Tag: kalna

kalna

  • Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আস্থা নেই দলের সিংহভাগ কাউন্সিলারের। আর তাই চেয়ারম্যানকে সরাতে জোটবদ্ধ হয়েছেন দলের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলাররা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালনা (Kalna) পুরসভায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কালনা শহর জুড়়ে এই বিষয় নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতজন কাউন্সিলার আনল অনাস্থা? (Kalna)

    দলীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা (Kalna) পুরসভার আসন সংখ্যা ১৮টি। এরমধ্যে ১টি আসনে সিপিএম জয়ী হয়েছে। বাকি ১৭ জন কাউন্সিলার তৃণমূলের। পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে দলের ১৪ জন কাউন্সিলার ক্ষুব্ধ। সকলে মিলে আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসেন। সেই সম্মিলিত চিঠি বুধবার ই মেল করে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, পুরসভায় পাঠিয়েছেন তাঁরা। যদিও সেই অনাস্থা সম্মিলিত চিঠি পুরসভায় জমা করতে গেলে কালনা পুরসভা কর্তৃপক্ষ তা নিতে অস্বীকার করে বলে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের অভিযোগ।

    কেন অনাস্থা?

    কালনা (Kalna) পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলার সুনিল চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের আমলে কাজের গতি থমকে গিয়েছে। নেই উন্নয়ন। মিটিংয়ে যা সিদ্ধান্ত হয় তা পরে তিনি তা মানেন না। নিজের খেয়ালখুশি মতো অফিসে আসেন। কাউন্সিলারদের কথা শোনেন না। নিজের মতো যা খুশি করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ পুরসভায় এসে পরিষেবা পাচ্ছেন না। চেয়ারম্যানের জন্য দলের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। কাউন্সিলার হিসেবে আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। উন্নয়নমূলক কাজ করা যাচ্ছে না, তাতে মানুষের সমস্যা হচ্ছে। যার ফলে মানুষের কাছে আমাদের কথা শুনতে হচ্ছে। তাই আমরা সকলের ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছি।

    চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত বলেন, শুনেছি কয়েকজন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব দাবি করেছে। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও কাগজ আমি হাতে পাইনি। কাগজ হাতে আসলে আমি বিষয়টি নিয়ে যা বলার বলব। সকলকে নিয়ে চলি। এখন কেন তাঁরা এই ধরনের কথা বলছেন জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Crocodile: মাঝরাতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ওটা কী! ১০ ফুটের কুমির দেখে থ কালনাবাসী

    Crocodile: মাঝরাতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ওটা কী! ১০ ফুটের কুমির দেখে থ কালনাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাড়ার মধ্যে রাস্তায় থাকা সরমেয়রা তারস্বরে চিৎকার করছিল। মাঝ রাতে পাড়ায় চোর ঢুকেছে ভেবে অনেকে বাড়ির দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন। অনেকে আবার সারমেয়দের চিৎকার থামাতে ঘর থেকে বের হন। একেবারে পাড়ার রাস্তার মধ্যে ১০ ফুট লম্বা কুমির (Crocodile) দেখে এলাকাবাসী তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন। সারমেয়দের সঙ্গে মাঝরাতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসা লোকজনও প্রচণ্ড চিৎকার করতে থাকেন। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রাস্তাতে কুমির দেখে হতবাক হয়ে পড়েন। সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Crocodile)

    এমনিতেই কয়েকদিন আগে অগ্রদ্বীপের কালিকাপুর ফেরিঘাট খুলতে এসে অভিজিৎ হালদার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা গঙ্গার চরে ১২ ফুট লম্বা কুমিরকে শুয়ে থাকতে দেখেছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই কুমির দেখতে ভিড় উপচে পড়েছিল। পরে, বন দফতর এসে কুমিরটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এর আগেও গঙ্গার ধারে কুমির আসা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল। এই সব ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার কালনায় পাড়়ার মধ্যে কুমির (Crocodile) ঢুকে যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। রাত দেড়টা নাগাদ পালপাড়ায় কুমির দাপিয়ে বেড়ানোর খবর জানাজানি হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ভয়ে দরজা, জানলা লাগিয়ে ঘরবন্দি হয়ে বসে থাকেন। আর অনেকেই সারা রাত জেগে রাত পাহাড়া দিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এতদিন গঙ্গায় কুমির (Crocodile) দেখা গিয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু, এভাবে বাড়ির দরজায় এতবড় কুমির হাজির হবে তা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। কালনার বন দফতরের কর্মী, পুলিশ প্রশাসন এসে দড়ি দিয়ে এলাকাটি ঘিরে দেয়। রাত ভর ভিড় ছিল। সকাল হতেই পিল পিল করে মানুষ কুমির দেখতে ভিড় করে। তবে, এই ঘটনার পর থেকে এই এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সন্ধ্যা নামলেই ভয়ে কেউ আর বাড়়ির বাইরে বের হওয়ার সাহস দেখাবে না। প্রশাসনের অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।

    বন দফতরের কী বক্তব্য?

    বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি জানার পরই কুমিরটিকে (Crocodile) উদ্ধার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কীভাবে কুমির লোকালয়ে এল তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রার্থী পছন্দ নয়! জেলায় জেলায় দলের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভে তৃণমূল কর্মীরা

    Panchayat Election 2023: প্রার্থী পছন্দ নয়! জেলায় জেলায় দলের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভে তৃণমূল কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) টিকিট না পেয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলই জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। এমনই চিত্র দেখা যাচ্ছে বহু জায়গায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নব্য তৃণমূল এবং আদি তৃণমূলের দ্বন্দ্বই প্রকাশ্যে আসছে। এরকমই বিক্ষোভের চিত্র দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবং মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। 

    টিকিট না পেয়ে কালনায় বিক্ষোভ

    গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat Election 2023) প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল সামনে এল। বুধবার বিকেলে হাট কালনা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধর্মডাঙ্গা এলাকায় প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভে সরব হল দলেরই একাংশ। এঁদের দাবি, নির্মল বৈদ্য এবং শোভা রায় দুজনই তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন এই এলাকায়। কিন্তু এই প্রার্থীদের মেনে নিতে চাইছেন না এলাকার তৃণমূলের একাংশ। আর তাই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার আদি তৃণমূল কর্মীরা। এলাকার এক তৃণমূল কর্মী অরুণ মণ্ডল বলেন, আমরা এলাকায় ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল করছি। বহু সময় ধরে আমরা অত্যাচার সহ্য করে সিপিএমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এলাকায় রাজনীতি করছি। আজ আমাদের উপেক্ষা করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অন্য লোককে টিকিট দেওয়া হয়েছে। আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করলে, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। কালনা ছাড়া মুর্শিদাবাদেও টিকিট না পেয়ে বিক্ষোভের চিত্র নজরে আসে।

    লালগোলায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) প্রার্থী তালিকায় নাম নেই তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য হজরত উমরের। তাঁর বদলে নাম রয়েছে মোতাহার হোসেনের। আর তার জেরেই প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন তৃণমূলের নশিপুর এলাকার নেতা ও কর্মীরা। ক্ষোভে গত বুধবার পথ অবরোধও করেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সমর্থকরা। এদিন লালগোলার তৃণমূলের বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় কর্মীরা। অপর দিকে মোতাহার হোসেন রিপন নামক ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রার্থী হলেও তাঁর স্ত্রীকে আবার পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী করা হয়েছে। এক পরিবার থেকে এত প্রার্থী কেন? এই নিয়েও তৃণমূলের অন্দরে উঠেছে প্রশ্ন! আর তাই শাসক দলের প্রার্থী তালিকায় নাম দেখেই এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বিক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে। এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, এখানকার তৃণমূল বিধায়ক এবং সাংসদ টাকা নিয়ে প্রার্থী ঠিক করে আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি যাদের প্রার্থী করা হয়েছে তারা এই অঞ্চলের বাসিন্দা নয়। কোনও বহিরাগত লোককে অঞ্চলের পদপ্রার্থী হিসাবে মানতে নারাজ তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Clive Lloyd: কালনার গ্রামে আসছেন ‘সুপার ক্যাট’, কারণ কি জানেন?

    Clive Lloyd: কালনার গ্রামে আসছেন ‘সুপার ক্যাট’, কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। এদিনই পূর্ব বর্ধমানের কালনার গ্রামে পা রাখবেন প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা ক্লাইভ লয়েড (Clive Lloyd)। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে অবশ্য বাংলায় আসছেন না তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই প্রাক্তন তারকা আসছেন পূর্ব সাতগাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। এদিন এই গ্রামে রয়েছে স্থানীয় একটি ক্লাবের টুর্নামেন্টও। এই অনুষ্ঠানেও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন লয়েড।

    ক্লাইভ লয়েড

    বছর আশির লয়েডের অধিনায়কত্বেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ জিতেছে ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালে। তার পরের বিশ্বকাপে অবশ্য ভারতের কাছে হেরে যায় লয়েডের দেশ। ১৯৮৩ সালে লর্ডসের মাঠে ভারতের কাছে সেই হার এখনও নাকি তাড়া করে বেড়ায় লয়েডকে। কালনার এই স্কুল ও ক্লাবের অনুষ্ঠান শেষে ইডেনে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন লয়েড (Clive Lloyd)। কলকাতার এই মাঠে বহু স্মরণীয় ম্যাচ জিতেছেন তিনি। রেফারি হিসেবেও তাঁকে দেখেছে কলকাতার এই মাঠ। রেফারি হিসেবে একটা ম্যাচ পরিচালনার সময় একবার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল।

    ‘সুপার ক্যাট’

    লয়েডের ক্রিকেট শৈল্পিকে মজে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। তামাম বিশ্ব তাঁকে চেনে ‘সুপার ক্যাট’ নামে। ১১০ টেস্টে ১৯টি সেঞ্চুরি। গড় ছিল ৪৬.৬৭। সর্বোচ্চ রান ২৪২ নট আউট। লয়েড শেষবার কলকাতায় এসেছিলেন ২০১৬ সালে, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচ শেষে তাঁর কোমর দুলিয়ে নাচে তাল মিলিয়েছিল গোটা গ্যালারি। লয়েডের প্রিয় শহর কলকাতা। এই শহরে তিনি থাকবেন দু’ দিন। প্রিয় শহরে আসবেন বলে এই বয়সেও গায়ানা থেকে লন্ডন-দুবাই হয়ে কলকাতায় আসার ঝক্কি সামলাতে রাজি হয়েছেন প্রাক্তন এই ক্রিকেট তারকা।

    আরও পড়ুুন: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    সাতগাছিয়া হাইস্কুলের পঁচাত্তর বছর উদযাপন কমিটির চিফ প্যাট্রন সুরজিৎ বক্সি বলেন,  “অতীতে আমাদের গ্রামে এসেছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন, সন্দীপ পাতিলের মতো তারাকারা। এবার আমাদের গ্রামে পা রাখছেন আরও বড় কিংবদন্তী (Clive Lloyd)। এটা আমাদের গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে পরম প্রাপ্তি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Kalna: শুরু হয়েছে ভবা পাগলার মেলা, এবছর প্রশাসন ভীষণ তৎপর

    Kalna: শুরু হয়েছে ভবা পাগলার মেলা, এবছর প্রশাসন ভীষণ তৎপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে ভবা পাগলা মেলা। পূর্ব বর্ধমানের কালনায় (Kalna) গঙ্গার ঘাট লাগোয়া ভবা পাগলার মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী মেলা শুরু হয়েছে। মেলাকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার মানুষের জমায়েত হয়। নদীয়া জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ভক্তরা ভবা পাগলার মেলার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে থাকেন। কালনায় যেতে নদীয়া জেলার ভবা পাগলা ভক্তদের একমাত্র যাতায়াতের ভরসা গঙ্গার ফেরিঘাট। জলপথে ভক্তদের যাতে কোন বিপদ না হয়, তার জন্য এই বছর প্রশাসন বিশেষভাবে তৎপর।  

    মেলায় প্রশাসন তৎপর কেন?

    ২০১৮ সালে ভবা পাগলা মেলার (Kalna) প্রথম দিনে ভয়াবহ নৌকা ডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় ৫০ জন। মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছিল প্রশাসনের গাফিলতির কারণে। ভক্তরা নৌকা ডুবির ঘটনায় গঙ্গায় তলিয়ে যান। প্রশাসনের তরফ থেকে উদ্ধার কাজ চালিয়ে প্রায় ৪০ জনের দেহ উদ্ধার হয়। তবে স্থানীয়দের অনুমান সেদিনের নৌকা দুর্ঘটনায় প্রায় ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। দুর্ঘটনার পরে প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন স্থানীয় মানুষ। সেই সময় হাজার হাজার ভক্তরা ট্রলারে করে গঙ্গা পার হলেও প্রশাসনের তরফ থেকে কোন বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, দুর্ঘটনা ঘটার পর যে সমস্ত জরুরি পরিষেবা থাকে সেগুলোও কিছুই ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছিল। এবার সেই দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক হয়েছে জেলা প্রশাসন। যাতে ভবা পাগলা মেলাকে কেন্দ্র করে কোনরকম দুর্ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আগাম একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

    মেলার পরিদর্শনে প্রশাসন

    এদিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রানাঘাট জেলা পুলিশ সুপার ডক্টর কে কান্নান বলেন, গঙ্গার দুই ফেরি ঘাটেই থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। মেলার ভক্তদের ভিড় সামলানোর জন্য একাধিক ব্যারিকেড এর ব্যবস্থা করা হয়েছে এবছর। পাশাপাশি যাতে অ্যাড ভেসেলে অতিরিক্ত যাত্রী না উঠতে পারে, তার জন্য থাকবে পুলিশ মোতায়েন। অন্যদিকে ভাব পাগলা মেলার (Kalna) কারণে অতিরিক্ত একটি ভেসেলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Water Demand: পঞ্চায়েতে ভোট দেবে না কালনার এই আদিবাসী গ্রাম, কেন জানেন?

    Water Demand: পঞ্চায়েতে ভোট দেবে না কালনার এই আদিবাসী গ্রাম, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গ্রামের নাম হাসনহাটি। গ্রামের বাসিন্দাদের অধিকাংশ আদিবাসী। দালান বাড়ি কারও নেই। এক চিলতে ঘরে পরিবার নিয়ে তাঁরা দিন গুজরান করেন মাত্র। দিন মজুরি করে কোনওরকমে সংসার চালান তাঁরা। বাড়িতে টিউবওয়েল বসানো তাঁদের কাছে বিলাসিতা। অগত্যা সরকারি সাহায্য তাঁদের অন্যতম ভরসা। নিয়ম মেনে ঘটা করে প্রশাসনের উদ্যোগে গ্রামে পানীয় জলের ট্যাপ, টিউবওয়েল বসানো হয়েছে। টিউবওয়েল থেকে বহুদিন ধরেই জল (Water demand) পড়ে না। আর পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য যে ট্যাপ বসানো হয়েছিল, গত তিনমাস ধরে সেখান দিয়ে জল পড়ছে না। গরম পড়তেই হাঁসফাঁস অবস্থা। ক্ষোভে ফুঁসছেন কালনা-২ ব্লকের বৈদ্যপুর পঞ্চায়েতের আদিবাসী এই গ্রাম।

    দাবি (Water demand) আদায়ে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন আদিবাসী গ্রামের বাসিন্দারা?

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)  একাধিক প্রকল্প ঘোষণা করে আদিবাসীদের মন জয়ের চেষ্টা করেন। কিন্তু, বাস্তব চিত্রটা যে একেবারেই আলাদা তা হাসনহাটি আদিবাসী গ্রামে আসলেই টের পাওয়া যাবে। এই গ্রামের তিন মাস ধরে পানীয় জলের (Water demand) ট্যাপ, টিউবওয়েল থেকে জল বের হচ্ছে না। প্রশাসনের কাছে আদিবাসী মহিলারা জোটবদ্ধ হয়ে দরবার করেছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা সুনীতা মুর্মু, মিতা মুর্মু, শেফালি মান্ডিদের বক্তব্য, এতদিন শীতকাল ছিল। দূর থেকে জল আনতে কষ্ট হত না। জলের (Water demand) চাহিদা কম ছিল। এখন গরম পড়েছে। দিন দিন গরম বাড়বে। এই অবস্থায় গ্রামে পানীয় জলের (Water demand) ব্যবস্থা না থাকলে আমরা কোথায় যাব। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের জন্য অনেক কিছু করেন বলে বিভিন্ন মঞ্চে দাবি করেন। অথচ গত তিনমাস ধরে আমরা পানীয় জল (Water demand) খেতে পাচ্ছি না, এটা রাজ্য সরকারের কারও দেখার সময় নেই। অবিলম্বে পানীয় জলের ব্যবস্থা না করে দিলে সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা ভোট বয়কট করব। কারণ, বহুদিন ধরে আমরা আবেদন নিবেদন করেছি। তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এবার আমরা জোটবদ্ধ হয়ে সকলেই কেউ আর ভোট দিতে যাব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    হাসনহাটি গ্রামে আদিবাসী পরিবারেরা পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন তা স্বীকার করে নিয়েছেন  কালনা-২ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অমিত কুমার চৌরাসিয়া। তিনি বলেন, কীভাবে তাদের পানীয় জল দেওয়া যায় সেটা ভাবা হচ্ছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share