Tag: Khalistan Movement

Khalistan Movement

  • Jaishankar: জয়শঙ্করের ওপর হামলায় পুড়েছে মুখ, ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে নিন্দা জানাল ব্রিটেন

    Jaishankar: জয়শঙ্করের ওপর হামলায় পুড়েছে মুখ, ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে নিন্দা জানাল ব্রিটেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডনে (London) ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (Jaishankar) ওপর হামলার ঘটনায় মুখ পুড়েছে ব্রিটেনের। ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে পড়েছে ব্রিটিশ প্রশাসন। কার্যত বাধ্য হয়ে ২৪-ঘণ্টা পর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সেদেশের প্রশাসন। একইসঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংসদেও এই ঘটনা উত্থাপন করা হয়েছে। এই আবহে ভারতের বিদেশমন্ত্রক তলব করে ব্রিটিশ সরকারের প্রতিনিধি ক্রিস্টিনা স্কটকে। এই ঘটনা সম্পর্কে তাঁর কাছেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ব্রিটেন বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল হল লেবার পার্টি। বিরোধী আসনে রয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি। দুই দলই এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শাসক দল প্রতিশ্রুতি দেয়, এমন ঘটনা আগামীদিনে ঘটবে না। ব্রিটিশ সংসদে এবিষয়ে প্রথম বক্তব্য রাখেন ব্রিটেনের বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান। তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা লুসি পাওয়েল। একইসঙ্গে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এসেছে ব্রিটেনের বিদেশ, কমনওয়েলথ এবং উন্নয়ন দফতরের।

    ব্রিটেনের বিদেশ, কমনওয়েলথ এবং উন্নয়ন দফতরের বিবৃতি

    ব্রিটেনের বিদেশ, কমনওয়েলথ এবং উন্নয়ন দফতর এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তারা বলে, ‘‘বুধবার ভারতের বিদেশমন্ত্রীর ব্রিটেন সফরের (Jaishankar) সময় চ্যাথাম হাউসের বাইরে যে ঘটনাটি ঘটে, তার তীব্র নিন্দা জানাই।’’ এর পাশাপাশি ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘‘যদিও ব্রিটেন শান্তিপূর্ণ যেকোনও প্রতিবাদের অধিকারকে সমর্থন করে, তবুও এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলিতে ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া বা বাধা দেওয়ার যেকোনও রকমের প্রয়াস কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। মেট্রোপলিটন পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ করেছে এবং আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে আমাদের সমস্ত কূটনৈতিক অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’

    ব্রিটেনের বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যানের বিবৃতি

    ব্রিটেনের বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান সে দেশের সংসদ হাউস অফ কমন্স-এ বিদেশ মন্ত্রী (Jaishankar) এস জয়শঙ্করের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং তীব্র নিন্দা করেন। বৃহস্পতিবারই বব ব্ল্যাকম্যান হাউস অফ কমন্স-এর অধিবেশন চলাকালীন খালিস্তানি উগ্রপন্থীদের এমন আচরণে কড়া নিন্দা করেন এবং এই ঘটনাকে তিনি গণতন্ত্রের প্রতি অবমাননা বলে মন্তব্য করেন। এর পাশাপাশি ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপারের কাছে বব ব্ল্যাকম্যান আবেদন জানান যাতে তাঁদের দেশে যে অতিথিরা আসবেন, তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা যেন সুনিশ্চিত করা যায়। জয়শঙ্করের (Jaishankar) কনভয়ে যেভাবে খালিস্তানি উগ্রপন্থী ঢুকে পড়ে এবং ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে দেয় সে নিয়েই ব্ল্যাকম্যান সংসদে বলেন, ‘‘খালিস্তানি উগ্রপন্থীরা যেভাবে আক্রমণ করেছে, তা জেনেভা কনভেনশনের বিরোধী। মনে হচ্ছে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী জনশঙ্করের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে এ ধরনের ঘটনা যেন আগামী দিনে না ঘটে।’’

    ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির বিবৃতি

    এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়ায় সে দেশের ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির হাউস অফ কমেন্স-এর নেতা লুসি পাওয়েল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,‘‘ভারতের একজন সরকারি অতিথির ওপর এমন গুরুতর আক্রমণের প্রচেষ্টা শুনে আমি খুবই দুঃখিত। এটা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা আমাদের অতিথিদের সঙ্গে যেমন ধরনের ব্যবহার করতে চাই এটা তা নয়।’’ এর পাশাপাশি লেবার পার্টির ওই নেতা বব ব্ল্যাকম্যানকে পূর্ণ আশ্বাস দেন যে আগামীদিনে এধরনের ঘটনা ঘটবে না। এদিকে, ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এই ঘটনায় ব্রিটিশ সরকারের প্রতিনিধি ক্রিস্টিনা স্কটকে তলব করে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এর পাশাপাশি ব্রিটিশ সরকারকে তাদের কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা পালন করার আহ্বানও জানিয়েছে।

    লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ কী জানাল?

    লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে একজন বিক্ষোভকারী বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের (Jaishankar) দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির সামনে চলে আসে। কিন্তু পুলিশ ওই ব্যক্তিকে দ্রুত বাধা দেয় এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রীর পথ থেকে সরিয়ে দেয়। লন্ডনের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এরপরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী আর কোনও বাধা পাননি। এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানিয়েছে লন্ডন পুলিশ। প্রসঙ্গত, এই ঘটনাটি ঘটে রয়্যাল ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের অফিস চ্যাথাম হাউসে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ড সফরে রয়েছে। তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনেই ঘটে এমন ঘটনা।

  • Khalistani: লন্ডনে জয়শঙ্করকে হেনস্থার চেষ্টা, তিরঙ্গা ছিঁড়েও ছাড়! ব্রিটেন কি এখন খালিস্তানিদের ‘আপন দেশ’?

    Khalistani: লন্ডনে জয়শঙ্করকে হেনস্থার চেষ্টা, তিরঙ্গা ছিঁড়েও ছাড়! ব্রিটেন কি এখন খালিস্তানিদের ‘আপন দেশ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেন সফরে রয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর সফরে খালিস্তানপন্থী (Khalistani) উগ্রপন্থীরা তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে ভারতজুড়ে। উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। বিদেশমন্ত্রীর গাড়িকে লক্ষ্য করে ছুটতে দেখা যায় খালিস্তানপন্থী এক উগ্রপন্থীকে। সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকাও ছিঁড়ে ফেলা হয়। ব্রিটিশ (United Kingdom) পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তাদেরকে বড়ই অসহায় মনে হতে থাকে। যখনই ঘটনা ঘটছিল তারা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। তবে খালিস্তানপন্থীদের এমন আচরণ আরও একবার প্রশ্ন তুলল যে ব্রিটেন কি খালিস্তানপন্থীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে? এর পাশাপাশি এই ঘটনা আরও একবার সামনে আনল সে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক কতটা দুর্বল। যদি একটি দেশের বিদেশমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তাহলে কল্পনা করাই যেতে পারে সাধারণ মানুষের জন্য ব্রিটেনে নিরাপত্তার ঠিক কী অবস্থা।

    নিন্দা জানিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক খালিস্তানপন্থীদের (Khalistani) এমন আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী চরমপন্থীদের উস্কানিমূলক কার্যকলাপ বলে এই ঘটনাকে অভিহিত করেছে বিদেশমন্ত্রক। একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক বলেছে, ‘‘আমরা বিদেশমন্ত্রীর সফরে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ফুটেজ দেখেছি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা আশা করি ব্রিটিশ সরকার তাদের কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা সম্পূর্ণভাবে পালন করবে।’’

    এমারজেন্সি সিনেমার প্রদর্শনের সময় চলে বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, ভারত বারবার বলে আসছে যে ব্রিটেনে খালিস্তানপন্থীদের (Khalistani) কার্যকলাপ বাড়ছে। সাম্প্রতিককালে বেশ কিছু খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থীকে দেখা যায় যে ব্রিটেনে এমারজেন্সি সিনেমার প্রদর্শনের সময় তার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে। থিয়েটারের বাইরে এই বিক্ষোভ চললেও, ব্রিটেন প্রশাসন এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপই করেনি। পরবর্তীকালে ওই বিক্ষোভের পরে পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। তারা জানায় যে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে। কিন্তু যখন তাদের বলা হয় যে ভারতীয়রা সিনেমা হলের ভিতরে আছে, তখন কেন এই খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে কোনওরকমের মামলা রুজু করা হল না? তখন আশ্চর্যজনকভাবে ব্রিটিশ পুলিশ উত্তর দেয় যে খালিস্তানপন্থী নিজেদের অধিকারের দাবিতে এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।

    খালিস্তানপন্থীদের আপন দেশ ব্রিটেন?

    খালিস্তানপন্থী (Khalistani) জঙ্গিদের কার্যকলাপ নিয়ে সম্প্রতি সামনে এসেছে এক রিপোর্টে। ১৬৫ পাতার এই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে কীভাবে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে ব্রিটেন এবং ব্রিটিশ প্রশাসনের নাকের ডগাতেই তারা ভারত বিরোধিতা চালিয়ে যাচ্ছে। ওই রিপোর্টে ৩৩ বার উল্লেখ করা হয়েছে খালিস্তান শব্দ। কিন্তু পরবর্তীকালে রিপোর্টটি ধামাচাপা পড়ে যায়। অনেকের ব্যাখ্যা, চাপের কারণেই ধামাচাপা পড়েছে ওই রিপোর্ট। খালিস্তানপন্থীরা ব্রিটেনে এতটাই প্রভাবশালী যে তাদের চাপে এই রিপোর্টকে ধামাচাপা দিতে হয় ব্রিটিশ সরকারকে। প্রসঙ্গত, রিপোর্টটি তৈরি করেছিলেন ব্রিটেনের পাঁচজন মন্ত্রী, চারজন সেক্রেটারি। ধামাচাপা পড়লেও এই রিপোর্টেই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে কীভাবে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত চলছে ব্রিটেনে। ওই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে আর বেশ কিছু শিখ ও উগ্রপন্থী গ্রুপ নিজেদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে চলেছে ফান্ডিং এর জন্য। এই ফান্ডিং তারা কাজে লাগাচ্ছে ঘৃণার প্রচার ও সাম্প্রদায়িকতায়। এই আবহে মনে হচ্ছে ব্রিটেন যেন খালিস্তানপন্থীদের নিজের দেশ হয়ে উঠেছে।

    হেনস্থার চেষ্টা বিদেশমন্ত্রীকে, নিরাপত্তাহীনতায় প্রবাসী ভারতীয়রা

    প্রসঙ্গত ব্রিটেনে ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে হেনস্তা করার এমন প্রচেষ্টায় যে কোনও ব্যক্তি খুব ভালোভাবেই অনুধাবন করতে পারছেন যে খালিস্তানপন্থীদের সমস্যা ব্রিটেনে ঠিক কোন জায়গায় পৌঁছেছে! খালিস্তানপন্থীদের বিক্ষোভ হামলার একাধিক ঘটনা সাম্প্রতিককালে ঘটেছে। এই সমস্ত ঘটনায় যখন তদন্তের দাবি উঠেছে সেই সময় ব্রিটেনের প্রশাসন বারবার এগুলোকে ধামাচাপা দিয়েছে। তাদের যুক্তি এগুলো নাকি বাক স্বাধীনতার অধিকার। ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয়রাও ভয় পাচ্ছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের এমন কাজে। এই প্রবাসী ভারতীয়রা এতটাই ভীত হয়ে রয়েছেন যে তাঁরা জানাচ্ছেন যে, কোনও মুহূর্তে তাঁদের ওপরে বড়সড় ধরনের হামলা শুরু হতে পারে এবং তাঁদেরকে ভারতে ফেরত যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতে পারে। শুধুমাত্র তাই নয়। যে সমস্ত শিখ পরিবার এই খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের সমর্থন করেন না, তাঁরাও ব্রিটেনে নিরাপদ নয়। একটি শিখ পরিবার সম্প্রতি একটি ভিডিও আপলোড করে টিকটকে এবং তারপর থেকেই তাঁরা জানায় যে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা লাগাতার খুনের হুমকি দিচ্ছে তাঁদের।

    হামলা-ভাঙচুরও ব্রিটেনে বাক স্বাধীনতা?

    ২০২৩ সালে একদল খালিস্তানপন্থী (Khalistani) উগ্রপন্থী ভারতীয় দূতাবাসের উপর হামলা চালায় ভয়ঙ্কর সেই হামলায় দুজন কর্মী আহত হন। কিন্তু তারপরেও নিশ্চুপ ছিল ব্রিটিশ প্রশাসন। এত সাহস খালিস্তানপন্থীরা পাচ্ছে কোথা থেকে? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, এর কারণ হল তাদের পিছনে রয়েছে একটি বড় শক্তি। যে শক্তি সরকারের নির্ণায়ক শক্তি। যাদেরকে রাজনীতির পরিভাষায় বলা যায় চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। ব্রিটিশ সরকারের একটাই কথা এগুলো সবটাই বাক স্বাধীনতা। কিন্তু বিদেশমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তাঁর গাড়িতে হামলা চালানোর প্রচেষ্টা, ভারতের দূতাবাসে হামলা চালানো-এগুলো কোন মাপকাঠিতে বাক স্বাধীনতা?

  • India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুন খুনের চেষ্টার নেপথ্যে রয়েছেন র-এর এজেন্ট। মার্কিন (India US Relation) এক দৈনিকে প্রকাশিত এই রিপোর্ট খারিজ করে দিল ভারত। সাফ জানিয়ে দিল, মার্কিন দৈনিকের অভিযোগ অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন।

    বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া (India US Relation)

    প্রতিবেদনটির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “সংগঠিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও অন্যদের নেটওয়ার্ক নিয়ে মার্কিন সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগের কথা আমাদের জানানো হয়েছিল। তা খতিয়ে দেখতে ভারত সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এই আবহে বিষয়টি সম্পর্কে অনুমানমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য একদমই সহায়ক নয়।”

    র-কে নিশানা

    সম্প্রতি মার্কিন (India US Relation) দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বিক্রম যাদব নামে র-এর এক এজেন্ট নাকি পান্নুন হত্যার জন্য একটি হিট টিমকে টাকা দিয়েছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার পরিকল্পনায় নাকি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন র-এর প্রধান সমন্ত গোয়েল। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও বিষয়টি জানতেন। ওয়াশিংটন পোস্টের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারত।

    গত বছরের শেষের দিকেও পান্নুন খুনের চেষ্টায় যে ভারত জড়িত নয় তা জানিয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছিলেন, “খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা খুনের ষড়যন্ত্রে ভারত যোগের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ দিলেই সরকার তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত।” আইনের শাসনের প্রতি তাঁর সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও সেদিন মনে করিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    পান্নুন খুনের চেষ্টায় ভারতকে দোষারোপ আগেও করা হয়েছিল। এর আগেও একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, পান্নুন হত্যার ছক নিয়ে মার্কিন দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ভারত। সেই তদন্ত থেকেই জানা গিয়েছিল, র-এর এক প্রাক্তন এজেন্ট নাকি এই হত্যার ছক কষার নেপথ্যে থাকতে পারেন। যদিও ভারত সরকার নাকি এই ধরনের কোনও অভিযানের অনুমতি দেয়নি (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক স্বাধীনতা নিয়ে ট্রুডো সরকারকে তুলোধনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা কাকে বলে, তা অন্যের থেকে শেখার দরকার নেই। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। ফলে বাক স্বাধীনতার গুরুত্ব আমরা ভালোভাবেই জানি।”  

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    পাঁচদিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সেখানেই শনিবার ফের তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বাস করি। বাক স্বাধীনতা কী, তা আমাদের অন্য কোনও দেশের কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই। আমাদের মনে হয় না বাক স্বাধীনতা কোনও ধরনের হিংসায় উসকানি দিতে পারে না। আমাদের কাছে তা স্বাধীনতার অপব্যবহার, স্বাধীনতা রক্ষা নয়।” সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনসুলেটে বসে বিদেশমন্ত্রী কানাডায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের খালিস্তানি হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমার জায়গায় থাকতেন, তবে কী করতেন? যদি আপনাদের দূতাবাসে, আপনাদের রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হত, তাহলে আপনারা কী করতেন?”

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

    বিদেশমন্ত্রীর দাবি

    বিদেশমন্ত্রীর কথায়, “গত ১০ বছরে শিখদের সমস্যা সমাধান করতে নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদের মধ্যে অল্প কয়েকজনই বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের কথা বলছে। এটাকে গোটা সম্প্রদায়ের সমস্যা বলে ভাবা ঠিক নয়। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা দেখা উচিত।” উল্লেখ্য, কানাডার সঙ্গে সংঘাতের আবহে গতকাল মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন জয়শংকর। এই প্রসঙ্গে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মার্কিনিরা এই সমস্যার দিকে সেভাবে নজর দিচ্ছেন না। আমরা কানাডার দিকে তাকালে সেখানে হিংসা, বিচ্ছিন্নতাবাদ আর সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার মতো ঘটনা দেখতে পাই। আর আমেরিকানরা তাকালে অন্য কিছু দেখতে পান। যদি কেউ বলেন, এটা জি-৭ ভুক্ত দেশে ঘটতে পারে, তবে সেটা অন্য কিছু ভাবার ইঙ্গিত দেয়।” 

    স্কটল্যান্ডে ভারতীয় হাই কমিশনারকে বাধা 

     এবার স্কটল্যান্ডে দেখা গেল খলিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সক্রিয়তা। তাঁদের নিশানায় ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামী। ব্রিটেনের ভারতীয় হাই কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার দুরাইস্বামীকে স্কটল্যান্ডের একটি গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়। ভারতীয় হাই কমিশনারকে গুরুদ্বার পরিচালন সমিতির কয়েক জন সদস্য জানিয়ে দেন, তিনি স্বাগত নন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ভারতে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (Sikhs for Justice)-এর সমর্থকেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Canada: ‘‘প্ররোচনার উদ্দেশ্য ছিল না’’, ভারত চাপ দিতেই খালিস্তান নিয়ে সুর বদল কানাডার

    Canada: ‘‘প্ররোচনার উদ্দেশ্য ছিল না’’, ভারত চাপ দিতেই খালিস্তান নিয়ে সুর বদল কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি মৃত্যু ইস্যুতে এবার সুর নরম করল কানাডা (Canada)। ভারতের কড়া বার্তার পর উল্টো কথা বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। খালিস্তানি জঙ্গি খুনে ভারতের দিকে আঙুল তুলেছিলেন তিনি। এবার নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ট্রুডো। জানালেন, কোনও ‘উসকানি’ দেওয়ার জন্য এই মন্তব্য করেননি তিনি।

    উল্টো সুর ট্রুডোর গলায়

    সোমবার কানাডার (Canada) বিদেশমন্ত্রী ভারতের এক শীর্ষ কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেন। শুধু তাই নয়, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দাবি করেছিলেন, খালিস্তানপন্থি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জার মৃত্যুতে ভারতের সম্ভাব্য যোগ থাকতে পারে। কিন্তু, এরপর ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই কিছুটা কোণঠাসা হয়ে ট্রুডোর দাবি, তিনি ভারতকে প্ররোচনা দিতে চাননি বা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি চাননি। তবে নিজের ভোটব্যাঙ্ককে পুরোপুরি চটানোরও সাহস দেখাতে পারেননি কানাডার প্রধানমন্ত্রী। ট্রুডো বলেন, “অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত ভারত সরকারের। আমরা সেটাই করছি। আমরা কোনও প্ররোচনা দিচ্ছি না বা (সংঘাত) বাড়াতে চাই না। পুরো বিষয়টি যাতে স্পষ্ট হয়ে যায়, সেজন্য আমরা ভারত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চাই। একেবারে সঠিক পদ্ধতি মেনে পুরো বিষয়টি এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই আমরা।”

    আরও পড়ুন: ‘‘অভিযোগ অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন’’! খালিস্তানি জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে কানাডার দাবি খারিজ ভারতের

    কী নিয়ে সম্পর্কের অবনতি

    উল্লেখ্য, চলতি বছর ১৯ জুন কানাডায় (Canada) একটি গুরুদ্বারের সামনে গুলিতে কার্যত ঝাঁঝরা হয়ে যায় হরদীপ সিং নিজ্জরের দেহ। এর পিছনে ভারতের যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিল কানাডা। এক হিন্দু পুরোহিত, সাধারণ হিন্দু ও শিখ নাগরিকদের খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল হরদীপ। তার বিরুদ্ধে এনআইএ চারটি মামলা রুজু করেছে। মাথার দাম ১০ লাখ টাকা। কানাডায় খালিস্তানি সংগঠনের অন্যতম প্রথমসারির নেতা ছিল হরদীপ। সম্প্রতি এই ঘটনার জন্য এক ভারতীয় কূটনীতিবিদকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেয় কানাডা। এই ঘটনার পর চুপ করে বসে থাকেনি ভারত। খলিস্তানি ভোটব্যাঙ্ককে প্রসন্ন রাখতে ট্রুডোরা যে কাজ করার চেষ্টা করছেন, সেটার মুখোশ খুলে দেয় নয়াদিল্লি। ভারতে কর্মরত কানাডার রাষ্ট্রদূতকে সাউথ ব্লকে ডেকে পাঠানো হয়। এরপরেই কানাডার শীর্ষ আধিকারিককে বরখাস্ত করার বিষয়টি সামনে আসে। অবশেষে ভারতের চাপে আসল সত্যি সামনে আনার কথা বলল কানাডা। 

  • India To Trudeau: খালিস্তান ইস্যুতে পাল্টা জবাব দিল্লির! কানাডার শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    India To Trudeau: খালিস্তান ইস্যুতে পাল্টা জবাব দিল্লির! কানাডার শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে নিযুক্ত কানাডার আধিকারিককে বরখাস্ত করল বিদেশ মন্ত্রক। ভারতের কূটনীতিককে বহিষ্কারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই পদক্ষেপ করল নয়াদিল্লি। ৫ দিনের মধ্যে ওই কূটনীতিককে ভারত থেকে চলে যেতে বলা হয়েছে। ওই কূটনীতিক ভারতের অভ্যন্তরে বেশ কিছু কাজে হস্তক্ষেপ করছিলেন বলে অভিযোগ। দাবি, ভারত-বিরোধী কার্যকলাপেও যুক্ত ছিলেন ওই কুটনীতিক।

    কেন বরখাস্ত করা হল?

    খালিস্তানি জঙ্গি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলায় ভারতের যোগ থাকার অভিযোগ তুলেছে কানাডা সরকার। একইসঙ্গে কানাডার ভারতীয় শীর্ষ কূটনৈতিককে বরখাস্ত করেছে ট্রুডো প্রশাসন। এরই জবাব দিল ভারত, মনে করছে কুটনীতিক মহল। মঙ্গলবার সকালে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কানাডার রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। দিল্লির সাউথ ব্লকে কানাডার রাষ্ট্রদূত হাজির হলে সে দেশের এক শীর্ষ আধিকারিককে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

    ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ভারতে নিযুক্ত কানাডার এক শীর্ষ আধিকারিককে বরখাস্ত করা হচ্ছে। আগামী পাঁচদিনের মধ্যে দেশ ছাড়তে হবে তাঁকে। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছে কানাডার কূটনীতিকরা। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। দেশবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেও জড়িত এই কূটনৈতিকরা। ফলে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘অভিযোগ অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন’’! খালিস্তানি জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে কানাডার দাবি খারিজ ভারতের

    দেশ সবার আগে

    এই ইস্যুতে এবার মোদি সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ খালিস্তানি জঙ্গি মৃত্যু ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস সব সময় বিশ্বাস করে যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের দেশের লড়াই আপসহীন হতে হবে। বিশেষ করে যখন সন্ত্রাস ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাকে হুমকির মুখে ফেলছে। আমাদের দেশের স্বার্থ এবং উদ্বেগ সর্বদা সর্বাগ্রে রাখতে হবে।’ সম্প্রতি অপারেশন ব্লু স্টারের ৩৯তম বার্ষীকি উপলক্ষে কানাডার ব্র্যাম্পটনে ‘শোভাযাত্রা’ বের করেছিল খালিস্তানপন্থীরা। সেই প্যারেডে ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের ট্যাবলো প্রদর্শিত হয়েছিল। যা নিয়ে ভারত সরকারের তরফে কড়া ভাষায় বার্তা দেওয়া হয়েছিল কানাডাকে। তবে কানাডা সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে দাবি করেছিল, সেই ঘটনা নাকি জাতিবিদ্বেষী নয়। এরপর থেকেই ক্রমে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে ভারত-কানাডার সম্পর্ক। গতকাল, নিজ্জরের হত্যায় ভারতের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন খোদ কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, যাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয় ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ludhiana: এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার লুধিয়ানা বিস্ফোরণে অভিযুক্ত ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি হ্যাপি

    Ludhiana: এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার লুধিয়ানা বিস্ফোরণে অভিযুক্ত ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি হ্যাপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার লুধিয়ানা আদালত (Ludhiana Court Blast) বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ‘হ্যাপি মালয়েশিয়া’ (Happy Malaysia)। শুক্রবার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) এক কর্তা জানিয়েছেন, রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ খলিস্তানি জঙ্গি হরপ্রীত সিং ওরফে হ্যাপি মালয়েশিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। ২০২১ সালে লুধিয়ানা আদালত চত্বরে বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত হরপ্রীতের মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা।

    গ্রেফতার কুখ্যাত খলিস্তানি জঙ্গি হ্যাপি

    হরপ্রীত সিং অমৃতসরের বাসিন্দা৷ তার সঙ্গে বেশ কয়েকটি জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বব্বর খালসা, খলিস্তান লিবারেশন ফোর্সের মত বেশ কয়েকটি জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগাযোগের প্রমাণ রয়েছে বলে এনআইএ সূত্রের খবর। এছাড়াও পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশনের সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ২০২১ সালের বিস্ফোরণের ঘটনার পিছনে খলিস্তানি জঙ্গি সংগঠন যুক্ত বলে অভিযোগ ওঠে। আর এই ঘটনার মূলচক্রী ছিল এই হরপ্রীত সিং। আজ অবশেষে একে গ্রেফতার করেছে এনআইএ।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে বোমা কারখানার হদিশ, তৃণমূল না আইএসএফ কারা বানাত?

    এনআইএ সূত্রে খবর, গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়েছিলেন এনআইএ-এর আধিকারিকরা যে, মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালা লামপুর থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে আসছিলেন অভিযুক্ত হরপ্রীত। ফলে বিমান থেকে নামতেই তাকে আটক করা হয়।

    কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর বোমা বিস্ফোরণের ফলে কেঁপে উঠেছিল লুধিয়ানা আদালত চত্বর ((Ludhiana)। এতে নিহত হন এক জন ও গুরুতর আহত হন পাঁচ জন। বিস্ফোরণে গগনদীপ নামে এক কনস্টেবল নিহত হয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে যে, পাঞ্জাব পুলিশের বরখাস্ত হওয়া এই কনস্টেবল গগনদীপ সিং এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত ছিল।

    হরপ্রীতের গ্রেফতারির আগে লুধিয়ানা বিস্ফোরণে ((Ludhiana) এনআইএ তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল। তারা হল, সুরমুখ সিং সাম্মু, দিলবাগ সিং বাগ্গো এবং রাজনপ্রিত সিং। রাজনপ্রিত বিস্ফোরক এনে গগনদীপ সিং-কে দিয়েছিল। গগনদীপ আদালতের ভিতরে বিস্ফোরক লাগাতে গিয়েই ফেটে মারা যায়।

    গত বছরের ঘটনার ((Ludhiana) পর হরপ্রীত সিং-কে ধরার জন্য ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল এনআইএ। এই ঘটনা ছাড়াও হরপ্রীতের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মোস্ট ওয়ান্টেডের তালিকায় তার নাম রাখা হয়। এছাড়াও জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের আইএসওয়াইএফ-এর মাথা লখবীর সিং এর সহকারীও এই হরপ্রীত সিং।

LinkedIn
Share