Tag: jyotipriya mallick

jyotipriya mallick

  • Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতেই শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়। অবশেষে মন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার কথা জানাল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউরোমেডিসিন মেডিসিন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, অর্থোপেডিক এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে এই নতুন মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রথমে মন্ত্রী ভর্তি হন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় তাঁর হার্টের কোনও সমস্যাই নেই (Ration Scam)। এরপর চাপে পড়ে বালুর মেডিক্যাল বোর্ডে রাতারাতি অন্তর্ভুক্ত করা হল হৃদরোগ-বিশেষজ্ঞকে।

    সহকর্মীদের ধারা বজায় রাখলেন বালু

    প্রথমে এসএসকেএম-এর ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ধরে তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় কার্ডিওলজি বিভাগের ডাক্তাররা তাঁকে দেখে জানান, তাঁর হার্টের কোনও সমস্যা নেই। এরপর মন্ত্রীর চিকিৎসা শুরু করেন নিউরোমেডিসিন বিভাগের ডাক্তাররা। আদৌ কি মন্ত্রী অসুস্থ! নাকি তাঁর পুরনো সহকর্মীদের ধারা তিনি বজায় রাখছেন! এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কারণ সিবিআই-ইডির সমন পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা-মন্ত্রী এর আগে ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে (Ration Scam)। ১০ বছর আগে মদন মিত্রকে দিয়ে শুরু হয়েছিল, এরপরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে অনুব্রত মণ্ডল কেউই বাদ যাননি। এসএসকেএম-কে ঘুঘুর বাসা বলে গতকালই তোপ দাগেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জেলে যাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল।’’

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, গতকাল হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছিলেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক অসুস্থতার কারণে এসএসকেএম-এ ভর্তি হলেন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজ্যের মন্ত্রীর নেই হার্টের সমস্যা, অথচ ভর্তি কার্ডিওলজি বিভাগে। বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, এটা রাজনৈতিক অসুখ। এদিনই বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, ‘‘এসএসকেএম একটা ঘুঘুর বাসা। সব নেতা ওখানে যেতে চান। ওখানে রিপোর্ট তৈরি করা হয়। রাজ্য সরকারের মন মোতাবেক সব কিছু হয়। প্রথম থেকেই সবাই ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। জানিনা কোর্ট কেন অনুমতি দিচ্ছে। ইডি-সিবিআই আটকানোর চেষ্টা করে হয়তো সফল হয়নি। ওখানে গিয়ে ওরা একটা মৃত সঞ্জীবনী পায়। হয় জামিন হবে, নাহলে সুস্থ হবেন। অসুস্থ কেউ নয়। আরাম করার ভালো ব্যবস্থা।’’

    দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের আশ্রয়স্থল এসএসকেএম

    এসএসকেএম যেন সিবিআই-ইডির (Ration Scam) হাত থেকে বাঁচার একটা বড় আস্তানা হয়ে উঠেছে। এখন নয়, ১০ বছর আগেই সারদাকাণ্ডে সমন পেয়ে মদন মিত্র শুরু করেছিলেন। এর পরবর্তীকালে একই ধারা বজায় রাখেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসকেএম থেকে সোজা পাঠানো হয় ভুবনেশ্বরের এইমস হাসপাতালে। সেখানে অবশ্য চিকিৎসকরা তাঁকে ফিট সার্টিফিকেট দেন। এরপরে ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। আবার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু এক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাইপাস সার্জারি করে ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

    কার্ডিওলজি বিভাগের পাঁচ নম্বর কেবিনে বালু

    রাজ্যের বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অবশ্য কার্ডিওলজি বিভাগের (Ration Scam) পাঁচ নম্বর কেবিনে বর্তমানে রয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ তিনি হার্টের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নেই। নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা করছেন বলে জানা গিয়েছে। জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে সেখানেও কার্ডিওলজি বিভাগের কোনও চিকিৎসক নেই বলে জানা গিয়েছে। এসএসকেএম-এ আসার পরেই ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন বালু। এই সময়ের মধ্যেই তাঁকে একাধিক পরীক্ষা করানো হয়। দেখে যান কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। তাঁরা বলেন, বুকে সেরকম কোনও সমস্যা নেই মন্ত্রীর। তাঁদের পরেই আসেন নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। এরপরই ঠিক হয় মন্ত্রীকে নিউরোলজি মেডিসিনের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা হবে।

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে তার ঠিক দু’ঘণ্টা আগেও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে দেখা গিয়েছে ইডি আধিকারিকদের (Ration Scam)। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: রেশন কেলেঙ্কারিতে জ্যোতিপ্রিয়র ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেল ইডি

    Jyotipriya Mallick: রেশন কেলেঙ্কারিতে জ্যোতিপ্রিয়র ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ এবং জেরায় এখনও পর্যন্ত এক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দুর্নীতির মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমান ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। এছাড়াও রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হয়েছেন। ফলে শাসক দল তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলে থাকায় তৃণমূল যে চাপের মুখে, তা রাজনীতির একাংশ মানুষ মনে করছেন।

    রেশন দোকান থেকে টাকা তোলা হত (Jyotipriya Mallick)

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রায় ২১ হাজার ৩০০ টি রেশন দোকান আছে। অধিকাংশ রেশন দোকান থেকে মাসে ৪ হাজার করে টাকা তোলা হত বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের শাসনে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) টানা দশ বছর খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন। এই দশ বছরে প্রত্যেক রেশন দোকান থেকে মাসে মাসে টাকা তুলতেন। ফলে ইডি অনুমান করছে, প্রায় ৭০০ কোটি টাকা পর্যন্ত তোলা হয়। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভুয়ো দোকানের সংখ্যা প্রায় ৩০০র থেকে বেশি বলে সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো ন্যায্যমূল্যের রেশনকে দুর্নীতি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়েছে। হিসাবে আরও জানা গিয়েছে, গত ৮ বছরে এখান থেকে ১৫০ কোটি টাকা তোলা হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী অফিসাররা। এছাড়াও অনুমোদিত দোকানগুলি থেকে দুর্নীতি-সিন্ডিকেটের সদস্যরা রেশন সামগ্রী বাজারে বিক্রির করে ২০০ কোটি টাকা তুলেছে বলে মনে করছেন ইডির অফিসাররা। এভাবেই রেশন কেলেঙ্কারিতে জ্যোতিপ্রিয়র ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেয়েছে ইডি।

    মন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক থেকে উদ্ধার ডায়েরি

    প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরির তথ্যে জানা গিয়েছে, বাকিবুর রেশনের ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার এবং রেশন দোকানের মালিকদের কাছ থেকে কোটি কোটি কালো টাকা আদায় করতেন। গত দশ বছর ধরে এই ভাবেই দুর্নীতির টাকা আদায় করেছেন মন্ত্রী এবং বাকিবুর।

    এই টাকা কোথায় গেল?

    তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে মাত্র ৫০ কোটি টাকার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। বেশির ভাগ টাকার এখনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। রেশনের বণ্টনের দুর্নীতির টাকা ৫০-৫০ ভাগ হত। একভাগ যেত বাকিবুর এবং সহযোগীদের কাছে। আর অপর আরেক ভাগ যেত মন্ত্রীর কাছে। ইডি মনে করছে, দুর্নীতির একটা বড় অংশের টাকা বিদেশে চলে গিয়েছে। তদন্তকারী অফিসারদের অনুমান, জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) পর্যন্ত টাকা শুধু পৌঁছায়নি। টাকা আরও অনেক প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    ইডির এক তদন্তকারী অফিসার জানান, “বাকিবুরের পরিবারের সদস্য এবং মন্ত্রীর (Jyotipriya Mallick) স্ত্রী, মেয়েকে ডিরেক্টর করে মোট তিনটি সংস্থা খোলা হয়েছিল। এই সংস্থার মাধ্যমে ২০ কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়। কিন্তু এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা মন্ত্রী এবং মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রাখা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ‘‘আমি মন্ত্রী, জেল রাজ্যের, এই সেলে থাকব না’’, বললেন অসন্তুষ্ট বালু 

    Ration Scam: ‘‘আমি মন্ত্রী, জেল রাজ্যের, এই সেলে থাকব না’’, বললেন অসন্তুষ্ট বালু 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সেলে ঠাঁই হয়েছে মন্ত্রী জ্য়োতিপ্রিয়র (Ration Scam)। জেলে এখনও পর্যন্ত দু’রাত কাটাননি মন্ত্রী। তার মধ্যেই নতুন নতুন বায়না শোনা গেল তাঁর মুখে। প্রেসিডেন্সি জেলের কর্তারা মন্ত্রীর এই একের পর এক আবদারের দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তাঁর জন্য বরাদ্দ ৭ নম্বর সেল নিয়ে অসন্তুষ্ট হন তিনি। সেটা ঘিরেই শুরু হয় একপ্রস্থ নাটক। কোনওভাবেই ৭ নং সেলে থাকবেন না বালু, অন্যদিকে নাছোড়বান্দা জেল কর্তৃপক্ষ। বালু বলেন, ‘‘আমি রাজ্যের মন্ত্রী। এই জেল রাজ্য সরকারের আওতায় রয়েছে (Ration Scam)। আমি এই সেলে থাকব না। আমাকে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হোক। আমার শরীরের বাঁদিক পুরো প্যারালাইসিস হয়ে গিয়েছে।’’

    সারারাত জেগে মন্ত্রী

    জেলসূত্রে জানা আরও জানা গিয়েছে রবিবার রাতে জেলের খাবার খেতে অস্বীকার করেন বালু এবং বলেন, ‘‘আমাকে শুধু ওষুধ দাও। আমি কিছু খাব না।’’ তবে জেল কর্তৃপক্ষ, জেলের চিকিৎসকরা মন্ত্রীকে বুঝিয়ে শুনিয়েও পারেননি। শেষ পর্যন্ত রাত আড়াইটে (Ration Scam) নাগাদ খাবার খান মন্ত্রী। আদালতের কোনওরকম নির্দেশ না থাকার কারণে জেলে বালুর জন্য আলাদা খাটের বন্দোবস্ত করা যায়নি। মাটিতে কম্বল পেতেই শুতে হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। দুটি কম্বলকে এক করে বালিশ বানান মন্ত্রী। সারারাত কার্যত জেগেই কাটিয়েছেন মন্ত্রী।

    পার্থর প্রতিবেশী বালু

    গত রবিবার রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেল হেফাজতে নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। দুর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী তার আগে পর্যন্ত ছিলেন ইডি হেফাজতে। রবিবার সন্ধ্যাতেই বালুকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। সেখানে পহেলা ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ঠাঁই হয়েছে তাঁর। প্রেসিডেন্সি জেলে অবশ্য নিজের দলের সহকর্মীদের সঙ্গেই (Ration Scam) রয়েছেন বালু। কারণ একই জেলে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহার মতো বিধায়করাও রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: একই সেলে বালু-পার্থ! সুকান্ত বললেন, ‘‘এই জেল যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’’

    Ration Scam: একই সেলে বালু-পার্থ! সুকান্ত বললেন, ‘‘এই জেল যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ড যেন এমএলএ ব্লক হয়ে উঠেছে, অন্তত কারারক্ষীদের একাংশ এই সেলকে এমএলএ ব্লক নামেই ডাকছেন (Ration Scam)। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহা আগে থেকেই সেখানে ছিলেন এবার তাঁদের প্রতিবেশী হলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রসঙ্গত, গত রবিবারই ইডি হেফাজত থেকে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সেলে রয়েছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়। তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কদের একই সেলে থাকা নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রীতিমতো জনপ্রিয় গানের প্যারোডিও শোনা গেল রাজ্য বিজেপির প্রধানের কণ্ঠে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    বালুরঘাটের সাংসদ এদিন বলেন, ‘‘চুরিবিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড় ধরা। ধরা পড়ে গেছ, জেলযাত্রা হবে এটাই তো স্বাভাবিক। জ্যোতিপ্রিয় এবং পার্থ দুজনেই হাতে হাত রেখে গান করুন, এই জেল যদি না শেষ হয়…তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এবার থেকে হয়তো রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেট মিটিং প্রেসিডেন্সি জেলে অথবা দিল্লির তিহাড়ে হবে।’’

    সারারাত ঘুমোননি বালু! দাবি কারারক্ষীদের একাংশের 

    সংশোধনাগার সূত্রে খবর, রবিবার রাতে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট থেকে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে (Ration Scam) আসার পরেই অস্থির হয়ে পায়চারি শুরু করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা এরপর তাঁর চিকিৎসাও করেন। আদালতে নির্দেশ মতো তাঁকে খেতে হবে জেলের খাবার। অন্যান্য কয়েদিদের মতো জেলের দুটি কম্বলকে বালিশ করে রাতে শুয়ে পড়েন মন্ত্রী। জেলসূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সারারাত কার্যত তিনি জেগেই ছিলেন। অন্যদিকে ওই জেলে (Ration Scam) কর্তব্যরত কারারক্ষীদের একাংশ জানিয়েছেন, সোমবার সাত সকালেই নিজের সেল থেকে বেরিয়ে পড়েন বালু। মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহার সঙ্গে বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেন তিনি। আবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সেলের কাছে গিয়েও তাঁর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় জ্যোতিপ্রিয়কে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: খেতে হবে জেলের খাবার, শুতে হবে মেঝেতে! প্রেসিডেন্সি জেলে কেমন আছেন বালু?

    Ration Scam: খেতে হবে জেলের খাবার, শুতে হবে মেঝেতে! প্রেসিডেন্সি জেলে কেমন আছেন বালু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হেফাজতে থাকাকালীন বাড়ির খাবারই খাচ্ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী (Ration Scam) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তবে তাঁর জেল হেফাজত হওয়ার পরে এখন জেলের খাবারই খেতে হবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বেসরকারি হাসপাতালের চার্ট মেনে তাঁকে জেলের রান্না করা খাবার দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আইনজীবী। শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে খাবার দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। মন্ত্রীর ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, পাশাপাশি কিডনিরও অসুখ রয়েছে। সেই কারণে জেলের খাবারে আরও অসুস্থতা বাড়তে পারে বলে আদালতে জানিয়েছিলেন মন্ত্রীর আইনজীবী। এরপরে জেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় আদালত। সোমবার এই মর্মে ব্যাঙ্কশাল কোর্টের কাছে বিশেষ রিপোর্ট জমা দেয় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার। সূত্রের খবর, ওই রিপোর্টে জানানো হয় যে ডায়েট চার্ট মেনে যাবতীয় খাবার দেওয়ার (Ration Scam) পরিকাঠামো প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী মন্ত্রীকে খাবার দেওয়া যেতে পারে। এরপরেই তা অনুমোদন করে আদালত।

    জেলের ২২ নম্বর সেলে রয়েছেন মন্ত্রী

    মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলের ২২ নম্বর সেলে। সূত্রের খবর, জেলের সেলে প্রথম রাতে মেঝেতে কম্বল পেতে শুয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ওই সেলেই রয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সমস্ত অভিযুক্তরা। তবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক নিজের সেলে একা রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। টিভি, খাট এ সমস্ত কিছু পরিষেবা (Ration Scam) সেখানে নেই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কারও সঙ্গে কথাও বলছেন না বলে জানা গিয়েছে। সকালে একবার তাঁকে সেলের বাইরে উঁকি দিতে দেখা যায়।

    ২৭ অক্টোবর গ্রেফতার গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয়

    রবিবারই মন্ত্রীকে জেল হেফাজতে নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত বর্তমান বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী থাকবেন জেল হেফাজতে। এর মাঝে জেলে গিয়েও তাঁকে জেরা করার আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। দুর্গাপুজোর ঠিক পরেই গত ২৭ অক্টোবর রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার (Ration Scam) করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পুজোর আগে গ্রেফতার হন বাকিবুর রহমান, তাঁর সূত্র ধরেই উঠে আসে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। জেলে গিয়েও তাঁকে ইডি জেরা করবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ঋণের টাকারও আয়কর দিতেন মন্ত্রী! বালুর অবান্তর দাবিতে বিভ্রান্ত ইডি

    Ration Scam: ঋণের টাকারও আয়কর দিতেন মন্ত্রী! বালুর অবান্তর দাবিতে বিভ্রান্ত ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই জেল হেফাজত হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Ration Scam)। রবিবার তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করে ইডি। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে ৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। রেশন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পর পরই হদিশ মেলে ‘শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘গ্রেসিয়ার্স ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘গ্ৰেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’ এই তিনটি সংস্থার। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই সংস্থাগুলিকে কাজে লাগানো হতো দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতে। শুধু তাই নয়, জ্যোতিপ্রিয় বাকিবুরের কাছ থেকে ৯ কোটি টাকার ঋণ নেন। এই ঋণের টাকাও নাকি আয়কর দিতেন জ্যোতিপ্রিয়। বালুর এমন অযৌক্তিক দাবি ঘিরে বিভ্রান্ত ইডি কর্তারাও।

    কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হতো

    রবিবারই আদালতে পেশ করা আবেদনপত্রে ইডি উল্লেখ করেছে যে মন্ত্রীর নির্দেশেই স্ত্রী ও মেয়ে ওই সংস্থার (Ration Scam) ডিরেক্টর হন। এমনকী চেকবইতে সই করার পরে সেটা তাঁরা জ্যোতিপ্রিয়র হাতেই দিতেন। পরে জ্যোতিপ্রিয় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টকে জানিয়ে দিতেন ওই টাকা সরানোর জন্য। এরপর বাকিবুরের সংস্থা থেকে পুরো টাকা অন্য সংস্থায় সরিয়ে দেওয়া হতো। এই টাকার অঙ্ক প্রায় ২০ কোটি বলে মনে করা হচ্ছে।

    ঋণের টাকার আয়কর!

    বাকিবুর রহমানের (Ration Scam) কাছ থেকে ৯ কোটি টাকা ঋণের আয়কর জমা দেওয়া নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। তদন্তকারী আধিকারিকরা এমনটাই জানিয়েছেন। ইডির দাবি, কোনও ব্যক্তির কাছে ঋণ নিলে তার আয়কর জমা দেওয়া যায় না এবং আয়কর বছরে কত টাকা তিনি আয় করেছেন তার ভিত্তিতেই হয়। এক্ষেত্রে এক অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ বলছেন, ‘‘এটাকে অবান্তর বললেও ভুল হবে। লোন দুরকম হয়। একটা সিকিওরড লোন, একটা আনসিকিওরড লোন। সিকিওরড লোনের ক্ষেত্রেও ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে কর ছাড় পাওয়া যায়। কিন্তু এটা কোনওভাবেই আয়ের অংশ নয়। তাই ঋণ কীভাবে আয়ের অংশ হতে পারে, সেটাই বোঝা যাচ্ছে। যেটা কিনা মন্ত্রী আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন। ঋণের ওপর সুদের ওপর কর ছাড় থাকে। মন্ত্রীর ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে, সেটা পৃথিবীর কোনও দেশে হয়না।’’ বাকিবুরের কাছে ঋণ নেওয়া নিয়ে মন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ছেড়ে দিন, গল্প ছেড়ে দিন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খোঁয়াড় উডবার্ন ওয়ার্ডে যেতে চাইছেন বালু” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খোঁয়াড় উডবার্ন ওয়ার্ডে যেতে চাইছেন বালু” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেজুরির বাঁশগোড়া বাজার কমিটি আয়োজিত “শ্রীশ্রী কালীপুজো ও দীপাবলি” উৎসবের শুভ সূচনা করে সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বালুর শরীর খারাপ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খোঁয়াড় এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে যেতে চাইছেন।” পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, “সনাতনকে রক্ষা করতে পারলেই আমাদের উদ্বাস্তু হতে হবে না।”

    বালুকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আমি মারা যাবো, অবস্থা খুব খারাপ।” এরপর বালুর শরীর খারাপ প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, “এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খোঁয়াড়। সেখানেই যেতে চাইছেন। ওখানে গেলে আদর-যত্ন ভালো পাবেন। আর এই জন্যই এমন করছেন। ওসব নাটক ছাড়া কিছুই নয়। ওঁর কিচ্ছু হয়নি।”

    খেজুরি নিয়ে কী বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    খেজুরিতে কালীপুজোর শুভ সূচনা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০১০ সালে তৎকালীন সিপিএমের হার্মাদরা মানুষের গণতন্ত্রকে লুট করে গোটা খেজুরিতে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করে দিয়েছিল। সেই দিন আমি এলাকার রাস্তায় নেমে পদযাত্রা করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের চোর-গুন্ডারা সনাতন ধর্মের উপর আক্রমণ করলে মানুষের পাশে দাঁড়াবো। পুজো উদ্যোগতাদের বলব বাজারের খুচরো ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্সের টাকা যেন বৃদ্ধি না করা হয়। রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী ২ কোটি বেকার তৈরি করেছেন। এই রাজ্যের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ অন্য রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিক হয়েছেন।”

    সনাতন ধর্ম নিয়ে কী বলেন শুভেন্দু?

    কালীপুজোর উদ্বোধন করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সনাতন ধর্মকে বারবার অপমান করেছেন। দুর্গাপুজোয় দেবী পক্ষের আগেই উদ্বোধন করে হিন্দু ধর্মের সম্মানহানি করেছেন তিনি। মন্ত্রের পাঠ এবং উচ্চারণ ভুল করে বিকৃত করছেন। তথাকথিত সেকুলারদের সনাতন ধর্মের উপর আক্রমণ করার সুযোগ করে দেন মাননীয়া। তাই বঙ্গে ভারতীয় সনাতনী মূল্যবোধ গীতা, উপনিষদ, বেদ, রামায়ণ, মহাভারতকে রক্ষা করতে হবে। ধর্মকে রক্ষা না করলে, ধর্মও মানুষকে রক্ষা করবে না।

    সনাতন ধর্ম রক্ষা এবং উদ্বাস্তু নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আফগানিস্তানে তালিবান শাসন চলছে। যাঁরা ধর্ম সংরক্ষণ করেছেন তাঁদের অনেককেই ভারতে পুনর্বসতি দেওয়া হয়েছে। আর যাঁরা ধর্ম ত্যাগ করেছেন তাঁদেরকে ধর্মও ত্যাগ করেছে। তাই এই কার্তিক মাসে আমাদের হিন্দু সনাতনী ভাবনার মূল্যবোধকে রক্ষা করতে হবে। দামোদর মাস, হরিনাম, বৈষ্ণব ভোজন, পূজা-পার্বণ করতে হবে। সেই সঙ্গে সনাতনীদের উপর আক্রমণ হলে সকলকে একত্রিত হতে হবে। এই কাজ করতে পারলেই ভারত কখনও ইউক্রেন, প্যালেস্টাইন বা লেবাবান হবে না। তাই আমরা সনাতনকে রক্ষা করলেই আর উদ্বাস্তু হবো না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন আস্থাভাজনরা! তাই কি মৃত্যুভয় গ্রাস করছে জ্যোতিপ্রিয়কে?

    Ration Scam: পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন আস্থাভাজনরা! তাই কি মৃত্যুভয় গ্রাস করছে জ্যোতিপ্রিয়কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে একে নিভিছে দেউটি! দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন আস্থাভাজনরা। ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন রেশন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দিন কয়েক আগেও যে জ্যোতিপ্রিয়কে বলতে শোনা গিয়েছিল ১৩ তারিখে দেখা হবে, রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার সেই তৃণমূল নেতাকেই দেখা গেল মৃত্যু ভয়ে সন্ত্রস্ত্র অবস্থায়।

    মৃত্যুভয়!

    রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় এদিন বলেন, “শরীর অত্যন্ত খারাপ, মৃত্যুশয্যায় প্রায়। লেফট সাইডটা প্রায় প্যারালিসিস হয়ে গিয়েছে।” সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, “আমি মরে যাব। অবস্থা খুব খারাপ।” তিনি যে শরীর খারাপের ‘দোহাই’ দিয়ে গ্রেফতারি এড়াতে চাইছেন, তা বলেছেন বিরোধীরা। কারণ, শুক্রবারও তৃণমূল নেত্রী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সতীর্থ বলেছিলেন, “আমার শরীরটা খুব খারাপ। আমার বাঁ হাত ও পা দুটিই প্রায় পক্ষাঘাতের মতো হয়ে গিয়েছে। আমি হাসাপাতালে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছি। চিকিৎসা করিয়ে ফিরে আসব।”

    ঝুলি থেকে বের হতে পারে বিড়াল

    জ্যোতিপ্রিয় শরীর খারাপ বললেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা বলছেন না। গ্রেফতার (Ration Scam) হওয়ার পরে ইডি হেফাজতের কথা শুনে যেদিন এজলাসেই প্রথম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রিমশাই, সেদিন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বেসরকারি এক হাসপাতালে। সেখানে পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, জ্যোতিপ্রিয় সুস্থই। তার পরেই তাঁকে হেফাজতে নেয় ইডি। কেন রাজ্যের মন্ত্রীকে গ্রাস করেছে মৃত্যুভয়? মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের একটা অংশের মতে, মন্ত্রীর একের পর এক আস্থাভাজন যেভাবে মুখ খুলতে শুরু করেছেন, তাতে ঝুলি থেকে বিড়াল বের হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সত্য ফাঁস হয়ে গেলে সমূহ বিপদ।

    আরও পড়ুুন: ৪ দিনের জেল হেফাজত বালুর, মন্ত্রীর নির্দেশেই ৩ সংস্থার ডিরেক্টর হন স্ত্রী ও কন্যা, দাবি ইডির

    একের পর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি যাবতীয় কেলেঙ্কারির দায় চাপিয়ে যাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়র ঘাড়ে। মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস সাফ জানান, যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রীর নির্দেশে। মন্ত্রীর পরিচারক রামস্বরূপ শর্মা জানিয়েছেন, সাদা কাগজে তাঁকে দিয়ে সই করিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র লোকজন। চালকল মালিক বাকিবুর রহমানও জানিয়েছেন, যা হয়েছে, তা মন্ত্রীর নির্দেশেই। দিন গড়ানোর পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন দলীয় নেতৃত্বের একাংশও। প্রত্যাশিতভাবেই মন্ত্রীকে গ্রাস করেছে (Ration Scam) মৃত্যুভয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি ও শ্যালক ছিলেন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি ও শ্যালক ছিলেন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে এতদিন পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়র মেয়ে এবং স্ত্রীর নাম উঠে এসেছিল। এবার আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। জানা গিয়েছে, তিনটি সন্দেহভাজন শেল কোম্পানির (Ration Scam) ডিরেক্টর হিসেবে জ্যোতিপ্রিয় কখনও নিজের শাশুড়ি, কখনও নিজের আপ্তসহায়কের ঘনিষ্ঠকে, আবার কখনও নিজের শ্যালককে দেখিয়েছিলেন। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ৯ জন এই তিন সন্দেহভাজন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। এখন এই ৯ জন ইডির আতস কাচের তলায়।

    শেল কোম্পানিগুলিতে জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠদের ডিরেক্টর পদের সময়কাল 

    ইডির দাবি, ‘গ্রসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’ এর ডিরেক্টর ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি। ঘটনাক্রমে, তিনি বর্তমানে জীবিত নেই। প্রয়াত অঞ্জলি সেন ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ওই কোম্পানি ডিরেক্টর পদে ছিলেন। পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত-সহায়ক ঘনিষ্ঠ রণিত ‘গ্রসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘গ্রসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’, এই তিনটি কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। ইডি সূত্রে যে তথ্য সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ওই কোম্পানিগুলির ডিরেক্টর ছিলেন রণিত। অন্যদিকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শ্যালক অশোককুমার সেন ‘গ্রসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’ কোম্পানির (Ration Scam) ডিরেক্টর ছিলেন ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। অশোক সেন ‘হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেডে’র ডিরেক্টর ছিলেন ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত।

    আরও ৪ নতুন কোম্পানি ইডির র‌্যাডারে

    অন্যদিকে, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) তিনটি শেল কোম্পানি ছাড়াও গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছে আরও চারটি নতুন কোম্পানি। এই কোম্পানিগুলির ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাস ও তার স্ত্রী সুকন্যা দাসের। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, কালো টাকার সাদা করতেই এই সমস্ত কোম্পানিগুলোকে খোলা হয়েছিল। নতুন যে চারটি কোম্পানির হদিশ গোয়েন্দারা পেয়েছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে তিনটি কোম্পানির ঠিকানা কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে আর চতুর্থ কোম্পানির ঠিকানা হাওড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share