Tag: kamduni

kamduni

  • Suvendu Adhikari: ‘মমতার পুলিশ ধর্ষকদের সুরক্ষা দেয়’, কামদুনি ইস্যুতে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘মমতার পুলিশ ধর্ষকদের সুরক্ষা দেয়’, কামদুনি ইস্যুতে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনি আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিতে মঙ্গলবার মিছিল করল বিজেপির মহিলা মোর্চা। সেই মিছিলে পা মেলালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আদালতের রায়ে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আর বাকি দুজনকে ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের এই রায়ের পরই ফের কামদুনিতে নতুন করে আন্দোলনের আগুন জ্বলতে শুরু করেছে। এমনিতেই এদিন বিজেপির মিছিল হবে বলে আগে থেকে এলাকায় তৃণমূল দলীয় পতাকায় মুড়ে দিয়েছিল। পরে, বিজেপি কর্মীরাও পাল্টা গোটা এলাকা জুড়ে দলীয় পতাকায় মুড়ে দেয়।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কী বললেন শুভেন্দু ? (Suvendu Adhikari)

    এদিন মিছিল থেকেই কামদুনি ইস্যুকে মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘মৌসুমী, টুম্পা বা বাকিদের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়নি। নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছে, যারা ধর্ষক তাদের বাড়ির সামনে পুলিশ পোস্টিং হয়েছে। তাদের বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।  তাদের সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রমাণ হয়ে গেল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, তাঁর পুলিশ ধর্ষকদের সুরক্ষা দেয়। তাই বিজেপির এই মহিলা মোর্চা আজকের এই আন্দোলন নয়, আগেও সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে এখানে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব উপস্থিত ছিল। আজ আমরা হেঁটে গেলাম।’

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘সোমবার আমরা পরিবারের সঙ্গে এবং যাঁরা প্রতিবাদী নারী মৌসুমী-টুম্পার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছি। রাজ্য সরকারের এসএলপির উপর নির্ভর না করে, তাঁরা যদি সুপ্রিম কোর্টে যান, আমরা নিশ্চিত উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে এই ধর্ষকরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে। আমাদের যে বোনটিকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে, তাঁর আত্মা শান্তি পাবে।’

    এদিকে সিআইডি তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে ফের গর্জে উঠেছে কামদুনি। কলকাতা থেকে কামদুনিতে মিছিল। ভিক্টোরিয়া হাউস থেকে গাঁধী মূর্তি পর্যন্ত মিছিলে কামদুনির প্রতিবাদীদের সঙ্গে পা মেলালেন নামমাত্র বিশিষ্ট। দেখা গেল না বেশিরভাগকেই। পতাকা দূরে সরিয়ে হাঁটলেন বাম-কংগ্রেস নেতারাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamduni: কামদুনিকাণ্ডের শেষ দেখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ টুম্পা-মৌসুমীরা, ফের নিশানা রাজ্যকে

    Kamduni: কামদুনিকাণ্ডের শেষ দেখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ টুম্পা-মৌসুমীরা, ফের নিশানা রাজ্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni) লঘু হয়েছিল দোষীদের সাজা। যাদের ফাঁসির হুকুম হয়েছিল, তাদের হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। কয়েকজন আবার বেকসুর খালাসও পেয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল কামদুনি। সেদিনই জানিয়েছিল, হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমী কয়াল।

    রাজ্যকে নিশানা কামদুনির

    সেই মতো বুধবার সকালের বিমানে দিল্লি উড়ে গেলেন টুম্পা, মৌসুমী এবং নির্যাতিতার দুই ভাই। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কামদুনি গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক প্রদীপ মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা সহ মোট ৯ জন। দিল্লির উড়ান ধরার আগে মৌসুমী (Kamduni) বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের পর আমাদের মন ভেঙে গিয়েছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছি। জানি না, আদৌ সঠিক বিচার পাব কি না।” টুম্পা বলেন, “রাজ্য সরকার এখন সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। শুনেছি, কপিল সিব্বলকে আইনজীবী হিসেবে দাঁড় করাবে। এতদিন সরকার কী করছিল? রাজ্য সরকার আইনের ফাঁক তৈরি করেছিল। এখন অপরাধীরা মুক্তি পেয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে দৌড়চ্ছে।” শঙ্কু বলেন, “রাজ্য সরকারের কাছে সুযোগ ছিল অপরাধীরা যাতে ছাড়া না পায়, তা নিশ্চিত করা। কিন্তু তা হয়নি।”

    মামলা লড়ছেন সুষমা স্বরাজের আইনজীবী মেয়ে

    জানা গিয়েছে, টুম্পা, মৌসুমীদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করছেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের আইনজীবী মেয়ে। কামদুনিকাণ্ডে প্রতিবাদীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের গাফিলতিতেই গণধর্ষণ-খুনের মামলায় মুক্তি পেয়েছে সাজাপ্রাপ্তরা। হাইকোর্ট তার রায়ের কপিতে উল্লেখ করেছে, এই অপরাধ পূর্ব পরিকল্পিত এবং ষড়যন্ত্রমাফিক ঘটানো হয়েছে, তা সন্দেহের ঊর্ধ্বে প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে সরকারপক্ষ। ধর্ষণ এবং খুনে সইফুল এবং আনসারের মতো একই উদ্দেশ্য ছিল এনামুল, ভুট্টো, ভোলা এবং আমিন আলির, সরকারের এই যুক্তি নড়বড়ে ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে এবং তা প্রমাণিত একথা বলা যায় না। উল্লেখ্য, কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni) হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে রাজ্য সরকারও। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম পাঠানকোট হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহিদ লতিফ

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে এক কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তার জেরে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Suvendu Adhikari: কামদুনির রায় ‘অপ্রত্যাশিত’, বললেন শুভেন্দু! ‘পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার প্রমাণ’, মত সুকান্তর

    Suvendu Adhikari: কামদুনির রায় ‘অপ্রত্যাশিত’, বললেন শুভেন্দু! ‘পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার প্রমাণ’, মত সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের (Kamduni Gang Rape) মামলায় নির্যাতিতার পরিবারকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কামদুনিকাণ্ডে হাইকোর্টের রায় ‘সামগ্রিকভাবে প্রত্যাশিত নয়’, বলে জানালেন শুভেন্দু। নির্যাতিতার পরিবারের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে নিরাপত্তা দাবি করলেন তিনি।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের একজন নাগরিক হিসাবে এই রায়কে স্বাগত জানানোর কোনও প্রশ্ন নেই। এই রায় অপ্রত্যাশিত। আমি কামদুনির (Kamduni Gang Rape) বোনেদের বলব, রায়ের কপি তুলে তাদের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে তাঁরা যদি রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আইনি বা আর্থিক সাহায্য যদি চান, আমি সম্পূর্ণ তৈরি। অনেক প্রবীণ আইনজীবীর সঙ্গে আমার যোগাযোগ রয়েছে, অনুরোধ করলে তাঁরাও বিনা পারিশ্রমিকে এই মামলা লড়তে পারেন।’’ রাজ্য সরকারের কাছে বিরোধী দলনেতার অনুরোধ,  ‘‘অবিলম্বে নির্যাতিতার পরিবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হোক। কারণ খালাস পেয়ে যাওয়ার পরে এই অপরাধীরা, বোনদের পরিবারের সার্বিক ক্ষতি করবে না, এই গ্য়ারান্টি কেউ দিতে পারে না। তাদের আচরণ কোনও সভ্য, সুস্থ মানুষের মতো নয়।’’

    আরও পড়ুন: সিকিম বিপর্যয়ের পর খোঁজ নেই তথ্য প্রযুক্তি কর্মী সহ তিন বন্ধুর, দুশ্চিন্তায় পরিবার

    সুকান্তর দাবি

    প্রসঙ্গত, কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni Gang Rape) ‘লঘু দণ্ড’ দিয়েছে আদালত, বলে দাবি অভিজ্ঞ মহলের। নিম্ন আদালতে দোষীর ফাঁসির সাজা হয়েছিল, তাকে বেকসুর খালাস করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ফাঁসির বদলে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাকি দু’জনকে। এই রায় প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, বিচারের নামে প্রহসন হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অপরাধীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ আদালতে পেশ করা পুলিশের কাজ। তা ঠিকমতো হয়নি। মহিলা মোর্চার তরফে আন্দোলনে নামার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার চিন্তাভাবনার কথাও শোনান সুকান্ত।

    রায় নিয়ে বিরোধীদের মত 

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের বক্তব্য, দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তিই অনেকে চেয়েছিলেন। ফলে এই রায়ে সকলে খুশি হবেন না। শঙ্কর ঘোষ বলেন, “আদালতের রায় যেহেতু, এ নিয়ে কিছু না বলে শুধু বলতে চাই বিচার প্রক্রিয়া বিশেষ করে পুলিশি তদন্তের ক্ষেত্রে কোনও সক্রিয়তার অভাব রয়ে গিয়েছিল কি? যার কারণে আজকে এই ধরনের নৃশংস অপরাধ সংগঠিত করার পরও কেউ কেউ খালাস হচ্ছে? এটা মানুষের মনে নিশ্চিতভাবে প্রশ্ন তুলবে।”

    আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কথায়, “পুলিশের এক প্রকার নিষ্ক্রিয়তার কারণেই এই রায়টা হল। তৃণমূল যে অভিযুক্তদের পক্ষে মিছিল করেছে, পুলিশের কি আর সাহস হবে তাদের বিরুদ্ধেই ঠিকমতো চার্জশিট গঠন করার, প্রমাণ ঠিকমতো দাখিল করার। পুলিশের ভিতরে ঢুকলে অনেক কিছুই বোঝা যায়। আমি তো ৪২ দিন জেলে ছিলাম। লকআপে থেকে অনেক জ্ঞানই অর্জন করেছি। পুলিশ চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে।”

    বিস্ফোরক মৌসুমি-টুম্পা

    টুম্পা কয়াল বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত ১৪ জন আইনজীবী আমাদের মামলা থেকে সরে গিয়েছেন। তখনই আমরা আন্দাজ করেছিলাম এমন কিছু হবে। সরকার আমাদের কথা দিয়েছিল যে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। একদিকে সরকার আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, অন্যদিকে দোষীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। কারণ সরকারি আইনজীবী একের পর এক টাকা নিয়ে তাঁরা বিক্রি হয়ে গিয়েছেন।’

    চিৎকার করে মৌসুমী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি শুনতে পাচ্ছেন, আপনিই কামদুনি গিয়ে বলেছিলেন, ১৫ দিনে চার্জশিট আর ৩০ দিনে সাজা ঘোষণা, সরকারি উকিল এই মামলা লড়বে! রেপ কেসকে আপনি দরদাম করেছিলেন! কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে আপনার সেই রেটের দামের মূল্য আজকে দিতে হল! সরকারি উকিল, পুলিশ প্রশাসন সব টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গেছে। বিচার দিতে পারলেন না আপনি!”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share