Tag: kalighater kaku

kalighater kaku

  • CBI: কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা সিবিআইয়ের, নাম রয়েছে আরও ২ অভিযুক্তের

    CBI: কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা সিবিআইয়ের, নাম রয়েছে আরও ২ অভিযুক্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। জানা গিয়েছে, চার্জশিটে প্রথমেই নাম রয়েছে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। এর পাশাপাশি নাম রয়েছে অরুণ হাজরা ও তৃণমূলের যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    নগরদায়রা আদালতে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআইয়ের

    আজ, অর্থাৎ শুক্রবার কলকাতার নগরদায়রা আদালতে এই চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই (CBI)। জানা গিয়েছে, এই চার্জশিটে নতুন করে ২০১ ধারা অর্থাৎ তথ্য প্রমাণ লোপাটের ধারা যোগ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থ সিবিআই। এছাড়াও জালিয়াতি, প্রতারণা, দুর্নীতি দমন আইন ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন ধারা যোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সূত্রের খবর, এই আবহে এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জন সাক্ষীর গোপন জবানবন্দী নেওয়ার আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। তথ্য প্রমাণ লোপাটের ধারা যোগ করার ফলে এবার আরও বিপাকে পড়েছেন সুজয় কৃষ্ণ ওরফে কালীঘাটের কাকু।

    দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ (Sujay Krishna Bhadra)

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে ২০২৩ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। প্রথমে তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এরপর একই মামলায় তাঁকে সিবিআইও গ্রেফতার করে। দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন কালীঘাটের কাকু। তবে বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সিবিআই সুজয় কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে বলে জানা যায়। এবার সেই সব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই চার্জশিট জমা দিল সিবিআই (CBI)। প্রসঙ্গত, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জামিন পেয়ে যান কালীঘাটের কাকু। তবে আদালতের নির্দেশে তিনি বাড়ি ছেড়ে কোথাও যেতে পারবেন না। সিবিআই-ও সর্বদা নজর রাখছে তাঁর গতিবিধির ওপরে।

    আগেই সংগ্রহ করা হয় শান্তনুর কণ্ঠস্বর (Sujay Krishna Bhadra)

    শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও নিয়োগ মামলার তদন্তে উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। শান্তনুকে আগেই গ্রেফতার করে ইডি। পরে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বর্তমানে তাঁদেরও কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রসঙ্গত, নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে একটি অডিও হাতে পেয়েছিল সিবিআই। তার সঙ্গে সন্তু এবং শান্তনুর কণ্ঠস্বর মিলিয়ে দেখেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইয়ের অনুমান ছিল, ওই অডিও-তে দু’জনের কণ্ঠ শোনা গিয়েছে। এ বার সেই সংক্রান্ত চার্জশিট জমা দেওয়া হল আদালতে। ‘কাকু’ এবং শান্তনুর নাম রয়েছে তাতে।

  • Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হল কালীঘাটের কাকুকে। এবার জেরার জন্য প্রস্তুত সিবিআই (CBI)। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হেলন এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। তবে যেহেতু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল, তাই চিকিৎসকদের যাবতীয় পরামর্শ মেনেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন সুজয় (Kalighater Kaku)

    জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর রাতে নিয়মমতো খাবার এবং ওষুধ খেয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে গায়ে কালো রঙের সাল চাপিয়ে হুইল চেয়ারে বসে নিজাম প্যালেসে ঢুকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। এদিন সকালে ফের একবার তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় নিয়ম মেনে। অপর দিকে কালীঘাটের কাকুকে জেরা করার জন্য নথিপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে সিবিআইয়ের অফিসাররা। আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই (CBI) হেফাজতে থাকবেন সুজয়। যেহেতু হাতে সময় কম, তাই তড়িঘড়ি করে তদন্তে নেমে পড়েছে তদন্তকারী দল। শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন এবং তথ্য জানার ছিল। এখনও অনেক প্রশ্ন বাকি রয়ে গিয়েছে। এবার সিবিআই সেই প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    সিবিআই কী কী জিজ্ঞাসাবাদ করবে?

    সিবিআই (CBI) অফিসাররা যা জানতে চাইতে পারেন, তা হল, প্রাথমিক মামলায় যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ওই টাকা পৌঁছেছে? মোট কতজন এজেন্ট টাকা তুলেছেন? তাঁদের কারা নিয়োগ করেছেন। কোন কোন জায়গা থেকে টাকা তোলা হয়েছে? তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অযোগ্যদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন এজেন্টরা। আর সেই টাকা পৌঁছে দেওয়া হতো কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) কাছেই। তবে এখনও জানা যায়নি কালীঘাটের কাকুর কাছে যে টাকা আসত তা তিনি কোথায় দিতেন।

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকেই গ্রেফতার করা হয় কালীঘাটের কাকুকে। এরপর এই জেল থেকেই ভার্চুয়াল ভাবে আদলাতে পেশ করা হয়। বুধবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁকে জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: কালীঘাটের কাকুর পর তাপস, নিয়োগ মামলায় কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করল সিবিআই

    CBI: কালীঘাটের কাকুর পর তাপস, নিয়োগ মামলায় কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের কাকুর পর এবার তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তৃণমূল বিধায়কের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। তবে কাকুর ক্ষেত্রে নমুনা সংগ্রহ করেছিল ইডি। সিবিআই কিছু না জানালেও তৃণমূল বিধায়কের আইনজীবী আজ এই কথা জানিয়েছেন। তবে শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ে তাঁর কথাবার্তার চাঞ্চল্যকর রেকর্ড এবং তথ্য, তদন্তকারী সংস্থার হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। 

    আইনজীবীর বক্তব্য (CBI)

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলা বিষয়ে তেহট্টর বিধায়ক তাপস সাহাকে আগেও ডাকা হয়েছিল। এদিন শুক্রবার তিনি সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে গিয়ে হাজিরা দেন। সংবাদ মাধ্যম তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আমায় আবার ডাকা হয়েছিল। তদন্তে সহযোগিতা করব।” তাঁর আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য বলেছেন, “বিধায়কের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য তলব করা হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করেছেন। প্রায় ২ ঘণ্টা সময় দিয়ে বেলা ১টা নাগাদ বেরিয়ে গিয়েছিলেন।” তবে বের হওয়ার সময় তাপস বাবু কেবল মাত্র মাথা নেড়ে নমুনা সংগ্রহ বিষয়ে ইঙ্গিত দেন।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    সিবিআই সূত্রে খবর

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস ঘনিষ্ঠ প্রবীর কয়ালের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের পর এই বিধায়কের কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়া হয়েছে। কথোপকথনের একটি রেকর্ডিং সিবিআইয়ের হাতে এসেছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। আগেও তাপসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। উল্লেখ্য আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করেছিল ইডি। গত এপ্রিলে কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সম্বলিত রিপোর্ট পেশ করেছে ইডি। তবে তদন্তকারী সংস্থা যা সন্দেহ করেছিল, তা মিলে গিয়েছে, বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যা সন্দেহ করা হয়েছিল, তা মিলে গিয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে এমনই বলল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সন্দেহের স্বপক্ষেই রিপোর্ট এসেছে বলে দাবি ইডির।

    কী বলল আদালত? (Calcutta High Court)

    তবে কথোপকথনের সঙ্গে কার কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলিয়ে দেখা হয়েছে, তা জানায়নি ইডি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টালবাহানার পর প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেয়েছে ইডি। সেই রিপোর্টই জমা দেওয়া হল এদিন। যদিও ইডির জমা দেওয়া কণ্ঠস্বরের রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইডির রিপোর্ট সংক্ষিপ্ত বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এদিন ইডির তরফে আদালতে (Calcutta High Court) যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, তা পাঁচ পাতার। এর মধ্যে তিন পাতাজুড়ে রয়েছে কাকুর কণ্ঠস্বর সংক্রান্ত তথ্য। বাকি দু’পাতায় ছিল এই মামলায় ইডির সার্বিক তদন্তের রিপোর্ট।

    বিচারপতির প্রশ্ন

    সেই রিপোর্ট দেখেই বিচারপতির প্রশ্ন, “এত সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট কেন?” ইডির রিপোর্টের শেষ দু’পাতায় কাকুর ও প্রাথমিক মামলায় সার্বিকভাবে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী কী সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, তার হিসেব দেওয়া হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের ১৩৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, “২০১৪ সাল থেকে যে দুর্নীতি হচ্ছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ এত কম কেন? টাকার অঙ্কই বা এত কম কেন?” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ জুন।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    ইডির উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “অভিযোগ উঠেছে যে চাকরি বিক্রি হয়েছে। এটা একটা স্ক্যাম। সত্যিই কি চাকরি বিক্রি হয়েছে? তার কি কোনও প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন? টাকার উৎস জানতে আপনারা কি কোনও পদক্ষেপ করেছেন?” ইডির তরফে জানানো হয়, নিত্য এগোচ্ছে তদন্ত। আদালতের তরফে ফের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইডিকে। এদিন নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসে। ইডির দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘সামনের সপ্তাহে বোমা পড়তে চলেছে, বেসামাল হবে তৃণমূল’’, কী ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘‘সামনের সপ্তাহে বোমা পড়তে চলেছে, বেসামাল হবে তৃণমূল’’, কী ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আবহে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ‘‘সামনের সপ্তাহে বোমা পড়তে চলেছে, বেসামাল হবে তৃণমূল।’’ বড় কিছু রাজনৈতিক ঘটনা কি ঘটতে চলেছে? যা নিয়েই বিরোধী দলনেতা এমন মন্তব্য করলেন? এ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোরচর্চা। গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়ছে ভোটের পারদ। ঠিক সেই আবহে ভোটবঙ্গের উত্তাপ বেশ কিছুটা বাড়াল বিরোধী দলনেতার এমন মন্তব্য।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শনিবার মালদহে রতুয়ার সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) বলতে শোনা যায়, ‘‘আগামী সপ্তাহ শুরু হতে চলেছে। আপনারা দেখবেন, আমি বলব না বিস্তারিত। আগামী সপ্তাহের শুরুতে এমন একটা বোম পড়বে, তৃণমূল বেসামাল হয়ে যাবে। নিশ্চিন্ত থাকুন। তৃণমূল কূল কিনারা পাবে না। সেই ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে। অপেক্ষা করতে থাকুন।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘আমি রাজনৈতিক বিস্ফোরণের কথা বলছি। আদালতের বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। আর কাকুর গলা মিললে তো ভাইপো বিপদে পড়বে। এ তো আমি সেদিনও বলেছি। আজ তো রাজনৈতিক বিস্ফোরণের কথা বলেছি। অন্য কথা তো বলিনি। বুঝে নিন সব।’’

    কী হতে পারে?

    প্রসঙ্গত, বড় যোগদান হতে চলেছে আগামী সপ্তাহে, বিরোধী দলনেতা এমন কথা বলার পরেই দেখা যায় প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দেন। তারপরেই শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ঠিক কী রাজনৈতিক ঘটনা ঘটতে চলেছে তা জানা যাবে আগামী সপ্তাহতেই। তৃণমূলের দুর্নীতি সংক্রান্ত বেশ কিছু ঘটনা সামনে এসেছে। কালীঘাটের কাকুর কন্ঠ পরীক্ষার নমুনার রিপোর্ট পজিটিভ মিলেছে। আবার সোমবারে বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করবে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে কি এ নিয়েই কিছু বলতে চাইলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক? তা ভাবাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: এসএসকেএম-এ কথা মমতা ও বালুর? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এসএসকেএম-এ কথা মমতা ও বালুর? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী যান এসএসকেএম হাসপাতালে। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি সেখানে সুপারের ঘরে বৈঠক করেছেন মাননীয়া এবং ইন্টারকমের মাধ্যমে কথাও বলেছেন গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী বালুর সঙ্গে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং অভিষেককে স্যার বলে সম্বোধন করা কালীঘাটের কাকু দুজনেই রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। পুজোর পরেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রথমে ইডি হেফাজতের পরে তাঁকে জেলে পাঠায় আদালত। সেসময়ই জেলে তিনি নিজেকে অসুস্থ বলে দাবি করেন। তাঁর হৃদরোগ না থাকলেও সেসময় তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করে নেয় এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এবার বালুর সঙ্গে মমতার কথা বলা বিষয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল।

    কী বললেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘গতকাল ২.৪৫ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএমের সুপারের ঘরে বসেছিলেন। সন্ধ্যে ৭টা অবধি বৈঠক চলেছে। আমার কাছে নির্দিষ্ট খবর রয়েছে, সেখানে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেখান থেকে হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে ইন্টারকমে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরের বৈঠক হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। অভিষেক ছিলেন। সেখানে নতুন ডিজি রাজীব কুমার ছিলেন। লোকসভা ভোটে কীভাবে ভোট লুট করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’’

    বিস্ফোরক অভিযোগ

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধীদের অভিযোগ রয়েছে জেলে যাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তো এই হাসপাতালকে অভয়ারণ্য বলেও কটাক্ষ করেছেন আগেই। নেতা-মন্ত্রীদের বেড মিললেও শয্যার অভাবে সাধারণ রোগীদের মৃত্যুর অভিযোগও উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতালে। দিন কয়েক আগেই কালীঘাটের কাকুকে আইসিইউতে ভর্তি করতে সরানো হয় সদ্য অপারেশন হওয়া এক রোগীকে। এবার সেই হাসপাতাল ঘিরেই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তুললেন নয়া চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Scam: দুর্নীতির ঘোলা জলে গারদের পিছনে তৃণমূলের কোন ‘জেলবাবু’রা?

    TMC Scam: দুর্নীতির ঘোলা জলে গারদের পিছনে তৃণমূলের কোন ‘জেলবাবু’রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের গতবছর যে সংখ্যা ছিল ২০২৩ সালে সেই সংখ্যা বেশ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ২০২৩ সালে তৃণমূলের একের পর এক নেতা থেকে মন্ত্রী, রাঘব বোয়ালরা জেলে গিয়েছেন। সামনে এসেছে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে রেশন কেলেঙ্কারি। আমরা এক নজরে দেখে নেব ২০২৩ সালে যাঁরা ঢুকলেন গারদের পিছনে সেই জেল বাবুদের কথা।

    ২০২৩ সালে গ্রেফতার হন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    ২০২৩ সালে দুর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। রেশন দুর্নীতিতে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে জ্যোতিপ্রিয়র বিরুদ্ধে। ২৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ইডি।

    দুর্গাপুজোর আগে গ্রেফতার জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বাকিবুর

    চলতি বছরে দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ, বেআইনিভাবে ১০০ কোটিরও বেশি টাকার মালিক হন বাকিবুল। চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র গারদের পিছনে যান চলতি বছরের ৩০ মে। নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় কাকুকে। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এছাড়াও তদন্তে অসহযোগিতারও অভিযোগ ওঠে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার হওয়ার তিন মাসের মাথায় তাঁর বাইপাস সার্জারি হয়। তখন থেকেই তিনি এসএসকেএম-এর বেডে শুয়ে রয়েছেন তিনি।

    নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার তাপস মণ্ডল

    চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় তাপস মণ্ডলকে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি জেলবন্দি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত তাপস মণ্ডল। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা তোলার।

    গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ

    এপ্রিল মাসেই গ্রেফতার করা হয় বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিধায়ককে গ্রেফতার করতে গিয়ে বেশ নাজেহাল হতে হয় সিবিআইকে। নিজের মোবাইল ফোন পুকুরের জলে ছুড়ে ফেলে দেন জীবনকৃষ্ণ। তা তুলে তা তুলে আনতে হিমশিম খেতে হয় সিবিআইকে। অন্যদিকে মোবাইলের মেমোরি কার্ড সিঁদুরের কৌটোর মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলেন বিধায়ক।

    ২০ মার্চ গ্রেফতার অয়ন শীল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূলের যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই উঠে আসে প্রোমোটার অয়ন শীলের নাম। ২০ মার্চ গ্রেফতার করা হয় অয়ন শীলকে। তল্লাশির সময় তাঁর বাড়ি থেকে বেশ কিছু চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা এবং ওএমআর সিট মেলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: প্রভাবশালীদের দখলে এসএসকেএম-এর বেড, জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    SSKM: প্রভাবশালীদের দখলে এসএসকেএম-এর বেড, জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিগ্রস্তদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতাল। এবার এই অভিযোগেই জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই মামলার মূল নির্যাস হল, চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়াই প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক এসএসকেএম-এর বেড দখল করে রয়েছেন। এতে মানুষের চিকিৎসা করাতে অসুবিধা হচ্ছে। সাধারণ রোগীরা বেড পাচ্ছেন না।

    আরও পড়ুুন: গ্যাসেও কাটমানি! আধার সংযোগ করতে মন্ত্রীর স্ত্রী নিচ্ছেন ২০০ টাকা! বাড়ির সামনে বিক্ষোভ

    প্রভাবশালীদের দখলে বেড

    ওই মামলাতে আরও আবেদন করা হয়েছে, যে সমস্ত প্রভাবশালী ভর্তি রয়েছেন এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে। তাদের মেডিকেল রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হোক এবং সেগুলিকে আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় কোনও হাসপাতালে পরীক্ষা করানো হোক। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে বেড দখল করে রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে। দিন কয়েক আগে হার্টের অপারেশনের রোগীকে বেড থেকে নামিয়ে দিয়ে কালুঘাটে কাকুকে মাঝরাতে সেই বেডে রাখা হয়। এই ঘটনা ঘটে ঠিক কালীঘাটের কাকুর গলার কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করানোর আগের রাতে। এর ফলে ইডির পক্ষে আর সম্ভব হয়নি কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা। এখানেই উঠতে থাকে প্রশ্ন।

    রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে এসএসকেএম-এ

    অন্যদিকে, একই অভিযোগ রয়েছে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধেও। যে তাঁর হার্টের কোনও সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও, প্রথমে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। এর পাশাপাশি ওই এসএসকেএম হাসপাতালে বেড না পেয়ে রোগীমৃত্যুর অভিযোগও উঠেছে। হাওড়ার এক বৃদ্ধা প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে পড়েছিলেন হাসপাতাল চত্বরে। এরপর তাঁকে অন্যত্র রেফার করে কর্তৃপক্ষ। পরে ফের তাঁকে এসএসকেএম-এ (SSKM) আনা হয়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: শিশুদের বেডে ‘কালীঘাটের কাকু’! সাধারণের চিকিৎসার সুযোগও কি কেড়ে নেবেন তৃণমূল নেতারা?

    SSKM: শিশুদের বেডে ‘কালীঘাটের কাকু’! সাধারণের চিকিৎসার সুযোগও কি কেড়ে নেবেন তৃণমূল নেতারা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল একাধিক রোগে আক্রান্ত। রেফার রোগ থেকে দালালচক্র, সরকারি হাসপাতালের একাধিক রোগে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।‌ তার মধ্যেই সরকারি হাসপাতালে আরেক রোগের জেরে জেরবার সাধারণ মানুষ। শাসক দলের দাপটে সরকারি হাসপাতালে (SSKM) সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করাতে অপেক্ষা হচ্ছে আরও দীর্ঘ।‌

    কোথায় বাড়ছে এই রোগ? 

    এসএসকেএম থেকে জেলার হাসপাতাল, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র এই সমস্যা রয়েছে। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও সরকারি হাসপাতালে শাসক‌ দলের নেতারাই চিকিৎসায় অগ্রাধিকার পায়। আর তার জেরেই সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সময়মতো হচ্ছে না। সম্প্রতি কালীঘাটের কাকু নামে পরিচিত সুজয় ভদ্র এসএসএকেএম (SSKM) হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। 
    সূত্রের খবর, এসএসকেএম হাসপাতালে শিশুদের বিশেষ অস্ত্রোপচারের জন্য নির্ধারিত শয্যায় ভর্তি রয়েছেন সুজয় ভদ্র। তবে, এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয় বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। দফতরের অন্দরের খবর, রাজ্যের সর্বত্র এরকম চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর হাসপাতালের মতো প্রথম সারির মেডিক্যাল কলেজ হোক কিংবা জেলার হাসপাতাল, সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্ত তৃণমূলের নেতারা দিনের পর দিন সরকারি হাসপাতালের শয্যায় থাকছেন। বিশেষত এসএসকেএমে এই রোগ আরও বেশি জাঁকিয়ে বসেছে। ইডি কিংবা সিবিআই গ্রেফতার করার পরেই একাধিক নেতা অসুস্থ হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যে বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু সেই হাসপাতালে সাধারণ মানুষ চিকিৎসার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছেন।

    কী বলছেন ভুক্তভোগীরা? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নেই। বিশেষত হৃদরোগ, শিশুরোগ, স্নায়ু শল্য চিকিৎসায় পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে‌। এসএসকেএম-এর (SSKM) মতো রাজ্যের প্রথম সারির হাসপাতালে যে কোনও রোগীর চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়। হৃদপিণ্ডের অস্ত্রোপচার হোক কিংবা স্নায়ুর চিকিৎসা, যে কোনও রোগে রোগীকে কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়। তার উপরে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত শয্যা এবং পরিকাঠামো নেই। তার জেরে রোগীকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু সেই সরকারি হাসপাতালে শিশুর জন‌্য বরাদ্দ শয্যায় ভর্তি থাকছেন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার শাসক দল ঘনিষ্ঠ নেতা‌। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার ন্যূনতম সুযোগ পাওয়া যায় না। এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই। স্বাস্থ্য সাথী থেকেও ঠিকমতো পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। কার্যত স্বাস্থ্য পরিষেবা এ রাজ্যে অনিশ্চিত। তাই চিকিৎসার জন্য অনেকেই ভিন রাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

    কী বলছেন এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ? 

    সরকারি হাসপাতালে শাসক দলের শয্যা আটকে রাখার নতুন রোগ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর। এই নতুন রোগ কীভাবে মোকাবিলা হবে, সে নিয়েও কোনো মন্তব্য করতে চাননি স্বাস্থ্য কর্তারা। আর এসএসকেএম-এ (SSKM) সুজয় ভদ্রের চিকিৎসা নিয়ে কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে, তাঁরা সাফ জানান, কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: সুজয়কৃষ্ণকে ভর্তি করাতে আইসিইউ থেকে নামানো হল অসুস্থ সন্ধ্যাকে, ১৮ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মৃত্যু আখলিমার

    SSKM: সুজয়কৃষ্ণকে ভর্তি করাতে আইসিইউ থেকে নামানো হল অসুস্থ সন্ধ্যাকে, ১৮ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মৃত্যু আখলিমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্ট মাস থেকেই এসএসকেএম-এ ভর্তি হয়ে আছেন কালীঘাটের কাকু। বাইপাস সার্জারির পরে তিনি ভর্তি হন এখানে। বর্তমানে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের অসুখ হিসেবে জানা গিয়েছে, মানসিক স্ট্রেস। বিরোধীরা বলছে, সিবিআই-ইডির হাত থেকে বাঁচতেই এসএসকেএম-কে (SSKM) ব্যবহার করে থাকেন শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীরা। তিন মাস যাবৎ বেড দখল করেছেন সুজয়কৃষ্ণ। অথচ ১৮ ঘণ্টা ধরে বেড না পাওয়ার কারণে মৃত্যু হল আখলিমা বেগমের। আবার কোলাঘাটের অসুস্থ সন্ধ্যা পোড়েলকে মাঝরাতে আইসিইউ থেকে স্থানান্তর করা হল জেনারেল বেডে। কারণ কাকু ভর্তি হবেন।

    সুজয়কৃষ্ণরা চাইলেই বেড পায়, ১৮ ঘণ্টা বেড না পেয়ে মৃত্যু আখলিমা বেগমের

    জানা গিয়েছে, ৭০ বছর বয়সী আখলিমা বেগমকে হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থেকে শনিবারে নিয়ই আসা হয়েছিল এসএসকেএম-এ (SSKM)। বুকে ব্যথা হওয়ায় বৃদ্ধার পরিবার চেয়েছিল যে কার্ডিয়লজি বিভাগে চিকিৎসা হোক তাঁর। কিন্তু খোলা আকাশের নিচেই তাঁকে কাটাতে হল ১৮ ঘণ্টা। শনিবার দুপুরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। যে কার্ডিওলজি বিভাগের (SSKM) বেড পেলেন না আখলিমা সেখানেই হার্টের কোনও অসুখ না থাকা সত্ত্বেও ভর্তি করা হয়েছিল রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এবং সেই কার্ডিওলজি বিভাগেই বর্তমানে ভর্তি হয়ে রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। আখলিমা বেগমের পরিবার শুধুমাত্র একটি বেডের জন্য ছোটাছুটি করতে থাকেন। কখনও এসএসকেএম-এর জরুরি বিভাগে কারও সঙ্গে কথা বলেন। কখনও কার্ডিওলজি বিভাগে গিয়ে কথা বলেন। তাঁদেরকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে। কোনওরকম রেফার গাইডলাইন না মেনে এসএসকেএম এই সিদ্ধান্ত নেয় বলে অভিযোগ। ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে আবার তাঁদেরকে ফিরতে হয় এসএসকেএম-এ। অবশেষে খোলা আকাশের নিচে হাসপাতাল চত্বরেই আখলিমা বেগমের জীবন শেষ হয়ে যায়।

    মাঝরাতে সরানো হল সন্ধ্যা পোড়েলকে, বেডে এলেন কাকু

    অন্যদিকে শুক্রবারই কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করানোর কথা বলেছিল ইডি, ঠিক তার আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বুকে ব্যাথা শুরু হয় কাকুর। এই সময় কার্ডিওলজি বিভাগে (SSKM) ভর্তি ছিলেন কোলাঘাটের বাসিন্দা সন্ধ্যা পোড়েল। আইসিইউ-এর ১৮ নম্বর বেডে ছিলেন সন্ধ্যা দেবী। বুধবারই তাঁর বুকে অস্ত্রোপচার হয়। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ঘোরে আচ্ছন্ন ছিলেন সন্ধ্যা দেবী, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর ছেলে। কিন্তু কাকু আসছেন বলে বৃহস্পতিবার মাঝরাতেই তাঁকে জেনারেল বেডে স্থানান্তর করে দেয় এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন। ইডির তদন্তের হাত থেকে বাঁচতে একজন আইসিউতে ভর্তি হবেন! সে কারণে সরানো হবে অসুস্থ রোগীকে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share