Tag: Justice rajasekhar Mantha

Justice rajasekhar Mantha

  • Suvendu Adhikari: ‘আদালতের অনুমতি ছাড়া চূড়ান্ত রিপোর্ট নয়’, শুভেন্দুর কনভয়কাণ্ডে হাইকোর্ট

    Suvendu Adhikari: ‘আদালতের অনুমতি ছাড়া চূড়ান্ত রিপোর্ট নয়’, শুভেন্দুর কনভয়কাণ্ডে হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কনভয়ের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। ওই মামলার শুনানিতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, আদালতের অনুমতি ছাড়া চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া যাবে না। শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআরপিএফ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। অন্তর্বর্তী নির্দেশে আদালত জানিয়েছে, রাজ্য তদন্ত চালাতে পারবে। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, মামলা বিচারাধীন, রাজ্য পুলিশ নোটিশ পাঠালেও তাতে সাড়া দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৩ জুন।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারি (Suvendu Adhikari)…

    পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের কাছে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারির (Suvendu Adhikari) কনভয়ের এক গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় শেখ ইস্রাফিল নামের বছর তেত্রিশের এক ব্যক্তির। পরে মৃতদেহ নিয়ে শুভেন্দুর বাড়ির সামনে মিছিল করে তৃণমূল। ওই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার। পরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দুর অভিযোগ, যে রুটে তাঁর কনভয় যাচ্ছে, সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে না রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুুন: ‘পদ্ম-বার্তা’ পৌঁছে দিতে পথে বিজেপি, যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা গেরুয়া শিবিরের

    সেদিন রাজ্যের তরফে আদালতে দাবি করা হয়, মাঝে মধ্যেই পাইলট কারকে অতিক্রম করে চলে যায় শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কনভয়। এই মামলার প্রেক্ষিতে ভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য কী ব্যবস্থার আয়োজন করা হয় তা বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। কীভাবে রুট লাইনিং করা হয়, কী বন্দোবস্ত থাকে, সে ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল আদালত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ নয় বলেও জানিয়ে দেন বিচারপতি মান্থা।

    আরও পড়ুুন: ‘কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই এনআইএ মেনে নিয়েছেন’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bishnupur Gang Rape: ১০ দিন পেরিয়েও বিষ্ণুপুর গনধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তরা অধরা, পুলিশকে ভর্ৎসনা আদালতের

    Bishnupur Gang Rape: ১০ দিন পেরিয়েও বিষ্ণুপুর গনধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তরা অধরা, পুলিশকে ভর্ৎসনা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্য পুলিশের অপদার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। বিষ্ণুপুর গনধর্ষণ (Bishnupur Gang Rape) মামলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর ১০ দিন কেটে গেছে। কিন্তু এখনও গ্রেফতার করা হয়নি অভিযুক্তদের। নেওয়া হয়নি নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি। কেন এই কাজগুলিতে এত দেরি করা হচ্ছে রাজ্য পুলিশকে সেই প্রশ্নই করেন বিচারপতি। পুলিশ কোনও সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। এরপরেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুর ৩টের মধ্যেই গোপন জবানবন্দি নেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে পুলিশকে।

    পুলিশের ভূমিকায় যন্ত্রণা পাচ্ছে আদালত (Bishnupur Gang Rape)? 

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার বাঁকরাহাট আউটপোস্টে এক মহিলা গণধর্ষণের (Bishnupur Gang Rape) অভিযোগ জানান। কিন্তু সেদিন তাঁর কোনও কথা শোনা হয়নি বলে পরবর্তীতে অভিযোগ জানায় ওই মহিলার পরিবার। এরপর এই ঘটনা হাইকোর্টে পৌঁছয়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল। কেন ১৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ নেওয়া হল না, পুলিশকে সেই প্রশ্ন করেন বিচারপতি মান্থা। 

    পুলিশের তরফে উত্তরে বলা হয়, সেদিন বাঁকরা আউটপোস্টে কোনও লেডি কনস্টেবল ছিল না। তাই এফআইআর নেওয়া যায়নি। যা শুনে বিচারপতি বলেন, “৩৭৬ ধারায় অভিযোগ। কিন্তু কোনও লেডি কনস্টেবল নেই? এর অর্থ কী? ১০ দিন হয়ে গেছে এখনও লেডি কনস্টেবল নেই।” 

    তারপরই বিচারপতি পুলিশকে ধমকে বলেন, “এটা কী চলছে? আপনারা পুরো সিস্টেমকে ভেঙে দিচ্ছেন।” বিচারপতি জানতে চান, ১০ দিন কেটে গেলেও নির্যাতিতার পরনের পোশাক বা মোবাইল কিছুই বাজেয়াপ্ত করা হয়নি কেন?

    বিচারপতি আরও বলেন, “পুলিশের এমন গা ছাড়া ব্যবহার দেখে যন্ত্রণা পাচ্ছে কোর্ট। এতদিনে কেন কোনও গ্রেফতার নেই?” এদিকে ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপারকে বিষ্ণুপুর থানা ও বাঁকরাহাট আউট পোস্টের এবং ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য সরকার ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করতে কেন্দ্রকে প্ররোচনা দিচ্ছে’, দাবি সুকান্তর

    বিচারপতি আরও বলেন, “নির্যাতিতাকে এফআইআর তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগামী শুনানির আগে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার (Bishnupur Gang Rape) করতে হবে। এছাড়াও তদন্তে আইওকে সাহায্য করার জন্য একজন সিনিয়র অফিসারকে নিয়োগ করতে হবে।” আজ থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্যাতিতার নিরাপত্তার দায়িত্ব দেন বিচারপতি মান্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যায় যোগ রয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির! কী বললেন বিচারপতি মান্থা?

    Recruitment Scam: লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যায় যোগ রয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির! কী বললেন বিচারপতি মান্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যা মামলায় উঠে এল নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ (Recruitment Scam)। গত বছর মুর্শিদাবাদের লালগোলায় এক চাকরিপ্রার্থী আত্মঘাতী হয়েছিলেন। তাঁর নাম আব্দুর রহমান। পরিবারের অভিযোগ ছিল, টাকা দিয়ে চাকরি না পাওয়ার কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন ওই তরুণ। সেই মামলায় সোমবার কড়া মন্তব্য করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এদিন বিচারপতি জানান, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে আব্দুর রহমানের আত্মহত্যার ঘটনার যোগ রয়েছে। অন্যদিকে এই মামলায় সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন বিচারপতি।

    কী ঘটেছে?

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। জানা যায়, গ্রুপ ডি পদে চাকরির জন্য ছয় লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন আব্দুর রহমান। কিন্তু, ঘুষের টাকা দিয়েও চাকরি না মেলায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। অবশেষে বছর ২৫-এর এই যুবক আত্মঘাতী হন। তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোটও। সেই ন’পাতার সুইসাইড নোটে দিবাকর কনুই- এর নাম উল্লেখ থাকলে তাঁকে দোষী হিসেবে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, সুইসাইড নোটে আত্মঘাতী ছাত্র লিখে গিয়েছেন, এই দিবাকরই তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবেন। দিবাকরকে ইতিমধ্যেই তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    বিচারপতি মান্থা কী বললেন?

    এদিন আদালতে শুনানি চলার সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Recruitment Scam) বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত করছে সিবিআই। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন, “লালগোলায় চাকরিপ্রার্থী আব্দুর রহমানের আত্মহত্যা নিয়োগ-দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। শুধু আত্মহত্যা নয়, আদালত নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত নিয়েও চিন্তিত। বৃহত্তর চক্রান্ত খুঁজে বের করার সুযোগ রয়েছে।” সূত্রের খবর, তিনি আরও বলেছেন, “এই মামলায় সিবিআইয়ের বক্তব্য শুনতে চায় আদালত। এখনও পর্যন্ত পুলিশি তদন্তে কোনও খামতি পাওয়া যায়নি।”

    এদিন আব্দুরের আত্মঘাতী হওয়ার মামলায় পুলিশি তদন্তের উপর আস্থা প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি মান্থা জানিয়েছেন, মৃত তরুণের পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও অবধি লালগোলা থানার পুলিশ যথাযথভাবেই তদন্ত করেছে। তবে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তভার যেহেতু সিবিআইয়ের হাতে রয়েছে, সেই কারণে ধৃত দিবাকরকে জেলে গিয়ে জেরা করা উচিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তিনি বলেন, “সিবিআই কেন জেলে গিয়ে দিবাকরকে জেরা করছে না? বৃহত্তর চক্রান্তের আশঙ্কা ওড়ানো যাচ্ছে না।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বুধবার। ফলে এখন এটাই বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়ে কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে সিবিআই (Recruitment Scam)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Justice Rajasekhar Mantha: সব থানায় সিসিটিভি সচল রাখতে ডিজিকে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি মান্থা

    Justice Rajasekhar Mantha: সব থানায় সিসিটিভি সচল রাখতে ডিজিকে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি মান্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরকে থানায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। বিরোধীরা বারবার দাবি করেছে যে তৃণমূলের অঙ্গুলিহেলনে পুলিশ তাদের কর্মীদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ কোনওভাবেই আটক ব্যক্তিকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন থানার মধ্যে করতে পারেনা। এই সুপ্রিম নির্দেশকে পুলিশ অগ্রাহ্য করে। তার কারণ থানায় নির্যাতনের কোন প্রমাণ সাধারণভাবে থাকে না। 

    ঠিক কী জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)

    থানায় কী হয় আর কী হয় না সে ব্যাপারে নজরদারি চালাতেই সব থানায় সিসিটিভি বসানোর কথা এর আগে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার রাজ্যের সব থানায় সিসিটিভি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা সেব্যাপারে জানতে চাইলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। এ বিষয়ে রাজ্য পুলিশের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি। বারবার অভিযোগ উঠেছে অনেক থানায় সিসিটিভি কাজ করেনা। গত ২০ ডিসেম্বর বিচারপতি মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha) ডিজি মনোজ মালব্যকে নির্দেশ দেন রাজ্যে সব থানায় সিসিটিভি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চলতি মাসের ১৩ তারিখে ডিজি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে এবং সেই রিপোর্টে রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন যে কিছু থানায় যদি সিসিটিভি খারাপ থাকে তবে তা বদলানোর কথা বলা হয়েছে।।

     এ বিষয়ে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha) জানান যে প্রতি সপ্তাহে পুলিশ সুপারদের কাছ থেকে ডিজিকেই রিপোর্ট নিতে হবে সিসিটিভি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না এটা দেখার জন্য। এদিন বিচারপতি ডিজিকে আরও বলেন কোথায় সিসিটিভি কাজ করছে না তা যাচাই করুন, এজন্য রাজ্য সিআইডি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। বিচারপতি মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha) আরও জানিয়েছেন কোনও থানার সিসিটিভি যদি কাজ না করে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বিচারপতি মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) আরও সংযোজন আগামীদিনে স্বরাষ্ট্র সচিবের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশকেও সজাগ থাকতে হবে যে সিসিটিভি কাজ করছে কিনা তা দেখার জন্য।  (Justice Rajasekhar Mantha)

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: তিনদিন পরেও অধরা পোস্টার কাণ্ডের দুষ্কৃতীরা, নগরপাল-স্বরাষ্ট্রসচিবকে তলব রাজভবনের

    Rajasekhar Mantha: তিনদিন পরেও অধরা পোস্টার কাণ্ডের দুষ্কৃতীরা, নগরপাল-স্বরাষ্ট্রসচিবকে তলব রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতির (Justice Rajasekhar Mantha) বাড়ির রাস্তায় পোস্টার মারা কাণ্ডের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও অধরা দুষ্কৃতিরা। লেক থানার পর হেয়ার স্ট্রিট থানাতেও মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশের হাতে এসেছে সিসিটিভি ফুটেজও। তাও কেন গ্রেফতার করা হল না দোষীদের? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। যদিও পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে দোষীদের খোঁজ চলছে।

    এরই মাঝে নগরপাল এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যপাল (Justice Rajasekhar Mantha) সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জরুরি তলবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়েছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা। সূত্রের খবর, কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বিরুদ্ধে বেনজির বিক্ষোভের জেরেই তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল। 

    গত সোমবার হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বিরুদ্ধে পোস্টার সাঁটানো ঘিরে উত্তপ্ত হয় আদালত চত্বর। সোমবার সকালে, দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্কে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বাড়ির চারদিকে এই সমস্ত পোস্টার দেখা যায়। কারা পোস্টার দিয়েছে, তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে, সে দিনই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি মান্থার এজলাসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীদের একাংশ। 

    এদিকে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বাড়ির আশপাশে পোস্টার লাগানোর ঘটনায় আগেই এফআইআর দায়ের করেছে লেক থানা। মামলা করতে চেয়ে আলিপুর আদালতের অনুমতিও চাওয়া হয় থানার তরফে। অনুমতি পাওয়ার পর এফআইআর দায়ের করা হয়।

    গত মঙ্গলবার আদলত অবমাননার রুল জারি করেছেন বিচারপতি মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছেন, এজলাসের বাইরের সিসিটিভি দেখে সেই সব ব্যক্তি এবং আইনজীবীদের শনাক্ত করতে হবে। এরপর বুধবার এজলাসের সামনে থেকে সেই অবস্থান তুলে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “স্বামীজি বেঁচে থাকলে বাংলা থেকে প্রস্থান করতেন!”, সিমলা স্ট্রিট থেকে রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আদালত অবমাননার রুলে কী বলা হয়েছে?

    ১. বিচারপতির (Justice Rajasekhar Mantha) সম্মানহানি হয় এ ধরনের অভিযোগের সঙ্গে তাঁর বাসস্থান নিয়ে ভুল এবং মিথ্যা তথ্য পোস্টারে লেখা হয়েছে।

    ২. এজলাসে দরজা বাইরে থেকে আটকে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আদালতের কর্মীদের ভিতরে প্রবেশ করতে না দিয়ে কিছু আইনজীবী এবং অন্য ব্যক্তিরা পরিষ্কারভাবে এই সাংবিধানিক আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছে।

    ৩. কিছু আইনজীবী এবং অন্য ব্যক্তিরা চোখ রাঙিয়ে, হুমকি দিয়ে, আদালতে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেন।

    ৪. পোস্টারে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আদালতের কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে চেয়েছেন। একজন বিচারপতির বাড়ি এবং হাইকোর্ট চত্বরে এই ধরনের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন এবং বেপরোয়া পোস্টার কলঙ্কজনক। এর মাধ্যমে আদালত এবং বিচারপতিকে কলঙ্কিত করার প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

    ৫. জনমানসে এবং মানুষের চোখে আদালত এবং বিচারপতির ক্ষমতাকে ছোট করে দেখানোর প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

    ৬. বাইরে থেকে এজলাস বন্ধ করে এবং পোস্টার মেরে কিছু আইনজীবী এবং অন্য ব্যক্তিরা বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত মানুষের আত্মবিশ্বাস নাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

        

     

  • Calcutta High Court: ‘আদালতের নির্দেশ কি খেলনা?’ কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ‘আদালতের নির্দেশ কি খেলনা?’ কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ না মানায় কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।  একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশকে কিছু সিসিটিভি ফুটেজ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আাদালত। নির্দেশে মান্যতা না দেওয়ার জন্যেই ভর্ৎসনা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার।

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    এদিন সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের অর্ডার কি খেলার জিনিস? পুলিশ কি মনে করছে? হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অর্ডার না মানলেও চলবে? কিন্তু পুলিশ যদি ভাবে কোর্ট অর্ডার না মানলেও চলবে, তাহলে ভুল করছে। কেন আদালত অবমাননার জন্য তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেব না? পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিচারপতি এও বলেন, “ভুলে যাবেন না, হাইকোর্টের ক্ষমতা।” এরপরই মামলার পরবর্তী শুনানিতে এজলাসে হাজির হয়ে পুলিশ কমিশনারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    আরও পড়ুন: ফের বিজেপিতে অর্জুন, ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু

    আদালতের নির্দেশ

    মোবাইল টাওয়ার লোকেশন সংক্রান্ত একটি মামলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  দ্বারস্থ হয়েছিলেন মামলাকারী পঙ্কজ কুমার দুগার। ওই মামলায় আলিপুর পুলিশ কোর্ট থেকে হাজারা ক্রসিং  এবং কালীঘাট ফায়ার স্টেশন পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ কমিশনারকে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই নির্দেশের পরেও কাজ হয়নি। উল্টে  পুলিশ কমিশনারের হয়ে কালীঘাট থানার ওসি রিপোর্ট দেয় আদালতকে। ২২ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন সিপিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক মামলায় কলকাতা পুলিশ বা রাজ্য পুলিশকে আদালতের রোষের মুখে পড়তে দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক মামলা থেকে শুরু করে অন্য কোনও অপরাধ সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। 

    আরও পড়ুন: দাড়িভিটকাণ্ডে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের বিরুদ্ধে রুল ইস্যু হাইকোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Case: ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য নয়া প্যানেল, প্রাথমিক মামলায় পর্ষদকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary Recruitment Case: ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য নয়া প্যানেল, প্রাথমিক মামলায় পর্ষদকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকের একটি মামলার শুনানিতে ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য নতুন প্যানেল প্রকাশ করার কথা বলল কলকাতা হাইকোর্ট।  শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বলেছেন, ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য নতুন প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। এই মামলায় ৯,৫৩৩ জনের নিয়োগের একটি প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, তাঁরা ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাঁদের ওই প্রশিক্ষণের শংসাপত্র যদি গ্রাহ্য হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের প্যানেলের ৯,৫৩৩ জন চাকরিপ্রার্থীর চেয়েও তাঁদের প্রাপ্য নম্বর বেশি। এর পরেই হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যে প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা স্পর্শ করা যাবে না। তবে এই ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য নতুন প্যানেল তৈরি করতে হবে। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ৩৯ জন প্রার্থীর ডিএলএড প্রশিক্ষণের শংসাপত্র আগে যাচাই করতে হবে। তাঁরা পাশ করেছেন কি না, দেখতে হবে। যদি দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের থেকে মামলকারীরা বেশি নম্বর পেয়েছেন, তা হলে এঁদের জন্য আলাদা প্যানেল করতে হবে। সেই মতো নিয়োগ করবে পর্ষদ। আদালতে মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    এর আগে অন্য ১২ জন চাকরিপ্রার্থীকে একই ভাবে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। ২০২২ সালে প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে ১২ জন চাকরিপ্রার্থী ডিএলএড, বিএড দু’রকম প্রশিক্ষণই নিয়েছিলেন। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিএড প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করেই প্রাথমিক নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন তাঁরা। পরে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রাথমিক স্কুলে পড়াতে পারবেন শুধু মাত্র ডিএলএড প্রশিক্ষিতেরাই। ফলে বিএড প্রশিক্ষিতেরা বাদ চলে যান। পরবর্তী সময়ে ডিএলএড প্রশিক্ষিত আরও ৩৯ জনও আলাদা করে মামলা করেন। ১২ জনের জন্য আলাদা মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। এবার ৩৯ জনের জন্য এল একই নির্দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Teacher Recruitment Case: ফের জটিলতা! প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশের পরই মামলা হাইকোর্টে

    Primary Teacher Recruitment Case: ফের জটিলতা! প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশের পরই মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য বুধবার প্যানেল প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই প্যানেল সংক্রান্ত নোটিফিকেশনকে চ্যালেঞ্জ করে এবার মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কেন ফের মামলা

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২০২২ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ১১ হাজার ৭৫৮টি শূন্যপদের মধ্যে ৯ হাজার ৫৩৩ পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সাড়ে ন’হাজার পদে নিয়োগের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুমন্ত কোলে-সহ ১০ জন চাকরিপ্রার্থী সেই মামলা করতে চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, বিএড ডিগ্রি নিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য না হলেও ডিএলএড ডিগ্রি থাকা চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে। বিএড এবং ডিএলএড দুই ডিগ্রি থাকা চাকরিপ্রার্থীরা আদালতের দারস্থ হয়েছে। বিএড গ্রহণ না করা হলেও ডিএলএড ডিগ্রিকে গুরুত্ব দিয়ে কেন তাদের প্যানেলে যুক্ত করা হল না? প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুুন: ‘লাখপতি দিদি’ যোজনা চালু করছে মোদি সরকার, কারা পাবেন সুযোগ?

    মামলাকারীদের দাবি

    মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের দাবি, যখন ২০২২ সালের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, তখন জানানো হয়েছিল যে, ডিএলএডের পাশাপাশি বিএড ডিগ্রিধারীরাও প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন। মামলাকারী ১০ জন চাকরিপ্রার্থীর বিএড এবং ডিএলএড, উভয় ডিগ্রিই রয়েছে। কিন্তু তাঁদের বিএড-এ প্রাপ্ত নম্বর বেশি হওয়ায়, তাঁরা সেই নম্বর ব্যবহার করে ফর্ম ফিলআপ করেছিলেন। আর সেই কারণেই প্যানেলে তাঁদের নাম নেই। অথচ তাঁদের কাছে ডিএলএডের ডিগ্রিও রয়েছে। তাই তাঁদের নামও প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করার আর্জি জানিয়ে বৃহস্পতিবার তাঁরা কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “তৈলমর্দন করলেই মিলবে পছন্দের পোস্টিং?” শিক্ষক নিয়োগ মামলায় প্রশ্ন বিচারপতির

    Calcutta High Court: “তৈলমর্দন করলেই মিলবে পছন্দের পোস্টিং?” শিক্ষক নিয়োগ মামলায় প্রশ্ন বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা আপনাদের হাতে তৈলমর্দন করবেন, তাঁদের পছন্দমতো স্কুলে পোস্টিং দেবেন?” মঙ্গলবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদকে এই প্রশ্নই করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ মামলায় এই প্রশ্ন করেন বিচারপতি মান্থা।

    বান্ধবীর বাড়ির কাছে পোস্টিং

    তাঁর মন্তব্য, “যাঁরা তৈলমর্দন করেন তাঁদেরই কি পছন্দমতো স্কুলে পোস্টিং দেন? মামলাকারী অনেক কিছুই চাইতে পারেন। মামলাকারী বলতে পারেন যে তাঁকে তাঁর বান্ধবীর বাড়ির কাছে পোস্টিং দেওয়া হোক। কিন্তু পোস্টিংয়ের নির্দিষ্ট বিধি কোথায়?” বিচারপতির আরও প্রশ্ন, “হাওড়া, বাঁকুড়া, উত্তর ২৪ পরগনায় কাউন্সেলিং হলে, পূর্ব মেদিনীপুরে কেন নয়?” বিচারপতি মান্থা বলেন, “বারবার জিজ্ঞাসা করা হলেও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ বা রাজ্য সরকার কেউই নির্দিষ্ট কোনও বিধি দেখাতে পারেনি।” আদালতের নির্দেশ, “যদি এখনও কোনও শূন্যপদ থাকে, তাহলে সেখানে নিয়োগ করা যাবে না।” রাজ্য ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের হলফনামাও তলব করেছে আদালত (Calcutta High Court)।

    প্যানেল তৈরি হওয়ার পর কাউন্সেলিংই হয়নি

    মামলাকারীর দাবি, প্রধান শিক্ষকের প্যানেল তৈরি হওয়ার পর কাউন্সেলিংই হয়নি। তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদের বাড়ির কাছে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ করেছেন মামলাকারী। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের দ্বারস্থ হন পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি সার্কেলের সাতজন শিক্ষক। তাঁদের মতে, পোস্টিং দেওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব। বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, “২০১৬ সালের বিধির মধ্যে কোথাও কাউন্সেলিং বা পোস্টিংয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা নেই। তাই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা পেয়ে যাচ্ছে।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৮ ডিসেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মমতা-নীতীশদের অনুপস্থিতির জের! শরিক-ঘোঁটে ভেস্তে গেল ইন্ডি-জোটের বৈঠক?

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল জমানায় শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। কখনও নিয়োগের ক্ষেত্রে, কখনও আবার পোস্টিং দেওয়ার ক্ষেত্রে কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠছে। মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে অনেকে চাকরি ‘কিনেছেন’ বলেও অভিযোগ। আবার বেছে বেছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব নিয়েও দায়ের হয়েছে মামলা। এবার সেই তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পোস্টিং দেওয়ার (Calcutta High Court)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

  • Saumitra Khan: হাইকোর্টে স্বস্তি! ১৫ জুলাই পর্যন্ত সৌমিত্র খাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নয়

    Saumitra Khan: হাইকোর্টে স্বস্তি! ১৫ জুলাই পর্যন্ত সৌমিত্র খাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-এর (Saumitra Khan) বিরুদ্ধে এখনই কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ, নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha)। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট  (Calcutta High Court)। তবে সাংসদের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিচারপতি মান্থা।

    আদালত যা বলল

    সোনামুখী থানার আইসিকে কদর্য ভাষায় আক্রমণের অভিযোগ বাঁকুড়া বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদের (Saumitra Khan) বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ নিয়ে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের নামে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয়েছিল মামলা। গ্রেফতারির আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে পাল্টা আদালতে যান সৌমিত্র। শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি বলেছেন, ‘সৌমিত্র যে ভাষা ব্যবহার করেন বলে পুলিশের দাবি, তা অত্যন্ত খারাপ। এক জন সাংসদের কাছে এই ধরনের ভাষা একেবারে প্রত্যাশিত নয়।’ একইসঙ্গে আদালত জানায়, ১৩ এপ্রিল দায়ের হওয়া মামলা দু’টিতে ১৫ জুলাই পর্যন্ত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। প্রয়োজনে এফআইআর খারিজের আবেদন করতে পারেন সাংসদ।

    আরও পড়ুুন: বাদল অধিবেশনেই সংসদে পেশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল! ভাবনা মোদি সরকারের

    আইনজীবীর বক্তব্য

    এদিন আদালতে সৌমিত্র খাঁয়ের (Saumitra Khan) আইনজীবীর জানান, সোনামুখী থানার আইসির বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করায় সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। সে কারণেই গ্রেফতারির আশঙ্কা করে আদালতের দ্বারস্থ তিনি। দু’টি মামলা হয়েছে সৌমিত্রের বিরুদ্ধে। এসআই মামলা করেছেন। তাই এই মামলার তদন্ত পুলিশ করতে পারে না বলেও দাবি সাংসদের আইনজীবীর। গত এপ্রিলে বাঁকুড়ায় প্রায় ২০০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে টাকা তছরুপের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। গত ১১ এপ্রিল মানিকবাজারে এনিয়ে বিক্ষোভও দেখান স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। অভিযোগ, সেখানেই সোনামুখী থানার আইসিকে হুমকি দেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি (BJP) সাংসদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share