Tag: Keralam Vishu AD Row

  • Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাপাতায় রাখা বিরিয়ানির সামনে বসে রয়েছেন বালগোপাল (Lord Krishna)। বিরিয়ানি (Biriyani) খাবার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি। কেরালার (Kerala) রেস্তোরাঁ মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের (Keralam Vishu Ad Row) এমন বিজ্ঞাপন ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। কেরালার চেরথালার এই ঘটনায় হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপি কেরালার একাধিক আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে গেরুয়া শিবির এনআইএ তদন্ত চায়। সমালোচকদের একাংশের মতে, বিষ্ণুর মতো একটা পবিত্র উৎসবের সময়ে এমন ছবি ব্যবহার আসলে ইচ্ছা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের চেষ্টা।

    বিষু বিতর্ক ঘিরে তদন্তের দাবি

    নতুন দিল্লিতে এনআইএ-র ডিরেক্টরের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে বিজেপির ত্রিশূর সিটি জেলার ইন্টেলেকচুয়াল সেলের আহ্বায়ক প্রসীদ দাস অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের নোটবন্দির পর থেকে কেরালায় (Kerala) আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর সংখ্যা “উল্লেখযোগ্যভাবে” বেড়েছে। তিনি এই রেস্তোরাঁগুলির অর্থের উৎস, বিদেশি লেনদেন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদেশি অর্থ আগমন (inward remittances) এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA), আর্থিক দুর্নীতি (PMLA)-এর মতো আইনের যথাযথ পালন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বেনামি লেনদেন ও অঘোষিত অর্থের প্রবাহের বিষয়েও তদন্ত চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    বিশু বিজ্ঞাপন নিয়ে ক্ষোভ

    এই তদন্ত দাবির পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বিষু উৎসবকে (Keralam Vishu Ad Row) ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, কিছু রেস্তোরাঁর প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে আমিষ খাবার দেখানো হয়েছে, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। কেরালার মালাপ্পুরম জেলায় একটি ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কোট্টাক্কালের একটি রেস্তোরাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কৃষ্ণের সামনে চিকেন ফ্রাই দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। একই জেলায় পেরিন্থালমান্নার কাছে আরও একটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, বিষু উপলক্ষে তৈরি একটি ছবিতে শিশু কৃষ্ণের সামনে মাংসের পদ দেখানো হয়েছিল। আলাপ্পুঝা জেলাতেও একই ধরনের ঘটনায় একটি রেস্তোরাঁর সহ-মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোঝিকোড ও কন্নুরেও এমন পোস্ট সামনে আসে, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়। এই সমস্ত পৃথক ঘটনার তদন্ত চললেও, এনআইএ-র কাছে দায়ের করা আবেদন গোটা বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, বরং আতিথেয়তা শিল্পে অর্থের উৎস, লেনদেন এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর নেটওয়ার্কের দিকেও নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে।

     

  • Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে কৃষ্ণের মাংস খাওয়ার ছবি কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আলাপ্পুঝা জেলার চের্থালায় মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস দ্বারা প্রস্তুত ও বিতরণ করা বিষু শুভেচ্ছা কার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে চের্থালা পুলিশ যে মামলা দায়ের করেছে, অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। পরিষদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অনিল ভিলায়িল-ই এমন দাবি তুলেছেন (Keralam Vishu AD Row)।  ওই কার্ডে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নিয়ে আপত্তি ওঠে বিভিন্ন মহলে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ শেমির ও তাঁর সহযোগীরা। তিনি বলেন, “এই ধরনের মামলা পিনারাই বিজয়ন সরকারের নীতির অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে, যেখানে অপরাধীদের রক্ষা করা হয় এবং যারা তা প্রকাশ করে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়।”

    মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় (Keralam Vishu AD Row)

    তাঁর আরও অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের বাড়িতে, এমনকি মহিলাদের ঘরেও পুলিশ ঢুকে পড়েছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে কথা বলা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। চের্থালার ঘটনাকে উল্লেখ করে ভিলায়িল বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কেরালামের প্রায় আটটি জায়গায়—মান্ডি দোকান, মায় একটি জুতোর দোকানেও—ভগবান কৃষ্ণকে আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করে একই ধরনের বিষু শুভেচ্ছা দেখা গিয়েছে। বেঙ্গালুরুতেও এমন একটি ঘটনার খবর মিলেছে।”

    বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ড

    তাঁর মতে, এসব ঘটনা একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে উসকানি দেওয়া এবং প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন ও অনুরূপ ছবির বিরুদ্ধে হিন্দু সংগঠনগুলির তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে, এবং চের্থালা পুলিশের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করেছে।” তিনি জানান, এই বিষয়টির মোকাবিলা করা হবে আইনানুগ পথে এবং জনমতের মাধ্যমে। ভিলায়িলের প্রশ্ন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ডটি যারা শেয়ার করেছে—রাজ্যের ভেতরে ও বিদেশে—তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত কি না (Keralam Vishu AD Row)।” তিনি উল্লেখ করেন, ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

    কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে

    তিনি বলেন, “হিন্দুদের অনুভূতিতে গুরুতর আঘাত লাগার পরেও কেরালামের শাসক দল, বিরোধী দলের নেতা, কিংবা আলাপ্পুঝার সাংসদ ও এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল কেউই কোনও প্রতিবাদ জানাননি।” তাঁর মতে, এলডিএফ ও ইউডিএফ—উভয় জোটের নেতৃত্বই এই ধরনের শক্তিকে উৎসাহ দিচ্ছে (VHP)। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে চের্থালায় অবস্থিত মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিষু-থিমযুক্ত একটি বিজ্ঞাপন, যেখানে ভগবান কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে—যার মধ্যে ভাজা মুরগি সহ একটি বিরিয়ানির প্লেটও রয়েছে। ছবিটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং চের্থালা ও আশেপাশের এলাকায় ভিএইচপি-সহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে (Keralam Vishu AD Row)।

    পরে অভিযোগের ভিত্তিতে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্রচার সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে সহ-মালিক আরশাদ নামে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর থেকে এই ঘটনাকে ঘিরে আরও বেড়েছে বিতর্কের পরিসর। কারণ অন্যান্য জায়গা থেকেও অনুরূপ ছবি (VHP) প্রকাশের খবর মিলেছে। প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে কেরালামের বিভিন্ন অংশেও (Keralam Vishu AD Row)।

     

LinkedIn
Share