Tag: karnatak

karnatak

  • Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল নামে। বিশেষ ডিজাইনের তৈরি গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী সওয়ার হন। বেঙ্গালুরুর আশপাশের ১৩ টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে হয় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো। শনিবার ২৬ কিমি রোড শো করার পর রবিবারও প্রধানমন্ত্রী ১০কিমি শোভাযাত্রা করেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, দক্ষিণের এই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে ভারতীয় জনতা পার্টি একেবারেই আশাবাদী। বছর ঘুরলেই লোকসভার ভোট। উত্তর ভারতে এখনও যে বিজেপির জনসমর্থনের ভিত্তি আছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে গত বছরের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে। যেখানে ৩০ বছর পরে কোনও দল দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকেও আবার বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলছে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সারাদেশে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় ভোট-ক্যাচার নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর রোড শো ঘিরে কর্নাটকে ছিল তুমুল আগ্রহ। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর রোড শো শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর তিপ্পাসন্দ্রা রোড থেকে এবং তা শেষ হয় ট্রিনিটি সার্কেলে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ।

    কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন রোড শো’তে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, যিনি বর্তমানে কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার সাংসদ। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের সাংসদ পি সি মোহনকেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী কর্নাটকের রাজধানীর দক্ষিণ দিকে রোড শো করেন। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল যেভাবে নেমেছে, তা তিনি সারা জীবন মনে রাখবেন। জানা গিয়েছে, আজকের পর বেশ কতগুলি জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে।

     

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka High Court: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র, কর্নাটকের হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে হবে গণেশ উৎসব  

    Karnataka High Court: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র, কর্নাটকের হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে হবে গণেশ উৎসব  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র। হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে (Hubbali Eidgah Ground) গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) উৎসব পালনের অনুমতি দিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnatak High Court)। মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট মধ্য রাতে কর্নাটক হাইকোর্টের ধরওয়াড বেঞ্চে হয় ওই মামলার শুনানি। তার পরেই মেলে উৎসব পালনের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র। হাইকোর্টের রায়ে প্রত্যাশিতভাবেই খুশি উৎসবের আয়োজকরা।

    তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন সকালেই মামলাটি উঠেছিল সুপ্রিম কোর্টে। বেঙ্গালুরুর ছামারাজপেট এলাকার ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালনের অনুমতি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক আবেদনকারী। সরকারি আদেশ বাতিল করে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে রায় দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। গত দুশো বছর ধরে বজায় রয়েছে এই স্থিতাবস্থা।

    ধরওয়াড বেঞ্চের সিঙ্গল-জাজ বেঞ্চের বিচারক অশোক কিনাগি জানিয়ে দেয়, হুব্বালি মামলা ছিল আলাদা। কারণ সেখানে জমির মালিকানা নিয়ে কোনও প্রশ্ন ছিল না। ওই জমির মালিকানা হুব্বালি ধরওয়াদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের। সুপ্রিম কোর্টের রায় হাতে পেয়ে আঞ্জুমান-ই-ইসলামের তরফে ধরওয়াদ বেঞ্চের সামনে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। তাতে চ্যালেঞ্জ জানানো হয় হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালনের যে অনুমতি দিয়েছিল পুরসভা কর্তৃপক্ষ, তাকে।

    আরও পড়ুন : জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মধ্য রাতের রায়ে হাইকোর্ট উল্লেখ করে, হুব্বালি ধরওয়াদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন ওই জমির মালিক। জমিটি আঞ্জুমান-ই-ইসলামকে ৯৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছিল। তাই জমির অধিকার এখনও রয়েছে কর্পোরেশনের হাতেই। যাঁরা জমিটি দখল করে রয়েছেন, তাঁরা বছরে মাত্র দুদিন প্রার্থনা করেন, একটি রমজানের সময়, অন্যটি বকরি ইদের সময়। বিচারপতি কিনাগি বলেন, এই দিনগুলিতে হস্তক্ষেপ করা হবে না। কিন্তু এই দু দিন ছাড়া আদালত আদেশ দিচ্ছে, জমিটি নিয়ে কর্পোরেশন যা খুশি করতে পারে। যেহেতু হুব্বালি জমির মালিকানা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই, তাই দেশের শীর্ষ আদালতের রায় এই ক্ষেত্রে খাটে না। আদালতে রায়ে খুশি ওই ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসবের আয়োজকরা। শুরু হয়েছে পুজোর প্রস্তুতি। গোমূত্র দিয়ে শুদ্ধ করা হয়েছে মাঠ। মাঠ পরীক্ষা করেছে বম্ব স্কোয়াড। উড়েছে ড্রোন। তার পরেই বসানো হয় প্রতিমা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bahmani fort:  বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির! সংস্কারের দাবিতে সরব হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    Bahmani fort: বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির! সংস্কারের দাবিতে সরব হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi mosque) পর এবার খবরের শিরোনামে কর্নাটকের (Karnataka) বিখ্যাত বাহমানি দুর্গ (Bahmani fort)। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই দুর্গের ভিতরে মিলেছে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দিরের (Lord Somalingeshwara) হদিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতাদের দাবি, দুর্গের উত্তর-পূর্ব দিকে রয়েছে ভগবান সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির। মন্দিরটি পুনরুদ্ধারের দাবিও জানান তাঁরা।

    কর্নাটকের কালবুর্গি জেলায় রয়েছে বাহমানি দুর্গ। বাহমানি সালতানাতের শাসক হাসান গাঙ্গু শাহ ওই দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বাহমানি শাসকরা সোমলিঙ্গশ্বরের মন্দিরের ওপর দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। ৭০ একরেরও বেশি জমি জুড়ে রয়েছে দুর্গের বিস্তার। এই দুর্গের ভিতরেই নির্মিত হয়েছিল জামিয়া মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    হিন্দুত্ববাদী ওই সংগঠনের কর্মীরা বিশ্বাস করেন, সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দিরটি দ্বাদশ শতকে কল্যাণী চালুক্য রাজবংশের সময় নির্মিত হয়েছিল। পরে আক্রমণ করে বাহমানি সুলতান। তারাই ধ্বংস করেছিল সব। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনটির অভিযোগ, শতাব্দীর পুরনো ইতিহাস সম্বলিত সোমেশ্বর মন্দিরটি প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ দ্বারা অবহেলিত হয়েছে। সরকারের উচিত অবিলম্বে মন্দিরটি সংস্কার করা। তাদের হুঁশিয়ারি, সরকার যদি আমাদের কথায় কর্ণপাত না করে, তাহলে আমরা আন্দোলনে নামব।

    আরও পড়ুন : ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

    কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। পরে রানি অহল্যবাই সেখানে ফের মন্দির গড়ে তোলেন। এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির (Shingar Gauri temple) ছিল বলেও দাবি। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন সোহন লাল আর্য নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন আদালতে।

    ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

    এই আবহেই বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দিরের হদিশ মেলার খবরে সরগরম কর্নাটক। প্রসঙ্গত, রবিবারই এই রাজ্যেরই ম্যাঙ্গালুরুর এক মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ মিলেছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। ২৫ মে ওই মসজিদ চত্বরে বিশেষ ধর্মীয় আচার পালনের পরিকল্পনা করছেন স্থানীয় হিন্দুরা। ইতিমধ্যেই এনিয়ে একটি বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা।

     

     

LinkedIn
Share