Tag: kashmiri pandit

kashmiri pandit

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ফের আগুন, আবারও পুড়ল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বাড়ি, নাশকতা?

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ফের আগুন, আবারও পুড়ল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বাড়ি, নাশকতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে ভূস্বর্গে আগুন জ্বালানোর সুযোগ করে দিয়েছিল কংগ্রেস। যার জেরে ভিটেছাড়া হতে হয়েছিল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit)। তাঁদের ফেলে আসা (Jammu And Kashmir) জমি-জিরেত দখল করে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে কড়া হাতে জঙ্গি দমন করে উপত্যকায় অশান্তির আগুনে জল ঢালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকে মোটামুটি শান্তই জম্মু-কাশ্মীর।

    পুড়ল পাঁচ বাড়ি (Jammu And Kashmir)

    মঙ্গলবার গভীর রাতে ফের অশান্তির আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গেল পাঁচ-পাঁচটি বাড়ি। সবগুলোই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার মাত্তান এলাকার ঘটনা। মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দিতেই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়িগুলিতে। তাঁরা যাতে ভূস্বর্গে আর না ফেরেন, তাই নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে হুমকি দেওয়া হল ভিটে ছেড়ে আসা পণ্ডিতদের।

    নিভল আগুন 

    আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন মাত্তানের এসএইচও। পুলিশ ও দমকলকে সঙ্গে নিয়েই আসেন তিনি। ঘণ্টা চারেকের চেষ্টায় আগুন আয়ত্তে আসে (Jammu And Kashmir)। এসএইচও-র আশ্বাস, তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। দমকলের আধিকারিক নাসির আহমেদ বলেন, “খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে চলে আসি। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় ঘণ্টা চারেকের মধ্যেই আগুন আয়ত্ত্বে আসে।”

    বুধবার গভীর রাতের এই আগুনের দিন দুয়েক আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল এই মাত্তান এলাকায়ই। সেদিন কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের তিনটি বাড়ি পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে ফের অগ্নিকাণ্ড। এবং লক্ষ্যবস্তু পণ্ডিতদের বাড়িই।

    আরও পড়ুন: অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান জনসংখ্যা, চোখ কপালে তুলবে পরিসংখ্যান

    কাশ্মীর সারদাপীঠ আস্থাপনের সভাপতি রবীন্দ্র পণ্ডিত জানান, এই বাড়িগুলির বাসিন্দারা সকলেই বাইরে থাকেন। তাঁরা কাশ্মীরি উদ্বাস্তু। বাড়িগুলিতে কেউ থাকেন না। তাই শর্ট সার্কিট কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই। স্পষ্টতই এটা নাশকতার ঘটনা। তিনি বলেন, “সংখ্যালঘু সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব জেলার ডেপুটি কমিশনারের। তিনি উপযুক্ত পদক্ষেপ করছেন না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit) ফেলে যাওয়া সম্পদ রক্ষায় সরকার পদক্ষেপ করুক।” পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানান তিনি (Jammu And Kashmir)।

    অল টেম্পলস অ্যান্ড শ্রাইনস ইন সাউথ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট অশোক কুমার বলেন, “আমরা এতে ভীত নয়, পরোয়াও করি না। ১৯৯০ সাল থেকে এই হুমকি আমরা পাচ্ছি। কিন্তু এটা আমাদের জন্মভূমি। আমরা আমাদের মন্দির ও বিল্ডিংগুলো সংস্কার করছি। ওদের কাজে আমরা পিছিয়ে আসব না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সম্পত্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সারদা পীঠের পবিত্র জল অযোধ্যায় পাঠালেন জনৈক মুসলিম

    Ram Mandir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সারদা পীঠের পবিত্র জল অযোধ্যায় পাঠালেন জনৈক মুসলিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের এক মুসলিম বাসিন্দা সারদা পীঠ কুণ্ডের পবিত্র জল রামলালার (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা উৎসবে অযোধ্যা পাঠালেন। এই পবিত্র জল ব্রিটেনের মাধ্যমে তিনি ভারতে পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ‘সেভ সারদা কমিটি কাশ্মীর’ নামের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্র পণ্ডিতা এ বিষয়ে বলেন,‘‘পবিত্র জল সরাসরি ভারতে পাঠানো সম্ভব হয়নি তার কারণ ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে পোস্টাল সার্ভিস বন্ধ রয়েছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের পরেই। তাই ব্রিটেনের মাধ্যমে এই জল পবিত্র রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir) পাঠানো হয়েছে।’’

    জনৈক তানভির আহমেদ এই পবিত্র জল রাম মন্দিরের নির্মাণের জন্য পাঠিয়েছেন

    জানা গিয়েছে, জনৈক তানভির আহমেদ এবং অন্যান্যরা এই পবিত্র জল রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নির্মাণের জন্য পাঠিয়েছেন। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুসলিম সম্প্রদায়ের নাগরিকরা এই জল সংগ্রহ করেন এবং তা ইসলামাবাদে পাঠান সেখান থেকেই তানভির আহমেদের লন্ডনবাসী কন্যা মাঘরিবির কাছে পাঠানো হয়।  জানা গিয়েছে, এরপরে মাঘরিবি ওই জল সোনাল শের নামের জনৈক কাশ্মীরি পণ্ডিতকে পাঠান। পরবর্তীকালে এই জল দিল্লিতে আসে। রবীন্দ্র পণ্ডিতা আরও জানিয়েছেন, পবিত্র এই জল এশিয়া ইউরোপ মহাদেশ ঘুরে ভারতে এল। প্রসঙ্গত সারদা সর্বজ্ঞান পীঠে ১৯৪৮ সাল থেকেই ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে।

    ‘সেভ সারদা কমিটি কাশ্মীর’ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনটি উদযাপন করবে

    শুধু জলই নয় এর আগে মাটি এবং শিলাও এসেছে সারদা কুণ্ড থেকে। এটা খুব গর্বের বিষয় যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার মুহূর্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনসাধারণেরও যোগদান রইল, এমনটাই বলছেন সেভ সারদা কমিটির সদস্যরা।  প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ জুন শৃঙ্গেরি মঠের শঙ্করাচার্য সারদা মন্দিরের উদ্বোধনও করেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২২ জানুয়ারি সেভ সারদা কমিটি- এর সদস্যরা প্রদীপ জ্বালিয়ে দিনটি উদ্বোধন করবেন লাইন অফ কন্ট্রোল এর কাছে। কাশ্মীরের কুপোয়ারা জেলাতে এই উদযাপন হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan: প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ ভজনলাল শর্মার

    Rajasthan: প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ ভজনলাল শর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে রাজস্থানের (Rajasthan) ১৫তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ভজনলাল শর্মা। এদিনই তাঁর সঙ্গে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে দেখা যায় দিয়া কুমারী এবং প্রেমচাঁদ বৈরওয়াকে। শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্র। রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে (Rajasthan) হয় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এবং দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও মন্ত্রী শপথ নেননি। বিজেপির সূত্রে খবর, পরবর্তী সময় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হবে।

    কারা হাজির ছিলেন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি, উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য সমেত অন্যান্যরা। এই দিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজস্থানের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটও।

    শপথের আগে জয়পুরের একটি মন্দিরে পুজো দেন ভজনলাল

    শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের (Rajasthan) আগে জয়পুরের একটি স্থানীয় মন্দিরে পুজো অর্পণ করেন মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা। তার আগে তিনি বাবা এবং মায়ের পা ধুয়ে প্রণামও করেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপি নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রসঙ্গত, ছত্তিসগড়, রাজস্থান (Rajasthan), মধ্যপ্রদেশের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয় ৩ ডিসেম্বর। সেদিনই তিন রাজ্যে বিপুল জয় পায় বিজেপি। তারপরে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাকি ২ রাজ্যের মতো রাজস্থানেও পর্যবেক্ষক দল গঠন করে। পর্যবেক্ষক দল বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেন ভজনলালকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও ছিলেন এই পর্যবেক্ষক দলে। তাঁর উপস্থিতিতে ভজনলালের নাম ঘোষণা করেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া।

    প্রাক্তন এবিভিপি কর্মী ছিলেন ভজনলাল

    এর আগে ভজনলাল বিজেপির রাজস্থানের সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছেন। ভজনলাল শর্মা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের প্রাক্তন কর্মী বলে পরিচিত। তিনি ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের বিতাড়ণের বিরুদ্ধে এবিভিপির আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে ছিলেন। সেই সময় অযোধ্যায় রাম মন্দির আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০ আসন বিশিষ্ট রাজস্থান (Rajasthan) বিধানসভাতে বিজেপি জিতেছে ১১৫টি আসনে কংগ্রেস জিততে সমর্থ হয়েছে ৬৯ আসনে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmiri Pandits: কাশ্মীরি পন্ডিতদের অনলাইনে হুমকি চিঠি দিল জঙ্গি সংগঠন

    Kashmiri Pandits: কাশ্মীরি পন্ডিতদের অনলাইনে হুমকি চিঠি দিল জঙ্গি সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজে জম্মু ও কাশ্মীরের অসংখ্য পন্ডিতের (Kashmiri Pandits) কর্মসংস্থান হয়েছে। কাশ্মীরি পন্ডিতদের (Kashmiri Pandits) উপর অত্যাচারের কাহিনী নতুন কিছু নয়। এবার প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজে যাঁরা কাজ পেয়েছেন, সেই সব কাশ্মীরি পন্ডিতদের ভয় দেখাচ্ছে মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠনগুলি।  এমনটাই অভিযোগ কাশ্মীরি পন্ডিতদের। অনলাইন হুমকিপত্রে কাজের স্থান উল্লেখ করে কমপক্ষে ৫৬জন পন্ডিত কর্মচারীর নাম প্রকাশ করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। 

    অল মাইগ্রেন্ট ডিসপ্লেসড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন কাশ্মীর (এএমডিইএকে)-এর সভাপতি রুবন সাপ্রো, সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জঙ্গি হুমকির পরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পন্ডিতরা। কর্মচারীরা আতঙ্কিত। প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজের অধীনে নিয়োগ করা পন্ডিত কর্মীদের হুমকি চিঠি  kashmirfight.com-এ পোস্ট করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই ওয়েবসাইট ব্ল্যাক লিস্টেড।

    পুলিশের বিবৃতি

    পুলিশ আধিকারিকরা বলেন,ব্লগটি লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিরা চালাচ্ছে। অনলাইন হুমকি চিঠিতে জঙ্গিরা ৫৬ জন কাশ্মীরি পণ্ডিত (Kashmiri Pandits) কর্মচারীর পোস্টিং স্থান সহ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এটি কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) একটি ছোট্ট তালিকা, যাঁদের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের অধীনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    রুবন সাপ্রু আরও বলেন, জঙ্গিরা ৫৬জন পন্ডিত কর্মচারীর নাম প্রকাশ করেছে। এটি একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। সরকারের উচিত এই ঘটনার তদন্ত করা। কীভাবে জঙ্গিরা উপত্যকায় কর্মরত পণ্ডিত কর্মচারীদের সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যাচ্ছে, তা আশ্চর্যের বিষয়। তালিকায় নাম থাকা কর্মচারীরা খুবই আতঙ্কিত। সবাই ভয়ে আছেন।

    আরও পড়ুন: দিল্লি গেলেন মমতা! দেখা হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে, একান্তে কথা হবে কি?

    চলতি বছরে হত্যা করা হয় পন্ডিত রাহুল ভাটকে

    প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর চাকরির প্যাকেজের অধীনে নিয়োগ করা প্রায় ৫০০০ পণ্ডিত কর্মচারী  উপত্যকায় তাঁদের কাজের জায়গায় উপস্থিত হতে পারছেন না। চলতি বছরের ১২ মে থেকে নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করছেন তাঁরা। কারণ মধ্য কাশ্মীরের বুদগাম জেলার চাদুরাতে তহসিল অফিসের ভিতরে ঢুকে পণ্ডিত কর্মচারী রাহুল ভাটকে জঙ্গিরা গুলি করে হত্যা করেছিল। এরপর থেকে উপত্যকায় জঙ্গিদের হাতে আরও দুই পণ্ডিত নিহত হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Terrorism: ফের কাশ্মীরি পন্ডিতের রক্তে ভিজল উপত্যকা

    Terrorism: ফের কাশ্মীরি পন্ডিতের রক্তে ভিজল উপত্যকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুর রক্তে ফের রক্তাক্ত উপত্যকা (Terrorism)। সন্ত্রাসবাদীদের হাতে আবার খুন হলেন কাশ্মীরি (Jammu and Kashmir) পন্ডিত (Kashmiri Pandit)। মৃত ব্যক্তির নাম পুরণ কৃষাণ ভাট। এই ঘটনার পরই সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। ঘটনায় উত্তাল জম্মু কাশ্মীর। বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। শনিবার সকালে বাড়ির সামনে তাঁকে গুলি করে পালায় জঙ্গিরা। কাশ্মীর পুলিশ ট্যুইটারে জানিয়েছে, “সোপিয়ানের চৌদারি গুণ্ড এলাকায় বাগিচায় যাচ্ছিলেন পুরাণকৃষাণ। তখন ওই সংখ্যালঘুকে নিশানা করে গুলি করে পালায় জঙ্গিরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু চলছে।”  

     


          
    দক্ষিণ কাশ্মীর জেলার চৌধরি গুন্ড এলাকায় পুরন ভাটের বাড়ির সামনেই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছে। গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে সোপিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দুটি সন্তান রয়েছে ভাটের। একজন সপ্তম শ্রেণি ও অন্যজন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। মৃত ব্যক্তির পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে বাইরে যেত না পুরণ। ঘরেই থাকত। সন্ত্রস্ত পরিবারের সবাই। 

    পন্ডিত খুনের দায় স্বীকার করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘কাশ্মীর ফ্রিডাম ফাইটার’। ডিআইজি সুজিত কুমার বলেন, ” কাশ্মীর ফ্রিডাম ফাইটার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে মন্তব্য করতে চাই না। সেই মুহূর্তে সেখানে এক নিরাপত্তারক্ষী উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তারক্ষী ওই এলাকায় একজনকেই দেখেছেন। অন্য কেউ লুকিয়ে থাকলে তাঁকে দেখা যায়নি। স্কুটারে করে এসেছিল খুনিরা। দুজন ছিল। নিরাপত্তারক্ষীর সামনে ঘটনাটি ঘটলে নিরাপত্তারক্ষীসহ ওই এলাকার কর্মরত সব আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” 
     
    প্রসঙ্গত, এ বছর এর আগে একাধিক কাশ্মীরি পণ্ডিতকে হত্যা করা হয়েছে। মে মাসেই বুদগামে তেহসিলদারের অফিসে ঢুকে ৩৬ বছর বয়সী রাহুল ভাটকে খুন করে সন্ত্রাসবাদীরা। তারপরই শয়ে শয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিত প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখায়। গত বছর অক্টোবর থেকেই কাশ্মীরে এইরকম একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়ে আসছে। ফের সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে প্রাণ গেল আরেক কাশ্মীরি পণ্ডিতের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jammu & Kashmir: ৩৭০ ধারা বাতিলের পর উপত্যকা ছাড়েননি কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত, জানাল সরকার 

    Jammu & Kashmir: ৩৭০ ধারা বাতিলের পর উপত্যকা ছাড়েননি কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত, জানাল সরকার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে এপর্যন্ত কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত (Kashmiri Pandit)  জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir) ছেড়ে যাননি। বুধবার সংসদে এ কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই (Nityanand Rai)।

    সংসদে নিত্যানন্দ বলেন, ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট থেকে ২০২২-এর ৯ জুলাই পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় (Terror Attack) প্রাণ হারিয়েছেন ১১৮ জন নাগরিক এবং ১২৮ জন নিরাপত্তারক্ষী। যেসব সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে পাঁচজন কাশ্মীরি পণ্ডিত। আর ১৬ জন হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের। মন্ত্রী জানান, এই সময়কালে প্রাণ হারাননি কোনও তীর্থযাত্রী।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। এই প্রেক্ষিতেই সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর এই সময় ঠিক কতজন কাশ্মীরি পণ্ডিত উপত্যকা ছেড়েছেন। জবাবে নিত্যানন্দ রাই বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন দফতরে চাকরি পেয়েছেন ৫ হাজার ৫০২ জন কাশ্মীরি পণ্ডিত। এই সময়ে কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত উপত্যকা ছাড়েননি।

    কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্তির পাশাপাশি গোটা উপত্যকাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেও ভাগ করে কেন্দ্র। উপত্যকায় দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যেই এটা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) উয়ন্নন যজ্ঞে গোটা দেশের মতো শামিল হয় ভূস্বর্গও। জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণ করাও ছিল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার অন্যতম উদ্দেশ্য।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    সম্প্রতি ফের শুরু হয়েছিল জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত। ৩১ মে জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে রজনী বালা নামে এক মহিলা শিক্ষককে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। জম্মুর সাম্বা জেলার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। স্কুল চলাকালীন স্কুলে ঢুকে তাঁকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। এর পরেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সরকারি কর্মচারী সংগঠন সরকারকে সাফ জানিয়ে দেয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের নিরাপদ স্থানে বদলি করা না হলে উপত্যকা ছেড়ে চলে যাবে তারা।

    রজনীর পরে বদগাম জেলার চাদুরা তহশিলদারের কার্যালয়ে ঢুকে গুলি করে খুন করে রাহুল ভাট নামে এক কাশ্মীরি পণ্ডিতকেও। তার পরে পরেই সরকার ফের এক প্রস্ত কঠোর হতেই আপাতত বন্ধ টার্গেট কিলিং (Hindus Targeted in Kashmir)। কাশ্মীর হয়ে উঠেছে আক্ষরিক অর্থেই ভূস্বর্গ।

    জম্মু-কাশ্মীরে ভোট (Jammu-Kashmir Elections) করাতেও যে সরকার আগ্রহী, এদিন তাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন কমিশন গঠন করেছে সরকার। তারা রিপোর্টও জমা দিয়েছে। চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। তবে জম্মু-কাশ্মীরে ঠিক কবে বিধানসভা ভোট হবে, তা ঠিক করবে নির্বাচন কমিশন।

     

  • Kashmiri Pandit Killing: অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    Kashmiri Pandit Killing: অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে জঙ্গিবাদের বলি ফের এক কাশ্মীরি পণ্ডিত (Kashmiri pandit)। সরকারি অফিসে ঢুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় রাজস্ব বিভাগের কর্মী রাহুল ভাটকে (Rahul Bhatt)। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে উপত্যকায়। জঙ্গিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে কাশ্মীরের সংখ্যালঘু পণ্ডিত সম্প্রদায়। ঘটনাটিকে বর্বরোচিত আখ্যা দিয়েছেন লেফটেনেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ((lieutenant governor Manoj Sinha)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে অফিসে কাজ করছিলেন রাহুল। আচমকাই কয়েকজন জঙ্গি বিনা বাধায় অফিসে ঢুকে খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। কাশ্মীর জোন পুলিশের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়, সশস্ত্র অবস্থায় চাদুরার তহশিলদার অফিসে হানা দিয়েছিল জঙ্গিরা। তারা সংখ্যায় দুজন ছিল। রাহুলকে গুলি করে গা-ঢাকা দেয়। জঙ্গিদের খোঁজে উপত্যকায় তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    [tw]


    [/tw]

     

    কেন্দ্রের তখ্তে বসে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে নরেন্দ্র মোদি (modi) সরকার। তারপর থেকে বেশ শান্ত হয়ে গিয়েছিল উপত্যকা। পাকিস্তানে ইমরান খান সরকারের আসন টলমল করার কিছু আগে থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে (jammu & kashmir) ফের বাড়বাড়ন্ত হয় জঙ্গিদের। মাসকয়েক ধরে জঙ্গিরা নিশানা করে চলেছে পরিযায়ী শ্রমিক ও সংখ্যালঘু পণ্ডিত সম্প্রদায়কে। ইতিমধ্যেই যার বলি হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

    আরও পড়ুন : “কাশ্মীরে নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত”, আদালতে স্বীকারোক্তি ইয়াসিন মালিকের

    গত অক্টোবরেই এক সপ্তাহের মধ্যে জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছেন পাঁচজন। তাঁরা সকলেই শিখ, পণ্ডিত কিংবা ভিন রাজ্য থেকে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। নিহতদের এই তালিকায় ছিলেন কাশ্মীরের বিখ্যাত ওষুধ দোকানের মালিক মাখনলাল বিন্দ্রু। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। বীরেন্দর পাশোয়ান নামে এক ব্যবসায়ীকেও খুন করেছিল জঙ্গিরা। সন্ত্রাসবাদের বলি হয়েছেন সরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ সুপিন্দর কৌর। এই তালিকায়ই এবার উঠল বদগামের রাহুলের নাম। এই এলাকায় এখনও কিছু পণ্ডিত সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। রাহুল খুনের জেরে ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন তাঁরা। জঙ্গিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছেন পণ্ডিতরা।

    নয়ের দশকে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল ভূস্বর্গ। প্রায় প্রতিদিনই খুন হতে হচ্ছিল পণ্ডিত সম্প্রদায়ের মানুষকে। যার জেরে দলে দলে লোকজন উপত্যকা ছেড়ে চলে যান অন্যত্র। জঙ্গিদের হাতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিতাড়ন-পর্ব তুলে ধরা হয় সাম্প্রতিককালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ সিনেমায়। যা নিয়ে প্রশংসা ও সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে গোটা দেশে। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ভূস্বর্গে ফের হিন্দু-পণ্ডিত নিধন।

     

  • Kashmir Killings: ফের জঙ্গি-নিশানায় হিন্দু পণ্ডিত, কাশ্মীরে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে হত্যা

    Kashmir Killings: ফের জঙ্গি-নিশানায় হিন্দু পণ্ডিত, কাশ্মীরে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকায় আরও বাড়ল আতঙ্ক। সরকারি করণিক, দোকানের কর্মী, স্কুল শিক্ষিকার পর এ বার ব্যাঙ্ক ম্যানেজার। আবার কাশ্মীরে (Kashmir) জঙ্গিদের গুলিতে খুন হলেন এক হিন্দু পণ্ডিত। বৃহস্পতিবার কুলগাম জেলার এলাকুয়াই দেহাতি ব্যাঙ্কের (Elaqahi Dehati Bank) ভিতরে ঢুকে বিজয় কুমার নামে ওই ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে (bank employee) গুলি করে খুন করে এক আততায়ী। সংবাদ সংস্থা সেই খুনের একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে। বিজয়, রাজস্থানের হনুমানগড়ের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে তাঁর পোস্টিং ছিল উপত্যকায়।

    মঙ্গলবার জম্মুতে স্কুলে ঢুকে গুলি চালিয়ে এক হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা খুন করে সন্ত্রাসবাদীরা। একইভাবে এদিনও আরে মোহনপুরা এলাকায় ব্যাঙ্কে ঢুকে ম্যানেজার বিজয়ের উপর গুলি চালায় এক অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতি। গুলিতে আহত বিজয়কে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পুলিশ সূত্রের খবর, খুব কাছ থেকে গুলি লাগায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিজয়ের।

    [tw]


    [/tw]

    গত কয়েকমাস ধরেই উপত্যকায় জঙ্গিদের নিশানায় কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। কেন্দ্র এবং জম্মু-কাশ্মীর সরকার সুরক্ষার আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও ভরসা করতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। হিন্দু পণ্ডিতদের একাংশ ফের উপত্যকা ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেছেন। রাস্তায় ট্রাক দাঁড় করিয়ে কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জম্মু ফিরে আসতে চাইছেন হিন্দু পণ্ডিতরা। ফারুক আবদুল্লার মতো প্রবীণ নেতারা আরজি জানিয়েছেন, ১৯৯০-এর দশকের মতো উপত্যকা ছেড়ে না যেতে। উপত্যকা আবারও অশান্ত হয়ে ওঠার পিছনে তিনি বিবেক অগ্নিহোত্রীর কাশ্মীর ফাইলস (The Kashmir Files) সিনেমাকে দায়ী করেছেন।

    আরও পড়ুন: ঘর ছাড়া কাশ্মীরি পণ্ডিতরা, জরুরি বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের

    কাশ্মীরে একের পর এক গুলিচালনার ঘটনায় কাশ্মীরি পণ্ডিত (Kashmiri Pandit) থেকে অন্য সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপির (BJP) মুখপাত্র আলতাফ ঠাকুর জানিয়েছেন, “আবারও লজ্জাজনক এক জঙ্গি হামলার ঘটনায় মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। এলাকাই দেহাতি ব্যাঙ্কের ব্যাঙ্ক ম্যানেজার, রাজস্থানের বাসিন্দা বিজয় কুমার কুলগামে সন্ত্রাসবাদীদের বুলেটের কবলে পড়েন৷ এখন সরকারি কর্মচারীদেরও টার্গেট করছে জঙ্গিরা। এটি একটি গুরুতর বিষয় এবং উদ্বেগের বিষয়। সহিংস এই দুষ্টচক্র বন্ধ করার জন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলির একটি কৌশল তৈরি করা উচিত এ বার।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও মৃত ব্যাঙ্ক কর্মীর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন।

LinkedIn
Share