Tag: Kashmir remark

Kashmir remark

  • UNGA: রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য এরদোয়ানের, ‘কোনও বাইরের পক্ষের অধিকার নেই’, সাফ জানাল ভারত

    UNGA: রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য এরদোয়ানের, ‘কোনও বাইরের পক্ষের অধিকার নেই’, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে জম্মু ও কাশ্মীর (Kashmir Remark) প্রসঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করল (UNGA) ভারত। নয়াদিল্লি এই মন্তব্যকে অনভিপ্রেত বলে অভিহিত করে জানিয়েছে, ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত এই বিষয়ে কোনও বাইরের পক্ষের হস্তক্ষেপের অধিকার নেই।

    মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ভারতের এবং ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়ে যে অনভিপ্রেত উল্লেখ করেছেন, ভারত তা প্রত্যাখ্যান করছে।”

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য (UNGA)

    তিনি আরও বলেন, “আপনারা বুঝতেই পারছেন, এটি ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়। এই বিষয়ে কোনও বাইরের পক্ষের কোনও অধিকার বা হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।”

    এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় এরদোয়ান দক্ষিণ এশিয়ার সমস্ত বিরোধের, জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়টি-সহ, রাষ্ট্রসংঘের সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের কাঠামোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রসংঘের নথিতেও এরদোয়ানের ২০২৬ সালের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্যের উল্লেখ রয়েছে।

    জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থান

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে এরদোয়ানের মন্তব্য অবশ্য নতুন নয়। ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সাংবিধানিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের পর তিনি বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। সেই সময়ও নয়াদিল্লি তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল। ২০২১ সালেও রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে এরদোয়ান কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। তবে ২০২৪ সালে তাঁর ভাষণে জম্মু ও কাশ্মীরের কোনও উল্লেখ ছিল (UNGA) না।

    জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। নয়াদিল্লি অঞ্চলটিকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে উল্লেখ করে আসছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধানের পক্ষে (Kashmir Remark) অবস্থান নিয়েছে। ভারত ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির কথাও উল্লেখ করে থাকে। ওই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান শান্তিপূর্ণ উপায়ে এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য মেটানোর বিষয়ে সম্মত (UNGA) হয়েছিল।

     

  • Bilawal Bhutto Zardari: কাশ্মীরে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না, জার্মানিকে স্পষ্টবার্তা ভারতের

    Bilawal Bhutto Zardari: কাশ্মীরে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না, জার্মানিকে স্পষ্টবার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) সমস্যার সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল পাক সরকার। তাকে সমর্থন করে জার্মানিও (Germany)। যদিও সীমান্তপার সন্ত্রাস নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি দুই দেশই। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত। কাশ্মীর নিয়ে তৃতীয় পক্ষের অনধিকার চর্চা যে ভারত মেনে নেবে না, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

    সম্প্রতি যৌথভাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari) এবং জার্মানির বিদেশমন্ত্রী অ্যানালেনা ব্যায়েরবক। এই সাংবাদিক বৈঠকটি হয়েছি বার্লিনে। সেখানে জম্মু-কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল পাক সরকার। তাকে সমর্থন করে জার্মানি। অ্যানালেনা এও বলেন, কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে জার্মানির ভূমিকা ও দায়িত্ব রয়েছে। এর প্রেক্ষিতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন : ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    ভারতের হয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, তামাম বিশ্বের যেসব দেশ সিরিয়াস ও বিবেক সম্পন্ন তাদের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সোচ্চার হেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত সীমান্তপার সন্ত্রাস (Cross-border Terrorism ) নিয়ে। ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরে দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে এমন সন্ত্রাস। এখনও চলছে। সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছেন বহু বিদেশি নাগরিকও। কেবল জম্মু-কাশ্মীরেই নয়, দেশের অন্যত্রও হানা দিচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা। মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার নেপথ্যে যে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা তা জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও এফএটিএফও। পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, যখন কোনও রাষ্ট্র নিজের স্বার্থ বা উদাসীনতার কারণে কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তখন তারা শান্তি নয়, তার বিরুদ্ধে কাজ করে। এভাবে তারা সন্ত্রাসবাদের শিকার হওয়া মানুষদের প্রতি অবিচার করে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানির বিদেশমন্ত্রী কাশ্মীর নিয়ে যে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির (Bilawal Bhutto Zardari)  মন্তব্যকে সমর্থন করেছে, তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share