Tag: Kamarpukur

Kamarpukur

  • Kalpataru Utsav: কল্পতরু উৎসবে জমজমাট বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর, কাশীপুর, কামারপুকুরেও ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Kalpataru Utsav: কল্পতরু উৎসবে জমজমাট বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর, কাশীপুর, কামারপুকুরেও ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের কল্পতরু উৎসবে (Kalpataru Utsav) ভক্তদের ব্যাপক ঢল দক্ষিণেশ্বর ও কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। বছরের প্রথম দিনে এই উৎসবকে ঘিরে দূর দূরান্ত থেকে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছে। সকাল থেকেই মা কালীকে দর্শন করে পুজো দিতে লক্ষাধিক পুণ্যার্থীরা সমবেত হয়েছেন। পুলিশের কড়া নিরাপত্তা রয়েছে ভবতারিণী মন্দিরে (Dakshineswar)। অপর দিকে কাশীপুরেও সকাল থেকেই ঠাকুর দর্শন করতে প্রচুর ভক্তের সমাবেশ হয়েছে। একইভাবে যথাযথ ভাবে পালিত হচ্ছে বেলুমঠে ঠাকুরের পুজো ও আরাধনা। রামকৃষ্ণ মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “সকল ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আনুমানিক লক্ষাধিক ভক্তের আগমন হয়েছে।”

    পঞ্চবটি যোগমায়া আশ্রমে ভিড় বেশ চোখে পড়ার মতো (Kalpataru Utsav)

    আজকের দিনে কাশীপুরে খুব ধুমধাম করে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav) পালন করা হয়। পুজোর সঙ্গে চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই ভাবে হাওড়ার বেলুড়ে এদিন ভক্তদের মারাত্মক ভিড় ছিল। নতুন বছরের শুভ কামনায় ঠাকুরের কাছে সকল ভক্তরা উপস্থিত হয়েছেন। সকাল থেকেই ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। একই ভাবে হুগলির কামারপুকুরের পাশপাশি পঞ্চবটি যোগমায়া আশ্রমে ভিড় বেশ চোখে পড়ার মতো ছিল। এই বছর জনাই পঞ্চবটি যোগমায়া আশ্রমের ৫০ তম বর্ষপূর্তি পালিত হচ্ছে।

    হংসেশ্বরী দক্ষিণা কালী মন্দিরেও ব্যাপক ভিড়

    বেলা যত বেড়েছে ভিড় তত বেড়েছে। হুগলির বাঁশবেড়িয়া হংসেশ্বরী মন্দির প্রায় ২১১ বছরের পুরাতন মন্দির। রাজা নৃসিংহ দেবরায় নির্মাণ করেছিলেন এই মন্দির। দক্ষিণাকালী রূপে মায়ের পূজা করা হয় এখানে। প্রতিবছর কল্পতরুর (Kalpataru Utsav) দিনে জেলা এবং জেলার বাইরের অনেক মানুষ এখানে আরাধনা করতে আসেন। এখানেও লৌকিক বিশ্বাস, যা চাওয়া হয় তাই পাওয়া যায় মায়ের কাছে। তাই প্রতি বছর পুজো দেওয়ার জন্য অনেক লোকসমাগম হয়।  

    বারুইপুরে কল্পতরু উৎসব কয়েক হাজার ভক্তের সমাগম

    আজকের দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav) উপলক্ষে কয়েক হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। মদনহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের মধুবন টগরবেড়িয়া বিশালাক্ষী মায়ের মন্দিরে কল্পতরু উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মন্দিরে পুজোদিলে ভক্তদের মনের বাসনা পূর্ণ হয়। আজ থেকে প্রায় ৬০-৭০ বছর আগে মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সেই সময় ঘন জঙ্গলে ডাকাত থাকত এলাকায়। ডাকাতির পর এই মন্দিরে বসে লুটের মাল ভাগ হত। একই ভাবে ডাকাতির পর অর্জিত ধনের কিছু অংশ মায়ের মন্দিরে অর্পণ করা হত। মন্দিরে ঘোরা ফেরা করত প্রচুর সাপ।

    কবে থেকে চালু কল্পতরু উৎসব?

    ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কল্পতরু উৎসবের (Kalpataru Utsav) সূচনা হয়েছিল। ঠাকুর রামকৃষ্ণ ভক্তদের উদ্দেশে বলেছিলেন ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকে দিনকে স্মরণ করে পালিত হচ্ছে কল্পতরু উৎসব। এদিন ঠাকুর নিজের বিগ্রহে কল্পতরু রূপে বিরাজমান হন। মা কালী ভক্তদের সকল মনস্কামনা পূরণ করে থাকেন। উল্লেখ্য, এই দিনের কিছু মাস পরেই ঠাকুর নিজের দেহ রক্ষা করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sada Bonde: কামারপুকুরের ‘সাদা বোঁদে’ স্বাদে অনন্য, ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় ছিল এই মিষ্টান্ন

    Sada Bonde: কামারপুকুরের ‘সাদা বোঁদে’ স্বাদে অনন্য, ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় ছিল এই মিষ্টান্ন

    হরিহর ঘোষাল

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিষ্টির দোকানে রঙীন বোঁদে দেখে অভ্যস্ত আম বাঙালি। তবে, সাদা বোঁদের চল শুধু কামারপুকুর ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না। কামারপুকুরে ঠাকুর রামকৃষ্ণের জন্মভিটেতে গিয়েছেন আর ঠাকুরের প্রিয় সাদা বোঁদে খাননি, এরকম ভক্ত নেই বললেই চলে। তাই, কামারপুকুরের সাদা বোঁদের (Sada Bonde) জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। 

    সাদা বোঁদের ইতিহাস (Sada Bonde)

    কামারপুকুরের সাদা বোঁদে কে কবে প্রথম প্রস্তুত করেছিলেন তার সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায় না। আদিতে কামারপুকুরে এই সাদা বোঁদে তৈরি করত কয়েকটি হাতে গোনা পরিবার। জানা গিয়েছে, ১৭৯৩-৯৪ সাল নাগাদ কামারপুকুরে সাদা বোঁদে তৈরি করতেন জনৈক মধুসূদন মোদক। অতীতে কামারপুকুরের স্থানীয় চাষিরা বরবটি চাষ করে পাকা বরবটির বীজের জোগান দিতেন। সেই বরবটির বীজ কলাইকে প্রথমে জলে ধুয়ে তারপর রোদে শুকিয়ে নেওয়া হত। এর পর সেই শুকনো কলাইকে পিষে বেসন তৈরি করা হত। কামারপুকুরের সাদা বোঁদের প্রধান উপাদান হল রমা কলাইয়ের বেসন এবং আতপ চালের গুঁড়ো। তার সঙ্গে লাগে গাওয়া ঘি বা বনস্পতি ঘি ও চিনির রস।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    ঠাকুর রামকৃষ্ণ-মা সারদার প্রিয় ছিল সাদা বোঁদে

    রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম ভিটে ছিল কামারপুকুরের মোদক বাড়ির পাশেই। একটি মত অনুসারে, মধুসূদন মোদকের পুত্র দুর্গাদাসের বাল্যবন্ধু ছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ। বালক গদাধর (ঠাকুর রামকৃষ্ণ) তাঁর বন্ধু দুর্গাদাসের বাড়িতে গেলেই সাদা বোঁদে (Sada Bonde) খেতেন। অন্য মতে, গদাধর দুর্গাদাস মোদকের পুত্র সত্যকিঙ্করের দোকান থেকে সাদা বোঁদে কিনে খেতেন। সেই থেকে আজীবন কামারপুকুরের সেই সাদা বোঁদে খেতে খুব ভালোবাসতেন ঠাকুর। রামকৃষ্ণ কথামৃতে কামারপুকুরের সাদা বোঁদের উল্লেখ রয়েছে। কামারপুকুর মঠ ও মিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রামকৃষ্ণ সাদা বোঁদে খেতে ভালবাসতেন, এমন কোনও নথি মিশনের কাছে নেই। তবে, সারদা দেবীর সাদা বোঁদে ভীষণ প্রিয় ছিল। তিনি দুর্গাদাস মোদকের পুত্র সত্যকিঙ্কর মোদকের দোকানের বোঁদে খুব ভালবাসতেন। তিনি ভক্তদের সাদা বোঁদে বা জিলিপি খেতে দিতেন। সেই থেকেই কামারপুকুরের সঙ্গে সাদা বোঁদে আর মোদক পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে। ১৯৪৭ সালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ কামারপুকুরে রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম ভিটে অধিগ্রহণ করে নেন। ক্রমে কামারপুকুর ঠাকুরের ভক্তদের জন্য একটি তীর্থস্থানে পরিণত হয় এবং ভক্তদের মাধ্যমে ঠাকুরের স্নেহধন্য কামারপুকুরের সাদা বোঁদের জনপ্রিয়তা দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

    কীভাবে তৈরি হয় এই মিষ্টি?

    আতপ চাল এবং রমা কলাই আজও ঢেঁকির সাহায্যে গুঁড়ো করা হয়। আগে ঘি দিয়েই তৈরি হত। এখন সেটি সাদা তেলে তৈরি হয়। সেই থেকে একটি মিশ্রণ তৈরি হয়, যাকে খামি বলে। এটিকে ৪৫ মিনিট মতো মিষ্টির রসে ভিজিয়ে রাখা হয়। তাহলেই তৈরি হয়ে যায় সাদা বোঁদে (Sada Bonde)। গরমে ৫-৭ দিন বাইরে রাখলেও এই মিষ্টি নষ্ট হবে না।

    পরমহংসের ভোগে সাদা বোঁদে

    সারা বছর দেশ-বিদেশ থেকে কামারপুকুর-জয়রামবাটিতে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। ভক্তরা ভ্রমণ শেষে এই কামারপুকুরের সাদা বোঁদে (Sada Bonde) সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে যান। তাঁরা মনে করেন, তা না করলে ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কামারপুকুরের বাসিন্দারা সাদা বোঁদে নিয়ে ভীষণ আবেগপ্রবণ। কামারপুকুরের বাসিন্দারা বাড়িতে অতিথি এলে সাদা বোঁদে দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করেন। বিবেকানন্দ মঠে রামকৃষ্ণ পরমহংসের (Ramkrishna Paramhans) ভোগে কামারপুকুরের সাদা বোঁদে দেওয়া হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মিষ্টির খোঁজে ঠাকুরের অনেক ভক্তরাই ছুটে এসেছেন, তার মধ্যে শ্রীম (কথামৃতের লেখক) অন্যতম। এই মিষ্টির চাহিদা এতটাই বেশি, যে মানুষ এসে খালি হাতে ফিরবেন না, এটি নিয়েই যাবেন। এমনকী কামারপুকুরে উৎসব, অনুষ্ঠান, বিয়েবাড়ি সবকিছুতেই এই বোঁদের (Sada Bonde) চাহিদা খুব বেশি।

    বর্তমান অবস্থা

    জানা গিয়েছে, কামারপুকুরে মিষ্টির দোকানের সংখ্যা মোট কুড়িটি। তার মধ্যে তিনটি দোকান রামকৃষ্ণ পরমহংসের সমসাময়িক সত্যকিঙ্কর মোদকের বংশধরদের। দোকানগুলি মঠ চত্বর, লাহা বাজার ও কামারপুকুর চটি এই তিনটি অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রতিটি মিষ্টির দোকানেই এই সাদা বোঁদে পাওয়া যায়। শীতের সময় অর্থাৎ নভেম্বর থেকে মার্চ কামারপুকুরের পর্যটক সংখ্যা সব চেয়ে বেশি হয়। তখন চাহিদা মেটাতে মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারকরা সাদা বোঁদের উৎপাদন বাড়িয়ে দেন। এই সময় প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ টন সাদা বোঁদে (Sada Bonde) তৈরি হয়। বছরের বাকি সময়টা দৈনিক ২-৩ টন সাদা বোঁদে উৎপাদন হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Belur Math: বেলুড়-কামারপুকুরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম, শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৮৯ তম জন্মতিথি পালন

    Belur Math: বেলুড়-কামারপুকুরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম, শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৮৯ তম জন্মতিথি পালন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাসমারোহে আজ বেলুড় মঠে (Belur Math) পালিত হচ্ছে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৮৯ তম জন্মতিথি উৎসব। আজ ভোরে মূল মন্দিরে মঙ্গলারতির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর সন্ন্যাসী ও ভক্তরা খোল-করতাল বাজিয়ে মঠ চত্বরে ঊষা-কীর্তন করেন। আজ দিনভর বেলুড় মঠে রামকৃষ্ণ বন্দনা, কথামৃত পাঠ, ভক্তিগীতি, ধর্মসভা চলবে। দর্শনার্থীদের জন্য ভোগের ব্যবস্থাও থাকছে। একই ভাবে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্ম দিনে ঠাকুরের জন্মস্থান কামারপুকুরে ব্যাপক ভক্তের ঢল দেখা গেল। ঠাকুরের এই আবির্ভাব তিথিকে ঘিরে তিন দিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    ভোর ৪ টে থেকে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু পূজাচার (Belur Math)

    আজ ২৮ ফাল্গুন, মঙ্গলবার ঠাকুর রামকৃষ্ণের পরমহংসের আবির্ভাব তিথি। আজ ভোর ৪ টে থেকেই মঙ্গলারতি, বেদপাঠের মধ্যে দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। এরপর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ শুরু হয়। সেই সঙ্গে বিশেষ চণ্ডী পুজো করা হয়। সকাল সাড়ে ৭ টার সময় কামারপুকুর এলাকায় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিন হাজার হাজার ভক্তরা ঠাকুরের মন্দিরে উপস্থিত হন। নিজের নিজের মনোবাঞ্ছার কথা জানিয়ে ঠাকুরের স্মরণে আসেন প্রচুর ভক্ত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থ্যা করা হয়। একই ভাবে বেলুর মঠেও বিরাট আয়োজন করা হয়। রামকৃষ্ণ সম্পর্কিত বিভিন্ন পুজোপাঠ ভজন কীর্তন করা হয়। রামকৃষ্ণ মঠের পক্ষ থকে আগত ভক্তদের জন্য করা হয় প্রসাদের ব্যবস্থা।

    মঠ অধ্যক্ষের বক্তব্য  

    কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ লোকোত্তরানন্দ বলেন, “আমরা কামার পুকুরের মঠে শ্রী রামকৃষ্ণের (Sri Rama Krishna) ১৮৯ তম জন্মতিথি উৎযাপন করছি। গ্রামবাসী, পড়ুয়া, ভক্তবৃন্দ মিলে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেছে। ধর্মীয় আলোচনা সভা থেকে যাত্রাভিনয়ের আয়োজন করা হয়েছে। তিনদিনের এই মহোৎসবে আশে পাশের স্কুলগুলিকে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। স্থানীয় দুস্থদের বস্ত্র বিতরণ করা হবে।” আবার এক ভক্ত শিখা মিত্র বলেছেন, “কামারপুকুরে এলে ঠাকুরের কাছে মনের কথা বলতে পারি। এখানে আসলে মনের পরিবর্তন হয়। মানসিক শান্তি পাই। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Joyrambati: জয়রামবাটিতে মা সারদার স্মৃতিধন্য মাতৃ মন্দির, ঘুরে আসতে পারেন একদিনেই

    Joyrambati: জয়রামবাটিতে মা সারদার স্মৃতিধন্য মাতৃ মন্দির, ঘুরে আসতে পারেন একদিনেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারপুকুর থেকে মাত্র ৬-৭ কিমি দূরে আর একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক অন্যতম পবিত্র স্থান হল বাঁকুড়া জেলার জয়রামবাটি। এখানেই এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সকলের “মা”, মা সারদামণি। ১৮৫৩ সালের ২২ ডিসেম্বর (মৃত্যু ২০ জুলাই, ১৯২০, উদ্বোধন কার্যালয়, কলকাতা) রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং শ্যামাসুন্দরী দেবীর ঘর আলো করে জন্ম নেন তাঁদের প্রথম সন্তান সারদা মুখোপাধ্যায়। যদিও প্রথমে তাঁর নাম “সারদা” ছিল না। জন্মানোর পর প্রথমে তাঁর নাম রাখা হয়েছিল “ক্ষেমঙ্করী”। পরে সেই নাম পাল্টে “সারদা” রাখা হয়। তাঁর পরের ভাই-বোনদের নাম ছিল যথাক্রমে কাদম্বিনী (বোন), প্রসন্ন কুমার, উমেশ চন্দ্র, কালীকুমার, বরদাপ্রসাদ এবং অভয়চন্দ্র (ভাই)। কথিত আছে, সারদা মায়ের জন্মের (Joyrambati) আগে নাকি তাঁর বাবা এবং মা, দুজনেই দিব্যদর্শনে দেখেছিলেন যে স্বয়ং মহাশক্তি তাঁদের ঘরে তাঁদের কন্যা হয়ে জন্মগ্রহণ করতে চলেছেন।

    মা সারদার স্মৃতিতে মাতৃ মন্দির (Joyrambati)

    শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সঙ্গে সারদামণির বিবাহ হয় সারদার বাল্য বয়সেই। আর তার পর থেকে তিনি প্রত্যেকটি মুহূর্তে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে গেছেন ঠাকুরকে। হয়ে উঠেছিলেন সকলের “মা”। হয়ে উঠেছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্ঘজননী। এই জয়রামবাটিতে মা সারদার স্মৃতিতে গড়ে তোলা হয়েছে মাতৃ মন্দির (Joyrambati)। মন্দিরের শিল্পশৈলীও অপূর্ব। অভ্যন্তরে রয়েছে মা সারদার মর্মর মূর্তি। এই মাতৃ মন্দির দর্শন করে দেখে নিন কাছেই শিহর গ্রামে শান্তিনাথ মহাদেবের মন্দির।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Joyrambati)

    যাতায়াত–কলকাতা থেকে জয়রামবাটির দূরত্ব প্রায় ১১৫-১২০ কিমি। প্রতিদিন বাস যাচ্ছে কলকাতার ধর্মতলার শহিদ মিনার বাসস্ট্যান্ড থেকে। আবার কামারপুকুরের মতোই তারকেশ্বর অবধি ট্রেনে এসে সেখান থেকে বাসেও আসা যায় এই জয়রামবাটি (Joyrambati)। থাকা-খাওয়া–কামারপুকুরের মতোই জয়রামবাটিও সকালে এসে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যায় ফিরে আসা যায় কলকাতায়। আবার বেশিরভাগ মানুষই এক যাত্রায় ঘুরে নেন জয়রামবাটি এবং কামারপুকুর। আর জয়রামবাটিতে থাকতে চাইলে থাকার জন্য রয়েছে মাতৃ মন্দির যাত্রী নিবাস। যোগাযোগ–অধ্যক্ষ, শ্রীমাতৃমন্দির, বাঁকুড়া-৭২২১৬১। এছাড়াও আছে বিবেকানন্দ মিশনের অতিথিশালা। যোগাযোগ–সেক্রেটারি, রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন, ৭  রিভার সাইড রোড, বারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগনা। এছাড়াও এখানে রয়েছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেল ও লজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarpukur: সহস্রদল পদ্মের ওপর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মর্মর মূর্তি! পুজোয় ঘুরে আসুন কামারপুকুর

    Kamarpukur: সহস্রদল পদ্মের ওপর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মর্মর মূর্তি! পুজোয় ঘুরে আসুন কামারপুকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের এক অন্যতম জনপ্রিয় এবং পবিত্র হিন্দু তীর্থস্থান হুগলি জেলা ছোট্ট, সুন্দর এবং গ্রাম্য পরিবেশে অবস্থিত “কামারপুকুর” (Kamarpukur)। শুধুমাত্র ভক্তজনদের নয়, সাধারণ পর্যটকদের কাছেও অন্যতম প্রিয় স্থান এই কামারপুকুর। বিশেষ করে যাঁরা গাছ-গাছালির ছায়ায় ঢাকা সবুজের গালিচায় বসে দু-দণ্ড সময় কাটাতে চান, তাঁদের কাছে এক আদর্শ জায়গা হল এই কামারপুকুর।

    শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মভিটে (Kamarpukur)

    অবশ্য কামারপুকুরের খ্যাতি সম্পূর্ণ অন্য কারণে। এখানে, এই মাটিতেই ১৮৩৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন যুগাবতার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। এখানে রয়েছে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের স্মৃতিতে গড়ে তোলা মন্দির। মন্দিরের অভ্যন্তরে রয়েছে সহস্রদল পদ্মের ওপর বসা শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মর্মর মূর্তি। মন্দিরের শিল্পশৈলীও দেখার মতো। প্রতিদিন ভোর ৪ টের সময় এখানে হয় মঙ্গলারতি। ফাল্গুন মাসে ঠাকুরের আবির্ভাব তিথিতে এখানে বিশেষ পুজো হয়। সেই দিন এখানে এই বিশেষ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। রীতিমতো মেলার চেহারা নেয় সেদিন এই কামারপুকুর। এছাড়াও দেখে নেওয়া যায় রঘুবীর মন্দির, যুগী শিবমন্দির, ঠাকুরের ভিটেবাড়ি, তাঁর ভিক্ষামাতা ধনী কামারনির বাড়ি প্রভৃতি। এখান থেকে সামান্য কিছু দূরে শিহর গ্রামে রয়েছে শ্রী রামকৃষ্ণর নিত্য সহচর ও ভাগ্নে হৃদয়ের বাড়ি। যেতে পারেন প্রায় দেড় কিমি দূরে বিশালাক্ষী মন্দিরটি দর্শন করতেও। আবার ইচ্ছে হলে ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসে বর্ণিত সেই বিখ্যাত “গড় মান্দারণ”ও (Kamarpukur)।

    কীভাবে যাবেন, থাকার কী ব্যবস্থা? (Kamarpukur)

    কলকাতা থেকে কামারপুকুরের দূরত্ব প্রায় ১১০ কিমি। কলকাতার ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাস যাচ্ছে। যেতে সময় লাগে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা। আবার তারকেশ্বর অবধি ট্রেনে এসে সেখান থেকে বাসেও আসা যায় কামারপুকুর। এখানে সকালে এসে সারাদিন ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায় কলকাতায়। আবার কেউ যদি এখানে একটি রাত কাটাতে চান, তবে থাকতে পারেন শ্রী রামকৃষ্ণ মঠের অতিথি নিবাসে। এর জন্য যোগাযোগ করতে হবে এই ঠিকানায়>অধ্যক্ষ, শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ, কামারপুকুর, হুগলি-৭১২৬১২। এছাড়াও আছে দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের অতিথিশালা (ফোন-০৩২১১  ২৪৪৬৬২)। এছাড়াও এখানে রয়েছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেল ও লজ (Kamarpukur)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share