Tag: Karar Oi Louho Kapat

Karar Oi Louho Kapat

  • Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজি নজরুল ইসলামের “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটিকে বিনির্মাণ করতে গিয়ে বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছেন সঙ্গীত পরিচালক এআর রহমান। এমনই অভিযোগ শিল্পীমহলের একটা বড় অংশের। গানটির প্রচলিত সুর বদলে দেওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে এপার-ওপার বাংলায়। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন নজরুলের জন্মভিটে চুরুলিয়ার বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফুঁসছেন কবি পরিবারের সদস্যরাও।

    ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    এহেন আবহে গানটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে জল ঢালতে উদ্যোগী হলেন ছবিটির অন্যতম প্রযোজক সিদ্ধার্থ রয় কপূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, “এই গানকে (Karar Oi Louho Kapat) ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানে প্রযোজক, পরিচালক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আমরা নজরুল পরিবারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় স্বত্ব নেওয়ার পরেই শিল্পের খাতিরে গানটিকে তৈরি করেছি।” ছবি নির্মাতাদের তরফে লেখা হয়েছে, নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। নজরুলের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজি ও তাঁর পুত্র কাজি অনির্বাণের কাছ থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে এই গানের স্বত্ব নেওয়া হয়েছিল।”

    ‘নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে’

    যদিও সংবাদ মাধ্যমকে অনির্বাণ জানিয়েছিলেন, গানের কথা ব্যবহার করা হলেও, সুর বদলানো যাবে না এই মর্মেই ছবি নির্মাতাদের স্বত্ব দিয়েছিলেন তাঁরা। বিবৃতি জারি করে নির্মাতারা জানিয়েছেন, গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে শ্রদ্ধা জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। গানের কথা ব্যবহার ও সুরের পরিবর্তন করা হয়েছে চুক্তি অনুযায়ী। নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। এই অ্যালবামটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়া হাজার হাজার মানুষের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য।  

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমরা মূল গানটিকে ঘিরে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান করি। শিল্প যেহেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল, তাই সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারও আবেগে আঘাত করে থাকে, তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।” “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটির সুর বিকৃত করার প্রতিবাদে সোমবার সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে নজরুল মঞ্চের টিকিট কাউন্টারের সামনে জমায়েত করেছিল হেরিটেজ বেঙ্গল নামে একটি সংস্থা। নজরুলের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে প্রতিবাদ জানান প্রচুর মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Karar Oi Louho Kapat: নজরুলের জনপ্রিয় গানের সুর বিকৃতি, রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কবির জন্মভিটেয়ও

    Karar Oi Louho Kapat: নজরুলের জনপ্রিয় গানের সুর বিকৃতি, রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কবির জন্মভিটেয়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে সঙ্গীত (Karar Oi Louho Kapat) পরিচালক এআর রহমানের বিরুদ্ধে। প্রথমে রহমানের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন সঙ্গীত শিল্পীদের একটা বড় অংশ। এবার রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন নজরুলের ইসলামের জন্মভিটা চুরুলিয়ার বাসিন্দারা। অবিলম্বে গানটি সরিয়ে নেওয়া না হলে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কবি পরিবারের সদস্যরাও। তাঁদের দাবি, ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটির সুর বিকৃত করে বেআইনি কাজ করেছেন রহমান।

    চুরুলিয়াবাসীর ক্ষোভ 

    চুরুলিয়ায় জন্মেছিলেন কাজি নজরুল ইসলাম। তাঁর মৃত্যুর পর চুরুলিয়ায় গড়ে ওঠে নজরুল অ্যাকাডেমি ও নজরুল গবেষণাগার। এখানেই সংরক্ষিত রয়েছে কবি রচিত বহু গানের পাণ্ডুলিপি, তানপুরা, গ্রামোফোন সহ নানা স্মৃতি। এই অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা কবির ভ্রাতুষ্পুত্র কাজি রেজাউল করিম। তিনি বলেন, “প্রায় একশো বছর আগে লেখা যে গান শুনলে আজও গায়ে কাঁটা দেয় আপামর দেশবাসীর, যে গান শুনলে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলি চোখের সামনে তরতাজা হয়ে ওঠে, সেই গানের সুরটাই বদলে দিয়েছেন এআর রহমান। এই ঘটনা দুঃখজনক। আগুন নিয়ে খেলা করছেন রহমান সাহেব।”

    প্রতিক্রিয়া কবির নাতনির

    নজরুল অ্যাকাডেমির সদস্য কবির নাতনি সোনালি কাজি। তিনি বলেন, “এই কাজটি করার আগে কারও সঙ্গে কথা বলেছিলেন উনি (রহমান)? অতীতে যখন মহম্মদ রফি ও অনুপ জলোটা কাজি নজরুল ইসলামের গান গেয়েছিলেন, তখনও মূল সুর পরিবর্তন হয়নি। তাই কোনও বিতর্ক হয়নি। আপামর বাঙালি সেই গান মেনে নিয়েছেন ও জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। কিন্তু রহমান সাহেব যেটা (Karar Oi Louho Kapat) করেছেন, তা অনৈতিক ও বেআইনি। বহু দিন আগের একটা গান কোন অধিকারে উনি বদলে দিতে পারেন, এটাই আমাদের সব চেয়ে বড় প্রশ্ন।”

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি ও শ্যালক ছিলেন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে

    নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি। সে দেশের নজরুল ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, “ভারতের এক বিখ্যাত সুরকার খুবই দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। এতে কাজি নজরুলের অসম্মান হয়েছে। গানটি যাতে প্রচার না পায়, তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।” বাংলাদেশের নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ও গবেষকরা জানান, বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেরও সম্পদ। তাই দুই দেশকে এক হয়ে শিল্প-সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে কাজ করার উদ্যোগ নিতে হবে (Karar Oi Louho Kapat)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share