Tag: Justice Abhijit Ganguly

Justice Abhijit Ganguly

  • Calcutta High Court: সরকারি অফিসারদের ‘বাবুগিরি’! ভিজিল্যান্স অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: সরকারি অফিসারদের ‘বাবুগিরি’! ভিজিল্যান্স অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রত্যেকটি মামলায় একের পর এক তাৎপর্যপূর্ণ রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আর এবারে শিক্ষা দফতরের একশ্রেণির কর্মীদের কাজের প্রতি অবহেলা দেখে কড়া পদক্ষেপ নিলেন তিনি। তিনি এদিন  মন্তব্য করেন, “কাজের নামে ‘বাবুগিরি’ দেখানো?” প্রশ্ন করেন, “কাজের নামে বাবুগিরি দেখানো অফিসারদের বেতনবৃদ্ধি সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কেন দেওয়া হবে?”

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আশা শ্রীবাস্তব জোড়াসাঁকোর মারোয়ারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। ২০২০ সালের ১ অক্টোবর তিনি অবসর নেন। ডিএ সহ বকেয়া পাওনা টাকার যাবতীয় নথি ডিআই কলকাতা শিক্ষা দফতরে পাঠান ওই প্রাক্তন শিক্ষিকা। ২০২০ সালে অক্টোবরের ২০ তারিখ ডিআই (কলকাতা) সেই নথি পাঠায় কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশনকে। এরপর ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে সেই চিঠি পড়ে ছিল। বিলিং সেকশনে পড়ে ছিল বলে আদালতে (Calcutta High Court) জানানো হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেব’’, প্রাথমিক শিক্ষকের প্যানেল বাতিলের হুঁশিয়ারি বিচারপতির

    আর এরপরে আদালতে জানানোর পরেই কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) থেকে বলা হয়, কোভিডের বাহানা দেওয়া যাবে না। করোনার সময়েও প্রচুর কাজ হয়েছে। ২০২০ সালে ৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত চিঠি পড়েছিল। বিচারপতি প্রশ্ন করেছেন, “কোর্ট নির্দেশ দিল, তারপরে এতদিনে চিঠি পাওয়া গেল?”

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে শিক্ষা দফতরের একশ্রেণির কর্মীরা

    বিচারপতি (Calcutta High Court) প্রশ্ন করেন, “যাঁরা নিজেদের দায়িত্বের কাজটুকুও করেন না। অনুভূতিহীন নিজের কাজে। এই ধরনের সরকারি কর্মীদের কেন বেতন কমিশন মেনে বেতন, ডিএ দেওয়া হবে? এদের বেতনবৃদ্ধি সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার পক্ষপাতী নয় আদালত।”

    ভিজিল্যান্স গঠন হাইকোর্টের

    ফলে সরকারি অফিসারদের ‘বাবুগিরি’ খুঁজতে ভিজিল্যান্স গঠনের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ভিজিল্যান্স কমিশনার প্রদীপ কুমার ব্যাসকে এই বিষয়ে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিলেন তিনি। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে গোটা বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। 

  • Suvendu Adhikari: “কোন মতলব নিয়ে এই মামলা?” নিয়োগ দুর্নীতিতে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: “কোন মতলব নিয়ে এই মামলা?” নিয়োগ দুর্নীতিতে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে এবারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নাম টানা হল। তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ টেনে মামলা করা হয়। তবে এই মামলাকে ভিত্তিহীন বলে সরাসরি খারিজ করে দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে জেলে রয়েছেন একাধিক মন্ত্রী-নেতা। তবে শুধুমাত্র নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নয়, আরও এমন মামলায় যেমন- গরু পাচার মামলা, কয়লা পাচার ইত্যাদিতে নাম উঠে এসেছে শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের। আর এসব নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু দুর্নীতিতে তাঁর নামই টেনে আনা হল। তবে বিচারপতির মামলা খারিজে স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কী মামলা আনা হয়েছিল?

    অভিযোগ ওঠে, ২০০৯ সাল অর্থাৎ বাম আমলে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল, তার পরীক্ষা হয় ২০১২ সালে, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর। সেই সময় নিয়োগ বোর্ডে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন বলে সম্প্রতি দাবি করেছেন কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা। তিনি দাবি করেন, সেই সময় কীভাবে চাকরি হয়েছে, তা তিনি খুব ভাল করেই জানেন। শিউলির সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই একটি মামলা হয় হাইকোর্টে। শুক্রবার ছিল সেই মামলার শুনানি। আর এদিন সেই মামলায় কোনও প্রমাণ না থাকায় সরাসরি খারিজ করে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: এবার ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দুকে সভা করার অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    বিচারপতি কী বললেন?

    এই মামলার শুনানিতে প্রথমেই বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মামলাকারীর আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি প্রশ্ন করেন, “তৃতীয় ব্যক্তির করা দাবির ভিত্তিতে এই মামলার ভিত্তি কী? কেউ যদি বঞ্চিত হয়েছেন বলে মনে করেন, তবে তিনি আদালতে এলেন না কেন? ভিডিও দেখে হঠাৎ মনে হয়েছে বিচার চাই? কোন মতলব নিয়ে এই মামলা?”

    এরপরেই মামলাকারীর আইনজীবী বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুরের পরিস্থিতি মামলা করার মত ছিল না। তাই মামলা করতে দেরি হয়েছে।”

    এই যুক্তি না শুনে বিচারপতি ফের প্রশ্ন করেন, “প্রার্থীরা ২০০৯ সাল থেকে বঞ্চিত। এতদিনে শিউলি সাহার ভিডিও পাওয়া গেল বলে অভিযোগ করতে এলেন কেন?” ১৩ বছর পর কেন মামলা দায়ের হল? এত দিন কেন হাইকোর্টে আসেননি চাকরিপ্রার্থীরা?

    তাই বিচারপতির দাবি, যেখানে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের কোনও অভিযোগ নেই, সেখানে ১৩ বছর পরে একটা ভিডিও নিয়ে এসে এভাবে অভিযোগ করা যায় না। ফলে এতে কোনও প্রমাণ না থাকায় ভিত্তিহীন বলেই মামলা খারিজ করেন তিনি।

  • Justice Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর ভূমিকায় ফের ‘অসন্তুষ্ট’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর ভূমিকায় ফের ‘অসন্তুষ্ট’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর কাজ নিয়ে ফের অসন্তোষ প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সুপ্রিম কোর্টে সিবিআইয়ের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকায় তিনি প্রশ্ন করেছেন যে, ‘সুপ্রিম কোর্টে মানিক ভট্টাচার্যের মামলায় সিবিআইয়ের আইনজীবী অনুপস্থিত কেন?’ বুধবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইয়ের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এই মামলাগুলো সিবিআইয়ের বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। আইনজীবীর অনুপস্থিতি সন্তোষজনক পরিস্থিতি নয়।”

    সিবিআই-এর কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট নন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    গত ১৮ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের মামলার শুনানি ছিল। সেই মামলার শুনানির সময়ে হাজির ছিলেন না সিবিআইয়ের আইনজীবী। শীর্ষ আদালতের নির্দেশনামায় সিবিআইয়ের আইনজীবীর অনুপস্থিতির কথা নথিবদ্ধ রয়েছে। বুধবার তা দেখেই অসন্তুষ্ট হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। এতেই সিবিআইকে ভর্ৎসনা করেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    এর পরেই আইজীবীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করেন বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly)। আর এর উত্তরে সিবিআই-এর তরফে জানানো হয়, ওই দিন আদালতে ২৬ পাতার রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। যদিও পরে বিচারপতি এও বলেন যে, সেই রিপোর্টেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। রিপোর্ট অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে এদিন এই রিপোর্ট নিয়েও বিচারপতি সিবিআই-কে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে ৬ ডিসেম্বর।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিক টেটে সুযোগ পাবেন উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাও, জানাল হাইকোর্ট

    এরপরে বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly) কটাক্ষের সুরে সিবিআই-কে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন যে, এই মামলাগুলি হাইকোর্টের সিঙ্গল, ডিভিশন বেঞ্চ পেরিয়ে শীর্ষ আদালতে গিয়েছে। তাছাড়া রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়টি এখনও বিচারাধীন। কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে তদন্ত হচ্ছে। এই বিষয়গুলির কথা মাথায় রেখে বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly) বলেছেন, এই মামলাগুলির একটা অন্য গুরুত্ব আছে। সেই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সিবিআই-এর।

    এই প্রথম নয়, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে সিবিআইয়ের ভূমিকায় বারবার প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। এমনকি নিজের তৈরি করা সিট ভেঙে নতুন সিট গঠন করেছেন তিনি। বদলে দিয়েছিলেন সিটের প্রধানকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Recruitment Scam: ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ এখনই নয়, কেন বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    Recruitment Scam: ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ এখনই নয়, কেন বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় মাত্র ২৪ ঘণ্টা। এর মধ্যেই নবম-দশমে ভুয়ো শিক্ষকদের (Recruitment Scam) তালিকা প্রকাশ করতে হবে। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তাঁর নির্দেশ, বৃহস্পতিবারের মধ্যে অবৈধ উপায়ে সুপারিশপত্র নিয়েছেন এমন ১৮৩ জনের তালিকা প্রকাশ করতে হবে এসএসসিকে (SSC)। তাঁদের নাম স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ১৮৩ জনের মধ্যে কতজন চাকরি পেয়েছিলেন, তা জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এদিনই পরে অবৈধ নিয়োগ সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় শুনানির সময় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, বৃহস্পতিবারই প্রকাশ করতে হবে না অবৈধদের তালিকা। প্রসঙ্গত, ভুয়ো নিয়োগ বাতিল করতে হবে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিবিআই এবং এসএসসিকে যৌথভাবে সেই সব বেআইনি নিয়োগ খুঁজে বের করতে বলা হয়েছিল।

    বেআইনি নিয়োগ…

    বেআইনি নিয়োগের (Recruitment Scam) কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। তবে তার পরেও তারা কেন সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দুর্নীতি রোধ করার পরিবর্তে হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চাইতে সুপ্রিমকোর্টে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। এটা আশ্চর্যজনক। অথচ তাদের উচিত ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে এগিয়ে এসে আদালতকে সাহায্য করা।

    এদিন স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানতে চান, ২০১৬ সালের এই ১৮৩ জনের বেআইনি সুপারিশ খুঁজে পাওয়ার পরেও তা বাতিলের জন্য কোনও পদক্ষেপ করা হয়েছে কিনা? আর কী কী বেআইনি কাজ খুঁজে পেয়েছে কমিশন? ২০১৬ সালে নবম-দশমে নিয়োগের তালিকায় রয়েছে প্রায় ১৩ হাজারের নাম। নবম-দশমে নিয়োগের মেধা তালিকায় নীচে থাকা প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

    আরও পড়ুন: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    এদিন আদালতে এসএসসির আইনজীবী জানান, মূলত র‌্যাঙ্ক জাম্প করে সুপারিশের তথ্য খুঁজে পেয়েছে কমিশন। তালিকায় নীচের দিকে থাকা চাকরি প্রার্থীদের আগে নিয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ের নিয়োগের ক্ষেত্রেও এমনই অভিযোগ উঠেছিল।
    এদিকে, এদিনই অবৈধ নিয়োগ (Recruitment Scam) সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় শুনানির সময় সিবিআই জানায়, ১৮৩ নয়, ভুয়ো সুপারিশ দেওয়া হয়েছে ৯৫২ জনকে। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, বৃহস্পতিবার মামলাগুলির বিস্তারিত শুনানি হবে। সেই শুনানির পরেই তিনি পরবর্তী নির্দেশ দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই- এর কিছু সদস্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই- এর কিছু সদস্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Corruption Case) সিবিআই-এর (CBI) কিছু সদস্যের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। সিটের কয়েকজন আধিকারিক ঠিকমতো কাজ করছেন না, এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রয়োজনে তাঁদের বদলে নতুন দলও গঠন করা হতে পারে বলেও জানান বিচারপতি। আজ সোমবার আড়াইটায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি হওয়ার কথা। সিবিআই এদিন তদন্তে অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেবে বিচারপতির কাছে। মনে করা হচ্ছে এই রিপোর্টে উঠে আসতে পারে একাধিক হেভি ওয়েটের নাম। আর এই শুনানির আগেই এমন মন্তব্য করলেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়।

    যদিও এই প্রথম নয়। এর আগেও সিবিআই- এর তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ভরা এজলাসে সিবিআই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েওছেন আধিকারিকদের। এর আগেই একদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আসল অপরাধী কে তা সবাই জানেন, কিন্তু আমার জীবদ্দশায় তিনি গ্রেফতার হবেন কিনা, তা জানা নেই।” বিচারপতির এমন মন্তব্যের পরই উত্তাল হয় রাজ্যরাজনীতি।  এর মাঝেই গত শুক্রবার হাইকোর্টের একটি শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রশ্ন করেন, “প্রাথমিকে যাঁরা জেলে গিয়েছেন, তাঁরা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ কি এর পিছনে আছেন? তদন্তের অভিমুখ কি অন্য কারও দিকে যাচ্ছে?” 

    আরও পড়ুন: ঝালদা পুরসভার আস্থা ভোটে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, আজও এই মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিতে পারেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যারা ঘুষ দিয়ে চাকরিতে ঢুকেছেন, তাঁদের একটা বড় সুযোগ ইতিমধ্যেই দিয়েছেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর  বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়ে বলেন, যাঁরা বেনিয়মে চাকরি পেয়েছিলেন, ৭ নভেম্বরের মধ্যে তাঁরা চিঠি লিখে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করলে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। যাঁরা বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা ৭ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসিতে চিঠি পাঠাবেন। ৯ নভেম্বরের মধ্যে চাকরি ছাড়বেন। এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। যদিও জানা গিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত কেউ স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়েননি।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     
  • TET Scam: বয়স পেরিয়ে গেলেও চাকরি দিতে হবে! টেট নিয়োগ নিয়ে পর্ষদকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    TET Scam: বয়স পেরিয়ে গেলেও চাকরি দিতে হবে! টেট নিয়োগ নিয়ে পর্ষদকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট (Primary TET) নিয়োগ দুর্নীতির শিকার চাকরি প্রার্থীদের বয়স পেরিয়ে গেলেও ইন্টারভিউ নিতে হবে। পর্ষদের ভুলের খেসারত পর্ষদকেই দিতে হবে। এর দায় চাকরিপ্রার্থীদের নয়। সোমবার একথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। এই নির্দেশ দিতে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে ভর্ৎসনাও করেছেন তিনি। বিচারপতি বলেন, ‘‘প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দুর্নীতি ও অসদাচরণের জন্য বিখ্যাত। কয়েক জনের অপদার্থতায় যোগ্যরা সুযোগ পায় না।’’

    আরও পড়ুন : পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় টেটের ছয় নম্বর প্রশ্ন ভুল মামলায় বয়স পেরিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তির নতুন করে ইন্টারভিউ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলাকারী নেফাউর শেখ ২০১৪ সালে পরীক্ষা দেন। ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায়। কিন্তু তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরে তিনি ছয় নম্বর প্রশ্ন ভুল ছিল বলে মামলা করেন। এরপর বোর্ড ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে জানায় তিনি ছয় নম্বর পেয়েছেন। কিন্তু ততদিনে নেফাউরের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। এরপর বোর্ডের ভুলে তাঁর নিয়োগ থমকে যাওয়ার অভিযোগ তুলে ফের মামলা করেন নেফাউর। সোমবার সেই মামলারই রায় দিলেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের

    এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ভুল প্রশ্ন থেকে পাওয়া নম্বরে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও যাঁরা বয়স পেরিয়ে যাওয়ায় ইন্টারভিউয়ে বসতে পারেননি, তাঁদের অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করতে হবে।’’ দরকারে উত্তীর্ণ অথচ বয়স পেরিয়ে যাওয়া এই প্রার্থীদের জন্য পর্ষদকে ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করতে হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর নির্দেশ, ২০১৬’র গাইডলাইন অনুযায়ী চার সপ্তাহের মধ্যে ইন্টারভিউ নিতে হবে। তাতে উত্তীর্ণ হলে চাকরি দিতে হবে নেফাউরকে। বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, তাঁকে প্রশিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী হিসেবে ধরা হবে। বোর্ডকে রিপোর্ট জমা করার জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির কথায় নিয়োগ সমস্যা যখন হয়েছে পর্ষদের ভুলে তখন তা শুধরে নেওয়ার দায়িত্বও পর্ষদেরই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Justice Abhijit Ganguly: প্রথম ৫ বছরের মধ্যেই ৩ বার বদলি শিক্ষিকার! সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বিচারপতির

    Justice Abhijit Ganguly: প্রথম ৫ বছরের মধ্যেই ৩ বার বদলি শিক্ষিকার! সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার (Kolkata) পর এবার জলপাইগুড়িতে হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) সার্কিট বেঞ্চে গিয়ে শিক্ষক বদলি মামলায় (Teachers Transfer Case) সিবিআই তদন্তের (CBI probe) নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। শিক্ষিকার ঘন ঘন বদলির ঘটনায় সিবিআই  তদন্তের নির্দেশ দিলেন তিনি। 

    ঠিক কী ঘটনায় এই নির্দেশ?

    শান্তা মণ্ডল নামে ওই শিক্ষিকা ২০১৬ সালে শিলিগুড়ি শ্রীগুরু বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষিকা হিসাবে যোগ দেন। ২০১৯ সালে ৩ বছরের মধ্যে তিনি প্রধান শিক্ষিকা হওয়ার জন্য পরীক্ষা দেন। উত্তীর্ণ হয়ে আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হিসাবে যোগদান করেন তিনি। স্কুলে যোগ দেওয়ার এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে শান্তা আবার বদলির জন্য রাজ্যের শিক্ষা দফতরে আবেদন করেন। 

    আবেদন মঞ্জুর করে মধ্যশিক্ষা পর্যদ তাঁকে শিলিগুড়ির অমিয় পালচৌধুরী স্মৃতি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে বদলি করে শিক্ষা দফতর। কিন্তু সেখানে যোগদান করতে অস্বীকার করেন তিনি। ফের বিশেষ কারণে বদলির আবেদন করেন শান্তাদেবী। এবারও তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। এবার তাঁকে তাঁর পুরনো স্কুল শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরে বদলির নির্দেশ দেয় শিক্ষা দফতর।

    আরও পড়ুন: এসএসসি শিক্ষকদের বদলির নিয়ম ‘বদলের’ নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের!
     
    বদলি প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শিলিগুড়ি শ্রীগুরু বিদ্যামন্দির হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রসুনসুন্দর তরফদার। সেই মামলার শুনানিতে তিন সপ্তাহ আগে শান্তাদেবীকে অস্থায়ীভাবে শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিতে বলে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার মামলাটি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) সার্কিট বেঞ্চে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ওঠে।

    মামলার সওয়াল-জবাব চলাকালীন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওই শিক্ষিকাকে ‘বড়ই প্রভাবশালী’ বলে মন্তব্য করেন। শুধু তাই নয়, বিচারপতি তাঁকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তুলনা করেন। অর্পিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার কোনও যোগাযোগ রয়েছে কিনা তাও জানতে চান বিচারপতি।

    শুনানিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘শিক্ষা দফতরের (Education Department) আইন অনুসারে ৫ বছরের আগে বদলির আবেদন করা যায় না। তাহলে কী করে ১ বছরের মধ্যে বীরপাড়া স্কুল থেকে বদলির আবেদন করলেন শান্তা মণ্ডল? আর সেই আবেদন গৃহীতই বা হল কেন?’ এর পিছনে বড়সড় কোনও প্রভাব রয়েছে বলে উল্লেখ করে বিচারপতি এই বদলির রহস্য উন্মোচনের দায়িত্ব সিবিআইকে (CBI) দেন।

    আরও পড়ুন: এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    একইসঙ্গে, শান্তা মণ্ডলকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে যাতে ওই স্কুলে যোগ দিতে কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য আদালতের নির্দেশ সংক্রান্ত সমস্ত কাগজ এদিনই ওই শিক্ষিকার হাতে তুলে দিতে বিচারপতি শান্তার আইনজীবীকে নির্দেশ দেন। ওই শিক্ষিকা যদি শুক্রবার বীরপাড়ার স্কুলটিতে কাজে যোগ না দেন তবে তা তাঁর ‘ব্রেক অফ সার্ভিস’ হবে বলে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন।

    রাজ্যে এক ডজন মামলায় ইতিমধ্যেই তদন্ত করছে সিবিআই। এবার শিক্ষক বদলিতে দুর্নীতির (Teacher Transfer Scam) আঁচ পেয়ে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে (Circuit Bench Jalpaiguri) বসে তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পর মামলাকারী প্রসূনসুন্দর তরফদারের প্রতিক্রিয়া, ‘সত্যের জয় হল। ন্যায় বিচার পেলাম।’

  • SSC Scam Case: শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    SSC Scam Case: শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসির (Ssc) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে নেমে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Patha Chatterjee) এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) গ্রেফতারও করেছে ইডি (ED)। এমনই আবহে ফের প্রকাশ্যে এল আরও একটি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, অনিয়ম হয়েছে এসএসসির নবম দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও। এ ক্ষেত্রেও মেধা তালিকার বাইরের অনেকের চাকরি হয়েছে। অভিযোগ শোনার পর বৃহস্পতিবার ফের নতুন করে মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার রয়েছে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন : শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    হাইকোর্ট সূত্রে খবর, ১৪ জুলাই নবম দশম শ্রেণির পরীক্ষার মেধা তালিকা প্রকাশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন কয়েকজন চাকরি প্রার্থী। অভিযোগ, এই মেধা তালিকা প্রকাশের সময় সংরক্ষণের নিয়ম মানা হয়নি। মেধা তালিকায় নাম নেই অথচ চাকরি পেয়েছেন, এমনও হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের এও দাবি, মেধাতালিকায় ‘হাইজাম্প’ করেও চাকরি পেয়েছেন অনেকেই। এই ঘটনার জেরে এসএসসিকাণ্ডে বিড়ম্বনা আরও বাড়তে পারে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের। ওই দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই ইডি গ্রেফতার করেছে তাঁদের। সেই মামলার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের নয়া মামলা। এবং সেই এসএসসিকাণ্ডে।

    আরও পড়ুন : এসএসসি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত

    এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দফায় দফায় প্রায় চোদ্দ ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা নদিয়ার পলাশিপাড়ার বিধায়ক তৃণমূলের মানিক ভট্টাচার্যকে। টেট দু্র্নীতিকাণ্ডে তাঁকে জেরা করছে ইডি। বুধবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। সেই মতো এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। ছাড়া পান রাত ১২টা নাগাদ। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তাঁকে ফের জেরা করা হবে বলেও ইডি সূত্রের খবর।

     

  • SSC Recruitment Scam: নথি নষ্টের আশঙ্কায় “সিল” এসএসসি দফতর, নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, মধ্যরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Recruitment Scam: নথি নষ্টের আশঙ্কায় “সিল” এসএসসি দফতর, নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, মধ্যরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন! মধ্যরাতে হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে “সিল” করে দেওয়া হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service commission) দফতর। গোটা ভবন মুড়ে ফেলা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC frecruitment scam) নাটকীয় মোড় নিল বুধবার মধ্যরাতে।

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Teachers Recruitment scam) মামলায় সাড়ে তিন ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব সেরে বুধবার রাত ৯টা নাগাদ নিজাম প্যালেস থেকে বের হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তার মধ্যেই, আচমকা এসএসসি (SSC) চেয়ারম্যান পদে রদবদল ঘটে। হঠাৎই চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন সিদ্ধার্থ মজুমদার। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৪ মাসের মধ্যেই। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এসএসসি-র চেয়ারম্যান হিসেবে আইএএস অফিসার শুভ্র চক্রবর্তীকে নিয়োগ করে রাজ্য সরকার।

    এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের আশঙ্কা এই পরিস্থিতির মাঝেই গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলা হতে পারে। আদালতের কাছে তাঁদের আর্জি অবিলম্বে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং এসএসসির দফতরে সিআরপিএফ মোতায়েন করা হোক। চাকরিপ্রার্থীদের এই আবেদনে সাড়া দিয়ে এ দিন রাতারাতি রাত সাড়ে দশটায় বেনজিরভাবে হাইকোর্টে শুরু হয় শুনানি।

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে শুনানি শুরু হয়। নিজের চেম্বার থেকেই মামলা শোনেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। মামলাকারীরা জানান, কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার ইস্তফা দিয়েছেন। যিনি মঙ্গলবারই রাজ্যের শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার চাকরি ‘দুর্নীতিতে’ নম্বর জানিয়েছেন। অধ্যাপক মজুমদার ইস্তফা দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    অবিলম্বে সিআরপিএফ মোতায়েন করে নথি সংরক্ষণের আবেদন করেন এসএসসির (SSC) চাকরিপ্রার্থীরা। ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনানিতে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেন, কমিশনের হাতে থাকা হার্ড ডিস্ক-সহ নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় নথি সংরক্ষণ করা হোক।  পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য বা তাঁদের লোকজন নথি নষ্ট করতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত।

    এরপরই প্রায় মধ্যরাতে বিশেষ নির্দেশ দেয় আদালত। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ শুনে একের পর এক কড়া নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলেন, বুধবার রাত সাড়ে বারোটা থেকে CRPF’এর নিরাপত্তায় মোড়া থাকবে SSC সদর দফতর আচার্য সদন। বৃহস্পতিবার দুপুর একটা অবধি কোনও সরকারি আধিকারিক, কোনও কর্মী এসএসসি-র অফিসে ঢুকতে পারবেন না কেউ। চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পর থেকে কে বা কারা দফতরে ঢুকেছে তার সিসি ফুটেজ কাল বেলা ১২টার মধ্যে পেশের নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট। 

    সূত্রের খবর, হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর বিচারপতির চেম্বার থেকেই সিআরপিএফের (CRPF) অফিসে ফোন করা হয়। আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত কথা বলেন।

     

     

  • TMC Agitation at Calcutta HC: বেনজির বিক্ষোভের সাক্ষী হাইকোর্ট, এবার তৃণমূলের রোষে খোদ বিচারপতি

    TMC Agitation at Calcutta HC: বেনজির বিক্ষোভের সাক্ষী হাইকোর্ট, এবার তৃণমূলের রোষে খোদ বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বর্তমান শাসক শিবিরের রোষের মুখে বারবার পড়তে হয়েছে বিরোধী দলগুলিকে। এটা নতুন কিছু নয়। বিরোধিতা করায় অনেক শিল্পী থেকে বুদ্ধিজীবীকেও হুমকি-হুঁশিয়ারি সহ্য করতে হয়েছে। এমনকী, অপ্রিয় সত্য খবর লেখার জন্য রাজ্য সরকারের শ্যেনদৃষ্টির সামনা-সামনি হতে হয়েছে ও হতে হচ্ছে সংবাদমাধ্যমকেও। 

    কিন্তু, ১৩ এপ্রিল এই সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল তৃণমূলের ‘দাদাগিরি’।  এবার রাজ্যের শাসক শিবিরের রক্তচক্ষুর সামনে খোদ বিচারপতি! বলা ভাল, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যা ঘিরে বেনজির দৃষ্টান্তের সাক্ষী থাকল কলকাতা হাইকোর্ট। 

    কিন্তু, কেন হঠাৎ এই বিচারপতিকে টার্গেট করা শুরু করল তৃণমূল? বিচারপতি আবার কী ‘দোষ’ করলেন? আসলে এই যে রাজ্যে একের পর এক মামলা বা ঘটনার তদন্তভার পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে তুলে দেওয়া হচ্ছে সিবিআইয়ের হাতে, এটাই ঘটনার মূল কারণ। 

    ভাদু শেখ থেকে বহটুই, তপন কান্দু থেকে হাঁসখালি — গত দশ দিনের মধ্য়ে রাজ্য পুলিশের অধীনে থাকা পাঁচটি মামলা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে উচ্চ আদালত। আর সবকটিই নির্দেশই দিয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। বলা বাহুল্য, এতে রাজ্য সরকারের মুখ  যারপরনাই পুড়েছে। হাইকোর্টের এই নির্দেশে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, রাজ্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার ওপর আদালতের একেবারেই ভরসা নেই। 

    এই সব মামলার নির্দেশের ফলে, তৃণমূল যে চরম অস্বস্তিতে পড়েছিল, তা প্রমাণিত। এর ওপর তাতে ঘৃতাহুতি পড়ে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের উদ্দেশ্যে দেওয়া অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টান্ত-স্থাপনকারী নির্দেশ। 

    কিছুদিন আগে, গরু ও কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তের স্বার্থে তৃণমূলের দাপুটে নেতা তথা বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। হাজিরার দিন, সিবিআই দফতর না পৌঁছে অনুব্রত সটান গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএম হাসপাতালে।

    এমন ঘটনা যে প্রথম তেমনটা নয়। অতীতেও দেখা গিয়েছে সিবিআই তলব করতেই, তৃণমূলের একাধিক নেতা অসুস্থ হয়ে গিয়ে এই এসএসকেএমের দ্বারস্থ হয়েছেন। অনুব্রতর ক্ষেত্রেও অন্যথা হয়নি। আদালত তা নজরে রেখেছিল।

    এদিকে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি এবং নবম-দশম শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সেই প্রেক্ষিতে পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানোর জন্য উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই প্রক্ষিতেই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ জানায়, হাজিরা দিতে হবে পার্থকে। এমনকী, তিনি এসএসকেএমে ভর্তিও হতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    এই নির্দেশের ফলেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তৃণমূলের রোষে পড়েন। যার নিটফল হল হাইকোর্টে তৃণমূলপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ-প্রদর্শন। যাঁদের মূল দাবি, বিচারপতি পরপর একপেশে নির্দেশ দিচ্ছেন। সেই জন্য অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের বেঞ্চ বয়কটের দাবি তোলেন তাঁরা। 

    তবে, রোষের মুখেও অবিচল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, দুর্নীতি দেখলে চুপ থাকতে পারবেন না। এজলাসে বিক্ষোভকারীদের তিনি কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করেন। বিক্ষোভকারী তৃণমূলপন্থী আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আপনার হয়তো রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। কিন্তু দুর্নীতি দেখলে আদালত চুপ থাকবে না। যে দুর্নীতি করবে, সে যে রাজনৈতিক দলের হোক না কেন ছেড়ে দেওয়া হবে না।” 

    প্রবল বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েও নিজের সিদ্ধান্তে অটল এই দৃঢ়চেতা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “আমার মাথায় বন্দুক ধরতে পারেন। মরতে রাজি। কিন্তু দুর্নীতি দেখে চুপ থাকবে না আদালত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে!” 

    সাম্প্রতিককালে, রাজ্যে ঘটে যাওয়া একের পর এক ঘটনাপ্রবাহে তৃণমূলের পায়ের তলার জমি ক্রমশ সরে যাচ্ছে। তা রাজ্যের শাসক দল ভালই টের পাচ্ছে। ফলস্বরূপ, দলের মধ্য়েও শুরু হয়েছে কোন্দল, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এমনকী, খোদ দলের সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গলাতে শোনা গিয়েছে একাধিক হঠকারী ও বিতর্কিত মন্তব্য। 

    তার ওপর আদালতের পরের পর নির্দেশে প্রবল সমালোচনার মুখে রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অতএব, এসব বিষয়টিকে মাথায় রেখেই তৃণমূলের লক্ষ্য এখন সমস্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে কব্জা করা। সেটা না করতে পেরে নৈরাশ্যের চরম উদাহরণ তুলে ধরছে রাজ্যের শাসক দল।

LinkedIn
Share