Tag: karimpur

karimpur

  • Mohua Moitra: কৃষ্ণনগরের পর করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই

    Mohua Moitra: কৃষ্ণনগরের পর করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। এরপরই শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহুয়া মৈত্রের কলকাতার বাড়ি, কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসে সিবিআই টিম হানা দেয়। আর সবশেষে করিমপুরের বাড়িতেও যায় সিবিআই। আর দিনভর তল্লাশির মধ্যে সিবিআই আধিকারিকরা তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়েন।

    কৃষ্ণনগরে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন সিবিআই

    কৃষ্ণনগরের আগে সিবিআইয়ের একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। জানা যাচ্ছে, সেখানে ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার (Mahua Moitra) বাবা দীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দেয়। এরপরই কৃষ্ণনগরে আসে সিবিআইয়ের একটি টিম। ওই মামলাতেই তৃণমূল প্রার্থীর আলিপুরের বাসস্থানের পর এবার কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রর বাসস্থানে হানা দেয় সিবিআই। পরে, নির্বাচনী কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় তারা। সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগরের সিদ্ধেশ্বরী তলায় যেখানে মহুয়া থাকেন সেখানে এসেছেন সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল হানা দিয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন ৮ থেকে ১০ জন জওয়ান। প্রায় দুঘণ্টা তল্লাশির পর সিবিআই আধিকারিকরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখান। সিবিআই আধিকারিকদের দেখে “জয় বাংলা” স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: হোলিতে গরম বাড়বে ৯ রাজ্যে, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    করিমপুরে মহুয়ার (Mahua Moitra) বাড়িতে সিবিআই!

    কৃষ্ণনগরের পর থেকে সিবিআই টিম সোজা করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে যায়। রাত ৯টা নাগাদ সেখানে সিবিআই আধিকারিকরা পৌঁছান। সেখানেও তাঁরা তল্লাশি চালান। তবে, সেখানে কী নথিপত্র পেয়েছে সেই বিষয়ে সিবিআই আধিকারিকরা কিছু বলতে চাননি। সিবিআই অভিযান চালানো প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়ার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, মূলত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে দলীয় প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এই তদন্ত চালাচ্ছে। বিজেপি যত এসব করবে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক তত আরও বেশি বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Sarkar: ‘রাজ্যের জন্য থমকে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ”, বললেন জগন্নাথ সরকার

    Jagannath Sarkar: ‘রাজ্যের জন্য থমকে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ”, বললেন জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করলেই নদিয়ার  কৃষ্ণনগর- করিমপুর এবং কৃষ্ণনগর- নবদ্বীপ ঘাট রেল পরিষেবার জন্য রেল  লাইন বসানোর দ্রুতগতিতে শুরু হবে। এই প্রকল্পের জন্য রেলের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ মজুত রয়েছে। মঙ্গলবার রানাঘাট স্টেশনে এক ‘স্টেশন এক পণ্য’ স্টল উদ্বোধন করতে এসে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)।

    এক স্টেশন এক পণ্য প্রকল্প চালু

     রেল দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল দফতর তরফে গোটা দেশজুড়ে প্রতিটি স্টেশনে শুরু হতে চলেছে ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ । সেখান থেকে যাবতীয় সুবিধা পাবে নিত্যযাত্রীরা। শুধু তাই নয় শারীরিক সমস্যা দেখা গেলে জরুরি পরিস্থিতিতে যে সমস্ত ওষুধের প্রয়োজন সেগুলো সেই স্থল থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন যাত্রীরা। গোটা দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। এদিন নদিয়ার রানাঘাট স্টেশনে সেই স্টল এবং ঠান্ডা পানীয় জলের কল উদ্বোধন করলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)। উপস্থিত ছিলেন রানাঘাটের বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায় সহ রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে জগন্নাথ সরকার ওই স্টল থেকে যাত্রীদের আরো উৎসাহ বাড়াতে নিজেই দুটি তাঁতের শাড়ি সংগ্রহ করেন। এরপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি যাত্রীরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি যারা স্টল খুলবেন তারাও উপকৃত হবেন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি

    রাজ্য সরকারের জন্য ঝুলে রয়েছে করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ (Jagannath Sarkar)

    কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর রেল পরিষেবা চালু করা প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar) বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিতে বসে রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। করিমপুর পর্যন্ত যে রেললাইন চালু করার কথা তার অনুমোদন হয়ে আছে। রাজ্য সরকার যদি জমি অধিগ্রহণ করে দেয় তাহলে দ্রুতগতিতে কাজ শুরু হবে। ফলে, জমি জটের কারণে এই প্রকল্পের কাজ করা যাচ্ছে না। রেল দফতর সবরকমভাবে প্রস্তুত রয়েছে। আসলে রাজ্য সরকারের জন্য থমকে রয়েছে কৃষ্ণনগর- করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, এই জমি জটের কারণেই নবদ্বীপ ঘাট পর্যন্ত এখনও রেল পরিষেবা চালু করা গেল না। তবে, রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পেলেই রেল দফতর কাজ শুরু করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এক ব্যবসায়ীকে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর থানার গোপালপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দুলাল বিশ্বাস (৬০)। তিনি তেহট্ট উত্তর এরিয়া কমিটির গোপালপুর শাখার সদস্য ছিলেন। প্রকাশ্যে এভাবে ব্যবসায়ীকে খুন করার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে পুলিশের টহলদারি গাড়ি থাকে। রাস্তার মধ্যে এভাবে একজনকে খুন করে দিয়ে চলে গেল পুলিশ টের পর্যন্ত পেল না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলালবাবু সুদের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন পাওনা টাকা আদায় করে বাড়ি ফিরতেন। অন্যদিনের মতো রবিবারও তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপরই রাতের দিকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। এরপরেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এবং এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে তাঁকে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে করিমপুর থানার পুলিশ। পরবর্তীকালে পুলিশ মৃতদেহটি হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে যায়। ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও কারণে বচসার জেরে খুন হতে পারে বলে অনুমান স্থানীয়দের। যদিও এই ঘটনায় এখন কোনও অভিযুক্ত গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

    ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    এ বিষয়ে মৃত দুলাল বিশ্বাসের ভাইপো বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, রবিবার  রাতে আমাদের কাছে খবর আসে রক্তাক্ত অবস্থায় কাকা রাস্তায় পড়ে রয়েছে। আমরা তারপরেই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে, কাকাকে উদ্ধারের সময় যেটুকু মনে হয়েছে ওর সঙ্গে কয়েকজন ধস্তাধস্তি করেছে। পরবর্তীকালে ভোজালি দিয়ে কাকার গলায় কোপ মেরেছে। তিনি আরও বলেন, বহু মানুষের কাছে কাকা ধারের টাকা ফেরত পেত। সেই টাকা তাগাদা করতে গিয়েই এই খুন হতে পারে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর খুব বেশিদিন নয়, নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর যেতে শুধু বাসের উপর জেলার মানুষকে নির্ভর করতে হবে না। কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনে চড়েই সোজা তেহট্ট, করিমপুর পৌঁছে যেতে পারবেন এই এলাকার মানুষ। করিমপুর, তেহট্ট এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের দাবি মেনেই এবার কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণে উদ্যোগী হল কেন্দ্রীয় সরকার। রেল লাইন তৈরি প্রস্তাব দিয়েছে এমন নয়। চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই রেল সম্প্রসারণের জন্য জমি জরিপের কাজ শুরু করেছে রেল মন্ত্রক। এতদিন এই রেল লাইন সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রেল চলাচল শুরু হওয়ার দেড়শো বছর পরও করিমপুর, তেহট্ট রেল মানচিত্রের বাইরে রয়েছে।

    রেলপথ সম্প্রসারণে রেল কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে? (Nadia)

    সিপাহী বিদ্রোহের পর পরই শিয়ালদা থেকে নদিয়ার (Nadia) গেদে হয়ে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া পর্যন্ত ১৩৫ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করা হয়েছিল। আর ১৮৬২ সাল নাগাদ প্রথম এই রেল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করা শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে রানাঘাট-কৃষ্ণনগর হয়ে লালগোলা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারিত হয়। নদিয়ার বুকে রেল চলাচলের প্রায় দেড়শো বছরের বেশি সময় আগে রেল চলাচল শুরু হলেও করিমপুর আজও রেল মানচিত্রের বাইরে। করিমপুর, তেহট্ট, পলাশীপাড়া সহ এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে চলাচলের জন্য নির্ভর করতে হয় বাস কিংবা প্রাইভেট গাড়়ির উপর। এবার সেই করিমপুর, তেহট্টকে রেল মানচিত্রের মধ্যে আনতে চলেছে মোদি সরকার। করিমপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সুবিধার জন্য ৮০ কিলোমিটার সমীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বছরের অগাস্টে ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া ধারণাগত পরিকল্পনার সঙ্গে মাটি অনুসন্ধানের কাজ, টপোগ্রাফি জরিপ এবং ট্রাফিক জরিপ চলছে। অবিচ্ছিন্ন করিডোর সৃষ্টির লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করার জন্য গ্রামের মানচিত্র সরবরাহ করে সাহায্যের জন্য রেলওয়ে বিভিন্ন মৌজা এবং ব্লক এলাকার ব্লক এবং সংস্কার অফিসারদের চিঠি পাঠিয়েছে রেল। অগাস্ট থেকে জরিপের কাজ শুরু করে রেলওয়ে ইতিমধ্যেই সমীক্ষার একটি অগ্রসর পর্যায়ে পৌঁছেছে। আশা করা হচ্ছে যে কৃষ্ণনগর-করিমপুর নতুন লাইনের জন্য সম্পূর্ণ জরিপ কাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। এরপর সম্ভাব্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নদিয়া (Nadia) জেলায় তেহট্ট, করিমপুর, বেতাই, পলাশীপাড়া সব সময় অবহেলিত। এই সব এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের গণ পরিবহণের ভরসা বাস। পলাশী বা কৃষ্ণনগর স্টেশনে পৌঁছাতেও এই সব এলাকার মানুষের ভরসা বাস। ফলে, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল লাইন চালু করার আমরা দাবি জানিয়েছি। এর আগে অনেক রাজনৈতিক দল এই রেল সম্প্রসারণের ইস্যুটিকে তুলে ধরে রাজনৈতির ফয়দা তুলেছে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এবার কেন্দ্রীয় সরকার এই রেলপথ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ায় ভাল লাগছে। রেলপথ তৈরি হলে এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।

    রেল আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমনকী আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য, রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের কাছ থেকে সব ধরনের প্রত্যাশিত সহযোগিতা রেলওয়ে দ্বারা গ্রহণ করা হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share