Tag: Khagen Murmu

Khagen Murmu

  • Election Result 2024: তৃণমূলের ‘ভেল্কিবাজ’, ‘বেইমান’, ‘চোর’ অপবাদকে উপেক্ষা করে ভোটে জয়ী খগেন মুর্মু

    Election Result 2024: তৃণমূলের ‘ভেল্কিবাজ’, ‘বেইমান’, ‘চোর’ অপবাদকে উপেক্ষা করে ভোটে জয়ী খগেন মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে সবুজ আবির খেলার মধ্যেই গেরুয়া আবির নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য, উত্তর মালদা থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে জয়ী (Election Result 2024) হয়েছেন খগেন মুর্মু। প্রথম থেকেই তাঁর রাজনৈতিক লড়াই ছিল ব্যাপক জোরদার। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ৭৭ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে আরেকবার পদ্মফুল ফোটালেন মালদায়। উত্তরবঙ্গে বিজেপির এই জয়ে ব্যাপক উল্লাস।

    জয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস (Election Result 2024)

    লোকসভা ভোটের প্রচারে তৃণমূলের কাছ থেকে ভেল্কিবাজ, বেইমান, চোরের মতো বাক্যবাণ শুনতে হয়েছিল খগেন মুর্মুকে। তাঁকে উদ্দেশ্য করে তৃণমূলের বড় বড় নেতারাও কুমন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু সকল প্রতিকূলতার মধ্যে নিজের রাজনৈতিক লড়াইকে তীব্র করে জনমতকে সঠিক ভাবে প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তিনি। উত্তর মালদার সাধারণ মানুষ, কেন্দ্রে তৃতীয় বারের জন্য বিজেপি সরকার গড়তে জনাদেশ (Election Result 2024) দিয়েছেন তাঁর পক্ষে। তাঁকে ঘিরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই বারে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাম-কংগ্রেসের প্রার্থী মোস্তাক আলম, আইএসএফ প্রার্থী হয়েছিলেন মহম্মদ সোহেল।

    আরও পড়ুনঃ ক্যানিংয়ে তৃণমূলের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, বাড়ি ভাঙচুর! দিকে দিকে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

    আগের বারের মার্জিন ছিল ৮০ হাজার

    ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে, মালদা উত্তর থেকে জয়ী  হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েছিলেন প্রায় ৮০ হাজার ভোটে। তাঁর গত লোকসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৭৯৮। তৃণমূলের মৌসম পেয়েছিলেন ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১৭। ওই বছর কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করেছিলেন ইশা খান চৌধুরী। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৩ লক্ষ ৪ হাজার ৯৬৪। আর সিপিএমের বিশ্বনাথ ঘোষ পেয়েছিলেন ৫০ হাজার ৩১৫ ভোট। এইবারে জয় (Election Result 2024) করে, বিজেপি আরও একবার প্রমাণ করল উত্তরবঙ্গের অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র উত্তর মালাদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: লোকসভার আগে বিজেপির প্রচার শুরু, জেলায় ঘুরবে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”

    Malda: লোকসভার আগে বিজেপির প্রচার শুরু, জেলায় ঘুরবে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভার ভোট। ময়দানে বিজেপি নেমে পড়েছে। ভোটারদের মন জয় করতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধার কথা প্রচার করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। এবার মালদায় (Malda) লোকসভা ভোটের আগে তাই সাধারণের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের প্রচার তুলে ধরতে উদ্যোগী বিজেপি। প্রতিটি লোকসভায় ঘুরবে ট্যাবলো। যার নাম দেওয়া হয়েছে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”। আজ শুক্রবার মালদহ উত্তরে এই ট্যাবলোর সূচনা করেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব।

    ট্যাবলোয় পাওয়া যাবে আবেদনপত্র (Malda)

    আগামী এক মাসেরও বেশি সময় মালদার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল এবং শহরে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ করা হবে। একই সঙ্গে প্রচার চালানো হবে এই গ্যারান্টি ভ্যান থেকে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণের জন্য আবেদনপত্র পাওয়া যাবে এই প্রচার ভ্যানেই। এর ফলে সাধারণ বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলে দাবি করেছেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু।

    কী বললেন খগেন মুর্মু?

    মালদা উত্তর লোকসভার সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “এই গাড়ি হল মোদি গ্যারান্টি ভ্যান। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখে যা বলেন, বাস্তবে তাই করে দেখান। গত নয় বছরে কী কী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে এই সুযোগ পৌঁছাবে, সেই কথা এই গাড়িতে প্রচার করা হবে। দেশের পিছিয়ে থাকা দলিত সাধারণ মানুষ কীভাবে উন্নয়নের পথে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেই কথাও এলাকায় এলাকায় ঘুরে প্রচার করা হবে। স্বনির্ভর ভারত, আত্মনির্ভর ভারত গড়তে গেলে এই মোদির গ্যারান্টি একান্ত প্রয়োজন। যদি কেউ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন, তাহলে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। আজ মালদায় দুটি গাড়ি এসেছে। আগামীতে আরও গাড়ি আসবে। সারা দেশ জুড়ে ২০০০ এর বেশি গাড়ি মোদির গ্যারান্টি নিয়ে প্রচার করছে। নয় বছরের সরকারের কাজে প্রকল্প এখনও যাঁরা জানেন না, তাঁদের কাছে পৌঁছানোই এই প্রচারের একমাত্র লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “প্রশাসন চায় না এলাকায় রাস্তা হোক”, খাটিয়ায় রোগীমৃত্যুর ঘটনায় তোপ খগেন মুর্মুর

    Malda: “প্রশাসন চায় না এলাকায় রাস্তা হোক”, খাটিয়ায় রোগীমৃত্যুর ঘটনায় তোপ খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) বামনগোলা ব্লকে গোবিন্দপুর মহেশপুর অঞ্চলের, মালডাঙ্গা গ্রামে এলেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। রাস্তার জন্য ঘোষণা করলেন ১০ লাখ টাকা। জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “প্রশাসন চায় না এলাকায় রাস্তা হোক”। গতকাল খারাপ রাস্তা এবং অ্যাম্বুল্যান্স না আসার কারণে খাটিয়া করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যেতে পথেই মৃত্যু হয়েছিল ২৪ বছরের মহিলা রোগীর। এই নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছিল। রাস্তা ঠিক করার বিষয় নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। খাটিয়া করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসন এবং শাসক দল তৃণমূলকে তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি সাংসদ।

    মৃত রোগীর পরিজনের পাশে সাংসদ (Malda)

    খাটিয়ায় রোগীর মৃত্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকেই দায়ী করে একরাশ বিক্ষোভ উগরে দিলেন উত্তর মালদা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। আজ ওই এলাকায় গিয়ে মৃত ওই যুবতী মামনি রায়ের পরিবারের সাথে দেখা করেন সাংসদ এবং স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। গ্রামবাসীদের নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এলাকা জুড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সাংসদ।

    কী বললেন খগেন মুর্মু

    উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করে বলেন, “এই এলাকার সাংসদ, বিধায়ক থাকলেও আমাদের কিছু করণীয় নেই। আমরা প্রশাসনকে বারবার রাস্তার জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছি। কিন্তু আমরা বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়েছি বলে রাজ্য সরকার এলাকার রাস্তা করছে না। প্রশাসন বৈঠক ডাকুক আমিও আজই যাবো। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়কের যোজনায় রাস্তার জন্য চিঠি করবো। রাস্তার জন্য ১০ লাখ টাকা অনুদান দেবো আমি। কিন্তু প্রশাসন চায় না রাস্তা হোক। পাশের জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এবং উত্তর দিনাজপুরের সাংসদ দেবশ্রী চৌধরিও তাঁদের জেলা শাসকদের চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু জেলা প্রশাসন কাজ করতে চায় না। প্রশাসন রাস্তা নিয়ে যেমন রাজনীতি করছে ঠিক তেমনি রাজ্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নিয়ে কোনও সদর্থক ভূমিকা দেখা যায়নি। আগেও অ্যাম্বুল্যান্সের অভাবে মৃতদেহ কাঁধে করে ঘাড়ে করে অথবা ব্যাগে করে নিয়ে যেতে হয়েছে। সরকার অত্যন্ত নির্মম।”

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    এলাকার (Malda) এক বাসিন্দা সুমন মণ্ডল বলেন, “এই পাঁচ কিলোমিটার রাস্তাটা বহুদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে। প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। রাস্তা ভালো থাকলে হয়তো ওই রোগীর মৃত্যু হত না। আমরা অবলম্বে রাস্তা চাই।” খাটিয়ায় রোগীকে নিয়ে যাওয়ায়, তার ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই নিন্দার ঝড় উঠেছিল রাজ্য জুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda:  ব্যালট বাক্সই নিখোঁজ! গাজলের স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থানে বিজেপি সাংসদ

    Malda: ব্যালট বাক্সই নিখোঁজ! গাজলের স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থানে বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন ঘোষণা থেকে মনোনয়ন এবং মনোনয়ন প্রত্যাহার থেকে নির্বাচনের প্রচার পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে হিংসার বাতাবরণ বর্তমান ছিল। এবার ভোট প্রদানের দিন লাগাম ছাড়া হিংসা, ভোট লুট, বোমাবাজি, হত্যালীলায় রাজ্য কমিশনের কোনও রকম নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে বিরোধীরা সরব হয়েছেন। এরই মধ্যে গণনার আগেও উত্তপ্ত মালদার (Malda) গাজল। শাসক দল স্ট্রং রুমে ব্যালটে কারচুপি করেছে, এই অভিযোগ তুলে অবস্থাে-বিক্ষোভ করল বিজেপি। বিজেপির আশঙ্কা, ভোট লুট, ছাপ্পা এবং মানুষ হত্যার পর এবার হবে গণনায় চুরি। আর তাই স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থান করলেন বিজেপি সাংসদ এবং বিধায়ক।

    ঘটনা কোথায় ঘটল (Malda)?

    গাজোলে স্ট্রং রুমের সামনে ধরনায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও গাজলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন। স্ট্রংরুমের মধ্যেই শাসক দলের মদতে কারচুপির করা হচ্ছে। তাই ভোট চুরি আটকাতে অভিযোগ তুলেই ধর্নায় বসেছেন সাংসদ ও বিধায়ক।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু (Malda) বলেন, গতকাল ভোটের দিন শাসক দলের দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে মানুষের ভোট লুট করেছে, সাধারণ মানুষকে ভোট না দিতে দিয়ে ছাপ্পা মেরেছে তৃণমূল এবং সর্বোপরি মানুষের গণতন্ত্রের অধিকারকে কেড়ে নিয়ে মৃত্যুর হোলি খেলা হল! তার বিরুদ্ধে আমরা আজ গাজলের নাকু মহম্মদ হাই স্কুলে যে স্ট্রং রুম ঠিক করা হয়েছে, সেখানে এসে প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থানে বসেছি। ৮৩ নম্বর বুথের ব্যালট বাক্স খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিচে পোলিং অফিসাররা রিসিভ করেছেন। কিন্তু তারপর থেকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। বিডিও, জয়েন্ট বিডিও সাহেবকে এই ব্যালট বাক্সের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা নিরুত্তর থাকেন। বিজেপির এই সাংসদ আরও বলেন, আমরা গত কাল রাত ১১ টা থেকে আজ পর্যন্ত বসে আছি। কিন্তু ব্যালট বাক্সের কোনও হদিশ নেই। ২১৭ নম্বর বুথের জেলা পরিষদের ব্যালট বাক্স ফাঁকা করে রাখা হয়েছিল। প্রিসাইডিং অফিসার নিজে তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা মারছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। যে ভাবেই হোক না কেন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতিগুলিকে দখল করতে চাইছে শাসক দল! এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা এমন যে তার মধ্যে দিয়েই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের টাকাগুলিকে বাস্তবায়ন করা হয়। কেন্দ্র সরকারের টাকা চুরি করার সহজ রাস্তা হল পঞ্চায়েত দখল করা। আর তাই তৃণমূলের সকল চোরেদের কাছে বিষয়টা এমন যে পঞ্চায়েত হাতে এলেই চুরি করতে সুবিধা হবে! আর এই জন্যই তৃণমূল চাইছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শুধু তৃণমূলই থাকবে। রাজ্যে একতরফা ভোট চুরি করেছে শাসক তৃণমূল। সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, গাজলের ২৫৩ টি বুথেই পুনরায় নির্বাচন হোক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরবেন”, উস্কানি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা

    Malda: “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরবেন”, উস্কানি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বালুরঘাটের প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ফের বিজেপি সাংসদকে উস্কানি মূলক মন্তব্য করলেন। সোমবার মালদার (Malda) টাউনহলে এক প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরে রাখবেন।” পালটা মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেনবাবু বলেন, “তৃণমূল কেন বাংলায় এতো চুরি করেছে সেই কৈফিয়ৎ মানুষ চাইবে।” এই তৃণমূল নেত্রীর হুমকির বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলায়।

    ঠিক কী বলেন তৃণমূল প্রাক্তন সংসদ (Malda)

    তৃণমূল প্রাক্তন সংসদ অর্পিতা ঘোষ মালদার (Malda) টাউন হলে এদিন বলেন, “একদম বিজেপি সাংসদদের চেপে ধরবেন। বাংলার প্রতিটি মেয়েদের কাছে মায়েদের কাছে এই বার্তা তুলে ধরবেন। ১৫ লক্ষ টাকা না দিলে, বাড়িতে ঢুকলে বেরোতে দেবেন না। অনেক হয়েছে, বড় বড় কথা বলেছেন। কোন সুবিধা মেয়েদের দিয়েছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আজ পর্যন্ত এই ভারতবর্ষে মেয়েদের এতখানি সম্মান কেউ দেননি। এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দেশের অর্থনীতি কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। আমরা যাতে বুঝতে না পাড়ি তাই ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে ধর্মের আফিম খাইয়ে গন্ডগোল লাগিয়ে কেবল সুবিধা নিতে চাইছে। বাংলার মেয়েরাই বিজেপিকে আটকাবে, বোঝাবে কত ধানে কত চাল।”

    আর কী বললেন?

    তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা মেয়েদের অধিকার প্রসঙ্গে মালদায় (Malda) আরও বলেন, “সংসদের নতুন বাড়ি হল, সাধু-সন্তরা যজ্ঞ করলেন। অপর দিকে দলিত বলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ডাকা হল না। রাম মন্দিরের উদ্বোধন করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। একটা গ্যাস দিয়ে ছিলেন ঢাক পিটিয়ে কিন্তু এখন এতো দাম যে কিনতেই পারছি না। গ্যাসের দাম এখন হাজার টাকা।”

    বিজপির বক্তব্য

    তৃণমূল নেত্রীর এই উস্কানি মূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলের সমালোচনা করে বলেন, “বাংলায় তৃণমূল নেতারা এতো চুরি করেছে যে মানুষ এবার হিসাব চাইবে। কেন্দ্রের টাকা লুট করেছে তৃণমূলের নেতারা। মানুষ হিসেব চাইবে তাই আগে থেকে বুঝতে পেরে অন্যের উপর দায় চাপানো হয়েছে। আসলে তৃণমূলের নেতারাই তাঁদের উপর বিরক্ত হয়ে আছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল গোপালের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর! মালদায় হৈমন্তী! তাও আবার এক তৃণমূল বিধায়কের আশ্রয়ে! অন্তত এমনটাই দাবি করছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। জানা গিয়েছে, তাঁর লোকসভা কেন্দ্রেই মালদার চাঁচলে একটি হোটেলে সোমবার রাতে খুব গোপনে ঢোকেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে নিয়ে আসেন এক তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। কয়েকদিন ধরেই ‘নিখোঁজ’ হৈমন্তীকে খুঁজে পেতে মরিয়া তদন্তকারীরা। কোথায় থাকতে পারেন নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) উঠে আসা এই চরিত্র? এই নিয়েই যখন জোর চৰ্চা চলছে সব মহলে, তখনই হঠাৎ জানা গেল হৈমন্তী রয়েছেন মালদায়।

    অবশেষে হৈমন্তীর খোঁজ!

    খগেন মূর্মূর আরও বিস্ফোরক দাবি, এক তৃণমূল বিধায়কের ব্যবস্থাতেই হোটেলে ওঠেন হৈমন্তী। হৈমন্তীকে চাঁচল থেকে বিহার বা ঝাড়খণ্ড হয়ে নেপালে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেন তৃণমূল বিধায়ক। এই গোটা বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানাতে চলেছে বিজেপি, এমনটাই জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে গেরুয়া শিবির সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    এদিন খগেন মুর্মু বলেন, “আমি হঠাৎ করে শুনলাম, আমাদের জেলার চাঁচলে, আমার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে, ওখানে একটা হোটেলে এসেছিলেন। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। খোঁজখবর করা হচ্ছে। ওখানে থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে চলে যেতে পারেন। কারণ এভাবেই তো পালিয়ে বেড়ান।”

    অন্যদিকে, সাংসদের বক্তব্যের পর সেই হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা গোটা বিষয়টি অস্বীকার করলেও তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পরে। হোটেলের এক কর্মীকে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় কত নম্বর রুমে ছিলেন, এই প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে তিনি বলেন, “আজ সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে। কালকে ছিলেন। আজকে সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে (Recruitment Scam)।”

    ১০৪টি সংস্থায় ৩০ কোটির লগ্নি!

    অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জোর গলায় কুন্তল বলেন (Recruitment Scam), “নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত টাকা গোপালের স্ত্রী হৈমন্তীর কাছে রয়েছে।” এর পরে ইডি ও সিবিআইয়ের বিশেষ নজরে গোপাল-হৈমন্তীর সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দু’টি বণিকসভার নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই নেটওয়ার্কে থাকা কয়েকটি সংস্থার অধিকর্তা স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ গোপাল-হৈমন্তী। ওই নেটওয়ার্কে দেশের অন্তত ১১টি রাজ্যে থাকা ১০৪টি সংস্থা এবার সিবিআইয়ের নজরে। যদিও ওই ১০৪টি সংস্থার মধ্যে বেশিরভাগই এই রাজ্যের। সংস্থাগুলিতে অন্তত ৩০ কোটি টাকা লগ্নি হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সংস্থাগুলির উপর নজর রাখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ফলে কতগুলি সংস্থার মাধ‌্যমে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা।

    কুন্তল টাকা পাঠিয়েছেন গোপালের অ্যাকাউন্টে

    আবার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) ফের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআইয়ের হাতে। জানা গিয়েছে, গোপাল দলপতিকে দফায় দফায় টাকা পাঠিয়েছে ধৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। গোপালের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখে এমটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৭-র ২৪ নভেম্বর, ৫০ হাজার, ২৫ নভেম্বর, আরও ৫০ হাজার, ২৭ নভেম্বর একলক্ষ টাকা গোপালের অ্যাকাউন্টে জমা করেছিলেন কুন্তল। এরপর ২০২১-এর ২৯ অক্টোবর, কুন্তল ৭০ হাজার টাকা পাঠান গোপালের অ্যাকাউন্টে। সিবিআইয়ের দাবি, এছাড়াও, গোপাল ওরফে আরমানের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা জমা পড়েছে। ২০১৭-য় গোপালের আরমান ট্রেডিংয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয় নগদ ২ লক্ষ টাকা। এরপর ২০২১-এ গোপালের দিল্লির কেজি মার্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়ে।

    ফলে এত বার করে গোপালকে কেন টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল? তাহলে কি গোপাল দলপতিও কোনও ভাবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে? কোথা থেকে এত টাকা পেল কুন্তল? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই সব কিছুই এখন সিবিআইয়ের স্ক্যানারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share