Tag: jyotipriya mallick

jyotipriya mallick

  • Ration Scam: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    Ration Scam: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের আরও সম্পত্তির হদিশ মিলল আমডাঙায়। সাধনপুর পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৫৬০ কাঠা জমির খোঁজ মিলেছে। একই সঙ্গে পাশের আদহাটা পঞ্চায়েতের দাদপুর এলাকার গৌরাঙ্গপুর রোডের ধারে পাঁচিল দেওয়া ২৬০ কাঠা জমির সন্ধান মিলছে।

    অপর দিকে বাকিবুর বাদুড়িয়া শহরের মধ্যে ‘ডান্স বার’ করতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় মানুষ। জানা গিয়েছে, স্থানীয় পুরপ্রধান তুষার সিংহ বাধা দিলে ৩০০ কাঠার এক জমিতে চাল, গম, আটার গুদাম তৈরি করা হয়। মূলত এলাকাবাসীর অভিযোগ, জোর করে ভয় দেখিয়ে জলের দামে জমি দখল করে নিয়েছেন বাকিবুর।

    বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র নয় তো সম্পত্তি (Ration Scam)?

    স্থানীয়দের দাবি, আমডাঙায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার গোডাউন তৈরির জন্য কম দাম দিয়ে জমি কেনেন বাকিবুর। তবে জমি কেনার সময় অনেককে চাকরি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই কথা পূরণ করা হয়নি। এলাকার মানুষের আরও দাবি, এই সম্পত্তি বাকিবুরের নামে হলেও, আদতে মালিক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁদের দু’জনের যুগলবন্দিতেই এই সম্পত্তি (Ration Scam) হয়েছে বলে দাবি।

    বাদুড়িয়ার মানুষের প্রতিক্রিয়া

    বাদুড়িয়ার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “শ্মশানের উল্টো দিকে ভুটানের বাগান বলে একটা জমিতে পুকুর ছিল। এই পুকুরটি রাতারাতি মাটি ফেলে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এখানে চারপাশে উঁচু করে পাঁচিল দেওয়া হয়েছে। মাঝে মাঝে এই জমিতে চাল, গম, আটার বস্তা আসতো বলে জানা গিয়েছে।”

    এছাড়াও স্থানীয় রিতা নামক এক মহিলা বলেন, “আমাদের দুই কাঠা জমি ছিল, সেখানে আমাদের একটি বসত বাড়ি ছিল। এখানে মিল বা গোডাউন হবে, আর তাই সামনের জায়গাটা ছাড়তে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। অবশেষে গুন্ডা ডেকে জোর করে জায়গা দখল করে নেয় বাকিবুর (Ration Scam)।” অপর দিকে পুরপ্রধান তৃণমূলের নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, “শুনেছি এই জমি বাকিবুরের, কিন্তু কোনও দিন আসতে দেখিনি।  ”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে! নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে আপ্রাণ চেষ্টা রেশন ডিলারের

    Siliguri: দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে! নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে আপ্রাণ চেষ্টা রেশন ডিলারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর শিলিগুড়ির (Siliguri) এক শীর্ষ তৃণমূল নেতা তাঁর বাড়ির ড্রইং রুম থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পেল্লাই ছবি রাতারাতি নামিয়ে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলেছিলেন। এবার রেশন দুর্নীতিতে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু) গ্রেফতার হতেই শিলিগুড়ির সেই রেশন ডিলার নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রেশন দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে থাকা সেই রেশন ডিলারের সঙ্গে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রীও এখন বিনীদ্র রজনী কাটাচ্ছেন। রেশন দুর্নীতিতে ইডির তদন্তে ডাক পড়ার আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাঁদের।

    উত্তরবঙ্গে নানা ব্যবসায় রেশন-দুর্নীতির টাকা?

    রেশন দুর্নীতির টাকা শিলিগুড়ি থেকে ডুয়ার্সে ছড়িয়ে পড়েছে। আত্মীয়, ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে  নানা ধরনের ব্যবসায় সেই টাকা লগ্নি করেছেন বনমন্ত্রী। এনিয়ে এতদিন চাপা গুঞ্জন ছিল। কিন্তু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হতেই সেই গুঞ্জন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শিলিগুড়িতে (Siliguri) রেশন দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মাটিগাড়ার ব্লকের সেই রেশন ডিলারের নাম জোরালো ভাবে উঠে আসছে।অভিযোগ, তাঁকে সামনে রেখে শিলিগুড়িতে অনেক তৃণমূল নেতা, উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী দু’হাত ভরে টাকা কামিয়েছেন, বনমন্ত্রীর সিন্ডিকেটে যোগ দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স ও পাহাড়ে রিসর্ট, বালি খাদান, ক্র্যাশার, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় রেশন দুর্নীতির টাকা খাটানোর অভিযোগ উঠে এসেছে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। তিনি গ্রেফতার হতেই  সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের মুখেও এখন এই চর্চা।

    শিলিগুড়ির (Siliguri) দেবনগর টাউনশিপের নাম কেন উঠছে?

    উঠে এসেছে শিলিগুড়ির শিবমন্দিরের কাছে দেবনগর টাউনশিপের নাম। স্থানীয়দের দাবি, বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহম্মদ ফারুখ ওরফে রাহুল দেব বিঘার পর বিঘা জমি কেনেন। সেই জমি কেনার সময় উপস্থিত ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র এক আত্মীয়। সেই দেবনগর প্রজেক্টের সাইন বোর্ডে একটি সংস্থার নাম থাকলেও সেখানে কোনও ঠিকানা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর কিছুই লেখা নেই। যে মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে, সেখানে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, রেশন দুর্নীতির টাকায় এই প্রকল্পের সঙ্গে তৃণমূলের অনেক নেতাই জড়িত (Siliguri)।
    পছন্দের কোনও শিল্পপতিকে সামনে খাড়া করে বনমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের একাধিক রুগ্ন ও বন্ধ থাকা চা-বাগানেও রেশন দুর্নীতির টাকা লাগিয়েছেন। এই সিন্ডিকেটে তৃণমূলের একাধিক নেতা রয়েছেন বলে অভিযোগ।

    বিজেপি কী বলছে? (Siliguri)

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, আমাদের প্রশ্ন, কোনও মন্ত্রী বা তৃণমূল নেতা কেন্ত্রীয় এজেন্সির তদন্তে গ্রেফতার হতেই তাদের দুর্নীতির ইতিহাস বেরিয়ে আসছে। তাহলে রাজ্যের পুলিশ ও গোয়েন্দারা এতদিন কী করেছে। আমরা তো বারবার বলে আসছি তৃণমূল দলটাই চোর। পুলিশ তৃণমূলের দলদাস হওয়ায় সব দেখে-বুঝেও ঘুমিয়ে থাকছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা চুরির পাশাপাশি গরু ও কয়লা পাচারের টাকায় তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি ভরে উঠেছে। সেই টাকা কালীঘাটে যাচ্ছে। একশো দিনের কাজ প্রকল্পেও দেখা যাবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের টাকা চুরি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড় জ্যোতিপ্রিয়র, শুরু হল ইডি হেফাজতের মেয়াদ

    Ration Scam: সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড় জ্যোতিপ্রিয়র, শুরু হল ইডি হেফাজতের মেয়াদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার টানা একুশ ঘণ্টা বাড়িতে তল্লাশির (Ration Scam) পরে গভীর রাতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে দশ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে মূর্ছা যান মন্ত্রী। সে সময় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতে ওই বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁকে বেশ সুস্থই দেখাচ্ছিল। নিজে পায়ে হেঁটে ইডি অফিসারদের সঙ্গে হাসপাতাল থেকে বের হন মন্ত্রী। তবে এদিন সংবাদমাধ্যম তাঁকে ঘিরে ধরলেও কোনওরকম প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয়।

    সোমবার দুপুরেই সিদ্ধান্ত হয় হাসপাতাল থেকে ছাড় পাবেন মন্ত্রী

    জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বৈঠক বসেছিল বেসরকারি হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ড। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, মন্ত্রী সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড় দেওয়া যেতে পারে। সন্ধ্যাতেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন ইডির দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এরপরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তাঁকে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মূল গেট দিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকানো হয়নি। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁকে অন্য একটি গেট দিয়ে ঢোকানো হয়। সিজিও কমপ্লেক্সে (Ration Scam) ঢোকার সময় গাড়ি থেকে নেমেই ইডি অফিসারদের সঙ্গে হেঁটে লিফটে ওঠেন জ্যোতিপ্রিয়। এ সময়ে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে কোনও বিবৃতি দেননি। কিছুক্ষণ পর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিক আসেন ইডির দফতরে। জানা গিয়েছে, তিনি কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র,  খাবার এবং জামাকাপড় নিয়ে এসেছিলেন।

    শুরু হল জ্যোতিপ্রিয়র ইডি হেফাজতের মেয়াদ

    প্রসঙ্গত, আদালত এর আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে যতদিন পর্যন্ত মন্ত্রী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকবেন তা ইডি হেফাজতের মেয়াদের দিন হিসেবে গণনায় ধরা হবে না। অর্থাৎ এবার শুরু হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয়র (Ration Scam) ইডি হেফাজতের মেয়াদ। তবে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিলেও আদালতের নির্দেশ মোতাবেক প্রতিদিনই তাঁর মেডিক্যাল টেস্ট করানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার রাতে বেসরকারি হাসপাতালের তরফে যে মেডিকেল বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, মন্ত্রীকে বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসকরা দেখেছেন। শল্য চিকিৎসক, স্নায়ুর চিকিৎসকরা তাঁকে ফিজিওথেরাপি করানোর পরামর্শও দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ২১ ঘণ্টা তল্লাশির (Ration Scam) পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ব্যাঙ্কশাল কোর্টের রায় শুনে আদালত কক্ষেই মূর্ছা যান মন্ত্রী। তাঁকে ভর্তি করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এরই মাঝে ইডি বাজেয়াপ্ত (Ration Scam) করল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী এবং কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি। জ্য়োতিপ্রিয় মল্লিকের পরিবারের বিপুল সম্পত্তির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করা সেই প্রক্রিয়ারই অঙ্গ বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই দুটি লকারই সল্টলেকে রয়েছে, যার মধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের এবং অপরটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের।

    বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয় মুখোমুখি জেরা সম্ভব হচ্ছে না

    এরই পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংস্থার পরিকল্পনা ছিল, মন্ত্রী এবং বাকিবুর রহমানকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার। তবে শরীর খারাপ নিয়ে মন্ত্রী ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। আবার সোমবারই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে বাকিবুরের। ইডি সূত্রের খবর, যে সমস্ত তথ্য অস্বীকার করেছেন বাকিবুর এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মুখোমুখি বসিয়ে তাঁদের কাছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে সেটা তাঁরা অস্বীকার করতে পারতেন না। তবে দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা এই মুহূর্তে সম্ভব হচ্ছে না। গতকালই নথি (Ration Scam) হাতে ইডি দফতরে ঢুকতে দেখা যায় মন্ত্রী কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে। আবার আজকেই ইডি দফতরে পৌঁছে যান জ্যোতিপ্রিয়র দাদা দেবপ্রিয় মল্লিক।

    টিউশন পরিয়ে নাকি ৩ কোটি ৩৭ লাখ?

    জানা গিয়েছে, একাধিক ভুয়ো সংস্থা খুলেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। যেগুলি বাকিবুর এবং জ্যোতিপ্রিয়র পরিবারের সদস্যরাই চালাতেন। এভাবে মোট ৯৫ কোটি টাকা তছরুপ করেছেন তাঁরা। জ্যোতিপ্রিয়র একাধিক বাড়ির অ্যাকাউন্টও ব্লক করেছে ইডি। আয়কর রিটার্ন নথি বলছে, শুধুমাত্র টিউশন পরিয়ে নাকি ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় করেছেন মন্ত্রীকন্যা। ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রয়েছে প্রিয়দর্শিনীর একটি অ্যাকাউন্ট। বালুর স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট রয়েছে আইডিবিআই-এর ব্যাঙ্কে (Ration Scam)। সেখানে রয়েছে ৪.৩ কোটি টাকা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা, সাংবাদিকদের প্রশ্নে হারালেন মেজাজ

    Jyotipriya Mallick: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা, সাংবাদিকদের প্রশ্নে হারালেন মেজাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার কিছু ফাইল হাতে, ইডি দফতরে ঢুকতে দেখা যায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে। সূত্রের খবর, আয়-ব্যয় সংক্রান্ত কিছু হিসাব দিতেই এদিন  ইডি দফতরে হাজিরা দেন প্রিয়দর্শিনী। ১০-১৫ মিনিট তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে ছিলেন। বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করতেই মেজাজ হারান জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা। হাত দিয়ে সাংবাদিকদের সরিয়ে দিতে দেখা যায় তাঁকে। কোনও উত্তর না দিয়ে সটান গাড়িতে উঠে পড়েন। একটু বিরক্তিও প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে। গাড়িতে উঠেই দরজা বন্ধ করে দেন প্রিয়দর্শিনী।

    রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জড়িয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার নামও

    প্রসঙ্গত, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) সঙ্গে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তাঁর স্ত্রী এবং কন্যারও। মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদেরও আয়কর রিটার্নের হিসাবপত্র খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। আশ্চর্যজনকভাবে দেখানো হয়েছে যে টিউশন পড়িয়ে জ্যোতিপ্রিয় কন্যার আয় হয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। প্রসঙ্গত, একটি কলেজের সহকারী অধ্যাপনার কাজ করেন প্রিয়দর্শিনী। জানা গিয়েছে, বর্তমানে আশুতোষ কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হলেন প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। এছাড়াও রাজ্য সরকার তাঁকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব হিসেবে নিয়োগ করেছিল। 

    একাধিক ভুয়ো সংস্থা খোলেন জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick)

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান  পাওয়া গিয়েছে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের। এ সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলোকে ফ্রিজও করেছে তারা। এই সংক্রান্ত কিছু নথি চেয়েই প্রিয়দর্শিনীকে এদিন ডাকা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু ভুয়ো সংস্থায় নিজের স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের ডিরেক্টর করেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। শুক্রবার আদালতে ইডির আইনজীবী দাবি করেন যে ২০১৫-২০১৬ সালে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হলফনামায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁর স্ত্রীর ৪৫ হাজার টাকা ছিল বলে দাবি করেন। পরের বছরই দেখা যায় সেই টাকার অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৬ কোটিতে। ইডির আইনজীবীর আরও দাবি, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) বাড়িতে এমন সিল ও স্ট্যাম্প পাওয়া গিয়েছে, যে কোম্পানিগুলির নাম পরিবারের সদস্যরাও জানে না! 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Jyotipriya Mallick: বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই টাকা লেনদেনের হদিশ? ফরেন্সিকে যাচ্ছে মোবাইল

    Jyotipriya Mallick: বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই টাকা লেনদেনের হদিশ? ফরেন্সিকে যাচ্ছে মোবাইল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাকিবুরের সঙ্গে হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই খোঁজ মিলেছে মিডলম্যানের। ফলে বিপদ আরও বাড়ল গ্রেফতার হওয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। ধৃত বাকিবুরের মোবাইল আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সেখানেই মিলেছে রেশনের চাল-আটা চুরির তথ্য। এবার বালুর মোবাইলে থাকা তথ্যকে পরীক্ষা করে, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের খোঁজ করা হবে। চালচুরি কাণ্ডে ধৃত দুই অভিযুক্তের সংলাপকে মিলিয়ে দেখতে করা হবে মোবাইলের ফরেনসিক পরীক্ষা। এজন্য ইডি আদালতের কাছে অনুমতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    বাকিবুর টাকা দিতেন মিডলম্যানকে

    ইডি সূত্রের খবর, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে এবার আরও বিপাকে ফেলবেন বাকিবুর। ইডির কাছে বাকিবুরের একটি হোয়াটঅ্যাপ চ্যাট হাতে এসেছে, যেখানে খুব স্পষ্ট ভাবে মনে করা হচ্ছে, বালুর সঙ্গে টাকার লেনদেন হয়েছে তাঁর। তবে বাকিবুর নিজে টাকা বালুকে দিতেন না। একজন মিডলম্যানের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে যেত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর কাছে। সূত্রের আরও খবর, বাকিবুরের সংলাপে একাধিকবার এমআইসি (MIC) নামের কোনও ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। বাকিবুর নিজে জেরায় ইডিকে জানিয়েছেন, এমআইসি বলতে মিনিস্টার ইন চার্জ অর্থাৎ সেই সময়ের খাদ্যমন্ত্রী স্বয়ং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কথা বলেছেন।

    মাসে দু’বার যেত টাকা

    ইডির জেরায় বাকিবুর আরও জানিয়েছেন, খাদ্যমন্ত্রীকে মাসে দু’বার করে টাকা পাঠাতেন তিনি। এই টাকার পরিমাণ ছিল ৮০ লক্ষ। সেই সঙ্গে বাকিবুরের কাছে সময়ে সময়ে ঋণ নিতেন বালু। এককালীন বালুকে আরও একবার ১২ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছেন বাকিবুর। কিন্তু সবটাই এখন প্রমাণের জন্য ইডিকে তথ্য জোগাড় করতে হবে। তাই বক্তব্য এবং তথ্যকে পাশপাশি মিলিয়ে দেখতে, বালুর মোবাইলের হোয়াটঅ্যাপ চ্যাটের ফরেনসিক পরীক্ষার প্রয়োজন।

    উল্লেখ্য ২০১১ থেকে ২০২২ পর্যন্ত, টানা ১০ বছর রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর সময়ে দাঁড়িয়ে বাকিবুরের মতো লোকেরা, চাল-আটা-গম চুরি করে সম্পদের সাম্রাজ্যে নির্মাণ করেছেন। সেই সঙ্গে মন্ত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে ২০ গুণ। তবে রাজ্যে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শাসন ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। ফলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নজর এড়িয়ে, কীভাবে তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা এত সম্পত্তির মালিক হলেন, এই প্রশ্নই বারবার রাজ্যের বিরোধীরা করছেন। তাই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তে আরও চাপে তৃণমূল কংগ্রেস।     

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: পছন্দের ঝাঁ চকচকে হাসপাতালে বালু, মেয়ে খাবার আনলেও তা পরীক্ষা করবে ইডি

    Jyotipriya Mallick: পছন্দের ঝাঁ চকচকে হাসপাতালে বালু, মেয়ে খাবার আনলেও তা পরীক্ষা করবে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালু পছন্দের ঝাঁ চকচকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও, কড়া নিরাপত্তার নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে তাঁকে। তাঁর মেয়ে খাবার আনলেও তা পরীক্ষা করবে ইডি। রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে, গত শুক্রবার গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। তাঁকে তোলা হয়েছিল ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। কিন্তু আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আদালত তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আর এই নির্দেশ শুনেই কাঠগড়ায় বসে পড়েন এবং এরপর বমি করতে শুরু করেন তিনি। দুর্নীতির তদন্তে ভেঙে পড়েননি তো বালু?

    ইডি চেয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল (Jyotipriya Mallick)

    আদালতের নির্দেশ শুনে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) অসুস্থ হয়ে পড়লে, ইডি প্রাথমিক ভাবে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু তাঁর আইনজীবীদের দাবি মেনে আদালত তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়। সেই সঙ্গে তদন্তকারী অফিসাররা বলেন, অভিযুক্ত নিজের পছন্দের হাসপাতালে যেতে চাইলে, খরচ তাঁকেই বহন করতে হবে। সেই সঙ্গে ইডি আরও স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয় যে পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন সময়, হেফাজতের মেয়াদের মধ্যে ধরা হবে না। ফলে তদন্তে কোনও ছাড় পাচ্ছেন না বালু।

    হাইফাই চিকিৎসা অ্যাপোলোতে

    শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)। সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই তাঁর এমআরআই এবং সিটি স্ক্যান করানো হতে পারে। এছাড়াও, নিউরো, হার্ট, কিডনির সমস্যা রয়েছে কিনা, তা দেখা হচ্ছে। তবে আদলতের নির্দেশ রয়েছে, কিছুটা সুস্থ বোধ করলেই, তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে। সেই সঙ্গে কমান্ড হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করারও নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট।

    কড়া নিরাপত্তায় থাকবেন হাসপাতালে

    তৃণমূলের বনমন্ত্রী বালু, শারীরিক ভাবে সুগারের সমস্যায় রয়েছেন। তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, খাবারের মাধ্যে নানান বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই তাঁর মেয়ে, বাড়ি থেকে রান্না করে খাবার নিয়ে যাবেন। তবে যেহেতু জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর এবং রাজ্যের মন্ত্রী, তাই তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবে, সেই খাবার পরীক্ষা করবে ইডি। তবে বাইরের কেউ দেখা করতে পারবেন না। এখন বর্তমানে ১০ জন সিআরপিএফ এবং ২ জন ইডির অফিসার নজরে রেখেছেন তাঁকে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে, তা আদালতকে জানাবে ইডি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Distribution Scam: জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগের হদিশ, ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ কোটি কোটি টাকা!

    Ration Distribution Scam: জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগের হদিশ, ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ কোটি কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন দু’জনেই। একজন ছিলেন খাদ্য দফতরের মন্ত্রী, বর্তমানে বনমন্ত্রী। আর একজন ব্যবসায়ী। প্রথম জন তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আর দ্বিতীয় জন বাকিবুর রহমান। দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি।

    ভুয়ো সংস্থায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ

    এমতাবস্থায় ইডির তদন্তকারীরা জেনেছেন, জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে বাকিবুরের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। তদন্তে নেমে ইডির আধিকারিকরা জেনেছেন, দুই পরিবারের সদস্যরা একযোগে একাধিক সংস্থা চালাতেন। ওই সব সংস্থা আবার বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করত। ইডি সূত্রে খবর, এ পর্যন্ত যেসব তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে, তা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে দুই পরিবারের যোগ। ইডি সূত্রে খবর, আপাতত তিনটি সংস্থার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    তিন সংস্থায় যোগ জ্যোতিপ্রিয়র 

    এই তিন সংস্থা হল ‘শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং ‘গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’। এই তিন সংস্থার মারফত ভুয়ো কোম্পানির মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়েছে অন্তত ১২ কোটি টাকা। এই (Ration Distribution Scam) সংস্থাগুলির প্রতিটির সঙ্গেই কোনও না কোনওভাবে যোগ রয়েছে জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পরিবারের। শুধু তাই নয়, ২০২২ সালে এই কোম্পানিগুলির সব সম্পত্তি বিক্রি করে লাটে তুলে দেওয়া হয়েছে সংস্থাগুলি। বিক্রি বাবদ পাওয়া গিয়েছিল ২০ কোটি ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ১৯৪ টাকা। বাকিবুরের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাসের নামে থাকা একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ওই টাকা গিয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘রেশন কেলেঙ্কারিতে খতিয়ে দেখা হোক মমতার ভূমিকা’, ইডিকে আর্জি শুভেন্দুর

    এদিন আদালতে ইডির দাবি, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে সরাসরি যোগ রয়েছে মন্ত্রীর। অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া মেরুন ডায়েরিতে বালুদা (জ্যোতিপ্রিয়র ডাক নাম) নামের উল্লেখ রয়েছে। ইডির দাবি, তিনটি ভুয়ো সংস্থা খুলে ১২ কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। বাড়ির রাঁধুনির নামেও ভুয়ো কোম্পানি খুলেছিলেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, ওই তিন সংস্থায় জমা পড়েছে ৮ কোটি টাকা।

    ইডি সূত্রে খরব, ওই তিন সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী মণিদীপা এবং মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। এই প্রিয়দর্শিনী আবার উচ্চ শিক্ষা সংসদের সচিব। সংস্থাগুলিতে যুক্ত ছিলেন বাকিবুরের পরিবারের সদস্যরাও (Ration Distribution Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Jyotipriya Mallick: গ্রেফতারির পর বালুর হালও কি হবে কেষ্টর মতো? জেলা জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে

    Jyotipriya Mallick: গ্রেফতারির পর বালুর হালও কি হবে কেষ্টর মতো? জেলা জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হওয়ার পর এবার কি কেষ্টর মতো জেলার সংগঠন থেকে ডানা ছাঁটা হবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)? তৃণমূল কংগ্রেস ২৪ পরগনা জেলাকে লোকসভা ভিত্তিক সাংগঠনিক ভাগ করেছে। উল্লেখ্য, কোনও ভাগের বিশেষ দায়িত্বে রাখা হয়নি তাঁকে। কেন? খাদ্য দফতর থেকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বন দফতরেও কি পরিকল্পনা করেই সারানো হয়েছিল তাঁকে? আগামী দিনে দলে কি গুরুত্ব আরও কমবে? এই ধরনের নানা জল্পনা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, শেষ পর্যন্ত দল পাশে থাকবে তো?

    কেষ্টর মতো কি অপ্রাসঙ্গিক হবেন জ্যোতিপ্রিয়ও (Jyotipriya Mallick)?

    উত্তর ২৪ পরগনায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে এসেছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী হয়ে, সিপিএমের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ঠিক একই রকমভাবে, বীরভূমের রাজনীতিতে শিরোনামে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। যদিও কয়লা, গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই-ইডির হাতে গ্রেফতার হয়ে দিল্লির তিহাড় জেলে রয়েছেন কেষ্ট। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন তিনি। দিন যত এগিয়ে যাচ্ছে, বীরভূমের রাজনীতি থেকে ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল। ফলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, উত্তর ২৪ পরগনা থেকে এবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও অপ্রাসঙ্গিক হবেন। কারণ খাদ্য বণ্টন দুর্নীতির মামলায় ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছে। দল এবার তাঁর মাথা থেকেও হাত সরিয়ে নেবে।

    জেলায় শেষ কথা বলতেন

    জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) নিজে ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছিলেন। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই প্রথম সারির নেতা ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে প্রথম বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে। ২০০৬ সাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা রাজনীতির ময়দানে অদ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। এমনকি তাঁর কথা ছাড়া, জেলার রাজনীতিতে একটা গাছের পাতাও নড়ত না বলে জানা যায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পদাধিকার বলে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) কোণঠাসা হলেও, উত্তর ২৪ পরগনার সংগঠনে তাঁর বেশ প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন জেলা তৃণমূলের একাংশের মানুষ। এই জেলায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একটি বিরাট ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। আর তাকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে, তাঁর ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়ে থাকে, একটা সময় পর্যন্ত মুকুল রায় অতি সক্রিয় থাকলেও, তাঁর প্রতাপের সামনে কেউ জেলায় হাত দিতে পারতেন না। অবশ্য বরানগরের বিধায়ক তথা ব্যারাকপুর জেলার তৃণমূল সভাপতি তাপস রায় বলেন, “সমর্থকরা প্রতিবাদে আরও শক্তিশালী হবেন। তৃণমূল দলের সংগঠন দুর্বল হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। জেলার সংগঠন পিছু হটবে না। আমরা আরও লড়াই করবো।”

    কিন্তু মন্ত্রীর দফতর বদল থেকে শুরু করে সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর কি আরও গুরুত্ব কমবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।    

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয় গ্রেফতার হতেই সরগরম বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলা, ফাঁসি চাইল পরিবার

    Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয় গ্রেফতার হতেই সরগরম বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলা, ফাঁসি চাইল পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) বিরুদ্ধে বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলার প্রতিবাদীরা আবার সরব হয়ে উঠলেন। তৃণমূলের এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হলেন মৃত বরুণ বিশ্বাসের বাবা এবং দাদা। তাঁদের দাবি, বরুণের হত্যার পিছনে আসল চক্রী হলেন তৃণমূলের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ‘আমরা ওর ফাঁসি চাই’, সংবাদ মাধ্যমের সামনে ঠিক এভাবেই বিস্ফোরক হল পরিবার। ফলে উত্তর ২৪ পরগনার স্কুল শিক্ষক হত্যা মামলাকে ঘিরে আরও একবার সরগরম হয়ে উঠল রাজ্য রাজনীতি।

    মৃত বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের বক্তব্য (Jyotipriya Mallick)

    হাবড়ার বিধায়ক তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই সংবাদ মাধ্যমকে মৃত বরুণ বিশ্বাসের বাবা জগদীশ বিশ্বাস বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ফাঁসি চাই। ওই আমার ছেলেকে খুন করেছে। আর এই কথা আমার মেয়ে বলেছিল বলে, আমার মেয়ের নামে মানহানির মামলা করে দিয়েছিল এই তৃণমূল নেতা। আমার একটাই শেষ ইচ্ছা, ওর যেন ফাঁসি হয়।” সেই সঙ্গে বরুণের দাদা অসিত বিশ্বাস বলেন, “কার্যত বরুণের মৃত্যুর কোনও তদন্ত হয়নি।” বরুণের মৃত্যু মামলায় সিবিআই তদন্তের কথাও বলেন তিনি। সিবিআই তদন্ত হলেই একমাত্র আসল দোষীদের চেনা যাবে। তিনি আরও দাবি করেন, “সঠিক তদন্ত হলেই স্পষ্ট হবে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম।”

    খুন হয়েছিলেন ১১ বছর আগে

    বরুণের খুন হওয়ার পর ১১ বছর কেটে গেল। ছেলে বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুর পর থেকেই, শাসক দলের দুষ্কৃতীদের আতঙ্কে সুটিয়ার বাড়িতে থাকতে পারেন না পরিবারের লোকজন। অথচ, সেই ঘরের মধ্যে বরুণের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে খুন করেছে বরুণকে। এমনকী যে বন্দুক দিয়ে বরুণকে খুন করা হয়েছে, সেই বন্দুকটা পর্যন্ত সরিয়ে ফেলেছে এই তৃণমূল নেতা। অপর দিকে বিজেপির নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “আমরা চাই বরুণের হত্যাকারীরা ধরা পড়ুক। মামলার তদন্ত সিবিআই করুক।”

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share