Tag: Kashmir

Kashmir

  • Jammu Kashmir: পুলিশ কর্তা ও এনআইএ-র অফিসে নাশকতার ছক জঙ্গিদের! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Jammu Kashmir: পুলিশ কর্তা ও এনআইএ-র অফিসে নাশকতার ছক জঙ্গিদের! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় ধরনের নাশকতার ছক লস্কর-ই-তইবা (LeT) এবং জইশ-ই-মহম্মদের (JEM)! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এ ব্যাপারে এনআইএ এবং জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সাবধান করে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যেসব আধিকারিক দিল্লিতে কর্মরত, তাঁদের বাসভবন এবং এনআইএর অফিসে হামলা করার ছক কষছে জঙ্গিরা। এর আগে কেন্দ্রীয় গেয়েন্দা সংস্থার তরফে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর যে হামলা হতে পারে, তা আগাম জানানো হয়েছিল। সেই মতো দিন কয়েক আগে বারমুলায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। তাই এবারও যে এমন কোনও ঘটনা ঘটতে পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে ওই সংস্থা।

    লস্কর-ই-তইবার (LET) ছক…

    গত মাসেই কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুঞ্চ জেলার ভীম্বার এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষীদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। তার জেরে শহিদ হন পাঁচ জওয়ান। জইশ-ই-মহম্মদ এই ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতিও দেয়। গোয়েন্দারা এও জেনেছেন, পাকিস্তান (LET) ভিত্তিক লস্কর কমান্ডার রফিক নাই এবং তার ভাই শামসের নাই পুঞ্চের বালাকোট এলাকায় ডেরা বেঁধেছে। চলতি মাসের শেষের দিকে শ্রীনগরে হতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন। সেই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। তার আগে ভূস্বর্গকে অশান্ত করে তোলাই পাখির চোখ জঙ্গিদের।

    বিস্ফোরক সহ ধৃত ১

    এদিকে, জঙ্গি দমনে প্রাণপণ করেছে সেনা। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) রাজৌরি এবং বারামুল্লায় গত কয়েকদিন ধরেই চলছে জঙ্গি দমন অভিযান। অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসবাদী এবং সেনার গুলির লড়াইয়ে একাধিক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ দাবি করেছে, জঙ্গিদের এক সহযোগীকে দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। তার কাছ থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা ৫ কেজি (LET) ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস উদ্ধার হয়েছে। ধৃতের নাম ইশফাক আহমেদ ওয়ানি।

    আরও পড়ুুন: পটাশপুরে শুভেন্দুর সভা বাতিল প্রশাসনের! রবিবার ফের জনসভার ডাক বিরোধী দলনেতার

    তার বাড়ি বদগামের আরিগাম এলাকায়। ট্যুইট-বার্তায় কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামা পুলিশ সন্ত্রাসবাদে এক সহযোগী ইশফাক আহমেদ ওয়ানিকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে একটি আইইডি উদ্ধার করে একটি বড় দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হয়েছে। মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে, শনিবারও চলে জঙ্গি দমন অভিযান। সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় এক জঙ্গির। তার পরেই আইইডি সহ গ্রেফতার জঙ্গির সহকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G 20: শ্রীনগরে জি-২০-র বৈঠক, ভূস্বর্গে ব্যাপক প্রচার

    G 20: শ্রীনগরে জি-২০-র বৈঠক, ভূস্বর্গে ব্যাপক প্রচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর জি-২০র (G 20) সভাপতিত্ব করার দায় বর্তেছে ভারতের (India) ওপর। গত বছর সেপ্টেম্বর থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় জি-২০ উপলক্ষে হচ্ছে নানা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান হবে কাশ্মীরেও। সেই কারণে ভূস্বর্গের বিভিন্ন জেলায় এ নিয়ে শুরু হয়েছে প্রচার। ভারতের সভাপতিত্বেই যে এবার জি-২০-র বৈঠক হচ্ছে, ভারতে তাও প্রচার করা হচ্ছে। কাশ্মীরের তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই ভারতের এই গর্বিত নেতৃত্বই তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। এই সচেতনতা প্রচারের লক্ষ্যে সম্প্রতি কাশ্মীরের বারমুলা জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর জি-২ ওয়াকাথন’। দৌড় শুরু হয় গভর্নমেন্ট বয়েজ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে। রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষাঞ্চলের নানা স্কুলের পড়ুয়া, তাঁদের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অশিক্ষক কর্মচারীরা অংশ নেন এই দৌড়ে।

    তরুণদের পাশাপাশি রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে জি-২০ (G 20) সম্পর্কে ভারতের গুরুদায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেই আয়োজন করা হচ্ছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের। বারমুলার ডেপুটি কমিশনার সইদ শেরিষ আসগর বলেন, রাজ্যের ইউথ সার্ভিসেস এবং স্পোর্টস ডিপার্টমেন্ট এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। লক্ষ্য হল, রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে এ ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তোলা। তিনি আরও বেশি সংখ্যক পড়ুয়া এবং সাধারণ মানুষকে এই প্রচার কর্মসূচিতে যুক্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষকে। উপত্যকায় যে বৈঠক হতে চলেছে, সেখানে যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন, সে ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতেই জোরকদমে চলছে প্রচার কর্মসূচি।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যাভিষেক রাজা তৃতীয় চার্লসের, জানুন রাজকীয় প্রথা সম্পর্কে

    কেবল বারমুলা নয়, রাজ্যের অন্যান্য জেলায়ও পালিত হচ্ছে সচেতনতামূলক প্রচার কর্মসূচি। বান্দিপোরায় ইউথ সার্ভিসেস এবং স্পোর্টস ডিপার্টমেন্ট ওয়াকাথনের আয়োজন করেছিল। অংশ নিয়েছিল জেলার বিভিন্ন স্কুলের ১২০০ পড়ুয়া। বদগামে ইউথ সার্ভিসেস এবং স্পোর্টস ডিপার্টমেন্ট ওয়াকাথনের আয়োজন করেছিল। তাতেও অংশ নিয়েছিল প্রচুর পড়ুয়া। প্রসঙ্গত, ২২ থেকে ২৪ মে শ্রীনগরে হবে জি-২০-র (G 20) বৈঠক। বিশ্বের ২০টি প্রধান অর্থনীতির দেশ এর সদস্য। এই দেশগুলি হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ইংল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu & Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ ৫ জওয়ান, জখম ১

    Jammu & Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ ৫ জওয়ান, জখম ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) ফের জঙ্গি হানা (Terrorist Attack)।  বৃহস্পতিবারের ওই হানায় শহিদ হয়েছেন পাঁচ জওয়ান। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও একজন। এদিন জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি সেক্টরের পুঞ্চ এলাকায় সামরিক বাহিনীর একটি ট্রাকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পাঁচজনের। একজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন বেলা তিনটে নাগাদ আচমকাই ভীমবার গলি এলাকায় সেনার একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। ছোড়া হয় গ্রেনেডও। সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায় গাড়িটিতে। জীবন্ত দগ্ধ হন পাঁচজন। সেনার নর্দার্ন কমান্ডের  হেড কোয়ার্টারর্সের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল উপত্যকায়। তার জেরে দৃশ্যমানতাও ছিল কম। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছে জঙ্গিরা।

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir)…

    তবে জঙ্গিদের কোন (Jammu & Kashmir) গোষ্ঠী এই ঘটনায় জড়িত তা জানা যায়নি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জঙ্গিরা গ্রেনেড ছোড়ায় আগুন লেগে যায় সেনার গাড়িটিতে। জানা গিয়েছে, এলাকায় জঙ্গি-বিরোধী অপারেশনে মোতায়েন করা হয়েছিল রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ৫ জওয়ানকে। জঙ্গিদের হামলায় মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এক সেনাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই জওয়ান। সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলেও খবর সেনা সূত্রে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, পুঞ্চের ঘটনায় আমি ব্যথিত। এখানে ভারতীয় সেনা হারিয়েছে তাদের পাঁচজন সাহসী জওয়ানকে। একটি ট্রাকে আগুন লেগে যাওয়াতেই এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত জওয়ানদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই।

    বুধবারই পাকিস্তানের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, আগামী মাসে গোয়ায় প্রস্তাবিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনসের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে আসবেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। তার ঠিক পরে পরেই, এই ঘটনা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। প্রসঙ্গত, মে মাসে শ্রীনগরে (Jammu & Kashmir) জি-২০ ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক হওয়ার কথা। গত সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল উপত্যকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৈঠক করেছিলেন। তার দিন কয়েক পরেই ঘটল সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা।

    আরও পড়ুুন: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, টার্গেট কিলিংয়ের বলি আরও এক হিন্দু

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, টার্গেট কিলিংয়ের বলি আরও এক হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) ফের টার্গেট কিলিংয়ের শিকার এক হিন্দু (Hindu)। রবিবার সকালে বাজার যাওয়ার পথে খুন করা হয়েছে ওই সংখ্যালঘু হিন্দুকে। মৃতের নাম সঞ্জয় শর্মা। ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। পুলিশ জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সঞ্জয় শর্মা নামের এক কাশ্মীরি হিন্দুর। তিনি আচানের বাসিন্দা। এদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সঞ্জয় মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে।

    টার্গেট কিলিং…

    সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সঞ্জয় একটি ব্যাঙ্কে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। একটি ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশ। ট্যুইট-বার্তায় লেখা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদীরা স্থানীয় বাজারে যাওয়ার সময় আচান পুলওয়ামার সঞ্জয় শর্মা নামে এক সংখ্যালঘু সাধারণ নাগরিকের ওপর গুলি চালায়। ঘটনার পরে পরেই গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত চার মাসের মধ্যে এটিই প্রথম কোনও হিন্দুর ওপর সন্ত্রাসবাদীদের হামলা। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। গত দু দিনের মধ্যে সঞ্জয়ই জঙ্গিদের প্রথম বলি।

    আরও পড়ুুন: ভুয়ো কলেজ, জাল ডিগ্রি, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে তাজ্জব ইডি

    গত বছর কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) পর পর বেশ কয়কটি টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা ঘটে। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগই হয় পরিযায়ী শ্রমিক নয় কাশ্মীরি পণ্ডিত। গত বছর কাশ্মীরেরই কুলগামের গোপালপাড়ায় সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে খুন হন রজনী বালা নামে এক স্কুল শিক্ষিকা। তিনি জম্মুর সাম্বার বাসিন্দা ছিলেন। বছর ছত্রিশের ওই মহিলাও হয়েছিলেন টার্গেট কিলিংয়ের শিকার।

    এর আগে কাশ্মীরের বদগামে রাহুল ভাট নামের এক সরকারি কর্মী খুন হন। তেহসিল দফতরে ঢুকে জঙ্গিরা তাঁকে খুন করে বলে অভিযোগ। তারও সপ্তাহখানেক আগে বদগামে খুন হন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার আমরিন ভাট। গুলিতে জখম হয়েছিল তাঁর বছর দশেকের ভাইপো। সেই হামলার পিছনে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার হাত ছিল বলে দাবি করেছিল পুলিশ। গত বছর মে মাসে জঙ্গি হামলায় কাশ্মীরে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। তার মধ্যে আবার চারজন পুলিশ কর্মী। বাকি চারজন সাধারণ নাগরিক। একের পর এক হিন্দু টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হওয়ায় উপত্যকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kashmir: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে মোদি সরকার?

    Kashmir: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে মোদি সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের জমানায় নেওয়া হয় এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সংবিধান থেকে অবলুপ্ত করে দেওয়া হয় ধারা ৩৭০, বিশেষ মর্যাদা হারায় জম্মু-কাশ্মীর। সেসময় উপত্যকা জুড়ে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই ঘটনার এখন তিন বছর পার হয়েছে। ফলে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ভূস্বর্গ থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

    সূত্রের খবর, বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সাড়ে তিন বছর পর উপত্যকা থেকে সেই সেনা প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শীর্ষস্তর থেকে এই প্রস্তাব মঞ্জুর হলেই এই প্রস্তাব কেবল নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সশস্ত্র বাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। ফলে এই প্রস্তাবনা গৃহীত হলে জম্মু-কাশ্মীরে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ছাড়া আর কোথাও সেনা মোতায়েন থাকবে না। সূত্রের খবর, গত দু’বছর ধরেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    নিরাপত্তার দায়িত্বে সিআরপিএফ

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনাকে কাশ্মীরের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেখানে সিআরপিএফকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্যই সিআরপিএফ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    কেন এই পরিকল্পনা?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেছেন, সরকার দাবি করেছে যে ২০১৯ সালের অগাস্ট থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নিরাপত্তা কর্মীদের হত্যার ঘটনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। কমেছে সেনাবাহিনীর ওপর পাথর ছোঁড়ার ঘটনাও। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত, দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের পর সেখানকার দায়িত্বে থাকবে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। আরও জানা গিয়েছে, উপত্যকার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলসকেও তিনটি ভাগে তুলে নেওয়া হবে। সিআরপিএফকে দিয়ে তাদের আংশিক প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই পরিকল্পনায় রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য সংখ্যা হ্রাস করা হবে, তাদেরকে একেবারে প্রত্যাহার করা হবে না। এইভাবে প্রায় ১৫ হাজার রাষ্ট্রীয় রাইফেলস প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে তৈরি করা হয় রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তখন থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ দমনে নেতৃত্বে দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তবে ২০০৫ সাল থেকে শ্রীনগরে জঙ্গি দমন অভিযান পরিচালনা করে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।

  • Lithium Deposits: দেশে প্রথমবার! জম্মু ও কাশ্মীরে মিলল লিথিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার

    Lithium Deposits: দেশে প্রথমবার! জম্মু ও কাশ্মীরে মিলল লিথিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় মিলল লিথিয়ামের ভাণ্ডার। বৃহস্পতিবার ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, রিয়াসির সালাল-হাইমানা এলাকায় ৫.৯ মিলিয়ন টন লিথিয়াম ইনফার্ড রিসোর্স (G3) পাওয়া গেছে। এই প্রথম দেশে এত বড় লিথিয়াম খনির সন্ধান মিলল। এই খবর সামনে আসতেই দেশজুড়ে খুশির হওয়া বইতে শুরু করেছে। এর কারণ লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরির জন্য ব্যাবহৃত হয়। ভারত এই সমস্ত ব্যাটারি চিন থেকে আমদানি করে। খনি মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, লিথিয়ামের পাশাপাশি ৫টি সোনার খনির হদিস পাওয়া গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পাশাপাশি ছত্তীসগঢ়, গুজরাত, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানাতেও খনিজ পদার্থ পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে পটাশ, মলিবডেনামের মতো খনিজ।

    লিথিয়ামের প্রয়োজনীয়তা

    লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরিতে চিনের উপর নির্ভরশীলতা ঝেড়ে ফেলতে চাইছে ভারত। তার তোড়জোড় শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এক্ষেত্রে কেন্দ্রের ফোকাসে রয়েছে লিওনেল মেসির দেশ আর্জেন্টিনা। সেখানে রয়েছে খনিজ পদার্থ লিথিয়ামের খনি।  আগামী দিনগুলিতে দেশে যে লিথিয়াম ব্যাটারির চাহিদা আরও বাড়বে তা জানে কেন্দ্র। কারণ, এই মুহূর্তে সরকার বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে উৎসাহ দিচ্ছে। এই বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি তৈরিতে লিথিয়াম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ফলে ভারতেরও যে আগের তুলনায় বিপুল পরিমাণে লিথিয়ামের চাহিদা বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে লিথিয়াম ব্যাটারির যে চাহিদা রয়েছে 3GWh তা ২০২৬ সাল নাগাদ বেড়ে হতে পারে 20GWh এবং সব শেষে ২০৩০ সাল নাগাদ বেড়ে হতে পারে 70GWh। এই সময়ে দেশে লিথিয়ামের ভাণ্ডারের সন্ধান মেলায় স্বভাবতই খুশির হাওয়া কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী।

    আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি! রাজ্যসভায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    কাশ্মীরের খনিজ সম্পদের অধিকর্তা রিয়াসি শফিক আহমেদ জানিয়েছেন, সালাল-হাইমানা অঞ্চলে যৌগিক আকারে বক্সাইটের খনি ছিল। সেখানেই খননের সময় লিথিয়ামের সন্ধানও পাওয়া গিয়েছে। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া পরীক্ষা করে দেখেছে লিথিয়ামের বৃহৎ উপস্থিতি।  এবার ওই অঞ্চলকে নিলামের জন্য দেওয়া হবে। যে দেশীয় সংস্থা ওখানে উত্তোলনের দায়িত্ব পাবে, তাদের তত্ত্বাবধানেই কাজ শুরু হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pakistan Kashmir: কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারের চেষ্টা পাকিস্তানের! কী বললেন সেনা অফিসার?

    Pakistan Kashmir: কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারের চেষ্টা পাকিস্তানের! কী বললেন সেনা অফিসার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরকে অশান্ত করতে সীমান্তের ওপার থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে উপত্যকার শান্তি বিঘ্নিত করতে সদা সচেষ্ট পাকিস্তান। কাশ্মীরকে আগুনের স্তূপে বসাতে চাইছে তারা। অভিমত ভারতীয় সেনার।

    উপত্যকাকে অশান্ত করা প্রয়াস

    সেনার ১৯ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিসনের মেজর জেনারেল অজয় চন্দপুরিয়া বলেন, বিভিন্ন এজেন্সির কাছ থেকে গত দুই সপ্তাহ ধরে ইনপুট মেলে যে, অনুপ্রবেশের চেষ্টা হতে পারে এবং উরির রামপুর সেক্টরের হাতলঙ্গা এলাকার জঙ্গিরা যুদ্ধের রসদ মজুত করতে পারে। তার পরেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা। হাতলঙ্গা এলাকায় গত শুক্রবার প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানোর পর আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা-বারুদ উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- আটটি একে-৭৪ রাইফেল, ২৪টি একে-৭৪ রাইফেল ম্যাগাজিন, ৫৬০টি ৭.৬২ মিমি একে-৭৪ লাইভ অ্যামিউনিশন, ২৪টি চাইনিজ পিস্তল ম্যাঙ্গানিজ-সহ অন্যান্য সামগ্রী। রবিবার ওই সেনা আধিকারিক জানান, কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক। কারণ, এখানে এখন জঙ্গি এবং যুদ্ধের রসদ সর্বকালীন কম অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু তা নষ্ট করতে চাইছে পাকিস্তান। 

    আরও পড়ুন: গুজরাট বিধানসভায় বিপুল জয় বলে দিয়েছে লোকসভা নির্বাচনে কী হবে! অভিমত অমিত শাহের

    সতর্ক ভারতীয় সেনা

    এই মুহূর্তে উপত্যকায় আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলা-বারুদ কম পরিমাণে থাকায় পাকিস্তান জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা-বারুদ কাশ্মীরে পাচার করছে। জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার উরি সেক্টর থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রে লেখা রয়েছে, “আই লাভ পাকিস্তান”। মেজর জেনারেল অজয় চন্দপুরিয়া বলেন, “কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে বিরাজমান শান্তি ও সমৃদ্ধি মেনে নিতে পারছে না পাকিস্তান। তাই তারা এই ধরনের মরিয়া প্রয়াস চালাচ্ছে।” তবে তিনি জানান, সেনাবাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং কাশ্মীরে কোনও অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়া যাবে না। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডা ও বরফের স্তরকে কাজে লাগিয়ে যাতে কোনওরকম জঙ্গি কার্যকলাপ না বাড়তে পারে তার দিকে নজর রয়েছে সেনার। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indresh Kumar: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    Indresh Kumar: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) অধিকৃত কাশ্মীর (Kashmir) আমাদের। ফের আমাদের হওয়া উচিত। এই কথাগুলি যিনি বলেছেন তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ মেম্বার ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar)। শুক্রবার ছিল মুসলিম ন্যাশনাল ফোরামের ২১তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ইন্দ্রেশ কুমারকে। এই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, বালুচিস্তান এবং সিন্ধের মতো অঞ্চলগুলি পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যেতে পারে। সেখানকার বাসিন্দারা পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা বলছেন। এবং এজন্য তাঁরা লাগাতার আন্দোলন করে চলেছেন।

    আরএসএসের এই নেতা বলেন…

    আরএসএসের এই নেতা বলেন, যদি মানুষ ধর্মান্ধতার চোখে একে দেখেন, তাহলে উত্তরও বদলে যাবে। যদি তাঁরা সততার সঙ্গে বিবেচনা করেন, তাহলে সত্য প্রকাশ্যে আসবেই। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের ওই অনুষ্ঠানে ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, পাকিস্তানেই স্লোগান উঠছে, কাশ্মীর ছাড়া পাকিস্তান অসম্পূর্ণ। তিনি (Indresh Kumar) বলেন, এটা আমাদেরও কর্তব্য। ভারতীয়দেরও বলতে হবে লাহোর, করাচি ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ। এট মসজিদ, মাদ্রাসা এবং জনসভায় বলতে আমাদের সমস্যা কোথায়?  

    আরও পড়ুন: প্রাক নববর্ষে এক পদ, এক পেনশন নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের, জানুন বিশদে

    পাকিস্তানকে নিশানা করে ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar) গালিব অডিটোরিয়ামের একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আমরা আমাদের দেশকে ভালবাসি। তোমরা তোমাদের দেশকে ভালবাস। তোমরা যদি আমাদের ভালবাসা চুরি কর, তাহলে তোমাদেরও আয়না দেখাতে হবে। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের ২০তম প্রতিষ্ঠা সভায় ইন্দ্রেশ কুমার বলেছিলেন, এতে আমাদের কী সমস্যা হবে যদি বলি নানকানা সাহিব, সারদাপীঠ, লাহোর, করাচি ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ। এবং এটাই সত্য। তিনি বলেন, কৈলাশ-মানস সরোবরও আমাদের। আবারও আমাদের হওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের উপহার! ২০২৩-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেবে কেন্দ্র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

  • Islamic Terrorism: ‘এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান’, ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি চিঠি জঙ্গিদের

    Islamic Terrorism: ‘এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান’, ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি চিঠি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান। সম্প্রতি এই ভাষায়ই সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmir Pandits) হুমকি দিয়েছে কাশ্মীর ফাইট নামে এক জঙ্গি সংগঠন (Islamic Terrorism)। একটি চিঠি দিয়ে তারা এই হুমকি দিয়েছে। তাতেই লেখা হয়েছে, ট্রানজিট কলোনিগুলিকে পুনর্বাসন পাওয়া পণ্ডিতদের কবরস্থানে পরিণত করার হুমকি।

    ট্রানজিট কলোনি...

    উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার সুম্বল এলাকার ওডিনা গ্রামে তৈরি হচ্ছে অভিবাসী কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের জন্য ট্রানজিট কলোনি। এদিন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বারামুল্লা ও বান্দিপোরায় কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের ওই কলোনিগুলি পরিদর্শন করেন। তারই কয়েক ঘণ্টা পরে হুমকি চিঠি জঙ্গিদের।

    জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীর ফাইট সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পাশাপাশি নয়া ট্রানজিট কলোনি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারদেরও হুমকি দিয়েছে। সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একটি তালিকা প্রকাশ করে কাশ্মীর ফাইট চিঠিতে পণ্ডিতদের উপনিবেশকে ইজরায়েলি ধরনের বসতি স্থাপন বলে অভিহিত করেছে। তাতে লেখা হয়েছে, এটি কেবল সময়ের ব্যাপার যখন প্রতিরোধকারী যোদ্ধাদের রাগ সেই সব বিশ্বাসঘাতকদের ওপর আছড়ে পড়বে। প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের বলির পাঁঠাদের আত্মবিশ্লেষণ প্রয়োজন। এই আধিপত্যকারী ফ্যাসিবাদী শাসন আপনাকে কীভাবে ব্যবহার করে, তা বুঝুন। কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা আপনার ওপর নির্ভর করবে। এই কলোনিগুলিই আপনাদের কবরস্থান। চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, যেসব ঠিকাদার সংস্থা কলোনি নির্মাণ করছে, তাদেরও রেয়াত করা হবে না। যে বা যারাই এর সঙ্গে যুক্ত, তাদের প্রত্যেককেই উপযুক্ত সাজা দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    জঙ্গিদের হুমকি চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মনে রাখবে, যখন সমুদ্র খেপে ওঠে, তখন এর যাত্রাপথে যা পড়ে, তাকেই ধ্বংস করে। প্যাকেজ পাওয়া বলির পাঁঠারা এবং অন্যান্য যাঁরা স্থানীয় নয় কিংবা বিদেশি, লেফটেন্যান্ট মনোজ সিনহার কর্মীরা তাঁদের কবরের কারণ হবেন। চলতি মাসের শুরুতে এই জঙ্গি গোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসন প্যাকেজের অধীনে শিক্ষক হিসেবে কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মরত ৫৭ কাশ্মীরি পণ্ডিতকে হুমকি দেয়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব হয়েছিলেন সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। এহেন আবহেই এল ফের হুমকি চিঠি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের ‘বুলডোজার থিয়োরি’র প্রয়োগ এবার কাশ্মীরেও (Kashmir)! সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি বানিয়েছিল কুখ্যাত এক জঙ্গি (Terrorist)। সে জইশ কমান্ডার (Jaish Commander)। নাম আশিক নেঙ্গরু। পুলওয়ামা জেলার রাজপোরা এলাকায় নিউ কলোনিতে আস্ত একটা দ্বিতল বাড়ি বানিয়েছিল সে। শনিবার বুলডোজার চালিয়ে বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

    সন্ত্রাসবাদীর তালিকায়…

    কেন্দ্রের সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় নাম রয়েছে কাশ্মীরের বাসিন্দা আশিকের। একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত সে। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার আশিক নেঙ্গরুর হাত রয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এহেন আশিকের একটি দোতলা বাড়ি ছিল নিউ কলোনিতে। বাড়িটি অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে সরকারি জমির ওপর। এদিন বাড়িটি ভেঙে দেয় প্রশাসন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আশিক (Jaish Commander) জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশে সাহায্য করে। এলাকায় নানা সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও জড়িত সে। কাশ্মীরে সে একটি সন্ত্রাস সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম করতে ব্যাপক প্রচারও চালাচ্ছে। পাকিস্তানে বসেই এসব করছে সে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর পঁয়ত্রিশের এই কুখ্যাত জঙ্গি কোনওভাবে সপরিবারে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। সেখান থেকেই সন্ত্রাস সংগঠিত করছে।

    আরও পড়ুন: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    জম্মু-কাশ্মীরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিধানসভা। পরিণত করা হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উপত্যকা থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পরেই সন্ত্রাস দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। জঙ্গিদমনের অংশ হিসেবেই সেপ্টেম্বর ও চলতি ডিসেম্বরে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যার জেরে উপত্যকায় ক্রমেই ফিরছে কাঙ্খিত শান্তি। আগামী বছর জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে পারে কেন্দ্র। সেজন্য চলছে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ। এমতাবস্থায় নিউ কলোনিতে খোঁজ মেলে আশিকের বাড়ির। জানতে পারে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে সরকারি জমি দখল করে। তার পরেই বাড়িটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গিযোগের অভিযোগে মাঝেমধ্যেই প্যালেস্টাইনে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয় ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকারও কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের অবৈধভাবে গড়ে তোলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় বুলডোজার চালিয়ে। এবার সেই একই পন্থা অবলম্বন করল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share