Tag: Karnataka

Karnataka

  • PM Modi: বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন, কর্নাটকে রোড শো-ও করলেন মোদি

    PM Modi: বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন, কর্নাটকে রোড শো-ও করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ের (Bengaluru Mysuru Expressway) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার কর্নাটকের (Karnataka)  মাণ্ড্য জেলায় ১১৮ কিমি দীর্ঘ ওই এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন তিনি। আগে এই দূরত্ব অতিক্রম করতে সময় লাগত ৩ ঘণ্টা। এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ায় এক শহর থেকে অন্য শহরে পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ৭৫ মিনিট। বিজেপির (BJP) বিরোধী দল জেডি (এস)এর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই মাণ্ড্য জেলা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    এদিন সেখানেই ৮ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। কেবল এই এক্সপ্রেসওয়েই নয়, ভোটমুখী কর্নাটকে এদিন আরও প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এর মধ্যে রয়েছে আইআইটি ধারওয়াড়, মাইসুরু-কুশলনগর চার লেনের হাইওয়ে এবং হুবলি স্টেশনে বিশ্বের দীর্ঘতম রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মের মতো প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পগুলি রাজ্যের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথ খুলে দেবে। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিন ধরে বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যুবকরা আমাদের দেশের উন্নয়ন চাক্ষুষ করে গর্ব অনুভব করছেন। তার পরেই তিনি বলেন, এই সমস্ত প্রকল্প আমাদের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথ খুলে দেবে।

    বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ে ১০ লেনের। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই দুই শহরের দূরত্ব এক লপ্তে অনেকখানি কমে যাওয়ায় এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় প্রভাব ফেলবে এই এক্সপ্রেসওয়ে।জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরু-মাইসুরু এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে জাতীয় সড়ক ২৭৫কে যুক্ত করা হচ্ছে। এই এক্সপ্রেসওয়ের চারটি রেল ওভারব্রিজ, ৯টি বড় সেতু, ৪০টি ছোট সেতু এবং ৮৯টি আন্ডারপাস ও ওভারপাস রয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী মাইসুরু-কুশলনগর ৪ লেনের হাইওয়ের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। সেটির দৈর্ঘ হবে ৯২ কিলোমিটার। এই প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। এখন এই দুই শহরের একটি থেকে অন্যটিতে যেতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। হাইওয়ে নির্মাণ হয়ে গেলে সময় কমে দাঁড়াবে মাত্র আড়াই ঘণ্টা। মাণ্ড্য জেলায় এদিন রোড শো-ও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেখানে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি অংশ নেন প্রচুর সাধারণ মানুষও।

    আরও পড়ুুন: ‘কোনওভাবেই জঙ্গি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না’, ফের জানালেন শাহ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Karnataka: অযোধ্যার পরে এবার কর্নাটকেও গড়ে উঠতে চলেছে নয়নাভিরাম রামমন্দির, জানুন কোথায়

    Karnataka: অযোধ্যার পরে এবার কর্নাটকেও গড়ে উঠতে চলেছে নয়নাভিরাম রামমন্দির, জানুন কোথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় চলছে রামমন্দির (Ram Temple) গড়ার কাজ। ২০২৪ সালের প্রথমেই সেই মন্দিরের দ্বার খুলে দেওয়ার কথা ভক্তদের জন্য। চোখ ধাঁধানো সেই মন্দির গড় উঠছে ভগবান রামের জন্মস্থলে। এ দেশে আরও একটি রামমন্দির গড়ে উঠতে চলেছে। এই মন্দিরটি অবশ্য হবে কর্নাটকে (Karnataka), রামভক্ত হনুমানের জন্মস্থানে। ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভগবান রামের ওই মন্দির গড়ে উঠবে ১৯ একর জমির ওপর। এই মন্দিরটিও হবে চোখ ধাঁধানো। শুক্রবার কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই ঘোষণা করেন, রামনগর জেলায় তৈরি হবে এই মন্দির। ১৯ একর জমিতে ১০০ কোটি টাকা খরচ করে রামমন্দির তৈরির পরিকল্পনা করেছে কর্নাটক সরকার।

    অঞ্জনাদ্রি হিল…

    কর্নাটকের অঞ্জনাদ্রি হিলে রাম ভক্ত হনুমানের জন্মস্থান বলে লোকবিশ্বাস। সেই কারণেই এখানে হবে ভগবান রামের মন্দির। জানা গিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে কর্নাটকের (Karnataka) এক মন্ত্রী প্রস্তাব দেন, এই অঞ্চলটিকে দক্ষিণের অযোধ্যা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তার পরেই রামমন্দির গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু করে কর্নাটক সরকার। শুধু রামমন্দির নয়, আগামী দু বছরে রাজ্যের বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরগুলি সংস্কার ও উন্নতি সাধন করতে চলেছে কর্নাটক সরকার। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০০ কোটি টাকা। এদিন রাজ্য বাজেট পেশ করার সময়ই একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বেঙ্গালুরু (Karnataka) শহর থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে অঞ্জনাদ্রি হিল। শোনা যায়, রামায়ণের সঙ্গে গভীর যোগ রয়েছে এই অঞ্চলের।

    আরও পড়ুুন: শিবসেনা নাম ও তির-ধনুক প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী! হতাশ উদ্ধব-গোষ্ঠী

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেও ভরপুর কোপ্পাল জেলার এই অঞ্জনাদ্রি হিল এলাকা। এখানেই শ্যুটিং হয়েছিল প্রায় লেজেন্ড হয়ে যাওয়া চলচ্চিত্র শোলের। এখানেই ভগবান রামের পাশাপাশি মন্দির গড়ে উঠবে ভক্ত হনুমানেরও। এর পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও সুখবর দিয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সুদ-মুক্ত স্বল্প মেয়াদি ঋণ এতদিন দেওয়া হত ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এখন সেটা বেড়ে হল ৫ লক্ষ টাকা। ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মহিলাদের জন্য রাজ্যের জনবহুল বাজারগুলিতে ২৫০টি শৌচাগার তৈরির পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় কর্নাটক (Karnataka) নির্বাচন। আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের কো-ইনচার্জ করল বিজেপি। শনিবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় এই নতুন দায়িত্ব। এর ঠিক একদিন আগে ইনচার্জ হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছিল আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। এদিনই কো-ইনচার্জ করা হয়েছিল তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাইকে। শনিবার তাঁর পাশাপাশি কো-ইনচার্জ করা হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।

    ভোটের বাদ্যি…

    চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ হতে পারে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে দল, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। বিজেপির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে দলের জাতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইনচার্জ করেছেন। ওই নির্বাচনের জন্য কো-ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এবং তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি কে আন্নামালাইকে। এই নিয়োগ এখন থেকেই কার্যকর হচ্ছে। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন যে আপাতত বিজেপির পাখির চোখ, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কর্নাটক (Karnataka) গিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে যাত্রায় হুবলিতে তিনি রোডশো করেন। প্রধানমন্ত্রীর ওই রোডশো দেখতে উপচে পড়েছিল ভিড়। তাঁর পরে পরেই কর্নাটক গিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা দেখতেই তিনি গিয়েছিলেন কর্নাটক সফরে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে কর্নাটক সফরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি যাবেন দক্ষিণ কান্নাডা জেলার পুত্তুরে। সেখানে একটি কো-অপারেটিভ কনভেনশনে যোগ দেবেন তিনি। কর্নাটকের পদ্ম শিবিরের আশা, শাহ কর্নাটক সফরে এলেই চাঙা হয়ে উঠবে দল। মিটবে দলীয় অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলিও। যার জেরে দক্ষিণের এই রাজ্যে দল ফের ক্ষমতায় আসবে বলেও আশাবাদী তারা।

    প্রসঙ্গত, এর আগের এক জনসভায় কর্নাটককে (Karnataka) দক্ষিণের গেটওয়ে বলে সম্বোধন করেছিলেন শাহ। দক্ষিণের এই রাজ্যেই কেবল ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। দলীয় সংগঠন চাঙা করতে বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সরিয়ে বাসবরাজ বোম্বাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল দলের রাশ, ২০১৮ সালে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Burqa: ড্রেস কোড না মেনে বোরখা পরে হিন্দু কলেজে! ঢুকতেই দিলেন না কর্তৃপক্ষ

    Burqa: ড্রেস কোড না মেনে বোরখা পরে হিন্দু কলেজে! ঢুকতেই দিলেন না কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজে রয়েছে ড্রেস কোড (Dress Code)। তা লঙ্ঘন করেই বোরখা (Burqa) পরে কলেজে এসেছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ছাত্রী। স্বাভাবিকভাবেই কলেজে ঢুকতে বাধা পান ওই পড়ুয়ারা। কলেজ গেটে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁদের বাধা দেন। উত্তর প্রদেশের মোরদাবাদের (Moradabad) হিন্দু কলেজের ঘটনা। বোরখা পরিহিত ওই ছাত্রীদের অভিযোগ, বোরখা পরে আসার কারণে কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁদের। কলেজের গেটেই বোরখা খুলতে বাধ্য করা হয় তাঁদের। এনিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমাজবাদী ছাত্রসভার কর্মীদের বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়। কলেজ কর্তৃপক্ষ ড্রেস কোড পরে কলেজে আসার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনড় থাকেন। ওই কলেজের অধ্যাপক এপি সিং বলেন, কলেজের পড়ুয়াদের জন্য ড্রেস কোড চালু হয়েছে। সেই ড্রেস কোড কেউ না মানলে তাকে কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পরে সমাজবাদী ছাত্র সভার তরফে কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়, ড্রেস কোডের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বোরখাকেও (Burqa)।

    হিজাব বিতর্ক…

    ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রায় একই ঘটনা ঘটেছিল কর্নাটকে। উদুপির একটি সরকারি মহিলা কলেজে হিজাব (Hijab) পরে এসেছিলেন কয়েকজন ছাত্রী। তাঁদেরও ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এনিয়ে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। যদিও সেক্ষেত্রেও হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের কাছে নতি স্বীকার করেননি কলেজ কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পরে পরেই বিজয়পুরার একটি কলেজে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আসেন কয়েকজন পড়ুয়া। একইভাবে তাঁদেরও কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পড়ুয়াদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কলেজে আসতে হবে ড্রেস কোড মেনেই। এর পরেই ওই রাজ্যের প্রি-ইউনিভার্সিটি এডুকেশন বোর্ড রীতিমতো সার্কুলার জারি করে জানিয়ে দেয়, নির্দিষ্ট ড্রেস কোড পরেই আসতে হবে স্কুল-কলেজে।

    আরও পড়ুুন: সিএএ লাগু হলে কাউকে দেশছাড়া করা হবে না, আশ্বাস সুকান্ত, মিঠুনের

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও ধর্মীয় আচরণও করা যাবে না। বিতর্কের রেশ গড়ায় কর্নাটক হাইকোর্ট পর্যন্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হয় একাধিক পিটিশন। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, হিজাব ইসলামে বাধ্যতামূলক নয়। হিজাব কখনও বাধ্যতামূলক নয়। কোরানে উল্লেখ থাকলেই যে সেই প্রথা জরুরি হবে এমন নয়। ইসলামিক দেশগুলিতেই হিজাব পরা নিয়ে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন মেয়েরা। ইরানের রাজপথে হিজাব না পরার পক্ষে সওয়াল করেছেন সেখানকার স্বাধীনচেতা মেয়েরা। সুপ্রিম কোর্টে কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ের পক্ষে সওয়াল করে একথাই জানিয়েছিলেন আইনজীবী তুষার মেহতা। ভারতের সলিসিটর জেনারেল তথা কর্নাটক সরকারের আইনজীবী তুষার মেহতা জানিয়েছিলেন, দেশে হিজাব-বিতর্ক তৈরি করা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার চক্রান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • NIA: ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ! কর্নাটকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও দুই

    NIA: ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ! কর্নাটকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী সংস্থা ইসলামিক স্টেটের (IS) সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে গ্রেফতার আরও দুই। মঙ্গলবার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA) তাদের গ্রেফতার করেছে। শিবমগ্গা ইসলামিক স্টেট ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই দুজনকে।  

    এনআইএ… 

    এর আগে ওই মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের সঙ্গে যোগ ছিল মহম্মদ শারিকের। সম্প্রতি তাকে গ্রেফতার করা হয়। মেঙ্গালুরুতে একটি অটোরিক্সায় করে কুকার বম্ব নিয়ে যাচ্ছিল সে।  তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। জখম হন সে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি না জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নবান্নে বসতে পারবেন না’’! বেফাঁস হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যে দুজনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA) তারা হল মাজিন আবদুল রহমান এবং নাদিম আহমেদ কেএ। মাজিনকে গ্রেফতার করা হয় মেঙ্গালুরুর পারমান্নুরের হীরা কলেজের কাছ থেকে। এই মেঙ্গালুরু দক্ষিণাখণ্ড জেলার হেডকোয়াটার্স টাউন। নাদিমকে গ্রেফতার করা হয় দাভানাজেরে জেলার হোন্নালি তালুক থেকে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত মাজিন আবদুল রহমান ও নাদিম আহমেদ সরাসরি নাশকতামূলক কার্যকলাপে যুক্ত ছিল। এর আগে কর্নাটক থেকে সন্দেহভাজন ৪ আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। তাদের জেরা করেই খোঁজ মেলে মাজিন ও নাদিমের।

    তদন্তে প্রকাশ, অভিযুক্ত মাজ মুনির এবং সঈদ ইয়াসিন মাজিন ও নাদিমকে ভারতে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিয়োগ করেছিল। এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা অন্তর্ঘাত এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছিল। এগুলি ইসলামিক স্টেটের ষড়যন্ত্র। প্রসঙ্গত, গত বছর শিবামগ্গা টেরর মডিউল তুঙ্গা নদীর তীরে ট্রায়াল ব্লাস্ট করেছিল বলে অভিযোগ। গত বছর ১৯ সেপ্টেম্বর কর্নাটকের শিবামগ্গা জেলার শিবামগ্গা রুরাল থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। ওই বছরেরই ৪ নভেম্বর তদন্ত শুরু করে এনআইএ (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Amit Shah: কর্নাটকে ভোটের বাদ্যি বাজালেন শাহ, তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস, জেডিএসকে

    Amit Shah: কর্নাটকে ভোটের বাদ্যি বাজালেন শাহ, তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস, জেডিএসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার কর্নাটকের (Karnataka) মাণ্ড্য এলাকায় এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই বাজান ভোটের বাদ্যি। ২০২৩ সালে রয়েছে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। মাণ্ড্যতে চলছে বিজেপির (BJP) সঙ্কল্প যাত্রা। সেই উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল জনসভার। সেই জনসভায় ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই সভায় কংগ্রেস এবং জেডিএসকে একহাত নেন শাহ। এই দুই দলকে তিনি অভিহিত করেন রাজবংশীয় দল হিসেবে। কংগ্রেস এবং জেডিএসকে শাহ লুঠেরাদের দল বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই দুই দল দীর্ঘ দিন ধরে রাজ্যের সম্পদ লুঠ করেছে। রাজ্যকে তারা ব্যবহার করছে এটিএম হিসেবে।

    শাহ উবাচ…

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে যখন কংগ্রেস সরকার ছিল, তখন তারা হাইকমান্ডের কাছে রাজ্যকে ব্যবহার করেছে এটিএম হিসেবে। আর জেডিএস তো একটা পরিবারের কাছে ছিল এটিএম। অমিত শাহ বলেন, দুই দলই দুর্নীতিগ্রস্ত। এই দুই দলের আমলে রাজ্যে কোনও উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার এ রাজ্যে ব্যাপক উন্নয়ন করছে।

    কংগ্রেস এবং জেডিএস দুই দলকেই সাম্প্রদায়িক বলে দেগে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এই দুই দল অপরাধীদের আশ্রয় দেয়। শাহ বলেন, কংগ্রেস শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দলিত এবং আদিবাসীদের উপেক্ষা করেছে, প্রতারণা করেছে। তিনি বলেন, বিজেপি দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রামনাথ কোবিন্দকে রাষ্ট্রপতি করেছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দ্রৌপদী মুর্মুকেও বসিয়েছে রাষ্ট্রপতি পদে। শাহ বলেন, বিজেপিই একমাত্র এই দুই সম্প্রদায়ের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে চলেছে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতাদেরও নির্মূল করতে হবে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে অমিত শাহ

    এদিন কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া সরকারকেও একহাত নেন শাহ। তিনি বলেন, রাজ্যের ১ হাজার ৭০০ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার ক্যাডারের বিরুদ্ধে করা ৫৬টি মামলা তুলে নিয়েছিল ওই সরকার। আর মোদি সরকার পিএফআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এর নেতাদের জেলে পুরেছে। সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে মোদি সরকার যে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করেছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দির ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলেও জানান শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolar: কর্নাটকের কোলার সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের জন্যে দরপত্রের আহ্বান জানাতে চলেছে সরকার

    Kolar: কর্নাটকের কোলার সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের জন্যে দরপত্রের আহ্বান জানাতে চলেছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে ঔপনিবেশিক যুগের খনিগুলির (Kolar) একটি ক্লাস্টারে ৫০০ লক্ষ টন প্রক্রিয়াজাত আকরিক থেকে সোনা উত্তোলনের জন্য দরপত্রের আহ্বান জানানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। বৃহস্পতিবার এক সরকারি আধিকারিক এ কথা ঘোষণা করেন।

    কী পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার?

    বেঙ্গালুরুর প্রযুক্তি কেন্দ্রের প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কোলার সোনা ক্ষেত্র দেশের প্রাচীনতম সোনার খনিগুলির (Kolar) মধ্যে অন্যতম। ২০ বছরেরও বেশি আগে বন্ধ হওয়া কোলার খনিগুলিতে প্রায় ২১০ কোটি টাকা মূল্যের সোনা রয়েছে। ভারত নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে অতীতে প্রক্রিয়াজাত করা আকরিকের অবশিষ্টাংশ থেকেও সোনা বের করতে আগ্রহী।   

    ওই সরকারি আধিকারিক বলেন, “সোনা ছাড়াও, সরকার প্রক্রিয়াজাত আকরিক বা ডাম্প থেকে প্যালাডিয়াম নিষ্কাশনেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রক্রিয়াজাত আকরিকে আটকে থাকা সোনা কীভাবে নিষ্কাশন (Kolar) করা যায়, তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।” 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে দোতলার বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দিলেন শিক্ষিকা

    তিনি আরও বলেন, “সরকার আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমাদের একমাত্র সীমাবদ্ধতা হল শুধুমাত্র বিদেশি কোম্পানিগুলির প্রক্রিয়াজাত আকরিক থেকে সোনা নিস্কাশন (Kolar) করার প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞতা আছে। আমাদের তা নেই। তবে বিদেশি কোম্পানিগুলি স্থানীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে। এমনকি একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করতে পারে।” 

    প্রসঙ্গত, জুলাই মাসে ভারত বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা মেটাতে সোনা আমদানির উপর শুল্ক ৭.৫% থেকে বাড়িয়ে ১২.৫% করেছে। কোলার (Kolar) মুলত সোনার খনির জন্য খ্যাত। ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান সোনার খনি কোলারে অবস্থিত। পরাধীন ভারতে সোনার খনিকে কেন্দ্র করে কোলারে জনপদ গড়ে উঠেছিল। ২০০১ সালে খনি বন্ধ হওয়ার আগে দেড়শো বছর ধরে সোনা তোলা হয়েছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

     

  • Dhulagarh: ‘হিজাব বিতর্কে’ ভাঙচুর ধূলাগড়ের স্কুলে, বন্ধ হয়ে গেল পরীক্ষা  

    Dhulagarh: ‘হিজাব বিতর্কে’ ভাঙচুর ধূলাগড়ের স্কুলে, বন্ধ হয়ে গেল পরীক্ষা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হিজাব বির্তক (Hijab Controversy) হাওড়ার (Howrah) স্কুলে। মঙ্গলবার ঘটনার জেরে পরীক্ষা বাতিল করতে হয় হাওড়ার সাঁকরাইলের ধূলাগড়ি আদর্শ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। হিজাব বিতর্কে অশান্ত হয়েছিল কর্নাটক (Karnataka)। এবার সেই একই বিতর্ক দেখা গেল এ রাজ্যেও।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। প্রতিদিনের মতো এদিনও সাঁকরাইলের ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই স্কুলে দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীরা হিজাব পরে স্কুলে আসে। হিজাব পরে স্কুলে প্রবেশ করা যাবে না বলে আপত্তি তোলে দ্বাদশ শ্রেণির একদল ছাত্র। তাদের দাবি, যদি হিজাব পরে স্কুলে আসা যায়, তাহলে তারাও নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসবে। নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে এলে তাদের প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। সেই মতো মঙ্গলবার দ্বাদশ শ্রেণির পাঁচ ছাত্র নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসে। এবার প্রতিবাদ জানায় ওই স্কুলের দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির হিজাব পরা ছাত্রীরা।

    কেবল ওই ছাত্রীরাই নয়, নামাবলী গায়ে দিয়ে আসা পড়ুয়াদের নামাবলী খুলতে বলেন ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই  স্কুল কর্তৃপক্ষও। স্কুলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা শেষে বৈঠকে বসে ম্যানেজিং কমিটি। সেখানেও সিদ্ধান্ত হয়, ইউনিফর্ম পরেই স্কুলে আসতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। অন্য কোনও ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসতে বারণ করা হয় পড়ুয়াদের। তার পরেও মঙ্গলবার থেকে তিন চারজন পড়ুয়া নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি শুরু হয় পড়ুয়াদের মধ্যে। উত্তেজিত কয়েকজন ছাত্রছাত্রী স্কুলের চেয়ার টেবিল উল্টে দেয়। স্কুলের মধ্যে ভাঙচুরও চালায় তারা।

    আরও পড়ুন: হিজাব-আইনের বিরোধিতা, জ্বলছে ইরান! পুলিশের গুলিতে নিহত অন্তত ৫০জন প্রতিবাদী

    ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই স্কুলের টিটার ইনচার্জ অরিন্দম মান্না বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কোনও ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসতে পারবে না পড়ুয়ারা। কিন্তু কয়েকজন ছাত্র গায়ে নামাবলী জড়িয়ে এলে ঝামেলা শুরু হয়। প্রশাসনের নির্দেশে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দু পক্ষের অভিভাবকদের ডাকা হবে এবং ফের ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। কর্নাটকে হিজাব বিতর্কের রেশ এখনও মেলায়নি। হাইকোর্ট হয়ে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। হাইকোর্ট পরে জানিয়ে দেয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mangaluru: বিস্ফোরণের দায় হিন্দুদের ঘাড়ে চাপাতে অরুণ কুমার নাম ব্যবহার করত শারিক?

    Mangaluru: বিস্ফোরণের দায় হিন্দুদের ঘাড়ে চাপাতে অরুণ কুমার নাম ব্যবহার করত শারিক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে অপরাধ করেছিল, সে ধর্মে মুসলমান (Muslim)। অথচ ধরা পড়লে বিস্ফোরণের দায় যাতে হিন্দুদের (Hindu) ঘাড়ে চাপানো যায়, তার চেষ্টা করেছিল মেঙ্গালুরু (Mangaluru) বিস্ফরণের মূল চক্রী মহম্মদ শারিক। তদন্তাকারীরা জেনেছেন, সেই কারণেই শারিক লোকেদের কাছে নিজেকে হিন্দু হিসেবে পরিচয় দিত। দেশে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) এই অবস্থার জন্য শারিক কর্নাটকের প্রাক্তন কংগ্রেস সরকারকেও দায়ি করেছে। পুলিশি রিপোর্টে জানা গিয়েছে, আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডে শারিকের নামের বদলে লেখা রয়েছে অরুণ কুমার। এই অরুণ কুমার নামে সিমকার্ডও কিনেছে সে। সেজন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জালও করেছিল শারিক।

    জালিয়াতির জাল… 

    জানা গিয়েছে, যে অরুণ কুমারের নথিপত্র হাতিয়ে নিয়েছে শারিক, তিনি বেল্লারির বাসিন্দা, কর্মসূত্রে থাকেন বেঙ্গালুরুর বাইরে। গত বছর বেঙ্গালুরুতে এসে তিনি কোনওভাবে হারিয়ে ফেলেন তাঁর নথিপত্র। পুলিশ জানিয়েছে, হারিয়ে যাওয়ার পরের দিনই তিনি তাঁর ওয়ালেটটি ফিরে পান। তবে তার আগেই জাল করে ফেলা হয়েছে তাঁর যাবতীয় নথিপত্র। সেই নথিপত্র জমা দিয়েই শারিক সিমকার্ড কেনে। পুলিশ এই আসল অরুণ কুমারকে জেরাও করে। তবে মেঙ্গালুরুতে (Mangaluru) অটোরিক্সা বিস্ফোরণে তাঁর কোনও যোগসূত্র খুঁজে পায়নি।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ মেঙ্গালুরুতে (Mangaluru) বিস্ফোরণের জেরে একটি অটোরিক্সায় আগুন ধরে যায়। অটোর যাত্রী ও চালককে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জখম অটোচালক দাবি করেন, অটোর এক যাত্রীর ব্যাগে আগুন ধরে যায়। সেখান থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফরেনসিক টিম। নমুনা সংগ্রহ করে তারা। পরে জানা যায়, ওই ব্যাগের ভিতরে ছিল একটি প্রেশার কুকার। যেটি ব্যাটারি ও বিস্ফোরকে ঠাসা ছিল। 

    আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুতে কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণের চক্রীর সঙ্গে দেখা করেছিল মহম্মদ শারিক?

    মেঙ্গালুরুর (Mangaluru) বিজেপি (BJP) বিধায়ক বলেন, শারিক হিন্দু নাম, ছবি এবং ডিপি ব্যবহার করত। বিস্ফোরণের সময় তাকে গেরুয়া শাল গায়ে দিয়ে দেখা গিয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার দায় যাতে হিন্দুদের ঘাড়ে চাপানো যায়, তাই সে এটা করেছিল। তাছাড়া, অবৈধ কোনও কাজে সে যে জড়িত, তাও যাতে কেউ সন্দেহ না করে তাই এসব ছল করেছিল শারিক। অরুণ কুমার নাম ব্যবহার করলেও, শেষ রক্ষে হয়নি। পুলিশ তাকে শারিক বলেই চিহ্নিত করেছে। বিস্ফোরণের পোড়া ক্ষত নিয়ে আপাতত সে রয়েছে ফাদার মুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mangaluru: তামিলনাড়ুতে কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণের চক্রীর সঙ্গে দেখা করেছিল মহম্মদ শারিক?

    Mangaluru: তামিলনাড়ুতে কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণের চক্রীর সঙ্গে দেখা করেছিল মহম্মদ শারিক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের মেঙ্গালুরুতে (Mangaluru) অটোরিক্সা বিস্ফোরণের মূল চক্রী মহম্মদ শারিক। তার সঙ্গে তামিলনাড়ুর যোগ ছিল বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, শারিক নিজে কোয়েম্বাতুর গাড়ি বিস্ফোরণে (Coimbatore Blast) অভিযুক্ত জামেসা মুবিনের সঙ্গে গত সেপ্টেম্বরে দেখা করেছিলেন বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) সিরিঙ্গানেল্লুরে তারা দুজনে সাক্ষাৎ করেছিল।  

    মেঙ্গালুরুতে বিস্ফোরণ…

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ মেঙ্গালুরুতে (Mangaluru) বিস্ফোরণের জেরে একটি অটোরিক্সায় আগুন ধরে যায়। অটোর যাত্রী ও চালককে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জখম অটোচালক দাবি করেন, অটোর এক যাত্রীর ব্যাগে আগুন ধরে যায়। সেখান থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফরেনসিক টিম। নমুনা সংগ্রহ করে তারা। পরে জানা যায়, ওই ব্যাগের ভিতরে ছিল একটি প্রেশার কুকার। যেটি ব্যাটারি ও বিস্ফোরকে ঠাসা ছিল। 

    আরও জানা গিয়েছে, শারিক কোয়েম্বাতুরে একটি ডর্মেটরিতে থাকত। সেখানকারই সুরেন্দ্রন নামে একজনের নামে কেনা সিমকার্ডও ব্যবহার করত। সেই সুরেন্দ্রন অবশ্য এখন পুলিশি হেফাজতে। সুরেন্দ্রন ছাড়া শারিক কোয়েম্বাতুরে আর কার কার সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিল, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সুরেন্দ্রন কেন তাকে সিম কার্ড ব্যবহার করতে দিল, তাও জানতে চাইছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: আইএস আদর্শে অনুপ্রাণিত মেঙ্গালুরু অটো বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত

    দীপাবলির ঠিক আগের দিন বিস্ফোরণ ঘটে কোয়েম্বাতুরে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল জামেসা মুবিনের। ওই বিস্ফোরণে শারিকের কোনও হাত রয়েছে কিনা, তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। মুবিনের ছয় সঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলা দায়ের হয়েছে ইউএপিএ ধারায়। ঘটনার মূলে পৌঁছতে এনআইএ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করে শারিকের ব্যাপারে আরও তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে।

    এদিকে, সইদ ইয়াসিন, মাজ মুনির আহমেদ এবং শারিক এই তিনজনে মেঙ্গালুরু (Mangaluru) বিস্ফোরণের রিহার্সাল দিয়েছিল বলেও জেনেছেন তদন্তকারীরা। শিবামোগ্গা জেলার তুঙ্গা নদীর তীরে মহড়া দিয়েছিল তারা। সেখানে বিস্ফোরণ সফলও হয়েছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। মূল অভিযুক্ত শারিক ইসলামিক স্টেটের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে সে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান তদন্তকারীদের। আইসিসের কয়েকজনের সঙ্গে সইদ ইয়াসিন ও মুনির আহমেদের যোগাযোগও শারিক করে দিয়েছিল বলেই জেনেছেন গোয়েন্দারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share