Tag: kajal sheikh

kajal sheikh

  • TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন তিহাড় জেলে ছিলেন। গত বছরের শেষের দিকে ফিরেছেন গাঁয়ে (West Bengal)। তার পরেই তৃণমূলের কাজল শেখ গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরেরই অনুব্রত মণ্ডলের অন্তর্দ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash) চরমে ওঠে বলে অভিযোগ। তার জেরে হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের কাঁকরতলা থানার জামালপুর গ্রাম। স্থানীয় সূত্রে খবর, বালি বিক্রির টাকার বখরা নিয়েই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়। বোমার ঘায়ে পা উড়ে গিয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। নাম শেখ সাত্তার আলি। জখম হয়েছেন আরও কয়েকজন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা তৃণমূল নেতা স্বপন সেন ও তৃণমূলের কোর কমিটির উজ্জ্বল হক কাদেরির ঘনিষ্ঠ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় কাঁকরতলা থানার পুলিশ।

    তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন অনুব্রত (TMC Inner Clash)

    গত প্রায় দু’বছর ধরে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, মমতা ঘনিষ্ট অনুব্রত যতদিন জেলে বন্দি ছিলেন, ততদিন একপ্রকার শান্তই ছিল বীরভূম। তাঁর গোষ্ঠীর লোকজন নিষ্ক্রিয় হয়েছিলেন। অনুব্রত জেলায় ফিরতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে বলে তৃণমূলেরই একটি সূত্রের খবর।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    বেশ কয়েক জায়গায় অনুব্রত গোষ্ঠীর লোকজনের সঙ্গে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের অনুগামীদের সংঘর্ষ হয়েছে। অনুব্রতর অবশ্য দাবি (TMC Inner Clash), বীরভূমে কোনও গোষ্ঠীকোন্দল নেই। তবে তৃণমূলের এই নেতা যে ঠিক বলছেন না, তা দাবি করেছেন তাঁর দলেরই একটি গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল অনুব্রতের কাছের লোক। আর স্বপন, কালো শেখরা কাজল গোষ্ঠীর বলে জেলায় পরিচিত। বালির টাকার বখরা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা ছিল। তার জেরেই সোমবার রাতভর জেলায় হয় বোমাবাজি। যার জেরে পা খোয়ান তৃণমূলের সাত্তার।

    উজ্জ্বলের অভিযোগ, তাঁকে খুনের উদ্দেশ্যেই সোমবার রাতে তৃণমূল নেতা কালো শেখের বাড়িতে জড়ো হন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মহিবুল শেখ-সহ বেশ কয়েকজন। তাঁর দাবি, গত কয়েক দিন ধরে ওই বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র ও বোমা মজুত করা হচ্ছিল। যদিও কালোর অভিযোগ, সোমবার রাতে তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ছিলেন তৃণমূল নেতা উজ্জ্বলের অনুগামীরা (West Bengal)। অশান্তি এড়াতে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ (TMC Inner Clash)।

  • Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কেষ্ট-ঘনিষ্ঠকে পদ থেকে সারল তৃণমূল। অবশ্য অপসৃত প্রাক্তন বিধায়কের দাবি “আমি সুস্থ”। গরুপাচার মামলায় জেলবন্দী বীরভূমের (Birbhum) নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হাত ধরেই তৃণমূলে এসেছিলেন নরেশ বাউড়ি। তাঁর বিধায়ক হওয়ার পিছনেও কেষ্ট মণ্ডলের হাত ছিল বিরাট। তাঁকে পদ থেকে অপসারণের ফলে দলের মধ্যেই উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে কি গ্রেফতার করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? এই ভয়েই কি অপসারণ? নাকি দলের গোষ্ঠী কোন্দল? উঠছে নানা প্রশ্ন। 

    কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্ব (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) রাজনীতিতে তৃণমূলের মধ্যে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গ্রেফতারের পর থেকে ক্রমশ দলের মধ্যে অনুব্রতের গুরুত্ব কমে গিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। অপর দিকে অনুব্রতের অনুপস্থিতিতে কাজল শেখের গুরুত্ব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলার সভাপতির পদ থেকে কেষ্টকে এখনও আনুষ্ঠানিক অব্যাহতি দেননি। এই পরিস্থিতির মধ্যে দুবরাজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশকে বোলপুর টাউন সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজল শেখ এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহের ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সুকান্ত হাজরাকে। ফেলে অনেকের অনুমান, দলের মধ্যে কোন্দল স্পষ্ট। 

    বেসুরো নরেশ বাউড়ি

    ঘটনায় দলের সুরে সুর না মিলিয়ে বীরভূমের (Birbhum) অনুব্রতপন্থী নরেশ বাউড়ি বলেন, “শরীরিক ভাবে আমি যথেষ্ট সক্ষম। আমি অসুস্থ নই। দলের যা সিদ্ধান্ত তা মেনে চলবো।” তবে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, তাই দলের পদ থেকে সরানো হয়েছে, এমনটা অনেকেই মনে করছেন। বস্তুত লোকসভার আগে এই দলের পরিবর্তনে তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তৃণমূল মন্ত্রী বক্তব্য

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ অবশ্য দলের দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলেন, “নরেশ বাবু শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তিনি নিজেই সরে যাবার আবেদন করেছিলেন। তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়নি। তাঁকে জেলায় (Birbhum) অন্য পদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হল অনুব্রতকে, বাড়ছে কাজল গোষ্ঠীর দাপট?

    Anubrata Mondal: জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হল অনুব্রতকে, বাড়ছে কাজল গোষ্ঠীর দাপট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিবর্তন হল আজকে। একাধিক সংগঠনিক জেলায় দলের জেলা সভাপতি পদে বদল আনা হয়েছে। বীরভূমের ক্ষেত্রেও সরানো হল অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। তবে জেলা সভাপতি পদে ওই জেলায় অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সভাপতি পদের জায়গায় লেখা রয়েছে ‘কোর কমিটি টু কমিটি’। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১২ অগাস্ট গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত এই নেতা বর্তমানে বন্দি রয়েছেন দিল্লির তিহাড় জেলে। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মন্ডলের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলেরও। সুকন্যাও বর্তমানে বাবার (Anubrata Mondal) সঙ্গেই তিহাড় জেলে রয়েছেন। বীরভূম জেলায় দলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী আশীস বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    বীরভূমে বাড়ছে কাজল গোষ্ঠীর প্রভাব!

    আগামী বছরে রয়েছে লোকসভার ভোট। তার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির রদ-বদলে কেষ্টর নাম না থাকা রাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। একটি অংশ মনে করছে গরু পাচার মামলার কেষ্ট লম্বা কারাবাস হতে চলেছে এটা ধরে নিয়েই তাঁকে সরানো হল। অন্যদিকে, আরেকটি অংশের মতে, কেষ্টর (Anubrata Mondal) হাত থেকে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র সরে যাওয়ার ইঙ্গিত গত পঞ্চায়েত ভোটেই দেখা গিয়েছে। যখন তাঁর বিরোধী নেতা কাজল শেখকে দায়িত্ব আনা হয়। তাই বীরভূম জেলা সভাপতি পদ থেকে কেষ্টর (Anubrata Mondal) সরে যাওয়াতে অনেকে কাজল শেখেরও হাত দেখছেন।

    একাধিক জেলায় বদল সভাপতি পদে

    অন্যান্য বেশ কিছু জেলাতেও রদবদল সামনে এসেছে। যেমন বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পদে সরানো হয়েছে আবু তাহের খানকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অপূর্ব সরকার। বাঁকুড়া সংগঠনেও বড়সড় রদ বদল এনেছে তৃণমূল। সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে দিব্যেন্দু সিংহ মহাপাত্রকে, তাঁর বদলে এসেছেন অরূপ চক্রবর্তী। বিষ্ণুপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি পদে আনা হয়েছে বিক্রমজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। দার্জিলিং (পাহাড়) সাংগঠনিক জেলায় শান্তার ছেত্রীকে সভাপতি করেছে তৃণমূল। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলায় চেয়ারপার্সন থেকে হাজি নুরুল ইসলামকে সভাপতি করা হয়েছে। সভাপতি থাকা সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর ঢঙে বিরোধীদের পা-মাথা কাটার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জিম্মি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Birbhum: কেষ্টর ঢঙে বিরোধীদের পা-মাথা কাটার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জিম্মি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সেই অনুব্রতর গড়ে তাঁর ঢঙে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতাদের। দুদিন আগেই বীরভূম (Birbhum) জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেষ্টর বুলিই আওড়েছেন। এবার দলের আর এক নেতা সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বিরোধীদের পা-মাথা কাটার নিদান দিয়েছেন।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূলের ওই নেতা? (Birbhum)  

    বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটে এক সরকারি স্কুলের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসের রামপুরহাট -১ নম্বর ব্লকের সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি। বক্তব্য রাখার সময় মঞ্চ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,  ‘আপনার বাঁচার অধিকার আছে। আপনার সন্তানদের রক্ষা করার অধিকার আপনার আছে। যদি কেউ মনে করে আপনাদের ওপর আক্রমণ করবে, আপনাদের ক্ষতি করবে, আপনাদের চোখ রাঙাবে, তাহলে আত্মরক্ষার্থে পা কাটবেন, নাকি মাথা কাটবেন, নাকি তার গলা কাটবেন, কিচ্ছু দেখবেন না। আমরা আছি আপনার পাশে। নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে এগিয়ে যাবেন।’ এরপরই তিনি বলেন, আমরা ভোটে জয়ী হব। কোনও বিরোধী শক্তি আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না। শুধু নিজে জ্বলে উঠুন। জিম্মির এই বক্তব্য নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে, তখন ওই তৃণমূল নেতার বক্তব্য, তিনি যা বলেছেন ভেবেচিন্তেই বলেছেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জিম্মি বলেন, ‘ঢোড়া সাপ হলে সবাই মাড়িয়ে দিয়ে চলে যাবে। তাই কেউটে সাপ হতে হবে। নিজেকে বাঁচানোর জন্য কেউটে সাপের তেজ রাখতে হবে বলে আমি মনে করি। তাই আমি আমার কর্মীদের এ কথা বলেছি।’

    বিরোধী নেতাদের কী বক্তব্য?

    বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, কেষ্ট বড় বড় কথা বলে আজ তিহারে রয়েছে। এত কিছুর পরও তৃণমূল নেতাদের শিক্ষা হয়নি। আসলে তৃণমূল নেতারা যত এসব কথা বলবে, তত দলের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করবে। এসব করে কোনও লাভ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট করানোর কৌশলে কাজল শেখ (Kajal Sheikh) কি অনুব্রতকেই অনুসরণ করবেন? ব্যক্তি বদলে গেলেও তৃণমূলের কৌশলের কোনও বদল হচ্ছে না। গরু পাচারকাণ্ডে তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের মুখে তাঁর মুখেই শোনা যেতো ‘উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে, চড়াম চড়াম ঢাক বাজবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বীরভূমে ভোট হবে এই নিয়ে জেলার রাজনীতির আঙ্গিনায় শোরগোল পড়ছে। তবে কেষ্ট বিহনে দলের দায়িত্ব কাজল শেখের হাতেই যে থাকবে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাই নির্বাচন কমিশন দিনক্ষণ ঘোষণা না করলেও কীভাবে ভোট হবে তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কাজল। আজ কঙ্কালিতলায় তৃণমূল কর্মীদের নিদান দিলেন ঠিক কী কী করতে হবে।

    কী বললেন কাজল (Kajal Sheikh)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের আসন ভোট প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বলেন, “ভোটের সময় আমাদের টার্গেট কী হবে আপনারা শুনুন। কীভবে ভোট করতে হবে আগের দিন আমরা জানিয়ে দেবো। এই বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলানায় ১০ হাজার করে লিড বেশি লাগবে। সকলে প্রস্তুত থাকুন। সকলকে এক ছাতার তলায় এসে থাকতে হবে।” ফলে এই মন্তব্যে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন ২০২১ সালের বিধান সভার নির্বাচনের পর রাজ্যে যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল সেই পরিবেশ তৈরি হবে না তো! অবশ্য বিজেপি মনে করছে তৃণমূল অঞ্চলে অঞ্চলে সন্ত্রাস না চালালে ১০ হাজার করে লিড দেওয়া সম্ভব নয় তৃণমূলের পক্ষে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমে নির্বাচনকে ঘিরে শাসক দলের দৃষ্টিভঙ্গির যে অবস্থান বদল হচ্ছে না তা বিজেপি বুঝতেই পেরেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এক নেতা বলেন, “আগের দিন আর পরের দিন সম্পর্কে স্পষ্ট করে বুঝুন। ওঁর (Kajal Sheikh) ক্ষমতা মমতা বুঝে গিয়েছেন। তাই দলের কোর কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। মানুষ ওঁদের যোগ্য জবাব দেবে। জেলায় বিজেপি বিরাট মার্জিনে জয়ী হবে। ভোটাররা যদি বুথে যেতে না পারে, তার জন্য কী করতে হবে বিজেপি খুব ভালো করেই জানে। ওঁদের সন্ত্রাসকে মোকাবেলা করবে সাধারণ মানুষ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kajal Sheikh: ‘যে কোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারি’! কেন এই আশঙ্কা তৃণমূল নেতা কাজল শেখের?

    Kajal Sheikh: ‘যে কোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারি’! কেন এই আশঙ্কা তৃণমূল নেতা কাজল শেখের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেকোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারেন। বীরভূমের কর্মিসভায় প্রকাশ্যে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন সে জেলার তৃণমূল নেতা কাজল শেখ। কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বীরভূম তৃণমূলের জেলা কোর  কমিটির সদস্য। কিন্তু শাসক দলের নেতা কেন এই ভয় পাচ্ছেন?

    কী বলেন কাজল? 

    মঙ্গলবার বোলপুরের কঙ্কালীতলার এক কর্মিসভায় যোগ দিয়ে কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বলেন, “বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় আমার মা মাথায় তিনটে চুমা দেয় এবং ঠাকুরের কাছে দোয়া করে যাতে আমি বাড়ি ফিরে আসি। কারণ আমার ঘরে শত্রু বাইরে শত্রু। আমি জানি যে কোন মুহূর্তে আমার প্রাণের বিপর্যয় ঘটতে পারে।”   

    অনুব্রত মণ্ডলের বিরোধী গোষ্ঠীর (Kajal Sheikh) লোক বলে পরিচিত কাজল। অনুব্রতর ভয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই একঘরে হয়ে আছেন তিনি। এই মুহূর্তে জেলে রয়েছেন অনুব্রত। কেষ্ট জেলে যাওয়ার পর থেকে এই বিরোধী গোষ্ঠীর ওপর আরও ক্রুদ্ধ হয়েছে তাঁর অনুগামীরা। সম্প্রতি বীরভূমে গিয়ে দলের নতুন জেলা কোর কমিটি গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কমিটিতে ঠাঁই হয় কাজল শেখের। সঙ্গে তৃণমূলনেত্রী জানান, এবার থেকে বীরভূমের সংগঠন দেখভাল করবেন তিনি নিজে।

    আরও পড়ুন: কর্মবিরতির পর ডিএ- র দাবিতে এবার ধর্মঘটের ডাক সরকারি কর্মচারীদের

    এদিনের সভা থেকে অনুব্রত অনুগামীদের নিশানা করেছেন অনুব্রত মণ্ডল (Kajal Sheikh)। কেষ্টর নাম না করে কাজলের দাবি, মানুষের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করতে পারেননি দলের কয়েক জন নেতা। তিনি বলেন, “আমাদের কিছু নেতা ছিলেন, যাঁরা মানুষের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি। কালো কাচের গাড়িতে হাত নাড়িয়ে চলে যেতেন। কখনও করজোড় করেননি। তাই বিধানসভার ভোটে কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতে হেরে গিয়েছিলেন।”

    কাজল (Kajal Sheikh) আরও বলেন, “আমি কাউকে ভয় পাই না। আমি সত্যের পথে চলি। তাই কে কী বললেন, তাতে আমার কিছুই যায়-আসে না।” যদিও পরক্ষণেই তাঁর দাবি, “ঠিকমতো বাড়ি ফিরতে পারব কি না, সে আশঙ্কায় থাকি। ঘরেবাইরে অনেক শত্রু আমার। কখন কী করে দেবে! কিছু দিন আগেই বাইরে থেকে আসা দুষ্কৃতীরা আমাকে খুনের প্ল্যান করেছিল।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Kajal Sheikh: জেলে বসেই দল চালাচ্ছেন অনুব্রত! বিস্ফোরক নানুরের তৃণমূল নেতা কাজল শেখ

    Kajal Sheikh: জেলে বসেই দল চালাচ্ছেন অনুব্রত! বিস্ফোরক নানুরের তৃণমূল নেতা কাজল শেখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলে বসেই দল চালাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখ। এতদিন এই একই অভিযোগ করছিল বিরোধী দলের নেতারাও। কিন্তু এবারে শাসকদলের নেতার গলাতেই অনুব্রতের বিরুদ্ধে সুর চড়তে দেখা গেল। রবিবার নানুরের উচকরণ গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্দর বাসস্ট্যান্ডে দলের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে প্রকাশ্যেই দাবি করলেন, নেত্রীর কথা শোনা হচ্ছে না। জেলে বন্দি অনুব্রত মণ্ডলের পরামর্শেই দল চালাচ্ছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী। ইতিমধ্যেই এই দাবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কাজল শেখের বিস্ফোরক দাবি

    গতকাল বীরভূম তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখ দাবি করেন, “বিকাশদার সঙ্গে কেষ্টদার ফোনে কথা হচ্ছে সেই কারণেই উনি বলছেন কেষ্টদার কথামত চলছেন। হয়ত বিকাশদার সঙ্গে কেষ্টদার জেল থেকে ফোনে কথাবার্তা হচ্ছে। বিকাশের ফোন পরীক্ষা করলেই বোঝা যাবে কথা হচ্ছে কী না। কালকে যারা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের জিজ্ঞেস করে নিন বিকাশদা এটা বলেছেন কী না। আমি সত্য কথা বলি, সত্য পথে চলি।”

    আরও পড়ুন: বাংলাকে খণ্ডিত হতে দেব না! দুর্নীতি থেকে নজর সরাতে অপপ্রচার তৃণমূলের, দাবি সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, শনিবারই বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান কাজল শেখ। জানা গিয়েছিল যে, কোর কমিটির বৈঠক না হওয়ায় ও দলে সম্মান না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বেরিয়ে গিয়েছেন। তবে রবিবার তিনি জানান, বিষয়টা তেমন নয়। ব্যক্তিগত কাজেই তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ওই বৈঠকেই বিকাশ রায়চৌধুরী দাবি করেছেন যে অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই দল চলছে। এর প্রমাণ পেতে তিনি বিকাশের ফোন পরীক্ষা করার কথাও বলেন। বৈঠক চলাকালীন তিনি পিছনের দিকে বসে ছিলেন। কেন সামনে দিকে বসেননি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “সামনে বসা আমার লক্ষ্য নয়, আমার লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্ন সফল করা। চাইলে আমি অনেক আগে এমএলএ-এমপি হতে পারতাম। কিন্তু ও সব আমার লক্ষ্য নয়।”

    উল্লেখ্য, গরু পাচারকাণ্ডে প্রায় পাঁচ মাস জেলবন্দি বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল। এই অবস্থায় বীরভূমে পার্টি কে চালাবেন, তা নিয়ে সংশয় থাকলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বীরভূম সফরে এসে জেলায় সাতজনের কোর কমিটিও করে দিয়েছিলেন। প্রথম থেকে অনুব্রত বিরোধী হিসেবে পরিচিত নানুরে তৃণমূল নেতা কাজল শেখকেও এই কমিটিতে জায়গা দেন মমতা। প্রত্যেক সপ্তাহে কোর কমিটির সদস্যদের দলনেত্রী বৈঠক করার নির্দেশ দিলেও এখনও একটিও মিটিং হয়নি। গতকাল সেই নিয়েই উষ্মা প্রকাশ করেন কাজল শেখ। আর সেই প্রসঙ্গেই ক্ষোভ উগরে তিনি এমন দাবি করেন।

LinkedIn
Share