Tag: kazi nazrul islam

kazi nazrul islam

  • Bangladesh: “জীবিত থাকলে জাতীয় কবির সম্মান ফিরিয়ে দিতেন”, বিস্ফোরক কবি নজরুলের ভ্রাতুষ্পুত্র

    Bangladesh: “জীবিত থাকলে জাতীয় কবির সম্মান ফিরিয়ে দিতেন”, বিস্ফোরক কবি নজরুলের ভ্রাতুষ্পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তিনি জীবিত থাকলে জাতীয় কবির সম্মান ফিরিয়ে দিতেন”, বাংলাদেশে (Bangladesh) গত চার মাসের বেশি সময় ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতন নিয়ে বিস্ফোরক কবি নজরুল ইসলামের (Kazi Nazrul Islam) ভ্রাতুষ্পুত্র রেজাউল করিম। শান্তির জন্য নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস হলেন এখন অনেকের কাছেই ত্রাস। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর খুন, ধর্ষণ, হত্যা, লুট, মন্দির ভাঙচুর, মূর্তি ভাঙচুর-সহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এর শেষ কোথায় কেউ জানে না। তাই তো বাংলাদেশের জাতীয় কবির উত্তরসূরীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।

    আজীবন মানব ধর্মের কথা বলে গিয়েছেন নজরুল (Bangladesh)!

    পশ্চিম বর্ধমানের চুরুলিয়ার বাসিন্দা তথা নজরুলের (Kazi Nazrul Islam) বংশধর কাজী রেজাউল করিম বলেন, “বাংলায় নজরুল ইসলাম আজীবন মানব ধর্মের কথা বলে গিয়েছেন। সম্প্রীতি এবং ঐক্যের কথা বলে গিয়েছেন। অথচ আজ বাংলাদেশ (Bangladesh), যেখানকার জাতীয় কবি এবং সেই জায়গার মাটিতেই হিন্দু নিধন হচ্ছে। সংখ্যালঘুদের উপর ব্যাপক ভাবে অত্যাচার হচ্ছে। আজ যদি কবি বেঁচে থাকতেন, তাহলে জাতীয় কবির সম্মান ফিরিয়ে দিতেন।”

    আরও পড়ুনঃ ‘ডবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ’! রাজ্যকে তোপ হাইকোর্টের, চিকিৎসকদের ধর্নাকে অনুমতি

    এমন বাংলাদেশ কোনও সময়েই দেখতে চাননি!

    রেজাউল করিম বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলবাদী কট্টর মুসলিমদের দাপাদাপির ব্যাপারে তোপ দেগে আরও বলেন, “শেখ হাসিনা আমাদের সম্মান দিয়েছেন। তাছাড়া নজরুলের (Kazi Nazrul Islam) আরও আত্মীয় বা পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশে থাকেন। এখন আর ওই দেশে যাওয়ার ইচ্ছে নেই। যে দেশে মানুষের মনে ধর্মীয় ভাবে এত বিদ্বেষ, মারামারি, হানাহানি, অত্যচার, লুটপাট, খুন, সেই দেশে আর যাওয়ার ইচ্ছে নেই। তবে এই ক্রমবর্ধমান অন্যায় এবং প্রতিবাদের বিরুদ্ধে যদি কোনও ডাক আসে, অবশ্যই সেখানে আমি যাব। আমার শরীর যদিও অসুস্থ তবুও আমি মহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামব। অনেক নজরুল গবেষক এই দেশে আসতেন, এখন তাঁরাও আর আসেন না। এমনভাবে রাজনৈতিক পালা পরিবর্তনে আমরা ভীষণ অখুশি।” সেই সঙ্গে কবির নাতনি সোনালি কাজীর মুখেও বাংলাদেশ নিয়ে তীব্র অসন্তোষজনক বক্তব্য শোনা গিয়েছে। তিনি বলেন, “বিদ্রোহী নজরুল কি এই ধরনের বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন? এটাই এখন আমাদের বড় প্রশ্ন। এমন বাংলাদেশ কোনও সময়েই দেখতে চাননি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kazi Nazrul Islam: কাঁটাতার তাঁকে কাটতে পারেনি, আজ কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

    Kazi Nazrul Islam: কাঁটাতার তাঁকে কাটতে পারেনি, আজ কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবির বাঁশি থেমে গিয়েছিল সেই কবে! চারের দশকের একদম শুরুতে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের মৌন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যান। জাতীয় কবির (Kazi Nazrul Islam) সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু, নিপীড়িত মানুষের যন্ত্রণায় কেঁপে উঠত যাঁর অনুভব, যাঁর প্রেমিক সত্তায় লগ্ন হয়ে থাকত চোখের জল, তিনি তখন অন্য জগতের মানুষ। ১৯৭৬ সালের ২৯ অগাস্ট প্রয়াত হন কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহী কবি (Poet) কাজী নজরুল ইসলামের আজ ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী।

    ফিরে দেখা নজরুল (Kazi Nazrul Islam)

    ১৮৯৯ সালের ২৪ মে ( ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম (Kazi Nazrul Islam)। তাঁর ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। বাবা কাজী ফকির আহমেদ ও মা জাহেদা খাতুন। বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক এবং অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল তাঁর কবিতা ও গানের মাধ্যমে সমাজের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। নজরুলের ছদ্মনাম ছিল ‘ধূমকেতু’। শিশু সাহিত্যকেও সমৃদ্ধ করেছিলেন তিনি। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের ধারাকে নজরুল তাঁর সাহিত্যে বিপুলভাবে ধারণ করেছেন। মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছেন পুনর্জাগরণের ডাক। একজন বলিষ্ঠ নেতার মতোই সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন নজরুল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    কবির সৃষ্টি

    নজরুল (Kazi Nazrul Islam) ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার অগ্রসর মানুষ। ইসলামি গজলের পাশাপাশি লিখে গিয়েছেন শ্যামা সংগীত। বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হয় নজরুলের দেখানো পথ ধরে। শুধু কবিতা ও গানেই তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; লিখেছেন নাটক-উপন্যাস। তাঁর লেখা নাটক- রক্তকমল, মহুয়া, জাহাঙ্গীর, কারাগার, সাবিত্রী, আলেয়া, সর্বহারা, সতী, সিরাজদ্দৌলা, দেবীদুর্গা, মধুমালা, অন্নপূর্ণা, নন্দিনী, হরপার্বতী, অর্জুনবিজয়, ব্ল্যাক আউট ইত্যাদি। ১৯৩৪ সালে নজরুল-প্রকাশনার সবই ছিল সঙ্গীত-বিষয়ক।

    রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল

     ১৯৪১ সালের ৭ অগাস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল (Kazi Nazrul Islam) তাৎক্ষণিকভাবে রচনা করেন ‘রবিহারা’ ও ‘সালাম অস্তরবি’ কবিতা এবং ‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে’ শোকসঙ্গীত। ‘রবিহারা’ কবিতা নজরুল স্বকণ্ঠে আবৃত্তি করেন কলকাতা বেতারে, গ্রামাফোন রেকর্ডে। ‘ঘুমাইতে দাও’ গানটিও কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে স্বকণ্ঠে গেয়েছিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর বছরখানেকের মধ্যেই নজরুল নিজেও অসুস্থ এবং ক্রমশ নির্বাক ও সম্বিতহারা হয়ে যান।

    বিরল রোগে আক্রান্ত হন কবি

    ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নজরুল (Kazi Nazrul Islam) বেতারে কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাজী নজরুল ইসলাম দীর্যদিন ধরে (প্রায় ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর) যে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার নাম পিক্স ডিজিজ (Picks Disease)। এই রোগটি খুবই বিরল ও এর ফলে কণ্ঠস্বর ও স্মরণশক্তি দুটোই আক্রান্ত হয়। সাধারণতঃ, এই রোগ Dementia বা Alzheimer’s রোগের সঙ্গে কমবেশি তুলনা করা যেতে পারে। তাঁর অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরূপে জানা যায় ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে। এরপর, তাঁকে মূলত হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু, এতে তাঁর অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। সেই সময় তাঁকে ইউরোপে পাঠানো সম্ভব হলে নিউরো সার্জারি করা হত। কিন্তু, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ১৯৪২ সালের শেষের দিকে তিনি মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেন। দেশে ও বিদেশে কবির চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় বটে, কিন্তু কোনও সুফল পাওয়া যায় নি। ১৯৪২ সালের জুলাই থেকে ১৯৭৬ সালের ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪টি বছর কবির এ অসহনীয় নির্বাক জীবনকাল অতিবাহিত হয়।

    বাংলাদেশে কবি

    ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে (Kazi Nazrul Islam) সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদক’ দিয়ে ভূষিত করে। ২৯ অগাস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তর পার্শ্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। কাজী নজরুলকে নিয়ে কবি অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছিলেন, “আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে/ ভাগ হয়নি কো নজরুল”। সত্যিই তো তাই। তিনি তো কেবল এপার বাংলার কবি নন। কাজী নজরুল ইসলাম (Kazi Nazrul Islam) ওপার বাংলারও কবি। বিদ্রোহী সত্তার আড়ালে তির তির করে বয়ে চলে তাঁর প্রেমিক সত্তা। মৌলিক সৃষ্টিই চির অমর করে রেখেছে কবিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল এই গান, বিকৃত করা হয়েছে” এ আর রহমানের প্রতি ক্ষোভ কবিতীর্থ চুরুলিয়ার

    Asansol: “স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল এই গান, বিকৃত করা হয়েছে” এ আর রহমানের প্রতি ক্ষোভ কবিতীর্থ চুরুলিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবি নজরুলের “কারার ওই লৌহ কপাট” গানটির নতুন করে সুরারোপন করেছেন এ আর রহমান। আর তা নিয়েই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। আর সেই প্রতিবাদের আঁচ ও নিন্দার ঝড় এসে পড়ল আসানসোলে (Asansol)। প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কবিতীর্থ চুরুলিয়ায় কবি নজরুলের পরিবার থেকে বলা হয়, “কার ইন্ধনে রহমান সাহেব এই গানের বিকৃত করলেন জানি না। কিন্তু গানে স্বাধীনতার আবেগ রয়েছে। স্বাধীনতা মন্ত্রের কাজ করেছে এই গান, তাই তীব্র নিন্দা জানাই”। আসল গান গেয়ে এবং নিন্দা সূচক বার্তা দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কবি নজরুলের পরিবার। এই নিয়ে দেশ জুড়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    চুরুলিয়ার নজরুল পরিবারের বক্তব্য (Asansol)

    কাজী নজরুল ইসলামের ভ্রাতুষ্পুত্র তথা নজরুল অ্যাকাডেমি চুরুলিয়ার (Asansol) সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, “এই গান দেশমুক্তির আন্দোলনে বিপ্লবীদের প্রবলভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। গানের রচনা কাল ১৯২২ সাল। শুধুমাত্র ভারতবর্ষ নয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এই গান যোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করে। দুই দেশের স্বাধীনতার জন্য যে কয়টি দেশাত্মবোধক গান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এই গানটি।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এ আর রহমান অনেক বড় মাপের সঙ্গীত শিল্পী। কিন্তু তিনি এই গানটিকে বরবাদ করে দিয়েছেন। এই কাজ তিনি কি করলেন, নাকি কেউ কারালো? গানের সম্পূর্ণ ভাবধারা নস্যাৎ করে দিয়েছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।”

    আর কী বললেন?

    অন্যদিকে কবি নজরুল পরিবারের (Asansol) সদস্য বিশিষ্ট শিল্পী তথা সম্পর্কে কবির নাতনি সোনালী কাজী গানের বিষয়ে নিয়ে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা খুব মর্মাহত গানটি শুনে। এ আর রহমান একজন বড় মাপের শিল্পী। দেশের হয়ে তাঁর সঙ্গীত অস্কার পুরস্কার নিয়ে এসেছে। কিন্তু তিনি কার প্ররোচনায় এই রকম একটি কাজ করার সাহস পেলেন, সেটা আমরা জানতে চাইছি। গানের ঐতিহ্য এবং পরম্পরার তাৎপর্যকে মাথায় রাখা উচিত ছিল। অত্যন্ত অনভিপ্রেত ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলা ভাষায় কথা বলা গোটা বাঙালি সমাজ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Karar Oi Louho Kapat: নজরুলের জনপ্রিয় গানের সুর বিকৃতি, রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কবির জন্মভিটেয়ও

    Karar Oi Louho Kapat: নজরুলের জনপ্রিয় গানের সুর বিকৃতি, রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কবির জন্মভিটেয়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে সঙ্গীত (Karar Oi Louho Kapat) পরিচালক এআর রহমানের বিরুদ্ধে। প্রথমে রহমানের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন সঙ্গীত শিল্পীদের একটা বড় অংশ। এবার রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন নজরুলের ইসলামের জন্মভিটা চুরুলিয়ার বাসিন্দারা। অবিলম্বে গানটি সরিয়ে নেওয়া না হলে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কবি পরিবারের সদস্যরাও। তাঁদের দাবি, ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটির সুর বিকৃত করে বেআইনি কাজ করেছেন রহমান।

    চুরুলিয়াবাসীর ক্ষোভ 

    চুরুলিয়ায় জন্মেছিলেন কাজি নজরুল ইসলাম। তাঁর মৃত্যুর পর চুরুলিয়ায় গড়ে ওঠে নজরুল অ্যাকাডেমি ও নজরুল গবেষণাগার। এখানেই সংরক্ষিত রয়েছে কবি রচিত বহু গানের পাণ্ডুলিপি, তানপুরা, গ্রামোফোন সহ নানা স্মৃতি। এই অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা কবির ভ্রাতুষ্পুত্র কাজি রেজাউল করিম। তিনি বলেন, “প্রায় একশো বছর আগে লেখা যে গান শুনলে আজও গায়ে কাঁটা দেয় আপামর দেশবাসীর, যে গান শুনলে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলি চোখের সামনে তরতাজা হয়ে ওঠে, সেই গানের সুরটাই বদলে দিয়েছেন এআর রহমান। এই ঘটনা দুঃখজনক। আগুন নিয়ে খেলা করছেন রহমান সাহেব।”

    প্রতিক্রিয়া কবির নাতনির

    নজরুল অ্যাকাডেমির সদস্য কবির নাতনি সোনালি কাজি। তিনি বলেন, “এই কাজটি করার আগে কারও সঙ্গে কথা বলেছিলেন উনি (রহমান)? অতীতে যখন মহম্মদ রফি ও অনুপ জলোটা কাজি নজরুল ইসলামের গান গেয়েছিলেন, তখনও মূল সুর পরিবর্তন হয়নি। তাই কোনও বিতর্ক হয়নি। আপামর বাঙালি সেই গান মেনে নিয়েছেন ও জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। কিন্তু রহমান সাহেব যেটা (Karar Oi Louho Kapat) করেছেন, তা অনৈতিক ও বেআইনি। বহু দিন আগের একটা গান কোন অধিকারে উনি বদলে দিতে পারেন, এটাই আমাদের সব চেয়ে বড় প্রশ্ন।”

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি ও শ্যালক ছিলেন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে

    নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি। সে দেশের নজরুল ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, “ভারতের এক বিখ্যাত সুরকার খুবই দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। এতে কাজি নজরুলের অসম্মান হয়েছে। গানটি যাতে প্রচার না পায়, তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।” বাংলাদেশের নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ও গবেষকরা জানান, বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেরও সম্পদ। তাই দুই দেশকে এক হয়ে শিল্প-সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে কাজ করার উদ্যোগ নিতে হবে (Karar Oi Louho Kapat)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share