Tag: kapil sibal

kapil sibal

  • RTI Activist Amit Tiwari: সিজেপি-র অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি, অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে পড়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন আরটিআই কর্মীর

    RTI Activist Amit Tiwari: সিজেপি-র অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি, অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে পড়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন আরটিআই কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে (Abhijeet Dipke) এবং দলের অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন সুরাটের এক আরটিআই কর্মী (RTI Activist Amit Tiwari)। একই সঙ্গে অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার খরচ কীভাবে বহন করা হয়েছিল? তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, দলের আইনি অবস্থান এবং সম্প্রতি ঘোষিত ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    বিদেশে পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন

    সুরাটের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারির (RTI Activist Amit Tiwari) দাবি, “অভিজিৎ ডিপকের (Abhijeet Dipke) বাবা ভগবানরাও ডিপকে মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। পরিবারের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার ব্যয় সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না? তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।পরিবারের ঘোষিত আর্থিক অবস্থার সঙ্গে বিদেশে পড়াশোনার খরচের উৎস মিলিয়ে দেখা হোক।”

    সিজেপি-র আইনি মর্যাদা যাচাইয়ের দাবি

    অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari) নির্বাচন কমিশনের কাছেও একটি আবেদন করেছেন। EC-র কাছে তাঁর দাবি, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) আদৌ নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত বা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কি না? যদি দলটি নিবন্ধিত না হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কার্যকলাপ চালানো এবং অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারার উল্লেখ করে কমিশনের হস্তক্ষেপও চেয়েছেন আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari)। পাশাপাশি, শুধু দল বা প্রতিষ্ঠাতার আর্থিক বিষয় নয়, সম্প্রতি ঘোষিত ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড নিয়েও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari)। আয়কর দফতর এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC)-এর কাছে তাঁর আবেদন, এই তহবিলের অর্থের উৎস এবং এর উপর পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) প্রযোজ্য কি না? তা খতিয়ে দেখা হোক। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে প্রবীণ আইনজীবী ও রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল সিজেপি-র গঠিত একটি লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ডে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেন। এই তহবিলের উদ্দেশ্য, দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনকারী বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তা দেওয়া।

    এখনও চুপ সিজেপি

    আরটিআই কর্মীর (RTI Activist Amit Tiwari) আবেদনে সিজেপি-র অর্থের উৎস, দলের আইনি বৈধতা, লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড এবং প্রতিষ্ঠাতার বিদেশে পড়াশোনার ব্যয়ের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হলেও, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, আয়কর দফতর, সিবিআইসি বা অন্য কোনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনও প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। একইভাবে, অভিজিৎ ডিপকে (Abhijeet Dipke), তাঁর পরিবার বা ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) পক্ষ থেকেও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও কোনও প্রকাশ্য বক্তব্য সামনে আসেনি।

  • Jagdeep Dhankhar: আরজি করকাণ্ডে সিব্বলকে নিশানা ধনখড়ের, কী বললেন জানেন?

    Jagdeep Dhankhar: আরজি করকাণ্ডে সিব্বলকে নিশানা ধনখড়ের, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা মানবতাকে লঙ্ঘিত করেছে। কিছু বিচ্ছিন্ন কণ্ঠ এই যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।” কথাগুলি বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। ধনখড় এক সময় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন। তাই শহর (RG Kar Incident) কলকাতা এবং এ রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ তাঁর চেনা।

    সিব্বলকে আক্রমণ (Jagdeep Dhankhar)

    উপরাষ্ট্রপতির নিশানায় যিনি, তিনি প্রবীণ আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল। সিব্বল সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের হয়ে ধর্ষণ হত্যা মামলা লড়ছেন তিনি। এদিনের আগেও একবার ধনখড়ের চাঁদমারি ছিলেন সিব্বল। এক জনসভায় উপরাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, “সুপ্রিম কোর্টের বারের একজন সদস্য ও সংসদেরও একজন সদস্য বলছেন যে কলকাতার ঘটনা একটি লক্ষণীয় ব্যাধি। এমন ঘটনা সাধারণত ঘটে থাকে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।”

    কী বললেন ধনখড়?

    রবিবার এইমস হৃষিকেশের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনখড় বলেন, “কলকাতার ঘটনার মতো ঘটনাগুলি সমগ্র সভ্যতাকে লজ্জায় ফেলে দেয়।” এর পরেই উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “যখন মানবতা লজ্জিত হয়েছে, তখন কিছু বিচ্ছিন্ন কণ্ঠস্বর ওঠে। এই কণ্ঠস্বর উদ্বেগের কারণ হয়। তারা কেবল আমাদের অসহনীয় যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তারা আমাদের আহত বিবেকের ওপর নুনের ছিটে দিচ্ছে।” তারা বলে, “এটি একটি লক্ষনীয় অসুস্থতা, আকছার ঘটে এমন ঘটনা। যখন এমন মন্তব্য কারও কাছ থেকে আসে, যিনি একজন সাংসদ, একজন প্রবীণ আইনজীবী, তখন দোষের মাত্রা অত্যন্ত গুরুতর।”

    আরও পড়ুন: আর নমাজ বিরতি পাবেন না অসমের মুসলমান বিধায়করা, কেন জানেন?

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এই ধরনের শয়তানি চিন্তার কোনও অজুহাত হতে পারে না। আমি এমন ভুল পথে হাঁটা আত্মাগুলিকে তাদের চিন্তাভাবনা পর্যালোচনা করার এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানাই।” তিনি (Jagdeep Dhankhar) বলেন, “এটা এমন একটা মুহূর্ত নয়, যেখানে আপনাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। এই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ একটি বিপজ্জনক। এটি আপনার পক্ষপাতিত্বকে হত্যা করে।”

    কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন উপরাষ্ট্রপতি। বলেন, “একজন চিকিৎসক নিজেকে ঈশ্বরের পর্যায়ে রূপান্তরিত করতে পারেন না। তিনি কেবল একটি সীমা পর্যন্ত সাহায্য করতে পারেন। তিনি ঈশ্বরের নিকটস্থ।” ধনখড় বলেন, “চিকিৎসক, নার্স, কম্পাউন্ডার ও স্বাস্থ্যযোদ্ধাদের নিরাপত্তা অটুটভাবে (RG Kar Incident) সুরক্ষিত রাখা উচিত (Jagdeep Dhankhar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar: আরজি করের ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর অভিযোগ, সিব্বলের বিরুদ্ধে খেপে লাল আইনজীবীরা

    RG Kar: আরজি করের ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর অভিযোগ, সিব্বলের বিরুদ্ধে খেপে লাল আইনজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানি চলছে দেশের শীর্ষ আদালতে। এই মামলায় রাজ্য সরকারের তরফে সওয়াল করছেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। গুরুত্বপূর্ণ এই মামলাতে এবার আইনজীবীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল সিব্বলকে (Kapil Sibal)। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিব্বল এবার অনাস্থার মুখোমুখিও হতে পারেন, এমনটাই মনে করছেন কেউ কেউ। তাঁকে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। কারণ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের লেটার হেড ব্যবহার করে তিনি নিজের ব্যক্তিগত মন্তব্য লিখেছেন বলে অভিযোগ। আরজি কর কাণ্ডকে (RG Kar) ছোট ঘটনা হিসেবে দেখানোর অভিযোগও উঠেছে সিব্বলের বিরুদ্ধে।

    একতরফা এই বিবৃতি প্রকাশ করেছেন সিব্বল (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, গত ২১ অগাস্ট আরজি করের ঘটনা নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন সিব্বল। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সেই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্ট যে পদক্ষেপ করেছে, তা ঐতিহাসিক। তাঁর আরও মত হল, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে যা হয়েছে, তা অস্থির পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। সব শেষে তিনি লিখেছেন, ‘সিবিআই ঘটনার তদন্ত করছে। আশা করি ন্যায়বিচার পাবেন নির্যাতিতা। শাস্তি হবে অভিযুক্তের।’ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীদের অভিযোগ, আরজি করের ঘটনা নিয়ে কোনও সদস্যের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই একতরফা এই বিবৃতি প্রকাশ করেছেন সিব্বল। বার অ্যাসোসিয়েশনের লেটার হেড ব্যবহার করে কেন তিনি নিজের বক্তব্য প্রকাশ করলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    ক্ষমা চাইতে হবে কপিল সিব্বলকে, দাবি আইনজীবীদের

    আইনজীবীদের দাবি, সিব্বলের (Kapil Sibal) ওই বিবৃতিতে আরজি করের (RG Kar) ধর্ষণকাণ্ডকে দেশের অন্যান্য প্রান্তের নারী নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে একই সরলরেখায় রাখা হয়েছে। আইনজীবীদের একাংশের আরও বক্তব্য, আরজি কর কাণ্ড শুধুমাত্র চিকিৎসকদের উদ্বেগের বিষয় নয়, দেশের প্রতিটি বাবা-মা, এমনকী বার অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যেরও উদ্বেগের কারণ। কিন্তু সিব্বলের এই বিবৃতি সেই ঘটনাকে ছোট করেছে বলেই মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। একাধিক প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে সিব্বলের অবস্থান নিয়ে। এই মামলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী হিসেবে লড়ছেন সিব্বল, অন্যদিকে বিবৃতি দিয়ে অভিযুক্তের শাস্তির দাবিও জানাচ্ছেন তিনি। এতে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি তথা বিশিষ্ট আইনজীবী ড. আদিশ সি আগরওয়াল ইতিমধ্যে এক লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিব্বলকে তাঁর বিবৃতি প্রত্যাহার করতে হবে ও বারের সব সদস্যের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে সিব্বলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: সুপ্রিম-শুনানিতে আরজি করকাণ্ডে উঠে এল এক মহিলার নাম! কে তিনি?

    RG Kar Rape-Murder: সুপ্রিম-শুনানিতে আরজি করকাণ্ডে উঠে এল এক মহিলার নাম! কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর আসল কারণ ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) থেকে হাইকোর্টে একাধিক প্রশ্নে রাজ্য সরকার কাঠগড়ায়। হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকাও বিচারকেদের ক্ষোভের মুখে পড়েছে। ঠিক এর মধ্যেই শীর্ষ আদালতের শুনানিতেই উঠে এসেছে এক মহিলার নাম। কে এই মহিলা?

    বিচারপতির ঠিক প্রশ্ন কী ছিল (RG Kar Rape-Murder)?

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি চলাকালীন আইনজীবী কপিল সিব্বলকে বিচারপতি পার্দিওয়ালা প্রশ্ন করেন, “কে এই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার (RG Kar Rape-Murder)? তিনি মহিলা না পুরুষ?” জবাবে আইনজীবী বলেন, “তিনি একজন মহিলা।” আবার বিচারপতি বলেন, “তাঁর আচরণ অত্যন্ত সন্দেহজনক। তিনি কেন এরকম আচরণ করলেন? সন্দেহ শুধু একটা বিষয়ে নয়, ময়নাতদন্ত হওয়ার পর কেন ইউডি কেস বা অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করা হল? অস্বাভাবিক মৃত্যু না হলে ময়নাতদন্ত করলেন কেন?” উল্লেখ্য যাঁর সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট একথা বলেছে, তাঁর পক্ষে থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। কোন আচরণ ছিল তাও স্পষ্ট হয়নি। যদিও সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট দেখে বিচারপতি ওই প্রশ্ন করেছিলেন।

    আত্মহত্যার তত্ত্ব দেওয়া হয়েছিল

    মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যু (RG Kar Rape-Murder) নিয়ে প্রথমে যে আত্মহত্যার তত্ত্ব দিয়েছিলেন তিনি আর কেউ নন এই আরজি করের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। ৯ অগাস্ট তিনি নির্যাতিতার বাড়িতে প্রথমে ফোন করে বলেছিলেন যে, তাঁদের মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। এই সংবাদ শুনে মৃতার মা-বাবা হাসপাতলে ছুটে যান। ফলে প্রশ্ন উঠছে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনাকে কীভাবে বললেন আত্মহত্যা! একই কথা সুপ্রিম কোর্টে শুনানির দিনেও উঠেছিল। তবে অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের নাম জানা যায়নি, শুধু পদ জানা গিয়েছেন এবং তিনি একজন মহিলা। মৃতার বাবা জানিয়েছেন, আরজি কর থেকে প্রথম ফোন ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারই করেছিলেন। যদিও হাসপাতালে ৪-৫ জন রয়েছেন এই পদে। ফলে কে ফোন করেছিলেন সেই নাম এখনও সমানে আসেনি।

    আরও পড়ুনঃ প্রতিবেশী পার্থ-বালু, প্রেসিডেন্সি জেলের ‘পহেলা বাইশ’ সেলে ধৃত সঞ্জয়

    এফআইআর দেরিতে কেন?

    রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বলের পেশ করা নথি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, একটি মুখবন্ধ খামে এমএসভিপি সঞ্জয় বশিষ্ঠ টালা থানাকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিভাগীয় চিকিৎসক সুমিত রায় তপাদারকে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের পিজিটির দেহ (RG Kar Rape-Murder) উদ্ধারের কথা তিনি জানিয়েছিলেন। প্রশ্ন হল সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ঘটনার কথা জানার পর দুপুর ২টো ৪৫ মিনিটে এফআইআর করার জন্য কেন আবেদন করা হল? এখানেই বড় প্রশ্ন। আবার ময়নাতদন্ত হয় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে ৭টা ১০ মিনিটের মধ্যে। রিপোর্ট অফিসিয়ালি আপলোড করা হয় রাত ১০টা ২৫ মিনিটে। আর এফআইআর হয় রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে। ফলে এতো সময় কেন বিলম্ব হল, এটাও একটা বড় প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share