Tag: Kalbaisakhi

Kalbaisakhi

  • Weather Update: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    Weather Update: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহ কমেছে। গরমের দহন জ্বালা জুড়োতে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী (Weather Update)। আজ, সোমবার রাজ্যের আট জেলায় হতে পারে কালবৈশাখী ঝড়। আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। স্বাভাবিকভাবেই তাপমাত্রা কমতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতল হবে শরীর।

    আসছে কালবৈশাখী (Weather Update)

    দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে দাবদাহে পুড়ছিল দক্ষিণবঙ্গ। খাস কলকাতায় তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছিল ৪২ ডিগ্রি। রাজ্যের কোথাও কোথাও পারা চড়েছিল ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। চাতকের মতো ফটিক জল করে কাল কাটাচ্ছিলেন বঙ্গবাসী। শেষমেশ তাঁদের সে আশা পূরণ হতে চলেছে, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী (Weather Update)। এদিন কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলি এবং দুই চব্বিশ পরগনায়। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ঘণ্টায় হাওয়া বইতে পারে ৬০ কিলোমিটার বেগে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই বইবে দমকা হাওয়া।

    মঙ্গলেও শান্তি বারি

    সোমের পর মঙ্গলবারেও হবে বৃষ্টি। এদিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জেলায়। এই দুই জেলায় বৃষ্টি হতে পারে ১০০ মিলিমিটার কিংবা তারও বেশি। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে হবে বজ্রপাতও। দুই মেদিনীপুরে প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে। কেবল এই দু’দিনই নয়, শনিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বীরভূম, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু জায়গায় ঘণ্টায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবারও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, দুই চব্বিশ পরগনা, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং দুই মেদিনীপুরে। এদিন কলকাতায়ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলে অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টি হবে।

    আরও পড়ুুন: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ ডিগ্রি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। মার্চে ছ’দিনে কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছিল  মোট ২৮ মিলিমিটার। এপ্রিলে শহরে হালকা বৃষ্টি হয়েছিল মাত্র একদিন। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরের পার্বত্য জেলায় বেশি বৃষ্টি হবে। উত্তরের সমতলের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: টানা তাপপ্রবাহে জ্বলছে বাংলা, কেন এবছর উধাও হল কালবৈশাখী?

    Weather Update: টানা তাপপ্রবাহে জ্বলছে বাংলা, কেন এবছর উধাও হল কালবৈশাখী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা (Weather Update) সব রেকর্ড তছনছ করে দিচ্ছে চলতি বছর। মঙ্গলবার কলকাতা স্পর্শ করল রেকর্ড তাপমাত্রা। কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর  গতকাল দুপুরে কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৪৪ বছর পরে এপ্রিলে এই জায়গায় পৌঁছেছিল পারদ। আজ তার থেকেও প্রায় ২ ডিগ্রি উঠে তৈরি হল এপ্রিলে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড। ১৯৮০ সালে এপ্রিলে শেষবার কলকাতার পারদ ছুঁয়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রি। আগামী ৫ দিন তাপমাত্রার তেমন কোনও হেরফের হবে না। দেখা নেই কালবৈশাখীরও (Kalbaisakhi)। চৈত্র পার হয়ে বৈশাখের মাঝামাঝি হয়ে গেল। চলতি বছরে একদিনও ঝড়বৃষ্টি হয়নি।

    কোথায় কালবৈশাখী 

    ২০২৪ সালের মার্চ-এপ্রিল মিলিয়ে একটা কালবৈশাখীও হয়নি। পুনের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজি (আইআইটিএম)-র তথ্য অনুযায়ী কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল মিলিয়ে অন্তত ছ’টি এবং মে মাসে আরও ছ’টি — মোট ১২টি কালবৈশাখী হত। গত বছরও মে-র কলকাতা কালবৈশাখী (Kalbaisakhi) পেয়েছে পাঁচটি। এ ছাড়া ছ’সাত দিন ঝড়বৃষ্টি হয়। কিন্তু এবার অন্য চিত্র। মৌসম ভবনের হিসাব বলছে, এপ্রিলের কলকাতায় গড়ে অন্তত তিন দিন বৃষ্টি হয়। গড় বৃষ্টির পরিমাণ থাকে ৫৫ মিলিমিটার। তুলনায় এ বছরের এপ্রিলের হিসাব চমকে দেওয়ার মতো। কালবৈশাখী হয়নি। ছোটখাটো ঝড় হয়নি। বজ্রগর্ভ মেঘের দেখা নেই। ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিল ৭, ৮ এবং ১১ এপ্রিল। এর মধ্যে ৭ তারিখই মাপার মতো। ০.৫ মিলিমিটার। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৮ এবং ১১ তারিখ শুধু বোঝা গিয়েছে যে, বৃষ্টি হয়েছে। তার পর থেকে আর বৃষ্টির মুখ দেখেনি কলকাতা। ১১ তারিখের পর থেকে মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত শুধুই গরম আর তাপপ্রবাহ। প্রতিদিন ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার নতুন নতুন রেকর্ড ভাঙছে কলকাতা।

    কেন হল না, লু-এর প্রভাব

    মৌসম ভবনের পূর্বাঞ্চলীয় শাখার উপ-মহাধ্যক্ষ সোমনাথ দত্ত বলেন, ‘উত্তর গোলার্ধে সমুদ্র থেকে বাতাস যখন কোনও দেশের মূল ভূখণ্ডে ঢোকে, তখন অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ়, অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার উল্টো ভাবে ঘুরতে শুরু করে। বঙ্গোপসাগরের যে হাওয়া দক্ষিণবঙ্গ দিয়ে ঢোকে, সেটা বাঁ দিকে বেঁকে ওড়িশার দিকে চলে যায়। তাই বাংলার পাশাপাশি ওড়িশাও কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi) দিকে তাকিয়ে থাকে। ঝড় শুরু হলে, হাওয়া পাশাপাশি পাক খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে মাটির এক কিলোমিটার উপর থেকে কনকনে ঠান্ডা হাওয়াও গোঁত্তা খেয়ে অতি দ্রুত নীচে নামতে থাকে। এর ফলে অনেকটা জায়গার তাপমাত্রা কয়েক মিনিটের মধ্যে ১২-১৫ ডিগ্রি পর্যন্ত কমে যায়। অনেক সময়ে শিলাবৃষ্টিও হয়।’ কিন্তু গত ক’বছরে লু-এর প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উপর পর্যন্ত বাতাসের স্তর এতটাই গরম হয়ে উঠছে যে সেই উচ্চতায় মেঘ তৈরি হতে পারছে না বলেই বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ। সমুদ্রের বাতাসের জোর করে ঢোকার মতো শক্তি অর্জন করতে অতিরিক্ত প্রায় দু’মাস সময় লেগে যাচ্ছে। তাই মার্চ-এপ্রিলে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত কমে সবটাই মে-নির্ভর হয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    জলীয় বাষ্পের অভাব

    আবহবিদদের (Weather Update) কথায়, জলীয় বাষ্পের অভাবের কারণে এবার কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi) দেখা নেই। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অর্থাৎ বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০-৮০ শতাংশের কাছাকাছি হলে তখন বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে তা বিক্ষিপ্তভাবে হবে। এই মুহূর্তে বায়ুমণ্ডলে দক্ষিণবঙ্গ-সহ ঝাড়খণ্ড, সমগ্র মালভূমি অঞ্চলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ২০ থেকে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি। আবহবিদরা বলছেন, শহরাঞ্চলে গাছ, জলাশয় তো শেষ! গ্রামেও এক ছবি। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট হচ্ছে। গাছ কাটা পড়ছে, বোজানো হচ্ছে পুকুর। জলাশয় ধ্বংসের পাশাপাশি বনাঞ্চলও কমছে। উল্টে বাড়ছে কংক্রিটের জঙ্গল। জল-বনাঞ্চলের পরিমাণ না বাড়ানো হলে এই সমস্যা থেকে নিস্তার নেই। মে-এর ৫-৬ তারিখ এর আগে বৃষ্টি হবে না বলেই মত আবহবিদদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri Storm: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    Jalpaiguri Storm: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার হঠাতই ঘূর্ণিঝড়ে (Jalpaiguri Storm) লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আহত হয়েছেন দুশোর বেশি মানুষ। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতকাটা ও ময়নাগুড়ি এলাকার ডেঙ্গুয়াঝাড় চা-বাগান ও ধূপগুড়ি অঞ্চলে। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপি নেতা-কর্মীদের দ্রুত বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা 

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri Storm) ঘটনার খবর পেয়েই এক্স হ্যান্ডলে মোদি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি-ময়নাগুড়ি এলাকায় বহু পরিবার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।” বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার এবং ত্রাণকাজে নামার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি লেখেন, “রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করতে বলেছি।” 

    ঝড়ে বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি

    রবিবার বিকেল সাড়ে ৩ টে নাগাদ জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri Storm) ঝড় শুরু হয়। মাত্র ১৫ মিনিটেই জলপাইগুড়ি শহর, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির বেশ কিছু এলাকা ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ময়নাগুড়িতে ৫০০ গ্রাম ওজনের শিল পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের। ঝড় ও শিলাবৃষ্টির জেরে গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫ জনের৷ একাধিক জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে৷ পুলিশ, দমকল ও পৌরসভার বিপর্যয় মোকাবিলা দল পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে৷ বেশ কয়েকটি ঝুপড়ি ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গাছ উপড়ে এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অনেক জায়গায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রাজারহাট, বার্নিশ, বাকালি, জোড়পাকদি, মাধবডাঙ্গা এবং সাপ্তিবাড়ি। কয়েক একর কৃষি জমি এবং ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের পরই রাতে জলপাইগুড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    আরও পড়ুন: ইদের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান বাংলাদেশে পৌঁছল

    জলপাইগুড়িতে রাজ্যপাল

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও (CV Anand Bose) সোমবার জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri Storm) উদ্দেশে রওনা হয়েছেন৷ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন রাজ্যপাল৷ পাশাপাশি জলপাইগুড়ির পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজভবনে একটি জরুরি সেলও খোলা হয়েছে বলে রাজভবনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। রাজভবনের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল দিল্লির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ৷ জলপাইগুড়িকাণ্ডে যাবতীয় সাহায্যের জন্য অনুরোধও করেছেন করেছেন তিনি। উত্তরবঙ্গে আগামী দু’তিন দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalbaisakhi In Kolkata: মরশুমের প্রথম কালবৈশাখী বঙ্গে, কতদিন চলবে ঝড়-বৃষ্টি?

    Kalbaisakhi In Kolkata: মরশুমের প্রথম কালবৈশাখী বঙ্গে, কতদিন চলবে ঝড়-বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরশুমের প্রথম কালবৈশাখী পেল কলকাতা (Kalbaisakhi In Kolkata)। ভ্যাপসা গরম থেকে স্বস্তি শহরবাসীর। গতকাল রাতের বেলা বৃষ্টিতে ভিজল শহর কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। প্রথমে রাতের দিকেই শুরু হয় দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি। কোনও কোনও জেলায় হয়েছে শিলাবৃষ্টিও। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরের আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। দিনের বেলায় ছিল গুমোট ভাব। এরপর রাতে শুরু হল বৃষ্টি। এই প্রথম কালবৈশাখীর হাত ধরে পারদ নামল রাজ্যে। জানা গিয়েছে, আজও বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে।

    মরশুমের প্রথম কালবৈশাখী

    মরশুমের প্রথম কালবৈশাখী শুরু হয় বৃহস্পতিবার থেকে (Kalbaisakhi In Kolkata)। আবহাওয়া দফতর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৫২ মিনিট নাগাদ দমদমের উপর দিয়ে ৬৪ কিমি বেগে পশ্চিমমুখী ঝড় বয়ে গিয়েছে। অন্য দিকে, রাত ১০টা ৩৭ মিনিট নাগাদ আলিপুরের উপর দিয়ে ৪৮ কিমি বেগে উত্তর-পশ্চিমমুখী একটি ঝড় বয়ে গিয়েছে। এই ঝড়ের ফলে এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। নদিয়া, পূর্ব বর্ধমানের কালনায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হয়েছে পুরুলিয়া, বর্ধমান, মেদিনীপুর, হুগলিতেও।

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ভারতীয়দের মাথা পিছু আয় বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে, বলছে রিপোর্ট

    এছাড়াও কালবৈশাখীর তাণ্ডব দেখা গিয়েছে নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায়। তবে দক্ষিণবঙ্গের যে সকল জেলায় কালবৈশাখী হয়নি সেখানে শুক্রবার দুপুরের পর যে কোনও সময় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দেড় থেকে দু’ঘণ্টা আগে সতর্কতা জারি করবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের আগে বুধবার উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। কিছু জেলায় শিলাবৃষ্টিও হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ কালবৈশাখীর দাপট দেখা যাবে। উত্তরবঙ্গের কোনও কোনও জায়গায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় ফের শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদায়।

    ঝড়-বৃষ্টি কতদিন পর্যন্ত চলবে?

    হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত এরকমই আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে প্রস্তুতি নিতে শুরু করছে রাজ্য সরকার। কোথাও যাতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সমস্যা না হয় সেটা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। খোলা হচ্ছে কন্ট্রোল রুমও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Weather: আজ থেকেই রাজ্যে কালবৈশাখী-শিলাবৃষ্টি! কোন কোন জেলায় জারি সতর্কবার্তা?

    West Bengal Weather: আজ থেকেই রাজ্যে কালবৈশাখী-শিলাবৃষ্টি! কোন কোন জেলায় জারি সতর্কবার্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় (West Bengal Weather) আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। আজ থেকে রাজ্যে শুরু ঝড়-বৃষ্টি। শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার বিশাল পরিবর্তন হতে চলেছে। আজ এবং আগামিকাল একাধিক জেলায় শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে আবার কয়েকটি জেলায় ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। সপ্তাহভর বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি, সঙ্গে দমকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের। উত্তরবঙ্গের ৫টি জেলায় কমলা সতর্কতা এবং দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হলুদ সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে ১৫ থেকে ১৭ মার্চ অর্থাৎ বুধ থেকে শুক্রবারের মধ্যে। সঙ্গে বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে। হাওয়া অফিস বলছে, মঙ্গল ও বুধবার আংশিক মেঘলাই থাকবে আকাশ। বৃহস্পতিবার থেকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতা শহরেও। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস সঙ্গে রয়েছে (West Bengal Weather)।

    উত্তরবঙ্গে শিলাবৃষ্টি

    হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে মঙ্গলবার থেকে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই তিন জেলার কিছু অংশে বুধবার থেকে হাওয়া বদল হবে। বৃষ্টি বাড়বে ১৫ মার্চ থেকে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ ও আগামিকাল উত্তরবঙ্গের ওই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে (West Bengal Weather) ।

    কেন এই দুর্যোগ?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ড ও সন্নিহিত এলাকায় শক্তিশালী নিম্নচাপ অক্ষরেখা অথবা ঘূর্ণাবর্ত তৈরির সম্ভাবনা বাড়ছে। এর জেরে রাজ্য জুড়ে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখা দিয়েছে। ১৪ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ঝড়বৃষ্টি চলবে রাজ্যে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share