Tag: justice amrita sinha

justice amrita sinha

  • Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসিতে ২৬ হাজারের চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছেই। এরই মাঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High court) প্রশ্ন উঠল, প্রাথমিকের ৪২ হাজার পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। মঙ্গলবারই হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) ওই ৪২ হাজার চাকরির নিয়োগ প্যানেল দেখতে চান। এছাড়া, এ বিষয়ে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বিশেষ নির্দেশও দিয়েছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ওই নিয়োগ প্যানেল আদালতে জমা করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ৩০ জুলাই।

    নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী

    মঙ্গলবারে বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে শুনানির জন্য ওঠে ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল তার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৬ সালে। সে সময় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ৪২০০০ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু ২০১৬ সালের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল না। নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে। 

    বিচারপতির (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন

    মামলা চলাকালীন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) সিনহা জানতে চান, ‘‘ওই ৪২ হাজার নিয়োগের তালিকা কোথায়? কারা ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি পেয়েছিলেন?’’ জবাবে মামলাকারীর যুক্তি শোনার পর তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘প্যানেল মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও নিয়োগের তালিকা থাকা দরকার। কারা যোগ্য এবং কারা চাকরি পেলেন, তা প্যানেল থেকেই জানা সম্ভব।’’ এর পরেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘‘নিয়োগ যখন হয়েছে, প্যানেল তো থাকবেই। সেই প্যানেলই আদালত দেখতে চায়।’’ এখন দেখার আগামী ৩০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন বিচারপতি কী নির্দেশ দেন। তার আগে অবশ্য ২০১৪ সালের টেটের ৪২ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল আদালতে (Calcutta High court) জমা দিতে হবে পর্ষদকে।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justice Amrita Sinha: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    Justice Amrita Sinha: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইভ সম্প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে মন্ত্রী অরূপ রায়ের নামে অভিযোগ জানাতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন এরশাদ সুলতান ওরফে শাহিন। মন্ত্রী অরূপ রায় তথা শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে জলা জমি ভরাটের অভিযোগ এনে গ্রেফতার হওয়া হাওড়ার ওই যুবককে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (High Court) । বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) মুক্তির নির্দেশের পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকার চরম নিন্দা করেছেন।

    বিচারপতির প্রশ্ন (Justice Amrita Sinha)

    মুখ্যমন্ত্রীর লাইভ সম্প্রচার চলাকালীন কমেন্ট বক্সে এরশাদ সুলতান অরূপ রায় এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গর বিরুদ্ধে জলা জমি ভরাটের অভিযোগ এনেছিলেন। এরপরই ওই যুবককে গ্রেফতার করে শিবপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতারের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গিয়েছিল তাঁর পরিবার। এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন করেন, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কেউ কোনও অভিযোগ করলে বা ক্ষোভ জানালে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে? যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই অরূপ রায় কি অভিযোগ করেছেন? নাকি পুলিশ নিজে থেকে নাক গলাল? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। তিনি প্রশ্ন করেন, দুজনের মধ্যে গোলমাল হলে তৃতীয় ব্যক্তি অভিযোগ জানানোয় একজনকে পুলিশ এভাবে গ্রেফতার করে নিল? এটা কি আইন?

    গ্রেফতার প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে

    কোথা থেকে এবং কবে শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) । জবাবে রাজ্যের আইনজীবী জানান, প্রথমে তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি হাজির না হওয়ায় দুদিন পর তাঁকে ৩০ শে জুন বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি নির্দেশ দেন ৩০ জুন শিবপুর থানার সারাদিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। যদিও অভিযুক্তের পরিবারের পাল্টা অভিযোগ, শাহিন নোটিস পেয়ে থানায় গেলে তাঁকে প্রথমে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়। পরে জানানো হয় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গেই যুক্ত।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    হাওড়ার তৃণমূল নেতা সুশোভন চট্টোপাধ্যায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সুশোভন চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে অভিযোগ করেছিলাম। ওই ব্যক্তি যেভাবে মন্তব্য করেছিলেন তা মেনে নেওয়া যায় না। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা ভাস্কর রায় বলেন, “সরকার বা শাসকদলের বিরুদ্ধে কেউ কোনও কথা বললেই তাঁকে গ্রেফতার করা এ রাজ্যে রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    এখানে শাসকের আইন চলে। আইনের শাসন চলে না। এই রাজ্যে গণতন্ত্র নেই তা শাসক এবং তাঁদের দোসর পুলিশ বারংবার প্রমাণ করছে। হাইকোর্টে (High Court) বারংবার বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) এ রাজ্যের আইনি ব্যবস্থা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। সরকার বদল না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির বদল হবে না।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৭টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৭টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম থানায় (Nandigram police station) বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৪৭টি এফআইআরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। জানা গিয়েছে, তিন সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের সময় ওই বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও রকমের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না, এমন কথাই জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    কী বললেন বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহা? 

    এদিন এই সংক্রান্ত মামলাটির শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার পর্যবেক্ষণ, ‘‘এই মুহূর্তে তদন্তকারী সংস্থা বদল করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাছাড়া মনে করা হচ্ছে, সব মামলাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই করা হয়েছে।’’ বিচারপতি সিনহা প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, যে ৪৭টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে, সেখানে প্রত্যেকটি এফআইআর-এ মোটামুটি একই অভিযোগ আনা হয়েছে। এই এফআইআরগুলির আদৌ কোনও সারবত্তা রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিচারপতি সিনহা। তাই আপাতত তিন সপ্তাহের জন্য অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনওরকমের পদক্ষেপ পুলিশ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    ৩৫ দিনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম থানাতে (Nandigram police station) ৪৭টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল

    প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হতেই এবং ভোটপর্ব চলাকালীন ও তার পরবর্তীকালে ৩৫ দিনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম থানাতে ৪৭টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তা যে মিথ্যা মামলা তা বারে বারেই দাবি করে এসেছে গেরুয়া শিবির। মিথ্যা মামলায় তাঁদের কর্মীদের ফাঁসানো হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির সময় এমন পর্যবেক্ষণ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, এর আগে এই মামলার শুনানি ছিল গত ২৬ জুন সেদিনও বিচারপতি অমৃতা সিনহা পুলিশকে কোনও রকমের কড়া পদক্ষেপ না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিঃসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গত বছরের শেষ দিকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে ধর্নায় বসেছিলেন, ঠিক সেখানেই এবার ধর্নায় বসতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই ধর্নার অনুমতি চেয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গয়ালকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, ভোটের ফল প্রকাশের পর কর্মীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। এসব ইস্যু সামনে রেখেই আগামী ১৯ জুন থেকে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের নির্দেশ (Calcutta High Court) 

    এ প্রসঙ্গে, শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যপালের কাছে নতুন করে আবেদন জানাতে পারেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যপালের অনুমতি সাপেক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও নির্বাচন পরবর্তী অশান্তিতে ‘আক্রান্ত’ ব্যক্তিরা। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কতজন দেখা করতে যাবেন, সেটা পুলিশকে জানাতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতির নির্দেশ, যদি গাড়ি নিয়ে রাজ ভবনের (Raj Bhavan) ভেতরে যাওয়া হয়, তাহলে কতগুলি গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে, সেটাও জানাতে হবে পুলিশকে। 
    তবে শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষের আইনজীবী এদিন আদালতে জানিয়ে দেন, তাঁদের কোনও গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে না। সকলেই হেঁটে রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে রাজ্যের তরফে আবার সওয়াল করা হয়, যাঁরা রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন, তাঁদের শনাক্তকরণের কাজ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পক্ষ থেকে কোনও ব্যক্তিকে করতে হবে। রাজ্যের এই দাবিতে বিচারপতি সম্মতি দিলেও, তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, কারও পরিচয় নথিবদ্ধ করা যাবে না। কারণ, সেরকম হলে পরে আবার তাঁদের হেনস্থা করার আশঙ্কা থেকে যায় বলেই মনে করছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    আরও পড়ুন: ছাত্রীকে ‘কপালে তিলক’ ও ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! শোরগোল রঘুনাথগঞ্জে

    কেন এই ধর্নার সিদ্ধান্ত? 

    বিজেপি জানিয়েছে, এ বছর লোকসভা ভোটের ফলাফলে কিছুটা আশাহত দলের নিচুতলার কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতারা পাশে না থাকলে সংগঠন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই শুভেন্দু অধিকারীর এই ধর্নার উদ্যোগকে দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়ানোই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  নগরপালকে জানিয়েছেন, তিনি আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের নিয়েই ধর্নায় বসতে চান। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের (kolkata police) পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উত্তর মেলেনি।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এবং রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবিতে রাজভবনের সামনে টানা ধর্নায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে ওই একই স্থানে ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু অধিকারী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Leaps And Bounds Case: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    Leaps And Bounds Case: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কিছু আধিকারিকের মধ্যে তদন্তে গাফিলতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে।” বুধবার প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির আধিকারিকদের উদ্দেশে (Leaps And Bounds Case) একথা বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির আধিকারিকদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা।

    কী বললেন বিচারপতি? (Leaps And Bounds Case)

    তিনি বলেন, “আপনাদের কিছু আধিকারিককে সতর্ক হতে বলুন। আদালতের কাছেও বিভিন্ন তথ্য আসছে। বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই সেই তথ্যগুলি আসছে। কিছু আধিকারিকের মধ্যে তদন্তে গাফিলতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে। কী তদন্ত করা হবে, কী তদন্ত করা হবে না, তা নিয়ে বাছবিচার করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আদালতের নজরদারিতে তদন্ত চলছে। তাই আমার কাছেও কিন্তু খবর আসছে। চূড়ান্তভাবে সতর্ক থাকতে (Leaps And Bounds Case) বলুন আপনার অফিসারদের।”

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’

    এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র প্রসঙ্গ। বিচারপতি সিনহা বলেন, “লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের কী সম্পত্তি পাওয়া গিয়েছে সেটা আপনারা জানেন, কোর্টও জানে। সোর্স অফ মানি কী? কোথা থেকে আসছে সেই টাকা, সেটা জানা দরকার। যা তথ্য আপনাদের রিপোর্ট থেকে দেখেছি, সেখানে কোম্পানি কোনও অর্থ জেনারেট করেনি। অন্য কোনও জায়গা থেকে এসেছে সেই টাকা।” এদিন ইডির তরফে আদালতে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ১৪৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। সিবিআই বাজেয়াপ্ত করেছে ১৩ কোটি টাকার সম্পত্তি। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার মোট সাড়ে ৭ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় ইডির তরফে।

    আর পড়ুন: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, কুয়েতের বহুতলে জীবন্ত দগ্ধ ৪০ ভারতীয়

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই এবং ইডি। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করার পর কেন তদন্ত এগোচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। এই মামলায় গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যকে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল আদালত। রাজ্য এখনও সেই রিপোর্ট জমা না দেওয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ জুলাই (Leaps And Bounds Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: বিচারপতি অমৃতা সিনহার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন! মামলা গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

    Calcutta High Court: বিচারপতি অমৃতা সিনহার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন! মামলা গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক নজিরবিহীন ঘটনা। এবার বিচারপতির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অমৃতা সিনহার (justice Amrita Sinha) এজলাসে দেওয়া মামলার বিচার শুরুর আগেই তাঁর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতার অভিযোগ তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল হাইকোর্টে। আগামী ১০ জুন গরমের ছুটির পরে হাইকোর্ট চালুর প্রথম দিন থেকেই বিচারপতি সিনহার পুলিশ সংক্রান্ত মামলার বিচার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই মামলা শুরুর আগেই দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court) 

    কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্ধারিত ‘রস্টার’ মোতাবেক গ্রীষ্মকালিন ছুটির পর পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা এবং অতি সক্রিয়তা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানির দায়িত্ব গিয়েছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার (justice Amrita Sinha) এজলাসে। কিন্তু, নজিরবিহীনভাবে তাঁর এজলাসে এই সংক্রান্ত কোনও মামলা যাওয়ার আগেই বিচারপতির নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-দুর্নীতি তদন্তে নয়া মোড়! জেলবন্দি পার্থর আরও সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি

    মামলাটিতে হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ 

    জানা গিয়েছে, কেন তাঁর এজলাসে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা কিংবা অতি সক্রিয়তার মামলার শুনানি হবে? এই প্রশ্ন তুলে অমৃতা সিনহার নিরপেক্ষতা নিয়ে দায়ের হয়েছে এই জনস্বার্থ মামলা। বৃহস্পতিবার গরমের ছুটির অবকাশকালীন বিচারপতি কৌশিক চন্দের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলাটির (Calcutta High Court) শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু, বিচারপতি অমৃতা সিনহার (justice Amrita Sinha) বিচার্য বিষয় বদলের আবেদন সংক্রান্ত এই জনস্বার্থ মামলাটির প্রেক্ষিতে কোনও হস্তক্ষেপ করেনি বিচারপতি কৌশিক চন্দের ডিভিশন বেঞ্চ। ইতিমধ্যেই মামলাটি ফেরত পাঠানো হয়েছে প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। উল্লেখ্য, বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে। আগামী ১০ জুন ফের শুরু হবে আদালত। এরপরেই প্রধান বিচারপতির দেওয়া রস্টার মোতাবেক মামলা শুনবেন অন্যান্য বিচারপতিরা। 
    প্রসঙ্গত, কোনও বিচারপতির রায় পছন্দ না হলে তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, এজলাসের সামনে ধর্না, এজলাস বয়কট, এমনকি, ওই এজলাস থেকে মামলা সরানোর জন্য প্রধান বিচারপতির এজলাসে আবেদন— সবই হয়েছে অতীতে। তবে কোনও বিচারপতির এজলাসে মামলা শুরুর আগেই তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: “রাজনীতি করবেন না”, বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: “রাজনীতি করবেন না”, বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট চলাকালীন সুপ্রিম (Supreme Court) দুয়ারে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী প্রতাপচন্দ্র দে-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে যে মামলা হয়েছিল, তা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলা খারিজ করে দিয়েছে। এর পাশাপাশি ওই মামলার শুনানিতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এফআইআর করতে রাজ্যকে নিষেধ করেছে শীর্ষ আদালত। 

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    একটি পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ওঠে বিচারপতি সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে। এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। পরে ওই অভিযোগের তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডি-কে। সিআইডি আধিকারিকরা আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে-কে ডেকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদও করেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। চিঠির ছত্রে ছত্রে সিআইডি-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে’র অভিযোগ ছিল, তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকা, দামী গাড়ি, বাড়ি-সহ আরও বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখানো হয়। তাঁকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি রাজ্যে, কলকাতা ছাড়া আরও আট জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

    ৬৪ বছরের এক বিধবা এবং তাঁর মেয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পরে অবশ্য এই মামলায় বাড়তি পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়েছিল তারা। তার পর ডিসেম্বরে এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আবার জানায়, পুলিশ আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে পারবে। শুক্রবার খারিজ হয়ে গেল সেই মামলাই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এফআইআর করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে আদালত। যদিও শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটিতে পুলিশের স্ট্যাটাস রিপোর্ট এবং চার্জশিট নিয়ে কোনও মন্তব্য করছে না তারা। এদিন মামলার শুনানি চলাকালীন, রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘এফআইআর দায়ের নিয়ে রাজনীতি করবেন না। চার্জশিট দাখিল হয়ে গিয়েছে, আইনকে আইনের পথে চলতে দিন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘গরিব মানুষ কি মরার জন্য জন্মেছেন?’’ বেআইনি নির্মাণ খালির নির্দেশ বিচারপতির

    Calcutta High Court: ‘‘গরিব মানুষ কি মরার জন্য জন্মেছেন?’’ বেআইনি নির্মাণ খালির নির্দেশ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণে ফের কড়া নির্দেশ দিতে দেখা গেল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে। বিধাননগরের একটি বেআইনি আবাসনে জল এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা অবিলম্বে বন্ধ করা নির্দেশ দেন বিচারপতি। সেইসঙ্গে সেখানকার বাসিন্দাদের আবাসন খালি করার জন্য ৩০ দিন সময় বেঁধে দেন তিনি। প্রসঙ্গত অভিযোগ, বিধাননগর পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি আবাসন বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়েছে। ওই নির্মাণ কাজ করার সময় পুরসভার কোনও রকমের অনুমতি নেওয়া হয়নি। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। বুধবারে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই নির্দেশ দেন। মামলার শুনানি চলার সময় বিচারপতি সিনহার মন্তব্য, ‘‘গরিব মানুষ কি মরার জন্য জন্মেছেন?’’

    ‘‘নির্মাণ যদি অবৈধভাবে শুরু হয় তবে তা ধুলোয় মিশিয়ে দিতেই হবে’’

    অন্যদিকে, এদিন পুরসভার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বুধবারের শুনানিতে দুই নির্মাণকারীর আইনজীবী স্বীকার করেন, ওই আবাসন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। অনুমতি ছাড়া কীভাবে পাঁচ তলা নির্মাণ সম্ভব হল? যদিও নির্মাণকারীদের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, পরবর্তীকালে অনুমতি নেওয়া হয়। এরপরেই নির্মাণকারীদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি অমৃতা সিনহা মন্তব্য করেন, ‘‘নির্মাণ যদি অবৈধভাবে শুরু হয় তবে তা ধুলোয় মিশিয়ে দিতেই হবে।’’ গার্ডেনরিচের দুর্ঘটনার পরে বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে আরও করা হতে হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি (Calcutta High Court)। এর পাশাপাশি নির্মাণকারীদের জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। ১২ এপ্রিলের মধ্যে ওই বাড়ির নির্মাতা ২ প্রোমোটারকে ১ কোটি টাকা জমা দিতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে।

    গরিব মানুষ কি মরার জন্য জন্মেছেন?

    হাইকোর্টে (Calcutta High Court) শুনানি চলার সময় উপস্থিত ছিলেন ওই বেআইনি নির্মাণেরই কয়েক জন বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে এক বাসিন্দা কোর্টকে জানান, ওই আবাসনের অধিকাংশ বাসিন্দাই গরিব। এখন তাঁরা কোথায় যাবেন? এটা শুনে বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘খুব গরিব লোকেদের মরে যাওয়া উচিত? এটাই বলতে চান? তাঁরা কোথায় যাবেন মানে? তাঁদের উচিত ছিল বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না তা যাচাই করে ওই আবাসনে বিনিয়োগ করা। আগে নিজের জীবন বাঁচান, যদি এই বাড়ি ভেঙে পড়ে তবে কী হবে? গরিব মানুষ কি মরার জন্য জন্মেছেন? জীবনের মূল্য অনেক বেশি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়া! ট্রাফিক পুলিশকে তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়া! ট্রাফিক পুলিশকে তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল কলকাতার এক ট্রাফিক গার্ডের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম পলাশ দাস। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এক আইনজীবীর কাছ থেকে তিনি টাকা নেন বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনাতেই অভিযুক্ত ওই ট্রাফিক গার্ডকে হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিংহ। বৃহস্পতিবারই এমন নির্দেশ দেন অমৃতা সিংহ। তাঁর নির্দেশ, আগামী ২ এপ্রিল আদালতে হাজিরা দিতে হবে ট্রাফিক গার্ডকে।

    এক হাজার টাকা দাবি করা হয়

    অভিযোগ, গত মঙ্গলবারই দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে যাচ্ছিলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আইনজীবী শুভ্রাংশু পান্ডা। অভিযোগ, সেসময়ই তাঁর কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন ট্রাফিক গার্ড পলাশ দাস। আইনজীবী টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করার হুমকি দেন ওই পলাশ দাস। আইনজীবী জানান, এ ভাবে টাকা নেওয়া যায় না। এ সংক্রান্ত দীপঙ্কর দত্ত বনাম রাজ্য সরকারের মামলার রায় ওই ট্রাফিক কর্মীকে দেখানো হয়।

    বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের নাম উল্লেখ

    প্রসঙ্গত, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি। আইনজীবীর অভিযোগ, ওই ট্রাফিক পুলিশকর্মী পাল্টা দাবি করেন, কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। আইন শেখানোর দরকার নেই। আইন ভাল করেই জানেন তিনি। তাঁর অনেক ক্ষমতা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি সমাদ্দার বর্তমানে সিকিম হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ বাগ্‌বিতণ্ডার পরে ওই পুলিশকর্মী আইনজীবীর লাইসেন্স জোর পূর্বক কেড়ে নেন বলে অভিযোগ।

    এমন কাণ্ড আগেও করেছেন ওই ট্রাফিক পুলিশ

    বৃহস্পতিবার ওই আইনজীবীর কাছে পুরো ঘটনা শুনে কার্যত বিস্মিত হন বিচারপতি সিংহ। তারপরেই তিনি ওই ট্রাফিক পুলিশকে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তবে এমনটা প্রথম নয়, শুভ্রাংশুর দাবি, এর আগেও বিচারপতি সমাদ্দারের নাম করে দেবোত্তম দাস নামের এক আইনজীবীর (Calcutta High Court) কাছ থেকে ওই পুলিশকর্মী ৫০০ টাকা নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কোম্পানি লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের আরও সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টে একই কথা জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। অপর দিকে প্রাথমিকে শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তদন্তের প্রক্রিয়ায় একদম সন্তুষ্ট নন তিনি। ফলে চাপ বাড়ল ইডি’র। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ মার্চ।

    হাইকোর্টে ইডির বক্তব্য (Abhishek Banerjee)

    আজ হাইকোর্টে ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি সম্পর্কে জানিয়ে বলেন, “আরও কিছু সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধও নিশ্চিত করার কাজ চলছে। এক অভিযুক্তের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। তা এলেই তদন্তের আরও অগ্রগতি ঘটবে।”

    কী বললেন বিচারপতি?

    বিচারপতি অমৃতা সিনহা এদিন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার (Abhishek Banerjee) দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তকারী অফিসারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “এভাবে সময় চলে গেলে প্রত্যেকে তদন্তের বাইরে চলে যাবে। তখন আর কিছু পাবেন না। এত দিনের সব পদক্ষেপ কাজে লাগবে না। আর কত দিন লাগবে?” উত্তরে আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, “প্রত্যেক পদক্ষেপে আমরা মামলায় জড়িয়ে পড়ছি। যে কোনও নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।” আবার বিচারপতি বলেন, “আপনারা কি মনে করছেন খুব সহজ? অপারাধ যত সামনে আসবে, এই ধরনের মামলার চাপ আরও বাড়বে।” আবার উত্তরে আইনজীবী বলেন, “আমরা সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করছি। আমাদের নখ, দাঁত বের করে লড়াই করছি। পরবর্তী শুনানির দিন আমরা বিস্তারিত রিপোর্ট দেব।”

    সিবিআই-এর মুখে ‘সোনার কেল্লা’

    তৃণমূল নেতাদের (Abhishek Banerjee) দুর্নীতি নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লার উদাহরণ টেনে আইনজীবী বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে বলেন, “এখানে আমার সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সোনার কেল্লার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেখানেও গোয়েন্দারা যখন সোনার কেল্লায় যাচ্ছেন, তখন তাঁদের কাঁটা বিছানো পথ পেরিয়ে যেতে হয়েছিল। তাঁরা (ফেলুদা) সত্য অনুসন্ধান করতে পেরেছিলেন। এখানে দুর্নীতির মামলায় আমরাও আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share