Tag: khabor

  • Supreme Court: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    Supreme Court: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিব (Chief Secretary) দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুধু তা-ই নয়, ওইদিনের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। মালদার কালিয়াচকের ঘটনার দিন মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের জল গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে, সোমবার ভার্চুয়াল শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। সেখানেই তীব্র ভর্ৎসনার শিকার হন নারিয়ালা। প্রসঙ্গত, ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ার দিন রাতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব পদ থেকে সরানো হয় নন্দিনী চক্রবর্তীকে। তাঁর বদলে নয়া মুখ্যসচিব হন নারিয়ালা।

    রিপোর্ট পেশ এনআইএর (Supreme Court)

    গত বুধবার কালিয়াচকের ঘটনায় এদিন সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ। এনআইএর টিম যে তদন্ত করেছে, তার ওপর ভিত্তি করেই রিপোর্ট জমা করা হয়েছে। মুখবন্ধ খামে সেই রিপোর্ট জমাও পড়েছে শীর্ষ আদালতে। সেখানে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বলেও খবর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যদি আরও অন্য কোনও ব্যক্তির যোগ থাকার প্রমাণ মেলে, অথবা অন্য কোনও দিক উন্মোচিত হয়, তাহলে এনআইএ প্রয়োজনে আরও এফআইআর দায়ের করতে পারে। কলকাতায় এনআইএ আদালতে তদন্তের বিষয় জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে।

    এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশ

    সুপ্রিম কোর্টের তরফে স্থানীয় পুলিশকে তদন্তের যাবতীয় কাগজ এবং এফআইআর অবিলম্বে এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পুলিশকে সবরকম সাহায্য করতেও বলা হয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলাদা হলফনামা জমা দিয়েছে খোদ নির্বাচন কমিশন কমিশন (Chief Secretary)। এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে দেওয়া হয়েছে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট। এদিন মুখ্যসচিবকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেন প্রধান বিচারপতির ফোন ধরেননি?’ মুখ্যসচিব জানান, তিনি দিল্লিতে কাজে গিয়েছিলেন। দুপুরে বিমানে ছিলেন তিনি। তাঁর ফোনে কোনও কল যায়নি (Supreme Court)। এরপর প্রধান বিচারপতি ফের বলেন, “আপনি মোবাইল নম্বর কেন শেয়ার করেননি? আপনার কাছে রাতে ফোন এসেছে, যখন আপনি প্লেন থেকে নেমে গিয়েছেন। আপনাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।”

    হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্যসচিবকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনাকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।” এই সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মুখ্যসচিবকে ভর্ৎসনা করে বলেন, “নিষ্ক্রিয়তারও একটা লিমিট থাকা উচিত।” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “শুধুমাত্র এই ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য জায়গায়ও তাঁদের যেভাবে প্যাম্পার করা হচ্ছে তাতে সবকিছু ঠিকঠাক নেই। এই ঘটনা আপনি এবং আপনার প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার প্রতিফলন। আপনার নিষ্ক্রিয়তার কারণেই নির্বাচন কমিশনকে ওই অবস্থায় পড়তে হয়েছে। আপনারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। কমিশনকে এই ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে আপনাদের নির্দেশ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই যোগাযোগের ঘাটতিই রাজ্যে এত সমস্যা ও অশান্তির সৃষ্টি করেছে। এটা আপনাদের কী ধরনের ক্রেডিবিলিটি (Chief Secretary)?”

    ‘নিজেকে একটু নীচে নামিয়ে আনুন’

    আইনজীবী লুথরা বলার চেষ্টা করেন যে ওই দিন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেই একটি বৈঠকে ছিলেন। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “দয়া করে এদের ডিফেন্ড করবেন না। এই ধরনের অত্যন্ত একগুঁয়ে আমলাতান্ত্রিক মনোভাব আমরা অন্যান্য রাজ্যেও দেখছি (Supreme Court)।” প্রধান বিচারপতি মুখ্যসচিবকে বলেন, “আপনার পদমর্যাদা এতটাই বেশি যে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতো ছোট মানুষরা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না। দয়া করে নিজেকে একটু নীচে নামিয়ে আনুন, যাতে প্রধান বিচারপতির মতো সাধারণ নগণ্য মানুষরা অন্তত আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।”

    এদিন শুনানি হয়েছে ভার্চুয়ালি। সেই সময় আধিকারিকদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুখ্যসচিব এবং অন্য আধিকারিকরা অনলাইনে উপস্থিত রয়েছেন। আমরা আশা করি, অফিসাররা এখন তাঁদের দায়িত্ব ভালোভাবে বুঝে গিয়েছেন। যে পরিস্থিতিতে তাঁদের সাড়া দেওয়া এবং হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সাহায্য করা প্রত্যাশিত ছিল, তা তাঁরা করেননি।” আদালতের তরফে এনআইএকে (Chief Secretary) পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ১৩ এপ্রিল (Supreme Court) ।

     

  • West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    West Bengal Assembly Elections: তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন, মমতার কপ্টারের কাছে ড্রোনকাণ্ডে স্বীকারোক্তি তিন ধৃতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেলিকপ্টারে করে তৃণমূলের প্রচারে যাচ্ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সময় তাঁর সেই কপ্টার ওড়ার সময় একটি উড়ন্ত ড্রোন দেখা যায় (West Bengal Assembly Elections)। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা বিহারের বাসিন্দা বলে খবর। রবিবার হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় উপস্থিত ছিলেন ওই তিনজন। ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের কাজই করছিলেন।

    কপ্টারের আগে আগে ড্রোন (West Bengal Assembly Elections)

    শনিবার মালদায় দলীয় প্রার্থীদের জন্য প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সময় সামসিতে মমতার হেলিকপ্টারের আগে আগে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ মমতা। হেলিকপ্টারে ওঠার সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “হেলিকপ্টারটা অ্যাক্সিডেন্টে ধ্বংস হয়ে যেত। কারা করছে এসব? পুলিশের নজর রাখা দরকার। যারা করেছে, তাদের আইডেন্টিফাই করা দরকার।” এটি ছাড়াও আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যাতে দেখা যায়, কপ্টারে ওঠার আগে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মমতা। আকাশে উড়ন্ত ড্রোনটিকে নিরীক্ষণ করছেন তিনি। সেই সময়ই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই ভিড়ের মধ্যে থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    ‘আমরা ড্রোন উড়িয়েছি’

    ধৃতেরা হল অঙ্কিতকুমার পাসোয়ান, শ্রীকান্ত মণ্ডল এবং নুর আখতার। হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের সভায় যোগ দিয়েছিল তারা। ধৃতদের একজন বলে, “হ্যাঁ আমরা ড্রোন উড়িয়েছি।” পাশের জনের দিকে আঙুল উঁচিয়ে সে বলে, “এ ওড়াচ্ছিল। জানত না। আমরা কাজ করছি, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেনের জন্য। বারণ করেছিলাম (Mamata Banerjee)। আইডিয়া ছিল না। তাও বেস্ট ফুটেজের জন্য ড্রোন উড়িয়ে ফেলে।” ধৃতদের দাবি, তাঁরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়েই প্রচার করছিলেন। তবে দলের তরফে এ নিয়ে কিছু জানানো হয়নি (West Bengal Assembly Elections)। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। গত ২৬ মার্চ দুর্যোগে আটকে পড়েছিল মমতার বিমান। প্রচার সেরে কলকাতায় নামার সময় আটকে পড়ে বিমানটি। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে দুর্যোগ এত তীব্র আকার ধারণ করেছিল যে অবতরণ করতে না পেরে আকাশে চক্কর কাটতে থাকে বিমানটি। প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরে সেই অবস্থায় আকাশে চক্কর কেটে শেষ পর্যন্ত মাটি ছোঁয় মমতার (Mamata Banerjee) বিমান।

    কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি

    সেবার দুবরাজপুরে প্রচার সেরে অন্ডাল থেকে ছোট আকারের বিমানটিতে সওয়ার হন মমতা। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় বিপত্তি দেখা দেয়। পরে দুই পাইলটের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা। জানান, পাইলটরাই বিমানে সওয়ার সকলের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সেই ঘটনার পরই কপ্টারের সামনে ড্রোন ওড়ানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশ্ন ওঠে মমতার নিরাপত্তা নিয়েই (West Bengal Assembly Elections)।এদিকে, ধৃত তিনজন জানান, হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল প্রার্থী মতিবুর রহমানের হয়ে প্রচার করেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যই ড্রোন উড়িয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ‘গরিবের বন্ধু’ বলে ফেসবুকে পরিচিত মতিবুর একজন ইনফ্লুয়েন্সারও। প্রচুর (Mamata Banerjee) ফলোয়ার রয়েছে তাঁর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক মিউজিক ভিডিও পাবলিশ হয় প্রতিদিনই। সেই মতিবুরের জন্য ভিডিও তৈরিতে ভালো শটের আশায় ড্রোন উড়িয়েছিল বলে স্বীকার করে ধৃতেরা।

    ‘আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না’

    যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতেই ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ের সভায় মমতা বলেন, “আমি যখন মিটিং করে আসছিলাম মালদা থেকে। আমার হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ধাক্কা খেলে হেলিকপ্টারটা ধ্বংস হত। কারা ওড়াচ্ছিল? বিহারের তিনজন ধরা পড়েছে। টার্গেটটা কী? আমার জীবন কাড়ার জন্য? কেড়ে নিন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু যতক্ষণ বেঁচে থাকব, আপনাদের বিরুদ্ধে গলা ফাটাব। আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না।” প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এ রাজ্যে সভা করতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলার (Mamata Banerjee) চেষ্টা করেন। তবে এই ভিকটিম কার্ডের রাজনীতি বাংলার মানুষ ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন। এভাবে কমিশনের বিরুদ্ধ গালিগালাজ করা বাংলার সংস্কৃতি নয় (West Bengal Assembly Elections)।”

     

  • PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জরুরি অবস্থা থেকে শুরু করে কংগ্রেস আমলের দমন-পীড়ন এবং বাংলার মতো রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা—সব কিছু সহ্য করেও তাঁরা দলকে শক্তিশালী করেছেন এবং দেশের সেবা করেছেন।” সোমবার বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে (BJPs Foundation Day) কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির কর্মীদের নিষ্ঠা ও ত্যাগের প্রশংসা করতে গিয়েই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলি তুলে ধরতে বিজেপি কর্মীরা কখনও পিছপা হন না। তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ভারতের ভবিষ্যৎকে উন্নত করবে। তাই কর্মীরা সব ধরনের কষ্ট সহ্য করেছেন—তা জরুরি অবস্থার সময় হোক বা কংগ্রেস আমলের অত্যাচার। অনেক কর্মী নিজেদের জীবনও উৎসর্গ করেছেন। আমরা বাংলার মতো রাজ্যে দেখেছি, যেখানে হিংসা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।”

    জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

    রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রাথমিক সময়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সেই সময় ভুলতে পারি না, যখন ১৯৮৪ সালে কংগ্রেস রেকর্ড সংখ্যক আসন জিতেছিল, কিন্তু একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাও করেছিল। এর ফলে মানুষের বিজেপির প্রতি আস্থা বাড়ে এবং ধীরে ধীরে আমরা আসন জিততে শুরু করি।” ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আদর্শগত পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেই সময় দুটি মতাদর্শ সামনে আসে—একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং অন্যটি সেবাভিত্তিক রাজনীতি (PM Modi)।”

    আরএসএস থেকে প্রেরণা

    তিনি জানান, বিজেপি আরএসএস থেকে প্রেরণা পেয়েছে (BJPs Foundation Day)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরএসএসের বিশাল ও পবিত্র বটবৃক্ষের ছায়ায় আমরা নিঃস্বার্থ উদ্দেশ্য ও সততার সঙ্গে রাজনীতিতে প্রবেশের প্রেরণা পেয়েছি। প্রথম কয়েক দশকে আমরা সংগঠনের নীতিনির্ধারণে নিজেদের শক্তি নিয়োজিত করেছি। পরে সময় আসে, যখন বিজেপি নিজেকে একটি শক্তিশালী কর্মীভিত্তিক দল হিসেবে গড়ে তুলতে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করে।” তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বিশাল কর্মীবাহিনী গড়ে তুলেছি যারা সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করে, দলের আদর্শকে নিজেদের জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং কোনও পরিস্থিতিতেই নিজেদের মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করেনি (PM Modi)।”

    আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি

    বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসের আবেগঘন তাৎপর্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেখানে আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি। তাই এই দিনটি শুধু রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়, প্রতিটি কর্মীর জন্য আবেগের দিন। এই দিনটি আমাদের দেশসেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ দেয় (BJPs Foundation Day)।” বিজেপির সভাপতি নীতিন নবীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আমি বিশেষভাবে আমাদের সভাপতি শ্রী নবীনজিকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সভাপতি হওয়ার পর এটি দলের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস। বর্তমানে পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন চলছে, সেখানে আমরা দলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। মনে হচ্ছে নবীনজি দলে নতুনত্ব ও সতেজ শক্তি এনেছেন।”

    বিজেপির প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আজ বিজেপি যে শিখরে দাঁড়িয়ে আছে, তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু লাখ লাখ কর্মীর পরিশ্রম, তাঁদের ত্যাগ ও কঠোর সাধনা—এগুলি সত্যিকারভাবে কেবল সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, যিনি নিজে এই যাত্রার অংশ ছিলেন।” বিজেপির (PM Modi) উৎপত্তি জনসংঘ থেকে, যা ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর কংগ্রেসকে পরাজিত করার লক্ষ্যে জনতা পার্টির সঙ্গে একীভূত হয়। পরে আরএসএস এবং জনসংঘের সদস্যদের দ্বৈত সদস্যপদ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর ফলে জনসংঘের সদস্যরা জনতা পার্টি ছেড়ে ৬ এপ্রিল ১৯৮০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি প্রতিষ্ঠা করেন (BJPs Foundation Day)। গঠনের পর থেকে বিজেপি দুজন প্রধানমন্ত্রী দিয়েছে—অটল বিহারি বাজপেয়ী এবং নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

  • Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে তাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়েছে ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসব প্রতিবেদন ভিত্তিহীন। ইরানের মতে, বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে (India Global Powers) বৃহত্তর একটি কৌশলের অংশ এটি। ভারতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আবদুল মাজিদ হাকিম এলাহি, বিহারের পাটনায় এক শোকসভায় অংশ নিতে গিয়ে এ কথা বলেন।

    এলাহির সাফ কথা (Iran)

    এলাহি সাফ জানিয়ে দেন, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তানের কোনও ভূমিকাই নেই। তিনি বলেন, “ইসলামাবাদের  মধ্যস্থতায় কোনও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে না। কিছু পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারকে প্রভাবিত করা যায়।” তাঁর মতে, মধ্যস্থতার দাবি বাড়িয়ে বলা হয়েছে। এটি করা হয়েছে  কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করতে এবং প্রকৃত আলোচনার অভাব সত্ত্বেও তেলের দাম যাতে স্থিতিশীল রাখা যায়, তা-ই। এলাহির অভিযোগ, পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যথেষ্ট আন্তরিক নয়, কেবল একটি প্রতীকী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, “আলোচনার যে ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা প্রকৃত অগ্রগতির ভান সৃষ্টি করার জন্য, যদিও বাস্তবে কোনও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা আলোচনা চলছে না। আলোচনার প্রস্তুতির যে খবর ঘোষণা করা হচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর। বাস্তব পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করেও এই ঘোষণা করা হচ্ছে না।

    সংঘাতের উৎস

    বর্তমান সংঘাতের উৎস সম্পর্কে এলাহি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। তাঁর মতে, ইরানের যুদ্ধ শুরু করার কোনও ইচ্ছেই ছিল না। তারা আসলে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করার আহ্বানও জানান (Iran), বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক এলাকায় যাতে হামলা বন্ধ করা যায়, সেই জন্য (India Global Powers)। এলাহি বলেন, “যারা এই হামলা শুরু করেছে, তারা থামলে সংঘাতের অবসান সম্ভব।” তাঁর আশা, ভারত-সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশ্বনেতাদের এক সঙ্গে এসে যুদ্ধ শেষ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

    হরমুজ প্রণালীর ওপর জোরদার নিয়ন্ত্রণ

    পশ্চিম এশিয়ার এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। ফেব্রুয়ারির হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির হত্যার খবর প্রকাশের পর ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ সঙ্কটকে আরও ঘোরালো করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দামে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। অথচ, তামাম বিশ্বে জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ এটি। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বেড়েছে (India Global Powers)। কারণ এই পথের যে কোনও বিঘ্ন সরাসরি তেল এবং এলপিজি সরবরাহে প্রভাব ফেলে (Iran)।

    হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে ভারতীয় জাহাজ

    যদিও উত্তেজনা জারি থাকা সত্ত্বেও, ইরান জানিয়েছে, অশত্রু মনোভাবাপন্ন দেশগুলির জাহাজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে, যদি তারা ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই আশ্বাস আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থাকেও জানানো হয়েছে। বর্তমান সংঘাত ও নৌ-অবরোধের আশঙ্কার মধ্যেও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলি নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে। ‘গ্রিন আশা’ নামের একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার সম্প্রতি নিরাপদে প্রণালী পার হয়েছে, যা সংঘাত শুরু হওয়ার পর নবম ভারতীয় জাহাজ। জানা গিয়েছে, এই পথে চলাচলকারী প্রায় ৬০ শতাংশ পণ্যবাহী জাহাজ ইরান থেকে আসছে বা ইরানের দিকে যাচ্ছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চলে ভারতের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

    এসেছে একাধিক এলপিজি ভর্তি জাহাজ

    গ্রিন আশার আগে আরও আটটি ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে এই প্রণালী অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে বিডাব্লু টায়ার এবং বিডাব্লু এলএম নামের এলপিজি জাহাজ প্রায় ৯৪,০০০ টন পণ্য পরিবহণ করেছে। এছাড়াও, পাইন গ্যাস এবং জাক বসন্ত নামের দুটি জাহাজ ২৬ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে মোট ৯২,৬১২ টন এলপিজি বহন করেছে (Iran)। এর আগে এমটি শিবালিক এবং এমটি নন্দাদেবী প্রায় ৯২,৭১২ টন এলপিজি গুজরাটের মুন্দ্রা ও কান্ডলা বন্দরে পৌঁছে দিয়েছে। জাগ লাডকি নামের আর একটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ৮০,৮৮৬ টন অপরিশোধিত তেল মুন্দ্রায় নিয়ে এসেছে। আর জাগ প্রকাশ নামের একটি পেট্রোল ভর্তি জাহাজ ওমান থেকে আফ্রিকায় পৌঁছতে গিয়ে নিরাপদে পার হয়েছে হরমুজ প্রণালী (India Global Powers)।

    গ্রিন সনভি নামের আর একটি জাহাজ সম্প্রতি প্রায় ৪৬,৬৫০ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করে এই পথ অতিক্রম করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনী এই জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। বর্তমানে ভারত ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে তাদের জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে, যদিও পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি (India Global Powers) এখনও অস্থির রয়েছে (Iran)।

     

  • Mani Kumar Chhetri: প্রয়াত বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মণি ছেত্রী, চিকিৎসক মহলে শোকের ছায়া

    Mani Kumar Chhetri: প্রয়াত বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মণি ছেত্রী, চিকিৎসক মহলে শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই পেরিয়েছিলেন ১০৫ বছরের গন্ডি। সেদিনও তিনি শুভানুধ্যায়ীদের দীর্ঘায়ু হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (Doctor) মণিকুমার ছেত্রী (Mani Kumar Chhetri) প্রয়াত হলেন রবিবার, নিজের বাড়িতেই। বার্ধক্যজনিত কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বিশ্বশ্রুত এই চিকিৎসকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ চিকিৎসক মহল।

    মণি ছেত্রীর জীবনালেখ্য (Mani Kumar Chhetri) 

    ১৯২০ সালের ২৩ মে দার্জিলিংয়ে জন্ম মণিকুমারের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমে এমবিবিএস এবং এমডি, তারও পরে লন্ডন থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। তাঁর মেধা, ক্লিনিক্যাল জ্ঞান ও মানবিক বোধ তাঁকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর চিকিৎসক ছিলেন মণি ছেত্রী। হয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তাও। এসএসকেএম হাসপাতালে (পিজি) সার্জেন-সুপারিনটেনডেন্ট পদে ছিলেন। আইপিজিএমইআরে কার্ডিওলজি এবং মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর-ডিরেক্টর হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। পরে যুক্ত হয়েছিলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে। ১৯৭৪ সালে প্রখ্যাত এই চিকিৎসককে দেওয়া হয় পদ্মশ্রী। চিকিৎসকমহলে তিনি ছিলেন (West Bengal) ভীষণ জনপ্রিয়। তাঁর হাতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান, সমৃদ্ধ হয়েছে চিকিৎসাশাস্ত্র। ছেত্রীর চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন অগণিত রোগী।

    রাজ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তিনি

    বেসরকারি হাসপাতাল আমরিতে অগ্নিকাণ্ডের জেরে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। তখন তিনি ছিলেন ওই হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। পরে অবশ্য আদালত তাঁকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। ১৯৮২ সালে অবসর নেন ছেত্রী।  যদিও পেশাদারিত্ব ও রোগীদের সেবার দায়িত্ব ছাড়তে পারেননি। অবসরের পরেও চিকিৎসার (Mani Kumar Chhetri) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগেই বালিগঞ্জ প্লেসের বাড়িতে পড়ে গিয়ে আঘাত পান মণি ছেত্রী। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি বাড়ি ফিরলেও শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। রবিবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রথিতযশা এই চিকিৎসক (Doctor)। এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা থাকাকালীন এই চিকিৎসকের হাত ধরেই রাজ্যে আধুনিক চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটে। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট (ITU) তৈরি হয়েছিল তাঁরই উদ্যোগে। কার্ডিওলজি থেকে নেফ্রোলজি, একাধিক বিশেষ বিভাগ চালু করে তিনি সরকারি (West Bengal) স্বাস্থ্য পরিষেবাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন (Mani Kumar Chhetri)।

     

  • Jan Vishwas Bill 2026: সংসদে পাশ হয়ে গেল ‘জন বিশ্বাস বিল’, কী আছে এতে?

    Jan Vishwas Bill 2026: সংসদে পাশ হয়ে গেল ‘জন বিশ্বাস বিল’, কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জন বিশ্বাস’ বিলের (Jan Vishwas Bill 2026) কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে পুনর্গঠনের এক উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ। এই আইন ৭৯টি কেন্দ্রীয় আইনে ছড়িয়ে থাকা ১০০০-এরও বেশি অপরাধকে যৌক্তিকীকরণ এবং ৭১৭টি বিধানকে অপরাধমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে (Parliament)। এই বিধানগুলির অনেকই ছিল ছোটখাটো প্রক্রিয়াগত ত্রুটি সম্পর্কিত, যেগুলির জন্য প্রায়ই ফৌজদারি মামলা, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারত।

    আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক (Jan Vishwas Bill 2026)

    এই সংস্কারের মাধ্যমে সরকার প্রযুক্তিগত বা তেমন গুরুতর নয় এমন নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ফৌজদারি দায়বদ্ধতার ভয় দূর করতে চেয়েছে। এর পরিবর্তে একটি নতুন কাঠামো আনা হয়েছে, যা গুরুতর অপরাধ এবং ছোটখাটো নিয়মভঙ্গের মধ্যে পার্থক্য করে এবং অপরাধের প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শাস্তি নিশ্চিত করে। সরকারি আধিকারিকরা একে “ইনস্পেক্টর রাজ” মানসিকতা থেকে সরে এসে একটি সহায়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে জোরজবরদস্তির বদলে বিশ্বাসের মাধ্যমে নিয়ম মানতে উৎসাহ দেওয়া হয়। এই আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল অপরাধীকরণ থেকে নিয়ম-মানার দিকে স্পষ্ট পরিবর্তন। পূর্ববর্তী ব্যবস্থায় নথিপত্র জমা দিতে দেরি করা বা কিছু রেকর্ড সংরক্ষণে ব্যর্থ হওয়ার মতো ছোটখাটো ভুলের জন্যও ফৌজদারি শাস্তি, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারত।

    সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাত

    নয়া ব্যবস্থায় এসবের পরিবর্তে ধাপে ধাপে আর্থিক জরিমানা এবং প্রশাসনিক বিচার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। ফলে ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আর ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি না হয়ে অপরাধের গুরুত্ব ও পুনরাবৃত্তির ওপর ভিত্তি করে কেবল আর্থিক জরিমানা দিতে হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক  জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে অপ্রয়োজনীয় মামলার সংখ্যা কমবে, হ্রাস পাবে আদালতের ওপর চাপও। একই সঙ্গে গুরুতর অপরাধ, বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলিতে কঠোর শাস্তি বহাল থাকবে। এই সংস্কারের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাতগুলির একটি হল স্বাস্থ্যসেবা খাত। জন বিশ্বাস বিলের আওতায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইন সংশোধন করা হয়েছে, যেমন—ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০, ফার্মেসি অ্যাক্ট, ১৯৪৮, ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট, ২০০৬,  ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্টস অ্যাক্ট, ২০১০,  এবং ন্যাশনাল কমিশন ফর অ্যালায়েড অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রফেশনস অ্যাক্ট, ২০২১ (Jan Vishwas Bill 2026)।

    বিলটির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

    নয়া কাঠামোর অধীনে রেকর্ড সংরক্ষণে ত্রুটি, প্রক্রিয়াগত বিলম্ব বা ছোটখাটো নিয়ন্ত্রক লঙ্ঘনের মতো (Parliament) অপরাধগুলি, যেগুলির জন্য আগে জরিমানা বা কারাদণ্ড হতে পারত, এখন সুশৃঙ্খল দেওয়ানি জরিমানার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। এতে ছোট ও মাঝারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী, ফার্মেসি এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন। একই সময়ে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান বহাল থাকবে, যাতে রোগীর নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের মান বজায় থাকে। বিলটির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল বিভিন্ন আইনে একটি আনুষ্ঠানিক বিচার কাঠামোর প্রবর্তন। প্রথমবারের মতো কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরে নিযুক্ত বিচারিক কর্তারা আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছোটখাটো মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা পাবেন।

    ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ

    এই ব্যবস্থায় কারণ দর্শানোর নোটিশ, ব্যক্তিগত শুনানির সুযোগ এবং একটি সুনির্দিষ্ট আপিল ব্যবস্থা থাকবে। ফলে যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রেখে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হবে (Jan Vishwas Bill 2026)। সরকার মনে করে, এই ব্যবস্থা বিশেষ করে ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পের জন্য উপকারী হবে, যেখানে নিয়মকানুন অনেক এবং ছোটখাটো ভুল হওয়া স্বাভাবিক। আদালতের বদলে প্রশাসনিকভাবে এসব সমস্যা সমাধান করলে সময় ও সম্পদ উভয়ই সাশ্রয় হবে। জন বিশ্বাস বিল শুধুমাত্র একটি খাত বা মন্ত্রকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ২৩টি মন্ত্রকের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ সংস্কার উদ্যোগ। এই বহুমন্ত্রক-ভিত্তিক পদ্ধতির লক্ষ্যই হল নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মধ্যে সামঞ্জস্য আনা এবং আইনগুলির মধ্যে দ্বন্দ্ব বা পুনরাবৃত্তি দূর করা, যাতে একটি স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয় (Parliament)।

    বিলের সুবিধা

    এই সমন্বয় স্বাস্থ্য, ফার্মাসিউটিক্যাল, বাণিজ্য ও শিল্প-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামগ্রিক প্রভাব ফেলবে। এই আইনের বৃহত্তর লক্ষ্য হল ব্যবসা পরিচালনা সহজ এবং জীবনযাত্রার সহজ বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসার ক্ষেত্রে ছোটখাটো নিয়মভঙ্গের জন্য ফৌজদারি মামলার ভয় দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় বাধা হয়ে ছিল (Jan Vishwas Bill 2026)। এই ভয় দূর করে সরকার উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নিয়ম মানার হার বৃদ্ধি এবং স্বেচ্ছায় নিয়ম অনুসরণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায়। নাগরিকদের জন্যও এটি আইনি জটিলতা কমাবে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক কম খারাপ করবে। বিশ্বাসভিত্তিক প্রশাসনের ওপর জোর দেওয়া সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে—যেখানে কঠোর প্রয়োগের বদলে সহযোগিতা ও সহায়তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় (Jan Vishwas Bill 2026)।  এই সংস্কারের একটি বড় প্রত্যাশিত ফল হল মামলা কমে যাওয়া। বর্তমানে আদালতগুলিতে অনেক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে অনেকই ছোটখাটো নিয়ন্ত্রক লঙ্ঘন সম্পর্কিত। এসব মামলা বিচারব্যবস্থার বাইরে এনে প্রশাসনিকভাবে সমাধান করলে বিচারদান দ্রুত হবে এবং আদালতের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার সম্ভব হবে।

    বিলটির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই সংস্কার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে বিশ্বাস তৈরি করতে চায়। ব্যবসা ও পেশাজীবীদের অপরাধী নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখার মাধ্যমে একটি সহযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য (Parliament)। ২০২৬ সালের জন বিশ্বাস (বিধান সংশোধন) বিল ভারতের নিয়ন্ত্রক দর্শনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে। এটি ভয়ভিত্তিক নিয়মপালন থেকে বিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও সামঞ্জস্যভিত্তিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। যদিও এই সংস্কারের সাফল্য বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে, তবে এর উদ্দেশ্য স্পষ্ট। ছোটখাটো অপরাধকে অপরাধমুক্ত করা, দ্রুত বিচার ব্যবস্থা চালু করা এবং বিভিন্ন খাতে আইনগুলির সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সরকার একটি আধুনিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। সংক্ষেপে, এই বিল শুধু শাস্তি কমানোর বিষয়ে নয়, বরং রাষ্ট্র ও নাগরিকদের সম্পর্ককে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি প্রচেষ্টা। এটি কতটা সফল হবে তা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে, তবে আপাতত এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ সংস্কার উদ্যোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে (Jan Vishwas Bill 2026)।

     

  • US Iran War: “উই গট হিম”, নিখোঁজ যুদ্ধবিমানের ক্রু-সদস্যকে উদ্ধারের পর মন্তব্য ট্রাম্পের

    US Iran War: “উই গট হিম”, নিখোঁজ যুদ্ধবিমানের ক্রু-সদস্যকে উদ্ধারের পর মন্তব্য ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উই গট হিম।” রবিবার এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US Iran War)। “দুঃসাহসিক” অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে নিখোঁজ এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের এক ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্পের মতে, এই উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, কারণ মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান মোতায়েন করেছিল (Donald Trump)। শুক্রবার ইরান একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—দুই আসনের এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল—ভূপাতিত করে, যাতে একজন পাইলট এবং একজন অস্ত্রব্যবস্থা আধিকারিক ছিলেন। পাইলটকে উদ্ধার করা গেলেও, ওই আধিকারিক নিখোঁজ ছিলেন।

    ট্রাম্পের পোস্ট (US Iran War)

    নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে এক দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প জানান, নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর ওই বিমানসেনাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, “আমার নির্দেশে, মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান পাঠায় তাঁকে উদ্ধার করতে। তিনি জখম হয়েছেন। তবে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।” আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শতাধিক বিশেষ অভিযান বাহিনীর সদস্য এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। তাঁরা ইরানের গভীরে প্রবেশ করে বিমানসেনাকে উদ্ধার করে এবং তাঁকে নিরাপদে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (US Iran War)।

    “অলৌকিক” অভিযান

    এই নাটকীয় অভিযানটি অন্ধকারে শুরু হয়ে দিনের আলোয় শেষ হয়, তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোপুরি এগোয়নি। মাঝপথে গোলাগুলি শুরু হয়, আর সেই সংঘর্ষের মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ওই বিমানসেনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, দুদিনব্যাপী এই অভিযানে শতাধিক বিশেষ বাহিনী অংশ নিয়েছিল। মার্কিন বিমানগুলি বোমা বর্ষণ ও গুলি চালিয়ে ইরানি বাহিনীকে দূরে রেখে দিয়েছিল (Donald Trump)। এই উদ্ধার অভিযানটিকে ট্রাম্প “অলৌকিক” আখ্যা দিয়েছেন। এটি ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলের গভীরে, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার হুমকির মধ্যে পরিচালিত হয়। এদিন মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করেছিল এইচএইচ-৬০ ডাব্লু জলি গ্রিন ২ উদ্ধার হেলিকপ্টার, এ-১০ ওয়ারথগ আক্রমণ বিমান, এইচসি-১৩০ মাঝ-আকাশ ট্যাঙ্কার, এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, বিশেষ বাহিনী, কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ইউনিট। এর মধ্যে জলি গ্রিন-২ কপ্টারটি এই অভিযানের প্রধান শক্তি হিসেবে পরিচিত। এটি আধুনিক সেন্সর, দীর্ঘ পাল্লা, এবং যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার সক্ষমতা নিয়ে তৈরি (US Iran War)।

    সিআইএর কৌশল

    এক্সিয়সের (Axios) তথ্য অনুযায়ী, পাইলটকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ইরান একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে আঘাত হানে, যার জেরে কিছু ক্রু সদস্য জখম হন। অস্ত্রব্যবস্থা আধিকারিককে খুঁজে পেতে এক দিনেরও বেশি সময় লাগে (Donald Trump)। জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিককে খুঁজে পাওয়ার আগে সিআইএ একটি বিভ্রান্তিমূলক প্রচার চালায়। তারা জানিয়ে দেয়, ওই আধিকারিককে ইতিমধ্যেই খুঁজে পাওয়া গিয়েছে এবং স্থলপথে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সিআইএ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁকে খুঁজে বের করেছে এবং তাঁর সঠিক অবস্থান হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের সঙ্গে শেয়ার করে। এরপর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

    কেমন আছেন উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্য

    ট্রাম্প বলেন, “উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্য একজন অত্যন্ত সম্মানিত কর্নেল। তিনি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই সাহসী যোদ্ধা শত্রু এলাকার বিপজ্জনক পাহাড়ে ছিলেন, শত্রুরা তাঁকে খুঁজছিল, কিন্তু তিনি কখনও একা ছিলেন না। ২৪ ঘণ্টা তাঁর অবস্থান নজরদারিতে ছিল এবং তাকে উদ্ধারের পরিকল্পনা চলছিল (US Iran War)।” তিনি আরও জানান, শনিবার আর একজন পাইলটকেও উদ্ধার করা হয়েছে।  এটি প্রথমে গোপন রাখা হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি, ইতিহাসে প্রথমবার দুজন মার্কিন পাইলটকে শত্রু অঞ্চলের কোর এলাকা থেকে আলাদা আলাদাভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনও মার্কিন সেনা নিহত বা গুরুতর জখম হননি। এটি মার্কিন আকাশ আধিপত্যের প্রমাণ। এদিকে, ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজ বিমানসেনাকে জীবিত ধরিয়ে দিলে প্রায় ৬৬,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে (Donald Trump)।

    ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডের দাবি, একটি মার্কিন অনুসন্ধান বিমান ধ্বংস করা হয়েছে, ইসফাহানের দক্ষিণে সি-১৩০ পরিবহণ বিমান ও দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে একটি ইজরায়েলি ড্রোনও। তাদের আরও দাবি, উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়েছে এবং অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন (US Iran War)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Rahul Gandhi: রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায় কীভাবে? দোটানায় কংগ্রেস

    Rahul Gandhi: রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায় কীভাবে? দোটানায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ভারত। দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি-বিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে (Modi Govt) পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মোকাবিলা করতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশকে। এমতাবস্থায় বিরোধী দল (Rahul Gandhi) কংগ্রেস এক অভ্যন্তরীণ দ্বিধার সম্মুখীন। রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়, নিরন্তর তা-ই ভেবে চলেছেন শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেসের মাথারা।

    কংগ্রেসে ফাটল (Rahul Gandhi)

    ইরান-ইজরায়েল-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং দেশে জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্বেগের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি এই দ্বন্দ্বকে ফের একবার সামনে নিয়ে এসেছে। এই মুহূর্তটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে শুধু কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা নয়, বরং দলের অভ্যন্তর থেকেই উঠে আসা তীব্র মতপার্থক্য। এই বিভেদের কেন্দ্রে রয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতির কড়া সমালোচনা করেন। তবে এই সমালোচনার জবাব শুধু শাসকদলই দেয়নি, কংগ্রেসেরই বহু প্রবীণ নেতাও এর বিরোধিতা করেছেন।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য

    রাহুল মোদি সরকারের বিদেশনীতিকে “সমঝোতাপূর্ণ” এবং “ক্ষতিগ্রস্ত” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এহেন মন্তব্যটি করেন ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রেক্ষিতে। তিনি আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, দাবি তুলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনির হত্যার ঘটনার নিন্দে করার। তবে এই অবস্থান দলের ভেতরেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রবীণ নেতা শশী থারুর সম্পূর্ণ ভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেন, “ভারতের অবস্থান একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনীতির উদাহরণ।” তাঁর বক্তব্যে কূটনীতির একটি সূক্ষ্ম ও বাস্তববাদী বোঝাপড়া ফুটে ওঠে, যেখানে বৈশ্বিক স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করাটা ভীষণভাবে জরুরি (Rahul Gandhi)।

    দ্বিধা বিভক্ত কংগ্রেস

    এই মতপার্থক্য শুধু কথার লড়াই নয়, এটি কংগ্রেসের ভেতরে দুটি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত—একটি রাজনৈতিক বিরোধিতার ভিত্তি, অন্যটি কৌশলগত বাস্তববাদ (Modi Govt)। থারুর একা নন। প্রবীণ নেতা আনন্দ শর্মা সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপকে “পরিপক্ব ও দক্ষ” বলে প্রশংসা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, আন্তর্জাতিক সঙ্কটকালে জাতীয় ঐক্যের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বিদেশনীতি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। কংগ্রেস নেতা মনীশ তেওয়ারিও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি সামলাতে সরকার সম্ভবত সঠিক কাজই করছে।” বস্তুত, এটি বিরোধী শিবিরের এক নেতার বিরল স্বীকারোক্তি।

    দেশীয় ইস্যুতেও বিভাজন

    দেশীয় ইস্যুতেও বিভাজন দেখা গিয়েছে। এলপিজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের ক্ষেত্রে কমল নাথ ঘাটতির দাবি নাকচ করে দেন, যা দলের বৃহত্তর অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি বলেন, “সঙ্কটের একটি ধারণা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এতে আদতে উপকৃত হচ্ছে বিজেপি। কারণ এটি শাসক বিজেপিকে রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিচ্ছি।” রাহুলের দলের এই বিরোধিতা নতুন কিছু নয়। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরে চালু হওয়া অপারেশন সিঁদুরের পরেও একই ছবি দেখা গিয়েছিল (Rahul Gandhi)। রাহুল সরকারের “রাজনৈতিক সদিচ্ছা” নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, কংগ্রেসেরই থারুর এবং তেওয়ারি প্রকাশ্যে অভিযানকে সমর্থন করেন, প্রশংসা করেন সেনাবাহিনীর। তাঁদের এই অবস্থানকে দলীয় সীমার বাইরে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে (Modi Govt)।

    থারুর ও তেওয়ারির অন্তর্ভুক্তি

    সরকার যখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরতে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল গঠন করে, সেখানে থারুর ও তেওয়ারির অন্তর্ভুক্তি কংগ্রেস নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। থারুরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকায় একটি প্রতিনিধিদলের প্রধান করা হলে এই অস্বস্তি আরও প্রকট হয় (Rahul Gandhi)। সংসদে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিতর্কেও থারুর এবং তেওয়ারিকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দেওয়াও কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত আবারও এই অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন সামনে নিয়ে এসেছে। ভারতের পরিমিত ও কৌশলী কূটনৈতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে। আনন্দ জানান, এই নীতি ভারতকে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করেছে। তিনি পারস্য (আধুনিক ইরান)-এর সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। (Rahul Gandhi)

    এলপিজি সংক্রান্ত মন্তব্য

    কমল নাথের এলপিজি সংক্রান্ত মন্তব্যও দেখায় যে দলের সব নেতা কেন্দ্রীয় অবস্থানের সঙ্গে একমত নন। এই পরিস্থিতিতে দলে রাহুলের নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে। এটি আর কোনও বিচ্ছিন্ন মতভেদ নয়, বরং এমন একটি প্রবণতা, যেখানে অভিজ্ঞ নেতারা তাঁর অবস্থানের সঙ্গে নিঃশর্তভাবে একমত হতে অনিচ্ছুক, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতির ক্ষেত্রে। থারুর, আনন্দ, কমল নাথ ও তেওয়ারির মতো অভিজ্ঞ নেতাদের প্রকাশ্য মতবিরোধ কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ঐকমত্যের কঙ্কালসার চেহারাটাই তুলে ধরে (Modi Govt)।ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে কংগ্রেস যেন নিজেদের নেতৃত্বকেই যাচাই করছে। এতে দলের সমালোচনার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে।

    বড় চ্যালেঞ্জ

    রাজনৈতিক যোগাযোগের দৃষ্টিকোণ থেকে এই অসঙ্গতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি বিরোধী দলের শক্তি আসে সুসংহত ও পরিষ্কার বার্তা থেকে। কিন্তু যখন দলের প্রবীণ নেতারা ভিন্ন বা পরিমিত মতামত দেন, তখন দলের অবস্থান বিভক্ত হয়ে যায়। কংগ্রেসের এই সমস্যার কেন্দ্রে রয়েছে একটি মৌলিক প্রশ্ন। সেটি হল, জাতীয় স্বার্থকে ক্ষুণ্ণ না করে কীভাবে সরকারের সমালোচনা করা যায় (Rahul Gandhi)? থারুর ও শর্মার মতো নেতারা দ্বিদলীয় (bipartisan) দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে, যেখানে ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে, রাহুলের অবস্থান বেশি আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক একটি কৌশলের প্রতিফলন, যা কখনও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হতে পারে। কংগ্রেসের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার—নেহরুর নিরপেক্ষ আন্দোলন থেকে নরসিমা রাওয়ের অর্থনৈতিক সংস্কার—এই প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

    সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস

    বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে, দল কি তার কৌশলগত ঐতিহ্যকে আধুনিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবে? অপারেশন সিঁদুর থেকে ইরানের সংঘাত—সব মিলিয়ে কংগ্রেস এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে এক সন্ধিক্ষণে (Modi Govt)। একদিকে আক্রমণাত্মক বিরোধিতা, অন্যদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের সংযত ও বাস্তববাদী অবস্থানের ঘূর্ণিপাকেই ঘুরপাক খাচ্ছে কংগ্রেস (Rahul Gandhi)। এই মতপার্থক্য যদি গঠনমূলক আলোচনার রূপ নেয়, তবে তা ইতিবাচক হতে পারে। কিন্তু যদি এটি গভীর বিভাজনে পরিণত হয়, তবে তা কংগ্রেস ও ভারতের বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে। বর্তমান সময়ে যখন ভূ-রাজনীতি ও দেশীয় রাজনীতি ক্রমশ জড়িয়ে যাচ্ছে, তখন সুসংহত ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান উপস্থাপন করার ক্ষমতাই নির্ধারণ করবে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ প্রাসঙ্গিকতা।

     

  • ISRO: মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ইসরোর

    ISRO: মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO)। এর লক্ষ্য হল উচ্চ-উচ্চতার পরিবেশে কাজ করা মহাকাশচারী (Astronauts) এবং গ্রাউন্ড টিমের শারীরবৃত্তীয়, মানসিক ও কার্যকরী গতিশীলতা পরীক্ষা করা। ক্রু-দের কর্মক্ষমতা ও মানব-সম্পর্কিত বিভিন্ন উপাদান নিয়ে সংগৃহীত বৈজ্ঞানিক তথ্য সরাসরি গগনযান প্রোগ্রাম এবং ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ মিশনে সাহায্য করবে।

    ‘মিশন মিত্র’ (ISRO)

    ‘মিশন মিত্র’ (Mission MITRA) নামে পরিচিত এই গবেষণাটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত লেহ শহরে প্রায় ৩,৫০০ মিটার উচ্চতায় পরিচালিত হবে। এখানে হাইপোক্সিয়া (অক্সিজেনের ঘাটতি), নিম্ন তাপমাত্রা এবং বিচ্ছিন্নতার মতো পরিবেশগত অবস্থা তৈরি করা হবে, যা মহাকাশ অভিযানের একটি প্রাকৃতিক অনুকরণ হিসেবে কাজ করবে। শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬-এ ইসরোর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “এই গবেষণার লক্ষ্য হল ক্রু (গগনযাত্রী) এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল টিমের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় এবং পরিবেশগত ও কার্যগত চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা তৈরি করা।”

    প্রোটোকলের দায়িত্বে যারা

    প্রসঙ্গত, এই মিশনটি ইসরো এবং ইনস্টিটিউট অফ অ্যারোস্পেস মেডিসিন যৌথভাবে পরিকল্পনা করেছে, এবং বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্টআপ প্রোটোপ্ল্যানেটের পরিকাঠামো ব্যবস্থাপনা ও আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের দায়িত্বে রয়েছে (ISRO)। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, “মানব মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে ক্রু-দের নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষমতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কার্যকর যোগাযোগ, চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা এবং একে অপরকে সাহায্য করার ক্ষমতাই যে কোনও মিশনের সাফল্য ও নিরাপত্তা নির্ধারণ করে।” এতে আরও বলা হয়, “নিয়ন্ত্রিত কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিবেশে পরিচালিত ‘অ্যানালগ মিশন’গুলির মাধ্যমে কঠিন পরিস্থিতিতে (Astronauts) ক্রু-রা কেমন (ISRO) পারফর্ম করেন, তা বোঝা যায়।”

     

LinkedIn
Share