Tag: kaliachak

kaliachak

  • Malda: হরির লুট! নির্বিচারে ভাতা বিলিয়ে দুঃস্থ মহিলাদের কাছে এখন ফেরত চাইছে প্রশাসন

    Malda: হরির লুট! নির্বিচারে ভাতা বিলিয়ে দুঃস্থ মহিলাদের কাছে এখন ফেরত চাইছে প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭ লক্ষ টাকা গায়েব মালদা জেলার কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লক প্রশাসনের তহবিল থেকে। আর সেই টাকা তুলতে ৩২৯ জন দুঃস্থ মহিলাকে নোটিশ দিলেন কালিয়াচকের (Malda) বিডিও। এমন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালদা প্রশাসনিক মহলে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।

    মূল অভিযোগ কী (Malda)?

    বিরোধীরা প্রশ্ন করছেন, ভাতা দিয়ে আবার ভাতা ফেরত! এ কেমন ঘটনা! আসলে এখানেও নতুন কৌশল করে দুঃস্থ মহিলাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করার চেষ্টা করছে কালিয়াচকের (Malda) ব্লক প্রশাসন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া। কালিয়াচক এক নম্বর ব্লক প্রশাসন ও সমাজ কল্যাণ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের সময় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি থেকে ঢালাও নাম পাঠানো হয়েছিল। সে সময় নথিপত্র, বয়স কোনও তথ্য যাচাই করা হয়নি। একজন উপভোক্তাকে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, মানবিক ভাতা দেওয়া হয়েছে। যেখানে সরকারি নিয়ম রয়েছে, যে কোনও একজন উপভোক্তা একটি ভাতাই পাবেন। অথচ যে মহিলারা বিধবা ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরাই আবার বার্ধক্য ভাতাও পেয়েছেন।

    উপভোক্তাদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Malda) উপভোক্তা বয়স্ক মহিলারা জানিয়েছেন, এত টাকা কোথায় পাবেন! তাঁরা ফেরত দিবেন কীভাবে। তাঁদের যখন টাকা দিয়েছিল, তখন তো কিছু বলেনি। বরং ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছিল, বাড়তি টাকা সরকার যখন দিচ্ছে, নিতে ক্ষতি কী। কিন্তু আজ এতগুলো টাকা ফেরত তাঁরা কীভাবে দেবেন! এই নিয়ে মাথায় হাত। পাশাপাশি তাঁরা জানাচ্ছেন, সরকার রীতিমতো তাঁদের ঠকিয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, যাঁরা টাকা ফেরত দেবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিজেপির বক্তব্য

    দক্ষিণ মালদা (Malda) বিজেপির সম্পাদক নন্দনকুমার ঘোষ বলেন, এই গাফিলতি বিডিও এবং তাঁর কর্মীদের। নথিপত্র যাচাই না করে কী করে টাকা দেওয়া হয়েছিল? আবার সেই টাকা আজ দুঃস্থ মহিলাদের কাছ থেকে চাওয়া হচ্ছে। এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে সব মহিলাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হয়তো পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক বিরোধী ছিলেন। ভারতীয় জনতা পার্টি এই মহিলাদের পাশে থেকে আন্দোলন করবে, দরকার হলে রাস্তায় নামবে।

    জেলা সভাধিপতির বক্তব্য

    এই বিষয়ে মালদা (Malda) জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং তৃণমূল নেত্রী লিপিকা বর্মন ঘোষ বলেন, এই খবরটা আমি পেয়েছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন মহিলা যিনি বিধবা, তিনি শুধু বিধবা ভাতাই পাবেন, অন্য ভাতা পাবেন না। সে ক্ষেত্রে এখানে একজন মহিলা দু-তিনটি করে ভাতা পেয়েছেন, সেটা ঠিক নয়। সে ক্ষেত্রে কিভাবে বিষয়টিকে দেখা যায়, তা ইতিমধ্যেই ব্লক প্রশাসন খতিয়ে দেখছে । বিরোধীদের কাজই হচ্ছে বিরোধিতা করা। নিয়ম যা রয়েছে সে বিষয়ে ব্লক প্রশাসন দেখবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: কালিয়াগঞ্জের পর এবার কালিয়াচক! নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ

    Malda: কালিয়াগঞ্জের পর এবার কালিয়াচক! নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। এখনও এই খুনের ঘটনার কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় চারজন এএসআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই মঙ্গলবার সকালে মালদহের (Malda) কালিয়াচক থানার  উজিরপুরে এক নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় লোকজন মাঠের মধ্যে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদহ (Malda)  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    মালদহের (Malda) কালিয়াচক থানার পাকাকোট এবং উজিরপুর গ্রামের মাঝখানে মাঠের মধ্যে ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। শরীরে একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এদিন স্থানীয় লোকজন মাঠে কাজ করতে গিয়ে চাষের জমিতে ওই নাবালিকার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান, ওই কিশোরীকে গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, উদ্ধার হওয়া ওই কিশোরীকে আমরা কেউ চিনতে পারছি না। সম্ভবত ওই কিশোরীর অন্য কোথাও বাড়ি। দুষ্কৃতীরা এখানে নিয়ে এসে অপকর্ম করে তাকে খুন করে চলে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাসচন্দ্র মণ্ডল বলেন, কালিয়াগঞ্জের ঘটনা আমরা খবরের কাগজে পড়ছি। টিভিতে দেখছি। এবার নিজেদের গ্রামে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে তা আশা করিনি। কারণ, এই ধরনের ঘটনা এর আগে কখনও হয়নি। ফলে, আমরা খুব আতঙ্কে রয়েছি। আমরা চাই, অবিলম্বে ওই নাবালিকা খুনে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের পুলিশ খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুক। আর পুলিশ প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই খুনের ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সালিশি সভায় দুই যুবককে কুপিয়ে খুন! জেলা জুড়ে শোরগোল

    Malda: সালিশি সভায় দুই যুবককে কুপিয়ে খুন! জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঈদের আনন্দ করতে ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন সাজিম সেখ এবং জামিউল শেখ। গ্রামে ফিরতেই তাঁদের ডাক পড়ে সালিশি সভায়। সাধারণ বৈঠক ভেবে সেখানে তাঁরা যান। কিন্তু, মাতব্বরদের নিদানে সালিশি সভাতেই হামলা চলে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাজিম, জামিউলসহ চারজন লুটিয়ে পড়েন। পরে, হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের (Malda) কালিয়াচকের বিবি গ্রামে। ঈদের দিন এই ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া এসেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজস্থানে শ্রমিক পাঠানোর জন্য দাদন দিতে হয়। মালদহের (Malda) এক ঠিকাদারের মাধ্যমে ভিন রাজ্যে কাজে পাঠানো হয়। এই গ্রামের কয়েকজন  ভিনরাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। শ্রমিকদের  রাজস্থানে কাজে পাঠানোর জন্যে দাদনের টাকা নিয়ে গোলমাল বাধে। ঈদের জন্য কয়েকজন শ্রমিক বাড়ি ফিরেছিলেন। বকেয়া টাকা আদায়ের জন্যে সালিশি সভা তাঁদের ডাকা হয়। সেখানে লেবার কন্ট্রাক্টর এবং শ্রমিকদের ডাকা হয়। অভিযোগ, সালিশি সভাতেই দাদনের টাকার বিষয়টি ওঠে। বকেয়ার পরিমাণ নিয়ে কথা বলতেই বচসা বাধে। এরপরই ঠিকাদারের কিছু লোকজন ধারাল অস্ত্র নিয়ে দুই শ্রমিকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। এলোপাথারি কোপানো হয়। সভা মাঝ পথেই ভণ্ডুল হয়ে যায়। দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক মারামারি শুরু হয়ে যায়। হামলা পাল্টা হামলার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বেশ কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন সাজিম সেখ(২১), জামিউল শেখ (২৫)। আর জখম দুজনের নাম শাহজাহান শেখ (২২) এবং তারিখ শেখ (২৮)। তাঁদের মালদহ (Malda)  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সালিশি সভা চলাকালীনই আচমকা গণ্ডগোল বাধে। তাতেই কয়েকজন জখম হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Kaliachak: ফের বিপুল টাকা উদ্ধার মালদহের কালিয়াচকে

    Kaliachak: ফের বিপুল টাকা উদ্ধার মালদহের কালিয়াচকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকমাস আগেই মালদহের এক পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিস লক্ষ লক্ষ কালো টাকা।  আবারও মালদহ থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমানে টাকা। মোট ৩৩ লক্ষ টাকা এদিন উদ্ধার হয় মালদহের কালিয়াচক (Kaliachak) থেকে। গত বছরের জুলাই মাস থেকেই রাজ্য জুড়ে উদ্ধার হচ্ছে হিসাব বহির্ভূত বিপুল পরিমানে কালো টাকা। রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর বান্ধবীর ফ্ল্যাট থেকে তখন পাওয়া গেছিল কোটি কোটি টাকা। ব্যস সেই শুরু! বিরোধীরা ইতিমধ্যে কটাক্ষ করতেও ছাড়েনি রাজ্য সরকারকে। তারা বলছে, কালো টাকা উদ্ধারে এগিয়ে বাংলা। 

    আরও পড়ুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    পুলিশ কী বলছে

     মালদহের কালিয়াচক (Kaliachak) থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মোজামপুর এলাকা থেকে এই কালো টাকা উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। কালিয়াচক (Kaliachak) থানার পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ইতিমধ্যে দু’জনকে গ্রেফতারও করেছে তারা। অভিযুক্তদের নাম— জসিমউদ্দিন আহমেদ ওরফে আলম এবং রাবিউল ইসলাম ওরফে রাব্বি। ধৃতেরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলেই জানিয়েছে পুলিশের। এই টাকা মাদক কারবারেরই অংশ বলে মনে করছে পুলিশ।  এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেন, ‘‘অভিযুক্তদের জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি আমরা। এই টাকা মাদক লেনদেনের। আরও কারা এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত, তার খোঁজ চলছে।’’

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    ধৃতরা কী বলছে

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক জেরায় ধৃতেরা বলেছে, উদ্ধার হওয়া টাকা তাদের নয়। ওই টাকার আসল মালিক ধৃত জসিমউদ্দিনের শ্যালক ইব্রাহিম ওরফে রাজু, রাজুর বাড়ি শ্রীরামপুর বলেই জানিয়েছে ধৃতরা। পুলিশের দাবি, রাজু ব্রাউন সুগারের ব্যবসা করে। তিন জনের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তদন্তও ভালো এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Malda: বিয়ের জন্য চাপ দিতেই কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, দাবি পুলিশের

    Malda: বিয়ের জন্য চাপ দিতেই কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, দাবি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদহের (Malda) কালিয়াচক থানার উজিরপুরে নাবালিকা খুনের কিনারা করল পুলিশ। খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তার বয়স ৩০ বছর। তার বাড়ি কালিয়াচক থানার রামনগর এলাকায়। সে দিনমজুরের কাজ করে। যে জায়গায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে ধৃত যুবকের বাড়ি প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে। ইতিমধ্যেই ধৃত যুবককে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    নাবালিকাকে কেন খুন করা হল?

    নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মালদহ (Malda), গাজোল, কালিয়াচক এবং ইংরেজবাজার থানার আধিকারিকদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করা হয়। নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর বিভিন্ন সূত্র পেয়ে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে, একজন খুনের কথা স্বীকার করে। পরে, তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ৯ দিন আগে মিসডকল থেকেই ওই নাবালিকার সঙ্গে আলাপ হয়। ফোনেই দুজনের মধ্যে কথাবার্তার সূত্র ধরে সম্পর্ক গভীর হয়। এরপরই ওই নাবালিকা দেখা করার জন্য জোরাজুরি করে। ধৃত যুবক ফোনে তাকে একটি ঠিকানা বলে দেয়। সোমবার বাসে করে ওই কিশোরী সেখানে আসে। এরপর তারা দুজনে হাঁটতে হাঁটতে ঘটনাস্থল উজিরপুরে আসে। সেখানে দুজনের মধ্যে শারীরীক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে, ওই কিশোরী তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। আর ধৃত যুবক বিবাহিত। তার দুই সন্তান রয়েছে। তার পরিবারের অবস্থা বোঝানোর পর সে তা মানতে চায়নি। বরং, বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। এরপরই তার গলায় ওড়না জড়িয়ে ওই যুবক তাকে খুন করে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    মালদহের (Malda) পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ভিডিওগ্রাফি করে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ৯ দিন আগে আলাপ হলেও সোমবারই তাদের দুজনের প্রথম দেখা হয়। ওই নাবালিকা বিয়ের পাশাপাশি ধৃত যুবকের বাড়ি যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। তারপরই সে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে বলে জানিয়েছে। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অদম্য ইচ্ছাশক্তি। সঙ্গে সাহসও। এমনই দুই বৈশিষ্ট্যের যেন মেলবন্ধন বছর ৬৫ এর মোস্তাক আলি। ছোটবেলা থেকেই সংসারের জন্য লড়াই আর লড়াই। টমটম অর্থাৎ ঘোড়ার গাড়িই (Horse Carriage) তাঁর বন্ধু, জীবনসঙ্গী। তাই এলাকায় টমটম চালক হিসাবেই সুপরিচিত মোস্তাক।

    কলিয়াচকের (Kaliachak) ২ নম্বর ব্লকের পীরুটোলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।  এই এলাকায় ৪টি ঘোড়ার গাড়ি দৌড়ায়। তার মধ্যে মোস্তাকেরটিই বেশি পরিচিত। কারণ এই বয়সেও (Old Age) তিনি অবিরাম একই কাজ করে চলেছেন উৎসাহের সঙ্গে। মুখে মৃদু হাসি, চোখেমুখে বয়সের ছাপ। তবুও যেন হার না মানা চরিত্র।

    এই মানুষটি তাঁর পেশা সম্পর্কে কী বলছেন?

    মোস্তাক আলি বলেন,  “ছোট থেকেই আমি এই কাজ করছি। অন্য কাজ আর কীই বা করব? তাই সাতপাঁচ না ভেবে এই কাজটিই আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত করতে চাই।” জানা গেল, তাঁর দৈনিক আয় ২০০ থেকে ৪০০ টাকা, যা আজকের বাজারে অনেক কম হলেও সাহস আর মনের জোরে টমটম চালক হিসাবেই রয়েছেন কলিয়াচকে। বললেন, এক সময় অনেক যাত্রী হত। কিন্তু আজকাল কমে গেছে। তাই দোকানহাটে মাল বহন করে যা আয় হয়, তাতেই সংসার (Family) চলে। তিনি জানান, এক সময় এই অঞ্চলে পাঁচশোর বেশি ঘোড়ার গাড়ি (Horse Carriage) ছিল। সেসব গাড়ি বৈষ্ণবনগর, মোথাবাড়ি, সাহাবাজপুর, গোলাপগঞ্জ, কালিয়াচক প্রভৃতি রুটে ছুটে বেড়াত। তিনি এখন মোথাবাড়ি, অচিনতলা সিলামপুর ও কালিয়াচক রুটে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়েই জীবিকার নির্বাহ করেন।

    এই বয়সেও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা মোস্তাক

    এক সময় এই এলাকা সহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গাতেই যোগাযোগের (Communication) মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হত এই টমটম। কিন্তু কালের নিয়মে তা আজ শেষের পথে। আজ এই এলাকায় ঘোড়ার গাড়ির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪টিতে। তবুও এই বয়সে মনের জোর নিয়েই মোস্তাক তাঁর ঘোড়ার গাড়িকে (Horse Carriage) ছুটিয়ে নিয়ে চলেছেন কলিয়াচক জুড়ে। আজ ৬৫ বছর বয়সেও তিনি নিজে অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। কখনও নিজের মনে মনে গান করে ছুটিয়ে নিয়ে চলেন তাঁর টমটম। আর এইসবই তাঁকে আরও উৎসাহ আর মনের জোর দেয় বলে দাবি মোস্তাকের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliachak: কালিয়াচক ধর্মান্তরণের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    Kaliachak: কালিয়াচক ধর্মান্তরণের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (Kaliachak) খোদ আইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল জোর করে এক হিন্দু পরিবারকে মুসলমান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার। গত বছরের প্রথমেই এই অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। মামলা গড়ায় হাইকোর্ট অবধি। বেশ কয়েকবার শুনানিও হয় বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের এজলাসে। আজ অর্থাৎ ২০ ফেব্রুয়ারিও শুনানি হয় এই মামলায়। হাইকোর্টের ১৩ নম্বর ঘরে এই মামলার শুনানির সময় বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিবিআইকে গোটা ঘটনার রিপোর্ট পেশের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যের মধ্যে কালিয়াচক হল অত্যন্ত স্পর্শকাতর থানা। অনুপ্রবেশ, বেআইনি গোরুপাচার, অস্ত্রের কারবার, কালোটাকা উদ্ধারে বারবার নাম জড়িয়েছে কালিয়াচকের। গত বছর এক হিন্দু পরিবারকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় খাড়া করা হয় খোদ থানার আইসি-কে। এই মর্মে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি বলেই অভিযোগ তোলেন ধর্মান্তকরনের শিকার পরিবারটি। পরবর্তীকালে এটা নিয়ে রাজ্য জুড়ে হইচই শুরু হলে ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি কালিয়াচক (Kaliachak) থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগকারিনী কলাবতী মণ্ডলের বিবৃতি ছিল, জোর করে তাঁকে এবং তাঁর স্বামীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করা হয়, গোটা ঘটনায় আইসি নিজে চাপ দিতে থাকেন তাঁদের উপর। গত বছরের ১৯ মে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার গোটা ঘটনার রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন মালদার পুলিশ সুপারকে। ওই নির্দেশে বিচারপতি বলেন, ২১ জুন ২০২২ এর মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে পুলিশ সুপারকে।

    পরিবারটির পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পুলিশকে নির্দেশও দেন বিচারপতি

    এদিন বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে সিবিআই-এর তরফে হাজির ছিলেন আইনজীবি বিল্বদল ভট্টাচার্য এবং কল্লোল মন্ডল। রাজশেখর মান্থার এদিন কালিয়াচকের পরিস্থিতির সাপেক্ষে এনআইএ-এর তদন্ত রিপোর্টও জমা করতে নির্দেশ দেন। যদিও এনআইএ-এর কোনও প্রতিনিধি আজ হাইকোর্টে উপস্থিত ছিলেন না। বিচারপতি এদিন আরও বলেন, অভিযোগ উঠছে যে এখনও ওই পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে, কালিয়াচক (Kaliachak) থানা যেন পরিবারটির সম্পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল। রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ, ধর্মান্তকরনের অভিযোগ বারবার করে আসছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি। আজকে সেই পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষন সেই অভিযোগকেই মান্যতা দিল বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Kaliachak: কালিয়াচকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করাচ্ছে পুলিশ! সিবিআই, এনআইএ-কে যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Kaliachak: কালিয়াচকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করাচ্ছে পুলিশ! সিবিআই, এনআইএ-কে যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মালদার (Malda) কালিয়াচকের (Kaliachak) ধর্মান্তরনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta high court)। এই মামলায় সিবিআই (CBI) এবং এনআইএ-কে (NIA) যৌথভাবে তদন্ত করবে এবং আদালতকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেবে।

    সম্প্রতি, কালিয়াচকে কয়েকটি গরিব হিন্দু পরিবারকে ধর্ম পরিবর্তনের (forceful conversion) জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। বলপূর্বক ধর্মান্তরণের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেন ওই হিন্দু পরিবারগুলির মহিলা ও শিশুরা। পরিবারগুলির অভিযোগ, তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেফতার করে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ওই এলাকায় আগেও দুই হিন্দু পরিবারকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের অভিযোগ, কালিয়াচক থানার আইসি-ই তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করতে চাপ দিচ্ছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট করে ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানান, কালিয়াচক থানার পুলিশ জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযোগের নিশানায় ছিলেন কালিয়াচক থানার আইসি। অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন না করলে পুরুষদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ, এর আগেও ২ জনকে চাপ দিয়ে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে।

    একজন সরকারি আধিকারিকের এহেন আচরণে যারপরনাই বিস্মিত বিজেপি নেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত লেখেন, গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষ সংবিধান অনুসারে চলে। সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ ভারতের প্রত্যেকটি নাগরিককে তাঁর ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের অর্থাৎ ক্ষমতায় বসে থাকা সরকারের। সেখানে একজন সরকারি পুলিশ অফিসার যিনি থানার ইন্সপেক্টর তিনি কীভাবে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য কোনও মানুষকে চাপ দিতে পারেন? এটা পুরোপুরি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    পশ্চিম বাংলায় ধর্মীয় স্বাধীনতাও বিপন্ন হওয়ায় ক্ষুব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি লেখেন,  পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে চাকরি নেই, শিল্প নেই, সুশাসন নেই, বাক্ স্বাধীনতাও নেই। এছাড়াও নানা সমস্যা রয়েছে। এর পরেই তাঁর প্রশ্ন, তাই বলে সাধারণ মানুষের ধর্ম পালনের স্বাধীনতাটুকুও থাকবে না? তাঁর আশঙ্কা, তৃতীয়বার ক্ষমতালাভের পর কিছু নিষিদ্ধ গোষ্ঠী ক্ষমতার অলিন্দে থেকে মুখোশের আড়ালে তাদের স্বার্থ কায়েম করতে চাইছে না তো?

    হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষাও দাবি করেন সুকান্ত। তিনি লেখেন, সরকারকে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। এই পরিবারগুলোর অভিযোগ প্রশাসনকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে। তার পরেও সরকার কোনও পদক্ষেপ না করলে ভবিষ্যতে পথে নেমে এর প্রতিবাদ করবে বিজেপি।

    থানার আইসি-র নেতৃত্বে জোর করে ধর্মান্তরণের ঘটনায় আলোড়ন পড়ে যায়। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, সিবিআই ও এনআইএ যৌথ তদন্ত করবে অভিযোগের ভিত্তিতে। আগামী ২১ জুনের মধ্যে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকেই তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। 

     

LinkedIn
Share