Tag: Keshpur

Keshpur

  • Hiran Chaterjee: “কেশপুরে দুশোটি বুথে ভোট লুট করেছে তৃূণমূল, আদালতে যাব”, হুঁশিয়ারি হিরণের

    Hiran Chaterjee: “কেশপুরে দুশোটি বুথে ভোট লুট করেছে তৃূণমূল, আদালতে যাব”, হুঁশিয়ারি হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের দিন কেশপুরে দফায় দফায় তৃণমূলীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। বহু বুথে তাঁকে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। বিজেপির এজেন্টও ছিল না বহু বুথে। ভোট শেষে কেশপুরে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কেশপুরকে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি স্ট্রংরুম পরিদর্শনে গিয়ে কেশপুরের প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন হিরণ।

    ২০০টি বুথে ভোট লুট, আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ইঙ্গিত (Hiran Chaterjee)

    ঘাটাল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে ঘাটাল লোকসভার স্ট্রং রুম। সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে হিরণ (Hiran Chaterjee) বলেন, “কেশপুরের অন্তত ২০০ টি বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। সেই সব বুথে তৃণমূল ছাপ্পা মেরেছে। কমিশনে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। কেশপুরের সেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি। তৃণমূলের হাত ধরে তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। ভোটের লুঠের জন্য আমরা ফের ভোটের দাবি জানিয়েছিলাম। এবার আদালতের দ্বারস্থ হব।” জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে ঘাটাল লোকসভা থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী দেব ওরফে দীপক অধিকারী। বিজেপির বক্তব্য, দেবের এই লিডের সিংহভাগই জোগান দিয়েছিল কেশপুর। বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও এবারেও কেশপুরের ভোটে সকাল থেকে তৃণমূল পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বাহিনীকে বিভ্রান্ত করে বুথের পর বুথে ভোট লুট করেছে। এবার সুবিচার চাইতে আদালতে যাবে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের বিধানসভা ভোটে এই কেশপুর থেকেই সিপিএম প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। যা নিয়ে সে সময় সিপিএমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কী বললেন দেব?

    বিজেপি প্রার্থীর (Hiran Chaterjee) আনা অভিযোগকে অবশ্য গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল। ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী ওরফে দেব বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট হয়েছে, তাতেও সন্ত্রাসের কথা বললে হাস্যকর!” যদিও ভোট শেষে জয় নিশ্চিত বুঝে দেব দলীয় কর্মীদের নিয়ে সবুজ আবিরও খেলেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chaterjee: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    Hiran Chaterjee: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেশপুরে তৃণমূল ভোট করতে দেবে না। কর্মীদের কাছে থেকেই আগাম জেনেছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। তবে, বুকে বল ছিল তাঁর। কারণ, প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না। আর তাই ভোটের আগের রাতে এলাকা ঘুরে দেখতে গিয়ে হতাশ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই বলে অভিযোগও করেছিলেন। আর ভোটের দিন দিনভর তৃণমূলের “লুঙ্গি বাহিনীর” উদ্দাম নৃত্য দেখলেন রাজ্যবাসী। এমনই দাবি বিজেপির। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি মারধরও করা হয়েছিল। বিজেপি প্রার্থীও কেশপুরে দফায় দফায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। হিরণকে সামনে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে বাঁচানোর আর্জি জানালেন মহিলারা।

    আমার ছেলেকে মেরে দেবে গো নিয়ে যাও, কাতর আর্জি মহিলার (Hiran Chaterjee)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘাটাল লোকসভার কেশপুরের পাঁওসা। ভোটের দিন দুপুরে গাড়ি নিয়ে সদ্য এলাকায় ঢুকলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। আর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর গাড়ি ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন গ্রামবাসীরা। চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। বুকে ভয়। মহিলারা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এক মহিলা বললেন, “রাম কে নিয়ে যান। নিয়ে যান আপনি। ওকে মেরে দেবে ওরা।” এক গ্রামবাসী বললেন, “ভোটের আগের রাত থেকে ওরা অশান্তি করছে। মহিলাদেরও ছাড়ছে না। আর আমাদের ওই ছেলেটিকে বলছে মেরে শেষ করে দেব।” আরও এক মহিলা কার্যত আতঙ্কে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলেন, “আমার ছেলেকে মেরে দেবে গো তুমি ওকে নিয়ে যাও।” হিরণের হাত ধরে কার্যত অঝোরে কেঁদে ফেললেন মহিলারা। পাল্টা হিরণও আশ্বাস দিয়ে বলেন, “কিছু হবে না। আমি আছি। আমি থাকব।” কেশপুরের মহিলারা যখন চরম আতঙ্কে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, তখন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারীকে দেখা গেল ভোটের পর আবির খেলতে। উচ্ছ্বাসে মাতলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    কেশপুরে ভোট লুট করেছে তৃণমূল!

    হিরণ (Hiran Chaterjee) বলেন, কেশপুরে ভোট লুট করেছে তৃণমূল। মানুষ নিজের ভোট দিতে পারিনি। আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। দলীয় কর্মীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। তাই, কেশপুরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। আক্রান্তদের সঙ্গে আমি সবসময় পাশে রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Keshpur: “কেশপুরকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা”, পুনর্নির্বাচনের দাবি জানালেন হিরণ

    Keshpur: “কেশপুরকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা”, পুনর্নির্বাচনের দাবি জানালেন হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিল। তাই, ভোটের আগের দিন রাত জেগেছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। একাধিক এলাকায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছিলেন। আর সকাল হতেই কেশপুরে (Keshpur) গড় সামলাতে তিনি ছুটে যান। কিন্তু, তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনীর প্রবল বাধায় তিনি কেশপুর এলাকায় ঘুরে বেড়াতে পারেননি। গোটা বিধানসভা জুড়ে দাপিয়ে বেরিয়েছে তৃণমূলের মস্তানবাহিনী। বুথে বুথে চালিয়েছে লুঠতরাজ। এমনই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ষষ্ঠ দফার ভোটদানপর্ব শেষ হতে না হতেই কেশপুর বিধানসভা এলাকায় পুনর্নির্বাচন দাবি করলেন ঘাটাল কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়। শনিবার বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হিরণ বলেন, ‘এটা দেখে পশ্চিমবঙ্গ মনে হচ্ছে না কি? কেশপুরকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

    দিনভর অশান্তি কেশপুরে (Keshpur)

    শনিবার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই অশান্ত হয়ে ওঠে কেশপুর (Keshpur)। রাস্তায় অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিজেপি প্রার্থী হিরণের গাড়ি রুখে দেয় তৃণমূল। হিরণের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। এমনকী গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন অনেকে। লাঠি হাতে বিজেপি প্রার্থীকে রুখে যান তৃণমূল কর্মীরা। তবে, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় হামলা চালাতে পারেননি। তবে, দফায় দফায় কেশপুরে চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয় বিজেপি প্রার্থীকে। শুধু তৃণমূল নয়, পুলিশও নানা অছিলায় বিজেপি প্রার্থীকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। সবমিলিয়ে দিনভর অশান্ত ছিল কেশপুর।

    আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    কেশপুরকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা, পুনর্নির্বাচন দাবি

    এই পরিস্থিতির জন্য দিনের শেষে ক্ষোভ উগরে দেন হিরণ। তিনি বলেন, “এটা ভোট হয়েছে না কি? এখানে তো পাগলু ড্যান্স হয়েছে। আগুন জ্বালিয়ে, লাঠি নিয়ে পাগলুরা ডান্স করেছে। ওরা জানে, এভাবে ভোট না করালে ওরা জিততে পারবে না। আসলে মানুষ ওদের সঙ্গে নেই। তাই, বুথে বুথে ওদের বাহিনী লুঠ চালিয়েছে। আমাকে বিক্ষোভ দেখিয়ে বার বার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আসলে এটা পশ্চিমবঙ্গ বলে মনে হচ্ছে না। পাকিস্তান বা আফগানিস্তান হয়ে গিয়েছে। আমরা কেশপুরে (Keshpur) পুনর্নির্বাচন দাবি করছি। কমিশনকে আজই দাবি জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: “কেশপুরে ১০ দিনের মধ্যে খুন হবে বিজেপি, ফাঁসানো হবে তৃণমূলকে!”, দেবের মন্তব্যে পাল্টা এফআইআর হিরণের

    Dev: “কেশপুরে ১০ দিনের মধ্যে খুন হবে বিজেপি, ফাঁসানো হবে তৃণমূলকে!”, দেবের মন্তব্যে পাল্টা এফআইআর হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিজেপি কর্মীর একটা খুন হতে পারে কেশপুরে। আর এই খুনের দায় চাপানো হতে পারে তৃণমূলের উপরে। কিন্তু রাজ্যের তৃতীয় দফা নির্বাচনের পর কেন এমন ইঙ্গিত দিলেন ঘাটাল লোকসভা তৃণমূল প্রার্থী দেব (Dev)? অপরে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় নির্বাচনের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ঠিক এর মধ্যেও তৃণমূল নেতার মুখে খুনের ইঙ্গিত! ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঠিক কী বলেছেন দেব (Dev)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে তৃণমূল প্রার্থী দেব বললেন, “আগামী ১০ থেকে ২০ মে-র মধ্যে কেশপুরে খুন হতে পারেন এক বিজেপি কর্মী। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাঁর দলের কর্মীরা ষড়যন্ত্র করে খুন করতে পারেন। এই খুনের দায় তৃণমূলের উপর চাপানোর ষড়যন্ত্র চলছে। বিজেপির প্রার্থী হিরণ এবং দল যে ভাবে ঘটাল লোকসভায় জেতার জন্য পড়ে রয়েছেন তাতে কেশপুরে একটা বড় ঘটনা ঘটতে চলেছে। নিজের লোককে মেরে আমাদের লোকজনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। গত দশ বছর ধরে এলাকাকে আমি শান্ত করে রেখেছি। সন্ত্রাস করার চেষ্টা হতে পারে তাই কমিশন এবং সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়ে রাখলাম।”

    আরও পড়ুনঃ “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত দেব!

    এদিকে বিজেপি প্রার্থী হিরণ পাল্টা দেবকে আক্রমণ করে বলেছেন, “আমরা এফআইআর করব। আমি কেশপুরের বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বলছি, সবাই নিশ্চিন্তে থাকুন। কারও দম নেই যে খুন করবে। তৃণমূল খুনের পরিকল্পনা করছে।”দেবের বিরুদ্ধে গরু পাচারের অভিযোগ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে থেকেই ছিল। একাধিক বার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিয়ে তলব করেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দেবের সিনেমায় গরুপাচারের টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। গরু পাচারের টাকা এনামূলের মাধ্যমে এসেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ভাবে এই ঘটাল কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরণও ধারাবাহিক ভাবে গরু পাচার বিষয়ে দেবকে আক্রমণ করেছেন। তাহলে কী দেব নিজের জন সমর্থন কমে গেছে বুঝতে পেরে আগাম বিস্ফোরক বা উস্কানি মূলক মন্তব্য করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন? অবশ্য রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মানুষ এমনটাই মনে করছেন।  তাঁর মন্তব্যে রাজনৈতিক হিংসার ইঙ্গিত রয়েছে বলে মনে করছে বিজেপি। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।          

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Keshpur: “দলীয় কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারল তৃণমূল,” বললেন বিজেপি জেলা সভাপতি

    Keshpur: “দলীয় কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারল তৃণমূল,” বললেন বিজেপি জেলা সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কেশপুর (Keshpur)। এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করে দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনটাই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ভোটের মুখে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলল বিজেপি। এই ঘটনায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Keshpur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেশপুর (Keshpur) ব্লকের ২ নম্বর অ়ঞ্চলের গোপীনাথপুর এলাকায় বিজেপির স্থানীয় এক বুথ সভাপতি অঙ্কন নিয়োগীকে ব্যাপক মারধর করা হয়। দলীয় পতাকা লাগানোর সময় এই হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি দলীয় পতাকা ছিঁড়়ে দেওয়া হয়েছে। দুটি ঘটনাতেই অভিযুক্ত তৃণমূল। খবর পেয়ে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস আহত বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে আনন্দপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যদিও এই ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের গড়ে বিজেপি নেতার ছেলেকে ‘অপহরণ’ তৃণমূলের! মামলা হাইকোর্টে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এ-প্রসঙ্গে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, কিছুদিন আগে কেশপুরে (Keshpur) এসে দেব বলে গিয়েছিলেন, আমি চাইনা এই সন্ত্রাস হোক, রক্ত ঝড়ুক। তিনি চলে যেতেই আমাদের কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল। এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানোর সময় আমাদের এক সক্রিয় বিজেপি কর্মী অঙ্কন নিয়োগীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়। অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে দলীয় কর্মীরা পতাকা লাগাচ্ছিলেন। ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা চালাতে আসে তৃণমূলের লোকজন। আমাদের কর্মীরা প্রতিরোধ করলে পালিয়ে যায়। আমি সাংসদ ও এখানকার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে সন্ত্রাস না করার অনুরোধ করবো। এলাকার গরিব মানুষের প্রাপ্য অধিকার তৃণমূল চুরি করেছে। মানুষ পাশে নেই তৃণমূলের। নির্বাচনের ফলে তা প্রমাণ হয়ে যাবে। যদিও স্থানীয় তৃণমূলে নেতৃত্বের বক্তব্য,  হামলার কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করছে। আমাদের দলের নামে বদনাম দিচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: “আবাসের বাড়ি পাইনি, মেলেনি সরকারি সুবিধা”, দেব-এর প্রচারে মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ

    Dev: “আবাসের বাড়ি পাইনি, মেলেনি সরকারি সুবিধা”, দেব-এর প্রচারে মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় তারকা প্রার্থী দেব-কে (Dev) নিয়ে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়লেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা। প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ জানানোয় চরম বিড়ম্বনায় পড়েন তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। তবে, ভোটের মুখে এই ক্ষোভ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ (Dev)

    সোমবার বিকেলে কেশপুরে প্রচারে আসেন দেব (Dev)। তাঁর গাড়ির আগেই ছিল মন্ত্রী তথা কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহার গাড়ি। ছুতারগেড়্যার কাছে দলের নেতা-কর্মীদের জটলা দেখে গাড়ি দাঁড় করান শিউলি। রাস্তার পাশে তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয়। বাম আমলে এটিই সিপিএম কার্যালয় ছিল। পালাবদলের পরে ‘দখল’ হয়েছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী যখন নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন, তখন তাঁর গাড়ির সামনে আসেন কাবরুল বেগম নামে স্থানীয় এক মহিলা। অভিযোগ করে বলেন, আবাসের বাড়ি দেয়নি। আমার বড় ছেলে শেখ বরজাহান আলি একশো শতাংশ প্রতিবন্ধী হয়েও সরকারি ওই প্রকল্পের সুবিধা পাননি। অথচ গ্রামের এমন অনেকে বাড়ি পেয়েছেন, যাঁদের পাওয়ার কথাই নয়। গাড়ির কাছে গিয়ে কাবরুল মন্ত্রীকে শোনান, “আমি মমতাকে দেখে পার্টি করেছি। এই পার্টি অফিসের জায়গাটা আমার শ্বশুরের। দেব আমার দেশের ছেলে। আমি কাউকে ভয় করিনি। অন্য অনেকে দু’তলা, তিনতলা বাড়ি করছে। আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটা কেন বাড়ি পাবেনি? এটা শুধু আমার ব্যাপার নয় আরও অনেকের ব্যাপার।”

    আরও পড়ুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অভিযোগকারীকে বলতে বাধা!

    অদূরে তখন দেবের গাড়ি। প্রশ্নের মুখে অস্বস্তিতে পড়েন শিউলি। নেতা-কর্মীরা ওই মহিলাকে সরানোর চেষ্টা করেন। কাবরুল তখন বলে ওঠেন, “সরাচ্ছো কেন? দল করার জন্য দুর্দিনে মার খেয়েছি। সুদিনে আমাদের দল দেখেনি।” শিউলি বোঝানোর চেষ্টা করেন, “আরে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দিচ্ছে না তো।” কয়েকজন নেতার আশ্বাসে শেষে কাবরুল শান্ত হন। মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে এই ক্ষোভের কথা কানে উঠতেই কেশপুরের ভূমিপুত্র দেব (Dev) বললেন, “শুধু মানুষের ভালো কথা শোনার জন্য তো আর জনপ্রতিনিধি হয় না। মানুষের রাগ, অভিমান-এ সবও শুনতে হয়। মানুষ তাঁর কাছেই আক্ষেপ করেন, যাঁকে বিশ্বাস করেন।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এতদিন ধরে তৃণমূল করার পরও ওই মহিলা আবাস যোজনায় বাড়ি পাননি কেন? স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ রফিকের দাবি, “ওঁর এক ছেলে বাড়ি পেয়েছে। উনি সেটা জানেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: কেশপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, জখম ৭

    Panchayat Poll: কেশপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, জখম ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Poll) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। দুদিন আগেই গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে যুব তৃণমূল কর্মীকে খুন করার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। মূলত মাদারের সঙ্গে যুব তৃণমূলের গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ফের শাসকের গোষ্ঠী কোন্দল। ব্লক যুব সভাপতি আসিফ ইকবালের অনুগামীদের সঙ্গে ব্লক সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজা অনুগামীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    কেশপুরের শাকপুর এলাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। এই এলাকায় শুধু জেলা পরিষদের ভোট হবে। তৃণমূলের পঞ্চায়েত স্তরে জয়লাভ করার পরও স্বস্তিতে নেই দলীয় কর্মীরা। সোমবার বিকেলে চায়ের দোকানে বসেছিলেন কেশপুর ব্লকের যুব তৃণমূলের সভাপতি আসিফ ইকবালের অনুগামীরা। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের লক্ষ্য করে গালাগালি করে ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজার অনুগামীরা। এর পরই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দু-পক্ষ। ঘটনায় জখম হয়েছেন দু-পক্ষের ৭ জন, যুব তৃণমূলের ৫ জন এবং ব্লক তৃণমূলের ২ জন। এঁদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতা?

    আক্রান্ত যুব তৃণমূলের বুথ সভাপতি আমারুল ইসলাম বলেন, আমরা গত বিধানসভায় দলের জন্য প্রাণ দিয়ে লড়াই করেছিলাম। এখন পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Poll) ব্লক সভাপতির অনুগামীরা নব্য তৃণমূলীদের নিয়ে দল করছে। দলে আমাদের কোনও গুরুত্ব নেই। চায়ের দোকানে বসেছিলাম। সেখানেই ওরা হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৫ জন জখম হয়েছে।

    কী বললেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব?

     রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া বলেন, হামলাকারীরা বিজেপির লোকজন নয়তো! বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। দলগত কোনও সমস্যা হলে দলীয় স্তরে গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। আর এই ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে পুলিশ-প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিনাখাঁ (Minakhan) ও কেশপুরে (Keshpur) বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় এনআইএ তদন্তভার নেবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    রাজ্য সরকার জানিয়েছে…

    এদিন আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই মিনাখাঁ নিয়ে কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। কেশপুর নিয়েও দ্রুত রিপোর্ট পাঠানো হবে। সব শুনে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।

    গত ১৬ নভেম্বর উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় মামার বাড়িতে এসেছিল এক নাবালিকা। বল ভেবে মামার বাড়িতে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়েছিল সে। আচমকাই সশব্দে ফেটে যায় বোমাটি। বসিরহাট জেলার মিনাখাঁ থানার চাপালি গ্রাম পঞ্চায়েতের গাইন পাড়ার ওই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। যার বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছিল, তিনি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। নাম আবুল হোসেন গায়েন। ঘটনার পরে পরেই ঝুমা খাতুন নামে ওই নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পরে পরে আবুল হোসেন গায়েনের বাড়িতে যায় বম্ব স্কোয়াডের চারজনের এক প্রতিনিধি দল। তল্লাশি চালানো হয় তাঁর বাড়ির বিভিন্ন ঘরে। পরে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের ওই সক্রিয় কর্মীকে। অভিযোগ ওঠে, এই প্রথম নয়, এর আগেও অস্ত্র আইনে গ্রেফতার হয়েছিলেন আবুল হোসেন গায়েন।

    আরও পড়ুন: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    ওই ঘটনার পরের দিনই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে ব্যাপক বোমাবাজি হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে। ঘটনায় জখম হন শেখ রফিক। তিনি প্রাক্তন ব্লক সভাপতির অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত। ওই ঘটনায় রফিকের ডান হাতের আঙুল উড়ে যায়। ঘটনায় নাম জড়ায় রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার। যদিও শিউলি ঘটনার দায় চাপান সিপিএমের ওপর।

    তবে এই প্রথম নয়, দিন কয়েক আগে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছিল, সাঁইথিয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত করবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। এদিকে, বীরভূমের মহম্মদবাজারের বিস্ফোরক পাচার ও বেলডাঙা বিস্ফোরণকাণ্ডের ঘটনার তদন্তভারও ইতিমধ্যেই নিয়েছে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

LinkedIn
Share