Tag: Justice rajasekhar Mantha

Justice rajasekhar Mantha

  • Calcutta High Court: উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস শিবিরে স্বস্তি! হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন সাইদুর রহমান

    Calcutta High Court: উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস শিবিরে স্বস্তি! হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন সাইদুর রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের আগে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরল কংগ্রেস শিবিরে। কলকাতা হাইকোর্টে থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন কংগ্রেস নেতা সাইদুর রহমান। এদিন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দেন, কংগ্রেস নেতাকে সপ্তাহে ৩ দিন তদন্তকারী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে হবে। সব ছবি ও ফুটেজ দিতে হবে পুলিশকে। পাশাপাশি, সাগরদিঘি ব্লকের প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি সাইদুরকে পুলিশি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। দেড় দশকের পুরনো ধর্ষণ ও প্রতারণায় মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল সাইদুর রহমানকে। তাঁর গ্রেফতারির প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে কংগ্রস ও বামেরা। এরপর বুধবার সাইদুরের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    কী ঘটেছিল?

    ২৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘি বিধানসভায় উপনির্বাচন, তার আগেই ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে সাগরদিঘি ব্লকের প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি সাইদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এর পরই দলীয় নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস। পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে তারা। কংগ্রেসের দাবি, ১৫ বছর আগের একটি ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা সাইদুর রহমানকে।

    কংগ্রেসের কী দাবি?

    কংগ্রেসের তরফে দ্রুত জামিনের আর্জি জানানো হয়। অধীর চৌধুরীর দাবি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে কংগ্রেস নেতাকে। কংগ্রেসের বক্তব্য, মিথ্যা মামলা সাজিয়ে সাইদুরকে জেলে ঢোকানো হয়েছিল। পুলিশ চেষ্টা করছে এভাবে উপনির্বাচনের আগে ভয় দেখিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের ঘরে ঢুকিয়ে দিতে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি, কংগ্রেস বৃহত্তর আন্দোলনের সামিল হবে বলে জানিয়েছিল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এর পর আজ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে দুপুর ২টোয় এই মামলার শুনানি হয়।

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে রাজ্য পুলিশ

    উপনির্বাচনের আগে সাগরদিঘিতে কংগ্রেস নেতা গ্রেফতারের ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশ। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রশ্ন তোলেন, ১৫ বছর আগের ঘটনায় কেন ২০২৩-এ অভিযোগ করা হল? ১৫ বছর আগের ঘটনায় কেন প্রাথমিক তদন্ত করা হল না?

    অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী সওয়াল করেন, ১৫ বছর আগের ঘটনায় কেন ২০২৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ দায়ের হল, তার কোনও ব্যাখ্যা নেই। ফলে দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে  বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন সাইদুর রহমানকে।

  • Calcutta High Court: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ ডি চাকরির জন্য টাকা দিয়েও মেলেনি নিয়োগপত্র। ফলে বাধ্য হয়ে আত্মহত্যারই পথ বেছে নিয়েছিলেন লালগোলার বাসিন্দা আবদুল রহমান। তাঁর মৃত্যুর পরই উদ্ধার করা হয়েছিল একটি সুইসাইড নোট। যেখানে লেখা ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ আরও কয়েকজনের নাম। সেই মামলায় এবারে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। প্রথমে এই ঘটনার তদন্তে নেমেছিল লালগোলা থানার পুলিশ। তাঁরা একটি চার্জশিট পেশ করলে সেখানে দেখা যায়, তাঁরা মৃতের বিরুদ্ধেই চার্জশিট পেশ করেছে। এর পরই পুলিশি তদন্তে অনাস্থা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি করে মৃতের পরিবার। আর আজ সেই দাবি মেনে মামলার তদন্তভার দেওয়া হল সিবিআইকে।

    সুইসাইড নোটে পার্থর নাম!

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। জানা যায়, গ্রুপ ডি পদে চাকরির জন্য ছয় লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন আব্দুল রহমান। কিন্তু, ঘুষের টাকা দিয়েও চাকরি না মেলায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। অবশেষে বছর ২৫-এর এই যুবক আত্মঘাতী হন। তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোটও। যেখানে জনৈক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এই ঘুষের টাকা তোলার কথা লিখে যান আবদুল। সেই নোট-এ পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ কারা কারা এই নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ নিয়েছিলেন, তাও উল্লেখ ছিল।

    আরও পড়ুন: মনজিৎ সিং গ্রেওয়ালের তৃণমূল যোগ নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু, কী লিখলেন ট্যুইটে?

    আবদুলের মৃত্যুর তদন্তে চার্জশিটে রয়েছে মৃতেরই নাম!

    এরপর ঘটনার তদন্ত শুরু করে লালগোলা থানার পুলিশ। প্রথমে তদন্তে নেমে অভিযুক্ত দিবাকর কনুইকে গ্রেফতার করা হয়। সে কান্দির বাসিন্দা হলেও কলকাতা থেকে মিডলম্যান হিসেবে ভূমিকা পালন করছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এরপর আব্দুল রহমানের মৃত্যুর তদন্তে চার্জশিট পেশ করে লালগোলা থানার পুলিশ। তবে আশ্চর্যজনক ভাবে ওই চার্জশিটে নাম রয়েছে মৃত আব্দুলেরই। এর পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পরিবার। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে ওঠে মামলাটি। চার্জশিট ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখে এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা।

    এদিন এই মামলায় আবেদনকারীদের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে, খোঁজার বদলে আত্মঘাতী ব্যক্তির বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ। পুলিশের এই কাজের নিন্দার ভাষা নেই। চোরেদের আড়াল করতে বুক চিতিয়ে নেমে পড়েছে গোটা প্রশাসন। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।”

  • Hookah: রাজ্যে বন্ধ হচ্ছে না হুক্কা বার! নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Hookah: রাজ্যে বন্ধ হচ্ছে না হুক্কা বার! নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখনই বন্ধ হচ্ছে না হুক্কা বার (Hookah Bar)। কলকাতা ও বিধাননগর পুর এলাকায় নিয়ম মেনে চালানো যাবে হুক্কা বারগুলি। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এই নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি মান্থা জানান, যদি সিগারেট খাওয়ার অনুমোদন থাকে, তাহলে হুক্কাতে বাধা কোথায়? হুক্কাতে তো নিকোটিন আর হারবাল আছে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, “রাজ্যে হুক্কাবার বন্ধের কোনও রুল নেই। রাজ্যকে বন্ধ করতে হলে নতুন করে আইনের সংশোধন করতে হবে। তাই কলকাতা বা বিধাননগর এলাকায় হুক্কা বার বন্ধ করা যাবে না। এর থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রচুর রাজস্ব লাভ করে।”

    সওয়াল-জবাব

    কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই দাবি করা হয়, ‘হুক্কা বারগুলি (Hookah Bar) ২০০৩ এর আইনের পরিপন্থী। ‘অন্যদিকে, মামলাকারীর আইনজীবী জয়দীপ কর বলেন, ‘সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ আছে। আমরা সম্পূর্ণ আইন মেনেই হুক্কা বার চালাই। এর আগে মুম্বই, চেন্নাই ও আমেদাবাদে হুক্কা বার বন্ধের নির্দেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে সেই নির্দেশ খারিজ হয়ে যায়।’

    আরও পড়ুন: মেয়র, ডেপুটি মেয়র নির্বাচন, দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    ডিসেম্বরের শুরুতে কলকাতা শহরে হুক্কা বার (Hookah Bar) নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কলকাতা পুরসভা। মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, হুক্কা বারগুলিতে বেআইনি কাজ ও মাদক সেবনের অভিযোগ আসছে। তাই সেগুলির লাইসেন্স বাতিল করবে পুরসভা। পুরসভা নিষেধাজ্ঞা জারির পর বেশ কয়েক জায়গায় অভিযান চালিয়ে হুক্কা বারের মালিক ও কর্মচারীদের গ্রেফতার করে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয় সরঞ্জাম। এরই মধ্যে বিধাননগর পুরসভাও হুক্কা বার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর পরই পুরসভার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় হুক্কাবার মালিকদের সংগঠন। হুক্কা বার সংক্রান্ত ওই মামলার রায় দিতে গিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা বলেন, একজন মেয়রের কথার ভিত্তিতে হুক্কা বার বন্ধ করা যায় না। পুলিশ যদি নারকোটিকস ব্যবহারের কোনও কিছু পায় তাহলে তারা সেই রেস্তরাঁ বন্ধ করতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kanthi: মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কাঁথির অভিযুক্ত ছাত্রনেতা

    Kanthi: মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কাঁথির অভিযুক্ত ছাত্রনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁথি (Kanthi) ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন কাঁথির অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা শুভদীপ গিরি। বুধবার তাঁকে মামলা করার অনুমতিও দিয়েছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ।

    মঙ্গলবারই এই মামলার তদন্তকারী পুলিশের কাছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা জানতে চেয়েছিলেন, ‘‘আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেননি কেন? তিনি কোথায় জানেন না?’’ বিচারপতির সেই কড়া প্রশ্নবাণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বুধবার সকালে তৃণমূল ছাত্রনেতার আইনজীবী হাইকোর্টে হাজির হন। বিচারপতি মান্থার নির্দেশকে  চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করার অনুমতি চান তিনি। আদালত সেই মামলার অনুমতি দেয়। 
     
    মঙ্গলবার কাঁথির (Kanthi) ধর্ষণ মামলাটি বিচারপতি মান্থার একক বেঞ্চে ওঠে। এদিন বিচারপতি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তদন্তকারী কাঁথি থানার মহিলা অফিসার রুমা মণ্ডলকে তাঁর নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। শুভদীপকেও এদিন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, হাইকোর্ট গ্রেফতারির নির্দেশ দিলেও, তিনি কেন নিম্ন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন? বুধবার সেই আগাম জামিনের মামলারও শুনানি হওয়ার কথা নিম্ন আদালতে। তবে তার আগেই হাইকোর্টের গ্রেফতারির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানালেন শাসক দলের ছাত্রনেতা। 

    আরও পড়ুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে    

    কী ঘটেছে? 

    গত ১০ জানুয়ারি কাঁথি (Kanthi) থানায় শুভদীপ গিরির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ জানান নির্যাতিতার বাবা-মা। তার ঠিক ন’দিনের মধ্যেই কাঁথি পুলিশের তদন্তে ভরসা নেই জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। গত ১৯ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের করা হয়। তারপরেও কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। আদালত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়ার পরেও পুলিশ শুভদীপকে গ্রেফতার না করায় মঙ্গলবার পুলিশের তদন্ত নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেন বিচারপতি মান্থা। মঙ্গলবার তদন্তকারী আধিকারিককে তিনি বলেন, ‘‘আপনি সঠিক ভাবে তদন্ত করছেন না… । যত দ্রুত সম্ভব তাঁকে (শুভদীপকে) গ্রেফতার করুন।’’    

    প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে শুভদীপ গিরির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি এক যুবতীর সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেছিলেন। মোবাইলে একান্ত মুহূর্তের বেশ কিছু ছবিও তুলে রেখেছিলেন। কিন্তু পরে শুভদীপ বিয়ে করতে রাজি না হলে নির্যাতিতা তাঁকে সেই সব ছবি মুছে ফেলতে বলেন। গত ১৪ অক্টোবর সেই ছবি মোছার অজুহাতে প্রাক্তন বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে দিঘার একটি হোটেলে যান শুভদীপ। সেখানে সেই যুবতীকে ধর্ষণ করেন ওই তৃণমূল ছাত্রনেতা। এই ঘটনার পরে গত ১ নভেম্বর ওই নির্যাতিতা আত্মহত্যা করতে যান। নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে কাঁথির থানায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। এমনকি, আদালত তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিলেও তাও মানা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: “এভাবে চলতে পারে না”, মামলায় সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে উষ্মা বিচারপতি মান্থার

    Rajasekhar Mantha: “এভাবে চলতে পারে না”, মামলায় সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে উষ্মা বিচারপতি মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে (Justice Rajashekhar Mantha) ফের গরহাজির সরকারি আইনজীবীরা। আইনজীবীদের একাংশ এখনও মান্থার এজলাস বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে এবার সরব হলেন বিচারপতি মান্থা। কলকাতা হাইকোর্টে সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে এবারে আশঙ্কা প্রকাশ করে বিচারপতি মান্থা বলেন, “এ ভাবে চলতে পারে না! এটা সরকারের জন্যই ক্ষতি! সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সমাজের জন্য এটা সুস্থ ব্যবস্থা নয়।”

    হাইকোর্টে গরহাজির সরকারি আইনজীবীরা

    গত ৯ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন আইনজীবীদের একাংশ। বিচারপতির এজলাস বয়কট করা হয়েছিল। এর পর সেই অবস্থান বিক্ষোভ-বয়কট সরিয়ে নেওয়া হলেও ফের অভিযোগ উঠেছে যে, এখনও কিছু আইনজীবী এই বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সওয়ালে অংশ নিচ্ছেন না সরকারি আইনজীবীরা। এই অবস্থায় শুক্রবার একটি আদালত অবমাননার কেসে কলকাতা পুলিশের এক ডিসির হাজিরা মামলায় আসতে বাধ্য হলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। আর এতেই বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন:‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    সরকারি আইনজীবীদের মামলায় অংশ নেওয়ার আর্জি জানালেন বিচারপতি ও অ্যাডভোকেট জেনারেল

    বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে মামলা লড়তে রাজি হচ্ছেন না কোনও সরকারি আইনজীবী। কিন্তু আজই আবার কলকাতা পুলিশের ডিসির হাজিরা মামলা রয়েছে রাজশেখর মান্থার এজলাসেই। শেষে সরকারি আইনজীবীদের বিরোধিতার জেরে এজলাসে মামলা লড়তে এলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। এর পরেই বিচারপতি মান্থা মন্তব্য করেন, “যে ভাবে সরকারি আইনজীবীরা হাজিরা এড়াচ্ছেন, আদালতের কাছে এটা চিন্তার। এজন্য পুলিশের ক্ষতি হচ্ছে। পুলিশ অফিসাররা আইনজীবীর অভাবে এখানে দাঁড়িয়ে নিজেদের বক্তব্য বলছেন। এভাবে চললে প্রশাসনের ক্ষতি।” এর পাশাপাশি এদিন তিনি আইনজীবীদের মামলায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদনও করেছেন।

    সেই সঙ্গে আইনজীবীদের এজলাসে এসে মামলা লড়ার অনুরোধ জানালেন অ্যাডভোকেট জেনারেলও। তিনি বলেন, “মামলায় অংশ নিন, আমার সমর্থন আছে। প্যানেল থেকে নাম বাদ গেলে কিছু করতে পারব না। আমি নিজেও মামলায় অংশ নিয়েছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kharagpur IIT: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    Kharagpur IIT: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়্গপুর আইআইটি’র ছাত্রের রহস্যমৃত্যুতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে ডিরেক্টরের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। এক জন মেধাবী ছাত্রের মৃত্যুকে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন না, শুক্রবার এমনই পর্যবেক্ষণ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। 

    আদালতের নির্দেশ মতো আগামী ২৪ জানুয়ারি খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টর ভি কে তিওয়ারির আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন তিনি টোকিও যাচ্ছেন তাই হাজিরা দিতে পারবেন না বলে জানান তিওয়ারি। বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে আসা হয়। এর পরই বৃহস্পতিবার তিওয়ারির হাজিরার দিন নির্ধারিত করা হয়। শুক্রবার হাই কোর্টে হাজিরা দেন ডিরেক্টর। এদিন বিচারপতি মান্থা তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন,‘‘আদালতের নির্দেশের পরও তাঁরা (আইআইটি কর্তৃপক্ষ) উদাসীন। এটা উচিত নয়। কোনটা বেশি জরুরি? আদালতের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নাকি টোকিও যাওয়া? আপনার বাড়িতে ছেলে মেয়ে নেই ? তাদের সঙ্গে এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে কেমন লাগবে ?’’

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    বিচারপতি মান্থা আরও বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বহু মেধাবী ছাত্ররা আইআইটি-তে পড়তে আসে, তাঁরা সুযোগ পেলে দেশ এবং দুনিয়ার উপকারে লাগবে। তাঁরা এভাবে বাধাপ্রাপ্ত হলে বিরাট ক্ষতি হবে।  র‍্যাগিং একটা জঘন্যতম ঘটনা। এটা না আটকানো গেলে ভবিষ্যতে অনেক বড় সমস্যা হবে।” আইআইটি-র ডিরেক্টরের আইনজীবী অনিন্দ্য মিত্র জানান, ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করছে। এর জন্য অনুসন্ধান কমিটি গড়া (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি) হয়েছে। এর পর ডিসিপ্লিনারি কমিটি রিপোর্ট দেয়। তার ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়া হয়েছে। এ কথা শোনার পর ডিরেক্টর তিওয়ারিকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি আরও বলেন,  “এখানে মামলাকারিরা গুয়াহাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন, সেখান থেকে আসার অর্থ পর্যন্ত নেই। আর আপনি বিষয়টাকে  হালকা ভাবে নিচ্ছেন। আদালতের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না?”

    আরও পড়ুন: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

    গত ১৪ অক্টোবর খড়্গপুর আইআইটির হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় অসমের বাসিন্দা ফয়জান আহমেদের ঝুলন্ত দেহ। বিটেক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, আত্মহত্যা নয়, তাঁকে খুন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন ওই ছাত্র। শুক্রবার ডিরেক্টর যে রিপোর্ট জমা দেন তার ভিত্তিতে নিজেদের বক্তব্য জানাতে মৃত ছাত্রের পরিবারকে সুযোগ দেয় আদালত। এই মামলায় পুলিশকে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ‘‘আপনাদের রিপোর্ট দিতে কত দেরি হবে? ১৫-২০ দিন সময় দেওয়া যাবে না, অনেক দেরি হয়ে যাবে। দয়া করে কোনও পক্ষ নেবেন না। আগামী দিনে কেস ডায়েরি নিয়ে আসবেন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Justice Rajasekhar Mantha: হাইকোর্ট চত্বরে মিটিং-মিছিলে ‘না’, গুচ্ছ নির্দেশিকা বৃহত্তর বেঞ্চের

    Justice Rajasekhar Mantha: হাইকোর্ট চত্বরে মিটিং-মিছিলে ‘না’, গুচ্ছ নির্দেশিকা বৃহত্তর বেঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) চত্বরে করা যাবে না মিটিং-মিছিল। সাঁটানো যাবে না পোস্টারও। মঙ্গলবার এই মর্মে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ। কেবল তাই নয়, এই নির্দেশ কার্যকর করার ভার দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের ওপর।

    বিচারপতি মান্থা…

    গত সোমবার থেকে বিচারপতি মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন আইনীজীবীদের একাংশ। পরে বার কাউন্সিলের একাংশও বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কটের ডাক দেন। এই সোমবারও মান্থার এজলাসে উপস্থিত হননি আইনজীবীদের একাংশ। তাই থমকে গিয়েছে বহু মামলার শুনানি। বিচারপতি মান্থার বিরুদ্ধে যেভাবে হাইকোর্টে আইনজীবীদের বিক্ষোভ, বয়কট হয় এবং পোস্টার সাঁটানো হয়, তার সমালোচনা করেন বহু আইনজ্ঞ। মঙ্গলবার মামলাটি ওঠে হাইকোর্টের বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাশের বৃহত্তর বেঞ্চে। বেঞ্চ (Justice Rajasekhar Mantha) মামলাটির শুনানিতে বলে, খবর কাগজে পড়লাম যে কোর্ট চত্বরে প্রতিবাদ করা হয়েছে। তিনজন আইনজীবীকে দেখেছি প্ল্যাকার্ড নিয়ে। এটা ঠিক নয়। সবার আগে এটাই আপাতত মাথায় রাখা দরকার।

    এদিন বেঞ্চ গুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, হাইকোর্ট চত্বরে কোনও মিটিং-মিছিল করা যাবে না। পোস্টারও মারা যাবে না। এই নির্দেশ কার্যকর করার ভার দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের ওপর। কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে বিচারপতির বাড়ির সামনে পোস্টার মারার ঘটনায় তদন্ত কত দূর। ২ ফেব্রুয়ারি মামলার শুনানি। তার আগে লেক থানা এবং কলকাতা হাইকোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব।

    বিচারপতি মান্থার এজলাসের সামনে ৯ জানুয়ারির ঘটনায় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে কিনা, তা জানতে তলব করা হয় রেজিস্ট্রার জেনারেলকে। তিনি জানিয়েছেন, ৯, ১০ ও ১১ জানুয়ারির ফুটেজ চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ এবং স্টিল ছবি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। বিচারপতির মান্থার বাড়ির সামনে পোস্টারিংয়ের ঘটনায় লেক থানার পুলিশকে তদন্তের যাবতীয় রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। হাইকোর্ট চত্বর ও বিচারপতির বাড়ির সামনে যে পোস্টার লাগানো হয়েছিল, সেসব কোথায় ছাপানো হয়েছে, কারা সেগুলি লাগিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাও রিপোর্ট আকারে দিতে হবে পুলিশকে।

     

     

  • Justice Rajasekhar Mantha: ‘দোষী’ আইনজীবীদের চিহ্নিত করে মামলা, বিচারপতি মান্থা বিক্ষোভকাণ্ডে বলল হাইকোর্ট

    Justice Rajasekhar Mantha: ‘দোষী’ আইনজীবীদের চিহ্নিত করে মামলা, বিচারপতি মান্থা বিক্ষোভকাণ্ডে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন, সেই আইনজীবীদের চিহ্নিত করে বিচার করা হবে। মঙ্গলবার জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বিরুদ্ধে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভের ঘটনার মামলার শুনানি ছিল হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে। সেই বেঞ্চেই এ বিষয়ে মন্তব্য করেন বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। তিনি বলেন, আমরা প্রথমে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখব। কোন কোন আইনজীবী ওই দিনের ঘটনায় যুক্ত ছিলেন, তা চিহ্নিত করা হবে। নির্দিষ্ট করে তাঁদের বিরুদ্ধেই আদালত অবমাননার মামলা করা হবে। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় বলেন, নির্দিষ্ট করে কোনও আইনজীবীকে এখনও পর্যন্ত শনাক্ত করা হয়নি। ওই আইনজীবীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হবে।

    নেপথ্য কথন…

    প্রসঙ্গত, গত সোমবার থেকে বিচারপতি মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন আইনীজীবীদের একাংশ। পরে বার কাউন্সিলের একাংশও বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কটের ডাক দেন। এই সোমবারও মান্থার এজলাসে উপস্থিত হননি আইনজীবীদের একাংশ। তাই থমকে গিয়েছে বহু মামলার শুনানি। অথচ বিচারপতি মান্থার এজলাসেই রয়েছে রাজ্যের বিচারাধীন বেশ কয়েকটি মামলা। তার অনেকগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণও। এমতাবস্থায় আদালত চত্বরে বিচারপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে গত মঙ্গলবার আদালত অবমাননার রুল জারি করেন বিচারপতি মান্থা। তার জেরে মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে।

    এদিকে, এদিন রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এজলাসে ডেকে পাঠায় বিশেষ বেঞ্চ। তাঁকে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের অ্যাসিস্টান্ট কমিশনার সিসিটিভির ফুটেজ দিয়েছেন মুখবন্ধ খামে। তবে তথ্য প্রযুক্তি আইন মেনে তা দেওয়া হয়নি। এদিন বিচারপতি মুখোপাধ্যায় বলেন, যা হয়েছে খুবই খারাপ ঘটনা। আমাদের সবাইকে চিহ্নিত করা দরকার। তবে কোনও ভুল ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন। এদিনই অবশ্য হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল এসে রিপোর্ট জমা দেন। এদিকে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি দল কলকাতা হাইকোর্ট ও যোধপুর পার্কে বিচারপতি মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) বাড়ির আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে গিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

     

  • Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি বয়কট কাণ্ডের তদন্তে কলকাতায় প্রতিনিধি দল পাঠাল বার কাউন্সিল

    Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি বয়কট কাণ্ডের তদন্তে কলকাতায় প্রতিনিধি দল পাঠাল বার কাউন্সিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাসের সামনে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভ এবং বিচারপতির বাড়ির সামনে পোস্টার সাঁটার ঘটনার তদন্তে এবার তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠাল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। রেজিস্ট্রার জেনারেলের সঙ্গে কথা বলবে এই প্রতিনিধি দল। খতিয়ে দেখা হবে বিক্ষোভের দিনের সিসিটিভি ফুটেজও। রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া।

    কারা রয়েছেন এই প্রতিনিধি দলে? 

    বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদলে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রবীন্দ্রকুমার রাইজদা, এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি অশোক মেহতা এবং দিল্লি হাই কোর্ট বার  অ্যাসোসিয়েশন কর্মসমিতির সদস্য বন্দনা কৌর গ্রোভার। রবিবার দুপুরেই কলকাতায় এসে পৌঁছন তাঁরা। আগামী ১৭ জানুয়ারি বারের কাছে এই বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করবেন তাঁরা। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বার। দোষী সাব্যস্ত হওয়া আইনজীবীদের (Justice Rajasekhar Mantha) সাসপেন্ড পর্যন্ত করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে খাদ্যসংকট তুঙ্গে, কী লিখলেন সে দেশের অধ্যাপক, জানেন?

    সুপ্রিম কোর্ট , দিল্লি হাইকোর্ট এবং দিল্লির অন্যান্য নিম্ন আদালতে কর্মরত আইনজীবীরা (Justice Rajasekhar Mantha) গত সোমবারের হাইকোর্ট চত্বরে বিক্ষোভের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে চিঠি দেন বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াকে। ওই  চিঠিতে আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক বার কাউন্সিল।  কলকাতা হাইকোর্টের ওই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দাজনক বলে ব্যাখ্যা করেছেন বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র। তিনি জানিয়েছিলেন, বার কাউন্সিলের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল কলকাতায় আসবেন। এখানকার পরিস্থিতি ঘুরে দেখে দিল্লিতে ফিরে তাঁরা হাইকোর্টের ঘটনা নিয়ে বার কাউন্সিলে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেবে বার কাউন্সিল।

    গত সোমবার বিক্ষোভের আগুনে জ্বলে ওঠে কলকাতা হাইকোর্ট চত্বর। আদালতের মধ্যেই হাতাহাতি শুরু হয় আইনজীবীদের। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাস বয়কটের দাবিতে বিক্ষোভকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় হাইকোর্টে। এজলাসে এসেও বিক্ষোভের জেরে চলে যান বিচারপতি মান্থা। আদালতের বাইরের দেওয়ালে তাঁর নামে পোস্টার পড়ে। পোস্টার পড়ে বিচারপতির যোধপুর পার্কের বাড়ির সামনেও। পুরো ঘটনায় নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, এটা একেবারেই উচিত নয়। বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ডেকে পাঠান তিনি। পুরো ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার রুল জারির রায়, হাইকোর্টে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ

    Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার রুল জারির রায়, হাইকোর্টে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আইনজীবীদের একাংশ। তার জেরে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। ওই ঘটনায় শুক্রবার তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ তৈরি হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। এই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাশ। এদিকে, হাইকোর্ট সূত্রে খবর, দিল্লি যাচ্ছেন বিচারপতি মান্থা। আইনজীবীদের একাংশের অনুমান, গত কয়েক দিনের ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা…

    গত সোমবার থেকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে বিক্ষোভ শুরু করেন আইনজীবীদের একাংশ। মঙ্গলবার পরিস্থিতি চরমে ওঠে। দফায় দফায় বিক্ষোভের জেরে উত্তাল হয়েছিল হাইকোর্ট চত্বর। ডাক দেওয়া হয়েছিল বিচারপতি মান্থার এজলাসও। কিছু মামলায় তাঁর পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশে অসন্তুষ্ট আইনজীবীদের একাংশ। তার জেরে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। মান্থার এজলাস বয়কটের পাশাপাশি পোস্টার পড়ে তাঁর বাড়ির সামনেও। আইনজীবীদের টানা বিক্ষোভের জেরেই গত বুধবার স্বতঃপ্রণোদিতভাবে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিলেন বিচারপতি মান্থা। তাঁর পর্যবেক্ষণ, আদালত কক্ষ অবরোধ করে বিচার করতে না দেওয়া অপরাধের সমতুল্য। কারণ এর ফলে বিচারব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ। এভাবে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে রুল জারি করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই গঠিত হয়েছে বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ।  

    আরও পড়ুুন: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    এদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। ঘটনার তদন্ত করতে বাংলায় তিন সদস্যের দল পাঠাচ্ছে তারা। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের পাঠানো দল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসের বাইরে যাবেন। যেখানে ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গাও পরিদর্শন করবেন। তাঁরা কথা বলতে পারেন বিচারপতি মান্থার সঙ্গেও। অন্যদিকে, বিক্ষোভ প্রদর্শন বন্ধ হলেও, অচল হয়ে রয়েছে বিচারপতি মান্থার ১৩ নম্বর এজলাস। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৪০টি মামলায় যোগ দেননি সরকারি আইনজীবীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share