Tag: Kerala Government

Kerala Government

  • West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক ভাইরাল জ্বরের (West Nile fever) ভাইরাস কাবু করেছে দক্ষিণ ভারতের কেরালার বেশ কিছু মানুষজনকে। তবে মশার কামড়ে সৃষ্ট এই রোগ পরিচিত ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়া নয়। জানা গিয়েছে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস থেকে সৃষ্ট এই রোগ বিশেষত দেখা গিয়েছে কেরলের কোঝিকোড়, ত্রিশূর এবং মালাপ্পুরাম এলাকায়। 

    ইতিমধ্যেই কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) একাধিক কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এই রোগে সংক্রমিত ব্যক্তিদের পরীক্ষার নমুনাগুলি পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বর্তমানে সকলেই চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার আসলে কী? (West Nile fever)

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার হল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। ভাইরাসটি সাধারণত আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য,‌ উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম এশিয়ার পাওয়া যায়। কেরালা রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মানুষের মধ্যে একটি মারাত্মক স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ সময়ে এই রোগের কোন উপসর্গ দেখা যায় না।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের উৎপত্তি 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গোষ্ঠীর সদস্য এবং এটি ফ্ল্যাভিভিরিডি পরিবারের জাপানিজ এনসেফালাইটিস অ্যান্টিজেনিক কমপ্লেক্সের অন্তর্গত। ১৯৩৭ সালে প্রথম এই ভাইরাস উগান্ডায় পাওয়া যায়। এরপর ২০১১ সালে কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever)  প্রথম কেস রিপোর্ট করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে, মালাপুররামের একটি ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে এই রোগে মারা গিয়েছিল। ২০২২ সালে, ত্রিশুর জেলার একজন ৪৭ বছর বয়সী ব্যক্তিও এই ভাইরাস থেকে মারা গিয়েছিলেন।

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের লক্ষণ

    এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত বেশিরভাগ মানুষই উপসর্গবিহীন। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রামিত মশার কামড় থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা, বমিভাব, মাঝে মাঝে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া। তবে এই ভাইরাসে সংক্রমণ গুরুতর হলে উচ্চ জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, কোমা, কম্পন, খিঁচুনি, পেশী দুর্বলতা এবং পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণগুলি সাধারণত ৩ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে স্থায়ী হয়। 

    আরও পড়ুন: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের চিকিৎসা

    এই ভাইরাসে সংক্রমণ ঘটলে যে কোনও বয়সের মানুষের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। বিশেষত ৫০ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই জ্বরে আক্রান্ত হলে গুরুতরভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের জন্য কোনও ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। এই রোগে হাসপাতালে ভর্তি হলে রোগীকে মূলত স্যালাইন, অক্সিজেন দিয়েই প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala High Court: “কেন শুধুমাত্র মহিলাদের রাতে তালাবন্ধ করে রাখা হবে, পুরুষদের কেন নয়?” প্রশ্ন কেরল হাইকোর্টের

    Kerala High Court: “কেন শুধুমাত্র মহিলাদের রাতে তালাবন্ধ করে রাখা হবে, পুরুষদের কেন নয়?” প্রশ্ন কেরল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন শুধুমাত্র মেয়েরা এবং মহিলাদের রাতে “লক আপ” বা তালাবন্ধ করে রাখা হবে? রাজ্যের ছেলে বা পুরুষদের মত তাদের কেন স্বাধীনতা দেওয়া হবে না? এমনটাই প্রশ্ন করল কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)। ৭ ডিসেম্বর, বুধবার হস্টেলে কারফিউ জারির সরকারি আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে, কোঝিকোড়ের মেডিক্যাল কলেজের পাঁচ এমবিবিএস ছাত্রীর করা আবেদন বিবেচনা করার সময় এমনই পর্যবেক্ষণ করেছে কেরল হাইকোর্ট। হস্টেলে মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য কারফিউ জারি করার কেরল সরকারের আদেশের উপর প্রশ্ন করলেন কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি দেবন রামচন্দ্রন।

    ঘটনাটি ঠিক কী?

    ২০১৯ সালে কেরল সরকার, সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির হোস্টেলের ছাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ সরকারি আদেশ জারি করেছিল। সেই আদেশে কোনও কারণ ছাড়াই রাত ৯.৩০টার পর হস্টেলে ছাত্রীদের প্রবেশ এবং প্রস্থান নিষিদ্ধ করেছিল। সেই সঙ্গে ছাত্রীদের পড়াশোনা করার এবং স্টাডি হল ব্যবহার করার নির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে দিয়েছিল। এই শর্তগুলি মানলে তবেই ছাত্রীরা হস্টেল পেতে পারেন, এমন শর্ত আরোপ করা হয়। আর কেরল সরকারের এই আদেশকেই চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ওই পাঁচ ছাত্রী। তাঁদের দাবি, কেরল ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস অ্যাক্টের ৪২ নম্বর ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এই নিষেধাজ্ঞাগুলি আরোপ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদি-ম্যাজিকে ভর করে টানা সপ্তমবার গুজরাট দখলের পথে বিজেপি

    বিচারপতি কী বললেন?

    গতকাল এই মামলার শেষ শুনানিতে বিচারপতি দেবন রামচন্দ্রনের একক-বিচারপতির বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, মহিলা হস্টেলে কারফিউ জারি করে কোনও উদ্দেশ্য পূরণ করা যাবে না। রাতকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই। সরকারের উদ্দেশে বলা হয়েছে, এমন কারফিউ জারি না করে, এটি নিশ্চিত করা উচিত যে, রাতে বাইরে বেরনো যাতে সবার জন্য নিরাপদ হয়। আবার তিনি প্রশ্ন করেন যে, কেন শুধুমাত্র মহিলা বা মেয়েদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন এবং ছেলে বা পুরুষদের কেন নয়? কেন মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে মহিলাদের জন্য রাত ৯:৩০ মিনিটের পর কারফিউ জারি করা হয়েছে?

    বিচারপতি রামচন্দ্রন আরও বলেন, “মেয়েদেরও এই সমাজে থাকতে হবে। রাত সাড়ে ন’টার পর মেয়েরা বেরলে কি পাহাড় কি ধসে পড়বে? ক্যাম্পাসকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে। পুরুষদের তালাবদ্ধ করে রাখুন। কারণ তারাই ঝামেলা করে। রাত ৮টার পর পুরুষদের জন্য কারফিউ জারি করুন। মহিলাদের বের হতে দিন।”

    এরপর বিচারপতি এই কলেজের ছাত্রীদের অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেছেন, “সব বাবা-মাই যখন চান তাঁদের মেয়েদের বন্দি করে রাখা হোক, তখন সরকার কীভাবে তা না বলতে পারে? তবে রাজ্যের আর কোনও হস্টেলে তো কারফিউ জারি করা হয়নি, তবে সেখানে বসবাসকারী ছাত্রীদের কি বাবা-মা নেই?” তাই তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিধি-নিষেধ আরোপ করায় কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু যাই নিয়ম করা হোক না কেন, ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবার জন্য যাতে সমান হয়। রাজ্য এবং সরকারী কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই মেয়েদের এবং মহিলাদের আটকে রাখার পরিবর্তে তাদের নিজেদের যত্ন নেওয়ার জন্য যোগ্য করে তুলতে হবে।

LinkedIn
Share