিতে ২১ হাজার ১৬৩ জন মোট ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। টাকা জমা দেওয়ার সময় সমিতি জানিয়েছিল, ওই টাকা বাজারে ঋণ হিসেবে খাটানো হবে। কিন্তু আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সময় হলে দেখা যায়, সমিতিই ‘বিলুপ্ত’ হয়ে গিয়েছে। এর জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। মোট ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এই মামলায়।

    বিচারপতির এজলাস বয়কট

    প্রসঙ্গত, এদিনও ওই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার (Justice Abhijit Ganguly) অভিযোগ তোলে সিবিআই। জানা গিয়েছে, বিগত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূলপন্থী আইনজীবীরা তাঁর এজলাস বয়কট করছিলেন। বৃহস্পতিবারই বিচারপতি এজলাসে বসে, সেই বয়কট প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করেন। পরবর্তীকালে আইনজীবীরা বিচারপতির এজলাসে ফেরেন। 

    সিবিআইকে অসহযোগিতা

    আলিপুরদুয়ার মহিলা সমবায় দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় বিচারপতি এদিন প্রশ্ন করেন, ‘‘মামলায় সিবিআই নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেল না কেন?’’ এর জবাবে সিবিআই-এর তরফে আইনজীবী  বলেন, ‘‘পুলিশ বা রাজ্য সরকার কেউই কোনও সহযোগিতা করছে না এ বিষয়ে। এমনকী আদালতের নির্দেশ পর্যন্ত মানা হচ্ছে না।’’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) তখন বলেন, ‘‘রাজ্যে সিবিআই থানা তৈরির সময় এসেছে। অন্তত তিনে-চারটি থানা তৈরি প্রয়োজন। ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল দিয়ে থানা তৈরি করতে হবে। নতুন নতুন দুর্নীতির অভিযোগ আসছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠছে। মানুষ পুলিশ এবং আদালতে ঘুরে ঘুরে হয়রান হচ্ছেন। তবু অভিযোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: কলকাতার পর কালিম্পং! বুলডোজারে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার পরামর্শ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Justice Abhijit Ganguly: কলকাতার পর কালিম্পং! বুলডোজারে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার পরামর্শ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে এর আগেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) টেনে এনেছিলেন যোগীরাজ্যের বুলডোজার মডেলের প্রসঙ্গ। এবার কালিম্পং-এ  একটি বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে স্থানীয় পুরসভাকে বুলডোজার ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। ১৭ অগাস্ট বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন বিচারপতি। তিনি আরও বলেন, ২২ অগাস্টের  মধ্যে বেআইনি নির্মাণ ভাঙা না হলে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে পুরসভার বিরুদ্ধে। তারপরেই তিনি বলেন যে পুরসভা চাইলে বুলডোজার ব্যবহার করতে পারে। প্রসঙ্গত, কলকাতার মানিকতলার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নির্মাণ ভাঙতে এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) এবং কলকাতা হাইকোর্টে তিনি বলেন, ‘‘ওই নির্মাণ ভাঙতে প্রয়োজনে যোগী আদিত্যনাথের কাছ থেকে বুলডোজার ভাড়া করুন।’’ প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের গ্যাংস্টারদের বাড়ি ভাঙতে বুলডোজার ব্যবহার করে যোগী প্রশাসন। সেই মডেলই কি এবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে লাগু হতে চলেছে? হাইকোর্টের নির্দেশে! এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। 

    কালিম্পং-এ বেআইনি নির্মাণ

    জানা গিয়েছে, কালিম্পং পুরসভার অনুমতি না নিয়ে বেআইনিভাবে একটি নির্মাণ করা হয়। মামলার জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা দায়ের করেন বীর বাহাদুর বলন নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা। ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়, এই ধরনের নির্মাণ বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ তার পাশে স্কুলও রয়েছে। পরে জানা যায় পুরসভার অনুমতি ছাড়াই ওই নির্মাণ গড়ে উঠেছে। ওই মামলাকারী আর্জি জানান, ওই বেআইনি নির্মাণ অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া হোক। কিন্তু সেখানে আক্ষেপ করে তিনি এও জানান যে পুরসভাকে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি।

    পুরসভা ৫ দিনের সময় চায়

    এই মামলা শোনার পরেই সোমবারের মধ্যে ওই নির্মাণ ভেঙে ফেলা নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) এবং এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বুলডোজার ব্যবহার করতে পারে কালিম্পং পুরসভা। পাশাপাশি বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে কেন পুরসভা এখনও পর্যন্ত কেন কোনও রকমের পদক্ষেপ নেয়নি তা জানতে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারকেও তলব করে আদালত। এক্সিকিউটিভ অফিসার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) কাছে পাঁচ দিন সময় চেয়ে নেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তা মঞ্জুর করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Board: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Primary Board: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ‘কনফিডেন্সিয়াল সেকশন’ বলে পরিচিত ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’-র বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের বাইরে এমন এক সংস্থাকে কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলে অভিহিত করা যায় না। আইনে পর্ষদের (Primary Board) হাতে এই ধরনের কোনও ক্ষমতা দেওয়া আছে কিনা, তাও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি ওএমআর শিট মূল্যায়নকারী একটি সংস্থা। ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগের একটি মামলার শুনানি ছিল সোমবার। সেখানেই এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। তিনি এদিন এও জানান, আলাদা করে বাইরের কোম্পানিকে দিয়ে তথ্য যাচাই করা যায় না।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় ৮ জুন রুজিরাকে সিজিও-তে তলব ইডি-র

    এর আগেও বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে ২০১৪ সালের টেস্ট সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মানিক ভট্টাচার্যকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন, কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলে যার উল্লেখ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary Board) করছে, সেই এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের ঠিক কী সম্পর্ক ছিল? কেন এই সংস্থাকে কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলা হচ্ছে, এদিন তাও জানতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও পর্ষদ এদিন এর কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

    প্রসঙ্গ সুজয়কৃষ্ণ……

    এই মামলার শুনানিতেই চলে আসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গ্রেফতারি প্রসঙ্গও। বিচারপতির বক্তব্য, “কোন ভদ্র না অভদ্র গ্রেফতার হয়েছেন, তা নিয়ে ভাবিত নই। কিন্তু ‘কনফিডেন্সিয়াল সেকশন’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্ষদের হাতের বাইরে থাকা উচিত নয়।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় একাধিক উল্লেখযোগ্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: প্রথম কোনও বিচারপতির নামে হোর্ডিং কলকাতায়! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    Justice Abhijit Ganguly: প্রথম কোনও বিচারপতির নামে হোর্ডিং কলকাতায়! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বেহালায় নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল। ১৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ডে বেহালা নাগরিকবৃন্দের তরফ থেকে হোর্ডিং পড়ল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে। তাতে লেখা, ‘বাংলার গর্ব বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)।’ ওই হোর্ডিং-এ স্বামী বিবেকানন্দের বাণীও নজরে পড়ছে, লেখা রয়েছে, সত্যের জন্য সবকিছুকে ত্যাগ করা যায় কিন্তু কোনও কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা যায়না। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কোনও বিচারপতির নামে পড়ল এমন হোর্ডিং। নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে তাঁর একের পর এক পর্যবেক্ষণ ও রায় তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গেছে।

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলী  

    বড় দিনের পরে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) বোলপুরে গিয়েছিলেন। তিনি আসছেন শুনে স্টেশন চত্বরে তখন থিকথিকে ভিড়। সেই ভিড়ের মধ্যে থেকেই এক যুবক ঝাঁপিয়ে তাঁর পায়ে পড়ে বলেছিলেন, ‘স্যার, আপনি মানুষ নন, ভগবান।’ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বইমেলায় গিয়েছিলেন। দেখা গিয়েছিল, তিনি হাঁটছেন আর কয়েকশ মানুষের ঝাঁক হাঁটছে তাঁর পিছনে। উঠছে জয়ধ্বনি।

    হোর্ডিং-এ কী লেখা রয়েছে

    ওই হোর্ডিংয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) উদ্দেশে লেখা হয়েছে, ‘স্যার আপনাকে স্যালুট জানাই! আপনি শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যেভাবে মনিটরিং করে সত্যের জন্য লড়াই করছেন আইনের মাধ্যমে, তাতে আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত।’
    নাগরিকবৃন্দের তরফে একজন সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) লড়াইকেও আমরা সেভাবেই দেখছি। আজকে হয়তো ব্রিটিশ নেই। কিন্তু এই শাসকের মুখোশ খোলাটাও কম বড় লড়াই নয়।’

    জনমানসে তাঁর এমন ইমেজ নিয়ে কী বলছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)

    জনমানসে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে এই মনোভাব গত কয়েক মাস ধরেই রয়েছে। অনেকে বলেন, ‘বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জনগণের বিচারপতি।’ কয়েক মাস আগে খিদিরপুরের একটি গ্রন্থাগারের অনুষ্ঠানে এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘এসব আমি ভাবি না। আমার কাজ মানুষ যাতে দ্রুততার সঙ্গে বিচার পান, সেটা দেখা। নইলে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা উঠে যাবে। তখন তাঁরা যাবেন স্থানীয় পার্টি অফিস বা লোকাল কমিটির অফিসে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: শিক্ষা সংক্রান্ত সব মামলা সরল বিচারপতি সৌমেন সেনের বেঞ্চ থেকে, কী কারণ?

    Calcutta High Court: শিক্ষা সংক্রান্ত সব মামলা সরল বিচারপতি সৌমেন সেনের বেঞ্চ থেকে, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি (Medical College Admission Scam) সহ যাবতীয় শিক্ষা দুর্নীতি মামলা সরানো হল বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ থেকে। এখন থেকে নতুন বেঞ্চে এই মামলাগুলি শোনা হবে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনটাই জানানো হয়েছে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তরফে।

    নজিরবিহীন সংঘাতের সাক্ষী হাইকোর্ট

    বৃহস্পতিবার দিনভর নজিরবিহীন সংঘাতের সাক্ষী থাকল হাইকোর্ট। মেডিকেল কলেজে ভর্তি প্রসঙ্গে অনিয়মের মামলা নিয়ে বুধবার থেকেই হাইকোর্টের (Calcutta High Court) একক বেঞ্চ আর ডিভিশন বেঞ্চের টানাপোড়েন চলছিলই। যা চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় বৃহস্পতিবার। এদিন ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে এজলাসে বসেই বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী, কেন বিচারপতি সৌমেন সেনের ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না, সেই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। সেই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরেই রাতে বিচারপতি সৌমেন সেনের বেঞ্চ থেকে সরে গেল শিক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত মামলা। বৃহস্পতিবার রাতে একটি নির্দেশিকা জারি করে জানাল, আগামী সোমবার থেকে শিক্ষা সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে অন্য ডিভিশন বেঞ্চে। নির্দেশিকায় জানানো হয়, বিচারপতি সেনের বেঞ্চে থাকা শিক্ষা সংক্রান্ত আপিল মামলা বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ শুনবে। আগামী শুক্রবার থেকে রস্টার পরিবর্তনের নির্দেশ কার্যকর হবে।

    আরও পড়ুন: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার সূত্রপাত ঠিক কী?

    ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। মূল বিতর্ক ছিল মেডিকেলে ভর্তি সংক্রান্ত একটি মামলাকে (Medical College Admission Scam) কেন্দ্র করে। অভিযোগ ছিল, ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে কেউ কেউ মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন। এই অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ (Calcutta High Court)। কিন্তু বিচারপতির এই নির্দেশে এক ঘণ্টার মধ্যেই এ বিষয়ে বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাজ্য। তখন ডিভিশন বেঞ্চ ওই নির্দেশে মৌখিক স্থগিতাদেশ দেয়। বুধবার বিকেলে এর পর আবার মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চে। সিবিআই এবং মামলাকারী তাঁকে মৌখিক স্থগিতাদেশের কথা জানায়। কিন্তু বিচারপতি পাল্টা জানান, স্থগিতাদেশের লিখিত প্রমাণপত্র না পেলে তিনি তা মানতে পারবেন না। এর পরেই সিবিআইকে তদন্তে এগোনোর নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে এই মামলায় এফআইআরও দায়ের করতে বলেন। 

    নির্দেশনামায় তীব্র অসন্তোষ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    বৃহস্পতিবার তা অন্য পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এদিন সকালে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআরও খারিজ করে দেয় বিচারপতি সেন এবং বিচারপতি উদয়কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ (Calcutta High Court)। এর পরই এজলাসে বসেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় মামলা সংক্রান্ত তাঁর নির্দেশনামায় বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগ করেন, বিচারপতি সেন ‘রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা’ ব্যক্তির মতো আচরণ করছেন। প্রশ্ন তোলেন, “কেন বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে না?’’ এমনকী, নিজের নির্দেশনামায় এই কথা লেখেনও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে তুলকালাম দুই বিচারপতির মধ্যে। এই মামলায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া নির্দেশর ওপর গতকাল মৌখিকভাবে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার এই মামলা নিয়ে শুনানির সময় এজলাসেই বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি, বড়দিনের ছুটির আগে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে নিজের চেম্বারে ডেকেছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। সেখানে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে ডেকে রাজনৈতিক নেতার মত নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রথমে বলেছিলেন, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের একটা রাজনৈতিক ভবিষ্যত আছে, তাকে বিরক্ত করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, বিচারপতির অমৃতা সিনহার এজলাসে শুনানির লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রাথমিকের দুটি মামলা খারিজ করতে হবে বিচারপতি সিনহাকে। 

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, তিনি ওই ‘তথ্য’ জেনেছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহের কাছ থেকেই। বলেন, ‘‘আমি বিচারপতি সিনহার কাছ থেকে এটা জানতে পেরেছি।’’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় যোগ করেন, বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে যা যা বলেছেন বিচারপতি সৌমেন সেন, সেই গোটা বিষয়টা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জানান বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রধান বিচারপতি আবার তা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জানিয়েছেন।

    ‘‘অন্য কেউ গেলে এটা করবেন তো?’’

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় নিজের নির্দেশনামায় বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর মতে, ‘‘বিচারপতির সৌমেন সেন স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের উচিত তাঁর (বিচারপতি সেনের) সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশনামা এবং আবেদনপত্রের কপি ছাড়াই সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন বিচারপতি সেন। অন্য কেউ গেলে এটা করবেন তো? ভুল বার্তা পাঠাচ্ছেন বিচারপতি সেন।’’

    ‘‘কেন দু’বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না?’’

    এখানেই থেমে থাকেননি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশনামায় তিনি এও উল্লেখ করেন, ‘‘এই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মত আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বিচারপতি সেন।’’ একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কেন তাঁর বিরুদ্ধে ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না? কেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দু’বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না? অন্য বিচারপতিদের তো হয়ে গিয়েছে। কে তাঁকে (বিচারপতি সেন) বাঁচাচ্ছে?’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘আমি দেশের প্রধান বিচারপতিকে এটা দেখার জন্য অনুরোধ করব।’’

    ‘‘এফআইআর খারিজের নির্দেশ বৈধ নয়’’

    এদিন সকালে, সিবিআইয়ের এফআইআর খারিজ করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এই প্রতিক্রিয়ায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশনামায় জানান, এফআইআর খারিজের যে নির্দেশ বিচারপতি সেন দিয়েছেন সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দিয়েছেন, ফলে সেটা বৈধ নয়। সিবিআইয়ের উচিত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সিবিআইকে ২ মাসের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দেন যে এই নির্দেশের কপি অবিলম্বে কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেশের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিষেকের মামলা পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Abhishek Banerjee: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিষেকের মামলা পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। পাশাপাশি বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকে মামলা সরানোর আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের সেই আবেদন শুনানির আগেই খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কোনও যুক্তির ওপর নির্ভর করে মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    কেন খারিজ মামলা

    সম্প্রতি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অপসারণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন এক যুব তৃণমূল নেতা। তার প্রতিক্রিয়ায় পালটা প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর সম্পত্তির তালিকা প্রকাশের চ্যালেঞ্জ ছোড়েন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে আদালতে গিয়ে অভিষেক দাবি করেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য যেন তদন্তকে প্রভাবিত না করে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মন্তব্য করছেন। তাই বিচারপতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এই মামলা প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের অভিমত, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আবেদনে কোনও যুক্তি নেই। মামলাটি খারিজ করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হার্ড ডিস্ক পাঁচদিনে পেশ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী বলল আদালত

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আরও আবেদন, কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলাগুলিকে (যেগুলি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে বিচারাধীন) তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করে সেখানে স্থানান্তর করা হোক। এই আর্জিও এদিন শীর্ষ আদালতে খারিজ হয়ে যায়। অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসু জানিয়েছেন, অভিষেককে নতুন করে মামলা দায়ের করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। উল্লেখ্য, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হিসাব জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রসঙ্গত এর আগে অভিষেকের আবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির বেশ কয়েকটি মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলা এখন বিচারপতি সিনহার এজলাসে বিচারাধীন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share