Tag: Kedarnath

Kedarnath

  • Kedarnath: কেদারনাথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার, মৃত ৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Kedarnath: কেদারনাথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার, মৃত ৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথে (Kedarnath) ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ভেঙে পড়ল তীর্থযাত্রী বহনকারী একটি হেলিকপ্টার। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই পাইলট-সহ ৭ জনের। তাদের মধ্যে চারজনই ছিলেন মহিলা। কেদারনাথ থেকে ২ কিলোমিটার দূরে গরুড় চট্টিতে ঘটেছে দুর্ঘটনাটি। এই ঘটনার পরেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় তীর্থযাত্রী এবং পাইলটের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৪০-এর দিকে ফাটা এলাকা থেকে কেদারনাথের উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টারটিতে রওনা হয়েছিলেন মোট ৮ জন। রুদ্রপ্রয়াগের (RudraPrayag) কাছে গরুড় চট্টির কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে যাত্রীবাহী কপ্টারটি। এখান থেকে কেদারনাথ (Kedarnath) মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে। উদ্ধারকারী দলের সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তার মধ্যে ২ জন পাইলট (Pilot)। খারাপ আবহাওয়ার জন্যই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান। আরও জানা গিয়েছে, গরুড় চট্টি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে কপ্টারটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর রুদ্রপ্রয়াগের কাছে তা ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ঠিক কী কারণে কপ্টারটি ভেঙে পড়ল, তারও তদন্ত করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    দুর্ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি ট্যুইটে জানিয়েছেন, ‘কেদারনাথের কাছে গরুড় চট্টিতে দুর্ভাগ্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় কিছু লোকের হতাহতের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে নেমেছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। জেলা প্রশাসনের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

    কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া টুইট করে এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘কেদারনাথে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে আমরা রাজ্য সরকারের সাথে যোগাযোগ করছি। আমরা ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ 

    [tw]


    [/tw]

     

  • Uttarakhand avalanche: ভয়াবহ তুষারধস! অল্পের জন্য রক্ষা পেল কেদারনাথ মন্দির

    Uttarakhand avalanche: ভয়াবহ তুষারধস! অল্পের জন্য রক্ষা পেল কেদারনাথ মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর তুষারপাত (Massive avalanche) নামল কেদারনাথ (Kedarnath) ধামে। শনিবার সকালে কেদারনাথ ধামের পিছনে বড়সড় তুষারপাত ঘটলেও মন্দিরের (Temple) কোনও ক্ষতি হয়নি। এই নিয়ে একমাসের (One Month) ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ভেঙ্গেছে মন্দিরের পিছনে থাকা বিশাল হিমবাহটি (Glacier) এবং দূর থেকে জলাশয়ের মতো দেখাচ্ছে এটি। শনিবারের তুষারপাতের জেরে ফের ফিরে এল ২০১৩ সালের সেই ভয়ানক বিপর্যয়ের স্মৃতি।

    আরও পড়ুন: নয়া সংসদ ভবনের উপরে স্থাপিত জাতীয় প্রতীক কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি! জানুন কী বলল আদালত? 

    কেদারনাথ ধামের পিছনে তুষারপাতের ঘটনার পর থেকে প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কেদারনাথে বসবাসকারী লোকজনকে সতর্ক করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই ট্যুইটারে (Twitter) একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কেদারনাথ ধামের পিছনের এক হিমবাহ থেকে দ্রুত গতিতে বরফ গড়িয়ে পড়ছে।

    [tw]


    [/tw] 

     এদিনই প্রবল তুষারপাতে উত্তরকাশীতে বিহারের চারজন তীর্থযাত্রী আটকে পড়েছেন। উল্লেখ্য যে এলাকায় তীর্থযাত্রী (pilgrim) আটকে পড়েছেন সেই অঞ্চলটি কেদারনাথ মন্দির থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গত ২৩ সেপ্টেম্বরও কেদারনাথ ধামের কাছে একটি তুষারপাত হয়েছিল। সেবার কেদারনাথ ধামের পিছনে চারাবাড়ি হিমবাহে তুষারপাত হয়েছিল। ফের তুষারপাত ঘটায় বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

    প্রসঙ্গত ২০১৩ সালের তুমুল বৃষ্টির ফলে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যার ও ভূমিধসে রাস্তাঘাট ও সেতু ভেসে যাওয়ায় প্রায় কেদারনাথ ধামে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ আটকে পড়েন সেদিন। ভয়াবহ বন্যায় কেদারনাথ অঞ্চলে মোট ৩,০৭৫ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Uttarakhand chopper crash: “মেয়ের খেয়াল রেখ”, চপার দুর্ঘটনার আগে পাইলটের শেষ কল স্ত্রীকে

    Uttarakhand chopper crash: “মেয়ের খেয়াল রেখ”, চপার দুর্ঘটনার আগে পাইলটের শেষ কল স্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মেয়ের খেয়াল রেখ৷ ওর শরীর ভাল নেই”-এই ছিল পাইলট অনিল সিংয়ের স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা৷ পরের দিন মঙ্গলবারই ৬ জন তীর্থযাত্রীকে নিয়ে ভেঙে পড়ল চপার বেল ৪০৭ (ভিটি-আরপিএন)৷ কম দৃশ্যমানতার জন্য উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে ছয় আসনের এই চপার৷ তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৫৭ বছর বয়সি পাইলট অনিল সিংও৷ আগের দিনই স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল অনিলের৷ জানতে চেয়েছিলেন মেয়ের কথা৷

    আরও পড়ুন: মুম্বাই হামলায় মৃতদের শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সচিব

     


      
    কেদারনাথে আসার আগেই দেখে এসেছিলেন মেয়ের শরীর ভালো নেই৷ মেয়ের কাছে আর কখনও ফেরা হবে না বাবা অনিলের৷ স্ত্রী শিরিন আনন্দিতা এবং মেয়ে ফিরোজা সিংকে নিয়ে মুম্বাইয়ের অন্ধেরীর অভিজাত আবাসনে থাকতেন অনিল৷ আদতে পূর্ব দিল্লির বাসিন্দা অনিল সপরিবার গত ১৫ বছর ধরে এই আবাসনের বাসিন্দা৷   

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটি মূলত আরিয়ান অ্যাভিয়েশন৷ কেদারনাথ মন্দির থেকে তীর্থযাত্রীদের নিয়ে এই চপার উড়ে যাচ্ছিল গুপ্তকাশী৷ সকাল ১১.৪৫ মিনিট নাগাদ রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় গরুড় চটি এলাকায় দেব দর্শিনীতে হেলিকপ্টারটি দৃশ্যমানতার অভাবে ভেঙে পড়ে কম৷   

    অপরদিকে দুই যুগলের অবসর নেওয়ার পরের ভ্রমণ দুঃস্বপ্নে পরিণত হল। চারজনের মধ্যে আজ তিনজনই চপার দুর্ঘটনায় মৃত। প্রেম কুমার (৬৩), স্ত্রী সুজাতা (৫৬), সুজাতার বোন কালাই (৬০)। কালাইয়ের স্বামী রমেশ পাহাড় বেয়ে গুপ্তকাশী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাই তিনি আজ জীবিত। তিরুমঙ্গলামে থাকতেন সুজাতা এবং তাঁর স্বামী। দুই ছেলে মেয়েই বিদেশে থাকেন। উচ্চপদস্থ চাকুরে প্রেমকুমার সদ্য অবসর নিয়েছিলেন। রমেশও কিছুদিন আগেই অবসর নিয়েছিলেন। ধর্মপ্রাণ যুগলদের এটাই ছিল অবসরের পর প্রথম ভ্রমণ। আর ফেরা হল না কাছের মানুষের কাছে।  

    জানা গিয়েছে, কেদরনাথ থেকে ওড়ার পরই হেলিকপ্টারটিতে আগুন লেগে যায়। এরপরই গরুড় চটির কাছে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ে। কেদারনাথ ধামের থেকে গরুড় চটির দূরত্ব মাত্র দুই কিমি। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Hemkund Sahib: তুষারপাতের পর বরফের চাদরে ঢাকা হেমকুন্ড সাহিব ও কেদারনাথ, সৌন্দর্যে মুগ্ধ নেটিজেন

    Hemkund Sahib: তুষারপাতের পর বরফের চাদরে ঢাকা হেমকুন্ড সাহিব ও কেদারনাথ, সৌন্দর্যে মুগ্ধ নেটিজেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন তীর্থস্থানগুলোতে একসঙ্গে তুষারপাত শুরু হয়েছে। সাদা বরফে ঢেকে রয়েছে বিখ্যাত তীর্থস্থানগুলো। আর সাদা বরফের চাদরে ঢাকা মন্দিরগুলোর সৌন্দর্য দেখে নেটিজেনরা মুগ্ধ। গাড়ওয়াল হিমালয়ের হেমকুন্ড সাহিব-এর (Hemkund Sahib) দৃশ্য যেমন সবাইকে মুগ্ধ করেছে, তেমনি অন্য জায়গায় তীর্থযাত্রীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কেদারনাথ, উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড়ে তুষারপাত হওয়ায় বিভিন্ন রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে। তুষারপাতের ফলে কোথায় কেমন পরিস্থিতি, জেনে নিন।

    হেমকুন্ড সাহিব

    উত্তর ভারতের হিমালয় পর্বতশৃঙ্গে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫,০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত হেমকুন্ড সাহিব (Hemkund Sahib)। এটি শিখদের তীর্থস্থান। প্রতি গ্রীষ্মে, সারা বিশ্ব থেকে হাজার হাজার ভক্ত সেখানে ভ্রমণ করে। গতকালই নতুন করে তুষারপাতের ফলে, পবিত্র স্থানটির তীর্থযাত্রা বন্ধ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখা গিয়েছে, তুষার আবরণে আবৃত মন্দিরের একটি অপূর্ব দৃশ্য৷ ২২ মে এর দরজা খোলার পর থেকে প্রায় দুই লক্ষ ভক্ত পরিদর্শন করতে এসেছিলেন। গুরুদ্বারটি একটি হ্রদের পাশে অবস্থিত এবং বলা হয় ১০তম শিখ গুরু, গোবিন্দ সিং সেখানে ধ্যান করেছিলেন। এখানে ২ ফুটেরও বেশি তুষারপাত হওয়ায় হিমালয় অঞ্চলের উপত্যকা গ্রামে তীব্র শীত পড়েছে৷

    কেদারনাথ

    রুদ্রপ্রয়াগ এবং আশেপাশের এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় রবিবার কেদারনাথের শিখরে নতুন করে তুষারপাত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার থেকে কেদারনাথ ধামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতও হচ্ছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) কেদারনাথে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা সহ মেঘলা আকাশের পূর্বাভাস দিয়েছে। রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে এলাকায় আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের পাশাপাশি, আগামী দিনে পারদের মাত্রা আরও কমতে পারে বলে আশা করা হয়েছে। কিন্তু তাপমাত্রা কমলেও কেদারনাথ যাত্রায় মন্দিরের বাইরে ভক্তদের ভিড় বিন্দুমাত্র কমেনি। তাঁরা সব বাধা পেরিয়েই তাঁদের যাত্রা সম্পূর্ণ করছেন।

    আরও পড়ুন: দ্রৌপদী কা ডান্ডা পর্বতে তুষারপাতের বিভীষিকা

    পিথোরাগড়

    কেদারনাথ ও হেমকুন্ড সাহিব-এর (Hemkund Sahib) পাশাপাশি ভারী তুষারপাত হয়েছে পিথোরাগড়েও। এছাড়া পিথোরাগড়ের ধারচুলা শহরের বেশ কয়েকটি এলাকাতেও ভারী তুষারপাত হয়েছে। এর ফলে রবিবার নেপাল সীমান্তের কাছে প্রধান রাস্তাগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, সেখানে ২ ফুটের মত বরফ পড়েছিল। সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) কর্মকর্তারা বলেছেন যে, ক্রমাগত তুষারপাতের পরে কিছু রাস্তা অবরুদ্ধ করা হয়েছে যার কারণে স্থানীয়রা এবং নিরাপত্তা কর্মীরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তারা জানান, মাল্লা ঘাটের কাছে লিপুলেখ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পিথোরাগড় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আশিস চৌহান বলেছেন, তারা ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

    প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহ ধরে রাজ্যের উচ্চতর অঞ্চলে মাঝে মাঝে তুষারপাত হচ্ছে। ১৭,৫০০ ফুট উচ্চতায় দারমা উপত্যকায়, চীন সীমান্তের কাছে শেষ ফাঁড়ি-তে চার ফুটেরও বেশি তুষারপাত হয়েছে। এই চরম পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা কর্মীদের এলাকায় বিশেষ নজর রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share