Tag: jyotiraditya scindia

jyotiraditya scindia

  • Sukanta Majumdar: শুধু রাজনীতির ময়দানেই নয়, র‍্যাম্পে হেঁটে নজর কাড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: শুধু রাজনীতির ময়দানেই নয়, র‍্যাম্পে হেঁটে নজর কাড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির ময়দানে বিরোধীদের সব সময়েই প্রশ্নবাণে কাত করে থাকেন তিনি, এবার হাঁটছেন র‍্যাম্পে (Ramp Walking)! কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) র‍্যাম্পে হেঁটে নজর কেড়ে নিলেন দর্শকদের। কোনও প্রফেশনাল মডেল না হয়েও এদিন তাঁর হাঁটা এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। প্রসঙ্গত তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। দুই মন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতের ঐতিহ্য এবং স্টাইলিশ জ্যাকেট পরে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বস্ত্রশিল্প এবং জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত পণ্যগুলিকে প্রদর্শনের জন্য এই আয়োজন করা হয়েছিল এদিন।

    সাদা রঙের ব্লেজার (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যের সাংসদ তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় এক বিশেষ চরিত্র। তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে তোষণ, সব অপকর্মের তীব্র সমালোচক তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব এবং সেই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে তাঁর কর্মজীবন দারুণ ভাবে ব্যস্তময়। শনিবার নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত অষ্টলক্ষ্মী মহোৎসবে ফ্যাশন শো (Ramp Walking)-তেই দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী র‍্যাম্পে হাঁটলেন। সুকান্তর এদিন পরনে পোশাক ছিল হালকা সাদা রঙের ব্লেজার, উপরে রুপলি সুতোর কাজ, গলায় লম্বা স্কার্ফ।

    “সুকান্তবাবুর সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পেরে গর্বিত”

    ভারতের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে এই ফ্যাশন শোয়ের (Ramp Walking) আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে সামিল এবং র‍্যাম্পে হাঁটার অভিজ্ঞতার কথা বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য (Sukanta Majumdar) সিন্ধিয়া বলেন, “সত্যই এই শো ভারতীয় সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবনের একটি আদর্শ বিনিময়ের মাধ্যম। উত্তর-পূর্ব ভারতের পরম্পরাকে তুলে ধরতে ফ্যাশনের মাধ্যমে তুলে ধরতে দারুণ সময় কাটল। প্রত্যেক রাজ্যের নিজেস্ব শিল্পকে শিল্পীরা নিজের মতো করে তুলে ধরেছেন। আমার সহকর্মী সুকান্তবাবুর সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পেরে গর্বিত।” বিশ্বের দরবারে ভারতের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কারুশিল্প তুলে ধরার প্রয়াস ছিল এই উৎসব। অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজ়োরাম, ত্রিপুরা এবং সিকিমের সৌন্দর্য ও বৈচিত্রকে প্রদর্শিত করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ সাগরে সৃষ্টি হয়েছে নিম্নচাপ, রাজ্যে শীত উধাও হওয়ার পথে, ফের বৃষ্টির ইঙ্গিত

    উদ্বোধনী ভাষণ দেন মোদি

    নরেন্দ্র মোদি এদিন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, “গত এক দশকে আমরা উত্তর-পূর্বে ভারতের উন্নয়নের যাত্রা দ্রুত লক্ষ্য করেছি। তবে এই যাত্রা খুব সহজ ছিল না। রাজ্যগুলিকে ভারতের উন্নয়নে সামিল করার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। আমার বিশ্বাস আগামী দিনে মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদের মতো উত্তর-পূর্ব ভারতের গুয়াহাটি, শিলং, ইম্ফল, ইটানগর এবং আইজলেও উন্নয়নের মডেল প্রতিফলিত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে উন্নীত হবে। ভারত ও জার্মানি-দুই দেশের বন্ধনকে আরও নিবিড় করতে স্টুটগার্ট শহরে আয়োজিত হয়ে হয়েছিল বিশেষ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ভারত-জার্মানির দৃঢ় বন্ধনের কথা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)।

    ঠিক কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Largest Economy)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) এদিন মোদি সরকারের কাজের কথা তুলে ধরে বলেন, “গত দশ বছরে এক বিরাট পরিবর্তন (Largest Economy) এসেছে দেশ জুড়ে। ভারত এক অদ্ভূত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্ব এখন সেই স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। এই রূপান্তর ভারতের চাহিদার অন্যতম কারণ হিসেবে বলা যায়। মোদির নির্দেশনায় ভারত এক নতুন উচ্চতা শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। দেশ যে কেবল নিজের পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে গিয়েছে তা নয়, উন্নয়নের নিরিখে ১৮০ ডিগ্রি রূপান্তর ঘটেছে ভারতের। উন্নয়ন কেবলমাত্র সংখ্যাতত্ত্বের বিচার নয়। আদতে লক্ষ্য এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রকল্প, সুবিধা, পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। দেশকে দিশা দেখাতে এই ভাবনার একান্ত প্রয়োজন।”

    আর কি বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) আরও বলেন, “গত ১০ বছরে আমরা ১০ মিলিয়ন বাড়ি তৈরি করেছি। একই সময়ে সারা দেশে ১২০ মিলিয়নেরও বেশি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে, এই উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোকে একটি ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তরিত করাও হয়েছে। আজ ভারতীয় কোম্পানি, ভারতের নামীদামি বহুজাতিক সংস্থাগুলো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর তার ফল চেইন সিস্টেমে বিস্তৃত হচ্ছে দেশে। দেশের বাজার এবং বহিঃদেশীয় বাজারে বিরাট প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ভারত। খুব দ্রুত চতুর্থ অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে পরিণত হবে ভারত এবং আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebook, TwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    Jyotiraditya Scindia: ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হবে, বললেন জ্যোতিরাদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ২০২৭ সালের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে উন্নীত হবে। ভারত ও জার্মানি-দুই দেশের বন্ধনকে আরও নিবিড় করতে স্টুটগার্ট শহরে আয়োজিত হয়ে হয়েছিল বিশেষ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ভারত-জার্মানির দৃঢ় বন্ধনের কথা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)।

    ঠিক কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Largest Economy)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) এদিন মোদি সরকারের কাজের কথা তুলে ধরে বলেন, “গত দশ বছরে এক বিরাট পরিবর্তন (Largest Economy) এসেছে দেশ জুড়ে। ভারত এক অদ্ভূত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্ব এখন সেই স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। এই রূপান্তর ভারতের চাহিদার অন্যতম কারণ হিসেবে বলা যায়। মোদির নির্দেশনায় ভারত এক নতুন উচ্চতা শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। দেশ যে কেবল নিজের পরিবর্তনের জন্য এগিয়ে গিয়েছে তা নয়, উন্নয়নের নিরিখে ১৮০ ডিগ্রি রূপান্তর ঘটেছে ভারতের। উন্নয়ন কেবলমাত্র সংখ্যাতত্ত্বের বিচার নয়। আদতে লক্ষ্য এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রকল্প, সুবিধা, পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। দেশকে দিশা দেখাতে এই ভাবনার একান্ত প্রয়োজন।”

    আর কি বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) আরও বলেন, “গত ১০ বছরে আমরা ১০ মিলিয়ন বাড়ি তৈরি করেছি। একই সময়ে সারা দেশে ১২০ মিলিয়নেরও বেশি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে, এই উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোকে একটি ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তরিত করাও হয়েছে। আজ ভারতীয় কোম্পানি, ভারতের নামীদামি বহুজাতিক সংস্থাগুলো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর তার ফল চেইন সিস্টেমে বিস্তৃত হচ্ছে দেশে। দেশের বাজার এবং বহিঃদেশীয় বাজারে বিরাট প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ভারত। খুব দ্রুত চতুর্থ অর্থনীতির (Largest Economy) দেশে পরিণত হবে ভারত এবং আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotiraditya Scindia: “৬জি টেলিকম পরিষেবায় ভারত লিডিং প্লেয়ার হয়ে উঠতে পারে”, প্রত্যয়ী সিন্ধিয়া

    Jyotiraditya Scindia: “৬জি টেলিকম পরিষেবায় ভারত লিডিং প্লেয়ার হয়ে উঠতে পারে”, প্রত্যয়ী সিন্ধিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৬জি টেলিকম পরিষেবায় (6G) ভারত লিডিং প্লেয়ার হয়ে উঠতে পারে।” এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় টেলি যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারত ধীর প্রযুক্তি ব্যবহারকারী থেকে উন্নীত হয়ে এক নেতা হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। আমি নিশ্চিত যে ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের সমস্ত সদস্য এক সঙ্গে কাজ করবেন, যাতে ১৪০ কোটি ভারতীয়র জন্য সর্বব্যাপী, সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য প্রযুক্তি গড়ে তোলার জন্য ভারত সক্ষম হয়।”

    ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করার পরামর্শ (Jyotiraditya Scindia)

    জানা গিয়েছে, দেশের টেলিকম সংস্থাগুলিকে এখন থেকেই ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করার পরামর্শও দিয়েছেন টেলিযোগাযোগমন্ত্রী। সম্প্রতি, টেলিকম ক্ষেত্রের পরামর্শদাতা কমিটির বৈঠকে এই শিল্পের প্রতিনিধিদের তিনি জানান, এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করুক টেলি শিল্প। তাতে আখেরে লাভবান হবে দেশই। সংস্থাগুলি যাতে ৬জির মোট পেটেন্টের ১০ শতাংশ ও তিন বছরে প্রযুক্তির এক-ষষ্ঠাংশ বাজার দখলে রাখতে পারে, সেজন্য পদক্ষেপ করতে হবে। সিন্ধিয়ার (Jyotiraditya Scindia) আশ্বাস, শিল্পের দাবি মতো সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ সহায়তা করা হবে।

    সিন্ধিয়ার আশ্বাস

    টেলি সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে সারা দেশকে ব্রডব্যান্ড পরিষেবার আওতায় আনতে কেন্দ্রের কাছে যে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল, তা-ও দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিশ্বমানের প্রযুক্তি, টেস্টবেড এবং অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে ভারত যেন বৈশ্বিক ৬জি ক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে সরকার আগ্রহী। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে এই সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে ভারত ৬জি পরিষেবার ক্ষেত্রে একটা শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে পারবে।”

    আরও পড়ুন: ‘গান পয়েন্টে ধর্ষণ আইএএসের স্ত্রীকে’! পুলিশকে ভর্ৎসনা আদালতের, রাজ্যকে আক্রমণ মালব্যর

    প্রসঙ্গত, সরকার চায় যে ভারত ৬জি প্রযুক্তি বিকাশে নেতৃত্ব গ্রহণ করুক। এজন্য, ভারত অন্যান্য দেশের সঙ্গে বেশ কয়েকটি মউ স্বাক্ষর (6G) করেছে, যাতে এই ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করা যায় (Jyotiraditya Scindia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Post: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৫০-৬০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা, জানালেন মন্ত্রী

    India Post: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৫০-৬০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা, জানালেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়া পোস্ট (India Post) বা ভারতীয় ডাক ব্যবস্থায় হাই-টেকের পরিষেবা এখন সর্বত্র মিলবে। এই বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি বলেন, “ডাক বিভাগের গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ইন্ডিয়া পোস্টের আয় বৃদ্ধিরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সকল রকম সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে আমরা পরিকল্পনা শুরু করেছি।” একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা দিতে চেয়েছেন তিনি, আর তাই কর্মী, উদ্যোক্তা, নেতৃত্ব এবং আধুনিক যোগাযোগের ক্রমবর্ধমান চাহিদার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।

    দফতরের রাজস্ব ৫০-৬০ শতাংশ বৃদ্ধি হবে(India Post)

    নয়াদিল্লিতে পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ফোরাম অফ ইন্ডিয়ার অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, “ভারতীয় ডাক (India Post) ব্যবস্থাকে ব্যবসায়িক পুনর্গঠনের দিকে নজর দিয়ে, এখন থেকে ভারত সরকার একটি লজিস্টিক কোম্পানিতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করেছে। আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে এই দফতরের রাজস্ব ৫০-৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতীয় ডাকের বার্ষিক টার্নওভার হল ১২,০০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। আগামী দিনে একে বৃদ্ধির চেষ্টা করব।” ভারতের আর্থ-সামাজিক কাঠামোতে এই দফতরের মূল ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ গুরুত্বের কথাও বলেন। তিনি আরও বলেন, “আমাদের এই মেল বা চিঠির ব্যবসা থেকে নিজেদেরকে রূপান্তর করতে হবে। আমাদের পরিষেবাগুলিকে পরিবহণ করতে নতুন মাধ্যমের কথাও ভাবতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ চিন সীমান্তে বরফের নীচে চাপা পড়েছিলেন, তিন দিন পর জীবিত উদ্ধার জওয়ান

    ২৫,০০০ গ্রামে হবে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগ

    উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য আবার বলেন, “ভারত সরকার একটি সড়ক নেটওয়ার্ক করার বিস্তৃত পরিকাঠামো তৈরিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে চলেছে। এখনও সারাদেশে ২৫,০০০ গ্রাম এবং উত্তর-পূর্বে ৬,০০০ গ্রামে মোবাইল টাওয়ার নেই। ইউএসও ফান্ডের মাধ্যমে আগামী বছরের মাঝামাঝি এই বিস্তীর্ণ এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। ডাক বিভাগের (India Post) সঙ্গে ভারতের অনেক পুরনো ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ১৮৫২ সাল থেকে যখন বার্তা বাহক চিঠিগুলি পায়রার সাথে বাঁধা ছিল সেই সময়ের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ১৯১১ সালে প্রথম এয়ারমেইল পরিষেবা চালু হয়েছিল, আর এটাই আমাদের ইতিহাস।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DGCA: বিশেষভাবে সক্ষমদের বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া যাবে না, নির্দেশ ডিজিসিএ -র 

    DGCA: বিশেষভাবে সক্ষমদের বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া যাবে না, নির্দেশ ডিজিসিএ -র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষভাবে সক্ষম (Person with special ability) যাত্রীদের বিমানে উঠতে বাধা দিতে পারবে না বিমান সংস্থা। পরিষ্কার জানিয়ে দিল ডিরেক্টরেট জেনারাল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)। যদি বিমান সংস্থা মনে করে, বিমান চলাকালীন যাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে, তাহলে সেক্ষেত্রে উড়ান সংস্থাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক যদি পরীক্ষা করে জানান, যাত্রী বিমানে যাত্রা করার মতো শারীরিক অবস্থায় নেই, তাহলেই একমাত্র যাত্রীকে বিমানে ওঠা থেকে আটকাতে পারবে বিমান সংস্থা। নির্দেশ ডিজিসিএ -র। 

    আরও পড়ুন: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    ডিজিসিএ যা জানিয়েছে, অক্ষমতার কারণ দেখিয়ে কোনও ব্যক্তির যাত্রা বাতিল করা যাবে না। তবে এয়ারলাইন যদি মনে করে যে, কোনও যাত্রীর মাঝ উড়ানে স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে, তাঁকে একজন চিকিত্সকের তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। তিনি যাত্রী উড়ানের উপযুক্ত কিনা তা ব্যাখ্যা করবেন রিপোর্টে। সেই ভিত্তিতে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ? 

    সম্প্রতি ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের (Indigo Airlines) কর্মীরা বিশেষভাবে সক্ষম এক কিশোরকে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে রাঁচি বিমানবন্দরে বিমানে উঠতে বাধা দিয়েছিলেন। ঘটনাটি একজন সহযাত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ওই ব্যক্তি লেখেন, “ইন্ডিগোর কর্মীরা সাফ জানিয়ে দেন, ওই কিশোর বাকি যাত্রীদের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই তাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। বিমানে ওঠার আগে তাকে স্বাভাবিক হতে হবে। এই বলেই চলে যান বিমান সংস্থার কর্মীরা।” পোস্টটি মুহূর্তেই  ভাইরাল হয়ে যায়। সমালোচনার ঝড় ওঠে নেট পাড়ায়। আর তার পরেই আসে ডিজিসিএ -র এই নির্দেশ। 

    ঘটনার পরে, কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia) ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের আচরণ মেনে নেওয়া হবে না।    

    বিমান সংস্থাটি বিবৃতি জারি করে বলে, শিশুটি আতঙ্কে অশান্ত হয়ে পড়ে। গ্রাউন্ড স্টাফরা তার শান্ত হওয়ার জন্যে বহুক্ষণ অপেক্ষা করে। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শান্ত হয়নি সে। তাই তাকে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া হয়। 

     

     

LinkedIn
Share