Tag: kalyani

kalyani

  • BJP: বাংলাদেশি রোগীদের বয়কটের ডাক বিজেপির, কল্যাণী এইমসের সামনে বিক্ষোভ

    BJP: বাংলাদেশি রোগীদের বয়কটের ডাক বিজেপির, কল্যাণী এইমসের সামনে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ভারতের জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করা হচ্ছে। আর সেই সব জেহাদিরা ভারতে এসে চিকিৎসার সুবিধা নিচ্ছে। আমরা সেই সব ভারত বিদ্বেষীদের কখনওই আমাদের দেশে চিকিৎসা করাতে দেব না। মূলত এই দাবি তুলে বিজেপি (BJP) বিধায়ক অম্বিকা রায়ের নেতৃত্বে কল্যাণী এইমসের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন দলের নেতা-কর্মীরা।  

    চিকিৎসকদের কাছে বাংলাদেশি রোগীদের বয়কটের ডাক (BJP)

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ (Bangladesh) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন চিন্ময় প্রভু। শুধু মৌলবাদীদের হুমকির জেরে তাঁর পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে সওয়াল না করায় তিনি জামিন পর্যন্ত পাচ্ছেন না। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ চলছে। সেখানকার মন্দির ভেঙে দেওয়া হচ্ছে এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বাংলাদেশের কলেজে গেটের সামনে মাটিতে ভারতের জাতীয় পতাকা আঁকানো রয়েছে। আর তার ওপর দিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা। এটা ভারতবাসীর কাছে অপমানের। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ তুলে এদিন কল্যাণী এমস হাসপাতালে গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলেন কল্যাণী বিজেপি (BJP) বিধায়ক অম্বিকা রায় সহ বিজেপি সমর্থকরা। প্রত্যেকের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, চিন্ময় প্রভুকে মুক্তি দিতে হবে। এইমস হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে বাংলাদেশি রোগীদের বয়কট করতে হবে।

    আরও পড়ুন: দ্রুত নামবে পারদ! মাঝ-ডিসেম্বর থেকেই শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং, বলছে পূর্বাভাস

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    এ বিষয়ে বিধায়ক (BJP) অম্বিকা রায় বলেন, “কিছু ভারতবিদ্বেষী রয়েছে, যারা ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করছে। অথচ তারাই এসে বিনামূল্যে ভারতের চিকিৎসা সুবিধা নিচ্ছে। ১৪০ কোটি মানুষের এই ভারতবর্ষকে নিয়ে অপমান করার সাহস তারা কোথা থেকে পায়? কিন্তু দেখা যাচ্ছে এ রাজ্য সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। আমরা চাই সেই সমস্ত ভারত বিদ্বেষী বাংলাদেশিরা যাতে আমাদের দেশে কোনও চিকিৎসা পরিষেবা না পায় সেই ব্যবস্থা করুক সরকার। সেই কারণেই এদিন আমরা এইমস হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখালাম। আমরা কোনও মতেই ভারত বিরোধী কোনও বাংলাদেশিকে ভারতবর্ষের কোনও সুবিধা পেতে দেব না”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে বিজেপি বিধায়ক আন্দোলনে নামতেই রণংদেহী পুলিশ, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র কল্যাণী

    Kalyani: ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে বিজেপি বিধায়ক আন্দোলনে নামতেই রণংদেহী পুলিশ, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র কল্যাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হলে সমস্যায় পড়বেন গ্রামবাসীরা। তাই, বিজেপি বিধায়কের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ গিয়ে সেই আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি জনতার, পাল্টা লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাসের সেল ছোড়ার অভিযোগ ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কল্যাণীর (Kalyani) কাছারিপাড়া এলাকায়। ঘটনার পর বিজেপি বিধায়ক সহ ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাছারিপাড়া (Kalyani) এলাকায় পুরসভার তত্ত্বাবধানে একটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড চিহ্নিত জায়গায় পাঁচিল দেওয়ার কাজ চলছিল। কাজ চলাকালীন আচমকা বাধা দেয় এলাকাবাসী। বাধার জেরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের এই আন্দোলন ছিলেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। ঘটনার পর পরই বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে আসে। আচমকা কথা কাটাকাটির মধ্যেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। এরপরে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পাল্টা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি চলতে থাকে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পুলিশের তরফে টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এরপরেই বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারী ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কল্যাণী এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক অম্বিকা রায় বলেন, “আদালতের তরফে ওই জায়গাটি কাজের জন্য স্টে অর্ডার দেওয়ার পরেও পুরসভা জোরপূর্বক কাজ করছে। ওই এলাকায় প্রচুর চাষি রয়েছেন। এখানে ডাম্পিং গ্রাউন্ড (Kalyani) হলে দুর্গন্ধে আর চাষ করতে পারবেন না তাঁরা। তাই, চাষিরা পুরসভার কাছে এই এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড না করার জন্য দরবার করেছিলেন। কিন্তু, পুরসভা তা শোনেনি। গ্রামবাসীদের আন্দোলন বন্ধ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করল। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” পুরসভার চেয়ারম্যান নীলিমেশ রায়চৌধুরী বলেন,” সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেটা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে কোনও স্থানীয় মানুষ নেই। বিধায়কের আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার রাতেই আরও একটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজ্য। অভিযোগ, কল্যাণীর এক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এক অধ্যাপক। ৯ অগস্ট রাতে কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা মেডিক্যাল কলেজের ওই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। যার ভিত্তিতে পুলিশ ওই অধ্যাপককে গ্রেফতার করেছে।

    কী অভিযোগ

    ঘটনাটি ঘটেছিল কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই কলেজের মাইক্রোবায়োলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজের বিভাগীয় এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সময় আরজিকর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্যসহ গোটা দেশ। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বর্ষের নির্যাতিতা ছাত্রী আরজিকর নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিবাদ আন্দোলনের মঞ্চেই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। সহকর্মীদের তিনি এবিষয়ে জানান। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহস পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১৩ অগস্ট অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    জামিনের আর্জি খারিজ

    এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন খারিজ করে দেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান অভিযুক্ত অধ্যাপক। অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি সেদিন রাতে। ছাত্রীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল খানিকটা। এরপর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, যেহেতু চার্জশিট ফাইল হয়ে গেছে, এবার ছাত্রীর সাক্ষ্য গ্রহণ হবে, তাই এই অবস্থায় জামিন দেওয়া যাবে না। জানা গিয়েছে এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন অধ্যক্ষ তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেন। একদিনের মধ্যেই তার রিপোর্টও জমা পড়ে। সেই রিপোর্টও পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষীদের ‘দাদাগিরি’। যার জেরে রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়া জেলার কল্যাণী (Kalyani) গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কল্যানীর ওই হাসপাতালের কর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত সরকারি আধিকারিকের নাম সুশান্তকুমার বালা। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সুশান্তবাবুর বাড়ি নদিয়ার তেহট্টে। শুক্রবার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের ভাই উকিল বালাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সুশান্তবাবু অসুস্থ ভাইকে দেখতে  হাসপাতালে যান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। কিন্তু, তাঁদের হাসপাতালের গেটেই আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। এরপর সুশান্তবাবুর এক আত্মীয়কে ধরে হাসপাতালের গ্রুপ-ডি কর্মীরা মারধর করেন। ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁকেও মারধর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ আধিকারিকরা। হাসপাতাল থেকে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    আক্রান্ত সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    হাসপাতালে (Kalyani) নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে মার খাওয়ার পর আক্রান্ত সুশান্তবাবু বলেন,  ভাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা শুধু ভাইকে দেখতে চেয়েছিলাম। ওরা এভাবে রক্তপাত করল। আমি জখম হয়েছি। যা বলার পুলিশ-প্রশাসনকে বলব। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে বচসা হচ্ছিল। আচমকাই মারধর করা শুরু হয়ে যায়। তবে, হাসপাতালের (Hospital) মধ্যে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

    নিরাপত্তারক্ষীরা কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতালে (Hospital)  নিরাপত্তারক্ষীদের বক্তব্য, রোগী দেখার সময় ওরা আসেনি। ওরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করছিল। আমরা বাধা দিয়েছি। কোনও হামলা করিনি। ওরা মারধর করেছে। কারও গায়ে আমরা হাত দিইনি। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fake MD: ভুয়ো ‘এমডি’ কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র অখিল, দাবি উঠল শাস্তির

    Fake MD: ভুয়ো ‘এমডি’ কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র অখিল, দাবি উঠল শাস্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও নদিয়ার কল্যাণীর কলেজ অব মেডিসিন অ্যান্ড জেএনএম হাসপাতালে পিজিটি প্রথম বর্ষের ছাত্র শেখ মহম্মদ অখিল।  ভুয়ো ‘এমডি’ ডিগ্রি  (Fake MD) দেখিয়ে রোগী দেখায় অভিযুক্ত তিনি। প্রতারণায় অভিযুক্ত এই মেডিক্যাল ছাত্র বেশ কয়েক বছর ধরেই চণ্ডীতলার গ্রামে ডাক্তারি করতেন। তাঁর কয়েকটি চেম্বারও রয়েছে। তার মধ্যে একটি আবার তৈরি করে দিয়েছেন অখিলের বাবা। ‘এমডি’ না হওয়া সত্ত্বেও সাইনবোর্ডে এবং লিফলেটে ‘এমডি’ লিখে দিব্যি রোগী দেখতেন। কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজেরই আইনি পরামর্শদাতা তথা আইনজীবী অনিরুদ্ধ ঘোষ গত ৭ জুন চণ্ডীতলা থানায় অখিলের বিরুদ্ধে ভুয়ো ‘এমডি’ পরিচয় দিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারপরই সমস্ত বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    অখিল কী পাশ করেছে জানি না, বললেন দোকানের মালিক (Fake MD)

    হুগলির চণ্ডীতলার বেলতলা এলাকায় অখিলদের বাড়ি থেকে কিছু দূরে মশাট-জগৎবল্লভপুর সড়কের ধারে তাঁর বাবা শেখ নুর আলির মুদিখানার দোকান। এলাকাবাসী জানান, ছ’সাত মাস আগে সেই দোকানের মাঝ বরাবর ভাগ করে তিনি ছেলে অখিলের রোগী দেখার জন্য চেম্বার করে দেন। সেখানে চণ্ডীতলা, জাঙ্গিপাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীরা দেখাতে আসতেন। এছাড়া গোপালপুর বাজারে একটি ওষুধের দোকানেও বসতেন অখিল। সেখানকার বোর্ডে অখিলের নামের পাশে জেনারেল মেডিসিন (Fake MD) বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর পরিচয় উল্লেখ থাকতে দেখা গিয়েছে। তবে, ওই দোকানের মালিক দাবি করেন, “এখন আর অখিল বসে না। ও কী পাশ করেছে, তা- ও জানি না। এলাকার ছেলে হিসেবে ওকে এখানে বসতে দিতাম।”

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    অখিলের বাবা কী সাফাই দিলেন?

     অখিলের বাবা শেখ নুর আলি বলেন, “রাজনৈতিক কারণে আমার ছেলেকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিনা পয়সায় ও এলাকার রোগী দেখত।” অবশ্য ‘রাজনৈতিক কারণ’ বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। চণ্ডীতলা থানা জানিয়েছে, অখিলকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৪ নম্বর ধারায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। তবে, অখিলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  

     অখিলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের দাবি চিকিৎসক মহলে

    অখিল নদিয়ার কলেজ অব মেডিসিন অ্যান্ড জেএনএম হসপিটালে পিজিটি প্রথম বর্ষের ছাত্র (Fake MD)। তাঁর বিরুদ্ধে সেখানে নানা রকম বেনিয়ম, অন্যায় প্রভাব খাটানো, এমনকী প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের একাংশের বিরুদ্ধেও তাঁকে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর রাজ্য সভাপতি সুদীপ্ত রায়ের নাম করে হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সুদীপ্ত বলেন, “আমি অখিলকে চিনি। কিন্তু কেউ যদি ভুয়ো ডিগ্রি দেখিয়ে চিকিৎসা করে, তা হলে তার বিরুদ্ধে তো পদক্ষেপ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।”

    সমাজমাধ্যমে নিন্দার ঝড়

    অখিলের ‘কীর্তি’ সামনে আসার পরে সমাজমাধ্যম থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কার্যত নিন্দার ঝড় উঠেছে। হেলথ্ সার্ভিস ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের নদিয়া জেলা কমিটির সম্পাদক সন্দীপ মিত্র বলেন, “এই ধরনের অপরাধের তীব্র নিন্দা করছি। এদের জন্য গোটা মেডিক্যাল শিক্ষা ব্যবস্থাটাই ভেঙে যেতে বসেছে। আমরা ওই ছাত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়ালিসিস করাতে এসে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল সূত্রধর (২১)। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভ-আন্দোলনে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ছিলেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    পরিবার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাহুল সূত্রধর গত তিন দিন আগে হাসপাতালে (Kalyani) ভর্তি হন। পরপর তাঁর ডায়ালিসিস চলছিল। মঙ্গলবারও তাঁর ঠিকঠাক ডায়ালিসিস হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা। সেই মতো রোগীকে ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে রেখে পরিবারের লোকজন নীচে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে ওয়ার্ড থেকে রোগীকে ছাড়ার কথা। কিন্তু, সেটা না করেই ডায়ালিসিস হওয়ার পর রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরই ওই রোগী হাসপাতালের তিনতলা বিল্ডিং থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে নীচে পড়ে যান। হাসপাতালের গেটের বাইরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাননি। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, এদিন সাড়ে তিনটে নাগাদ ওয়ার্ডে গিয়ে জানতে পারি, রোগী নেই। এরপরই আমরা রোগীকে খোঁজা শুরু করি। হাসপাতলের একপাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে আমরা উদ্ধার করি। এরপর জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করি। কিছুক্ষণ পরই রোগীর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের গাফিলতির জন্য একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    রোগী মৃত্যুর পরই পরিবারের লোকজন ও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে সামিল হন। কল্যাণীর (Kalyani) বিজেপির বিধায় অম্বিকা রায় বলেন, এই হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার গাফিলতি  অভিযোগ রয়েছে। ডায়ালিসিস রুমে এসি নেই। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা হয়ে গেল দেহ পড়ে রয়েছে, কোনও রকম প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। আমাদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডায়ালিসিস ইউনিটে বিকল এসি মেশিন ঠিক করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WBJEE Exam 2024: “খুঁটিয়ে পড়তে হবে পাঠ্য বই,” টিপস দিলেন জয়েন্টের কৃতীরা

    WBJEE Exam 2024: “খুঁটিয়ে পড়তে হবে পাঠ্য বই,” টিপস দিলেন জয়েন্টের কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়েন্ট এন্ট্রাসে ফের জেলার পড়ুয়াদের জয়জয়কার। জয়েন্টের (WBJEE Exam 2024) মেধাতালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে রয়েছেন সিবিএসই বোর্ডের ৪ জন পরীক্ষার্থী। আবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের অধীনে পাশ করেছেন ৪ জন পরীক্ষার্থী এবং বাকি দুজন আইএসসি বোর্ডের ছাত্র-ছাত্রী। রাজ্য জয়েন্টে প্রথম হয়েছেন বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কিংশুক পাত্র। দ্বিতীয় হয়েছেন কল্যাণীর শুভ্রদীপ পাল। তৃতীয় হয়েছেন কৃষ্ণগরের বিবস্বন বিশ্বাস। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস, জয়েন্টে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন।

    এক থেকে দশের মধ্যে থাকব আশা করেছিলাম (WBJEE Exam 2024)

    রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সে (WBJEE Exam 2024) প্রথম হয়েছেন বাঁকুড়া জিলা স্কুলের কিংশুক পাত্র। বাঁকুড়া শহরের ইন্দ্রপ্রস্থ এলাকার বাসিন্দা কিংশুক, ছোট থেকেই বাঁকুড়া জিলা স্কুলের ছাত্র। অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্র এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৭৭ নম্বর পেলেও মেধা তালিকায় স্থান পাননি। তবে, এবার সকলকে টপকে একেবারে রাজ্যে প্রথম হয়েছেন কিংশুক। কিংশুকের এই সাফল্যে গর্বিত তাঁর পরিবার। তাঁর পছন্দের বিষয় অঙ্ক। কিংশুক বলেন, “এক থেকে দশের মধ্যে থাকব আশা করেছিলাম। তবে, প্রথম হব আশা করিনি। খবরটা জানতে পেরে খুবই আনন্দ হচ্ছে। আমি মোটামুটি সারাদিন পড়াশুনা নিয়েই থাকতাম। পড়াশুনা ছাড়া বিশেষ কিছু করতাম না। বিজ্ঞান নিয়ে আমার বেশি আগ্রহ। মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং দু’টোই পেয়েছি। এবার যেটা ভাল লাগবে সেটা নিয়ে এগোব। আলাদা করে আমার কোনও স্বপ্ন নেই। ভবিষ্যতে যেখানে কাজ করব সেটাই ভাল করে করতে চাই।আর পড়াশুনার বিষয়ে বলব, পাঠ্যপুস্তক খুঁটিয়ে পড়তে হবে। পরিশ্রমের বিকল্প নেই।”

    আরও পড়ুন: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    পাঠ্য পুস্তুক খুঁটিয়ে পড়তে হবে

    জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় (WBJEE Exam 2024) দ্বিতীয় হয়েছেন হালিশহরের জেঠিয়ার নান্না হসপিটাল রোডের শুভ্রদীপ পাল। তিনি পড়াশুনা করতেন কল্যাণীর স্কুলে। ইঞ্জিনিয়ারিং এ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিকের ৯২ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। ছেলের এই সাফল্যে খুশি বাবা-মা প্রতিবেশীরাও। জগদীশ চন্দ্র বোস ইনস্টিটিউটে তিনদিনের একটি ক্যাম্প চলছে। সেখানে রয়েছেন শুভ্রদীপ। বাবা নীশিথ পাল বলেন, ছেলেকে পড়াশুনার জন্য বলতে হত না। ছেলের এই সাফল্যে আনন্দের ভাষা নেই। শুভ্রদীপ বলেন, পাঠ্য পুস্তুক খুঁটিয়ে পড়তে হবে। আর প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা মন দিয়ে পড়লেই হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনগাঁ লোকসভায় তৃণমূলের থেকে গতবার ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রটি বিজেপি-র শক্ত ঘাঁটি। কল্যাণী (Kalyani) বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নাম ঘোষণার পর থেকেই নিজের লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার ও কর্মীসভা করছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। বুধবার কল্যাণীর গয়েশপুরে প্রচারে আসেন তিনি। সেখানে প্রচারে বাধার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কল্যাণী (Kalyani) থানার গয়েশপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপল্লির মাঠ থেকে বিজেপির মিছিলের কথা ছিল। সেই মতো বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেই আনন্দপল্লি মাঠে আসেন শান্তনু ঠাকুর। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ‘বিজেপি চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। শান্তনুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে গো ব্যাক স্লোগানও। পালটা চোর স্লোগান দিতে থাকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। বিজেপি কর্মীরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কল্যাণীর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট উর্মি সান্যাল।

    আরও পড়ুন: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। তাই ওদের হাজার হাজার হার্মাদদের প্রচারে বাধা দিতে পাঠিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে আমিই জিতব। সেটা ওরা মেনে নিতে পারছে না। এই বাধায় ভয় পাওয়ার ছেলে আমি না। ৩৬ ইঞ্চি বুকের পাটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো।” গয়েশপুর পুরসভার পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শান্ত এলাকাকে অশান্ত করতে এসেছেন শান্তনু ঠাকুর। সাধারণ মানুষ শান্তনু ঠাকুরকে আর চাইছে না। তাই বাধা দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: এ যেন ল্যান্ডমাইন! বাড়ির ভিত কাটতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ, জখম চার শ্রমিক, এলাকায় আতঙ্ক

    Bomb Blast: এ যেন ল্যান্ডমাইন! বাড়ির ভিত কাটতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ, জখম চার শ্রমিক, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  তৃণমূলের সরকারের আমলে বোমার স্তুূপের মধ্যে রয়েছে গোটা রাজ্য। এমনই অভিযোগ করে বিরোধীরা। সেটা যে সত্যি তার প্রমাণ মিলল নদিয়ার চাকদায়। বাড়ি তৈরির ভিত কাটতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) । আর তাতে জখম হন চারজন শ্রমিক। একজনের চোট গুরুতর। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাকদার লালপুর এলাকায়। গুরুতর জখমসহ চারজন শ্রমিককে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। ইতিমধ্যে কে বা কারা মাটির তলায় বোমা রেখেছিল তার তদন্ত শুরু করেছে চাকদা থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার নদিয়ার চাকদার পাজির মোড় লালপুরে মৌসুমী বিশ্বাস নামে এক গৃহবধূর বাড়ি তৈরির জন্য ভিত খোঁড়ার কাজ চলছিল। পাশেই তাঁর ঘর রয়েছে। নিজের ফাঁকা জমিতে নতুন করে ঘর তৈরির জন্য ভিত কাটার কাজ চলছিল। সেখানে চারজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। আচমকা মাটির নীচে থাকা একটি কৌটোর ওপর কোদালের কোপ লাগে। এরপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। চারজন শ্রমিকই মাটিতে ছিটকে পড়েন। তবে, যে শ্রমিকের কোদাল লেগে বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে তিনি গুরুতর জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছে চিকিৎসা। দিনের বেলায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্কিত গোটা এলাকার মানুষ। অন্যদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় চাকদা থানার পুলিশ। এই বোমাটি কীভাবে এল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: নদিয়ার গঙ্গার চরে ফের কুমির, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দা শিপ্রা দত্ত বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলাম। হঠাৎ বিকট আওয়াজ (Bomb Blast) পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। যেখানে ভিত কাটার কাজ চলছিল, সেখানে ধোঁয়ায় ভরে যায় এলাকা। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখি শ্রমিকদের। মাটিতে রক্ত ভাসছিল। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন শ্রমিকরা। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনার পর থেকে আমরা যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছি। কে বা কারা এই বোমা মাটির তলায় রেখেছিল তা তদন্ত হওয়া দরকার। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, জঙ্গলমহলে মাওবাদীরা মাটির নীচে ল্যান্ড মাইন পেতে রাখত। এদিনের ঘটনা সেরকম মনে হচ্ছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AIIMS: খুশির খবর, কল্যাণীর বহু প্রতীক্ষিত এইমস-এর উদ্বোধন করলেন মোদি

    AIIMS: খুশির খবর, কল্যাণীর বহু প্রতীক্ষিত এইমস-এর উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে চালু হল নদিয়ার কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতাল। পূর্ব ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হতে চলেছে এই হাসপাতাল। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের রাজকোট থেকে পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী সহ দেশের মোট পাঁচটি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (এইমস) হাসপাতাল জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলেন। কল্যাণী এইমস হাসপাতালে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল ইনডোর পরিষেবা। প্রধানমন্ত্রী এদিন কল্যাণী ছাড়াও রাজকোট, মঙ্গলাগিরি, ভাতিন্ডা এবং রাইবেরেলি এইমস হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী বললেন? (AIIMS)

     কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ ও জলপথ পরিবহণ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক, সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা প্রমুখ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল তাঁর ভাষণে স্বাস্থ্য এবং আয়ুষ মন্ত্রকের সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, এ পর্যন্ত সারা দেশ জুড়ে ২৩টি এইমস হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। এই হাসপাতাল থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন। নতুন পাঁচটি হাসপাতাল থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাবেন।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কেন্দ্রীয় সরকারের আত্মনির্ভর ভারত, আয়ুষ্মান ভারত, দীক্ষিত ভারতের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন। ১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৭৯.৮২ একর জমির ওপর ৯৬০ শয্যার কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে এই হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা চালু হয়। বর্তমানে ৪৫০টি শয্যার পরিষেবা চালু হচ্ছে। চিকিৎসার পাশাপাশি এখানে মেডিক্যাল ও নার্সিং পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। জানা গিয়েছে, আউটডোর বিভাগে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। রোগীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ইনডোর পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে আর বাইরে যেতে হবে না। কল্যাণীর এই হাসপাতাল থেরে মিলবে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share