Tag: Karan Adani

  • Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের শিল্পখরা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গ কি ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে? রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল বিভিন্ন মহলে। এবার সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্তা করণ আদানির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

    নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

    বুধবার রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন করণ আদানি। তিনি ভারতের বৃহত্তম বন্দর ও লজিস্টিক্স সংস্থা ‘আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ (APSEZ)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং আদানি গোষ্ঠীর পরিকাঠামো ও বন্দর ব্যবসার অন্যতম প্রধান মুখ। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ক্ষেত্র, লজিস্টিক্স হাব নির্মাণ, গ্রিনফিল্ড সড়ক প্রকল্প এবং সম্ভাব্য বৃহৎ বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    শিল্পবান্ধব বার্তা দিতে চায় নতুন সরকার

    রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই নতুন প্রশাসন শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থা, সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে সড়ক ও লজিস্টিক্স নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদানি গোষ্ঠী আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ?

    ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পশ্চিমবঙ্গের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। উত্তর-পূর্ব ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে রাজ্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বৃহৎ লজিস্টিক্স ও ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে আদানি গোষ্ঠী আগ্রহী বলে সূত্রের খবর। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তাজপুর বন্দরের তিক্ত অভিজ্ঞতা

    তবে এই সম্ভাবনার আলোচনার পাশাপাশি উঠে আসছে অতীতের কিছু ব্যর্থতার কথাও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পকে ঘিরে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। মনে করা হয়েছিল, বন্দরটি চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থান এবং শিল্পোন্নয়নের পথ খুলবে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক জটিলতা এবং নীতিগত সমস্যার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত টেন্ডার বাতিল হয়ে যায় এবং আদানি গোষ্ঠী তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই ঘটনা রাজ্যের শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তির উপরও প্রভাব ফেলেছিল।

    বদলেছে পরিস্থিতি?

    অর্থনৈতিক ও শিল্পমহলের একাংশের মতে, বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। নতুন সরকারের অধীনে শিল্প ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই কারণেই অতীতের তিক্ততা ভুলে আদানি গোষ্ঠী আবারও পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে মনে করা হচ্ছে। করণ আদানির এই সফর ও বৈঠক সেই বার্তাই দিচ্ছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

    কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাবের সম্ভাবনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দর, বিদ্যুৎ, সড়ক এবং লজিস্টিক্সের মতো কোর সেক্টরে বৃহৎ বিনিয়োগ এলে রাজ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর ফলে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতিও গতি পেতে পারে। শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকেই বর্তমানে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে রাজ্য সরকার।

    অন্য শিল্পগোষ্ঠীর কাছেও ইতিবাচক বার্তা

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আদানি গোষ্ঠীর মতো বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থা যদি পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায়, তবে তা দেশের অন্যান্য শিল্পপতিদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে। অতীতে বিভিন্ন কারণে বাংলায় বিনিয়োগ থেকে দূরে থাকা বহু সংস্থাও নতুন করে রাজ্যের দিকে নজর দিতে পারে। এর ফলে বৃহত্তর শিল্পায়নের পথ আরও প্রশস্ত হতে পারে।

    এখন নজর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে

    শুভেন্দু অধিকারী ও করণ আদানির বৈঠককে অনেকেই নতুন শিল্প-সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রকল্প, বিনিয়োগের অঙ্ক বা সময়সীমা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তাই এখন শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের নজর আগামী দিনের দিকে। এই বৈঠক কি সত্যিই পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে, নাকি তা কেবল সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে— সেই উত্তরই সময় দেবে।

     

  • Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ‘ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডসে’ ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন করণ আদানি (Karan Adani)। পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড লিমিটেড এবং আদানি সিমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণকে (Aima Awards) এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এআইএমএ) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে।

    সম্মান প্রদান (Karan Adani)

    নয়াদিল্লির তাজ প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত এআইএমএর প্লাটিনাম জয়ন্তী উদ্‌যাপনের সময় এই সম্মান প্রদান করা হয়। এদিন সংস্থাটির ৭০তম প্রতিষ্ঠা দিবস এবং ২০তম ন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট ডে পালিত হয়। এই ব্যবসায়ী তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কারটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “এই পুরস্কারে আমি সত্যিই অভিভূত। আমি এটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উৎসর্গ করছি। তাঁরা দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করছেন। এটি আসলে তাদেরই পুরস্কার।”

    কী বললেন করণ

    করণ আদানি এও বলেন, “আমি আমার বাবাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি প্রতিদিন তাঁর কাছ থেকে শিখি। তাঁকে প্রতিদিন কাজ করতে দেখা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আমার মাকেও ধন্যবাদ, তাঁর কাছ থেকে আমি সহমর্মিতা ও সততা শিখেছি। আমার তিন ভাইকেও ধন্যবাদ—আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং বাবার উত্তরাধিকার এগিয়ে নিয়ে যাব। আমার স্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি সব সময় আমাকে সমর্থন করেন এবং এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন। আর আমার মেয়েকে ধন্যবাদ, যে আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করছে।”

    কে, কোন পুরস্কার পেলেন

    এই অনুষ্ঠানে শিল্পপতি, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের দূরদর্শীরা একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ভারতের অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। করণ আদানির পুরস্কারের উদ্ধৃতি পাঠ করেন কিরলস্কর ব্রাদার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় কিরলস্কর (Aima Awards)। ২০১০ সালে চালু হওয়া ‘এআইএমএ ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ব্যবসা’, মিডিয়া, শিল্পকলা ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎকর্ষকে পুরস্কার দেয়(Karan Adani)। করণ ছাড়াও অন্যান্য যাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁরা হলেন, রোপেন ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও অরবিন্দ সাংকা, সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবন গুণ্টুপল্লি এবং এসআর ঋষিকেশ। এঁরা পেয়েছেন এন্টারপ্রেনার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার। ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন ‘সাইয়ারা’র পরিচালক মোহিত সূরি। আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন টু জার্নালিজম পুরস্কার পেয়েছেন এনডিটিভির সিইও তথা এডিটর-ইন-চিফ রাহুল কানওয়াল।

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের কর্তাকে। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন পরিচালক (অপারেশনস) হরিকৃষ্ণন এস। ট্রান্সফরমেশনাল বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডের এমডি তথা সিইও ভি বৈদ্যনাথন। ইয়াং বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন  অনন্যা বিড়লা। তিনি স্বতন্ত্রা মাইক্রোফিন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, বিড়লা কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা এমডি, আদিত্য বিড়লা ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক (Karan Adani)। এআইএমএ এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সুনীল কান্ত মুঞ্জাল, চেয়ারম্যান, হিরো এন্টারপ্রাইজ (Aima Awards)। এমএনসি ইন ইন্ডিয়া অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মাইক্রন টেকনোলজি অপারেশনস ইন্ডিয়া এলএলপি। পুরস্কার নেন সঞ্জয় মেহরোত্রা, চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও সিইও, মাইক্রন টেকনোলজি। ইন্ডিয়ান এমএনসি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয় মাদারসন গ্রুপকে। তাদের পক্ষে পুরস্কার নেন চেয়ারম্যান বিবেক চাঁদ সেহগল।

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন টু মিডিয়া পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বেনেট কোলম্যান অ্যান্ড কোং লিমিটেড কর্তা বিনীত জৈনকে। লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে মারিকো লিমিটেডের চেয়ারম্যান হর্ষ মারিওয়ালাকে বিজনেস লিডার অব দ্য ডিকেড পুরস্কার পেয়েছেন ভারতী এন্টারপ্রাইজেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তল। প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর এই পুরস্কার ব্যবসা, চলচ্চিত্র, ক্রীড়া (Aima Awards) ও গণমাধ্যম জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করে আসছে (Karan Adani)।

     

LinkedIn
Share