Tag: Justice rajasekhar Mantha

Justice rajasekhar Mantha

  • Panchayat Elections 2023: আইসি, এসডিপিও-ওর বিরুদ্ধে এফআইআর! বিচারপতি মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের

    Panchayat Elections 2023: আইসি, এসডিপিও-ওর বিরুদ্ধে এফআইআর! বিচারপতি মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যানিংয়ের আইসি, এসডিপিও-র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করল রাজ্য। ক্যানিংয়ের হাটপুখুরিয়া পঞ্চায়েতের (Panchayat Elections 2023) তৃণমূল উপপ্রধান সিরাজুল ইসলাম ঘরামির অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যানিংয়ের আইসি, এসডিপিও এবং বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।

    সন্ত্রাসের অভিযোগ

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) মনোনয়ন পর্বের একেবারে শুরু থেকেই বারবার সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়েই চলছে সন্ত্রাস। অভিযোগ, ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকে বিভিন্ন পঞ্চায়েতের মোট ২৭৪টি আসনে বিরোধীরা মনোনয়নপত্রই জমা দিতে পারেনি। এই আবহে মামলাকারী সিরাজুলের বক্তব্য, গত ১১ জুন ২৭৪ জনকে নিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানে স্থানীয় বিধায়ক পরেশ নাথ দাসের মদতে কয়েকশো দুষ্কৃতী তাঁদের ঘিরে ধরেন। মনোনয়ন জমা দিতে যেতে বাধা দেন। অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে এসডিপিও দিবাকর দাস ও ক্যানিংয়ের আইসি দুষ্কৃতীদের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েই গুলি চালান। 

    আরও পড়ুন: ‘গ্রেফতার করা হতে পারে’! রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র

    আদালতে সিরাজুলের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী সৌরভ চট্টোপাধ্যায় ও সৌম্য নাগ। বিচারপতি মান্থার এজলাসে গোটা বিষয়টি উল্লেখ করেন আইনজীবীরা। ওই ঘটনায় সাত জন আহত হয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করে, যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদেরই মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। যদিও মান্থার এজলাসে রাজ্য সরকারের আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বেশিরভাগ অভিযোগই মিথ্যা। দু’পক্ষের সওয়াল শুনে বিচারপতি মান্থা বিধায়ক ও দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন। দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেই মিছিল করার অনুমতি মিলছে না। পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামে মিছিল ও জনসভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার আদালতের মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শুক্রবারই শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    শুভেন্দুর মিছিলের প্রস্তুতি

    আগামী ১৬ জুন নন্দীগ্রাম বিধায়ক কার্যালয় থেকে জানকীনাথ মন্দির পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা মিছিল এবং পরে সভা করতে চান। অভিযোগ, সেই মিছিল ও সভার জন্য আবেদন জানানো হলেও কোনও উত্তর মেলেনি পুলিশ-প্রশাসনের তরফে। আদালতে বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, ১৬ জুন ওই মিছিলের বিশদ জানিয়েই অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল প্রশাসনের কাছে। কিন্তু প্রশাসনের তরফে সেই আবেদনের কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। বিজেপি নেতা (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, মিছিলের সাত দিন আগেও জবাব না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে ওই কর্মসূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই আদালত বিষয়টি দেখুক। শুভেন্দুর এই আর্জির শুনানি শুক্রবার হতে পারে বলে আদালত সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: লিভ-ইন সঙ্গীকে খুন, দেহ টুকরো করে প্রেসার কুকারে ফোটাল প্রেমিক

    আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    উল্লেখ্য, গত ১ জুন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মিছিল করে নন্দীগ্রামে যাওয়ার পরই পাল্টা এই মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ১৬ জুন বিকেল ৩টেয় নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা-কর্মীদের মিছিলে সামিল হতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। প্রকাশ্যে অভিষেকের পদযাত্রাকে পাত্তাও দিতে চাইছেন না বিজেপি নেতৃত্ব। অভিষেকের সভা প্রসঙ্গে শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, বাইরে থেকে, এমনকী কলকাতা থেকেও লোক নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অভিষেকের পদযাত্রাকে টেক্কা দিতেই সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফে। তবে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতেই কলকাতা হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Calcutta High Court: “আদালত সবাইকে ডেকে ডেকে বিধি শেখাতে যাবে না”, কেন বললেন বিচারপতি মান্থা?

    Calcutta High Court: “আদালত সবাইকে ডেকে ডেকে বিধি শেখাতে যাবে না”, কেন বললেন বিচারপতি মান্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আদালত সবাইকে ডেকে ডেকে বিধি শেখাতে যাবে না”। শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বিচারপতি মান্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের (TMC) মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সেই প্রসঙ্গেই এদিন বিচারপতি বলেন, “নিজেরাই যদি নিজেদের সম্মান নষ্ট করেন, তাহলে কোর্ট কী করবে? আদালতকে বার বার অসম্মান করতে গিয়ে নিজেদের যে অসম্মান হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝছেন না। বা বুঝেও সেটাই করে চলেছেন ইচ্ছাকৃতভাবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আদালত সবাইকে ডেকে ডেকে বিধি শেখাতে যাবে না।”

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ…

    বৃহস্পতিবার কালিয়াগঞ্জের ঘটনায় সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, পুলিশ স্বচ্ছভাবে তদন্ত করতে পারছে না। চাপের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে তাদের। এর পরেই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। সিটে রয়েছেন বর্তমান আইপিএস দময়ন্তী সেন এবং দুই প্রাক্তন আইপিএস উপেন বিশ্বাস এবং পঙ্কজ দত্ত। এর পরেই তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “টিভি চ্যানেলে বিষোদ্গার করাটাই কি আসল? রাজ্যে আইপিএস অফিসার কি কম পড়েছিল?” পরে কুণাল বলেন, “এঁরা প্রত্যেকেই যোগ্য ও স্বীকৃত। সবই ঠিক আছে। দময়ন্তী সেনকে নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু বাকিরা তো চ্যানেলে বসে বিষোদ্গার করেন। সেই কারণেই কি তাঁদের সিটের সদস্য করা হয়েছে?”

    আরও পড়ুুন:‘‘ঢাকি সমেত বিসর্জন’’! ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এ নিয়ে বিচারপতি (Calcutta High Court) মান্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আর এক আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য, ওই নেতার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা করা উচিত। এর পরেই শিষ্টাচার পালনের পরামর্শ দেন বিচারপতি মান্থা। তিনি ওই আইনজীবীকে জানান, এ নিয়ে যদি কিছু করতে চান, তা হলে আলাদাভাবে মামলা দায়ের করুন। আদালত বিবেচনা করবে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি (Calcutta High Court) মান্থার একাধিক নির্দেশ ও পর্যবেক্ষণ নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের কুণাল। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ নিয়েও বিস্তর সমালোচনা করেছেন তৃণমূলের এই মুখপাত্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliyaganj Murder Case: কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিট গঠন কলকাতা হাইকোর্টের

    Kaliyaganj Murder Case: কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিট গঠন কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliyaganj Murder Case) দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুনের মামলায় সিট গঠন করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার ওই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেন। রাজ্য পুলিশের আধিকারিক দময়ন্তী সেন, প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত এবং প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে সিটে রেখেছেন তিনি। তাঁর নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে হবে তদন্ত। সিট যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করতে পারবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। 

    সিটকে বিশেষ ক্ষমতা

    এই মামলায় (Kaliyaganj Murder Case) বিচারপতির পর্যবেক্ষণ— ‘‘প্রচণ্ড চাপের মুখে কাজ করতে পারছে না পুলিশ। তাই এই সিট গঠন।’’ তিনি জানান, এই মামলার তদন্ত চলাকালীন বাইরে নিজেদের মত প্রকাশ করবেন না সিটের সদস্যরা। পাশাপাশি, হাইকোর্টের নির্দেশ, কেস ডায়েরি এবং অন্যান্য নথি সিটকে দেবে রাজ্য পুলিশ। তদন্তে রাজ্যকে সাহায্য করতে হবে। পরবর্তী শুনানির আগে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে রাজ্য। নিহত ছাত্রীর পরিবারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্যও রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। সিআরপিসি অনুযায়ী, তদন্তের সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সিটকে। প্রয়োজনে নতুন অফিসার নিয়োগ করে তদন্ত করতে পারবে এই তদন্তকারী দল। আগামী ২৮ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

    আরও পড়ুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    কেন সিট গঠন

    সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliyaganj Murder Case) এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবার ও প্রতিবেশীরা দাবি করেন, কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবার রাজ্যের তরফে ওই ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেখা যায়, ইনকোয়েস্ট বা সুরতেহাল হয়েছিল ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫ টায়, আর ময়নাতদন্ত হয় সাড়ে ৩ টেয়। বিচারপতি মান্থা প্রশ্ন তোলেন, কেন ময়নাতদন্তের পর সুরতেহাল হল? সুরতেহাল ও ময়নাতদন্তের সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক পার্থক্য রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন বিচারপতি মান্থা। রিপোর্টে আরও জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় পরিবারের লোক উপস্থিত ছিল না। পুলিশ নৃশংসভাবে দেহ টেনে নিয়ে গিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন বিচারপতি। এরপরই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    DA: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সবার মৌলিক অধিকার। এই আবহে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল করতে চাইলে তাতে বাধা দিতে পারে না সরকার। রাজ্য প্রয়োজনে মিছিল নিয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করতে পারে। তবে কর্মসূচি বন্ধ করা যায় না। মঙ্গলবার ডিএ (DA) আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযান নিয়ে মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha)। ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে সায় দিলেও, যে পথে তাঁরা অভিযান করবেন বলে ভেবেছিলেন, সেই পথে আন্দোলনকারীরা নবান্নে যেতে পারবেন না। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, মিছিলের যাত্রাপথ বদল করতে হবে।

    ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    ৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি মান্থার এজলাসে চলছে ওই মামলা। বিচারপতি জানান, নবান্ন অভিযানের অনুমতি চেয়ে প্রায় ৪০টি মামলা তাঁর এজলাসে জমা পড়েছে। রাজ্যকে তাঁর প্রশ্ন, মিছিল করার জন্য কেন আদালতকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হবে? রাজ্যের কাছে তিনি জানতে চান, আন্দোলনকারীরা নিজেদের অসুবিধার কথা জানাতে চাইছে। তা যদি শান্তিপূর্ণভাবে হয়, তবে বাধা দেব কেন? রাজ্য এই ধরনের কর্মসূচিতে বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, কিন্তু বাধা দিতে পারে না। প্রতিবাদ করা মানুষের মৌলিক অধিকার বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি মান্থা। তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করা যাবে। হাওড়ার ফেরিঘাট, বঙ্কিম সেতু, মহাত্মা গান্ধী রোড হয়ে হাওড়া ময়দানে গিয়ে শেষ হবে মিছিল।

    আরও পড়ুুন: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    প্রসঙ্গত, পুলিশ এই মিছিলের (DA) অনুমতি দেয়নি। হাইকোর্টে রাজ্য জানিয়েছিল, যে পথে মিছিল করার কথা বলা হচ্ছে, সেটা মিছিলের জন্য নির্দিষ্ট করা কোনও পথ নয়। এটা জনবহুল এলাকা। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে। স্কুল ও অফিস যাত্রীদের অসুবিধা হবে। ট্রাফিকের অসুবিধা হবে। অন্য পথে অন্য কোনও জায়গায় করলে কোনও অসুবিধা নেই। এর পরেই বিচারপতি মান্থা বলেন, যে বিধি নিষেধের কথা আপনারা এখানে বলছেন, সেটা রাজ্যের শাসক দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য তো? তিনি বলেন, রেড রোড বন্ধ করে যখন কর্মসূচি হয়, মিছিল হয়, তখন পুলিশের অসুবিধা হয় না? কিছু দল যখন মিছিল করে তখন গোটা কলকাতা স্তব্ধ হয়ে যায়। আমি শুধু শাসক দলের কথা বলছি না। মানুষ পরিবার নিয়ে রাস্তায় বেরোতে চান, কিন্তু বেরোতে পারেন না। তাঁর প্রশ্ন, তখন পুলিশের অসুবিধা হয় না?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Tehatta: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে

    Tehatta: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যের পর এবার তৃণমূলেরই (TMC) তাপস সাহা (Tapas Saha)। তেহট্টের (Tehatta) এই বিধায়কের নামে স্কুল ও পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির (Recruitment Scam) পাশাপাশি দমকলে চাকরি দেওয়া নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে আসে একটি অডিও ক্লিপ। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার তাপসের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল মামলা। বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি তাপসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তৃণমূলের এই বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা করার আগে তরুণজ্যোতি অনুমতি চান বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।

    অভিযুক্ত তাপস সাহা (Tapas Saha)…

    বিচারপতি মান্থার অনুমতি মিলতেই দায়ের হয় মামলা। মঙ্গলবার ফের বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে এর আগে অভিযুক্ত হয়েছেন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওই একই অভিযোগে অভিযুক্ত তৃণমূলেরই মানিক ভট্টাচার্য। এর পর ওই কেলেঙ্কারিতেই নাম জড়াল তাপসেরও। সরকারি দফতর (Tehatta) ও স্কুলে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল তাপসের বিরুদ্ধে। দিন দুয়েক আগে বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতিই একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে এনে দাবি করেছিলেন দমকল বিভাগে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা চেয়েছেন তাপস। তরুণজ্যোতির আরও দাবি ছিল, তৃণমূলেরই নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্য তথা কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের বঙ্গজননীর সভানেত্রী টিনা ভৌমিক সাহার কাছ থেকেও তাপস চাকরি দেওয়ার নামে টাকা চেয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ডিএ আন্দোলনকারীরা! লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে টিনাও বলেছিলেন, বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন তাপস। তরুণজ্যোতি দাবি করেছিলেন, তাপস মূলত দমকলে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন। বিষয়টি দুর্নীতিদমন শাখাকে দিয়ে তদন্তের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন ওই বিজেপি নেতা। এদিন সেই মামলা দায়েরই অনুমতি দেন বিচারপতি মান্থা। তার পরেই দায়ের হয় মামলা। দলের (Tehatta) একের পর এক নেতার নাম নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়ায় বিব্রত তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে হেভিওয়েট এই নেতাদের বিরুদ্ধে দল এখনই কোনও জোরালো পদক্ষেপ করছে না বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ক্ষমা চাইলেন! হাইকোর্টে ‘ভুল’ স্বীকার করলেন এসএসসির চেয়ারম্যান

    Calcutta High Court: ক্ষমা চাইলেন! হাইকোর্টে ‘ভুল’ স্বীকার করলেন এসএসসির চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালত অবমাননার মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজিরা দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান (SSC Chairman) সিদ্ধার্থ মজুমদার। ‘ভুল’-এর জন্য হাইকোর্টে ক্ষমা চাইলেন তিনি। সিদ্ধার্থবাবু বলেন, ‘আদালতের নির্দেশের ব্যাখ্যা করতে আমাদের ভুল হয়েছে।’

    যা বললেন এসএসসি-র চেয়ারম্যান

    নম্বর বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অমান্য করার জন্য গত ১৭ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এসএসসির চেয়ারম্যানকে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আদালতের নির্দেশমতো শুক্রবার হাজিরা দিয়ে এসএসসি-র চেয়ারম্যান জানান, আদালতের নির্দেশ বুঝতে তাঁদের ‘ভুল’ হয়েছিল। মামলাটি পুরনো বলে গোটা পদ্ধতিতে কোনও ভুল রয়েছে কি না, তা এসএসসিকে খতিয়ে দেখতে বলে আদালত। পদ্ধতিগত ত্রুটি দূর করার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার কাজ কত দূর এগোল, তা আগামী শুক্রবার জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। সূত্রের খবর, নির্দেশ না থাকলেও ওই দিন আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট তুলে দিতে পারেন এসএসসির চেয়ারম্যান। 

    আরও পড়ুুন: সিউড়ি থানার আইসিকে ব্যাঙ্কের নথিসহ তলব ইডির! গরু পাচারকাণ্ডে মিলবে কি নতুন তথ্য?

    ২০১১ সালে উচ্চ প্রাথমিক টেটের পরীক্ষাকে কেন্দ্রে করে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেই পরীক্ষায় সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের নম্বর না দেওয়া সংক্রান্ত একটি মামলা চলছিল হাইকোর্টে। মামলাকারীদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। গত বছর জুন মাসে মামলাকারীদের নম্বর দিতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কিন্তু সেই নির্দেশ মানা হয়নি বলে অভিযোগ। এসএসসি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে আদালতে জানান সিদ্ধার্থবাবু। এসএসসি চেয়ারম্যানের বক্তব্যের ভিত্তিতে, সবটা খতিয়ে দেখার জন্য শুক্রবার পর্যন্ত মামলা স্থগিত করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে এসএসসি খতিয়ে দেখবে এক্সপার্টদের রিপোর্ট। তারপর হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট জমা দেবেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নিয়োগ খারিজ করার হুঁশিয়ারি! এসএসসির চেয়ারম্যানকে আদালতে তলব বিচারপতির

    Calcutta High Court: নিয়োগ খারিজ করার হুঁশিয়ারি! এসএসসির চেয়ারম্যানকে আদালতে তলব বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এসএসসির চেয়ারম্যানকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Calcutta High Court)। আগামী শুক্রবার রিপোর্ট নিয়ে হাজির থাকার নির্দেশ দিলেন তিনি। এদিন ২০১১ সালের প্রাথমিক টেটে প্রশ্ন ভুলের অভিযোগ ঘিরে একটি মামলায় কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তিনি কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, “আদালতের সঙ্গে খেলবেন না। আপনারা নিয়োগ করছেন,আবার আপনারাই ভুল প্রশ্ন করছেন? সব পরিকল্পিত। বলতে দ্বিধা নেই, একটা গোটা প্রজন্মের ভবিষ্যত নিয়ে খেলছে কমিশন।”

    কোন মামলায় এমন মন্তব্য বিচারপতির?

    ২০১১ সালের আপার প্রাইমারি প্রার্থীদের পরীক্ষায় ভুল ও সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন করেছিল এসএসসি (SSC)। এমনটাই অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন ৮৩ জন। মামলাকারীদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। গত বছর জুন মাসে মামলাকারীদের নম্বর দিতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট (Calcutta High Court। কিন্তু কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সেই নম্বর না দেওয়ায় এসএসসি-কে চরম ভর্ৎসনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের হিসেব খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় অডিট দল, ট্যুইট শুভেন্দুর

    আর কী বললেন বিচারপতি?

    এদিন তিনি (Calcutta High Court হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আপনাদের প্রতিটি পদক্ষেপ সন্দেহজনক। আপনাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। প্রয়োজনে সব নিয়োগ খারিজ করে দেব। আমি সব নিয়োগে সন্দেহ করছি। আমাকে বাধ্য করবেন না আরও কড়া পদক্ষেপ করতে। আপনারা ভেবেছেন কী? আপনারা কোর্টের নির্দেশের উপরে খবরদারি করছেন! আগেও এই মামলায় আমি বলেছিলাম, দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু আজও দেখছি সেই একই পথে হাঁটছে এসএসসি।”

    ভর্ৎসনার শেষে এদিন আদালত (Calcutta High Court স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, এই মামলায় এসএসসি-র চেয়ারম্যান যে হলফনামা দিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। এরপরেই  আগামী শুক্রবার, ২৪ মার্চ রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যানকে সশরীরে হাজির থাকার নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টার কাণ্ডে অভিযুক্ত ৬ জনকে তলব আদালতের

    Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টার কাণ্ডে অভিযুক্ত ৬ জনকে তলব আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাসে বিক্ষোভ, বাড়ির সামনে পোস্টার মামলায় পুলিশ কমিশনারের রিপোর্টে নাম থাকা ৬ ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর পাশাপাশি সিসি ফুটেজ দেখে এজলাসের বাইরে বিক্ষোভে যুক্ত থাকা আইনজীবীদের শনাক্ত করে, তাঁদের নাম মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল বার অ্যাসোসিয়েশনকে। আবার হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনাও করেছে পুলিশকে। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টার লাগানোর ঘটনায় পুলিশ মোটেও ঠিকমত তদন্ত করছে না। এমনই অভিযোগে রীতিমত বিরক্তি প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের তরফে কী বলা হল?

    গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বেঞ্চ বয়কট ও এজলাসে ঢোকার দরজা আটকে বিক্ষোভের ঘটনায় আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল৷ সেই ঘটনায় গতকাল অভিযুক্ত আইনজীবীদের নাম গোপন খামে হাইকোর্টের তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আবার পোস্টার লাগানোর ঘটনায় ৬ জনকে আগামী শুনানির দিন আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি টিএস শিবাগননম, বিচারপতি আইপি মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের বিশেষ বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    বিচারপতি আরও নির্দেশ দেন, ৯ জানুয়ারি বিচারপতি মান্থার এজলাসের বাইরে বিক্ষোভে যুক্ত থাকা আইনজীবীদের, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করতে হবে।

    পুলিশকে ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি টিএস শিবাগননম

    বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালত বলে, “তদন্তের নামে আদালতের সঙ্গে লুকোচুরি খেলবেন না। তদন্ত শামুকের গতিতে হচ্ছে না ঘোড়ার গতিতে, সেটা আমরা দেখব। পুলিশকে সঠিক নাম দিন। একজনের পরিবর্তে আর একজনের নাম দেওয়া ঠিক হবে না।” আবার পুলিশকে ভর্ৎসনা করেছেন বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারপতি টি এস শিবাগননম। শুধু তাই নয়, পুলিশ কমিশনারের তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্টও খুলে দেখলেন না বিচারপতি। ২৭ মার্চ, বিচারপতি টিএস শিবাগননম, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের বৃহত্তর বেঞ্চে হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আদালত অবমাননার জের! প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা বিচারপতি মান্থার

    Calcutta High Court: আদালত অবমাননার জের! প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা বিচারপতি মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে আদালতের নির্দেশ অবমাননার অভিযোগে জরিমানা করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চ স্কুল প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। শুধু তাই নয়, সাতদিনের মধ্যে জরিমানার টাকা না দিলে বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার নির্দেশও দিল আদালত।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে হাতকৃতি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রায় পাঁচ বছর ধরে কর্মরত শিক্ষিকা হামিদা খাতুন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরা হকরন গোকর্ণে। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বদলির আবেদন জানান প্রধান শিক্ষিকার কাছে। অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা তাতে কর্ণপাত করেননি। অবশেষে হামিদা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এরপর ২০২২ সালের ১ অগাস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে অবিলম্বে বদলির জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু তাতেও প্রধান শিক্ষিকা কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। ফলে হামিদা আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। এর পর এদিন হাইকোর্টে মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রশ্ন করেন, ‘আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গতবছরের অগাস্ট মাস থেকে এই বছরের ফেব্রুয়ারি? এত দেরি কেন?’

    এর উত্তরে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক জানান, প্রধান শিক্ষিকার কাছ থেকে সম্প্রতি তাঁরা নথিপত্র পেয়েছেন। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা স্বাস্থ্যের কারণে বদলির আবেদন করলে, জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক একটি টিম গঠন করে তার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে। দরকার পড়লে আবেদনকারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হয়। তারপর জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে রিপোর্ট দেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ডিআই অফিস বদলির নির্দেশ জারি করে। ডিআই জানান, সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

    এর পরেই বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, আদালতের নির্দেশের অবমাননা করেছেন প্রধান শিক্ষিকা। এমন অবস্থায়, প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। এমনকী সাত দিনের মধ্যেই ওই অর্থ দিতে হবে হামিদা খাতুনকে। এর অন্যথা হলে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ওই অর্থ বেতন থেকে কেটে হামিদাকে প্রদান করবে।

LinkedIn
Share