Tag: Kalimpong Medical College

  • Suvendu Adhikari: পরিবারতন্ত্রকে নিশানা করে ‘৪জি-৩জি-২জি’ তত্ত্ব শুভেন্দুর, শিলিগুড়ির উন্নয়নে গুচ্ছের প্রতিশ্রুতি

    Suvendu Adhikari: পরিবারতন্ত্রকে নিশানা করে ‘৪জি-৩জি-২জি’ তত্ত্ব শুভেন্দুর, শিলিগুড়ির উন্নয়নে গুচ্ছের প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বার্তা দিয়ে উত্তরবঙ্গে মিছিল করল বিজেপি। মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে বিশাল মিছিলের নেতৃত্ব দিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ শানান রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে কংগ্রেস, আঞ্চলিক দল এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবারতন্ত্রকে নিশানা করে সামনে আনলেন ‘৪জি, ৩জি ও ২জি’ তত্ত্ব। মিছিলের মঞ্চ থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নেও একাধিক প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।

    শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে শুরু হয়ে এয়ারভিউ মোড়ে শেষ হয় মিছিল (Siliguri Rally)। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা, বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক, শঙ্কর ঘোষ-সহ বিজেপির একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি।

    মিছিল শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাম না করেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে বিরোধী শিবিরের নেতারা এখন দিল্লিতে গিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। এই প্রসঙ্গে বামপন্থী দলগুলিকেও নিশানা করেন তিনি।

    জামাতি ও মৌলবাদী শক্তির প্রভাব (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর কথায়, “এঁরা সবাই রাজনৈতিকভাবে পরাজিত। এখন দিল্লিতে গিয়ে একজোট হয়েছেন। বাংলাদেশে যেমন জামাতি ও মৌলবাদী শক্তির প্রভাব রয়েছে, তেমন পরিস্থিতি ভারতেও তৈরি করতে চাইছে কিছু শক্তি। দেশকে বিভক্ত করার রাজনীতি এবং উৎখাত হয়ে যাওয়া রাজনৈতিক নেতৃত্ব একসঙ্গে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন।”

    বিরোধীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দিমাগি নকশাল, জিহাদি, জঙ্গি কিংবা দেশবিরোধী শক্তিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা আমাদের জানা আছে। রাজনীতি করতে হলে নির্বাচনে লড়াই করতে হবে। নরেন্দ্র মোদি যতদিন দেশের নেতৃত্বে থাকবেন, ততদিন তোমাদের পক্ষে নির্বাচনে জয় পাওয়া কঠিন।”

    পরিবারতন্ত্র বোঝাতে নয়া তত্ত্ব

    ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধী দলগুলিকে নতুন আঙ্গিকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দেশের একাধিক রাজনৈতিক দল নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রবণতাকে বোঝাতেই তিনি ৪জি, ৩জি ও ২জি-র উদাহরণ সামনে আনেন।

    শুভেন্দুর ব্যাখ্যায়, নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে নিয়ে ৪জি। শেখ আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা ও ওমর আবদুল্লাকে নিয়ে ৩জি। একইভাবে করুণানিধি, এম কে স্ট্যালিন ও উদয়নিধি স্ট্যালিনের রাজনৈতিক পরিবারকেও ৩জি-র উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।

    অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মুলায়ম সিং যাদব ও অখিলেশ যাদব, লালুপ্রসাদ যাদব ও তেজস্বী যাদব এবং মুফতি পরিবারের উদাহরণ টেনে ২জি-র প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদির ক্ষেত্রে এমন পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের নজির নেই। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি দেশ ও দেশের স্বার্থ।

    মোদির নেতৃত্বে ভারতের অগ্রগতির দাবি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ২০১৪ সালে বিশ্বের অর্থনীতিতে ভারতের অবস্থান ছিল দ্বাদশ স্থানে। বর্তমানে দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে।

    করোনা অতিমারির সময় প্রতিষেধক তৈরির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন দেশকে টিকা সরবরাহের বিষয়টিও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “অতিমারি শুরু হওয়ার মাত্র ১১ মাসের মধ্যে তিনটি প্রতিষেধক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিশ্বের ৫৫টি দরিদ্র দেশকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন (Siliguri Rally) নরেন্দ্র মোদি। এই কারণেই তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছেছেন।”

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতায় সাময়িকভাবে যুদ্ধবিরতির ব্যবস্থা হয়েছিল এবং প্রায় ৩০ হাজার ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল।

    পুরভোটে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী

    আসন্ন পুরসভা নির্বাচন নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম, ফলতা ও রেজিনগরের নির্বাচনী সাফল্যের উদাহরণ দিয়ে কলকাতা, হাওড়া ও শিলিগুড়িতেও জয়ের আশা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, আগামী ফেব্রুয়ারিতে শিলিগুড়িতেও বিজেপি ভালো ফল করবে।

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “নন্দীগ্রাম, ফলতা ও রেজিনগরের মতো কলকাতাতেও আমরা জয় পাব। এরপর কলকাতা, হাওড়া এবং শিলিগুড়িতে রাজনৈতিক সাফল্য অর্জন করাই আমাদের লক্ষ্য।”

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে একগুচ্ছ ঘোষণা

    উত্তরবঙ্গকে রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনার বাইরে রাখা হবে না বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ এবং পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়নে একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    তাঁর ঘোষণার মধ্যে রয়েছে, রায়গঞ্জে সর্বভারতীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, জলপাইগুড়িতে ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ, বালুরঘাট, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন, শিলিগুড়িতে প্রযুক্তি অথবা ব্যবস্থাপনা শিক্ষার উচ্চমানের প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা, হাসিমারা, কলাইকুন্ডা, বালুরঘাট ও পুরুলিয়ায় বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ এবং সামসিং-সহ বন্ধ হয়ে থাকা ২১টি চা বাগান ফের খোলার ব্যবস্থা করা।

    উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে উন্নয়নের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যবাসী ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবেন বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী রাসপূর্ণিমায় কোচবিহারে উপস্থিত থাকার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    ভাওয়াইয়া ও বৈষ্ণব সংগীতশিল্পীদের বাদ্যযন্ত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয় সংস্কৃতি ও শিল্পীদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি।

    পরিকাঠামো উন্নয়নে বৈঠক

    মিছিল শেষ হওয়ার পর শিলিগুড়ির পুর কমিশনার, প্রশাসক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় এবং দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত-সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা।

    বৈঠক শেষে রাজু জানান, কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত রোপওয়ে নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের অনুমোদন আগেই মিলেছে বলে জানান তিনি।

    আগামী ৯ ডিসেম্বর কালিম্পং মেডিক্যাল কলেজের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক ও শিলিগুড়ির হাসপাতালগুলির সংস্কার এবং আধুনিকীকরণের বিষয়েও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    লেবং গ্রাউন্ডকে আধুনিক ক্রীড়া স্টেডিয়ামে রূপান্তরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এদিকে, দার্জিলিঙের মহাকাল মন্দির চত্বরের সৌন্দর্যায়ন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে (Siliguri Rally)।

    সব মিলিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণ, পরিবারতন্ত্রের বিরোধিতা এবং উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই শিলিগুড়ির মিছিল থেকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবারই প্রথম পাহাড় সফরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এটাই ছিল তাঁর প্রথম দার্জিলিং সফর। কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘জনকল্যাণ শিবিরে’ যোগ দিয়ে পাহাড়বাসীর জন্য একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা (Suvendu Adhikari)

    এদিন পাহাড়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সর্বদলীয় এই অভ্যর্থনায় আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়বাসী এবার প্রকৃত অর্থেই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রের যে সব প্রকল্প আটকে ছিল, সেগুলি এবার দ্রুত বাস্তবায়িত হবে (Tourism Politics)। রাজনৈতিকভাবে দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও কালিম্পং— তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তাঁর সরকার যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    উন্নয়নের রোডম্যাপ

    এদিন, পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরির কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কালিম্পঙে একটি মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হবে। জোর দেওয়া হবে পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও। তিনি এও জানান, রাজ্যের সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আসবেন। ‘জিআরএমজি’ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে পাহাড়ে। যুব সমাজের খেলাধুলোর উন্নয়নের জন্য ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের অধীনে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণাও করেন শুভেন্দু। বিদ্যুৎ বিলের সরকারি ভর্তুকি আগের মতোই বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।

    আগের সরকারকে নিশানা

    তৃণমূল পরিচালিত পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের আমলে শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধই ছিল না, জিটিএতেও ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে, এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যে প্রচুর পুলিশকর্মী নিয়োগ করা হবে। কার্শিয়ঙের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে পদ্ম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকার পাহাড়কে গুরুত্ব দিত না। পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে শুধু পর্যটক হিসেবে আসতেন, উন্নয়নের জন্য কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেননি।” তিনি বলেন, “আমি পর্যটক হয়ে আসিনি, কাজ করতে এসেছি। পাহাড়ের মানুষের কাছে সরকারের সমস্ত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

    শহিদ সেনানীদের অবদান স্মরণ

    এদিনের সভা থেকে দেশ রক্ষায় পাহাড়ের বীর জওয়ান ও শহিদ সেনানীদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “দেশের সঙ্কটের সময় পাহাড়ের মানুষ সবসময় দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল মনে রাখবে।” প্রসঙ্গত, কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে প্রশাসনের ১৯টি দফতরের বিভিন্ন জনমুখী পরিষেবা নিয়ে বর্তমানে ‘জনকল্যাণ শিবির’ চলছে (Tourism Politics)। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শিবির পরিদর্শন করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার কাজকর্ম (Suvendu Adhikari)।

LinkedIn
Share