Tag: Kesto Mondal

Kesto Mondal

  • Anubrata Mondal: কৌশিকী অমাবস্যায় জেলেই মা তারার ছবিতে পুজো কেষ্টর, বিতরণ করলেন নকুলদানাও!

    Anubrata Mondal: কৌশিকী অমাবস্যায় জেলেই মা তারার ছবিতে পুজো কেষ্টর, বিতরণ করলেন নকুলদানাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya 2022)। ধুমধামের সঙ্গে এই বিশেষ দিন পালিত হচ্ছে। এর জন্য সেজে উঠেছে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠ মন্দির (Tarapith Temple)। অতীতে, প্রতিবছর এই কৌশিকী অমাবস্যা ঘটা করে পালন করে এসেছেন মা কালীর (Goddess Kali) ভক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। আর কালীপুজোর আয়োজনে কোনও খামতি থাকত না। জাঁকজমক করে এই উৎসব পালন হত তাঁর বাড়িতে। শোনা যায়, কালীপুজোয় প্রতিমাকে প্রায় ২৫০-৩০০ ভরি সোনার গয়নায় সাজিয়ে পুজো করতেন অনুব্রত। আবার কখনও, সোজা তারাপীঠ মন্দিরে হাজির হয়ে যেতেন বীরভূমের একসময়ের ‘বেতাজ বাদশা’।

    কিন্তু, এবছর যেন সব ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে। গরুপাচার মামলায় এখন শ্রীঘরে রয়েছেন কেষ্ট। বর্তমানে, কেষ্টর ঠিকানা আসানসোল জেল (Asansol Jail)। সেখানেই ১৪ দিনের হাজতবাস কাটাচ্ছেন তিনি। এমতাবস্থায়, কার্যত বাধ্য হয়ে জেলের মধ্যেই পুজো সারলেন কেষ্ট। সূত্রের খবর, এদিন, জেলেই পুজো দিলেন অনুব্রত। সংশোধনাগারে মায়ের কোনও বিগ্রহ নেই। তবে মা কালীর একটা ছবি আছে। সকাল সকাল স্নান সেরে আসানসোল সংশোধনাগারের হনুমান মন্দিরে মা তারার ছবিতে লাল জবা, ধুপ ও নকুলদানা দিয়ে পুজো দিলেন অনুব্রত। তাঁর প্রসাদও অন্যান্য বন্দিদের মধ্যে বিতরণ করেন অনুব্রত।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে ১৭টি চালকলে ঢুকেছে গরু পাচারের টাকা? কেষ্টর যোগসূত্রে তদন্তে ইডি-সিবিআই

    এদিকে, সূত্রের আরও খবর, আসানসোল সংশোধনাগারে যে হাসপাতাল রয়েছে, সেই  দু’টি ঘরের মধ্যে একটিতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। ওই ঘর লাগোয়া পৃথক কমোডযুক্ত শৌচাগারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে তাঁর জন্য। তবে সংশোধনাগারে কেষ্টকে কোনও  বিশেষ আতিথেয়তা দেওয়া হচ্ছে না বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি। সিবিআই-এর বিশেষ আদালতের নির্দেশে প্রতি ৪৮ ঘণ্টা অন্তর হচ্ছে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা৷ গত স্বাস্থ পরীক্ষায় জানা গিয়েছে তাঁর ওজন কমেছে৷ জানা গিয়েছে, গত ১৫ দিনে অনুব্রত মণ্ডলের ৩ কেজি ওজন কমে গিয়েছে৷ ১১২ কেজি থেকে কমে এখন তাঁর ওজন দাঁড়িয়েছে ১০৯ কেজি৷ অনুব্রতর শারীরিক অসুস্থতার কথা চিন্তা করে আপাতত জেলের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে তাঁকে৷

    আরও পড়ুন: সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal Aide: রাজীবের চালকল থেকে অনুব্রতর স্ত্রীকে ২১ লক্ষ টাকা অগ্রিম, লেনদেনে বিদ্যুৎও, তদন্তে সিবিআই

    Anubrata Mondal Aide: রাজীবের চালকল থেকে অনুব্রতর স্ত্রীকে ২১ লক্ষ টাকা অগ্রিম, লেনদেনে বিদ্যুৎও, তদন্তে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্ট ঘনিষ্ঠ রাজীব ভট্টাচার্যের (Rajib Bhattacharya) পেশ করা নথি যত পরীক্ষা হচ্ছে, ততই যেন নতুন নতুন চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসছে সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling) অনুব্রতর (Anubrata Mondal) এই সহযোগীকে দীর্ঘ জেরা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। জমা দিতে হয়েছে আয়-ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত হিসেবনিকেশও। আর তা পরীক্ষা করতে গিয়েই বেরিয়ে আসছে একের পর এক ‘গুপ্তধন’। 

    সিবিআইয়ের হাতে এসেছে রাজীবের চালকল সংস্থার ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের ব্যালান্স শিট। তাতে দেখা গিয়েছে, সেই সময় অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলকে অগ্রিম বাবদ ২১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে , ওই একই সময়ে, আরেক অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণ গায়েনের থেকে ৫ লক্ষ টাকা ধার নেওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে কী কারণে? এই দুই ব্যক্তির সঙ্গে কেন ব্যবসায়িক লেনদেন করা হয়েছিল? ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ টাকা নেওয়া ও দেওয়া হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে, রাজীবের পেশ করা তাঁর সংস্থার ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ব্যালান্স শিট দেখে সিবিআই জানতে পারে যে, টাটা মেডিক্যাল সেন্টার ট্রাস্টকে দেওয়া হয়েছিল ৬৬ লক্ষ টাকা। কী কারণে সেই টাকা হাসপাতালকে দেওয়া হয়েছিল, তা উল্লেখ ছিল না নথিতে। এমনকী, সূত্রের খবর, রাজীবকে প্রশ্ন করেও এই নিয়ে সদুত্তর মেলেনি। তবে, জানা গিয়েছে, ওই একই সময়ে ওই হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন ছবি মণ্ডল। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ছবির চিকিৎসার খরচই মিটিয়েছিলেন রাজীব। তেমনটা হয়ে থাকল, কেন?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, কেষ্টর সবকটি রাইস মিলের ‘অপারেটর’ হচ্ছেন এই রাজীব। জানা গিয়েছে, একসময়ে বীরভূমের ছোট চাল ব্যবসায়ী ছিলেন রাজীব ভট্টাচার্য। অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই আচমকা উল্কার বেগে তাঁর উত্থানের শুরু। অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পত্তি মালিক হন তিনি। বর্তমানে রাজীবের আওতায় ৭টি রাইস মিল রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন স্বয়ং অনুব্রত মণ্ডল, কেন জানেন?

    আবার ঘটনাচক্রে, অনুব্রতর ছত্রছায়ায় রাজীবের মতোই উল্কার উত্থান হয়েছে বিদ্যুৎ গায়েনেরও। ছিলেন সামান্য এক পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী। সেখান থেকে কয়েক বছরের মধ্যেই বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়ে যান। অনুব্রতর লগ্নি করা একাধিক কোম্পানিতে সুকন্যা মণ্ডলের সঙ্গে যুগ্ম ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। নাম যুক্ত রয়েছে ভোলে ব্যোম রাইস মিলের সঙ্গেও।

    তাহলে কি অনুব্রতর বেনামি সম্পত্তি তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে রেখেছেন অনুব্রত? কেষ্টর ‘গুপ্তধন’-এর সন্ধানে জোরকদমে চারদিকে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Saigal Hossain: ‘সায়গলই হচ্ছে…’, গরুপাচার কাণ্ডে বড় রহস্যভেদ সিবিআইয়ের

    Saigal Hossain: ‘সায়গলই হচ্ছে…’, গরুপাচার কাণ্ডে বড় রহস্যভেদ সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার (Cattle smuggling) মামলার তদন্তে এবার বড় রহস্যভেদ করল সিবিআই (CBI)। এর ফলে, এই মামলার জট অনেকটাই কাটবে বলে আশা করছেন তদন্তকারীরা। 

    কী রহস্যভেদ? গরুপাচার মামলার তদন্ত শুরু করার পর থেকেই, বারবার সিবিআইয়ের হাতে এসেছে একটি সাংকেতিক শব্দ। সেই শব্দ হল ‘সাইকেল’ (CBI cracks Cycle mystery)। সূত্রের খবর, তদন্তে নামার পর বারবার উঠে আসে সাইকেল শব্দটি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের মুখে উঠে আসে সাইকেল-শব্দ। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) সঙ্গে অন্যদের কথোপকথনের যে সব বয়ান গরু পাচারের তদন্তে নামা সিবিআইয়ের হাতে এসেছিল, তাতেই তারা প্রথম পেয়েছিল ‘সাইকেল’ শব্দটা।

    আরও পড়ুন: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    আর তাতেই এই আপাত নিরীহ শব্দকে নিয়ে জোর খটকা লাগে তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তকারীরা জানতে চাইছিলেন সাইকেল কী? এটা কি কোনও সাঙ্কেতিক শব্দ? ধন্দে পড়ে যান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সন্দেহ দৃঢ় হয়, গরুপাচারকারীদের কাছ থেকে আটক করা বিভিন্ন নথিতে সাইকেল শব্দটি পাওয়ার পর। সেখানে সাইকেল নামের পাশে লেখা বিভিন্ন অঙ্কের টাকার কথা। 

    দেখা যায়, প্রতি বার সাইকেল শব্দের পাশে বিভিন্ন অঙ্কের টাকার কথা লেখা আছে। কখনও ১০ লক্ষ টাকা, কখনও আবার ২০ লক্ষ। এমনকি গরু পাচারে মূল অভিযুক্ত এনামুল হক এবং অন্য গরু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা নথিতেও এই সাইকেল শব্দটি পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীরা বুঝতে পারছিলেন না, গাড়ি থাকতে কেন সাইকেলের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হতো। দীর্ঘদিন ধরে, এই শব্দের রহস্যভেদ করার চেষ্টা করেন তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘অনুব্রত ওয়েব সিরিজের সবে প্রথম ও দ্বিতীয় এপিসোড বেরিয়েছে…’’, খোঁচা সুকান্তর

    অবশেষে, এই রহস্যের সমাধান করল সিবিআই। সিবিআই সূত্রে দাবি, তদন্তে জানা যায়, অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনই (Saigal Hossain) গরুপাচারকারীদের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘সাইকেল’ নামে। তবে কি অনুব্রতকে আড়াল করতেই ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন সায়গল? সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। 

  • Anubrata Mondal: আরও ৪ দিন সিবিআই হেফাজতে কেষ্ট মণ্ডল, আবার শুনতে হল ‘গরু চোর’ স্লোগানও!

    Anubrata Mondal: আরও ৪ দিন সিবিআই হেফাজতে কেষ্ট মণ্ডল, আবার শুনতে হল ‘গরু চোর’ স্লোগানও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলল না জামিন। গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling case) কেষ্ট মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) আরও চারদিন সিবিআই (CBI) হেফাজতে পাঠাল আদালত। এদিন অনুব্রতর আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করলে তা পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়ে তাঁকে ফের সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। অর্থাৎ, ২৪ অগাস্ট পর্যন্ত তাঁর ঠিকানা নিজাম প্যালেসই (Nizam Palace)। 

    গরু পাচার মামলায় গত ১১ অগাস্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হন বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Birbhum TMC President Anubrata)। সেইদিন থেকেই সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তিনি। শনিবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয় অনুব্রতকে। বিচারক কেষ্টকে প্রশ্ন করেন, ‘‘শরীর কেমন আছে?’’ শুনে অনুব্রত বলেন, ‘‘সারাক্ষণ অসুস্থ। ওষুধ খাচ্ছি।’’ শুনে বিচারক বলেন, ‘‘অসুবিধে হলে চিকিৎসককে জানাবেন।’’

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের চালকলে সিবিআই হানা! মিলল রাজ্য সরকারের স্টিকার লাগানো ৫টি গাড়ি

    তবে, এদিন মূল আকর্ষণ ছিল অনুব্রতর শুনানি-পর্ব। শুরুতেই কেষ্টর আইনজীবী তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরে জামিনের আবেদন জানান। অনুব্রতর জামিনের বিরোধিতা করে তদন্তকারী সংস্থা পাল্টা যুক্তি দেখায়, তদন্তে অসহযোগিতা করছেন অনুব্রত। আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন, সীমান্তে বাজেয়াপ্ত করা গরুর নিলামের টাকা যেত অনুব্রতর কাছে। অনুব্রতকে জামিন দিলে তদন্ত ধাক্কা খাবে। কারণ, এর আগে অনুব্রতকে বারবার ডাকা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। তুলে ধরা হয় প্রভাবশালী তত্ত্বও। সবপক্ষের সওয়াল শুনে অনুব্রতকে পুনরায় সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দেয় আদালত।

    যেখানে কেষ্টর আইনজীবী যে যুক্তিগুলো দেখিয়েছেন, তা রীতিমতো তাজ্জব করে দেওয়ার মতো। শুক্রবার অনুব্রত মণ্ডলের ভোলে ব্যোম রাইসমিলে হানা দিয়েছিল সিবিআই টিম। তার দু’দিন আগে কেষ্ট মণ্ডলের ব্যাঙ্কে থাকা ১৭ কোটি টাকা ‘ফ্রিজ়’ করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। এদিন আদালতে অনুব্রতর আইনজীবীরা দাবি করেন, ওই চালকল নাকি অনুব্রতকে দিয়েছিলেন তাঁর শ্বশুরমশাই। আর ১৭ কোটি টাকা। সেটা নাকি কেষ্টর প্রয়াত স্ত্রী ছবি মণ্ডলের জীবন বিমা টাকা, যা তিনি স্থায়ী আমানত করে ব্যাঙ্কে গচ্ছিত রেখেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর ১৭ কোটির FD-তেই লুকিয়ে আরও ১৯ জনের ‘প্রাণভোমরা’! তাই কি ইডি-সিবিআইতে আপত্তি?

    এদিকে, এদিন কেষ্টকে দেখেই আদালত চত্বরে ওঠে ‘গরু চোর’ স্লোগান। শনিবার অনুব্রতকে কটাক্ষ করে, গরু চোর লেখা প্ল্যাকার্ড ও দাঁড়িপাল্লায় মাগুর মাছ নিয়ে আসানসোল ঘড়ির মোড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন একদল মানুষ। সেইসময় তৃণমূল কর্মীরা সেখানে হাজির হওয়ায় উত্তেজনা ছড়ায়। হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

  • Anubrata Mondal: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    Anubrata Mondal: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। তারপর বিদ্যুৎবরণ গায়েন (Bidyut Gayen)। এবার গরুপাচার কাণ্ডে (Cattle smuggling case) সিবিআইয়ের নজরে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) আরেক ঘনিষ্ঠ রাজীব ভট্টাচার্য (Rajib Bhattacharya)। 

    কেষ্টর সম্পত্তির খোঁজে আজ, সোমবার বোলপুরের শিব শম্ভু রাইস মিলে হানা দিয়েছে সিবিআই (CBI)। গত কয়েকদিনের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় চালকলে হানা দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর আগে ভোলে ব্যোম রাইস মিলে (Bhole Vyom Ricemill) হানা দিয়েছিল সিবিআই। সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে তদন্তকারী দল। জানা গিয়েছে কেষ্টর ঘনিষ্ঠ হিসেবে একাধিক রাইস মিলের সঙ্গে জড়িত এই রাজীব।

    কিন্তু, কে এই রাজীব? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, কেষ্টর সবকটি রাইস মিলের ‘অপারেটর’ হচ্ছেন এই রাজীব। জানা গিয়েছে, একসময়ে বীরভূমের ছোট চাল ব্যবসায়ী ছিলেন রাজীব ভট্টাচার্য। অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর বিপুল সম্পত্তি মালিক হন তিনি। বর্তমানে রাজীবের আওতায় ৫টি রাইস মিল রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্ট যোগ! ভোলে ব্যোমের পর শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা সিবিআইয়ের, কী মিলল?

    কীভাবেই বা সিবিআই রেডারে এলেন তিনি? গরুপাচার কাণ্ডের তদন্তে নেমে রাজীবের নাম জানতে পারে সিবিআই। ইতিমধ্যে তাঁকে একবার জেরাও করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারী সংস্থার কাছে জমা দিতে হয় আয়-ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত হিসেবনিকেশ। আর তাতেই ইডি-সিবিআইয়ের হাতে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    কী এসেছে ইডি-সিবিআইয়ের হাতে? রাজীব ভট্টাচার্যর আয়-ব্যয়ের হিসেব খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি চমকপ্রদ তথ্য পান গোয়েন্দারা। রাজীবের পেশ করা তাঁর সংস্থার ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ব্যালান্স শিটে দেখা যাচ্ছে, ওই সময় টাটা মেডিক্যাল সেন্টার ট্রাস্টকে দেওয়া হয়েছিল ৬৬ লক্ষ টাকা। প্রশ্ন হচ্ছ, কীসের জন্য এই বিপুল অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে? 

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, প্রায়ই একই সময় ওই হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন কেষ্টর স্ত্রী ছবি মণ্ডল। কাকতালীয়? নাকি, অনুব্রতর স্ত্রীর (বর্তমানে প্রয়াত) চিকিৎসার খরচ বাবদই কি দেওয়া হয়েছিল ওই টাকা? সূত্রের খবর, জেরায় কেষ্ট দাবি করেছেন, তাঁর নাকি বেনামিতে কোনও সম্পত্তিই নেই। যা আছে, তাঁর ও পরিবারের নামে!

    আরও পড়ুন: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    আবার সূত্রের খবর, রাজীব তদন্তকারী সংস্থার কাছে দাবি করেন, অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর কেবলমাত্র রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ব্যবসায়িক কোনও সম্পর্ক নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, তাই যদি হয়, তাহলে হঠাৎ কেন রাজীব ভট্টাচার্যর সংস্থা থেকে টাটা মেডিক্যাল সেন্টারকে দেওয়া হল এই বিপুল পরিমাণ টাকা? এই রাজীব ভট্টাচার্যর নামেই কি আদতে লুকিয়ে রয়েছে অনুব্রতর বেনামি সম্পত্তির ভাণ্ডার? সবদিক খতিয়ে দেখছে ইডি-সিবিআই।

LinkedIn
Share