Tag: KCR

KCR

  • PM Modi: “কেসিআর কেবল তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান”, তেলঙ্গনা সরকারকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “কেসিআর কেবল তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান”, তেলঙ্গনা সরকারকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তেলঙ্গানায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে যিনি ফার্ম হাউসে থাকেন। অথচ তিনি গরিবদের বাড়ি দেন না।” রবিবার ভোটমুখী তেলঙ্গনায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে কেসিআরের ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এদিন সে রাজ্যে দাঁড়িয়ে কেসিআরের নেতৃত্বাধীন সরকারকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কেসিআরকে নিশানা মোদির 

    তিনি বলেন, “কেসিআর নেতৃত্বাধীন সরকার গরিবদের শত্রু।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গানায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে যিনি ফার্ম হাউসে থাকেন। অথচ তিনি গরিবদের বাড়ি দেন না। কেসিআর গরিবদের শত্রু। তাঁদের বাড়ি আটকে রেখেছেন। কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তেলঙ্গনায় বিজেপি সরকার গড়লেই দ্রুত গরিবদের বাড়ি দেওয়া হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।” তিনি বলেন, “তেলঙ্গনার দরিদ্রদের জন্য বিজেপি যত্নবান। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার রাজ্যে গরিবদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজগুলি থমকে দিয়েছে।”

    নিজামাবাদে টার্মারিক সিটি

    এদিন নির্মলে রাজনৈতিক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা তেলঙ্গনায় ন্যাশনাল টারমারিক বোর্ড গঠনর কথা ঘোষণা করেছি। বিজেপির ইস্তেহারে বিজেপি নিজামাবাদে টার্মারিক সিটি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এখানকার হলুদকে জিআই ট্যাগ দেওয়া হবে। এতে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন এ রাজ্যের হলুদ চাষিরা।” নির্মলে খেলনা শিল্প ধ্বংসের জন্যও কেসিআর নেতৃত্বাধীন সরকারকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “আজ, ভারত যখন খেলনা রফতানির ক্ষেত্রে নয়া রেকর্ড গড়ছে, তখন ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার নির্মলে সেই খেলনা শিল্প ধ্বংস করছে। আমরা যদি তেলঙ্গনার ক্ষমতায় আসি, তাহলে আমরা নির্মলে খেলনা শিল্প পুনরুজ্জীবনে প্রচার শুরু করব।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গনার সরকার রাজ্যবাসীকে ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি।”

    আরও পড়ুুন: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর। শাসক দল ছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, টিআরএস এবং কয়েকটি আসনে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির পার্টি। গত দশ বছর ধরে তেলঙ্গনা শাসন করেছে কেসিআরের দল। তবে এবার তাদের জয় অনায়াস হবে বলে মনে করছেন না অতি বড় ভোট বিশেষজ্ঞও। নির্বাচনের মুখে বেশ কিছু বিধায়ক কেসিআরের দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসে। ৩ ডিসেম্বর বাকি চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে ফল ঘোষণা হবে ১১৯ আসন বিশিষ্ট (PM Modi) তেলঙ্গনা বিধানসভারও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গানায় (Telangana) গণেশ উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন আসামের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ঘটনার জেরে শুক্রবার রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। জেড প্লাস সিকিউরিটি পান হিমন্ত। তার পরেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবের কাছে। এর আগে এই একই ইস্যুতে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছিল আসাম সরকার এবং সিআরপিএফ (CRPF)।

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানায় গণেশ উৎসবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন হিমন্ত। অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির এক নেতা মঞ্চে উঠে আসামের মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কাধাক্কি করেন। কেড়ে নেন তাঁর মাইক্রোফোনও। যিনি এসব করেছেন, তিনি তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা নন্দু ব্যাস। নন্দুকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় আবিদ রোড থানায়। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন :মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    ছাড়া পেয়েই স্বমূর্তি ধারণ করেন তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির ওই নেতা। নিশানা করেন বিজেপিকে। বলেন, যে উৎসব উপলক্ষে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ রাজ্যে এসেছেন, সেই উৎসব সম্পর্কিত কথাবার্তা না বলে তিনি ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছিলেন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও সম্পর্কে অযথা বাজে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, আমি এটা সহ্য করতে পারিনি। তাই মঞ্চে গিয়ে ওঁকে অনুরোধ করেছিলাম মঞ্চ ছেড়ে চলে যেতে। তাঁকে এও বলেছি, যদি ভবিষ্যতে আপনাদের কোনও নেতা কিংবা নেত্রী এসে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এসব বলেন, তবে আমরা তা সহ্য করব না। তাঁকে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

    তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির মুখপাত্র কৃষাঙ্ক মান্নে বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দিনভর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে গালি দিয়ে গেলেন। তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে শুরু করল। কেসিআরের এক সমর্থক এটা মেনে নিতে পারেননি। তারই প্রতিক্রিয়ার জেরে ঘটেছে এই ঘটনা। তিনি বলেন, কেসিআরের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত হিমন্তর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Nitish KCR Meeting: নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে কেসিআর, সলতে পাকানো শুরু লোকসভা নির্বাচনের?

    Nitish KCR Meeting: নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে কেসিআর, সলতে পাকানো শুরু লোকসভা নির্বাচনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Polls) সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিলেন তেলঙ্গানার (Telangana) মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (KCR)! বৈঠক করলেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে কেসিআরের উদ্যোগ।

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সাংবাদিকরা যখন প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করছেন, তখন সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে উঠে যাচ্ছিলেন নীতিশ কুমার। সেই সময় কেসিআর নীতীশ কুমারকে বলছেন, আপনি বসুন না। নীতীশ তখন বলছেন, আপনি চলুন না। বিজেপি বিরোধী শিবিরের এই দুই নেতার মুখনিঃসৃত এই বসুন না, চলুন না শব্দগুলিই জন্ম দিয়েছে প্রধানমন্ত্রিত্বের গুঞ্জনের। ভিডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে বিজেপির তরফে।

    এক সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েছিলেন নীতীশ। পরে বিজেপির হাত ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডির তেজস্বী যাদব। এক সময় বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেসিআরেরও। পরে রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত দেখে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব রচনা করেন তিনি। তার পরেই তিনি ডাক দিয়েছেন বিজেপি মুক্ত ভারত গড়ার। এর আগে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সে প্রশ্নের জবাবে কেসিআর বলেছিলেন, নীতীশজি একজন দুর্দান্ত, প্রবীণ নেতা। যখন আমরা এক সঙ্গে বসব, তখন আমরা এ ব্যাপারে (প্রধানমন্ত্রিত্ব) সিদ্ধান্তে আসব।

    আরও পড়ুন : বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত!

    নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, দুই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের একাংশ ভাইরাল করে বিজেপি অপব্যাখ্যা করছে। ওই সূত্রের দাবি, বৈঠক ছেড়ে নীতীশ কুমার বেরতে চাইছিলেন, কারণ সাংবাদিকরা তাঁকে বারবার একই প্রশ্ন করছিলেন। এ ব্যাপারে কেসিআরকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, কে বলেছে, আমি যদি কারও নাম প্রস্তাব করি, লোকে সেটা গ্রহণ করবে? আপনারা কেন এত তাড়াহুড়ো করছেন? তিনি বলেন, আমাদের (বিরোধীরা) বসতে হবে এবং এ ব্যাপারে কথা বলতে হবে। রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন কিনা, সে ব্যাপারে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিজেপি বিরোধী শক্তি একজোট হয়ে সমস্ত রকম চেষ্টা করব। ভিডিওটি শেয়ার করে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নীতীশ কুমার কেসিআরকে অপমান করেছেন। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের প্রশ্ন, অপমানিত হতেই কী বিহার গিয়েছিলেন কেসিআর? 

  • Telangana: কেসিআর-এর পতনের শুরু দাবি অমিতের! তেলঙ্গনা নিয়ে কী ভাবছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Telangana: কেসিআর-এর পতনের শুরু দাবি অমিতের! তেলঙ্গনা নিয়ে কী ভাবছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে আসা তেলঙ্গানার বিধায়ক কে রাজাগোপাল রেড্ডির বিজেপিতে যোগদানের মধ্য দিয়েই সে রাজ্যে কেসিআর জমানার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে, দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। রবিবার, তেলঙ্গানার মুনুগোড়ে বিধানসভা উপনির্বাচনের জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় এই দাবি করেন অমিত। রাজাগোপাল কংগ্রেস ত্যাগ করার ফলেই ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। হায়দরাবাদ থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার দূরে নালগোন্ডা জেলার মুনুগোড়েরই বিধায়ক ছিলেন তিনি। এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই উপনির্বাচনে রাজাগোপাল রেড্ডিকে জেতান। আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, কেসিআরের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার বিদায় নেবে!’’

    আরও পড়ুন: কেষ্ট যোগ! ভোলে ব্যোমের পর শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা সিবিআইয়ের, কী মিলল?

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা থেকে রাজ্যের কৃষকদের বঞ্চিত রেখে ‘পাপ’ করেছে টিআরএস সরকার এদিন এমনই অভিযোগ তোলেন অমিত। তাঁর কথায়, কেন্দ্রের দু’লক্ষ কোটি টাকা সাহায্য সত্ত্বেও তেলঙ্গানা ঋণে ডুবে গিয়েছে। কোনও দলিতকে মুখ্যমন্ত্রী করার আশ্বাসের পাশাপাশি দলিত, বেকার ও জনজাতিদের দেওয়া বহু প্রতিশ্রুতিই রাখেননি কেসিআর। জ্বালানি তেলে ভ্যাট কমাননি। এমআইএম-এর ভয়ে তেলঙ্গানার মুক্তি দিবসও পালন করেননি। শাহের আশ্বাস, আগামী নির্বাচনে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পাবে তেলঙ্গানা, যিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কাজ করবেন। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের প্রতিটি ধানের দানা কেনা হবে, বলে জানান তিনি।

    রাতে ‘আরআরআর’ খ্যাত অভিনেতা এন টি রাম রাও (এনটিআর) জুনিয়রের সঙ্গে হায়দরাবাদে নৈশভোজ সেরেছেন শাহ। তাঁকে ‘তেলুগু ছবির রত্ন’ বলে দু’জনের ছবি টুইট করেছেন। শাহকে ধন্যবাদ দিয়েছেন জুনিয়রও। এনটিআর জুনিয়র তেলুগু দেশম (টিডিপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা এন টি রাম রাওয়ের নাতি। এ দিন মিডিয়া টাইফুন রামোজি রাওয়ের আমন্ত্রণে রামোজি ফিল্ম সিটিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • Modi: ফের পরিবারতন্ত্রের প্রতি কটাক্ষ মোদির

    Modi: ফের পরিবারতন্ত্রের প্রতি কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নানা প্রান্তে বিভিন্ন মঞ্চ থেকে বারবার পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্প্রতি জয়পুরে অনুষ্ঠিত বিজেপির জাতীয় বৈঠকেও কংগ্রেসের ‘পরিবারবাদী’ রাজনীতির সমালোচনা করেন মোদি। এবার হায়দরাবাদে (Hyderabad) এক জনসভায় তেলঙ্গানায় ক্ষমতাসীন দল টিআরএসের বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ তুললেন তিনি। এদিন পরোক্ষে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে (KCR) কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী।  বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদে (Hyderabad) গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সঙ্গে দেখা না করে এদিনই বেঙ্গালুরুতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার কাছে  গিয়েছেন কেসিআর। 

    এদিন মোদি বলেন, তেলঙ্গানা রাজ্য গঠনের জন্য শুধু একটি পরিবারই লড়াই করেনি। এই রাজ্য থেকে কেবল একটি পরিবারের লোকই সবরকম সুবিধা নেবে, এমনটাও ঠিক নয়। পরে তিনি বলেন, আমাদের দেশের বহু দলে পরিবারতন্ত্র কায়েম হয়ে বসেছে। সেজন্যই যুবকরা সুযোগ পাচ্ছে না। মোদির কথায়, “পরিবারবাদী দলের নেতারা কেবল নিজেদের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেন। তাঁরা গরিব লোকজনের কথা ভাবেন না। তাঁরা চেষ্টা করেন যাতে একটি দলই ক্ষমতায় থাকতে পারে এবং যত বেশি সম্ভব সম্পদ লুঠ করতে পারে।”

    দলীয় কর্মীদের সভায় মোদি বলেন, “পরিবারভিত্তিক রাজনীতি কেবল একটি সমস্যা নয়, তা গণতন্ত্রের পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। যে দলগুলি একটি পরিবারের কথায় চলে, তারা কতদূর দুর্নীতিগ্রস্ত হতে পারে, দেশের মানুষ তা দেখেছে।” কেসিআরের সরকারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সারা দেশ দেখছে, কীভাবে তেলঙ্গানার মানুষ সমস্যায় পড়েছেন।” পরে মোদি বলেন, তেলঙ্গানায় বিজেপি কর্মীরা আক্রমণের লক্ষ্য হয়ে উঠছেন।
    মোদির কথায়, “পরিবারতান্ত্রিক দলগুলি তোষণের রাজনীতি করে। তাদের মূল লক্ষ্য থাকে নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভর্তি করা।” 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি তেলঙ্গানায় টেকনোলজিক্যাল হাব গড়ে তুলতে চায়। তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর ‘কুসংস্কার’ নিয়েও কটাক্ষ করেন মোদি। তিনি বলেন, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ব্যক্তিরা রাজ্যের উন্নয়ন করতে পারেন না। তাঁর কথায়, “আমি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বাস করি। আমি যোগী আদিত্যনাথকে অভিনন্দন জানাই। তিনি সাধু। কিন্তু কুসংস্কারে বিশ্বাসী নন। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ব্যক্তিদের হাত থেকে তেলঙ্গানাকে রক্ষা করতে হবে।”

LinkedIn
Share