Tag: khabor

  • PM Modi: মেনুতে ভারতের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী, আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন মোদির

    PM Modi: মেনুতে ভারতের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী, আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Summit)। এখানে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের বিশিষ্ট রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক ও উদ্ভাবকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নয়াদিল্লিতে আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করেন। ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি ২০২৩ সালে হয়েছিল প্রথমবারের মতো। সেবার এই সম্মেলন হয়েছিল ব্রিটেনে। তার পরে এই সম্মেলন হয় ২০২৫ সালে, ফ্রান্সে। তার পর এই হচ্ছে ভারতে। এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম বড় আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন।

    নৈশভোজের আয়োজন

    এই হেভিওয়েট অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য নৈশভোজের মেনু তৈরি করেছেন আইটিসি গ্রুপের শেফরা। ভারত মণ্ডপমের সব সরকারি অনুষ্ঠানের ক্যাটারিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এদেরই। নৈশভোজে ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী তুলে ধরা হয়েছে। মেনুতে এবারের সম্মেলনকে বর্ণনা করা হয়েছে,“শীতের শিশিরের মৃদু অবসান ও শান্ত উপভোগের ঋতু; ফসল, আশা ও সম্প্রীতির প্রাচুর্য নিয়ে আগমনের সময়।” বহু-পদ বিশিষ্ট নৈশভোজ শুরু হয় ‘বর্ণিলা’ নামের একটি (PM Modi) স্টার্টার দিয়ে। এতে ছিল বেবি পালং শাকের ক্রিস্প, দইয়ের স্ফিয়ার, তেঁতুল-খেজুর চাটনি, পুরনো দিল্লির মশলা দিয়ে ধনেপাতা রেলিশ এবং জোয়ার ক্রিস্প (AI Summit)। মূল খাবারের মধ্যে ছিল “সস্য”, যা উত্তরাখণ্ডের পাহাড়কে উৎসর্গ করা। এতে ছিল জিআই-ট্যাগযুক্ত মুন্সিয়ারি রাজমা গিলাওয়াত, পাহাড়ি ভাত ও ঝাঙ্গোরা (বার্নইয়ার্ড মিলেট) পুলাও, কুমায়ুনি আলু ও সবজির গুটকে এবং টমেটো-আনারি সস।

    খাবারের বাহার

    এরপর পরিবেশন করা হয় বিভিন্ন ভারতীয় রুটি, তাফতান (তরমুজের বীজ ছড়ানো খামিরযুক্ত রুটি) এবং কাশ্মিরি গিরদা (প্রতিদিন সকালে তাজা বেক করা জনপ্রিয় কাশ্মিরি রুটি)। ডেজার্ট পরিবেশন করা হয় “নিস্বর্গ – নেচার্স ক্রিয়েশন” নামে, যাতে ছিল রসমালাই ট্রেস লেচেস উইন্টারবেরি প্রিজার্ভ-সহ। এটি ছিল মিষ্টি দুধে ভেজানো নরম ও ক্রিমি ছানার কেক স্পঞ্জ, যার সঙ্গে ছিল উইন্টারবেরি কমপোট এবং পার্ল মিলেট স্ট্রুসেল (AI Summit)। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত পানীয়ের মধ্যে ছিল কাশ্মিরি কাহওয়া, ফিল্টার কফি ও দার্জিলিং চা। পাশাপাশি ছিল ইন্ডিয়ান রোজ এবং মিশ্রি গুলকন্দ চকলেট লিফ (PM Modi)।

     

  • RSS: আরএসএস শাখার ওপর হামলা, কাঠগড়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থীরা

    RSS: আরএসএস শাখার ওপর হামলা, কাঠগড়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আরএসএস (RSS) শাখার ওপর হামলার অভিযোগ। সোমবার শাখা চলাকালীন শিক্ষার্থীরা তাতে অংশ নিয়েছিলেন। ঘটনাটির পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং এবিভিপি ও বিজেপি অন্ধ্রপ্রদেশের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো (ABVP) হয়।

    এবিভিপি নেতার বক্তব্য (RSS)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির এক নেতা জানান, প্রতিদিনের মতো সেদিনও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শাখা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। শাখা যখন শেষের দিকে, তখন প্রায় ২০ জন এসএফআই-সমর্থিত শিক্ষার্থী সেখানে এসে ‘আরএসএস গো ব্যাক’, ‘ভিসি ডাউন ডাউন’ এবং ‘হিন্দুরা সন্ত্রাসবাদী’—এই ধরনের আরএসএস-বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক স্লোগান দিতে শুরু করে। এনিয়ে দু’পক্ষই বচসায় জড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা শাখায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শারীরিক নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর এবিভিপির শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন এবং স্থানীয় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাটির বিবরণ ও অভিযুক্তদের নাম জমা দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। আহত শিক্ষার্থীদের কেজিএইচ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

    পরিকল্পিতভাবে হামলা

    এবিভিপির ওই নেতা সন্দেহ প্রকাশ করেন যে, বিশাখাপত্তনমে চলমান ‘নেভি ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ ২০২৬’—যেখানে ৭২টি দেশ অংশ নিচ্ছে—সেখান থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই এসএফআই এবং এআইএসএফ পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে (RSS)। বুধবার এবিভিপির তরফে অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। উপাচার্য উপস্থিত না থাকায় কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপির সভাপতি পিভিএন মাধব হামলার নিন্দা করেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “একটি শান্তিপূর্ণ আরএসএস শাখা এবং এবিভিপি কর্মীদের ওপর এসএফআই এবং এআইএসএফের মার্কসবাদী দুষ্কৃতীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। শিক্ষার্থীরা যখন তাদের মতাদর্শ ও পদ্ধতি প্রত্যাখ্যান করে, তখন তারা হতাশ হয়ে এই ধরনের নৃশংস হামলা চালায় জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলির ওপর। আমরা (ABVP) নিশ্চিত, দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে তাদের (RSS)।”

     

  • Amit Shah: ধর্মের টানে বাংলায় এলেন অমিত শাহ, যোগ দিলেন ইসকনের অনুষ্ঠানে

    Amit Shah: ধর্মের টানে বাংলায় এলেন অমিত শাহ, যোগ দিলেন ইসকনের অনুষ্ঠানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে নয়, স্রেফ ধর্মের টানে বাংলায় এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার মায়াপুর (Mayapur) ইসকনে শ্রীমৎ ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের ১৫২তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন ইসকনে ‘হরে কৃষ্ণ’ নাম নিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই জানিয়ে দিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি এখানে আসেননি, এসেছেন চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্ত হিসেবে। তিনি এও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর মাধ্যমে ভক্তদের উদ্দেশে হরে কৃষ্ণ বার্তা পাঠিয়েছেন।

    শাহি বচন (Amit Shah)

    ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গৌড়ীয় মঠের প্রতিষ্ঠাতা। বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আজ সকালে আমার সঙ্গে দেশের সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা হয়েছে। আমি ওঁকে বললাম যে, আজ মায়াপুরে ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে যাচ্ছি।” শাহ বলেন, “উনি মন থেকে এবং ভক্তিভরে আপনাদের সবাইকে হরে কৃষ্ণ বলেছেন।” তিনি বলেন, “একটু আগেই আমায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সম্বোধন করা হল। আমি এখানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আসিনি। চৈতন্য মহাপ্রভুর অনন্য ভক্ত হিসেবে আজ আমি এখানে এসেছি।” শাহ বলেন, “ভালো-খারাপ সকলের মধ্যেই থাকে। শ্রীকৃষ্ণের শরণ নিলে সব কিছু শান্ত হয়। কৃষ্ণের নাম নেয় না, বিশ্বে এমন কেউ নেই। ভক্তি আন্দোলনকে সর্বত্র ছড়িয়েছেন শ্রীকৃষ্ণ।” তিনি জানান, ভক্তি আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র মায়াপুর সারা বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়।

    আধুনিকতা ধর্মের শত্রু নয়

    শাহ বলেন, “আধুনিকতা ধর্মের শত্রু নয়। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি অচল, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা অটুট, তখনই সব বাধা পেরিয়ে যাওয়া যায়।” তিনি বলেন, “ভক্তিসিদ্ধান্ত প্রভুপাদজি, ভক্তিবেদান্ত প্রভুপাদজিকে মন থেকে প্রণাম করে আমার কথা শুরু করতে চাই। কারণ মহাপ্রভু যে ভক্তি আন্দোলনের শুরু (Amit Shah) করেছিলেন, সেটা এই দুই মহাপুরুষই শুধু এগিয়ে নিয়ে যাননি, বরং আধুনিক করে যুবসমাজের মধ্যে এবং বিশ্বজুড়ে সকলের কল্যাণের রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ করেছেন।” শাহ বলেন, “ভালো-মন্দ মানুষের মধ্যেই থাকে। কিন্তু যখন কেউ নিজের অস্বিস্ত ভুলে শ্রীকৃষ্ণময় হয়ে যান, তখন সব ভালোই হয় (Mayapur)। ভক্তিভরে কৃষ্ণনাম স্মরণেই চেতনা জাগ্রত হয়। দূর হয় মনের অন্ধকার (Amit Shah)।”

     

  • PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল এআইয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যতের কল্পনা করা, যেখানে প্রযুক্তি মানবতার অগ্রগতি সাধন করবে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (PMO) তরফে জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় সম্মেলনস্থল ভারত মণ্ডপমে মোদি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি উপস্থিত একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদি (PM Modi)

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি ভাষণ দেবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা। এরপর অন্য নেতাদের সঙ্গে তিনি ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো ২০২৬ পরিদর্শন করবেন, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ‘লিডার্স প্লেনারি’ অধিবেশনে অংশ নেবেন মোদি। এতে রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী এবং বহুপাক্ষিক সংস্থার প্রবীণ প্রতিনিধিরা এআই সংক্রান্ত জাতীয় ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার—যেমন শাসনব্যবস্থা, পরিকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে তিনি সিইও রাউন্ডটেবিলে অংশ নেবেন। এতে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষ এক্সিকিউটিভরা সরকারি নেতৃত্বের সঙ্গে বিনিয়োগ, গবেষণা সহযোগিতা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং এআই ব্যবস্থার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ (সবার কল্যাণ, সবার সুখ)। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হল এআই ক্ষেত্রে ভারতকে (PM Modi) অগ্রণী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা, যেখানে এআই মানবকল্যাণে কাজ করবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখবে। সম্মেলনটি তিনটি স্তম্ভ – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) এবং অগ্রগতি (Progress) -এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাতটি কর্মদলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই দলগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরার মতো সুনির্দিষ্ট ফল উপস্থাপন করবে।

    সাতটি মূল থিম

    সাতটি মূল থিম হল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে এআই, এআই সম্পদের গণতন্ত্রীকরণ, সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তি, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য এআই, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান, স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা। এই সম্মেলনে ৫০০-রও বেশি বৈশ্বিক এআই নেতা অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকবেন প্রায় ১০০ জন সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক, এবং ৪০০ জন সিটিও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। এছাড়াও ১০০-রও বেশি সরকারি প্রতিনিধি, যার মধ্যে (AI Impact Summit 2026) ২০-রও বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং প্রায় ৬০ জন মন্ত্রী অংশ নেবেন (PM Modi)।

     

  • NGT: আইনি বাধার পাহাড় পার হল নয়াদিল্লির উচ্চাকাঙ্ক্ষী কৌশলগত নিকোবর দ্বীপ উন্নয়ন প্রকল্প

    NGT: আইনি বাধার পাহাড় পার হল নয়াদিল্লির উচ্চাকাঙ্ক্ষী কৌশলগত নিকোবর দ্বীপ উন্নয়ন প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় আইনি বাধার পাহাড় পার হল নয়াদিল্লির সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী কৌশলগত দ্বীপ উন্নয়ন প্রকল্প। এটি রয়েছে (NGT) ভারতের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত ইন্দিরা পয়েন্ট থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে (Andaman Island China Trade)। এটি রয়েছে বিশ্বের ব্যস্ততম সমুদ্রপথগুলির নাগালের মধ্যেই। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ৮১ হাজার কোটি টাকার গ্রেট নিকোবর মেগা পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিবেশগত ছাড়পত্রে হস্তক্ষেপ করতে রাজি নয় জানিয়ে প্রকল্পের পথ পরিষ্কার করে দিয়েছে।

    ‘হংকং’ গড়ার স্বপ্ন (NGT)

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা একসময় এই প্রকল্পকে ‘অপরিণত এবং ভুল পরিকল্পিত’ বলে অভিহিত করেছিল। তবে এনজিটির এই রায় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারতের ‘হংকং’ গড়ার স্বপ্ন—গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। লক্ষ্য হল, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ প্রান্তে একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ও লজিস্টিকস হাব গড়ে তোলা, যা চিনের জন্য হংকং যে ভূমিকা পালন করেছে, ভারতের জন্যও তেমন ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্র ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প বাণিজ্য প্রবাহকে শক্তিশালী করবে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং মালাক্কা প্রণালীর নিকটবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির উপস্থিতি জোরদার করবে (Andaman Island China Trade)।

    উদ্বেগের অবসান

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধী পরিবেশ ও আদিবাসী অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। একাধিক আবেদনে উপকূলীয় নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয় এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ছয় সদস্যের এনজিটি বিশেষ বেঞ্চ রায়ে জানায়, “ছাড়পত্রে হস্তক্ষেপের মতো উপযুক্ত কারণ তারা পায়নি।” বেঞ্চ প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়ে বলেছে যে যথেষ্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে একগুচ্ছ আইনি চ্যালেঞ্জের নিষ্পত্তি হয়েছে। এনজিটির চেয়ারপার্সন বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের নেতৃত্বাধীন বিশেষ বেঞ্চ জানায়, ২০২২ সালে প্রদত্ত পরিবেশগত ছাড়পত্রে হস্তক্ষেপের যথার্থ ভিত্তি নেই। ছাড়পত্রের শর্তাবলীতে যথেষ্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করে। বেঞ্চ এই বিষয়টিকে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখেছে। তাদের মতে, প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না, আবার আইল্যান্ড কোস্টাল রেগুলেশন জোন (আইসিআরজেড) বিধিও উপেক্ষা করা যায় না (NGT)।

    এইচপিসির রিপোর্ট

    এনজিটি একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির (এইচপিসি) প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন পরিবেশ সচিব লীনা নন্দন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে এনজিটির নির্দেশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল পরিবেশগত ছাড়পত্রের কিছু বিষয় পুনর্বিবেচনার জন্য। প্রকল্পের কোনও অংশ নিষিদ্ধ আইসিআরজেড অঞ্চলে পড়ে কি না, সে বিষয়ে এনজিটি জানিয়ে দিয়েছে, প্রকল্পের কোনও অংশই নিষিদ্ধ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে না (Andaman Island China Trade)। আইসিআরজেড হল কেন্দ্রের জারি করা পরিবেশগত বিধিমালা, যা বিশেষ করে আন্দামান-নিকোবর ও লক্ষদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জের উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রণীত। পরিবেশ সুরক্ষা আইনের অধীনে জারি হওয়া এই বিধিতে উপকূলীয় এলাকাকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যেমন আইসিআরজেড-১, যা পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেখানে নির্মাণ ও বাণিজ্যিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

    এনজিটির বিশেষ বেঞ্চ

    এনজিটির বিশেষ বেঞ্চ জানায়, পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তাবলী আবেদনে উত্থাপিত উদ্বেগের যথাযথভাবে সমাধান করেছে। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সরকারকে আরোপিত শর্ত কঠোরভাবে মানতে হবে (NGT)। ১৬৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত গ্রেট নিকোবর প্রকল্প সাম্প্রতিক বছরগুলির অন্যতম বৃহৎ গ্রিনফিল্ড পরিকাঠামো পরিকল্পনা। এতে ১৩০ বর্গকিলোমিটার বনভূমি অন্য খাতে রূপান্তর এবং প্রায় ১০ লাখ গাছ কাটার প্রস্তাব রয়েছে (Andaman Island China Trade)। প্রকল্পের মূল উপাদানগুলি হল, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর, সমন্বিত টাউনশিপ, বেসামরিক ও সামরিক বিমানবন্দর এবং ৪৫০ এমভিএ গ্যাস ও সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

    ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু

    ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু। লক্ষ্য হল, মালাক্কা প্রণালীর নিকটবর্তী অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে গ্রেট নিকোবরকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিষ্ঠিত বন্দরগুলির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গড়ে তোলা। এই কৌশলগত সমুদ্রপথ দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে বিপুল পরিমাণ বৈশ্বিক বাণিজ্য হয়। চিনের অধিকাংশ জ্বালানি আমদানিও এই পথেই পরিবাহিত হয় (NGT)। বর্তমানে ভারত ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য ব্যাপকভাবে বিদেশি বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। প্রস্তাবিত এই হাব পূর্ব-পশ্চিম সমুদ্রপথে চলাচলকারী পণ্যের বড় অংশ আকর্ষণ করতে চায়। টাউনশিপ প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মী ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সমর্থন করবে। বিমানবন্দরটি বেসামরিক ও কৌশলগত উভয় উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত। বিদ্যুৎকেন্দ্র শক্তি স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করবে (Andaman Island China Trade)।

    গ্রেট নিকোবরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা

    ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব নৌসীমান্তে গ্রেট নিকোবরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও পরিসরই এই প্রকল্পের পরিচয় নির্ধারণ করে। এনজিটি স্পষ্টভাবে এর কৌশলগত গুরুত্ব স্বীকার করেছে, যা তাৎপর্যপূর্ণ (NGT)। গ্রেট নিকোবর পূর্ব ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্টগুলির কাছে অবস্থিত। এখান থেকে নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি ও দ্রুত বাহিনী মোতায়েনের ক্ষমতা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সামুদ্রিক উপস্থিতি জোরদার করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। বন্দর ও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য বিমানবন্দর নৌ ও বিমান অভিযানে লজিস্টিক সহায়তা বাড়াবে।চিনের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লি এই প্রকল্পকে শক্তি-বর্ধক  হিসেবে দেখছে। ফলে এটি কেবল অর্থনৈতিক নয়, একটি কৌশলগত আপগ্রেডও (Andaman Island China Trade)। ২০২১ সালে নীতি আয়োগ কমিশন করা সম্ভাব্যতা প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই প্রকল্পটি বিতর্কে জড়ায়। পরিবেশবাদী আশিস কোঠারি আইসিআরজেড ২০১৯ লঙ্ঘনের অভিযোগে এনজিটিতে আবেদন করেন। দাবি করা হয়েছিল, প্রস্তাবিত এলাকার প্রায় ৭০০ হেক্টর সংরক্ষিত উপকূলীয় অঞ্চলে পড়ে। বিশেষ বেঞ্চ এই দাবি খারিজ করে দেয়।

    প্রবালপ্রাচীর

    প্রবালপ্রাচীর সম্পর্কিত উদ্বেগের কথাও বিবেচনা করা হয়। জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার পূর্ববর্তী উপস্থাপনার ভিত্তিতে এনজিটি জানায়, প্রকল্প এলাকার ভেতরে কোনও প্রবালপ্রাচীর নেই। ছড়িয়ে থাকা প্রবাল বৈজ্ঞানিকদের পরামর্শ অনুযায়ী স্থানান্তরিত করা হবে। পরিবেশমন্ত্রককে প্রবাল পুনরুজ্জীবন নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (NGT)। উপকূলবর্তী এলাকায় উন্নয়নের কারণে যেন ক্ষয় বা তটরেখা পরিবর্তন না হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। কচ্ছপ ও পাখির গুরুত্বপূর্ণ প্রজননস্থল বালুকাময় সৈকত সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে (Andaman Island China Trade)। লেদারব্যাক সামুদ্রিক কচ্ছপ, নিকোবর মেগাপোড, লবণাক্ত জলের কুমির, রবার ক্র্যাব এবং নিকোবর বানরের মতো প্রজাতি সংরক্ষণের শর্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এনজিটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পরিবেশগত শর্ত মানা বাধ্যতামূলক।

    এই রায়ে গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের ওপর থাকা বড় আইনি অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক ও পরিবেশগত বিতর্ক শেষ হয়নি, তবে কেন্দ্রীয় সরকার এখন স্থগিত পরিকাঠামো উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে (NGT)। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে, গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ভারতের সামুদ্রিক ভূগোল বদলে দিতে পারে। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য বিমান চলাচল কেন্দ্র গড়ে উঠবে। এনজিটির এই ছাড়পত্র ভারতের কৌশলগত সামুদ্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার ইঙ্গিত (Andaman Island China Trade)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) বিএনপির মন্ত্রিসভায় (BNP Led Cabinet) ঠাঁই হল দুই সংখ্যালঘুরও। বিএনপির নবনির্বাচিত সাংসদরা ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে বিএনপি নেতা তথা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের পথ সুগম হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হিন্দু নেতা নিতাই রায়চৌধুরী এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দীপেন দেওয়ান। নতুন মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় শপথ নেন।

    নয়া মন্ত্রিসভা (Bangladesh)

    সংবাদ মধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জন নেতা পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। মুসলিম-প্রধান দেশে হিন্দু ও বৌদ্ধ পরিচয়ের কারণে চৌধুরী ও দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর সংখ্যালঘুরা, বিশেষ করে হিন্দুরা, বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দুর বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সাধারণ নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকজন হিন্দুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, এবং সেই সব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ফলাও করে। যদিও বিএনপি মন্ত্রিসভায় একজন হিন্দু ও একজন বৌদ্ধ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, তবুও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন কমাতে এর প্রভাব পড়বে কি না—তা সময়ই বলবে (BNP Led Cabinet)।

    পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকা

    এবার দেখে নেওয়া যাক পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকাটি (Bangladesh)। মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরি, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, খালিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কাইকোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরি, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, আফরোজা খানম রিতা, শহিদউদ্দিন চৌধুরি অ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মহম্মদ আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, এএনএম এহসানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং শেখ রাবিউল আলম।

    প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় ঠাঁই হয়েছে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মহম্মদ শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মহম্মদ রাজীব আহসান, মহম্মদ আবদুল বারি, মির শাহে আলম, জুনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরি, একে ইকবাল (BNP Led Cabinet) হোসেন, এমএ মুহিত, আহমেদ সোহেল মনজুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলি নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম (Bangladesh)।

  • Gujarat: সমুদ্রের বুক চিরে চলে গিয়েছে রাস্তা, গুজরাটের এই সড়ক মন কাড়ছে পর্যটকদের

    Gujarat: সমুদ্রের বুক চিরে চলে গিয়েছে রাস্তা, গুজরাটের এই সড়ক মন কাড়ছে পর্যটকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বৈচিত্র্যময় দেশ। তাই সারা বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে। হিমালয়ের পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতে চাইলে কিংবা গোয়ার সমুদ্রসৈকতে রোদ পোহাতে চাইলে এই দেশই সবার সেরা। এখানেই (Gujarat) প্রত্যেক পর্যটকই তাঁর স্বপ্নের গন্তব্য খুঁজে পেতে পারেন। এই মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের মাঝেই রয়েছে এক স্বপ্নিল সড়ক, যার দু’পাশ জুড়ে অসীম জলরাশি। ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথের নাম, ‘রোড টু হেভেন’। মূল ভূখণ্ড কচ্ছকে গুজরাটের ধোলাভিরা গ্রামের সঙ্গে যুক্ত করেছে এই রাস্তা (Float On Water)।

    ‘রোড টু হেভেন’ (Gujarat)

    ‘রোড টু হেভেন’ তার দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য ও অনন্য ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত। বছরের প্রায় ছ’মাস রাস্তার দু’পাশে জল থাকে, বাকি সময়টা চোখে পড়ে সাদা নুনের প্রান্তর। কখনও মনে হয় যেন জলের ওপর দিয়ে গাড়ি চালানো হচ্ছে, আবার কখনও হয় বিশাল লবণ মরুভূমি পেরোনোর অনুভূতি। তবে এসবই নির্ভর করে কোন সময় আপনি ভ্রমণ করবেন, তার ওপর। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়ার ফলে এই রাস্তা কচ্ছের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক প্রতীকী পরিচয়ে পরিণত হয়েছে। এটি ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল। এই সড়কের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। এটি খাদির বেট দ্বীপে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ধোলাভিরার সঙ্গে খাভদা গ্রামের সংযোগ স্থাপন করে, যে গ্রামটি হস্তশিল্প ও হোয়াইট রান অফ কচ্ছের নিকটবর্তী হওয়ায় পরিচিত। জি২০ সম্মেলনের সময় এই পথ প্রদর্শিত হওয়ার পর এটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। পরে সরকার এটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেয় এবং দ্রুতই এটি ভ্রমণপিপাসুদের জনপ্রিয় ড্রাইভিং রুটে পরিণত হয় (Gujarat)।

    ভারতের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা

    ট্রাভেল কনটেন্ট নির্মাতা অরিহন্ত বাইদ ইনস্টাগ্রামে এই রাস্তার একটি মনোমুগ্ধকর ভিডিও শেয়ার (Float On Water) করেছেন। ভিডিওর নোটে লেখা ছিল— “পাকিস্তান থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে ভারতের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা। ‘রোড টু হেভেন’ নামে পরিচিত এই ৩০ কিলোমিটার পথ মূল কচ্ছকে খাদির বেট দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যেখানে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ধোলাভিরা।” নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি—শীতকালই ‘রোড টু হেভেন’ ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। এই সময় আবহাওয়া শীতল ও শুষ্ক থাকে, আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং সাদা লবণ মরুভূমির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

    যাবেন কীভাবে

    বিমানপথে যেতে গেলে ভুজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর ট্যাক্সি ভাড়া করে ‘রোড টু হেভেনে’পৌঁছনো যায়। বিমানবন্দর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার (Gujarat)। রেলপথে যেতে গেলে নিকটতম রেলস্টেশন ভুজ জংশনে আসতে হবে। সেখান থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে এই সড়ক, যা ট্যাক্সি বা ব্যক্তিগত গাড়িতে পৌঁছনো যায়। তবে এই মনোরম পথ উপভোগ করতে রোড ট্রিপই সেরা বিকল্প। রাজকোট, আহমেদাবাদ ও গান্ধীনগর-সহ গুজরাটের প্রধান শহরগুলির সঙ্গে এটি সুসংযুক্ত। অন্যরকম, স্বপ্নিল ড্রাইভিং অভিজ্ঞতার খোঁজে থাকলে কচ্ছের এই (Float On Water) অসাধারণ সড়ক আপনার ভ্রমণতালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত (Gujarat)।

     

  • India: বেঙ্গালুরুতে নয়া অফিসের উদ্বোধন করল আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি

    India: বেঙ্গালুরুতে নয়া অফিসের উদ্বোধন করল আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (India) এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ এর অনুষ্ঠান চলছে। এহেন আবহে আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি অ্যানথ্রোপিক বেঙ্গালুরুতে তাদের নতুন (Claude Developers) অফিসের উদ্বোধন করে দিল। এর মাধ্যমে ভারতে তাদের এআই সম্প্রসারণে একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। অফিস উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি কর্পোরেট, স্টার্টআপ, শিক্ষা, কৃষি এবং সরকারি খাতজুড়ে বিস্তৃত অংশীদারিত্বের কথা ঘোষণা করেছে। টোকিওর পর বেঙ্গালুরু অফিসটি এশিয়ায় অ্যানথ্রোপিকের দ্বিতীয় কেন্দ্র। অ্যানথ্রোপিক ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইরিনা ঘোষ এই অফিসের নেতৃত্ব দেবেন। ভারতে কার্যকলাপ আরও বিস্তারের অংশ হিসেবে কোম্পানিটি বিভিন্ন পদে স্থানীয় প্রতিভা নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

    ভারত এআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বাজার (India)

    ভারত দ্রুতই অ্যানথ্রোপিকের জনপ্রিয় এআই সহকারী ক্লড.এআই-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হয়েছে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ভারত এখন বৈশ্বিকভাবে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। ভারতে ক্লডের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার হচ্ছে কারিগরি কাজে—যেমন কোডিং, গণিতভিত্তিক কাজ, অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পুরানো সিস্টেম আপগ্রেড এবং প্রোডাকশন সফটওয়্যার রিলিজে। এতে স্পষ্ট হয় যে ভারতীয় ডেভেলপাররা এআইকে শুধু কনটেন্ট তৈরি বা চ্যাটের জন্য নয়, বরং জটিল প্রযুক্তির কাজেও ব্যবহার করছেন। ইরিনা বলেন, “দায়িত্বশীল এআই বিকাশের জন্য ভারত একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করে। দেশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবন উন্নয়নের সাফল্য—এই সমন্বয় ভারতকে বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় এআই সম্প্রসারণ ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলেছে (Claude Developers)।”

    রাহুল পাতিলের বক্তব্য

    অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ডেভেলপার সম্মেলনে অ্যানথ্রোপিকের প্রধান প্রযুক্তি আধিকারিক রাহুল পাতিল বলেন, “অসম্ভবও ভারতেই সম্ভব।” বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স শিক্ষক। তিনি বল্ডউইন ইনস্টিটিউশন, সেন্ট জোসেফস এবং পরে পিইএস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন, যেটিকে তিনি খুব কঠোর প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রযুক্তির প্রথম বর্ষেই তিনি তাঁর ভাবী (India) স্ত্রীকে চিনেছিলেন বলেও জানান। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, ভারত শুধু এআইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার নয়, বরং বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্ব গঠনের ক্ষেত্রও।

    অ্যানথ্রোপিকের অন্যতম অগ্রাধিকার হল ভাষা

    ভারতে অ্যানথ্রোপিকের অন্যতম অগ্রাধিকার হল ভাষা। দেশে এক ডজনেরও বেশি সরকারি স্বীকৃত ভাষায় এক বিলিয়নের বেশি মানুষ কথা বললেও, এআই সিস্টেমগুলি ইংরেজিতে তুলনামূলক ভালো কাজ করে। এই সমস্যার সমাধানে ছ’মাস আগে কোম্পানিটি হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, তেলুগু, তামিল, পাঞ্জাবি, গুজরাটি, কন্নড়, মালায়ালম এবং উর্দু—এই দশটি বহুল ব্যবহৃত ভাষায় পারফরম্যান্স উন্নত করার উদ্যোগ নেয়। উন্নত ও প্রতিনিধিত্বশীল প্রশিক্ষণ ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে সাবলীলতায় চোখে পড়ার মতো উন্নতি হয়েছে বলে কোম্পানি জানিয়েছে। ভারতীয় ভাষায় মডেল আরও শক্তিশালী করতে কাজ চলছে (Claude Developers)। কৃষি ও আইন খাতে ভারত-সংশ্লিষ্ট কাজ মূল্যায়নের জন্য অ্যানথ্রোপিক কারিয়া ও কালেকটিভ ইন্টেলিজেন্স প্রজেক্টের সঙ্গে কাজ করছে। ডিজিটাল গ্রিন ও আদালত এআইয়ের মতো অলাভজনক সংস্থার বিশেষজ্ঞরাও এতে যুক্ত। লক্ষ্য হল, মূল্যায়ন সরঞ্জামগুলি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা, যাতে অন্যরাও ভারতীয় ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নত এআই তৈরি করতে পারে।

    ভারতে অ্যানথ্রোপিকের আয়ের হার দ্বিগুণ

    অক্টোবর ২০২৫-এ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর থেকে ভারতে অ্যানথ্রোপিকের আয়ের হার দ্বিগুণ হয়েছে। বড় কর্পোরেট, ডিজিটাল-ফার্স্ট কোম্পানি এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি থেকে প্রবৃদ্ধি এসেছে (India)। এয়ার ইন্ডিয়া তাদের ডেভেলপারদের দ্রুত ও কম খরচে কাস্টম সফটওয়্যার তৈরি করতে ক্লড কোড ব্যবহার করছে। ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম ক্রেড ক্লড কোড ব্যবহারে ফিচার ডেলিভারি দ্বিগুণ দ্রুত এবং টেস্ট কভারেজে ১০ শতাংশ উন্নতির কথা জানিয়েছে। কগনিজ্যান্ট বিশ্বব্যাপী ৩ লাখ ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ক্লড ব্যবহার করছে সিস্টেম আধুনিকীকরণে। রেজরপে তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই যুক্ত করেছে। এন্টারপ্রেট ক্লড-চালিত এআই সহকারী তৈরি করেছে (Claude Developers)। স্টার্টআপ এমার্জেন্ট, যা ব্যবহারকারীদের সাধারণ ভাষায় সফটওয়্যার তৈরি করতে দেয়, ক্লড ব্যবহার করে পাঁচ মাসেরও কম সময়ে ২ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ও ২৫ মিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় অর্জন করেছে।

    ভারতে ক্লড ব্যবহার

    ভারতে ক্লড ব্যবহারের প্রায় ১২ শতাংশ শিক্ষা-সংক্রান্ত। অ্যানথ্রোপিক দেশের বৃহত্তম শিক্ষা-সংস্থা প্রাথমের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। “এনিটাইম টেস্টিং মেশিন” নামের ক্লড-চালিত টুলটি বর্তমানে ২০টি স্কুলে ১,৫০০ শিক্ষার্থীর ওপর পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে ১০০ স্কুলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল ছেড়ে দেওয়া মহিলাদের জন্য প্রাথমের সেকেন্ড চান্স প্রোগ্রামেও এটি ব্যবহার হচ্ছে (India)। ওপেনঅ্যাগ্রিনেট উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান পৌঁছে দিতে ক্লড ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে নূরা হেলথ ও ইন্টেলিহেলথের মতো সংস্থাগুলি ক্লড কোড ব্যবহার করছে। প্রায় ৫ কোটি বিচারাধীন মামলার প্রেক্ষাপটে আদালত এআইয়ের সহযোগিতায় হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইন চালু হয়েছে, যেখানে মামলার আপডেট, সারাংশ ও অনুবাদ পাওয়া যায়। অ্যানথ্রোপিক তাদের মডেল কনটেক্সট প্রোটোকল লিনাক্স ফাউন্ডেশনে দান করেছে। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয় প্রথম ভারতীয় সরকারি এমসিপি সার্ভার চালু করেছে (India)।

    ওপেনএআই, মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও ভারতে গবেষণা ও বাজার সম্প্রসারণ বাড়িয়েছে। ভারতের তিনটি বড় সুবিধা হল—বৃহৎ ডেভেলপার ভিত্তি, শক্তিশালী ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং বহুভাষিক বাস্তব ব্যবহার ক্ষেত্র (Claude Developers)। আগামী বছরগুলিতে ভারতের এআই বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। অ্যানথ্রোপিকের বেঙ্গালুরু অফিস উদ্বোধন স্পষ্ট করেছে, ভারত এখন আর শুধু বৈশ্বিক এআই প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বরং পরবর্তী এআই উদ্ভাবনের নির্মাতা ও অংশীদার (India)।

     

  • Bangladesh: ইউনূসদের প্রস্তাবিত সংস্কার শপথ খারিজ বিএনপির, নতুন শাসককে হুঁশিয়ারি শরিক জামাতের

    Bangladesh: ইউনূসদের প্রস্তাবিত সংস্কার শপথ খারিজ বিএনপির, নতুন শাসককে হুঁশিয়ারি শরিক জামাতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নতুন করে অস্থিরতায় পড়ল বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণ। এদিন নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণ (Oath Taking Row) নিয়ে বিরোধ বাঁধে। বিকেল ৪টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা আগে রাজপথে বিক্ষোভের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় (Bangladesh)। এদিন অনুষ্ঠান শুরু হয় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণের মাধ্যমে। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। ওই নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

    দ্বিতীয় একটি শপথ নিতে অস্বীকার (Bangladesh)

    বিএনপির সাংসদরা প্রচলিত সংসদীয় শপথ নেন। যদিও তাঁরা মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ-সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় একটি শপথ নিতে অস্বীকার করেন। এই পরিষদটি সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত গণভোটের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের এই অস্বীকৃতির ফলে শপথগ্রহণের ধারাবাহিকতা সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত হয়ে যায়। কারণ পরবর্তী পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামি ও ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-এর সাংসদদের শপথ নেওয়ার কথা ছিল। দ্বিতীয় পর্বের শপথের উদ্দেশ্য ছিল জুলাই সনদ গণভোট থেকে উদ্ভূত একটি সংস্কার প্রক্রিয়ায় সাংসদদের ভূমিকা আনুষ্ঠানিক করা। ওই গণভোটে প্রায় ৬২ শতাংশ সমর্থন মেলে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদ ১৮০ দিনের জন্য কার্যত একটি সাংবিধানিক সংস্কার সংস্থার ভূমিকা পালন করত। বিএনপি জানায়, পরিষদের কোনও বিধান এখনও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি এবং তাদের সংসদ সদস্যরা কেবল আইনপ্রণেতা হিসেবেই নির্বাচিত হয়েছেন (Bangladesh)।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে

    এই মতবিরোধের জেরে শাসক জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও প্রকাশ্যে চলে আসে। জামায়াতে ইসলামি এবং এনসিপি বিএনপির অস্বীকৃতির বিরোধিতা করে যুক্তি দেয় যে, গণভোটের ম্যান্ডেট অনুযায়ী অবিলম্বে সাংবিধানিক পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রয়োজন। বিএনপি সংস্কার-সংক্রান্ত অঙ্গীকার না করলে তারা শপথগ্রহণ করবেন না বলেও জানিয়ে দেয় (Bangladesh)। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি প্রবীণ নেতাদের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, জুলাই সনদ নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে এবং প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। দলটি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের আগে সংস্কারের পরিবর্তে আগে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছিল, যদিও তাদের মিত্ররা ভোটের আগে সংস্কারের দাবি জানিয়েছিল (Oath Taking Row)।

    শপথ গ্রহণ

    অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর জামায়াত ও এনসিপির আইনপ্রণেতারা দিনটির পরবর্তী সময়ে উভয় শপথই গ্রহণ করেন। তবে বিএনপির কোনও সাংসদ সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ-সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় শপথ নেননি। ফলে সংসদের ভেতরে সংস্কার কাঠামো আংশিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তারেক রহমানের বিকেল ৪টায় নির্ধারিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের প্রায় ১,২০০ অতিথির উপস্থিত থাকার কথা ছিল। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল-সহ অনেকে।

    সংসদের বাইরের উত্তেজনার আঁচ এসে আছড়ে পড়ে রাজপথেও। জামায়াত নেতারা নির্বাচনে অনিয়ম, ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং এনসিপি-সমর্থক এক নারীকে নোয়াখালিতে গণধর্ষণের অভিযোগ তুলে নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। নতুন সরকার (Oath Taking Row) দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এই সতর্কবার্তা জনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে (Bangladesh)।

     

LinkedIn
Share