Tag: Kejriwal

Kejriwal

  • Arvind Kejriwal: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    Arvind Kejriwal: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের রাজা নন। নিছক জমিদারও নন। ভারতের একটা অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এখন অবশ্য সেই কুর্সিটাও নেই। তবে রয়ে গিয়েছে তাঁর সাধের শিশমহল (Sheesh Mahal)। যে মহলের অন্দরে উঁকি দিলে মানসপটে ভেসে উঠতে বাধ্য রাজতন্ত্রের জমকালো ছবি। যাঁর বাসভবন নিয়ে এত ধানাই পানাই তাঁর দলের নামের গায়ে মাটির গন্ধ – আম আদমি পার্টি। সেই দলের নেতার বাসভবন দেখলে মনে হয় না, তাঁর দল সত্যিকারেরই আম আদমির। কারণ বাড়িটার প্রতিটি ইটে, কড়ি বর্গায়ও বড়লোকি গন্ধ।

    কেজরিওয়ালের কীর্তি ফাঁস

    দিল্লির ৬ নম্বর ফ্ল্যাগস্টাফ রোডে বাড়িটার নামই শিশমহল। গত ৯ বছর ধরে এখানেই বাস করছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন কেজরি। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে অতিশি মারলেনাকে। স্বাভাবিকভাবেই তার আগে রাজ্যের পূর্ত দফতর ওই মহলের আসবাবপত্রের একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। যা দেখে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) প্রথমবার নজরে আসেন ২০২৩ সালের মে মাসে, যখন সংবাদমাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত বিলাসিতায় করদাতাদের অর্থ অপচয়ের বিবরণ ফাঁস হয়ে যায়।

    বিজেপির নিশানা আপ সুপ্রিমোকে (Arvind Kejriwal)

    পিডব্লুডির তালিকা দেখার পরে আপ সুপ্রিমোকে নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্য। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “এই হচ্ছে বৈদ্যুতিক নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী এবং গ্যাজেটসের তালিকা, যেগুলো ইনস্টল করা হয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের শিশমহলে (Sheesh Mahal)।” মালব্য আরও লিখেছেন, “বিস্ময়ের আরও আছে। সেন্সর-সজ্জিত পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় টোটো স্মার্ট টয়লেট রয়েছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেটা খোলা-বন্ধ হয়। রয়েছে হিটেড সিট, ওয়্যারলেস রিমোট ডিওডোরাইজার এবং অটোমেটিক ফ্ল্যাশিং। এই জাতীয় টয়লেট সিটের দাম ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা।”

    আরও পড়ুন: দুয়ারে উপনির্বাচন, রাজ্যের পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধের আর্জি বিজেপির

    শিশমহলের (Sheesh Mahal) অন্দরে

    একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক শিশমহলের অন্দরে। ১৬টা ভয়েস কন্ট্রোলড আল্ট্রা স্লিম স্মার্ট ৪কে টিভি রয়েছে, দাম ৬৪ লাখ টাকা। সাড়ে ১৯ লাখের স্মার্ট এলইডি-ও রয়েছে। ফ্রিস্ট্যান্ডিং লুমিনেয়ার রয়েছে, মূল্য ৯.২ লাখ। ৪ লাখ টাকা দামের ওএসএডিএ ফুল বডি ম্যাসেজ চেয়ারও রয়েছে। রয়েছে ১০ লাখ টাকা দামের রিক্লাইনার সোফা, ৮টি মোটোরাইজড রিক্লাইনার সোফা রয়েছে ১০ লাখ টাকা দামের, বোস লাউডস্পিকার রয়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দামের। দুটো স্মার্ট রেফ্রিজারেটর রয়েছে ৯ লাখ টাকা দামের। এই রেফ্রিজারেটরের মধ্যেই রয়েছে ইনবিল্ট টিভি এবং এআই ভিশন স্ক্রিন। ৯ লাখ টাকা দামের ৭৩ লিটারের স্টিম ওভেনও রয়েছে শিশমহলে (Sheesh Mahal)।

    দামি গ্যাজেটসে সাজানো অন্দর

    কেজরিওয়ালের বাংলোতে (Arvind Kejriwal) ৫০ লিটারের মাইক্রোওয়েভ ওভেন রয়েছে, যার দাম ৬ লাখ টাকা। ৬ লাখ টাকা দামের দুটো মাউন্টেড হুডস ১৪০ সেমি স্টেনলেস স্টিল চিমনিও রয়েছে। বিওএসসিএইচ সিরিজের ৮ বিল্ট ইন কফি মেশিন রয়েছে, মূল্য আড়াই লাখ টাকা। তিনটে হট ওয়াটার জেনেরেটর রয়েছে, মূল্য সাড়ে ২২ লাখ টাকা। ১৫ কোটি টাকা মূল্যের সুপিরিয়র ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটারি ইনস্টলেশনও রয়েছে। ২.১ লাখ টাকা দামের এলজির ১২ কেজি ফ্রন্ট লোড অটোমেটিক ওয়াশিং মেশিনও রয়েছে শিশমহলে (Sheesh Mahal)। এসএস রেলিং, স্টিয়ারকেস কভারিং রয়েছে ১.২ কোটি টাকা মূল্যের। রয়েছে ২০টি গ্র্যান্ড এজেড ব্রাশ এন্ট্রাস স্কোনস আউটডোর লাইট, মূল্য ১০ লাখ টাকা। উডেন ও গ্লাসডোর উইথ অটোমেটিক স্লাইডিং সেন্সর রয়েছে ৭০ লাখ টাকা দামের। ২৪টি ডেকোরেটিভ পিলার রয়েছে, যার মূল্য ৩৬ লাখ টাকা। জানালার পর্দা রয়েছে ৮০টি, মূল্য ৪ থেকে ৫.৬ কোটি টাকা। সুপিরিয়র ওয়াটার সাপ্লাই রয়েছে ১৫ কোটি টাকার।

    আপ সুপ্রিমোর চমক!

    ২০১৩ সালে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেছিলেন তিনি ও তাঁর দলের মন্ত্রীরা সরকারি বাংলো ব্যবহার করবেন না। তার পরিবর্তে তাঁরা ব্যবহার করবেন ছোট ছোট সরকারি ফ্ল্যাট। আপ সুপ্রিমোর সেই প্রতিশ্রুতি যে নিছকই চমক, তাঁর বাংলোর ছবিই তার প্রমাণ। ১৩ হাজার স্কোয়ার ফিট এলাকজুড়ে রয়েছে শিশমহল (Sheesh Mahal)। এর মধ্যে লন রয়েছে ৩৯৯ স্কোয়ার ফিট। সমস্ত ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা মেলে সেখানে।

    ‘অপারেশন শিশমহল’ নাম দিয়ে একটি খবর প্রকাশ করে ‘টাইমস নাও’-ও। সেখানেও দেখানো হয় শিশমহলের (Sheesh Mahal) অন্দরের সাজসজ্জা। যে অন্দরসজ্জা দেখলে হয়তো হাত কামড়াতেন রাজা-রাজড়ারাও। কারণ রাজার ঘরে যে ধন আছে…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    Arvind Kejriwal: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে কী ইস্তফা দিচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)? মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং জানিয়েছেন, পদত্যাগ করবেন তিনি। আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় জেলমুক্তির পরেই দিল্লির জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, “দুদিন বাদেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ব। জনতার রায়ে জিতে আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসব না।”

    কী বললেন কেজরিওয়াল? (Arvind Kejriwal)

    তিনি বলেন, “আমি প্রতিটি মানুষের বাড়িতে যাব। রাস্তায় যাব। কিন্তু মানুষের রায় না পাওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসব না।” রবিবার দিল্লির জনসভায় তিনি বলেন, “ওরা (বিজেপি) ভেবেছিল, আমাকে জেলে পাঠিয়ে আমাদের দল ভেঙে দেবে। কিন্তু সেটা ওরা পারেনি। আমি সংবিধান বাঁচাতে চেয়েছিলাম, সেই জন্যই জেল থেকে ইস্তফা দিইনি। সুপ্রিম কোর্টই প্রমাণ করে দিয়েছে জেল থেকেই সরকার চালানো যায়।”

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    কেজরিওয়াল পদত্যাগ করছেন খবর ছড়িয়ে পড়তেই উঠছে প্রশ্ন, কে হবেন দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই পদে উঠে আসছে অতীশির নাম। যদিও এ ব্যাপারে অতীশি কিছু বলেননি। তিনি শুধু বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) কে হবেন, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে অরবিন্দ কেজরিওয়াল পদত্যাগ করলেও, সাধারণ মানুষের সরকার এক সপ্তাহ বা এক মাস স্থায়ী হবে। তবে এই সরকার দিল্লির জনগণের জন্য কাজ করতে থাকবে।” তিনি বলেন, “পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা বিধানসভা দলের বৈঠকেই ঠিক হবে। দিল্লিবাসী শুধু আপ সরকারকেই চায়।

    আরও পড়ুন: অন্য কাশ্মীর! ৩৭ বছর পর দোরে দোরে ঘুরে প্রচার করছেন প্রার্থীরা

    মার্চ মাসে গ্রেফতার হন কেজরিওয়াল। আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। জেলে থেকেই সরকার চালিয়েছেন তিনি। কেজরিওয়াল যখন জেলে, তখনই তার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। পদ্ম শিবিরের প্রবল চাপেও ইস্তফা দেননি তিনি। জেল থেকেই অতীশি এবং কয়েকজন মন্ত্রীকে দিয়ে সরকার চালিয়েছিলেন তিনি। সেই তিনিই ঘোষণা করলেন ইস্তফার কথা।

    কেজরিওয়ালের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “যখন আপনি জেলে ছিলেন তখন পদত্যাগ করলেন না। আর এখন বলছেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করবেন। রহস্যটা কী (Arvind Kejriwal)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিহাড়েই ফিরে গেলেন ‘অসহায়’ কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিহাড়েই ফিরে গেলেন ‘অসহায়’ কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন-পর্ব শেষ। শেষ হয়ে গিয়েছে অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদও। সুপ্রিম কোর্টে জামিনের মেয়াদের আর্জি বাড়ানোর আবেদনও খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তাই রবিবার বিকেলে তিহাড় জেলেই ফিরে গেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)।

    জল্পনার অবসান (Arvind Kejriwal)

    শুক্রবারই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, জেলে ফিরে যাওয়ার আগে বিকেল তিনটেয় গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করবেন। এর পরেই জল্পনা ছড়ায়, তাহলে কী স্ত্রী সুনীতাকে কিংবা দলের অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়ে জেলে ফিরে যাবেন আপ প্রধান? এদিন দিনের শেষে অবশ্য দেখা গেল কোনও কিছু ঘোষণা না করেই তিহাড়ের নির্দিষ্ট সেলে ফিরে গিয়েছেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর দলের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জেলে বসেই আগেই মতোই সরকার চালাবেন কেজরিওয়াল।

    কীভাবে চালাবেন সরকার?

    জেলে থেকেও তিনি যাতে সরকার পরিচালনা করতে পারেন, সে বিষয়ে অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাবেন কেজরিওয়াল। আপের একটি অংশের দাবি, তিহাড় জেলের পরিবর্তে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে কোনও অতিথিশালায় বন্দি রাখা হোক। তাহলে সেখান থেকে সরকার পরিচালনা করা তাঁর পক্ষে অনায়াস হবে। যদিও জেলের আচরণবিধি অনুযায়ী, বিচারাধীন বন্দির যাবতীয় কার্যকলাপের ওপর নজর থাকে জেল কর্তৃপক্ষের। তাই অতিথিশালায় তিনি মন্ত্রিসভার কোনও বৈঠক ডাকলে (জেলে এই জাতীয় বৈঠক ডাকাই যায় না। মন্ত্রী কিংবা আধিকারিকরা কোনও ফাইলও সই করাতে আসতে পারেন না।) সেই আলোচনাও রেকর্ড করবেন তাঁরা। অথচ, আইন অনুযায়ী মন্ত্রিসভার বৈঠক সম্পূর্ণ গোপনীয়। মন্ত্রিসভার সদস্য এবং মুখ্যসচিব ছাড়া আর কেউ সেখানে থাকতে পারবেন না।

    আর পড়ুন: “মোদির ওপরই ভরসা রেখেছেন অরুণাচলবাসী”, বিপুল জয়ের পর বলছেন খাণ্ডু

    এদিকে, ১০ জুন পর্যন্ত জেরে জারি থাকবে নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণ বিধি। আইন অনুযায়ী, ততদিন নয়া কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না সরকার। তাই এই ক’দিন ফাইল সই কিংবা মন্ত্রিসভার বৈঠক, কোনও কিছুরই প্রয়োজন হবে না। প্রশ্ন হল, তার পরের দিন থেকে কী হবে? অন্যদিকে, এদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্ত্রী ও দলের নেতাদের নিয়ে কেজরিওয়াল প্রথমে যান রাজঘাটে, গান্ধীজির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে। সেখান থেকেই রওনা দেন তিহাড়ের উদ্দেশে।

    প্রসঙ্গত, দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় মার্চে গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তার পর থেকে তিনি রয়েছেন তিহাড় জেলেই বন্দি। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেবেন বলে ছাড়া পান অন্তর্বর্তী জামিনে। পয়লা জুন শেষ হয়ে যায় সেই মেয়াদ (Arvind Kejriwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: দল লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে, কেজরিওয়াল দেশবাসীকে দিচ্ছেন ফ্রি বিদ্যুতের ‘গ্যারান্টি’!

    Arvind Kejriwal: দল লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে, কেজরিওয়াল দেশবাসীকে দিচ্ছেন ফ্রি বিদ্যুতের ‘গ্যারান্টি’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিন পেয়েই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর সাম্প্রতিক প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে দরিদ্র দেশবাসীকে মুফতে বিদ্যুৎ দেবেন তিনি। কেজরিওয়ালের দল আপ লড়ছে দেশের মাত্র ২০টি আসনে। তাই কীভাবে তাঁর দল ক্ষমতায় আসবে, কীভাবেই বা তিনি দেশবাসীকে বিনি পয়সায় বিদ্যুৎ দেবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেজরিওয়ালের দলের বিরোধীরা।

    জামিনে মুক্ত কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)

    দিল্লি আবগারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছেন ৫৬ দিন পর। তার পরেই নির্বাচনে জিততে মরিয়া আপ সুপ্রিমো (Arvind Kejriwal)। দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোট গ্রহণ হবে সাত দফায়। নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ হবে ১ জুন। ফল বের হবে ৪ জুন। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে হচ্ছে নির্বাচন। এর মধ্যে আপ লড়ছে মাত্র ২০টি আসনে। এর মধ্যে আবার চণ্ডীগড় ও গুজরাটের তিনটি কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থন করছে কেজরিওয়ালের দল। যার অর্থ, আপ স্বশক্তিতে লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে।

    কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কেজরিওয়াল বলেন, “১০টি গ্যারান্টির মধ্যে আমাদের প্রথম গ্যারান্টি হল দেশে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। দেশের ক্ষমতা রয়েছে ৩ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার। অথচ খরচ হয় ২ লাখ মেগাওয়াট। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। দিল্লি এবং পাঞ্জাবে আমরা এটা করেওছি। গোটা দেশেও আমরা এটা করব।” আপ সুপ্রিমো বলেন, “সমস্ত গরিব মানুষকে আমরা নিখরচায় ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেব। এজন্য খরচ হবে ১.২৫ লাখ কোটি টাকা। এই টাকার জোগাড় আমরা করব।”

    আরও পড়ুুন: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    দেশবাসীকে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। নাম, ‘মোদি কা গ্যারান্টি’। সেই ধাঁচেই গুচ্ছ গ্যারান্টি দিয়ে বসে রয়েছেন কেজরিওয়াল। তিনি যে এই গ্যারান্টি নিয়ে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেননি, তাও জানিয়েছেন আপ নেতা। আপ সুপ্রিমোর এই গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। আপ বিরোধীদের প্রশ্ন, বিজেপিকে পরাস্ত করতে যে ‘ইন্ডি’ জোট গঠিত হয়েছিল, কেজরিওয়াল কি তার মুখ? মাত্র ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে তিনি কীভাবে খোয়াব দেখেন দেশ চালনার? তবে কি ‘ইন্ডি’ জোটের প্রধানমন্ত্রী তিনিই (Arvind Kejriwal)? উত্তর মিলবে ৪ জুন, লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Schools: বায়ুদূষণে নাজেহাল দিল্লী,কেজরিওয়ালকে স্কুল বন্ধের পরামর্শ দিলেন বিজেপি

    Delhi Schools: বায়ুদূষণে নাজেহাল দিল্লী,কেজরিওয়ালকে স্কুল বন্ধের পরামর্শ দিলেন বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েকবছর ধরেই দিল্লীতে বায়ু দূষণের জন্য সমস্যা বেড়েই চলেছে। প্রতিবছরই এই সময় পাঞ্জাব হরিয়ানায় ক্রমাগত খড় পোড়ানোর জেরেই কালো চাদরের মতো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় রাজধানী দিল্লী ও নয়ডা।সকাল আটটায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে দিল্লীর আনন্দবিহারের মান ছিল ৪৫৮ যা গুরুতর বলে গন্য করা হয়। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে আগামী দু’দিন দিল্লীর বায়ুর গুনমান আরও খারাপ হতে চলেছে।
    এই নিয়ে বিষয়টিতে লেগেছে রাজনৈতিক রঙ। দিল্লীর এই পরিস্থিতির জন্য দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির চিফ অরবিন্দ কেজরীওয়ালকে (Arvind Kejriwal)  নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ ভুপেন্দ্র যাদব। দেশের রাজধানীকে ১৯৫২ সালের লন্ডনের গ্যাস চেম্বারের সাথে তুলনা করেছেন।
    গত শীত পর্যন্ত বিজেপি শাসিত হরিয়ানা ও কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাবকে দূষণের জন্য দুষেছিলেন কেজরীওয়াল। কিন্তু বর্তমানে আপ নেতৃত্বাধীন পাঞ্জাবে ২০২১ সালের তুলনায় আগুনে খড় পোড়ানোর ঘটনা ১৯ শতাংশ বেড়েছে। 

    [tw]


    [/tw] 

    দিল্লীর বিজেপি সভাপতি আদেশ গুপ্তা বায়ুদূষণের  জন্য দিল্লীর প্রতিটি স্কুলকে বন্ধের পাশাপাশি অনলাইনে স্কুল করার আবেদন জানিয়েছেন। এই নিয়ে তিনি দিল্লীর লেফটেন্যান্ট গর্ভনর বিনয় কুমার সাক্সেনাকে চিঠি লিখেছেন। তিনি আপ সরকারকে পাঞ্জাবে খড় পোড়ানোকে নিয়ন্ত্রণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। 

    [tw]


    [/tw] 
    এদিকে, দিল্লীর পরিবেশ মন্ত্রী(Delhi Environment Minister) গোপাই রাই (Gopal Rai) দিল্লীবাসীকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে মানা করেছে। তিনি সকলকে ওয়ার্ক ফর্ম হোমের পরামর্শ দিয়েছেন। আর যদি বাইরে বেরতেই হয় সেক্ষেত্রে নিজস্ব গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, রাজনীতির মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ সম্ভব নয়। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে সমাজের এই সমস্যা গুলোর সমাধান করা উচিত।

    [tw]


    [/tw]

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু দেবদেবীর আর পুজো নয়, আম আদমি পার্টি (AAP)-এর এই শপথের এই ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়েছিল। গত বুধবার নয়াদিল্লির আম্বেডকর ভবনে এক সংগঠনের ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন AAP মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম (Rajendra Pal Gautam)। সেখানেই তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপরেই বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতমকে বলতে শোনা যায়, “আমার ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের উপর কোনও আস্থা নেই। আমি এই দেবতাদের পুজো করি না। রাম বা কৃষ্ণের উপরেও আমার কোনও আস্থা নেই। তাঁদের অবতার বলে চালানো হচ্ছে। এঁদের পুজো আমি করি না।এছাড়াও ওই ধর্মান্তকরণ সভায় মন্ত্রীকে ১০০ এরও বেশি মানুষকে হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্মে রূপান্তরিত করার জন্য শপথ পাঠ করাতে দেখা যায়। এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই বিপাকে পড়েন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী। এই ঘটনার পর থেকেই সুর চড়াতে শুরু করে বিজেপি।

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির(BJP)তরফ থেকে বলা হয়, এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ-দুই ধর্মেরই অপমান করেছেন রাজেন্দ্র। সেই সঙ্গে হিন্দু বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।এর প্রত্যুতরে মন্ত্রী বলেন, আমি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সেই নিয়ে কারওর অসুবিধা হচ্ছে কেন? সংবিধানে সমস্ত ধর্মপালন করার স্বাধীনতা রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    সরকারি ভাবে এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি আম আদমি পার্টি। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই গোটা ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ। তবে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিকেই দুষেছেন রাজেন্দ্র। তিনি বলেছেন, দেশের কয়েক কোটি মানুষ এই শপথ নেন। কিন্তু এই নিয়ে বিজেপি অযথা অশান্তি তৈরি করছে। আমাকে ও আমার দলকে অপমান করার চেষ্টা করছে। প্রাক্তণ মন্ত্রী টুইটারে তিনি লেখেন, আজকের দিনে মহর্ষি হিসেবে বাল্মকীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আর আজকের দিনেই মান্যবর কাশীরাম সাহেবের মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এই পুণ্যতিথিতে আমি অনেক বন্ধন থেকে মুক্ত হলাম। আজ আমার নবজন্ম হল। এখন থেকে আমি শুধুমাত্র সমাজের হিতের জন্য কাজ করব

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Mallikarjun Kharge: ‘ইন্ডি’ জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মল্লিকার্জুন খাড়্গে! নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

    Mallikarjun Kharge: ‘ইন্ডি’ জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মল্লিকার্জুন খাড়্গে! নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে একটি রাজ্যে জিতে কোনওরকমে মুখরক্ষা করেছে কংগ্রেস। এহেন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেই (Mallikarjun Kharge) হচ্ছেন ‘ইন্ডি’ জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। বছর আশির খাড়্গে উত্তরপ্রদেশের তফশিলি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত কোনও আসনে প্রার্থী হতে পারেন।

    খাড়্গেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার প্রস্তাব

    খাড়্গেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। খাড়্গে অবশ্য বলছেন, “আগে জয়ী হওয়া যাক। পরে ভাবা যাবে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন।” মমতা ও কেজরির এই প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই ইন্ডি জোটের শরিক সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও রাষ্ট্রীয় লোকদলের সভাপতি জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে আলোচনা করছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

    নেপথ্যে কোন পার্টি-গণিত?

    পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র একটিতে জিতেছে কংগ্রেস। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস সভাপতিকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী আঁক কষেই। খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) তফশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত। উত্তর প্রদেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশই দলিত। তাই খাড়্গে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হলে কেবল উত্তর প্রদেশ নয়, বদলে যেতে পারে লোকসভা নির্বাচনের পার্টি-গণিতই। কারণ এই দলিত ভোটারদের সমর্থনেই ২০০৭ সালে তৃতীয়বারের জন্য উত্তর প্রদেশের কুর্সিতে বসেছিলেন বিএসপির মায়াবতী। ইন্ডি জোটের ভোট ম্যানেজারদের হিসেব, এই ভোটের সঙ্গে কংগ্রেসের নিজস্ব ভোট যোগ হলে, গোটা দেশেই ঘুরে দাঁড়াবে কংগ্রেস। যার জেরে আদতে উপকৃত হবে ইন্ডি জোট।

    আরও পড়ুুন: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’ কল্যাণের, ‘মুর্খো কা সর্দারে’র আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    এহ বাহ্য। খাড়্গে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন একমাত্র শিখ মনমোহন সিংহ। খাড়্গেকে দাঁড় করিয়ে সংখ্যালঘু ভোটও ইন্ডি জোটের ঝুলিতে নিয়ে আসতে চাইছেন ভোট ম্যানেজাররা। সোনিয়া গান্ধী অসুস্থ। আগামী লোকসভা নির্বাচনে তিনি আর প্রার্থী হবেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, সোনিয়ার জেতা রায়বেরিলি কেন্দ্রেই প্রার্থী করা হতে পারে খাড়্গেকে। এই কেন্দ্রে তফশিলি ভোট রয়েছে ১৫ শতাংশ। মুসলিম ভোট ২৫ শতাংশ। এর সঙ্গে বিজেপি বিরোধী দলগুলির ভোট এক বাক্সে পড়লে খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) জয় একপ্রকার নিশ্চিত। তবে খাড়্গে জিতলেও, ইন্ডি জোটের কী হাল হয়, সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে আপ (AAP) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রস্তাবিত বৈঠককে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মঙ্গলবার দুপুরে মমতা-কেজরি বৈঠক হওয়ার কথা।

    দিলীপের (Dilip Ghosh) নিশানায় মমতা

    এদিন নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে এসে দিলীপ বলেন, “গতবারও একই ঘটনা ঘটেছিল। মোদির সামনে কে যাবেন? কেউ যেতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “গতবার মমতা লাফালাফি করেছিলেন। সবাইকে মাছ-ভাত খাইয়েছিলেন। তারপর তো ওঁর ১২টি সিট কমে গিয়েছিল। তাই আর উনি এবার রাজি হচ্ছেন না। একটু হাওয়া দিলেই অনেক সময় উনি রাজি হয়ে যান। তাই এক একজন এসে হাওয়া দিচ্ছে। বলছে, দিদি, আপনি রাজি হয়ে যান। ওঁকে আসরে নামানোর চেষ্টা চলছে। কেবল ওঁকে রাজি করাতে এক এক সময় এক একজন কলকাতায় আসছেন। কিন্তু উনি জেনে গিয়েছেন, মোদির সামনে গেলে হাওয়া খারাপ হয়ে যাবে।”

    দিলীপের (Dilip Ghosh) নিশানায় অভিষেক

    এদিন তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো তথা ঘাসফুল শিবিরের নম্বর টু নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “এদিকে বলছে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন। এদিকে রক্ষাকবচ চাইতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন। এ বেঞ্চ থেকে ও বেঞ্চ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আদালতের সময় নষ্ট করছেন। সরকারি পয়সা অপচয় করছেন। তাঁকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চাট্টিখানি কথা নয়। এই চালাকি সবাই বোঝে। একাধিক নেতা আগেও এই চেষ্টা করেছেন। এ কোর্ট সে কোর্ট ঘুরে তাঁরা ভিতরে গিয়েছেন। অপেক্ষা করুন। কাজ চলছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    বর্তমানে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের নব জোয়ার কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন অভিষেক। সেখানকারই এক সভায় মোদির বয়স তুলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “৩৬ বছরেই কেউ যদি এত দুর্নীতি করে, ৭২ এ গিয়ে কী করবে?  মোদি ৫০ বছর ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে রয়েছেন। তাঁকে যারা কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল, তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। উনি যেন ভুলে না যান, মোদি-শাহকে ফাঁসাতে কেস গুজরাট থেকে তুলে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেখানেও গিয়েছেন। কেউ রাস্তা অবরোধ করেনি। কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে যায়নি। কেউ সরকারকে গালাগাল দেয়নি। আমরা আগুনের থেকে সোনা চকচকে হয়ে বেরিয়ে আসার মতো কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেরিয়ে এসেছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Results 2022: কার দখলে গুজরাট, হিমাচল? আজ দুই রাজ্যে ভোট গণনা

    Election Results 2022: কার দখলে গুজরাট, হিমাচল? আজ দুই রাজ্যে ভোট গণনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশের ভোটের ফল প্রকাশিত হচ্ছে আজ। নিয়ম মেনে সকাল ৮টাতেই শুরু হয়ে গিয়েছে গণনা প্রক্রিয়া। মোদি-শাহের রাজ্যের পাশাপাশি হিমাচলে কার দখলে থাকে সেটা স্পষ্ট হয়ে যাবে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। প্রায় সব বুথ ফেরত সমীক্ষার পূর্বাভাস, ফের গুজরাটে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি। রেকর্ড সংখ্যক আসনও পেতে পারে তারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে ঝড়ের গতিতেই এগোচ্ছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই ১১৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অনেক পিছনে কংগ্রেস (৪২)। জিতলে টানা সপ্তম বার গুজরাটে সরকার গঠন করবে পদ্ম ব্রিগেড ৷ গুজরাটের বিরামগাম কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হার্দিক প্যাটেল পিছিয়ে। গান্ধীনগর দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী অল্পেশ ঠাকুর এগিয়ে রয়েছেন। ঘাটলোদিয়া কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। বদগামে পিছিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী তথা দলিত নেতা জিগনেশ মেবানি। এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। 

    দুই রাজ্যের পাশাপাশি, পাঁচ রাজ্যে ৬টি আসনে বিধানসভা উপনির্বাচন ও হাইপ্রোফাইল মৈনপুরী লোকসভা আসনের গণনাও হচ্ছে আজ। মৈনপুরী আসনে লড়াই হতে চলেছে সমাজবাদী পার্টি ও বিজেপির মধ্যে৷ উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী লোকসভা কেন্দ্রে ভাগ্য নির্ধারিত হবে সমাজবাদী পার্টির প্রধান তথা সে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের স্ত্রী ডিম্পলের। উত্তরপ্রদেশের রামপুর ও খতোলি, ওড়িশার পদমপুর, রাজস্থানের সরদারশহর, বিহারের কুরনি ও ছত্তীসগড়ের ভানুপ্রতাপপুর বিধানসভা আসনের ফলাফল ঘোষণা হবে আজই।

    গুজরাটে বিজেপি কি করতে পারবে সাতে সাত?

    গুজরাটের দু’দফায় বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণা হচ্ছে বৃহস্পতিবার। ১৮২ আসনের গুজরাট বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে দরকার ৯২টি আসন। এ বারের গুজরাট বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি। অর্থাৎ, এ বার প্রধানমন্ত্রী মোদির রাজ্যে বিধানসভা ভোটের লড়াই ত্রিমুখী হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই ৯২-এর থেকে অনেক বেশি আসনে এগিয়ে বিজেপি। ধরেই নেওয়া যায় সাতে সাত বাঁধা।

    ২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটে গুজরাটে  ৯৯টি আসন নিয়ে টানা পঞ্চম বারের জন্য ক্ষমতায় আসে গেরুয়া শিবির। তবে গত চার বারের সঙ্গে তুলনা করলে ওটাই ছিল বিজেপির সবচেয়ে কম আসন। এবার বিধানসভা ভোটে জিতলে এ নিয়ে টানা সাত বার গুজরাট শাসনের দায়িত্ব পাবে মোদি-শাহের বিজেপি। 

    বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষায় ভবিষ্যদ্‌বাণী করা হয়েছে এবার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে বিজেপি। এবিপি-সি ভোটার সমীক্ষায় বলা হয়েছে বিজেপি ১২৮-১৪০টি আসন পেতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ১৩১-১৫১টি আসন। টুডে’জ চাণক্যর বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, এ বার বিজেপির আসন সংখ্যা হতে পারে ১৫০টি। উল্লেখ্য, বুথফেরত সমীক্ষার ফল সব সময় যে মেলে, তা নয়। কিন্তু এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি থাকায়, এই ধরনের সমীক্ষাকে অস্বীকার করাও যায় না।

    আরও পড়ুন: আজ শাহের দরবারে সুকান্ত! জানেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা রাজ্য বিজেপি সভাপতির?

    হিমাচলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত

    এবার যে হিমাচল প্রদেশে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে, তা ইঙ্গিত মিলেছে বুথফেরত সমীক্ষায়। ওই সব সমীক্ষা থেকে আভাস মিলেছে, সামান্য ভোট সুইংয়েই নির্ধারিত হতে পারে হিমাচলের ভাগ্য। 

    টাইমস নাও-ইটিজি বুথফেরত সমীক্ষা: হিমাচল প্রদেশে ৩৪ থেকে ৪২ টি আসনে জিততে পারবে বিজেপি। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ২৪ থেকে ৩২ টি আসন। আপের ঝুলিতে কোনও আসন যাবে না। 

    রিপাবলিক-পি মার্কের বুথফেরত সমীক্ষা: হিমাচল প্রদেশে বিজেপি ৩৪-৩৯ টি আসনে জিততে পারে। কংগ্রেস জিততে পারে ২৮-৩৩ আসন। আম আদমি পার্টির (আপ) ঝুলিতে যেতে পারে সর্বাধিক একটি আসন। নির্দলরা একটি থেকে চারটি আসনে জিততে পারে।

    এবিপি নিউজ-সি ভোটারের বুথফেরত সমীক্ষায় বলা হয়েছিল, বিজেপি পেতে পারে ৩৩-৪১টি আসন, কংগ্রেস পেতে পারে ২৪-৩২টি আসন, অন্যান্যরা পেতে পারে ০-৪টি আসন। এখানেও আপকে একটি আসনও দেওয়া হয়নি।

    ইন্ডিয়া টু’ডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, হিমাচল প্রদেশে ৩০ থেকে ৪০ টি আসন কংগ্রেস ঝুলিতে যেতে পারে। ২৪ থেকে ৩৪ টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। আম আদমি পার্টি (আপ) খাতা খুলতেই পারবে না। চার থেকে আটটি আসনে জিতবে নির্দল।

    নিউজ২৪-টুডে’জ চাণক্যের বুথফেরত সমীক্ষা: কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ৩৩ টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। ৩৩ টি আসনে জিততে পারে কংগ্রেস। নির্দলদের ঝুলিতে যেতে দুটি আসন। অর্থাৎ কিং মেকার হতে পারে নির্দলরা।

LinkedIn
Share