Tag: jyotipriya mallick

jyotipriya mallick

  • Ration Scam: ডিলাররা ফড়েদের কাছে রেশন-সামগ্রী বিক্রি করত, অভিযোগে তোলপাড় মেমারি

    Ration Scam: ডিলাররা ফড়েদের কাছে রেশন-সামগ্রী বিক্রি করত, অভিযোগে তোলপাড় মেমারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলাররা ফড়েদের কাছেই রেশনের (Ration Scam) সামগ্রী বিক্রি করে। উপভোক্তাদের এই অভিযোগে তোলপাড় পূর্ব বর্ধমানের মেমারি। রেশন-দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। অপর দিকে রেশনের চাল, আটা, গম বিক্রি করে কালো টাকায় বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির পাহাড় নির্মাণ করেছেন তৃণমূল নেতা বাকিবুর রহমান। এখন জেলায় জেলায় রেশন দুর্নীতি মামলায় চলছে ধরপাকড় এবং তল্লাশি। রেশনের সামগ্রী ফড়েদের কাছে বিক্রি করেই করা হত রেশন-দুর্নীতি।

    কীভবে চলত বিক্রি (Ration Scam)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, রেশন (Ration Scam) ডিলাররা উপভোক্তাদের অনলাইনের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী না দিয়ে দিতেন টোকেন। এরপর উপভোক্তাদের প্রাপ্য সামগ্রী এক দল অসাধু ব্যবসায়ী বা ফড়েদের কাছে বিক্রি চলতো। এই বিষয়ে মেমারির বেনাপুর গ্রামের মানুষের অভিযোগ, এমন ভাবেই এই এলাকার ডিলার, রেশনের সামগ্রী বিক্রি করে দুর্নীতি করতেন। আর গতকাল মঙ্গলবার এই অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ালে পরিস্থিতি সামাল দিতে আসে পুলিশ।

    রেশন ডিলারের বক্তব্য

    স্থানীয় ডিলার রাজীব রায় বলেন, “ওই টোকেনের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কর্মীরা যুক্ত থাকতে পারেন। রেশন সামগ্রীর হিসাবেও গোলমাল হচ্ছে, খাদ্য দফতরকে জানাবো।” পরে অবশ্য রেশন দোকানের কর্মী বিপ্লব পাল বলেন, “টোকেন দেখেই আমরা রেশন সামগ্রী দিতাম। তবে কাকে কীভাবে টোকেন দেওয়া হয়েছে, তা আমি বলতে পারবো না।”

    পূর্ব বর্ধমানের জেলা খাদ্য নিয়ামক মিঠুন দাস বলেন, “অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থলে তদন্তকারী অফিসারদের পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি রসুলপুরের রেশন (Ration Scam)  ডিলারকে সোমবার সাসপেন্ড করা হয়েছে।”

    ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য

    পশ্চিমবঙ্গ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব বর্ধমানের সম্পাদক পরেশচন্দ্র হাজরা বলেন, “রেশন বণ্টনে (Ration Scam) টোকন দেওয়ার বিশেষ কোনও নিয়ম নেই। ইংরেজি বুঝতে না পারলে গ্রাহকের অনলাইন বিলের পিছনে প্রাপ্য সামগ্রী লিখে রাখতে হবে। এই বিষয়ে খাদ্য দফতর ব্যবস্থা যদি না নেয়, তাহলে ডিলার অ্যাসোসিয়েশন কোনও ব্যবস্থা নেবে না। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘মুখ্যমন্ত্রী মামলার হুঁশিয়ারি দিলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা থামবে না’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘মুখ্যমন্ত্রী মামলার হুঁশিয়ারি দিলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা থামবে না’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বাজার এলাকায় বিজয়া সম্মেলনীতে উপস্থিত হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, একাধিক দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্য সরকারের একের পর এক মন্ত্রীরা সবাই জেলে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতিগ্রস্তদের আড়াল করছেন। নিজের মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের আগলে রাখতে এবং নির্দোষ প্রমাণ করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু, যতই ভয় দেখাক না কেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা থামবে না। রাজ্য সরকারের যে পাহাড় সমান দুর্নীতি, সেই দুর্নীতির মুখোশ এবার সাধারণ মানুষের সামনে খুলে গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার রাজনীতিতে অবদান হল অশিক্ষিত লোকেদের রাজনীতিতে আনা। মুখ্যমন্ত্রী এই মন্ত্রে বিশ্বাস করেন “কাজের সময় কাজী, আর কাজ ফুরালেই পাজি”। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যেখানে সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে বলছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন, তাদেরকে জেরা করা প্রয়োজন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা বলছেন, তিনি কিছু জানেন না। দশ বছর ধরে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক চুরি করে যাচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী জানেন না এই কথা বললে আর কেউ বিশ্বাস করবে না।

    দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    আগামী লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে নিজেদের ঘর গোছাতে শুরু করে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় পদ্ম ফোটাতে মরিয়া প্রচেষ্টা শুরু করে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। কর্মীদের চাঙা করতে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন বলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি প্রার্থী ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবে। মানুষ এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে আর দেখতে চাইছে না। বিজেপি একমাত্র পারবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে। তাই, জোটবদ্ধ হয়ে কর্মীদের এখন থেকে লড়াই করার ডাক দিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উলুবেড়িয়াতে বাসিন্দাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের ৫ থেকে ৬ টি গ্রামের বাসিন্দারা রাইস মিলের মালিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে। মূল অভিযোগ, গ্রামের মানুষের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের বই করে দিত এজেন্টরা। যাদের নামে অ্যাকাউন্ট খোলা হতো, তাদের কাছে রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) ধান বিক্রির টাকা ঢুকত। ২০ হাজার, ৫০ হাজার এমনকি লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত বলে জানা গিয়েছে। বিনিময়ে গ্রামবাসীরা জমি বা ধান চাষ না করলেও এজেন্ট মারফত কিছু টাকা পেতো। কিন্তু যে টাকা ধান বিক্রির নামে জমা করা হতো, কার্যত দুর্নীতি করে সবটাই চলে যেতো চালকল মালিকের পকেটে। ফলে চালকলে ধান বিক্রির টাকা নিয়ে রেশন-দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য জানা গিয়েছে।

    মূল অভিযোগ (Ration Scam)

    হুগলির অঙ্কিত রাইসমিল নানান ভাবে প্রলোভন দেখাতো। রাইসমিলের এজেন্টরা বোঝাতো অ্যাকাউন্ট থাকলেই মিলবে টাকা। কিন্তু এই টাকা সোজা পথের টাকা নয়। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে যেতো। তারপর কালো টাকাকে সাদা করে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হতো ঘুরপথে। তবে যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত তাদের সামান্য পরিমাণের টাকা দেওয়া হতো। তবে বেশিরভাগটাই চলে যেতো এজেন্ট হয়ে চালকলের মালিকের কাছে। এই ভাবেই রাজ্যের রেশনের-দুর্নীতির একটা বিরাট চক্র চলেছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বাকিবুর এবং প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  

    গ্রামবাসীর বক্তব্য

    উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের এক গ্রামবাসীরা, সঞ্জয় মান্না এক ব্যক্তির নাম তুলে বলেছেন তিনিই হলেন, চালকল এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যুক্ত গ্রামবাসীদের মধ্যে সংযোগকারী ব্যক্তি। যদিও সঞ্জয় নিজে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “আমার কাছে কিছু নেই। মিল থেকে লোকজন আসতো এবং ওরাই কাজ করত। টাকা (Ration Scam) দিয়ে যেত আর আমি কেবল টাকা দিতাম। আজ তিন বছর ধরে এই কাজ করছি আমি। যারা ধান দিয়ে যেতো আমি তাদের টাকা দিতাম। এইসব টাকা ধানের টাকা।”

    পরে তিনি আরও বলেন অঙ্কিত মিল থেকে যা বলা হতো তিনি তাই করতেন। একক ভাবে চালকলের হয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ জনের নামে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট বই খুলে দিয়েছেন। এলাকায় বিশেষ ক্যাম্প করে এই কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জগাছার অঙ্কিত রাইসমিলে ইডি ২৬ ঘণ্টা তাল্লাশি চালিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) মামলায় এই মিলও এখন ইডির নজরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘করোনাকালে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে,’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘করোনাকালে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে,’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনাকালে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে  নন্দকুমারে ” বিজয়া সম্মিলনী”র আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা আগেই জেলে গিয়েছে, এবার গিয়েছে খাদ্য। এদের মাথায় রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব থেকে বড় চোর। তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। আসল চোরকে ধরতে হবে। এই চোরকে জেলে না পাঠানো পর্যন্ত আমাদের নিস্তার নেই। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন। সব তথ্য আমরা সংগ্রহ করছি। কোভিডের সময় কোটি কোটি টাকা মাস্ক সহ অন্যান্য জিনিসের টাকা লুট হয়েছে। কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। মৌসুমী বলে একজন ভাইপোর শ্যালিকার শ্বশুর পবন অরোরা মিলে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে। এই পবন অরোরা সবুজ সাথি সাইকেল রাজ্যে সরবরাহ করেন। প্রতিটি সাইকেলে ৪০০ টাকা করে কমিশন খান। তাই. শুধু শিক্ষা, খাদ্য নয় স্বাস্থ্যকে জেলে ঢোকাতে হবে।

    কুণাল ঘোষকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    শিশিরের সম্পত্তি নিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের মন্তব্যের পরিপেক্ষিতে এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, কে মন্তব্য করেছে? আমি ওর কথার উত্তর দিইনা। ও একটা নেড়ি। রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। ভাইপো এই সব বলার জন্য মাসে তিন লক্ষ টাকা দিয়ে থাকে। তাই এই সব বলছে। শিশির অধিকারী একজন লিজেন্ড। তাঁর বিরুদ্ধে যারা আঙ্গুল তুলবে তারা ধ্বংস হবে।

    বন দফতরে বালুর টাকা তোলা নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    এদিন  মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বন দফতরের আধিকারিকদের সাবধান করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, বালু জেলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বন দফতরের প্রতিটি রেঞ্জ থেকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হত। গত মাসেও এই টাকা দেওয়া হয়েছে। সব বন দফতরের আধিকারিকদের বলছি, এখনও সময় আছে বন্ধ করুন। না হলে খাপ খুলব। ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির প্রার্থী দিয়ে ভাপোকে হারাবোই। পাশাপাশি  তমলুক ও কাঁথি লোকসভায় দেড় লক্ষের বেশি ভোটে জয়লাভ করবো কথা দিচ্ছি। আগামী ২৯ তারিখে কলকাতায় সমাবেশে জেলা থেকে বেশি সংখ্যক কর্মী সমর্থকদের যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া বিল ছাপিয়ে তোলাবাজি তৃণমূলের, জেলা জুড়ে শোরগোল

    Mamata Banerjee: মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া বিল ছাপিয়ে তোলাবাজি তৃণমূলের, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের এখন ল্যাজেগোবরে অবস্থা। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলের ঘাঁনি টানছেন। এরমধ্যেই তৃণমূলের কাটমানি খাওয়া আর তোলাবাজি করা নিয়ে সারা রাজ্যে চর্চা চলছে। এবার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য নিজের দোকান বিক্রি করতে গিয়ে তৃণমূলের তোলাবাজির শিকার হলেন উৎপল বারিক নামে এক গরিব মানুষ। রীতিমতো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে বিল ছাপিয়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা ব্লকের শিবরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩১ নম্বর বুথের রাধানগর গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Mamata Banerjee)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা উৎপল বারিকের স্ত্রীর কঠিন অসুখের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী কমিটি ও এলাকার মানুষের সহযোগিতায়  নিজের দোকান বিক্রি করেছিলেন। আর সেখানেই থাবা বসায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি লক্ষ্মীকান্ত পড়ুয়া ও পঞ্চায়েত সদস্যের ভাই পঞ্চানন পড়ুয়া। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিসহ পার্টির বিল ছাপিয়ে একরকম জোর করে ৭ হাজার টাকা তোলা চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ফলে, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী আশরাফিল খানসহ গ্রামের মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, এভাবে একজন দোকান বিক্রি করার জন্য কারও কাছে এভাবে তোলা নেওয়া যায়। উৎপলবাবু বলেন, ইচ্ছে না থাকলেও আমাকে টাকা দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূলের বুথ সভাপতি লক্ষ্মীকান্ত পড়ুয়া  বলেন, আমরা কোনও তোলাবাজি করিনি। আমাদের দলের এক সমর্থক পার্টি ফান্ডের জন্য ৭ হাজার টাকা আমাকে দিয়েছেন। আমি সেই টাকা নেওয়ার  পার্টির রসিদ দিয়েছি। রসিদে মমতা (Mamata Banerjee) -অভিষেকের ছবি রয়েছে। ফলে, কোথাও কোনও কারচুপি করা হয়নি। এতে অন্যায় কিছু নেই। তোলাবাজি করলে তো পুরো টাকাটি রসিদ না দিয়ে পকেটে রেখে দিতে পারতাম। সেটা করিনি। ফলে, কেউ আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অপপ্রচার করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার নেতা অরুনাভ দাস বলেন, পিসি-ভাইপোর ছবি দেওয়া চালান দিয়ে তোলা আদায়ের কৌশল অভিনব। তৃণমূল দলটাই তো কাটমানি, তোলাবাজিতে ভরে গিয়েছে। তাই, একজন অসহায় মানুষের কাছে থেকে তোলা আদায় করতে এদের হাত কাঁপে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: উঁচু পাঁচিল ঘেরা জমি, মহিলাদের ছিল আনাগোনা, বালুর বেনামে এই বাড়ি ঘিরে রহস্য

    Jyotipriya Mallick: উঁচু পাঁচিল ঘেরা জমি, মহিলাদের ছিল আনাগোনা, বালুর বেনামে এই বাড়ি ঘিরে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির চারপাশে ১২ থেকে ১৪ ফুটের পাঁচিল। ২৭ কাঠা এলাকা, পুরোটাই ঘেরা রয়েছে পাঁচিল দিয়ে। ভিতরে উঁকি মারলে দেখা যাবে সাদা রঙের একটি বাড়ি। কে থাকেন ওই বাড়িতে? কী কাজ হয়? কেউ জানেন না। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের মণ্ডলপাড়ায় গেলে এই বাড়িটি চোখে পড়বে। বাড়ি ও জমির মালিকানা তাঁর নামে না থাকলেও, এলাকার প্রায় সব বাসিন্দাই জানেন, এটা বালুদা-র (মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক) (Jyotipriya Mallick) বাড়ি।

    বাড়ি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে ওই জমি কেনা হয়। পরে বাড়ি তৈরি করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। উঁচু পাঁচিলে ঘেরা। জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ওই এলাকার আর কারও বাড়িতে এমন পাঁচিল নেই। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে বা বেনামে ঠিক কোথায়, কত সম্পত্তি আছে, তা জানার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। তবে গাইঘাটার মণ্ডলপাড়ায় এই বাড়ি আলাদা করে চিনিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক বাসিন্দা বলেন, আমরা শুধু শুনেছি এটা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ি, কাউকে দেখিনি কখনও। আবার আর এক বাসিন্দার দাবি, কখনও কখনও মহিলারা গেট খুলে ভিতরে যান। এর বেশি কিছু জানি না। অনেকে আবার সেই কথাও বলতে চাইছেন না। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ বছর ধরে উঁচু পাঁচিল দেওয়া বাড়ির মধ্যে কী হয়, তা নিয়ে রহস্য রয়ে গিয়েছে। ইডি-র হাতে মন্ত্রী গ্রেফতার হলেও এই বাড়ির রহস্য ভেদ করতে এলাকার মানুষ এখনও সাহস করছেন না। 

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি?

    গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, মন্ত্রীর (Jyotipriya Mallick) জমি কেনার কথা আমি জানতাম। আমাকে একবার বলা হয়েছিল, বিদেশ থেকে ফান্ড আসবে। ওই বাড়িতে অনাথ আশ্রম তৈরি হবে। কখনও আবার বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করার কথা বলা হয়েছিল। আবার কেউ বলছেন, ওই বাড়িতে কয়েকজন মহিলার যাতায়াত ছিল, যাঁরা সেলাই-এর কাজ করতেন। কিন্তু, সেই ২০১১ সাল থেকে ওই বাড়িতে কী করা হত, তা সঠিকভাবে আমরা কেউ জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) কালো টাকা সাদা করতে ভুয়ো কৃষক সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন বাকিবুর রহমান। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ইডির হাতে। ইডি আধিকারিকদের দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনই পশ্চিমবঙ্গে ‘ফার্মারস ফোরাম’ নামে একটি কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হয়। ওই সংগঠনের অন্যতম কর্ণধার ছিলেন রাইস মিল মালিক বাকিবুর রহমান। অন্যদিকে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও সন্দেহ তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। শুধু চাল নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আটা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করছে ইডি। এই সংক্রান্ত  তিনটি মামলাও দায়ের হয় নদিয়ার কোতোয়ালি, নবদ্বীপ এবং কৃষ্ণনগর থানায় ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে।

    রেশনে আটা নিয়ে দুর্নীতি

    সেই মামলা খতিয়ে দেখতে গিয়ে ইডি জানতে পারে, খোলাবাজারে সরকারি স্ট্যাম্প দেওয়া আটা বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। ইডি সূত্রে খবর, আটা ভাঙানো হতো বাকিবুরের মিলে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে রাজ্য পুলিশের তদন্তে একবারও উঠে আসেনি বাকিবুরের নাম (Ration Scam)! ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, বাকিবুরের নদিয়াজুড়ে একাধিক চাল কল রয়েছে। তদন্তের সময় পুলিশ কেন তার রাইস মিলগুলিতে হানা দিল না? প্রভাবশালী মন্ত্রীর হাত বাকিবুরের মাথায় ছিল বলেই কি পুলিশি তদন্ত থেকে বেঁচে ছিলেন রাকিবুর? অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ভুয়ো কৃষক সংগঠনের নামে  ভুয়ো শস্যদানা কেনাবেচায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের নামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকার মাধ্যমেই সরকারি ভাবে দেখানো হতো শস্য কেনাবেচা হয়েছে অর্থাৎ সংগঠনও ভুয়ো, শস্য কেনাবেচার প্রক্রিয়াটাও ছিল ভুয়ো। কিন্তু খাতায়-কলমে তাতে বাস্তবে হয়েছে বলে দেখানো হতো।

    বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা

    চলতি মাসের ১৩ তারিখে ঠিক দুর্গাপুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। অন্যদিকে, দুর্গাপুজোর পরেই ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ঘটনাক্রমে, বাকিবুর রহমানের ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতেই রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। এমন অবস্থায় বাকিবুর রহমান ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে আরও অনেক তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এখানেই শেষ নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Ration Scam) জাল যে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, তা মানছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনে উধাও জ্যোতিপ্রিয়র ছবি, দল কি দূরত্ব তৈরি করল?

    Jyotipriya Mallick: তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনে উধাও জ্যোতিপ্রিয়র ছবি, দল কি দূরত্ব তৈরি করল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল পাশে থাকার বার্তা দিলেও, তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলন থেকেই কি দল দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করল? উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা পূর্ব ব্লকের বিজয়া সম্মেলনের ব্যানার-ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকলেও, বাদ গেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) ছবি। উল্লেখ্য সম্প্রতি রেশন দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেতফতার হয়েছেন বালু। আবার রেশনের আটা, চাল, গম খোলা বাজারের বিক্রি করে বাকিবুর রহমান যে সম্পত্তি গড়েছেন, তার সঙ্গে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের সূত্র উঠে এসেছে তদন্তকারী সংস্থার হাতে। এরপর থেকেই কি দল, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর পাশে নেই? এই প্রশ্নে এখন তীব্র শোরগোল জেলায়।

    জ্যোতিপ্রিয়র ছবি উধাও (Jyotipriya Mallick)

    উত্তর ২৪ পরগণায় তৃণমূল কর্মীদের বিজয়া সম্মেলনের পোস্টারে দেখা মেলেনি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) ছবি। মমতা-অভিষেকের ছবির সঙ্গে রয়েছে জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের ছবি। ফলে দলীয় কর্মসূচী থেকে কি এবার বালু আরও ব্রাত্য হলেন? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। দুর্নীতির সব দায় কি বালুর? অথচ ২০২১ সালের বিধানসভার পরে জেলার যেকোনও কর্মসূচীতে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর ছবি দেখা যেতো। এককথায় জেলার শেষ কথা বলতেন বালু। তাহলে এবার থেকে সমীকরণ কি বদলে যাচ্ছে? 

    জেলা তৃণমূলকে বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগণার তৃণমূলের নেত্রী মমতা ঠাকুর বলেন, “দলের স্পষ্টই নির্দেশ রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছাড়া অন্য কোনও ছবি ব্যবহার করা যাবে না।” কিন্তু ব্যানারে জেলা সভাপতির ছবিও ছিল, আর তা নিয়ে প্রশ্ন করলে, বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “স্থানীয় বিধায়ক এবং কর্মীরা ভালোবেসে আমার ছবি দিয়েছেন।”

    কিন্তু এলাকার বিরোধীরা বলছেন যে মুখ্যমন্ত্রী মৌখিক ভাবে বললেও, বাস্তবে কেউ নেই জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) পাশে। তবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং বালুর পাশে থাকার কথা বলেও, বাস্তবে জেলার চিত্রটা পুরোপুরি আলাদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    Jyotipriya Mallick: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদ্যমন্ত্রী থাকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) খাদ্য দফতরের গোডাউন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। মন্ত্রীর নির্দেশ মতো তাঁর জন্মভিটে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর ব্লকে গোডাউন তৈরি হয়। কিন্তু, খাতায় কলমে সেই গোডাউন চালু হয়নি। তাতে কী হয়েছে, মাঝে মধ্যে গোডাউনে ট্রাক বোঝাই করে চালের বস্তা ঢুকত। কিছুদিন থাকার পর তা আবার বেরিয়ে যেত। কোথায় তা নিয়ে যাওয়া হত তা কেউ জানেন না। মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর ওই ট্রাক বোঝাই চালের মালিক কারা ছিল তা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এই গোডাউনে বাকিবুর রহমানের মাল মজুত থাকত কি না তা নিয়ে এলাকাজুড়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

     ঠিক কী অভিযোগ? (Jyotipriya Mallick)

    খাদ্যমন্ত্রী (Jyotipriya Mallick) থাকাকালীন রেশনের চাল মজুতের গোডাউন তৈরি নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ৫ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন সরকারি গোডাউনটি তৈরি হলেও চালু হয়নি এখনও। নতুন গোডাউন তৈরি হলেও কয়েক মাসের মধ্যে তার অবস্থা জীর্ণ হয়ে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি হয়েছে এই গোডাউনটি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।  জানা গিয়েছে, মন্তেশ্বর ব্লকের পুড়শুড়ি এলাকায় কয়েক বিঘা জমির উপর কয়েক কোটি টাকা সরকারি অর্থ খরচে তৈরি হয়েছে  এই রেশন সামগ্রী মজুতের বিশাল গোডাউন। এই গোডাউনে রেশনের  চাল মজুত করার কথা। আরও জানা গিয়েছে, ৫ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন গোডাউনটি কয়েক বছর ধরে তৈরি করে পূর্ত দফতর।  ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই গোডাউনটি খাদ্য দফতরের হাতে হস্তান্তর হলেও এখনও চালু হয়নি। এর মধ্যেই রঙ চটা থেকে প্লাস্টার খসতে শুরু করেছে। গোডাউনে থাকা সাইনবোর্ড খুলে ভিতরে রাখা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গোডাউনে মাঝে মধ্যে ট্রাক বোঝাই করে চালের বস্তা আসত। এখন শুনছি, গোডাউন চালুই হয়নি। তাহলে ওই চালের বস্তাগুলি কাদের ছিল? গোডাউনের ইনচার্জ সুকান্ত মণ্ডল বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাসে আমরা গোডাউনটি হাতে পেয়েছি। এখনও চালু হয়নি। তবে, গোডাউনে গাড়ি ঢোকার বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে গোডাউন তৈরি করা হয়েছিল। গোডাউন তৈরিতে কাটমানি খেয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। আমাদের এলাকায় মন্ত্রী থাকেন বলে আমরা গর্ব করতাম। এই মন্ত্রী এত দুর্নীতিগ্রস্ত তা ভাবতে পারছি না। আর অবাক হয়ে যাচ্ছি, গোডাউন চালু না হলেও কী করে সেখানে ট্রাকে করে চালের বস্তা আসত। এর পিছনে বাকিবুর জড়িত কি না তা তদন্ত করে দেখা দরকার।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা নেতা দেবু টুডু বলেন, বালু দাকে (Jyotipriya Mallick) চক্রান্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তিনি কোনও দুর্নীতি করেননি। আর গোডাউন নিয়ে বিরোধীরা যে সব অভিযোগ তুলছেন সবই ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ? 

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) নাম জড়িয়েছে তাঁর কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিকেরও। ইতিমধ্যে তিনি যে আয়কর রিটার্নের হিসাব দেখিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে, টিউশন পড়িয়ে তাঁর উপার্জন ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বর্তমানে প্রিয়দর্শিনী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদেও রয়েছেন। ঠিক এই আবহে শিক্ষা সংসদের একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে প্রিয়দর্শিনীর পদ নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ল। দুর্নীতির অভিযোগ থাকার কারণেই কি প্রিয়দর্শিনীকে এড়িয়ে চলছে শিক্ষা সংসদ? ঘটনা হল, ২দিন আগে দুপুর ২ টো ৫০ মিনিট নাগাদ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। তাতে সই ছিল জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা প্রিয়দর্শিনীর (Ration Scam)। তবে ওই দিনই রাত দশটায় আচমকা বিজ্ঞপ্তি বদলে যায়। সেখানে তখন সই দেখা যায় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের।

    কী বিষয়ে ছিল বিজ্ঞপ্তি?

    মূলত একাদশ শ্রেণির সিলেবাস সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ছিল এটি। একাদশ শ্রেণিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডেটা সায়েন্স নতুন বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই দুটি বিষয়েই সিলেবাসে কিছু বদল আনা হয়েছে। সেই পরিবর্তিত নতুন সিলেবাস উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। যদিও সংসদের তরফে এই সই বদল নিয়ে তেমন কিছু জানানো হয়নি। সংসদ বলছে, ‘‘জরুরি সংশোধন করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। অর্ডারটিতে কিছু সংশোধনের পর সভাপতি তা সই করে অনুমোদন দিয়েছেন।’’ তবে কী সংশোধন করা হয়েছে, তার কোনও উল্লেখ করা হয়নি। এখানেই বাড়ছে জল্পনা। শিক্ষা সংসদ দুর্নীতি থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখতে চাইছে বলেই কি প্রিয়দর্শিনীকে এড়িয়ে যাচ্ছে? প্রশ্ন বিভিন্ন মহলের (Ration Scam)।

    ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম উঠে এসেছে প্রিয়দর্শিনীর

    প্রসঙ্গত, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের তৈরি করা একাধিক ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম উঠে এসেছে প্রিয়দর্শিনীর। চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই সংসদের সচিবের পদে নিয়োগ পান প্রিয়দর্শিনী। বর্তমানে তিনি আশুতোষ কলেজে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহ অধ্যাপিকা হিসেবে পড়ান। এর মধ্যে তাঁকে ইডি তলবও করে। ফাইল হাতেই জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির পরে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢুকতে দেখা যায় মন্ত্রী কন্যাকে। তবে তিনি এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি (Ration Scam), সংবাদমাধ্য়মের সামনে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share