Tag: Karnataka assembly election 2023

Karnataka assembly election 2023

  • Karnataka: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে? দু’পক্ষই রাজি ‘আড়াই-আড়াই’ ফর্মুলায়! ঘোষণা বৃহস্পতি-সন্ধ্যায়

    Karnataka: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে? দু’পক্ষই রাজি ‘আড়াই-আড়াই’ ফর্মুলায়! ঘোষণা বৃহস্পতি-সন্ধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিদ্দারামাইয়া নাকি শিবকুমার, কর্নাটকের (Karnataka) নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কে শপথগ্রহণ করবেন তা নিয়ে টানা চারদিন আলোচনা চলেই যাচ্ছে হাত শিবিরে। দলের একটি সূত্রের খবর, ২০ মে অর্থাৎ আগামী শনিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারবেন সিদ্দারামাইয়া। উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে বসতে পারেন শিবকুমার। বুধবার গভীর রাতে এমনই ঐকমত্যে পৌঁছেছেন দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। অচলাবস্থা কাটাতে বুধবার সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দলের সভাপতি খাড়্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল এবং রণদীপ সুরজেওয়ালা উপস্থিত ছিলেন। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে সেই বৈঠক। সেখানেই না কি চূড়ান্ত হয় ফর্মুলা।

    আড়াই-আড়াই ফর্মুলা

    দলের একটি সূত্রে খবর, কর্নাটকের (Karnataka) অধিকাংশ কংগ্রেস বিধায়ক সিদ্দারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে চাইলেও শিবকুমার হাইকমান্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। শুধু উপমুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকতে তিনি রাজি নন। পাঁচ বছরের সরকারের মেয়াদকাল যদি দু’ভাগে ভেঙে আড়াই বছর করে দু’জনকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়, তা হলে তিনি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী হবেন। সরকার গঠন হওয়ার পর সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী হবেন, কিন্তু তিনি ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকবেন, তা মানতে রাজি ছিলেন না শিবকুমার। যদি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা না হয়, তবে তিনি উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদেও বসতে রাজি নন বলে দাবি করেছিলেন শিবকুমার। সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রদেশ সভাপতি এবং বিধায়ক পদে থাকবেন বলেও জানান তিনি। এরই মধ্যে, রবিবার গোপন ব্যালটে বিধায়কদের থেকে যে মত নেওয়া হয়েছিল, তাতে এগিয়ে ছিলেন সিদ্দারামাইয়া। আর তার ভিত্তিতেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেই ফের একবার গদিতে বসাচ্ছেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সূত্রের খবর, দুই নেতাকেই ‘আড়াই বছরের’ ফর্মুলাতে রাজি করানো হয়েছে। অর্থাৎ, কংগ্রেস সরকারের মেয়াদের প্রথম আড়াই বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন সিদ্দারামাইয়া, আগামী আড়াই বছর মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসবেন শিবকুমার। 

    কর্নাটক নিয়ে নানা প্রশ্ন ১০ জনপথে

    কর্নাটকের (Karnataka) বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতার ৯৬ ঘণ্টা পরও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঠিক করে উঠতে পারেনি কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। বুধবার দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠকের পরও শতাব্দী প্রাচীন দল এখনও সরকারিভাবে শিলমোহর দিতে পারেনি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া নাকি কর্নাটকের প্রদেশ সভাপতি ডিকে শিবকুমার, কাকে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে! ১০, জনপথের অন্দরে ঘুরছে নানা প্রশ্ন। তা হলে কি রাজস্থানের পাইলট-গেহলত বা মধ্যপ্রদেশের কমলনাথ-জ্যোতিরাদিত্য দ্বন্দ্বের মতোই অবস্থা হবে কর্নাটকেও? ৪৩ শতাংশ ভোট পেয়েও পাঁচ বছর কর্নাটকে শান্তিপূর্ণ ভাবে সরকার চালাতে পারবে না কংগ্রেস? 

    কর্নাটক নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক

    কংগ্রেস সূত্রে খবর, কর্নাটকের (Karnataka) রাজনীতির জট কাটাতে বুধবার খাড়্গে আলাদা আলাদা ভাবে সিদ্দারামাইয়া এবং শিবকুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রথমে শিবকুমারের সঙ্গে বৈঠক হয়। পঞ্চাশ মিনিট শিবকুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্দরামাইয়ার সঙ্গেও বৈঠক করেন খাড়্গে। তিনি একাই নন, রাহুল গান্ধীও বুধবার দশ জনপথে সিদ্দারামাইয়া এবং শিবকুমারের সঙ্গে আলাদা ভাবে বৈঠক করেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: ‘পদ্ম-বার্তা’ পৌঁছে দিতে পথে বিজেপি, যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা গেরুয়া শিবিরের

    কর্নাটকের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক

    মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? এই আবহে কোনও কংগ্রেস নেতা কর্নাটক (Karnataka) নিয়ে মিডিয়ার সামনে বেফাঁস মন্তব্য করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দল। শিবকুমার প্রকাশ্যে বলছেন, ‘দল যে দায়িত্ব দেবে, আমি পালন করব৷ আমি দায়িত্বশীল ব্যক্তি৷ দলকে পিছন থেকে ছুরি মারব না, ব্ল্যাকমেল করব না৷’ অন্যদিকে সিদ্দারামাইয়ার বক্তব্য, ‘আমার যা বলার ছিল, বলে দিয়েছি৷ জানি না কী হবে!’ এর মধ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে নবনির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের বৈঠক ডাকলেন ডিকে শিবকুমার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বেঙ্গালুরুর কুইন্স রোডে প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর ইন্দিরা গান্ধী ভবনে ওই বৈঠক ডাকা হয়েছে। নবনির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের পাশাপাশি বিধান পরিষদের সদস্য এবং কর্নাটক থেকে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় নির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের ডাকা হয়েছে ওই বৈঠকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election: কর্নাটকে চলছে ভোট গণনা, বিজেপি না কংগ্রেস, মসনদে কে? ফল আজই

    Karnataka Assembly Election: কর্নাটকে চলছে ভোট গণনা, বিজেপি না কংগ্রেস, মসনদে কে? ফল আজই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হল কর্নাটক বিধানসভা ভোটের গণনা। রাজ্যের ৩৬টি গণনাকেন্দ্রে চলছে ভোট গোনার কাজ। গত বুধবার বিধানসভা ভোটে মোট ৭৩.২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ২০১৮ সালেও ভোটের হার ছিল প্রায় একই। ভোট গণনার শুরুতে কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১২টি আসনে, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৮৬টি আসনে ও জেডিএস এগিয়ে রয়েছে ১৮টি আসনে।

    ‘জাদু সংখ্যা’ ১১৩

    ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় গরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ‘জাদু সংখ্যা’ ১১৩ কে ছুঁতে পারে তা জানতেই আগ্রহী রাজনৈতিক মহল। গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই, বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সিটি রবি, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার এবং ৩ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (কংগ্রেস), জগদীশ শেট্টার (কংগ্রেস) এবং এইচডি কুমারস্বামী (জেডি-এস)। ভোটগণনার শুরুতে কংগ্রেস এবং বিজেপির লড়াই চলছে জোরদার। কখনও পাল্লা ভারী হচ্ছে কংগ্রেসের দিকে তো কখনও বিজেপি। ভোটগণনা শুরু হতেই হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে এসেছেন কর্নাটকের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক, গণনার শুরুতে এমন দাবিই করেছেন তাঁর পুত্র ওয়াই সিদ্দারামাইয়া। কংগ্রেস নেতা বলেছেন, ‘‘বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আমরা সব করতে রাজি…কর্নাটকের স্বার্থে আমার বাবাকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত।’’

    ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা

    গত আড়াই দশক ধরেই ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছে কর্নাটক। ক্ষমতাসীন বিজেপি, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার নেতৃত্বাধীন জেডিএস-এর মধ্যে। ২২৪টি আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়ী হবে বিজেপি, নিজেদের জয় নিয়ে একেবারে নিশ্চিত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই।

    গত ১০ মে ২২৪টি আসনে কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল (Karnataka Assembly Election 2023)। গণনার আগে গোটা রাজ্য কড়া নিরাপত্তার মোড়কে ঢাকা হয়েছে। বুথগুলির বাইরে রয়েছে পুলিশি পাহারা। ভোটের ফল ঘোষণার আগেই কড়া নিরাপত্তার পাহারা দেখা গিয়েছে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের বাড়ির বাইরে।


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Karnataka Assembly Election 2023: সকাল থেকে ভোটদাতাদের লম্বা লাইন! কর্নাটকে শুরু ভোটগ্রহণ

    Karnataka Assembly Election 2023: সকাল থেকে ভোটদাতাদের লম্বা লাইন! কর্নাটকে শুরু ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় শুরু হল ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এক দফাতেই হচ্ছে নির্বাচন। বুধবার সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই রাজ্যের প্রতিটি বুথে দেখা গিয়েছে ভোটারদের লম্বা লাইন। ভোট গণনা হবে আগামী শনিবার (১৩ মে)। 

    ক্ষমতা দখলের লড়াই

    এবারের কর্নাটকে ক্ষমতা দখলের লড়াইতে রয়েছে তিন দল। ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস ও জনতা দল (সেকুলার) বা JD (S)। ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২ হাজার ৬১৫ জন প্রার্থী। কর্নাটকে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৪। তাঁদের মধ্যে প্রথম বারের ভোটারের সংখ্যা ১১ লক্ষ ৭১ হাজার। মোট ভোটারদের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৬৬ লক্ষ পুরুষ এবং ২ কোটি ৬২ লক্ষ মহিলা। বিপুল সংখ্যক ভোটার ৫৮ হাজার ৫৪৫টি বুথে ভোট দেবেন। এদিন সকাল সকাল ভোট দেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। বেঙ্গালুরুর একটি বুথে ভোট দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে আবার সকালে বিভিন্ন মন্দিরে পুজোও দেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই, বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সিটি রবি, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার এবং তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (কংগ্রেস), জগদীশ শেট্টার (কংগ্রেস) এবং এইচডি কুমারস্বামী (জেডি-এস)।

    প্রধানমন্ত্রীর আর্জি

    কর্নাটকের জনগণকে, বিশেষ করে বিপুল সংখ্যক তরুণ এবং প্রথমবারের ভোটারদের ভোটদানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উৎসবকে সমৃদ্ধ করার জন্য আর্জি জানিয়ে এদিন সকালে ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য, ভোটের মুখে বুধবার কর্নাটকবাসীকে খোলা চিঠি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে নমো কর্নাটকবাসীর স্বপ্নকেই তাঁর স্বপ্ন বলে উল্লেখ করেছেন। 

    কর্নাটকবাসীকে ‘সুশাসন ও উন্নয়ন’-র জন্য বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। “কর্নাটকের সমস্ত ভাই-বোনদের কাছে আবেদন, নির্বাচনের দিন ঘর থেকে বেরিয়ে ভোট দিন। আপনাদের একটা ভোটই উন্নয়নশীল সরকার গঠনে পাথেয় হবে। রাজ্যকে নতুন দিশা দেখাবে।” ট্যুইটে লেখেন শাহ।

  • The Kerala Story: “সন্ত্রাসের সঙ্গে সমঝোতা করে কংগ্রেস”! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    The Kerala Story: “সন্ত্রাসের সঙ্গে সমঝোতা করে কংগ্রেস”! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্তি পেল সন্ত্রাসবাদের প্রেক্ষাপটে গাঁথা ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) ছবিটি। বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেনের এই ছবির ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দেশ জুড়ে বিতর্ক। এবার এই ছবিকে সমর্থন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কর্নাটকের বেল্লারিতে তাঁর বক্তব্যে উঠে এল হিন্দি ফিল্ম, ‘দ্য কেরল স্টোরি’-র প্রসঙ্গ। এই বিতর্কিত ফিল্মের প্রসঙ্গ টেনে এদিন তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদীদের পাশে দাঁড়ানোর গুরুতর অভিযোগ করলেন। 

    কংগ্রেসের সমালোচনা

    এই ছবি নিষিদ্ধ করার পক্ষে ছিল কেরলের রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন এই ছবিকে প্রচারমূলক (প্রোপাগান্ডা) ছবি বলেই দাগিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু ছবির প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাশাপাশি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন,‘‘কংগ্রেস পার্টি আসলে সন্ত্রাসবাদকে মদত দিতে চাইছে। সেই কারণে এই ছবিকে নিষিদ্ধ করতে চাইছে। তাতে তারা আদতে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে।’’ এই ছবির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দ্য কেরালা স্টোরি (The Kerala Story) ছবিটি সমাজের অন্দরে বাসা বেঁধে থাকা সন্ত্রাসবাদের মুখোশকে প্রকাশ্যে আনবে। কেরলের মতো একটা সুন্দর জায়গা, যেখানকার লোকজন এত বুদ্ধিমান, মেধাবী, সেখানে এই ধরনের সন্ত্রাসবাদ সমাজের চূড়ান্ত ক্ষতি করছে। আর কংগ্রেস পার্টি এমনই একটা ছবিকে নিষিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে! এরা শুধু উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে সব কিছু নিষিদ্ধ করতে জানে। এই দলটার আমার জয় বজরংবলী বলাতেও সমস্যা রয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই! নিহত ৫ জওয়ান, আহত ১

    সিনেমাটির প্রশংসা

    শুধু কংগ্রেসকে আক্রমণ করাই নয়, কেরল স্টোরি (The Kerala Story) সিনেমাটিরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “আজ সন্ত্রাসবাদ নতুন চেহারা নিয়েছে। অস্ত্র-বোমা ইত্য়াদি ব্যবহারের পাশাপাশি ভিতর থেকে সমাজকে ফাঁপা করে দিতে চাইছে সন্ত্রাসবাদীরা। কেরল স্টোরি সিনেমায় সন্ত্রাসবাদের এই নয়া মুখটিকে ফাঁস করা হয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালীন সন্ত্রাবাদের সামনে মাথা নত করেছিল কংগ্রেস। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই হিংসার শিকার হতে হয়েছে। কংগ্রেস কখনওই সন্ত্রাসবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করেনি। কংগ্রেস কি কর্নাটককে রক্ষা করতে পারবে?” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ক্ষমতা দখলের জন্য সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে তলায় তলায় আপোস করছে কংগ্রেস। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কর্নাটকে মোদির কনভয়ে উড়ে এল মোবাইল ফোন! প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে

    Narendra Modi: কর্নাটকে মোদির কনভয়ে উড়ে এল মোবাইল ফোন! প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোড শো (Road Show) চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) কনভয় লক্ষ্য করে উড়ে এল মোবাইল ফোন। রবিবার বিকালে কর্নাটকের মাইসুরুতে (Mysuru) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় ফের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ফোনটি প্রধানমন্ত্রীর গায়ে লাগেনি। 

    মোদি-ময় কর্নাটক

    আগামী ১০ মে কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রবিবার সে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। পরে রোড শো-ও করেন। মাইসুরুর ঐতিহ্যবাহী ‘পেটা’ এবং গেরুয়া সাল পরিহিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একটি গাড়িতে করে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে-নাড়তে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। রাস্তার দু-পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা প্রধানমন্ত্রীর দিকে ফুল ছুড়ছিলেন। গোটা রাস্তা ভরে গিয়েছিল ফুলে। হঠাৎ করেই ফুলের সঙ্গে উড়ে আসে একটি মোবাইল ফোন। সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রক্ষীরা মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করে এবং নিরাপত্তা আরও বাড়ান। 

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    প্রাথমিক তদন্তের পর কর্নাটক পুলিশের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) দিকে ফোন ছোড়েন এক বিজেপি মহিলা কর্মীই। ওই মহিলার কোনও খারাপ মতলব ছিল না। স্রেফ উত্তেজনার বশে, ভুল করে ওই মহিলা মোবাইল ছোড়েন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) সদস্যরা সেই মহিলাকে ফোন ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি পুলিশের। যখন ফোনটি মোদির পাশ দিয়ে যায় তখন তিনি হাত নাড়ছিলেন। তাঁর হাতের একেবারে পাশ দিয়ে ফোনটা বেরিয়ে গিয়ে বিশেষ গাড়ির বনেটে পড়ে। সেই বিষয়টি নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রীরও। দ্রুত এসপিজির কমান্ডোদের জানান তিনি। পুরো ঘটনার জেরে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। মাস কয়েক আগে এই কর্নাটকেই রোড শোয়ের সময় মোদির নিরাপত্তা বলয় ভেঙে এক ব্যক্তি ঢুকে এসেছিলেন। বছরখানেক আগে পাঞ্জাবেও মোদির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গলদ ধরা পড়েছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Karnataka Assembly Election: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এবার নির্বাচনে লড়ছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর কেন্দ্র শিমোগো জেলার শিকারিপুরায় প্রার্থী করা হয়েছে ইয়েদুরাপ্পার ছেলে বিজয়েন্দ্রকে। কর্নাটকের ২২৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৮৯টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে এই দফায়। তার মধ্যে নতুন মুখের সংখ্যা ৫২। 

    নতুন প্রজন্মকে প্রাধান্য

    মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে প্রার্থীতালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে।’’ দলের সাধারণ সম্পাদক অরুণ কুমার জানিয়েছে ৩২ জন অনগ্রসর (ওবিসি), ৩০ জন তফসিলি জাতি এবং ১৬ জন তফসিলি জনজাতির প্রার্থী রয়েছেন তালিকায়। ১৮৯ জন প্রার্থীর মধ্যে আটজন মহিলা মুখ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইকে তাঁর পুরনো কেন্দ্র ধারওয়াড় জেলার শিগ্গাওয়ে প্রার্থী করেছে বিজেপি। ২০০৮ সাল থেকে টানা ৩ টি বিধানসভা ভোটে ওই কেন্দ্রে জিতেছেন তিনি।

    কে কোথায় প্রার্থী

    কনকপুরায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা মন্ত্রী আর আশোক প্রার্থী হয়েছেন। কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে বরুণা আসনে প্রার্থী করা হয়েছে ভি সোমান্নাকে। সোমান্নাকে আরও একটি আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। বরুণার পাশাপাশি চামারাজনগরে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। এতদিন তিনি গোবিন্দরাজা নগর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই প্রথম দুটি আসনে প্রার্থী হলেন। এদিনের এই তালিকায় ৩১ প্রার্থী-র পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে ৩১ প্রার্থীর। এছাড়াও তালিকায় ৮ চিকিৎসক রয়েছেন। কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস ও আইপিএস অফিসারের নাম রয়েছে তালিকায়।

    আরও পড়ুন: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, আগামী ১০ মে এক দফায় বিধানসভা ভোট হবে কর্নাটকে। ১৩ মে হবে ফল ঘোষণা। গত ২৯ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, আগেই প্রথম দফায় কর্নাটকের ১২৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। পরে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪১ আসনেও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে হাত শিবির। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার জনতা দল সেকুলার ইতিমধ্যে অধিকাংশ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এদিন তালিকা প্রকাশের পর বাসবরাজ বোম্মাই ট্যুইটারে লেখেন, ‘কর্নাটকে ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের পক্ষে হাওয়া বইছে। এবার আমরা সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসব।’ দ্রুত দ্বিতীয় তালিকাও প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বোম্মাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় কর্নাটক (Karnataka) নির্বাচন। আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের কো-ইনচার্জ করল বিজেপি। শনিবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় এই নতুন দায়িত্ব। এর ঠিক একদিন আগে ইনচার্জ হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছিল আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। এদিনই কো-ইনচার্জ করা হয়েছিল তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাইকে। শনিবার তাঁর পাশাপাশি কো-ইনচার্জ করা হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।

    ভোটের বাদ্যি…

    চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ হতে পারে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে দল, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। বিজেপির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে দলের জাতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইনচার্জ করেছেন। ওই নির্বাচনের জন্য কো-ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এবং তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি কে আন্নামালাইকে। এই নিয়োগ এখন থেকেই কার্যকর হচ্ছে। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন যে আপাতত বিজেপির পাখির চোখ, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কর্নাটক (Karnataka) গিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে যাত্রায় হুবলিতে তিনি রোডশো করেন। প্রধানমন্ত্রীর ওই রোডশো দেখতে উপচে পড়েছিল ভিড়। তাঁর পরে পরেই কর্নাটক গিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা দেখতেই তিনি গিয়েছিলেন কর্নাটক সফরে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে কর্নাটক সফরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি যাবেন দক্ষিণ কান্নাডা জেলার পুত্তুরে। সেখানে একটি কো-অপারেটিভ কনভেনশনে যোগ দেবেন তিনি। কর্নাটকের পদ্ম শিবিরের আশা, শাহ কর্নাটক সফরে এলেই চাঙা হয়ে উঠবে দল। মিটবে দলীয় অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলিও। যার জেরে দক্ষিণের এই রাজ্যে দল ফের ক্ষমতায় আসবে বলেও আশাবাদী তারা।

    প্রসঙ্গত, এর আগের এক জনসভায় কর্নাটককে (Karnataka) দক্ষিণের গেটওয়ে বলে সম্বোধন করেছিলেন শাহ। দক্ষিণের এই রাজ্যেই কেবল ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। দলীয় সংগঠন চাঙা করতে বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সরিয়ে বাসবরাজ বোম্বাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল দলের রাশ, ২০১৮ সালে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Amit Shah: কর্নাটকে ভোটের বাদ্যি বাজালেন শাহ, তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস, জেডিএসকে

    Amit Shah: কর্নাটকে ভোটের বাদ্যি বাজালেন শাহ, তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস, জেডিএসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার কর্নাটকের (Karnataka) মাণ্ড্য এলাকায় এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই বাজান ভোটের বাদ্যি। ২০২৩ সালে রয়েছে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। মাণ্ড্যতে চলছে বিজেপির (BJP) সঙ্কল্প যাত্রা। সেই উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল জনসভার। সেই জনসভায় ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই সভায় কংগ্রেস এবং জেডিএসকে একহাত নেন শাহ। এই দুই দলকে তিনি অভিহিত করেন রাজবংশীয় দল হিসেবে। কংগ্রেস এবং জেডিএসকে শাহ লুঠেরাদের দল বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই দুই দল দীর্ঘ দিন ধরে রাজ্যের সম্পদ লুঠ করেছে। রাজ্যকে তারা ব্যবহার করছে এটিএম হিসেবে।

    শাহ উবাচ…

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে যখন কংগ্রেস সরকার ছিল, তখন তারা হাইকমান্ডের কাছে রাজ্যকে ব্যবহার করেছে এটিএম হিসেবে। আর জেডিএস তো একটা পরিবারের কাছে ছিল এটিএম। অমিত শাহ বলেন, দুই দলই দুর্নীতিগ্রস্ত। এই দুই দলের আমলে রাজ্যে কোনও উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার এ রাজ্যে ব্যাপক উন্নয়ন করছে।

    কংগ্রেস এবং জেডিএস দুই দলকেই সাম্প্রদায়িক বলে দেগে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এই দুই দল অপরাধীদের আশ্রয় দেয়। শাহ বলেন, কংগ্রেস শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দলিত এবং আদিবাসীদের উপেক্ষা করেছে, প্রতারণা করেছে। তিনি বলেন, বিজেপি দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রামনাথ কোবিন্দকে রাষ্ট্রপতি করেছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দ্রৌপদী মুর্মুকেও বসিয়েছে রাষ্ট্রপতি পদে। শাহ বলেন, বিজেপিই একমাত্র এই দুই সম্প্রদায়ের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে চলেছে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতাদেরও নির্মূল করতে হবে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে অমিত শাহ

    এদিন কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া সরকারকেও একহাত নেন শাহ। তিনি বলেন, রাজ্যের ১ হাজার ৭০০ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার ক্যাডারের বিরুদ্ধে করা ৫৬টি মামলা তুলে নিয়েছিল ওই সরকার। আর মোদি সরকার পিএফআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এর নেতাদের জেলে পুরেছে। সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে মোদি সরকার যে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করেছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দির ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলেও জানান শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share