Tag: kalna

kalna

  • Jagadhatri Puja 2024: স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয়েছিল পুজো, ধাত্রীগ্রামের জগদ্ধাত্রী পুজোর মাহাত্ম্য জানেন?

    Jagadhatri Puja 2024: স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয়েছিল পুজো, ধাত্রীগ্রামের জগদ্ধাত্রী পুজোর মাহাত্ম্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের হাত ধরে কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজো সূচনা হয়েছিল। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagadhatri Puja 2024) শুরু হওয়ার পিছনেও রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভূমিকা ছিল অন্যতম। এই সময়কাল ধরেই কালনার (Kalna) ধাত্রীগ্রামে দীর্ঘ ৩০০ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন জগদ্ধাত্রী। এবারও এই পুজোকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো।

    স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয়েছিল পুজো (Jagadhatri Puja 2024)

    জনশ্রুতি রয়েছে, ধাত্রীমাতা জগদ্ধাত্রীর (Jagadhatri Puja 2024) নামেই এই জায়গার নামকরণ করা হয় ধাত্রীগ্রাম। কালনার এই জগদ্ধাত্রীর কতখানি মাহাত্ম্য, তা এর থেকেই অনুমেয়। স্থানীয় ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনশো বছর আগে নদিয়া জেলায় ব্রহ্মশাসন মহল্লা নামে এক জনপদ ছিল। সেখানকার চন্দ্রপতি গোষ্ঠীর এক পণ্ডিত সপরিবার ধাত্রীগ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন এক সময়ে। ধাত্রীগ্রামে শিক্ষার প্রসারে তিনি বেশ বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন। কয়েকটি সংস্কৃত শিক্ষার গুরুকুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিজের হাতে। সেখানে সংস্কৃত শিক্ষার পাঠ দেওয়া হতো। নবদ্বীপ থেকে সেই সময়ে পণ্ডিতরা এই টোলে এসে শিক্ষা দান করতেন। শোনা যায়, সেই সময়েই তৎকালীন চন্দ্রপতি গোষ্ঠীর এক গৃহবধূ স্বপ্নাদেশ পান এবং বাড়ির কাছে পুকুরে দেবী জগদ্ধাত্রীর সাক্ষাৎ মেলে। এর পরেই সেই স্থানে হোগলাপাতার ছাউনি দিয়ে গড়া হয় মণ্ডপ। সেখানেই প্রথম দেবীর পুজো শুরু হয়। জগদ্ধাত্রীর এক অন্য রূপে পুজো শুরু হয় এখানে। দেবী ছিলেন নরসিংহ বাহনে। স্থানীয় মানুষ এই জগদ্ধাত্রীকে ধাত্রীদেবী হিসেবে পুজো করতে শুরু করেন তখন থেকেই।

    নবমীর দিন মায়ের কাছে কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়?

    বর্তমানে এলাকার বাসিন্দাদের মতে, এই দেবী খুবই জাগ্রত। অনেকে ধাত্রীগ্রাম (Jagadhatri Puja 2024) নামকরণের নেপথ্যে দেবীর মাহাত্ম্যকেই কারণ হিসেবে দেখেন। প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন রীতি মেনে এখনও এই পুজো করা হয়। নবমীর দিন এখানে মাছের নানা পদ ভোগ হিসেবে মায়ের কাছে অর্পণ করা হয়। পরে, মালশা করে সেই ভোগপ্রসাদ ভক্তদের বিতরণ করা হয়, যা নিতে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। এই পুজোয় ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় বাসমতি চালের খিচুড়ি, তেরো রকমের ভাজা, তরকারি, পায়েস-সহ মাছের নানা পদ। পুজোর কয়েক দিন ধরে গ্রামজুড়ে থাকে উৎসবের মেজাজ। অনেকে মন্দিরের পাশের পুকুর থেকে স্নান করে নিজেদের মনস্কামনা পূরণের জন্য দন্ডিও কেটে থাকেন। আশপাশের প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গ্রামের মানুষ অংশগ্রহণ করেন এই পুজোয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল সংগ্রহ করা হয় দরিদ্র সেবার উদ্দেশ্যে। গ্রামজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalna: বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে চড়-থাপ্পড়! ভাইরাল ভিডিও, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    Kalna: বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে চড়-থাপ্পড়! ভাইরাল ভিডিও, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালনার (Kalna) শ্বাসপুর দেবনাথ পাড়া এলাকায় একটি জায়গাতে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে, এক মহিলা সহ তাঁর পরিবারের লোকজনদেরকে ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গোপাল তেওয়ারি ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ তুলেছেন ওঁই মহিলা। সোশ্যাল মিডিয়াতে মারধরের এই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। এরপর তৃণমূল নেতাকে (TMC leader) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। রবিবার রাতেই তাঁকে কালনা মহকুমা আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    নির্যাতিতার বক্তব্য (Kalna)

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছ, একজন মহিলাকে ব্যাপক ভাবে চড়-থাপ্পড় মারছেন তৃণমূল নেতা (TMC leader)। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন দেবনাথ পাড়া এলাকার আক্রান্ত গৃহবধূ সুজাতা পাল। এদিন শনিবার কালনার (Kalna) হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে বলেছেন, “আমাদের বাড়ির পাশে একটি জমি রয়েছে সেই জমিতে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিবাদ বাধে। এরপর তৃণমূল নেতা গোপাল তিওয়ারি এবং তাঁর দলবল শনিবার আমার শাশুড়িকে খুব মারধর করেন। পরের দিন রবিবার সকালে আবার বাড়িতে ঢুকে আমাকে বেশ কয়েকজন মিলে মারধর করে। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছি।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    যদিও তৃণমূল নেতা গোপালকে তেওয়ারি বলেছেন, “আমার কেনা জায়গায় পাঁচিল দিয়েছিলাম আর সেই ওয়ালকে ওঁরা ভেঙে দিয়েছিল। এমনকী আজ সকালে বলতে গেলে আমাকেই উল্টে মারধর করেছেন তাঁরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে থানার দারস্থ হবো।” এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেছেন, “আইন কারো হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। যে দোষী তাঁকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া! পুরুলিয়াতেই ১৬৬ জন আক্রান্ত, আতঙ্ক

    বিজেপির বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা (Kalna) সহ-সভাপতি সুভাষ পাল বলেছেন, “যে ঘটনা ঘটেছে তার তীব্র নিন্দা জানাই। তৃণমূল নেতাদের এই ধরনের দাদাগিরিতে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন। রাজ্যের মহিলারা সুরক্ষিত নন।” সম্প্রতি তৃণমূল নেতাদের নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। চোপড়ায় জেসিবি, আড়িয়াদহের জয়ন্ত সিং, সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান, সোনারপুরের জামালউদ্দিন সহ একাধিক তৃণমূল নেতার নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনায় শাসক দল চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalna: ক্ষমতার দম্ভ! কালনা রাজবাড়ির নিরাপত্তারক্ষীর বুকে ‘ধাক্কা’ তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানের

    Kalna: ক্ষমতার দম্ভ! কালনা রাজবাড়ির নিরাপত্তারক্ষীর বুকে ‘ধাক্কা’ তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’। নিরাপত্তা কর্মীকে সজোরে ধাক্কা! ফের বিতর্কে কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত। শুধু ধাক্কা দিয়েই শান্ত হননি চেয়ারম্যান,ওই কর্মীকে গালিগালাজও করেন বলে অভিযোগ। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও। নিন্দায় সরব বিরোধী শিবির।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalna)

    কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তকে নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। সম্প্রতি তাঁর অপসারণের দাবিতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি কোনও কাজ করেন না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ময়দানে নামতে হয়েছিল খোদ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। এবার ফের বিতর্কে পুর চেয়ারম্যান। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সর্বেক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে কালনা রাজবাড়ির লালাজি এবং কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির। যার দেখভাল ও নিরাপত্তার দায়িত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ। গতকাল রাজবাড়ির একটি মন্দিরের একটি ভোগের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জলের জার নিয়ে একটি টোটো ঢুকতে গেলে বাধা দেন পুরাতত্ত্ব বিভাগের নিরাপত্তা রক্ষীরা। তাঁরা জানান যে, নিয়ম অনুযায়ী টোটো রাজবাড়ির ভিতরে ঢুকবে না। এই নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বর্ধমান রাজবাড়ি চত্বরে পুরাতত্ত্ব বিভাগের এক নিরাপত্তা কর্মীকে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি করছেন চেয়ারম্যান। একটি টোটোকে টানাটানি করতেও দেখা যায় ভিডিওতে। সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করেই তোলপাড় সামাজিক মাধ্যম। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী থেকে তারই দলের কালনার বিধায়ক সকলেই। পুরাতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা পুরো বিষয়টি রিপোর্ট আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট 

    তৃণমূলের চেয়ারম্যানের পাশে নেই দলেরই বিধায়ক

    এবিষয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেন, “একজন জনপ্রতিনিধির কখনই এরকম আচরণ কাম্য নয়। কারণ মানুষ তো সমস্যায় পড়লে জনপ্রতিনিধিদের কাছেই আসে। কখনও প্রশাসনের কাছে যায়। জনপ্রতিনিধিদের (Trinamool Congress) সংযত থাকা উচিত। তাঁর এই ধরনের আচরণ করা উচিত হয়নি। দলও এই কাজ সমর্থন করে না। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বলেন?

    বিজেপি নেতাদের কথায়, “এই আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। শাস্তি পাওয়া উচিত।” এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আনন্দ দত্তের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবে সোমবার সকাল থেকেই রং খেলায় (Holi 2024) মেতে ওঠেন সকলে। দুপুরের পর গঙ্গায় স্নান করতে নেমেই বিপত্তি। চার বন্ধু তলিয়ে যায় নদীতে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা থানার আগরপাড়ার আশ্রমঘাট এলাকায়। এছাড়া পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবং বাঁকুড়ায় স্নান করতে নেমেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দোলের পর এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    আগরপাড়ায় গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন তিনজন, কালনায় মৃত ২ (Holi 2024)

    এদিন দুপুরে দোল খেলার পর উত্তর ২৪ পরগনার খড়দার আগরপাড়ার আশ্রমঘাটের গঙ্গায় দোল খেলে (Holi 2024)  স্নান করতে গিয়েছিল চারজন। হঠাৎ বান চলে আসায় তাদের মধ্যে চারজনই তলিয়ে যান। চোখের সামনে ভাসতে এই বিপত্তি স্থানীয় লোকজন দেখে গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি তিনজনের হদিশ মেলেনি। অন্যদিকে, রঙ খেলা শেষে পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধারা এলাকায় একটি দিঘিতে এলাকার ছেলেরা স্নান করতে নেমেছিল। অনেকে স্নান করে উঠে যায়। পরে, ওই দিঘিতে স্নান করতে নামেন দুই ভাই। ভাবতেও পারেননি কত বড় বিপদ তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। স্নান করতে নেমেই একজন প্রথমে  তলিয়ে যেতে থাকে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অন্যজনও তলিয়ে যায। আশপাশের লোকজন বিষয়টা বুঝতে পেরেই দিঘিতে দুই ভাইকে উদ্ধার করেন। তাঁদের কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: তারকা প্রচারকরা বিধি না মানলে, বাতিল হবে দলের স্বীকৃতি, সিদ্ধান্ত কমিশনের

    দামোদরের জলে মৃত্যু হল দুজনের

    এদিকে এদিকে রঙ খেলার (Holi 2024) পর বন্ধুদের সঙ্গে স্নান করতে গিয়ে দামোদরের জলে ডুবে মৃত্যু হল বাঁকুড়ার দুজনের। মৃতরা সম্পর্কে দুই ভাই, সানি কুমার ও সোনু কুমার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎই জলের তোড়ে ভেসে যায় ওই দুজন। মৃতদেহ উদ্ধার করে বড়জোড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃতরা বিহারের বাসিন্দা। তাঁরা বড়জোড়া রায় কলোনিতে ভাড়া থাকতেন। ইতিমধ্যেই দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ার গঙ্গার চরে ফের কুমির, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    Nadia: নদিয়ার গঙ্গার চরে ফের কুমির, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানের কালনার পর এবার নদিয়ার (Nadia) ধুবুলিয়াতে গঙ্গায় দেখা মিলল কুমিরের। তবে, এক ঝলক নয়, রীতিমতো গঙ্গার চরে কুমিরকে রোদ পোহাতে দেখা গিয়েছে। সোমবার দিনভর এই কুমিরকে কেন্দ্র করে গোটা ধুবুলিয়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কোথায় দেখা গিয়েছে কুমির (Nadia)

    গত বছর পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের মধ্যেই কুমির ঢুকে পড়েছিল। পুরসভা এলাকায় দাপিয়ে বেরিয়েছিল কুমির। পরে, গঙ্গায় ফিরে গিয়েছিল কুমির। তারপরও নদিয়ার (Nadia) বিভিন্ন এলাকায় গঙ্গায় বারবার কুমিরের দেখা মিলছিল। যা নিয়ে রীতিমতো নদীতে বারবার কুমিরের দেখা মিলছিল। যা নিয়ে রীতিমত আতঙ্ক ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত বন দফতর কুমিরটিকে উদ্ধার করে মালদা জেলায় নিয়ে গিয়ে ফের নদীতে ছেড়ে দেয়। জানা গিয়েছে, সোমবার ধুবুলিয়ার বহিরদ্বীপ এলাকায় নদীর চরে একটি কুমিরকে রোদ পোহাতে দেখেন স্থানীয় মৎসজীবীরা। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। কুমির দেখতে এলাকায় ভিড় জমে যায়। খবর দেওয়া হয় বন দফতরকে। বন দফতরের কর্মীরা গিয়ে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। যদিও ভিড় জমতে দেখে ফের নদীতে গা ঢাকা দেয় কুমির। স্থানীয় বাসিন্দা কেনারাম ঘোষ বলেন, “যেখানে কুমিরটা শুয়েছিল তার কাছেই স্নানের ঘাট। সবাই খুব আতঙ্কে আছে। স্নান করতে গিয়ে যদি কেউ কুমিরের শিকার হয় সেই ভয়ে অনেকেই ঘাটে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।”

    বন দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    নদিয়া-মুর্শিদাবাদ ডিভিশনের অতিরিক্ত বনাধিকারিক সায়ক দত্ত বলেন, এই কুমিরের জন্য আতঙ্কিত হওয়া বা ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। শুধু দূরত্ব বজায় রাখলেই হবে। গঙ্গার এই এলাকা কুমিরের স্বাভাবিক বিচরণ ক্ষেত্র। আর এই কুমিরগুলো ফ্রেশ ওয়াটার ক্রোকোডাইল। এই ধরনের কুমির সাধারণত মাছ খায়। আমরা বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে এসেছি। এটা নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। শুধু কুমিরের কাছাকাছি না গেলেই হল। কুমির কোনও ক্ষতি করবে না।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

    Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়ে পূর্ব বর্ধমান (Burdwan) জেলার একাধিক এলাকা। বাজ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অনেকেই। মাটির বাড়ির খড়ের ছাউনি উড়ে গিয়েছে। জেলার বহু জায়গায় সরস্বতী পুজো মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। সবমিলিয়ে জেলায় তান্ডব চালিয়েছে ক্ষণিকের ঝড়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পূর্ব বর্ধমান জুড়েই বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ- সহ বৃষ্টি হয়েছে। বর্ধমান (Burdwan) শহরে বেশ কিছু ক্ষণের জন্য ভারী বৃষ্টি হয়। জেলার নানা প্রান্ত থেকে ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। বিকেলে আচমকা ঝাড়বৃষ্টি শুরু হয় বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকায়। কালনায় ওই ঝড় মিনিট তিনেক স্থায়ী হয়েছিল। ঝড়ের দাপটে ওই তিন মিনিটেই ভেঙে পড়ে সরস্বতী পুজোর একাধিক মণ্ডপ এবং অস্থায়ী তোরণ। গাছ ভেঙে বন্ধ হয়ে গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। কালনার বৈদ্যপুরে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে গুরুতর জখম হন দু’জন। ঠাকুর দেখতে গিয়ে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে পড়ে এই বিপত্তি হয়। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, গলসির বোমপুরে বজ্রাঘাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম সজনী মুর্মু। তিনি ক্ষেত মজুরের কাজ করতেন। ঝড়ের সময় তিনি মাঠেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে রায়না, খণ্ডঘোষ, মেমারিতেও। খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামে একাধিক মাটির বাড়ির খড়ের চাল উড়ে গিয়েছে। অনেক গাছ ভেঙে পড়েছে রাস্তার ওপর। রায়না থানা এলাকার আস্তিকুরে ঝড়ের সময় গাছের ডাল ভেঙে আহত হন এক ব্যক্তি। ডাল ভেঙে তাঁর গায়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির নাম অনন্ত পোড়েল।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    কালনার এক বাসিন্দা বলেন, আমরা সরস্বতী মণ্ডপের পাশেই দাঁড়িয়েছিলাম। দুপুর থেকে মেঘলা আবহাওয়া ছিল। বিকেলের পর আচমকা ঝড় ওঠে। সামান্য কিছুক্ষণ ছিল। আর তাতেই সব কিছুই তছনছ করে দিয়েছে। মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু জখম হয়েছে। ঝড়ের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subhash Chandra Bose: নেতাজিকে পুজো করেন পূর্বস্থলীর রায় পরিবারের সদস্যরা

    Subhash Chandra Bose: নেতাজিকে পুজো করেন পূর্বস্থলীর রায় পরিবারের সদস্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose) পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর রায় পরিবারে ‘কুলদেবতা’। শুধু তাই নয়, জন্মবার্ষিকীতে সেই দেবতাকে ফি বছর পুজো করা হয়। তাঁর উদ্দেশে নিবেদন করা হয় সিঙারা ভোগও।

    পূর্বস্থলীর রায়বাড়িতে এসেছিলেন নেতাজি (Subhash Chandra Bose)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৩২ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামী রমেশচন্দ্র রায় ও তাঁর ভাই সুরেশচন্দ্র রায়ের কাছে সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose) এসেছিলেন। সেই সময় রমেশবাবুর স্ত্রী শিবভাবিনী দেবী ছিলেন জেলা মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী। কাষ্ঠশালি থেকে মেড়তলায় যাওয়ার আগে নেতাজি পূর্বস্থলীর রায়বাড়িতে এসেছিলেন। ওই বাড়িতে যে চেয়ারে তিনি বসেছিলেন, আজও তা সংরক্ষিত রয়েছে। সেই সময় শিবভাবিনী দেবী নেতাজিকে সিঙারা তৈরি করে খাইয়েছিলেন। আজও সেই সুভাষচন্দ্র বসুকে পুজো করে ভোগ নিবেদন করা হয়। পরিবারের সদস্য গৌতম রায়, তপন রায়রা বলেন, ‘নেতাজি আমাদের বাড়িতে এসে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছিলেন। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের। নেতাজি আমাদের বাড়িতে আসার পরের বছর থেকেই বাড়িতে তাঁর জন্মদিন পালন করার রেওয়াজ চলে আসছে। এবছরও আমরা নিয়ম করে তাঁর ছবিতে মালা দিয়ে পুজো করে সিঙারা ভোগ দিয়েছি।’

    কালনার মঠে এসেছিলেন নেতাজি

    অন্যদিকে, ধর্মচর্চার পাশাপাশি বিপ্লবীদের আখড়া হয়ে উঠেছিল কালনার জ্ঞানানন্দ মঠ। ১৯৩০ সালে কালনা শহর সংলগ্ন নেপপাড়ার এই মঠে এসেছিলেন নেতাজি। এখানে দু’দিন-দু’রাত কাটিয়ে আন্দোলনের রূপরেখাও তৈরি করেছিলেন তিনি। এমনই এক ঐতিহাসিক স্থানে ফি বছর সুভাষচন্দ্র বসুর (Subhash Chandra Bose) জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন মন্ত্রী থেকে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। জানা গিয়েছে, আগের বছর এই জ্ঞানানন্দ মঠে ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তোরণ’ উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এবারও সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এই মঠে। মঠের নিত্যপ্রেমানন্দ অবধূত মহারাজ বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এই বছরও বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা-সহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সারা বিশ্বজুড়ে এখন চর্চা চলছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যায়। দেশ জুড়ে ওই দিন নানা অনুষ্ঠান হবে। এই আবহের মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের কালনায় ১৪ ফুটের রামচন্দ্রের মূর্তি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সমীর দাস নামে এক যুবকের উদ্যোগে এই মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ২২ জানুয়ারি জাঁকজমকভাবে পুজো করে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    ১৪ ফুটের রাম মূর্তি কেন? (Ram Mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাস আগে কালনা চড়কতলার শিল্পী জগৎ মণ্ডলকে এই মূর্তি তৈরির জন্য বরাত দেন সমীরবাবু। শিল্পী ৬ জনকে নিয়ে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করেন। শিল্পীর কথায়, দেড় মাস ধরে মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ১৪ বছর রামচন্দ্র বনবাসে ছিলেন, আর সেই কারণে ১৪ ফুটের এই রামমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কালনার আরএমসি মার্কেট সংলগ্ন এলাকাতে এই রামচন্দ্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই, আরএমসি মার্কেট চত্বরকে সাজানো হয়েছে। সেখানে মূর্তি বসানোর জন্য বেদি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিশেষ পুজোর মাধ্যমে মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা কী বললেন?

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা সমীর দাস বলেন, রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ ভক্ত। তাঁর মূর্তি তৈরি করার জন্য বেশ কয়েকমাস ধরে পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। এবার নিজের উদ্যোগে মূর্তি তৈরির জন্য এক শিল্পীকে বলি। প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে। প্রথমে আমার পাশে কেউ ছিল না। তবে, এখন সকলেই আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এই উদ্যোগের পিছনে কোনও রাজনৈতিক দল নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমি মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন যজ্ঞ করা হবে। আগামীদিনে সেখানে একটি মন্দির তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rupam Islam: রূপম ইসলামের অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, পুলিশের লাঠিচার্জ

    Rupam Islam: রূপম ইসলামের অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, পুলিশের লাঠিচার্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেগঙ্গায় অনুপম রায়ের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় রূপম ইসলামের (Rupam Islam) অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হল। দর্শকদের ভিড়ে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। তাতে বেশ কয়েকজন জখম হন। কয়েকজনকে আটক করা হয়। ধৃতদের মধ্যে চারজনের কাছে অস্ত্র পাওয়া যায়। গানের অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে কেন এসেছিল এরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Rupam Islam)

    পূর্ব বর্ধমানের কালনাতে ‘খাদ্য পিঠে-পুলি’ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপম ইসলাম (Rupam Islam) ও তাঁর ব্যান্ড ফসিলস। সন্ধ্যে থেকেই গান শুনতে মাঠে দর্শকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। সময় যত বাড়তে থাকে, গায়ককে এক ঝলক দেখতে মাঠের বাইরেও ভিড় জমে যায়। ভিতরেও ভিড়, বাইরেও ভিড়। ফলে,পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালনা থানার পুলিশ। ভিড় খালি করার নির্দেশ প্রথমে দেওয়া দেওয়া হলেও সেখানে উপস্থিত একাংশ দর্শক তা কানে তোলেনি। সকলেই ব্যস্ত রূপমের গান শুনতে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কালনা থানার পুলিশ আসে। দর্শকরা পুলিশের কথা কানে না তুলতেই লাঠচার্জ করা শুরু হয়। এরপরই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মেলার ভিতরে। সূত্রের খবর, অনেক মানুষ রাস্তাতেই পড়ে যান। এমনকী পাঁচিল টপকেও কেউ কেউ বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কার্যত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের ভ্যানে তোলা হয় অনেককে। তবে চারজনকে অস্ত্র সমেত আটক করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    কালনার বিধায়ক কী বললেন?

    কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ এই পিঠে-পুলি উৎসবের আয়োজন করেন। একটি কমিটিও রয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ প্রসঙ্গে কালনার বিধায়ক বলেন, সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। অতিরিক্ত ভিড়ে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। পুলিশ উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেত। তবে, অনুষ্ঠানে কেউ অস্ত্র হাতে এলে কি পুলিশ ছেড়ে দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, ব্যস্ত সড়কে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল স্ট্রেচারে করেই

    Purba Bardhaman: নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, ব্যস্ত সড়কে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল স্ট্রেচারে করেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ফ্রিতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা থাকলেও রোগীর জন্য মেলেনি পরিষেবা। ব্যস্ত দ্রুতগামী সড়কে স্ট্রেচারে করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। কালনা (Purba Bardhaman) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এমন অমানবিক ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। উঠছে হাসপাতাল প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ। অবশ্য হাসপাতাল অ্যাসিণ্ট্যাণ্ট জানান, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নেবো।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে একাধিকবার হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসার জন্য রোগীকে নিয়ে যাওয়া হোক অথবা রোগী মারা গেলে মৃতদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। বামানগোলা, কালিয়াগঞ্জ এবং জলপাইগুড়িতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা না দেওয়ার মতো অমানবিক নির্মম ঘটনার বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে আগেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।

    রোগীর পরিচয় (Purba Bardhaman)

    হাসপাতেলে এই রোগীর পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর বাড়ি মেমারি (Purba Bardhaman) থানার মহিষপুর এলাকায়। তাঁর নাম সাহার আলি মল্লিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ আহত হন তিনি। মাথায় ব্যাপক আঘাত লাগে। এরপর ভর্তি করা হয় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ডাক্তার রোগীকে সিটি স্ক্যান করার কথা বলেন। এরপর রোগীকে হাসপাতাল থেকে বাইরে বের করে স্ট্রেচারে টেনে ব্যস্ততম রাস্তা দিয়ে স্ক্যান করতে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার ছবি ইতিমধ্যেও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। প্রশ্ন ওঠে হাসপাতালে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা থাকলেও কেন রোগীর জন্য পরিষেবা দেওয়া হয়নি।

    রোগীর ছেলের বক্তব্য

    বৃদ্ধ রোগীর ছেলে সাবর আলি বলেছেন, “ডাক্তার সিটি স্ক্যানের কথা বললে বাবাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাই। কিন্তু হাসপাতালে (Purba Bardhaman) কোনও স্ক্যানের ব্যবস্থা না থাকায় বাইরে নিয়ে যেতে হয়। বাইরে নিয়ে যেতে বাবা টোটোতে উঠতে পারেননি। আবার আমার কাছে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যাওয়ার মতো টাকাও ছিল না। আবেদেন করে বিনামূল্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও আমরা পাইনি। তাই রাস্তায় স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাই বাবাকে।”

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Purba Bardhaman) অ্যাসিণ্ট্যাণ্ট গৌতম বিশ্বাস বলেন, “যে পরীক্ষাগুলি দেওয়া হয়েছে তা এখানে করানো হয় না। রোগীর ক্ষেত্রেও পরীক্ষা বাইরে করতে যেতে হয়। তবে হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দেওয়া হয়। কিন্তু এই রোগীর ক্ষেত্রে কেন এমন ঘটল জানিনা। খোঁজ নিয়ে বলবো। এমন ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেই দিকে আমরা ব্যবস্থা নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share